আমরা সেন্টমার্টিনে আটকে আছি: চঞ্চল চৌধুরী

10

একটি চলচ্চিত্রের শুটিং করতে বঙ্গোপসাগরে গিয়েছিলেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। ছবিটির নাম ‘হাওয়া’। সঙ্গে ছিলেন শুটিংয়ের প্রায় দেশ শ জনের ইউনিট। তবে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব বাড়ায় নিরাপদে থাকার জন্যে সেন্টমার্টিনের একটি হোটেলে উঠেছেন অভিনেতাসহ অন্য শিল্পী ও কলাকুশলীরা। এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকতে দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া আবহাওয়ার এক বিশেষ বুলেটিনে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। কক্সবাজারে চলছে চার নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত। অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী আছেন সেন্টমার্টিনে। তাকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, আমরা সেন্টমার্টিনে আটকে আছি। হোটেলে অবস্থান করছি। কতদিন থাকতে হবে বলতে পারছি না। আমাদের শুটিং শেষ হয়নি, এখন বন্ধ আছে। দুর্যোগে সাবধানে থাকার কথা উল্লেখ করে ভক্ত ও শুভাকাক্সক্ষীদের উদ্দেশে অভিনেতা বলেন, আমরা নিরাপদে আছি। দুর্যোগের ওপর তো মানুষের হাত নাই, সবাই সাবধানে থাকুন, নিরাপদে থাকুন, জানমালের নিরাপত্তা থাকুন। ‘হাওয়া’ ছবির নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন। তিনি জানান, গভীর সমুদ্রের জেলেদের জীবন কাহিনি নিয়ে ছবির গল্প। সমুদ্রের জলের সঙ্গে মিশে ১০ থেকে ১৫ দিনের বেশি সময় নিয়ে মাছ ধরে। এ কারণে সমুদ্রের গভীরে গিয়ে কাজ করতে হয়েছে। এখন ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র কারণে শুটিং করতে পারছি না। ‘হাওয়া’ ছবির শিল্পীদের মধ্যে চঞ্চল চৌধুরী ছারাও আছেন, সুমন আনোয়ার, নাজিফা তুশি, শরিফুল রাজসহ অনেকে।