স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের প্রথম পর্যায়েই চাঁপাইনবাবগঞ্জের চার উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিশুরা সত্যিই সৌভাগ্যবান। দেশের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের প্রথম পর্যায়েই এ জেলার চারটি উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

শনিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে উপবৃত্তি বিতরণ ব্যবস্থাপনা উন্নয়নসংক্রান্ত এক দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী শিক্ষা অফিসার, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা অংশ নেন।

মহাপরিচালক জানান, উপবৃত্তির টাকা যেন সরাসরি শিক্ষার্থীদের কাজে লাগে, বিশেষ করে খাতা-কলম, স্কুলড্রেস ও ব্যাগ কেনার ক্ষেত্রে, এ বিষয়ে অভিভাবকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিদ্যালয়গুলোর সার্বিক অগ্রগতি সন্তোষজনক। আগামী ১ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া বার্ষিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে তিনি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, সহকারী শিক্ষকদের দাবি সম্পর্কেও ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে। এ ছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়নে এ বছর তিনটি পরীক্ষার পাশাপাশি শিখন-ঘাটতি নিরূপণে দুটি অ্যাসেসমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আগামী ১ জানুয়ারি জেলার ৭০৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যের নতুন বই বিতরণের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। একই দিনে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাক-প্রাথমিকের নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করার ব্যবস্থাও করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপবৃত্তি) মীর্জা মো. হাসান খসরু এবং রাজশাহী বিভাগীয় উপপরিচালক মো. সানাউল্লাহ।