ওয়েবসাইটে রেকর্ড হিট ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট বিক্রিতে চাপ
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩ মার্চ থেকে শুরু করেছে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার (৭ মার্চ) বিক্রি হলো ১৭ মার্চের টিকিট। রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ পাওয়া যাবে। সব টিকিট অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে। টিকিট ক্রয় সহজলভ্য করার জন্য পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে বিক্রি হচ্ছে। সূত্রে জানা গেছে, শনিবার টিকিট বিক্রির প্রথম ঘন্টায় ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপে যাত্রীদের বিপুল চাপ লক্ষ্য করা গেছে। সকাল ৮টা থেকে ৮.৩০টার মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট কাটতে ওয়েবসাইটে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ হিট রেকর্ড করা হয়। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ১৭ মার্চের জন্য ঢাকা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ২০টি ট্রেনে মোট ৩১ হাজার ২৫৫টি আসন রয়েছে। সকাল ১০টার মধ্যে এর মধ্যে ১৪ হাজার ৬৮৬টি আসন বিক্রি হয়ে গেছে। ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-পঞ্চগড়, ঢাকা-চিলাহাটি, ঢাকা-বেনাপোল, ঢাকা-দিনাজপুর, ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-কুড়িগ্রাম ও ঢাকা-খুলনা রুটের ট্রেনে তখন **কোনো আসন অবশিষ্ট ছিল না। রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় শনিবারের টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক যাত্রী টিকিট কাটার চেষ্টা করায় ওয়েবসাইট ও অ্যাপে চাপ তৈরি হয়েছে। তারা ধারণা করছেন, আজ ও আগামীকাল টিকিটের চাহিদা সর্বোচ্চ থাকবে। টিকিট না পেয়ে অনেক যাত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করেছেন। আতিকুল ইসলাম নামে এক যাত্রী লিখেছেন, সকাল ৮টায় ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেও টিকিট কাটতে পারিনি। বুকিং হয়ে গিয়েছিল। রেলওয়ে জানিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে যাত্রার আগের সাত দিনের ট্রেনের টিকিট অগ্রিম বিক্রি করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ১। ৭ মার্চ বিক্রি হলো ১৭ মার্চের টিকিট; ২। ৮ মার্চ বিক্রি হবে ১৮ মার্চের টিকিট; ৩। ৯ মার্চ বিক্রি হবে ১৯ মার্চের টিকিট। পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনের টিকিট বিক্রি শনিবার দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে।