নতুন বছরের শুরুটা সুখকর হলো না ম্যানসিটির

নতুন বছরের শুরুটা সুখকর হলো না ম্যানসিটির নতুন বছরের শুরুটা মোটেও সুখকর হলো না ম্যানচেস্টার সিটির জন্য। টানা ছয় ম্যাচ জয়ের পর বছরের প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। সান্ডারল্যান্ডের ঘরের মাঠ ‘স্টেডিয়াম অফ লাইট’-এ গোলশূন্য ড্র করে মূল্যবান দুই পয়েন্ট হারিয়েছে সিটিজেনরা। এই হোঁচটের ফলে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াইয়ে টেবিল টপার আর্সেনালের চেয়ে ৪ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়ল তারা। পুরো ম্যাচজুড়ে বলের দখল এবং আক্রমণে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখালেও সান্ডারল্যান্ডের রক্ষণভাগ এবং বিশেষ করে গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার দুর্ভেদ্য প্রাচীর ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছে ম্যানসিটি। ইতালিয়ান এই গোলরক্ষক একের পর এক অবিশ্বাস্য সেভ করে আর্লিং হালান্ড ও ফিল ফোডেনদের হতাশ করেছেন। সিটির মুহুর্মুহু আক্রমণগুলো দোন্নারুম্মার গ্লাভসে বন্দি হওয়ায় ক্লিন শিট নিয়ে মাঠ ছাড়ে সান্ডারল্যান্ড। এই ড্রয়ের ফলে ১৯ ম্যাচ শেষে সিটির পয়েন্ট এখন আর্সেনালের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। শিরোপা প্রত্যাশী আর্সেনাল বর্তমানে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে, যেখানে ম্যানচেস্টার সিটির সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট। বিশ্লেষকদের মতে, সিটির এই পয়েন্ট হারানো আর্সেনালকে মানসিকভাবে অনেক বেশি এগিয়ে দিল। ম্যাচ শেষে ম্যানচেস্টার সিটি বস পেপ গার্দিওলা কিছুটা হতাশ কণ্ঠে বলেন, ‘‘আমরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সুযোগ তৈরি করেছি, কিন্তু ফিনিশিংটা ছিল হতাশাজনক। সান্ডারল্যান্ড রক্ষণে দারুণ শৃঙ্খলা দেখিয়েছে। শিরোপা জিততে হলে এমন ম্যাচগুলো থেকে পূর্ণ পয়েন্ট আদায় করা জরুরি।’’
২০২৬ সালে ঘরের মাঠে পাঁচ দলের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ

২০২৬ সালে ঘরের মাঠে পাঁচ দলের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ২০২৬ মৌসুমের ঘরের মাঠের আন্তর্জাতিক সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। ঘোষিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এই বছর বাংলাদেশে এসে খেলবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিন সংস্করণ-টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি-মিলিয়ে পুরো বছরই ব্যস্ত সময় পার করবে টাইগাররা। বিসিবি জানায়, এই সূচির ফলে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা ঘরের মাঠে বিশ্বমানের ক্রিকেট উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। ম্যাচগুলোর ভেন্যু পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে। ২০২৬ সালের মার্চে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে পাকিস্তান দল। ১২, ১৪ ও ১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ম্যাচ। এপ্রিল-মে মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।