এক মাস মাঠের বাইরে ভিনি ইনজুরিতে

এক মাস মাঠের বাইরে ভিনি ইনজুরিতে লেগানেসের বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদ ৩-০ ব্যবধানের জয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে, ফেদে ভালভার্দে ও জুড বেলিংহাম গোল করেছেন। গোল না পেলেও ওই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও আর্দা গুলের। এমবাপ্পেকে দিয়ে ম্যাচের প্রথম গোল করিয়ে প্রশংসিত হন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনি। গোলটা তিনি নিজেই করতে পারতেন। ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট খেলার পর দুঃসংবাদ পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ ও ভিনিসিয়াস। ইনজুরিতে পড়েছেন তিনি। লিভারপুলের বিপক্ষে ২৭ নভেম্বর রাতের ম্যাচে খেলতে পারবেন না। শুধু চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ওই ম্যাচ নয় আশঙ্কা করা হচ্ছে এক মাসের মতো মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে তাকে। ভিনির বাঁ-পায়ের মাংসপেশির পেছনের অংশে টান লেগেছে। যেটাকে বাইসেপস ফেমোরিস ইনজুরি বলা হয়। রিয়াল মাদ্রিদ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পরীক্ষা করিয়ে তার ওই ইনজুরি ধরা পড়েছে। ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনি লিভারপুল ম্যাচ ছাড়াও গেটাফে, অ্যাথলেটিকো বিলবাও, আটালান্টা ও রায়ো ভায়োকানো ম্যাচ মিস করতে পারেন। এর আগে ইনজুরিতে পড়েছেন রিয়ালের এদার মিলিতাও, রদ্রিগো, দানি কারভাহাল, অঁরেলিন চুয়ামেনি, লুকাস ভাসকেস ও ডেভিড আলাবা।

দূরের বাতিঘর এখন আইপিএল

দূরের বাতিঘর এখন আইপিএল বাংলাদেশের হয়ে আইপিএলের কোনো না কোনো আসরে মুস্তাফিজ-সাকিবের মধ্যে কেউই একজন থাকলেও এবার কেউই সুযোগ পায়নি। ফোন ধরার আগমুহূর্ত পর্যন্ত লম্বা সময় টিভিতেই চোখ আটকে ছিল তার। কিসের অপেক্ষায়, সেটিও স্পষ্ট আব্দুর রাজ্জাকের কথায়, ‘আইপিএলের নিলাম দেখছিলাম। যদি আমাদের কাউকে নেয়। প্রতিবার এমন অপেক্ষায় পুরো বাংলাদেশই থাকে। দুই-একজনের দল পাওয়ার ঘটনাও নিয়মিত ছিল। কিন্তু এবার? একজনও নয়। আগের বছরও আইপিএলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ছিল। তাই বলে হা-হুতাশ এবং হাপিত্যেশ থেমে ছিল না। কেন আরো বেশি বাংলাদেশি খেলোয়াড় নেয় না ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো, এই প্রশ্নে হাহাকার উঠত। অবশ্য সম্প্রতি বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে বাংলাদেশের যা পারফরম্যান্স, তাতে পাল্টা এই প্রশ্ন তোলারও সুযোগ আছে যে কেন নেবে? প্রশ্নটি শুনে নির্বাচক রাজ্জাক একটু যেন বিব্রতও হলেন, ‘এটি তো আমার জন্য জটিল প্রশ্ন হয়ে গেল। বর্তমান অবস্থান থেকে উত্তর দেওয়া মুশকিল।’ তবু তাকে আলোচনায় ঢুকতে হয়। কারণ সাবেক এই বাঁহাতি স্পিনার আইপিএল খেলা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার। ২০০৯ সালে চার দিনের ব্যবধানে মোহাম্মদ আশরাফুল এবং মাশরাফি বিন মর্তুজার আইপিএল অভিষেক হয়। রাজ্জাকের মাঠে নামার অভিজ্ঞতা হয়েছে তারও এক বছর আগে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলেছিলেন রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে। ১৬ বছর পর আরেকটি আইপিএলের ড্রাফটের সময় অবশ্য ভিন্ন কিছু দেখার মানসিক প্রস্তুতি ছিল রাজ্জাকের। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তা-ই। এই নির্বাচক মেনে নিচ্ছেন যে আইপিএলে দল পাওয়ার মতো টি-টোয়েন্টি পারফরম্যান্স ছিল না বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের, ‘আমার কাছে তা-ই মনে হয়েছে। সিরিজ বা টুর্নামেন্ট, শেষ আমরা যা-ই খেলেছি, আমাদের আসলে খুব একটা আহামরি কিছু হয়নি। উল্লেখযোগ্য ও রকম কিছু (পারফরম্যান্স) এখন পর্যন্ত নেই। আমার মনে হয়, এ জন্যই আমাদের খেলোয়াড়দের আইপিএলে দেখা যাচ্ছে না। কারো দল না পাওয়াতে অযুক্তির কিছুও দেখেননি তিনি, ‘কার মান কী রকম, সেটি আমার কথা নয়। আমার কথা হচ্ছে, শেষ যে টুর্নামেন্টগুলো হয়েছে, সেগুলোতে আমাদের পারফরম্যান্স কী ছিল? (দল গড়ার ক্ষেত্রে) আইপিএলের দলগুলো অনেক বেশি নির্দিষ্ট। তারা অনেক চিন্তা-ভাবনা করে দল সাজায়। তারা যদি (বাংলাদেশের কাউকে) না নেয়, অবশ্যই সেখানে যৌক্তিকতা আছে।’ নিজেদের চাহিদা তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন বলেও মনে হয়েছে রাজ্জাকের, ‘কে কোথাকার, তারা (আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি) আসলে এসব দেখে না। ওরা টাকা দিয়ে খেলোয়াড় কেনে। চাহিদা তৈরি করার অবস্থায় থাকলে ওরা কাউকে না কাউকে নিত। আইপিএলের গত আসরে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্সও ছিল। রাজ্জাক এবার যা একটু আশা করেছিলেন, তা এই বাঁহাতি পেসারকে নিয়েই, ‘আমি খুবই আশাবাদী ছিলাম যে মুস্তাফিজ থাকবে। এবার আগামী তিন মৌসুমের পুরো সময়ের জন্য ১২ জন ক্রিকেটারকে ছাড়পত্র দিয়েছিল বিসিবি। তবুও কারো সুযোগ না পাওয়াকে হতাশার বলছেন না রাজ্জাক। তিনি বরং তাগিদ দিচ্ছেন আইপিএলে ডাক পাওয়ার উপযোগী করে নিজেদের তৈরি করার দিকে, ‘আমার কাছে এটি (কারো সুযোগ না পাওয়া) হতাশার নয়। যত দেশে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হচ্ছে, তার মধ্যে এটি সবচেয়ে বড়। টাকা-পয়সা এবং খেলোয়াড়দের সম্পৃক্ততার দিক থেকে। আমাদের খেলোয়াড়রা থাকতে পারলে অবশ্যই ভালো লাগত। দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে একজন খেলোয়াড়ের জন্য ওই দলকেই পুরো দেশ সমর্থন দিচ্ছে। যেভাবে খেললে আইপিএলে নেবে, আমাদের খেলোয়াড়দের উচিত নিজেদের সেভাবে তৈরি করার দিকে মনোযোগী হওয়া।

