খেলা শেষে কাঁদলেন দিয়াজ

খেলা শেষে কাঁদলেন দিয়াজ অবিশ্বাস্য নাটকীয়তার মধ্যে মরক্কোকে ১-০ গোলে হারিয়ে আফ্রিকা কাপ অব নেশনস (এএফকন) শিরোপা জিতেছে সেনেগাল। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে দুই দলের শিরোপা লড়াই ছিল নাটকীয়তায় ভরা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে সমতা, তারপর ইনজুরি টাইমে এমন এক মুহূর্ত আসে—যা ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারত। ইনজুরি টাইমের ষষ্ঠ মিনিটে পেনাল্টি পায় মরক্কো। আফ্রিকার শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদার এই ট্রফি পাওয়ার আক্ষেপ মরক্কোর ৫০ বছরের। হয়ত একটি সফল স্পট কিকেই সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে পারতেন ব্রাহিম দিয়াজ। ১২ গজ দূর থেকে দিয়াজের পা থেকে আসতে পারত শিরোপা নিশ্চিত করা গোল। কিন্তু যা ঘটল, তা অবিশ্বাস্য। ব্রাহিম জোরালো শট না নিয়ে মাঝখানে হালকা ‘প্যানেনকা’ চেষ্টা করেন। সেনেগাল গোলরক্ষক এদুয়ার্দ মেন্ডি সহজেই তা ঠেকিয়ে দেন। সেই একটি মুহূর্তই যেন বদলে দেয় পুরো ম্যাচের গল্প। দিয়াজের ওই ব্যর্থতার সুযোগই কাজে লাগায় সেনেগাল। পেপ গুইয়ের একমাত্র গোলে জয় নিশ্চিত করে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের শিরোপা উল্লাসে মাতে তারা। মাঠজুড়ে তখন আনন্দের জোয়ার, আর অন্য প্রান্তে দিয়াজের মুখে স্পষ্ট হতাশা—যেন একটি সিদ্ধান্তেই বদলে গেল পুরো টুর্নামেন্টের পরিণতি। টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন সাবেক ম্যানচেস্টার সিটির তারকা। দলকে ফাইনালে তুলতে অবদান রেখেছেন পাঁচ গোল করে। কিন্তু এদিন ‘পানেনকা’ শট নিতে গিয়ে ধরা পড়েন মেন্দির হাতে। পেনাল্টি শুটের সময় নিজের অবস্থান থেকে সরেননি মেন্দি, যে কারণে খুব সহজে বলটি গ্লাভসবন্দী করেন ভিয়া রিয়ালের এই গোলকিপার। পেনাল্টি থেকে গোল করতে না পারার পর বিচলিত ছিলেন দিয়াজ। টেলিভিশন ক্যামেরায় দেখা গেছে মরক্কোর বেঞ্চে চোখ ছলছল করছিল কারও কারও। ফাইনাল শেষে শিশুর মতো কেঁদেছেন দিয়াজও। টুর্নামেন্টের সেরা গোলস্কোরারের পুরস্কার যখন নিতে যাচ্ছিলেন পা এগোচ্ছিলো না যেন; দুই দলের খেলোয়াড়েরা করতালি দিয়ে তাকে অভিবাদন জানান, ঠোট চেপে কান্না লুকানোর চেষ্টাই কেবল করেছেন দিয়াজ। ওই পেনাল্টি নিয়ে আপত্তি ছিল সেনেগালের। বেশিরভাগ খেলোয়াড় মাঠ থেকে বেরিয়ে যান। স্পট কিক নিতে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা দিয়াজকে অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘ ১৭ মিনিট। ম্যাচ শেষে ওই ঘটনাকে ইঙ্গিত করে মরক্কোর ম্যানেজার ওয়ালিদ রেগ্রাগুই বলেন, ‘পেনাল্টি নেওয়ার আগে অনেক সময় পার হয়েছে, যা তাঁকে (দিয়াজ) বিরক্ত করেছিল। কিন্তু যা ঘটেছে তা আমরা পরিবর্তন করতে পারব না। এভাবেই সে পেনাল্টি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের এখন সামনের দিকে তাকাতে হবে।’ খেলোয়াড়দের এসব নিয়ে পড়ে থাকার সময় নেই। অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াতে চাইবেন দিয়াজ। তবে সেটি মোটেও সহজ হবে না তা বলাই যায়। তার জন্য কী অপেক্ষা করছে সেসবের কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে মরক্কোর সাবেক মিডফিল্ডার হাসান কাচলুলের কথা থেকে, ‘আমি মনে করি ব্রাহিম দিয়াজ আগামী দিনে অনেক দুঃস্বপ্ন দেখবেন।’ নাইজেরিয়ার সাবেক ফরোয়ার্ড ড্যানিয়েল আমোকাচি বলেন, ‘ব্রাহিম দিয়াজ এই টুর্নামেন্টে পাঁচটি গোল করা সত্ত্বেও নিজের সমস্ত গৌরবময় মুহূর্ত নষ্ট করে দিয়েছেন।’