এই সিরিজে সীমিত ওভারের দুই সংস্করণেই নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ পাবে স্বাগতিকরা। মে মাসেই আবার বাংলাদেশ সফরে আসবে পাকিস্তান, তবে এবার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে। এই সিরিজটি আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ, যা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সংগ্রহের সুযোগ এনে দেবে। জুনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে এই সিরিজ ঘরের মাঠে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগস্ট-সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসবে ভারত। এই সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে দুই দল। প্রতিবেশী দুই দেশের ম্যাচ মানেই বাড়তি উত্তেজনা, তাই এই সিরিজ নিয়ে ইতোমধ্যেই ভক্তদের আগ্রহ তুঙ্গে। অক্টোবর-নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সিরিজ শুরুর আগে তিন দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচও রয়েছে। এ ছাড়া মে মাসে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দল বাংলাদেশে এসে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের বিপক্ষে দুটি চার দিনের ম্যাচ ও তিনটি একদিনের ম্যাচ খেলবে। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালে ঘরের মাঠে টানা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভরপুর সময় অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য। বিসিবির এই ঘোষিত সূচি দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
‘বিসিবি সিলেটের’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ৩ জানুয়ারি
‘বিসিবি সিলেটের’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুরাগীদের জন্য তো বটেই, বিশেষ করে সিলেটবাসী ও সিলেট ক্রিকেট অনুরাগীদের জন্যও ‘সুখবর।’ দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে বিসিবির প্রথম শাখা অফিস খোলা হচ্ছে সিলেটে। এবং আর মাত্র ২ দিন পর ৩ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বিসিবি সিলেটের। ক্রিকেট পাড়ার গুঞ্জন নয়। খোদ বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুলের দেয়া তথ্য। ইংরেজী নতুন বছর ২০২৬ এর প্রথম দিন জাগো নিউজের সঙ্গে একান্ত আলাপে বিসিবি প্রধান দিয়েছেন এ সুখবর। আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেট তৃণমূলে ছড়িয়ে দিতে আঞ্চলিক ক্রিকেট পরিদপ্তর। আঞ্চলিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন করা তথা অন্তত বিভাগীয় পর্যায়ে সকল বিভাগে বিসিবির আঞ্চলিক অফিস তৈরী হচ্ছে প্রথম কথা। দীর্ঘদিন ধরেই সে লক্ষ্য ও পরিকল্পনার কথা বলা হয়। আমরা চেষ্টা করছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশালসহ পর্যায়ক্রমে সব বিভাগে একটি করে বিসিবি অফিস চালু করতে।’ বুলবুল আরও বলেন, ‘আমরা অনেক ভেবেচিন্তে অ্যাসোসিয়েশন নামকরণ করিনি। তাতে করে অনেকটা জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার মত শোনায়। এবং ওই নামকরণে বিভাগ ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে একটা সাংঘর্ষিক ব্যাপার হতে পারে। তাই আমরা বিভাগীয় পর্যায়ের ক্রিকেট কার্যালয়গুলোর নামকরণ নির্দিষ্ট বিভাগের নামেই নামকরণ করছি। বিসিবি সিলেট। বিসিবি বরিশাল। বিসিবি খুলনা। বিসিবি চট্টগ্রাম।’ প্রথম ধাপ হিসেবে আগামী ৩ জানুয়ারী ‘বিসিবি সিলেট’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। বিসিবি বিগ বস আর জানান যে, বিসিবির ওই অফিস শুধু নামেই থাকবেনা। তার প্রত্যেক জোনাল বা আঞ্চলিক অফিসে একজন হেড থাকবেন। তার নেতৃত্বে পরিচালিত হবে সব কার্যক্রম। তাদের আলাদা অর্গানোগ্রাম থাকবে। তারা ঠিক করে অফিস স্টাফ। খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে সিলেট বিসিবির আঞ্চলিক অফিসের প্রধান হবেন কে ? আমিনুল ইসলাম বুলবুলের জবাব, আমরা রীতিমতো মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ঐ পদের জন্য আহ্বান করবো। আমরা চাই প্রতিটি আঞ্চলিক অফিসের প্রধান হবেন যোগ্য ব্যক্তি। বিসিবি সভাপতি আরও যোগ করেন, ‘পর্যায়ক্রমে সিলেটের পর অন্যান্য বিভাগীয় পর্যায়েও আঞ্চলিক কার্যালয় হবে। এবং এখন তিনি সেই কাজেই ব্রত। বলে রাখা ভালো, পৃথিবীর সব টেষ্ট খেলুড়ে দেশেই বিভিন্ন রাজ্য, প্রদেশ বা বিভাগীয় পর্যায়ের আঞ্চলিক কার্যালয় আছে। তারাই দেশের ক্রিকেটের যাবতীয় কাজ পরিচালনা করে। ভারতে বিভিন্ন রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন আছে। মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব ও তামিলনাড়ু। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন তাদের নিজ নিজ ক্রিকেটের দেখভাল করে।’ বাংলাদেশের জেলাভিত্তিক ক্রিকেটে মান খুব একটা মানসম্মত নয়। প্রায়শই আক্ষেপ করতে শোনা যায় জেলার ক্রিকেটারদের। সেই মান উন্নতির লক্ষ্যেই মূলত এমন উদ্যোগ। বিসিবি সভাপতি তাই ভারতের রাজ্য ক্রিকেটের মতো ব্যবস্থাপনার বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের আঞ্চলিক ক্রিকেটের উন্নয়নেও। ভারতের রাজ্য ক্রিকেটে সবার অন্তত একটি করে উন্নত ও আধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম আছে। বিভিন্ন রাজ্য ক্রিকেট দল আছে। তৃনমূল থেকে কিশোর প্রতিভার অন্বেষণ, তাদের সুপ্রশিক্ষণসহ যাবতীয় কাজ করে ওই বিভিন্ন রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। রঞ্জি ট্রফিতে দল সাজাচ্ছে ওই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। সকল আনুষাঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান, সর্বাধুনিক ক্রিকেট ভেন্যু, প্র্যাকটিস ভেন্যু, জিমনেসিয়াম ও ইনডোর ফ্যাসিলিটিজ সব ঐ প্রাদেশিক কার্যালয় থেকেই পরিচালিত হয়। একইভাবে অস্ট্রেলিয়া , ইংল্যান্ড, দ. আফ্রিকা , পাকিস্তানসহ প্রায় দেশের রাজ্য, প্রাদেশিক ও বিভাগীয় আঞ্চলিক কার্যালয়ই নিজ নিজ ক্রিকেট ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো সর্বত্র বিসিবির তত্ত্বাবধানেই চলে। তাতে করে ঢাকার বাইরে যে ক’টা ভেন্যুতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয় চট্টগ্রাম ও সিলেটে, সেখানেও সে অর্থে কোন আঞ্চলিক সেটআপ গড়ে ওঠেনি। সে ধারার অবসান ঘটিয়ে ঢাকার বাইরেও ক্রিকেট ম্যানেজমেন্ট ও অ্যাডমিনিস্ট্রেশন গড়ে তুলতে উৎসাহি বিসিবি প্রধান। বাংলাদেশেও অন্তত বিভাগীয় পর্যায়ে সেই রকম ব্যবস্থাপনা চালু করতে চান বিসিবি বর্তমান সভাপতি। তবে কাজটা সহজ না। ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা আছে প্রচুর। নতুন নতুন তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটারও উঠে আসেন অগণিত। কিন্তু তারপরও দেশের ক্রিকেটের আঞ্চলিক অফিস পরিচালনা এবং পুরো বিভাগের ক্রিকেট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে মানের দক্ষ, সংগঠক, ভাল প্রশাসক ও ক্রিকেট জ্ঞানে পরিপূর্ন ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব দরকার, ঢাকার বাইরে তা খুব কম। সংশ্লিষ্ট বিভাগে দক্ষ, যোগ্য ও উৎসাহী মানসম্পন্ন ক্রিকেট ব্যবস্থাপক প্রয়োজন। বাংলাদেশে বিশেষ করে ঢাকার বাইরে সে মানের দক্ষ সংগঠক, ব্যবস্থাপক, প্রশাসক পাওয়া কঠিন। এজন্য সাবেক ক্রিকেটার ও ক্রিকেট ব্যক্তিত্বদের সম্পৃক্ত করা গেলে হয়তো বিভাগীয় পর্যায়ের ক্রিকেট কার্যালয়গুলো ইতিবাচক ভুমিকা রাখতে পারবে। না হয় নাম সর্বস্ব অফিস থাকবে। কিন্তু কাজের কাজ হবেনা। এখন দেখার ব্যাপার হলো আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোতে কারা কাজ করেন, কাদের মনোনীত করা হয়। চলমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে কিন্তু সেই জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর মতো হবে। নির্দিষ্ট বিভাগ বিসিবি অফিসেও জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার মত রাজনৈতিক পরিচয়ের লোকজন দিয়ে ভরে গেলে কাজের কাজ কিচ্ছু হবেনা। বিসিবির বিভিন্ন আঞ্চলিক অফিস পরিচালনা ও ক্রিকেটীয় কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য দরকার ক্রিকেট মনষ্ক মানুষ। ক্রিকেট বোঝেন, জানেন, বিশ্ব ক্রিকেট সম্পর্কে ধারণা আছে এমন ব্যক্তিত্বর। তা কি হবে ? সেটাই দেখার।
মার্শের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক দল ঘোষণা

মার্শের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক দল ঘোষণা ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর জন্য আজ বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি, ২০২৬) ১৫ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য এই বৈশ্বিক আসরের আগে চোট ও ফিটনেস পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রয়োজন হলে স্কোয়াডে শেষ মুহূর্তে পরিবর্তনের সুযোগও রাখা হয়েছে। ঘোষিত স্কোয়াডের নেতৃত্বে থাকছেন মিচেল মার্শ। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরেছেন প্যাট কামিন্স, ক্যামেরন গ্রিন ও কুপার কনোলি। যারা সম্প্রতি ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে পারেননি। স্পিননির্ভর কম্বিনেশনে অস্ট্রেলিয়া: ভারত ও শ্রীলঙ্কার কন্ডিশন মাথায় রেখে স্পিন আক্রমণকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে অজি নির্বাচকরা। অভিজ্ঞ অ্যাডাম জাম্পার সঙ্গে স্কোয়াডে রয়েছেন ম্যাথিউ কুনেম্যান, কুপার কনোলি এবং অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাথিউ শর্ট। স্পিনে গভীরতা আনতেই এমন ভারসাম্যপূর্ণ দল গঠনের দিকে ঝুঁকেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আমাদের সাফল্য বেশ ধারাবাহিক। সে কারণেই ভারত ও শ্রীলঙ্কার ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশন সামলাতে পারে এমন খেলোয়াড়দের নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ একটি স্কোয়াড বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি।” তিনি আরও জানান, “প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজেলউড ও টিম ডেভিড দ্রুত ফিট হয়ে উঠছেন। আমরা আশাবাদী, বিশ্বকাপের সময় তারা সবাই অ্যাভেইলাবল থাকবেন। যেহেতু এটি প্রাথমিক স্কোয়াড, প্রয়োজন হলে পরে পরিবর্তন আনা হবে।” পেস আক্রমণে ভিন্ন সিদ্ধান্ত: এই স্কোয়াডে কোনো বাঁহাতি ফাস্ট বোলার না রাখার সিদ্ধান্তও চোখে পড়ার মতো। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে মিচেল স্টার্কের অবসর এবং স্পেন্সার জনসনের চোটের কারণে একই ধাঁচের বিকল্প হিসেবে বেন ডোয়ারশুইসের বদলে ডানহাতি পেসার জেভিয়ার বার্টলেটকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২৬ আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত। যৌথ আয়োজক হিসেবে টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। সাবেক চ্যাম্পিয়ন দলটি এবার জায়গা পেয়েছে গ্রুপ ‘বি’-তে। এই গ্রুপে তাদের সঙ্গী হিসেবে রয়েছে আয়ারল্যান্ড, ওমান, স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা এবং জিম্বাবুয়ে। সূচি অনুযায়ী, ১১ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে অস্ট্রেলিয়ানরা। উপমহাদেশের কন্ডিশনে অস্ট্রেলিয়ার পারফরম্যান্স নিয়ে থাকবে আলাদা কৌতূহল। অভিজ্ঞতা, শক্ত স্কোয়াড ও বিশ্বকাপের মঞ্চে ধারাবাহিক সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে এবারও শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে মার্শ-কামিন্সদের দল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এর জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক স্কোয়াড: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনোলি, প্যাট কামিন্স, টিম ডেভিড, ক্যামেরন গ্রিন, নাথান এলিস, জশ হ্যাজেলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথিউ কুনেম্যান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাথিউ শর্ট, মার্কাস স্টয়নিস ও অ্যাডাম জাম্পা।
পা নয়, মাথা নয়, পিঠ দিয়ে গোল করে আলোচনায় রোনালদো

পা নয়, মাথা নয়, পিঠ দিয়ে গোল করে আলোচনায় রোনালদো সৌদি প্রো লিগে রীতিমতো নাটকীয় এক রাতের সাক্ষী হলো বিশ্ব ফুটবল। টানা ১০ ম্যাচ জয়ের দুর্দান্ত সূচনা থেমে গেল আল-নাসরের। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে আল-ইত্তিফাকের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করে পয়েন্ট খোয়াতে হলো তাদেরকে। তবে ম্যাচের ফলাফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় উঠে এলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। একেবারে অদ্ভুত ভঙ্গিতে, পিঠে বল লাগিয়ে গোল করে চমকে দিলেন সবাইকে। এই ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ ছিল চড়া। প্রথমার্ধে আল-ইত্তিফাক এগিয়ে যায় জর্জিনিও ওয়াইনালডামের নিখুঁত ফিনিশে। তবে বিরতির পরপরই ঘুরে দাঁড়ায় আল-নাসর। জোয়াও ফেলিক্সের পাওয়ারফুল শটে ম্যাচে সমতা ফেরে। নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় অতিথিদের আক্রমণ। এরপরই আসে সেই অবিশ্বাস্য মুহূর্ত। আবারও শট নেন ফেলিক্স, কিন্তু বল সরাসরি লক্ষ্যে না গিয়ে হঠাৎই রোনালদোর পিঠে লেগে দিক পরিবর্তন করে জড়িয়ে যায় জালে। পুরোপুরি দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন আল-ইত্তিফাকের গোলরক্ষক। ৪০ বছর বয়সেও গোলের সামনে রোনালদোর উপস্থিতি যে কতটা ভয়ংকর, তা যেন আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল। যদিও এবার গোলটা এলো সবচেয়ে অপ্রচলিত উপায়ে। এই গোল রোনালদোর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের গোলসংখ্যাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল সেই বহু আলোচিত এক হাজার গোলের মাইলফলকের দিকে। পা নয়, মাথা নয়, পিঠে করা এই গোলটি নিশ্চিতভাবেই জায়গা করে নেবে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে অদ্ভুত অথচ স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর তালিকায়। তবে রোনালদোর ঝলকানিতেও হার মানতে রাজি ছিল না আল-ইত্তিফাক। ম্যাচের শেষ দিকে আবারও ওয়াইনালডাম গোল করে সমতা ফেরান, ২-২ স্কোরলাইনে থামে ম্যাচ। এর ফলে মৌসুমের শুরুতে টানা জয়ের রেকর্ড ভেঙে যায় আল-নাসরের। ড্র হলেও সৌদি প্রো লিগের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে আল-নাসর। তবে শিরোপা দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বীদের চাপ যে এখন আরও বাড়বে, তা বলাই যায়। আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জন্য এই ‘পিঠ দিয়ে করা গোল’ ফুটবল ইতিহাসে যুক্ত হলো আরেকটি বিস্ময়কর অধ্যায় হিসেবে, যা বহুদিন ধরেই স্মরণে থাকবে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে।
রশিদ খানের নেতৃত্বে আফগানিস্তানের শক্তিশালী দল ঘোষণা

রশিদ খানের নেতৃত্বে আফগানিস্তানের শক্তিশালী দল ঘোষণা ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ১৫ সদস্যের শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। প্রত্যাশিতভাবেই দলটির নেতৃত্বের ভার থাকছে তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খানের কাঁধে। অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে গড়া এই দল নিয়ে আবারও বড় চমক দেখানোর স্বপ্ন দেখছে আফগানরা। বিশ্বকাপ অভিযানের আগে নিজেদের প্রস্তুত করতে জানুয়ারি মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান। এই সিরিজেও বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত একই স্কোয়াড মাঠে নামবে, যা দল গঠনের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ও কম্বিনেশন যাচাইয়ের বড় সুযোগ হয়ে উঠবে। দলের অধিনায়ক হিসেবে রশিদ খানের নাম ঘোষণা করার পাশাপাশি সুখবর এসেছে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার গুলবাদিন নাইব ও ডানহাতি পেসার নাভিন উল হকের ফেরার মধ্য দিয়ে। কাঁধের চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন নাভিন, যা পেস আক্রমণে বাড়তি শক্তি যোগাবে। এ ছাড়া বাঁহাতি ব্যাটার শাহিদুল্লাহ কামাল ও উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ ইশাক নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন। তরুণ পেসার আব্দুল্লাহ আহমদজাই এর অন্তর্ভুক্তিও চোখে পড়ার মতো। দলে ফিরেছেন রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমান। তার অন্তর্ভুক্তির ফলে তরুণ স্পিনার এ এম গজনফার মূল স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ে রিজার্ভ তালিকায় চলে গেছেন। রিজার্ভে আরও আছেন মিডল অর্ডার ব্যাটার ইজাজ আহমদজাই এবং তরুণ ফাস্ট বোলার জিয়া উর রহমান শরীফি। স্কোয়াডে আছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ নবী, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, নূর আহমদ ও ফজল হক ফারুকি। বিশেষ করে ফারুকির ফেরাটা পেস বিভাগকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করবে। ২০২৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল আফগানিস্তান। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ চারে পৌঁছানো সেই সাফল্য দলটির আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়েছে, যদিও সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে থামতে হয়েছিল তাদের যাত্রা। এবারের বিশ্বকাপের আগে আগামী ১৯ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজটি হবে আফগানিস্তানের জন্য শেষ বড় প্রস্তুতির মঞ্চ। এখানেই নিজেদের সেরা একাদশ ও কৌশল চূড়ান্ত করতে চাইবে রশিদ বাহিনী। আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াড: রশিদ খান (অধিনায়ক), ইব্রাহিম জাদরান, রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ ইশাক (উইকেটকিপার), সেদিকুল্লাহ অটল, দারবিশ রসুলি, শাহিদুল্লাহ কামাল, আজমতুল্লাহ ওমরজাই, গুলবাদিন নাইব, মোহাম্মদ নবী, নূর আহমদ, মুজিব উর রহমান, নাভিন উল হক, ফজল হক ফারুকি ও আব্দুল্লাহ আহমদজাই। রিজার্ভ: এ এম গজনফর, ইজাজ আহমদজাই ও জিয়া উর রহমান শরীফি।
ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলে আর্চার ও টাং

ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলে আর্চার ও টাং ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে ইংল্যান্ড। সেই দলে জায়গা পেয়েছেন ইনজুরিতে থাকা গতি তারকা জোফরা আর্চার। বাঁ দিকের সাইড স্ট্রেইনের কারণে অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্টের পর পুরো সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেও বিশ্বকাপ ভাবনায় আর্চারের ওপর আস্থা রেখেছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ১৫ সদস্যের এই প্রাথমিক স্কোয়াডে প্রথমবারের মতো সীমিত ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ডাক পেয়েছেন পেসার জশ টাং। হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও সাদা বলের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক মনে করছেন, ভারত ও শ্রীলঙ্কার তুলনামূলক ফ্ল্যাট উইকেটে টাং হতে পারেন কার্যকর ‘স্ট্রাইক বোলার’। অন্যদিকে, সীমিত ওভারের দলে জায়গা হারিয়েছেন জেমি স্মিথ। ওপেনিংয়ে ব্যর্থ পরীক্ষার পর নতুন বছরের শুরুতে শ্রীলঙ্কা সফরের স্কোয়াডেও তাকে রাখা হয়নি। দীর্ঘদিন পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন বেন ডাকেট, যিনি নিউ জিল্যান্ড সফরের তিনটি টি-টোয়েন্টিতে ছিলেন না। অ্যাশেজ সিরিজে ইংল্যান্ডের সেরা পারফরমার ছিলেন জোফরা আর্চার। অ্যাডিলেড টেস্টে তিনি নিয়েছিলেন ৯ উইকেট, গড় ২৭.১১। সেই ম্যাচেই প্রথম ইনিংসে ৫৩ রানে ৫ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতেও জ্বলে উঠেছিলেন। তুলে নিয়েছিলেন নিজের প্রথম টেস্ট হাফ-সেঞ্চুরি। তবে তৃতীয় টেস্টেই ইনজুরিতে পড়েন এই ফাস্ট বোলার। বক্সিং ডে টেস্টের প্রথম দিনের পর আর্চার অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে যান এবং বর্তমানে বার্বাডোজে ইসিবির মেডিক্যাল টিমের তত্ত্বাবধানে পুনর্বাসনে আছেন। শ্রীলঙ্কা সফরের তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টিতে তিনি খেলতে পারবেন না। তার জায়গায় ব্রাইডন কার্স থাকছেন। বিশ্বকাপের আগে ভারতের মাটিতে গ্রুপ ‘সি’র প্রথম ম্যাচ (নেপালের বিপক্ষে, ৮ ফেব্রুয়ারি, মুম্বাই) সামনে রেখে দলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা আর্চারের। টি-টোয়েন্টিতে অভিজ্ঞতা কম হলেও (২১ ম্যাচ), চলতি বছরে পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন জশ টাং। দ্য হান্ড্রেডে সর্বোচ্চ ১৪ উইকেট নিয়ে ছিলেন টুর্নামেন্টের শীর্ষ উইকেটশিকারি। অ্যাশেজের দুই টেস্টে নিয়েছেন ১২ উইকেট, গড় ১৮.৫৮। মেলবোর্নে ৫/৪৫ সহ ম্যাচে ৭/৮৯ নিয়ে জিতেছিলেন ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার। ইংল্যান্ডের ২০১১ সালের পর অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম টেস্ট জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। অলরাউন্ডার উইল জ্যাকস দুই স্কোয়াডেই ফিরেছেন। জাক ক্রলি দীর্ঘ বিরতির পর ওয়ানডে দলে ফিরেছেন। তবে জর্ডান কক্স ও ইনজুরিতে থাকা সাকিব মাহমুদের জায়গা হয়নি। অ্যাশেজ শেষ হওয়ার মাত্র ১০ দিনের মাথায় শ্রীলঙ্কা সফর শুরু হলেও টেস্ট তারকাদের বিশ্রাম দেয়নি ইংল্যান্ড। অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রাখার পেছনে সাদা বলের ক্রিকেটে বাজে সময় কাটানোর চাপই বড় কারণ। ২০২৫ সালের শুরু থেকে সীমিত ওভারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ম্যাককালামের অধীনে টি-টোয়েন্টিতে ১৩ ম্যাচে জয় ৬টি, হার ৫টি। ওয়ানডেতে ১৫ ম্যাচে হার ১১টি। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা নিয়েও অনিশ্চয়তা আছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাফল্যই ম্যাককালামের ওপর চাপ কমাতে পারে। ২০১০ ও ২০২২; এই দুইবার শিরোপা জিতেছে ইংল্যান্ড। ২০২৪ আসরে সেমিফাইনালে থেমেছিল তারা। ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ প্রাথমিক দল ও শ্রীলঙ্কা সফরের স্কোয়াড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ প্রাথমিক দল: হ্যারি ব্রুক (অধিনায়ক), রেহান আহমেদ, জোফরা আর্চার (শুধু বিশ্বকাপ), টম ব্যান্টন, জ্যাকব বেথেল, জস বাটলার, স্যাম কারান, লিয়াম ডসন, বেন ডাকেট, উইল জ্যাকস, জেমি ওভারটন, আদিল রশিদ, ফিল সল্ট, জশ টাং, লুক উড। শ্রীলঙ্কা সফরের ওয়ানডে দল: হ্যারি ব্রুক (অধিনায়ক), রেহান আহমেদ, টম ব্যান্টন, জ্যাকব বেথেল, জস বাটলার, ব্রাইডন কার্স, জাক ক্রলি, স্যাম কারান, লিয়াম ডসন, বেন ডাকেট, উইল জ্যাকস, জেমি ওভারটন, আদিল রশিদ, জো রুট, লুক উড।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে যা লিখলেন সাকিব
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে যা লিখলেন সাকিব বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। মঙ্গলবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সাকিব লেখেন, ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ছয়টায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।’ শোকবার্তায় সাকিব আল হাসান প্রয়াত নেত্রীর পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও অবদান রেখে গেছেন। সাকিব আরও লিখেন, ‘এই শোকের মুহূর্তে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও অবদান রেখেছেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁর রুহের মাগফিরাত দান করুন। সকলের কাছে তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করছি।’
এবার প্রথম বিভাগ ক্রিকেট স্থগিত
এবার প্রথম বিভাগ ক্রিকেট স্থগিত বেগম খালেদা জিয়ার মারা যাওয়ার খবরে ঘোষিত জাতীয় শোক পালনে দেশের চলমান ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলো স্থগিত করা হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঢাকা মহানগর ক্রিকেট কমিটি (সিসিডিএম) ঢাকা প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগের (২০২৫–২৬ মৌসুম) নির্ধারিত ম্যাচগুলো স্থগিত করেছে। সিসিডিএমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা মোট নয়টি ম্যাচ স্থগিত করা হয়েছে। এসব ম্যাচের নতুন সূচি পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। জাতীয় শোকের এই সময়ে প্রয়াত নেত্রীর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে সিসিডিএম দেশবাসীর সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে। এর আগে, বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদ জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত করা হয়েছে বিপিএলের মঙ্গলবারের দুই ম্যাচ। শোক জানিয়েছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।
আজকের বিপিএল টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বাতিল

আজকের বিপিএল টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বাতিল বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজকের নির্ধারিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বাতিল করার সিদ্ধান্তও হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে বিএনপি জানায়, মঙ্গলবার ভোর ৬টায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশের পর তার ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে বিপিএলের ম্যাচ দুটি বাতিলের কথা জানায় বিসিবি। বিসিবি জানিয়েছে, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেট টাইটান্স বনাম চট্টগ্রাম রয়্যালস এবং ঢাকা ক্যাপিটালস বনাম রংপুর রাইডার্সের ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে এবং পুনঃসূচি নির্ধারণ করা হবে। এর আগে গভীর শোক প্রকাশ করে বিসিবি। জানায়, এই দেশের ক্রিকেটের অগ্রগতির জন্য বেগম খালেদা জিয়ার নিরন্তর আশীর্বাদ এবং শুভাকাঙ্ক্ষা স্মরণ করছে বিসিবি। বিসিবি যোগ করে, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি বাংলাদেশে ক্রিকেটের উন্নয়নে অসামান্য সহায়তা প্রদান করেছেন, ক্রিকেট অবকাঠামোর উন্নতি এবং দেশব্যাপী খেলাধুলার প্রসারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। তার দূরদৃষ্টি এবং উৎসাহে ক্রিকেটের অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং সামনে এগিয়ে যেতে প্রশস্ত পথ তৈরি করেছে।’’ ‘‘এই বিরাট ক্ষতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সমগ্র দেশের সাথে গভীর শোক ও দুঃখিত এবং আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে। তার আত্মার চির শান্তির জন্য আমাদের প্রার্থনা।’’