ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ থানায় মামলা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার রানীহাটী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের কুথানীপাড়া ও শিবগঞ্জ ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কুথানীপাড়া গ্রামের স্থানীয় দুই গ্রুপের সালিশ চলাকালীন ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২টি মামলা দায়ের হয়েছে। গতকাল সদর ও শিবগঞ্জ থানায় বিস্ফোরক আইনের একাধিক ধারায় পৃথক মামলা দুটি দায়ের করেন দু’পক্ষের স্থানীয় দুই ব্যাক্তি। তবে এসব মামলায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হননি। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, শুধু সদর থানা এলাকার ঘটনার জন্য সদর থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলায় এজাহারনামীয় আসামী করা হয়েছে ২১ জনকে। অজ্ঞাতনামা আসামী রয়েছেন আরও কয়েকজন। অপরদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শিবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কবির হোসেন জানান, মূল ঘটনাস্থল শিবগঞ্জ থানা এলাকার ঘটনার জন্য সাবেক ২৫ জনকে এজাহারনামীয় সহ অজ্ঞাত আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামী করে মামলা করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, পূর্ব শত্রুতার জের মীমাংসার সালিশের সময় গত ২৪ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টার দিক থেকে দুপুর প্রায় ১২টা পর্যন্ত সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ ছাড়াও খড়ের গাদায় আগুন, বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের মত ঘটনাও ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণ করে ফায়ার সার্ভিস। ককটেলের আঘাতে গুরুতর আহত স্থানীয় এক বৃদ্ধকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রানীহাটী ইউপি চেয়ারম্যান রহমত আলীর নেতৃত্বে সালিশটি শুরু হবার পরপরই দু’পক্ষের বাকবিতন্ডা শুরু হয় এবং প্রথমে ৪/৫ টি ও পরে মূহুর্মুহু ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান হয়। এসময় রানীহাটী ও প্রতিপক্ষ গোড়াপাখিয়া এলাকার লোকজন পরস্পরের প্রতি ককটেল ছুঁড়ে মারে। এ সময় এলাকায় ব্যপক আতংকের সৃষ্টি হয়। পরে বিপুল সংখ্যক পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। ঘটনার কোন রাজনৈতিক সংশ্লিস্টতা পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ও পুলিশ কর্তৃপক্ষ।