জেলায় ১৪ ইউনিয়নের ৪২০ পরিবার পেল শিশুখাদ্য, ঈদসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত

22

সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ৪২০টি পরিবার ঈদের আগের দিন শিশুখাদ্য পেয়েছে। আজ ঝিলিম ইউনিয়নের নতুন বাজার পুলপাড়া গ্রামে শিশুখাদ্য বিতরণ শুরু করেন উপজেলাা নির্বাহী অফিসার আলমগীর হোসেন। উপজেলাা নির্বাহী অফিসার বলেন, করোনাকালের সরকারী ক্যাশ রিলিফের টাকায় এসব শিশুখাদ্য কেনা হয়েছে। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের প্রতি ইউনিয়নে ৩০টি করে শিশুখাদ্যের প্যাকেট পৌঁছে দিয়ে বিতরণ করা হয়েছে। শিশুখাদ্যের প্রতিটি প্যাকেটে রয়েছে ১ কেজি চিনি, ২শ’গ্রাম গুড়ো দুধ, ১কেজি সুজি, ২ পদের সেমাই ও এক প্যাকেট বিস্কুট।

এদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ২ উপজেলায় ব্যক্তি উদ্যোগে দুঃস্থ, অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে ঈদ সামগ্রী তুলে দিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাকেল- শিবগঞ্জ ও সদর) ইকবাল হোসাইন পিপিএম। তিনি আজ সারাদিন শিবগঞ্জ উপজেলার ধোবড়া, মুসলিমপুর,মনাকষা, কানসাট ও শিবগঞ্জ বাজার এলাকার ৩০ টি পরিবারের কাছে এবং সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা, পৌর এলাকার বিভিন্ন মহল্লার ৭০ টি পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী তুলে দেন। প্রতিটি উপহার সামগ্রীর মধ্যে তেল, সেমাই, চিনি, আটা, আলু ও চাল রয়েছে বলে জানান তিনি।

অিন্যদিকে, শিবগঞ্জে রোকেয়া বেগম মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের উদ্যোগে সত্রাজিতপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত ৯টি ওয়ার্ডে ঈদ সামগ্রী বিতরন করেন। সত্রাজিতপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সত্রাজিতপুর ইউনিয়নে ৫ শত হতদরিদ্র ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ঈদ সামগ্রীর তালিকায় ছিল সেমাই, লাচ্ছা সেমাই, চিনি, বুন্দিয়া, পাপড়, ১টি সাবান। বিতরণী সভায় সভাপতিত্ব করেন সত্রাজিতপুর ইউনিয়নের আলহাজ্ব গোলাম ফারুক (মিন্টু), ট্রাষ্ট্রের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল হক। সভায় সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি আশরাফুল হক বলেন, তিনি এলাকার বিত্ত্বশালী মানুষদের এই রোজার মাসে গরীব দুঃখী মানুষের পাশে হাত সম্প্রসারিত করে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি ও ট্রাষ্ট্রের সভাপতি আশরাফুল হক হতদরিদ্র ও দুস্থ গরিব মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন।