অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন

অর্থ আত্মসাত-হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়েরকৃত মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে শুনানি শেষে এই আদেশ দেন ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ও ১১৭ (৩) ধারায় মামলাটি করেছিলেন আমিরুল ইসলাম। মামলার বিষয়ে মেহজাবীন ও আলিশানের জবাব দাখিলের জন্য ১২ জানুয়ারি, দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। জবাব দাখিলের পর শুনানি নিয়ে তাদের মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন আদালত। আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার এসব তথ্য গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেন। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গত ১০ নভেম্বর মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ১৬ নভেম্বর আত্মসমর্পণ করে জামিন পান মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

এবার মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন তারা। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিব, কালকে দিব বলে কালক্ষেপন করে। গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান আমিরুল। তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা বলেন ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না। তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব’। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আমিরুলকে আদালতে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেয়। গত বছরের ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আমিরুল।