আরেক নাইজেরিয়ান সাবেক মিডফিল্ডার জন ওবি মিকেল বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে দিয়াজের যত কিছু ভালো ছিল সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সে বিধ্বস্ত। সামনের সময়টা তার জন্য কঠিন হতে চলেছে- কয়েক সপ্তাহ, হয়ত মাসের পর মাস ধরে।’ নাইজেরিয়ার আরেক সাবেক আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় ইফান একোকু বলেন, ‘এটা এমন একটি মুহূর্ত যা ব্রাহিম দিয়াজ কখনই কাটিয়ে উঠতে পারবে না।’
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে সাড়ে ২০ হাজার কোটি টাকা পেলো পিএসজি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে সাড়ে ২০ হাজার কোটি টাকা পেলো পিএসজি ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গত মৌসুমে সর্বোচ্চ পুরস্কার অর্থ পেয়েছে ফ্রান্সের ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা আয় করেছে ১৪৪.৪ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১৬৮ মিলিয়ন ডলার)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় প্রায় ২০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা। নতুন ও সম্প্রসারিত ফরম্যাটে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত ৪০০ মিলিয়ন ইউরো বিতরণ করেছে উয়েফা। মঙ্গলবার প্রকাশিত উয়েফার ২০২৪-২৫ মৌসুমের আর্থিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আগামী মাসে ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উয়েফার বার্ষিক কংগ্রেসের আগেই এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। রানার্সআপ ইন্টার মিলান পুরস্কার অর্থের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তারা পেয়েছে ১৩৬.৬ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১৯ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা)। নতুন ফরম্যাটে ৩৬টি দল অংশ নেয়, যেখানে প্রতিটি দল লিগ পর্বে আটটি করে ম্যাচ খেলে। মোট ২.৪৭ বিলিয়ন ইউরো পুরস্কার অর্থ এই দলগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। এবার সাতটি ক্লাব অন্তত ১০০ মিলিয়ন ইউরো করে আয় করেছে, যেখানে আগের মৌসুমে (৩২ দল ও গ্রুপ পর্বের ফরম্যাটে) এই সংখ্যা ছিল পাঁচটি। তখন মোট পুরস্কার তহবিল ছিল ২.০৮ বিলিয়ন ইউরো। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে অ্যাস্টন ভিলা একমাত্র ক্লাব যারা ১০০ মিলিয়ন ইউরোর কম পেয়েছে। তাদের প্রাপ্তি ছিল ৮৩.৭ মিলিয়ন ইউরো। দীর্ঘ ৪১ বছর পর ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় ফেরা এবং তুলনামূলক কম উয়েফা র্যাঙ্কিং এর অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনালের কাছে হেরে যাওয়ায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে পেয়েছে ১০২ মিলিয়ন ইউরোরও কম, যা ২০২৪ সালে শিরোপা জয়ের সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৭ মিলিয়ন ইউরো কম। তবে উয়েফা সুপার কাপ জিতে তারা অতিরিক্ত ৫ মিলিয়ন ইউরো আয় করে। সেই ম্যাচে পরাজিত আতালান্তা পেয়েছে ৪ মিলিয়ন ইউরো। ইন্টার মিলান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে যে পরিমাণ অর্থ পেয়েছে, তা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্য চারটি ইতালিয়ান ক্লাবের প্রত্যেকটির আয়ের অন্তত দ্বিগুণ। ইংল্যান্ডের চারটি ক্লাবের মধ্যে সর্বনিম্ন আয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ২০২২-২৩ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী দলটি ফেব্রুয়ারিতে নকআউট প্লে-অফে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার পর পেয়েছে ৭৬ মিলিয়ন ইউরো। সবচেয়ে কম অর্থ পেয়েছে স্লোভাকিয়ার চ্যাম্পিয়ন স্লোভান ব্রাতিস্লাভা। তারা আটটি লিগ ম্যাচের সবগুলোতেই হেরে ২২ মিলিয়ন ইউরোরও কম আয় করেছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও দ্বিতীয় স্তরের ইউরোপা লিগের আর্থিক ব্যবধানও স্পষ্ট হয়েছে। ইউরোপা লিগের চ্যাম্পিয়ন টটেনহ্যাম পেয়েছে মাত্র ৪১ মিলিয়ন ইউরো। রানার্সআপ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড পেয়েছে ৩৬ মিলিয়ন ইউরো, তবে চলতি মৌসুমে কোনো ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় যোগ্যতা অর্জন না করায় তারা এবার উয়েফা থেকে কোনো অর্থই পাবে না। তৃতীয় স্তরের কনফারেন্স লিগ জিতে চেলসি পেয়েছে ২১.৮ মিলিয়ন ইউরো। বর্তমানে তারা আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরেছে।
বাংলাদেশে এলো বিশ্বকাপ ট্রফি

বাংলাদেশে এলো বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে চলে এলো ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মূল ট্রফি। বুধবার সকাল দশটার দিকে বাংলাদেশে এসে পৌঁছায় সোনালি ট্রফিটি। সেখানে কিছু আনুষ্ঠানিকতার পর হোটেল রেডিসনে আসবে এই ট্রফি। আজ দুপুর দুইটার পর নির্বাচিত দর্শকদের জন্য ট্রফি নিয়ে সেশনের ব্যবস্থা আছে। তবে সাধারণ দর্শকদের দেখার তেমন সুযোগ থাকছে না। বাংলাদেশে ট্রফির সঙ্গে এসেছেন ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের সাবেক মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। কোকা-কোলা কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার যৌথ উদ্যোগে গত ৩ জানুয়ারি শুরু হয় ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা এর ষষ্ঠ আসর। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিশ্বকাপ ট্রফির বিশ্বভ্রমণের সূচনা করা হয়। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। এই প্রথম তিনটি দেশ- কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। আগের যে কোনো আসরের তুলনায় এবারের বিশ্বকাপে থাকবে আরও বেশি দল (৪৮টি), আরও বেশি ম্যাচ (১০৪) এবং ব্যাপক উৎসব আয়োজন। ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি ভ্রমণ করবে ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের ৭৫টি গন্তব্যে। পুরো সফর চলবে ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে, যা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য জীবনে একবার দেখার মতো এক অনন্য সুযোগ তৈরি করবে।
সুপার কাপ হারের পর আলোনসোর বিদায়, রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া

সুপার কাপ হারের পর আলোনসোর বিদায়, রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া এল ক্লাসিকো হারের রেশ কাটতে না কাটতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল রিয়াল মাদ্রিদ। সুপারকোপা দে এস্পানিয়ার ফাইনালে বার্সেলোনা„র কাছে নাটকীয় ৩-২ ব্যবধানে হারের একদিন পরই প্রধান কোচের পদ ছাড়লেন জাবি আলোনসো। ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে’ দায়িত্ব শেষ হয়েছে স্প্যানিশ এই কোচের। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের রিজার্ভ দল কাস্তিয়ার কোচ আলভারো আরবেলোয়া। সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত সুপার কাপ ফাইনালে পরাজয়ের পর গতকাল আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আলোনসোর বিদায়ের খবর নিশ্চিত করে লস ব্লাঙ্কোসরা। বিবৃতিতে বলা হয়, “ক্লাব ও জাবি আলোনসোর মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে প্রথম দলের কোচ হিসেবে তার অধ্যায় শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” ৪৪ বছর বয়সী আলোনসোর মেয়াদ খুব একটা দীর্ঘ হলো না। গত গ্রীষ্মে কার্লো আনচেলত্তির উত্তরসূরি হিসেবে তিন বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যেই সেই সম্পর্কের ইতি টানল রিয়াল মাদ্রিদ। ক্লাবের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “জাবি আলোনসো রিয়াল মাদ্রিদের একজন কিংবদন্তি। তিনি সবসময় আমাদের ক্লাবের মূল্যবোধকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। রিয়াল মাদ্রিদ সবসময়ই তার ঘর হয়ে থাকবে।” একই সঙ্গে তার কোচিং স্টাফদের কাজ ও নিষ্ঠার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনাও জানিয়েছে ক্লাব। আলোনসোর অধীনে লা লিগায় শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। প্রথম ১১ ম্যাচের মধ্যে ১০টিতেই জয় পায় রিয়াল। তবে ২০২৫ সালের শেষ ভাগে এসে ছন্দ হারাতে থাকে দল। লিভারপুল, সেল্তা ভিগো ও ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে হারসহ একাধিক হতাশাজনক ফলাফলের পর বাড়তে থাকে কোচের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুঞ্জন। মাঠের বাইরেও অস্বস্তির খবর সামনে আসে। কয়েকজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোনসোর সম্পর্ক ভালো ছিল না বলে আলোচনা চলছিল। তার কোচিং স্টাইল নিয়ে আপত্তির পাশাপাশি ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের প্রকাশ্য ক্ষোভ; বদলি হিসেবে তুলে নেওয়া নিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। বর্তমানে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে আলোনসোর অধীনে ছয় ম্যাচে চার জয়ে ভালো অবস্থানেই ছিল দল। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত রিয়ালের জার্সিতে খেলা সাবেক মিডফিল্ডার আলোনসো কোচ হিসেবে গত গ্রীষ্মে ক্লাবে ফেরেন। তার আগে বায়ার লেভারকুসেনকে ২০২৪ সালে ইতিহাসের প্রথম বুন্দেসলিগা শিরোপা এনে দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। এবার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হলো ৪২ বছর বয়সী আলভারো আরবেলোয়ার হাতে। রিয়ালের সাবেক এই ডানপ্রান্তের ডিফেন্ডার সাত মৌসুমে ক্লাবের হয়ে ২৩৮ ম্যাচ খেলেছেন। কাস্তিয়ায় তার কোচিং পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হয়েই তাকে মূল দলের হাল ধরতে দিল রিয়াল মাদ্রিদ। নতুন কোচের অধীনে মৌসুমের বাকি অংশে রিয়াল কীভাবে ঘুরে দাঁড়ায় সেদিকেই এখন তাকিয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু।
বার্সাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে অস্বীকৃতি, সমালোচনার মুখে এমবাপ্পে

বার্সাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে অস্বীকৃতি, সমালোচনার মুখে এমবাপ্পে স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। দলের প্রধান তারকাকে ফাইনালের জন্য বিশেষভাবে স্পেন থেকে উড়িয়ে আনা হয়। গুঞ্জন ছিল, ব্যথানাশক ইনজেকশন নিয়েই হলেও শুরুর একাদশে দেখা যেতে পারে ফরাসি এই সুপারস্টারকে। তবে প্রত্যাশার সেই দৃশ্য দেখা যায়নি। এল ক্লাসিকো ফাইনালে এমবাপে নামেন ম্যাচের শেষ দিকে, বদলি হিসেবে। মাঠে নেমেও দলের ভাগ্য বদলাতে পারেননি তিনি। ফাইনাল হারের পর এখন বির্তকিত এক কাণ্ড ঘটিয়ে উল্টো সমালোচনার মুখে পড়েছেন