বৈভবকে দলে ভিড়িয়ে উচ্ছ্বসিত রাজস্থান

বৈভবকে দলে ভিড়িয়ে উচ্ছ্বসিত রাজস্থান শেষ হয়েছে দুই দিনব্যাপী আইপিএলের মেগা নিলাম। সোমবার ২৫ নভেম্বর নিলামের দ্বিতীয় ও শেষ দিনে দল পান ভারতের আলোচিত ১৩ বছর বয়সী ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী। ১ কোটি ১০ লাখ রুপিতে তাকে দলে ভেড়ায় রাজস্থান রয়্যালস। সবচেয়ে কম বয়সী ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলে দল পেয়ে ইতিহাস গড়েছেন বৈভব। তার ভিত্তি মূল্য ছিল ৩০ লাখ। রাজস্থানের পাশাপাশি বৈভবকে পাওয়ার লড়াইয়ে ছিল দিল্লি। তবে ১ কোটি পর্যন্ত দাম বলে থেমে যায় দিল্লি। আরও ১০ লাখ বাড়িয়ে বৈভব সূর্যবংশীকে পেয়ে যায় রাজস্থান। ১৩ বছরম বয়সী এই ক্রিকেটারকে দলে পেয়ে বেশ খুশি রাজস্থানের প্রধান নির্বাহী জেইক ম্যাকক্রাম। তিনি বলেন, ‘নাগপুরে আমাদের হাই পারফরম্যান্স সেন্টারে ছিল সে। সেখানে সে ট্রায়াল দিয়েছে এবং আমাদের সেখানকার কোচিং স্টাফদের মুগ্ধতা উপহার দিয়েছে। সে অবিশ্বাস্য এক প্রতিভা এবং অবশ্যই সেই আত্মবিশ্বাস তো থাকতেই হবে যেন আইপিএলের মানের সঙ্গে তাল মেলাতে পারে। তিনি আরও বলেন, ‘সামনের কয়েক মাসে তাকে আরও উন্নত করে তোলার জন্য অনেক কাজ করা হবে। তবে অসাধারণ এক প্রতিভা সে এবং তাকে আমাদের ফ্র্যাঞ্চাইজির অংশ হিসেবে পেয়ে আমরা খুবই রোমাঞ্চিত।

বোলিংয়ে  দাপুটে পারফরম্যান্সে ভারতের পার্থ জয়

বোলিংয়ে  দাপুটে পারফরম্যান্সে ভারতের পার্থ জয় এর আগে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল পার্থে কখনো টেস্ট হারেনি। বর্ডার-গাভাস্কার সিরিজ শুরুর আগে এই আলোচনাটা হচ্ছিল বেশ জোরেশোরে। মাঠে নামার পর অস্ট্রেলিয়ার দাপটের সেই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছিল। ভারতকে তারা গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ১৫০ রানে। কিন্তু ভারত তো হাল ছাড়ার দল নয়। বোলিংয়ে জবাব দিল তারাও। অস্ট্রেলিয়াকে আটকে দেয় ১০৪ রানে। ৬ উইকেটে রান ৪৮৭। যে দাপটে দ্বিতীয় ইনিংসে জবাব দেওয়ার শক্তিটাই পেল না অস্ট্রেলিয়া। ৫৩৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়ায় ২৩৮ রানে শেষ অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। প্রথম দল হিসেবে পার্থের অপটাস স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে হারের তিক্ত স্বাদ দিল ভারত। পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ভারত এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে।

৬০ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাল ইন্টার মিলান

৬০ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাল ইন্টার মিলান ভেরোনাকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে ইন্টার মিলান। সিরি-আ’র ইতিহাসে দীর্ঘ ৬০ বছর পর দলটি অ্যাওয়ে ম্যাচে প্রথমার্ধেই পাঁচ গোলের কীর্তি গড়ল। ১৯৬৪ সালে সালে সাম্পদোরিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়ে সেই কীর্তি কীর্তি গড়েছিল ইতালিয়ান জায়ান্টরা। গোলশূন্য ড্র হয়েছে এসি মিলান ও জুভেন্টাস ম্যাচ। ভেরোনার মাঠে শনিবার রাতে ম্যাচের ১৭ মিনিটে জোয়াকুইন কোরেয়া ইন্টারকে এগিয়ে দেন। ২২ ও ২৫ মিনিটে জালের দেখা পান মার্কাস থুরাম। এরপর স্টেফান ডি ভ্রিজ ও ইয়ান বিসেক যথাক্রমে ৩১ ও ৪১ মিনিটে মিশানাভেদ করেন। ১৩ ম্যাচে শীর্ষে থাকা আটালান্টার সমান ২৮ পয়েন্ট পেলেও গোল পার্থক্যে পিছিয়ে থাকায় দুইয়ে ইন্টার। তিনে রয়েছে ২৬ পয়েন্ট পাওয়া নাপোলি। ২৫ পয়েন্ট পাওয়া ফিওরেন্টিনা, লাজিও ও জুভেন্টাস যথাক্রমে চার, পাঁচ ও ছয় নম্বরে আছে। সাতে থাকা এসি মিলানের পয়েন্ট ১৯।

ছিটকে গেলেন বেন হোয়াইট

ছিটকে গেলেন বেন হোয়াইট মৌসুমের শেষদিকে ইংলিশ ডিফেন্ডারকে পাওয়ার আশা করছেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। হাঁটুর চোট থেকে রেহাই পেতে শল্যবিদের ছুরিকাঁচির নিচে যেতে হয়েছে বেন হোয়াইটের। তাই আর্সেনাল ডিফেন্ডারের মাঠে ফিরতে এখন করতে হবে দীর্ঘ অপেক্ষা। দলটির কোচ মিকেল আর্তেতা জানিয়েছেন, সেরে উঠতে কয়েক মাস সময় লাগবে এই ইংলিশ ফুটবলারের। গত দুই মৌসুমে আর্সেনালের নিয়মিত সদস্যদের একজন ছিলেন হোয়াইট। চলতি মৌসুমেও চোটে পড়ার আগে ৯টি লিগ ম্যাচ খেলেছেন তিনি, যার মধ্যে ৭টিতে ছিলেন শুরুর একাদশে। হাঁটুর চোট বেশ কিছুদিন ধরে ভোগাচ্ছিল হোয়াইটকে। তাই গত সপ্তাহে শেষ হওয়া আন্তর্জাতিক বিরতির মাঝে ২৭ বছর বয়সী এই ফুটবলারের অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রিমিয়ার লিগে শনিবার নটিংহ্যাম ফরেস্টের মুখোমুখি হবে আর্সেনাল। আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে হোয়াইটের অবস্থার কথা জানান আর্তেতা। দুর্ভাগ্যবশত, বেনকে কয়েক মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে…গত কয়েক সপ্তাহে তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল না, তাই আমাদের একটা সিদ্ধান্ত নিতেই হতো। আমরা জানি, বেন সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে, কিন্তু পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায়, আমাদের খেলোয়াড়কে রক্ষা করতে হতো। আমরা তার অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেই, সে তাতে রাজি হয়। কয়েক মাসের জন্য বাইরে থাকতে হবে তাকে। অস্ত্রোপচারের পরে তার চোটের অবস্থা কতটা দ্রুত সেরে ওঠে, দেখতে হবে। আমার মনে হয় না, (তার পুরোপুরি সেরে উঠতে) অর্ধেক বছর সময় লাগবে; তবে আমি নির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না যে মাঠে ফিরতে তার কতদিন লাগবে। আর্সেনালের আরেক ডিফেন্ডার তাকেহিরো তমিয়াসুরও হাঁটুর চোট মাথাচাড়া দিয়েছে। আর্তেতা বললেন, তাকেও হয়তো লম্বা সময়ের জন্য পাওয়া যাবে না।

নতুন রেকর্ড জয়সওয়ালের

নতুন রেকর্ড জয়সওয়ালের প্রথম দিন পড়ল ১৭ উইকেট। সেই একই পিচে দ্বিতীয় দিনে তিনটির বেশি উইকেট পড়েনি। তিনটিই অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার। জবাবে প্রতিপক্ষের কোনো উইকেটই ফেলতে পারেনি স্বাগতিকরা। ওপেনিংয়ে নামা যশস্বী জয়সওয়াল ও লোকেশ রাহুলের অবিচ্ছিন্ন ১৭২ রানের জুটিতে শক্ত অবস্থানে আছে ভারত। যার ফলে ২১৮ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে সফরকারীরা দাপুটে এই দিনে টেস্টে এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড গড়েছেন জয়সওয়াল। চলতি বছর এনিয়ে ৩৪টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। ভাঙেন ১০ বছর আগে গড়া নিউজিল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার ব্রেন্ডন ম্যাককালামের রেকর্ড। ২০১৪ সালে ৯ ম্যাচ ৩৩ ছক্কা মেরেছেন তিনি। জয়সওয়ালের বছর যদিও এখনো শেষ হয়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯৩ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৯০ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। অন্যদিকে রাহুল অপরাজিত আছেন ১৫৩ বলে ৪ চারে ৬২ রান নিয়ে। এর আগে ভারতের ১৫০ রানের বিপরীতে প্রথম দিন শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ৬৭ রান করে অস্ট্রেলিয়া। আজ মিচেল স্টার্কের (২৬) দৃঢ়তায় শেষমেষ ১০০ পেরোতে সক্ষম হয়। যদিও খুব বেশি দূর যেতে পারেনি গুটিয়ে যায় ১০৪ রানেই। ভারতের হয়ে কেবল ৩০ রানে ৫ উইকেট নেন অধিনায়ক জাসপ্রিত বুমরাহ। ক্যারিয়ারে এটি তার ১১তম ফাইফার। এছাড়া অভিষিক্ত হারশিত রানা ৩টি ও মোহাম্মদ সিরাজ নেন দুটি উইকেট। দিনের বাকি গল্পটা জয়সওয়াল ও রাহুলকে নিয়েই। সাবধানী হয়ে ব্যাটিং করে অজি বোলারদের তেমন কোনো সুযোগই দেননি তারা।

তামিমকে অধিনায়ক করে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা

তামিমকে অধিনায়ক করে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা চলতি মাসে মাঠে গড়াবে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের এবারের আসর। ওয়ানডে ফরম্যাটের এই টুর্নামেন্টটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন এই টুর্নামেন্টের জন্য ১৪ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।এই আসরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে নেতৃত্ব দেবেন আজিজুল হাকিম তামিম। আগামী ২৯ নভেম্বর থেকে তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে এই আসর মাঠে গড়াতে যাচ্ছে।বাংলাদেশ রয়েছে ‘এ’ গ্রুপে, প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও নেপাল। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জাপান। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে আজিজুল হাকিম তামিমরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ খেলবে নেপালের বিপক্ষে। আর ৩ ডিসেম্বর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে লংকানদের বিপক্ষে খেলবে জুনিয়র টাইগাররা।প্রতি গ্রুপ থেকে সেরা দুটি দল খেলবে সেমি ফাইনাল। ৬ ডিসেম্বর মাঠে গড়াবে টুর্নামেন্টের দুটি সেমি ফাইনাল, আর ফাইনাল হবে ৮ ডিসেম্বর। টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচই হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ও শারজাহতে।সবশেষ গেল বছর ২০২৩ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ যুবারা। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল- আজিজুল হাকিম তামিম (অধিনায়ক), জাওয়াদ আবরার (সহ অধিনায়ক), রিফাত বেগ, সামিউন বশির রাতুল, দেবাশীষ সরকার দেবা, রিজান হোসেন, আল ফাহাদ, ইকবাল হাসান ইমন, রাফিউজ্জামান রাফি, ফরিদ হাসান ফয়সাল, মারুফ মৃধা, শিহাব জেমস, আশরাফুজ্জামান বরেণ্য, সাদ ইসলাম রাজিন।অতিরিক্ত- কালাম সিদ্দিকী, শাহরিয়ার আজমীর, ইয়াসির আরাফাত, সানজিদ মজুমদার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে প্রস্তুতি ম্যাচে মুরাদের হ্যাটট্রিক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে প্রস্তুতি ম্যাচে মুরাদের হ্যাটট্রিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ভালো একটা প্রস্তুতি সারল বাংলাদেশের বোলাররা। অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্বাচিত একাদশের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে কেউ জেতেনি। দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচটি হয়েছে ড্র। বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। যেখানে টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেন জাকের আলী। ১১০ বলে ৪৮ রান করেন তিনি। এছাড়াও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৮৭ বলে ৪১ আর মুমিনুল এবং লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। তবে এই ম্যাচে মূল আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশের বোলারদের দিকে। নাহিদ রানা এবং তাইজুল বাদে সকলেই উইকেট পেয়েছেন। তবে সবার নজর কেড়েছেন হ্যাটট্রিক করা হাসান মুরাদ। ১.৪ ওভারে ১ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা এই বাঁহাতি স্পিনার ২৬তম ওভারে প্রথম ওভারটি করেন। সেই ওভারে ১ রান দেয়া মুরাদ নিজের পরের ওভারের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পেয়ে যান। এদিকে মুরাদ ছাড়াও আলো ছড়িয়েছেন হাসান মাহমুদ এবং তাসকিন আহমেদ। হাসান ১৫ রানে ২ এবং তাসকিন ২১ রানে ২ উইকেট পেয়েছেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন শরিফুল এবং মিরাজ। আগামী শুক্রবার (২২ নভেম্বর) অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে শুরু হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম টেস্ট। সংক্ষিপ্ত স্কোর বাংলাদেশ: ৭৩.২ ওভারে ২৫৩/৭ ইনিংস ঘোষণা (জাকের ৪৮, মুমিনুল ৩১, লিটন ৩১, শাহাদাত ২৫; জেয়ার ম্যাকঅ্যালিস্টার ৪৮/২)। ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্বাচিত একাদশ: ২৭.৪ ওভারে ৮৭/৯ (মেরিয়ুস ২৩, গ্রিভস ২০, বেকফোর্ড ১৯; হাসান মাহমুদ ২/১৫, তাসকিন ২/২১, শরীফুল ১/১২, হাসান মুরাদ ৩/১, মিরাজ ১/০)। ম্যাচের ফল: ড্র।

নারীদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দলে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া

নারীদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দলে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপিং প্রকাশ করেছে আইসিসি। গত আসরের মত এবারও অস্ট্রেলিয়ার সাথে একই গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ। সাথে রয়েছে নেপাল এবং স্কটল্যান্ড। গ্রুপ ‘ডি’ তে খেলবে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম আসরেও একই গ্রুপে ছিল অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশ। এবার মালয়েশিয়াতে অনুষ্ঠিতব্য আসরেও একই গ্রুপে রয়েছে দুই দল। দক্ষিণ আফ্রিকায় অজিদের পরাজিত করে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। সুপার সিক্সেও গিয়েছিল, কিন্তু সেমিফাইনালে খেলা হয়নি। এই গ্রুপ থেকে সুপার সিক্সে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে অস্ট্রেলিয়া। বাকি দুই দল স্কটল্যান্ড এবং এশিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্ব পার করে আসা নেপালও নিশ্চিতভাবে ছেড়ে কথা বলবে না। চার গ্রুপের শীর্ষ ৩টি করে দল নিয়ে মোট ১২ দল যাবে সুপার সিক্স রাউন্ডে। সেখানে দুই গ্রুপে ৬টি করে দল ভাগ হয়ে লড়বে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে। দুই গ্রুপের শীর্ষ ২টি করে মোট ৪টি দল যাবে সেমিতে। গ্রুপ ‘এ’ তে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কার সাথে রয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত। সাথে থাকবে আয়োজক মালয়েশিয়াও। গ্রুপ ‘বি’ ও কাগজে-কলমে বেশ শক্তিশালী। পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইংল্যান্ড রয়েছে এই গ্রুপে। গ্রুপ ‘সি’ তে রয়েছে ইতিহাসের হাতছানি। সামোয়া এবং নাইজেরিয়ার মধ্যে যেকোনো এক দলের সামনে সুযোগ রয়েছে সুপার সিক্সের টিকিট কেটে ফেলার। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে জয়ী দলই সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে সুপার সিক্সের দৌড়ে। দুই দলই এবারই প্রথম খেলতে যাচ্ছে নারীদের যুব বিশ্বকাপ। গ্রুপের বাকি দুই দল দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউজিল্যান্ড। মালয়েশিয়াতে ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি মাঠে গড়াবে নারীদের যুব বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর। ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।