চূড়ান্ত হলেও নতুন নেতা কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে ইরান
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যাকাণ্ডের পর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ নেতার নাম নিয়ে খবর প্রচার হয়েছে। ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের এক সদস্যও বলেছিলেন, দ্রুতই নাম ঘোষণা করা হবে। কিন্তু সাতদিনেও তা না হওয়ায় গুজব ছড়ানোর ঘটনা ঘটছে। আলজাজিরাকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহযোগী অধ্যাপক ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্ভবত পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন হয়ে গেছে। কিন্তু নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণে তা এখনো ঘোষণা করা হচ্ছে না। জোহরেহ খারাজমি নামের ওই অধ্যাপক আলজাজিরাকে বলেছেন, বিশেষজ্ঞ পরিষদ বা অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস -এর আট সদস্য নেতা বাছাইয়ের প্রক্রিয়া বয়কট করেছেন- এমন খবর গুজব। পরবর্তী নেতার জীবন রক্ষা করা খুবই যৌক্তিক। সম্ভবত এই নিরাপত্তা প্রটোকলের কারণেই নাম ঘোষণা করা হচ্ছে না। অধ্যাপক খারাজমি আরও বলেন, গণমাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পশ্চিমাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করেছে। কিন্তু বাস্তবে কুর্দিরা ইরানের পক্ষেই আছে। বৃহস্পতিবার ইরানি বাহিনী ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চলে কুর্দি গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্য করে একটি অভিযান চালিয়েছে। অধ্যাপক খারাজমি বলছেন, এসব খবর মূলত রাজনৈতিক প্রচারণা। ‘আমার মনে হয় এটা রাজনৈতিক প্রচারণা। ইরানিরা তাদের (কুর্দি) দমন করবে এমনটা আমি মনে করি না।’-বলেন অধ্যাপক খারাজমি।