টানা ১০ দিন বন্ধের পর চালু হয়েছে সোনামসজিদ স্থলবন্দরের কার্যক্রম

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ১০ দিন ছুটি শেষে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবগঞ্জ সোনামসজিদ স্থলবন্দরের কার্যক্রম পুণরায় শুরু হয়েছে। আজ সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি, লোড-আনলোড, পণ্য পরিবহন, কাষ্টমস এবং সিএন্ডএফ বিষয়ক কার্যক্রম শুরু হয়। তবে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আজ সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের জনসংযোগ কর্মকর্তা টিপু সুলতান। তিনি জানান, ১৮ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

বিকেল ৪টা পর্যন্ত দুই শতাধিক আমদানি পণ্যবাহী ট্রাক ভারতের মহদিপুর স্থলবন্দর হতে সোনামসজিদে প্রবেশ করলেও বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয় নি কোন পণ্য। বন্দর সূত্র জানায়, ১০ দিনের বন্ধের মধ্যে গতকাল সাপ্তাহিক ছুটি সহ সকল সরকারি ছুটি অন্তর্ভূক্ত ছিল। তবে এই বন্ধের মধ্যে ঈদের দিনসহ প্রতিদিনই পাসপোর্টধারী যাত্রীদের সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন পথে বাংলাদেশ ও ভারত গমানাগমন স্বাভাবিক ছিল।

বন্দর পরিচালনাকারী বেসরকারি অপারেটর প্রতিষ্ঠান পানামা-সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেড অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান এবং সোনামসজিদ সিএন্ডএফ এজেন্ট এসাসিয়েশন অফিস সচিব একরামুল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা বলেন, ঘোষণা অনুযায়ী বন্দর গত ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ হলেও গত ১৭ মার্চ খালি ট্রাক নিজ নিজ দেশে ফেরত যায় এবং পণ্য লোড-আনলোডের কাজ চলে। তবে টানা ১০ দিন বন্ধের মধ্যে বন্দরের কিছু আভ্যন্তরণীণ কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু ছিল।

পানামা অপারেশন ম্যানেজার আরও বলেন, বন্ধের পূর্বে শেষ গত ১৬ মার্চ ৩৬৮ ট্রাক পণ্য ভারত হতে আমদানি ও বাংলাদেশ হতে ১৬ ট্রাক পন্য ভারতে রপ্তানি হয়। আমদানিকৃত পন্যের মধ্যে ৩০১টি ট্রাকেই ছিল পাথর। এছাড়া ৬৭ ট্রাক ভুট্টা বা মেইজ (পশুখাদ্য), চায়না ক্লে (সিরামিকস কাঁচামাল), মসুর ডাল, ছোলা,শুকনা মরিচ সহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি হয়। অপরদিকে ১৬ মার্চ ভারতে যে ১৬ ট্রাক পন্য রপ্তানি হয় তার মধ্যে ছিল পাটজাত পণ্য, প্লাষ্টিক সামগ্রী ইত্যাদি।