এমবাপে। স্প্যানিশ সাংবাদিক আলফ্রেদো মার্তিনেজের জানিয়েছেন, সুপার কাপ ফাইনালে হারের পর রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের বার্সেলোনাকে ‘গার্ড অব অনার’ না দিতে নির্দেশ দেন কিলিয়ান এমবাপে। কাতালান চ্যানেল এস্পোর্তো-থ্রি- এর ভিডিওতেও এমনটাই দেখা যায়। ফাইনালে রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর রিয়াল মাদ্রিদের তারকারা সরাসরি বেঞ্চের দিকে চলে যান। তখন কোচ জাবি আলোনসোই তাদের জানান, বাধ্যতামূলক নয় এমন ‘গার্ড অব অনার’ বা স্পেনে যাকে ‘পাসিয়ো’ বলা হয়, সেটি দেওয়ার কথা। সেই সময় বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা বিজয়ী পদক নিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে মার্তিনেজের মতে, এমবাপেই সতীর্থদের ডাগআউটের দিকে নিয়ে যান। ক্যামেরায় ধরা পড়ে, ১০ নম্বর জার্সিধারী এই ফরোয়ার্ড স্পষ্টভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন এবং গার্ড অব অনারে অংশ নিতে আগ্রহ দেখানো রাউল আসেনসিওর দিকে তাকিয়ে অবিশ্বাসের ভঙ্গিতে অন্য এক সতীর্থের সঙ্গে কিছু বলছেন। এই ঘটনার জেরে সামাজিক মাধ্যম এক্সে (টুইটার) একটি জনপ্রিয় অ্যাকাউন্ট এমবাপেকে ‘সর লুসার ’ বা ‘হার মেনে নিতে না পারা’ খেলোয়াড় বলে আখ্যা দেয় এবং সেই ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্তের প্রতিবেদনে এমবাপের এমন আচারণকে ‘অখেলোয়াড়সুলভ’ লিখেছে। অনেক বার্সা সমর্থকদের কাছেও এই ঘটনা দৃষ্টিকটু মনে হয়েছে। রোমাঞ্চকর ফাইনালে ৭৬ মিনিটে গঞ্জালো গার্সিয়ার বদলি নামেন এমবাপে। ২-৩ গোলে পিছিয়ে থাকা দলকে উদ্ধার করতে এসে শেষ মুহূর্তে সতীর্থকে দিয়ে একটি গোল করানোর খুব কাছে ছিলেন। তবে একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিদের কাছে ফাইনাল হারের একরাশ হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে লস ব্লাঙ্কোসরা।
ফাইনালের আগে এমবাপেকে নিয়ে সতর্ক রিয়াল কোচ

ফাইনালের আগে এমবাপেকে নিয়ে সতর্ক রিয়াল কোচ স্প্যানিশ সুপার কাপ ফাইনালকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ দুই দলই। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচকে সামনে রেখে কিলিয়ান এমবাপের ফিটনেস নিয়ে অতিরিক্ত কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো। গত বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামতে পারেননি চোটের কারণেই। তবে শুক্রবার দলের সঙ্গে সৌদি আরবে গিয়েছেন এল ক্লাসিকোর স্কোয়াডের অংশ নিসেবে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে হাঁটুর চোটে পড়েন এমবাপে। যে চোট থেকে সেরে উঠতে প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগার কথা ছিল। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ২৯ গোল করেছেন তিনি। মৌসুমে মাদ্রিদের শীর্ষ গোলদাতাকে ব্যথানাশক ইনজেকশন দিয়ে খেলানো হতে পারে কিনা, এমন প্রশ্নে আলোনসো জানান, ক্লাব কোনো তাড়াহুড়া করবে না। সংবাদ সম্মেলনে আলোনসো বলেন, ‘এটা এমন একটি সিদ্ধান্ত, যেটা কোচিং স্টাফ, খেলোয়াড় এবং চিকিৎসকদের মধ্যে আলোচনা করে নিতে হবে। আমাদের ঝুঁকির মাত্রা বুঝতে হবে, আমরা কোন অবস্থায় আছি, কী জন্য খেলছি। তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে আমরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কামিকাজে (বেপরোয়া) হই না। এটা হবে নিয়ন্ত্রিত ঝুঁকি।”আলোনসো জানান, রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে গত সপ্তাহান্তের লা লিগা ম্যাচ এবং আতলেতিকোর বিপক্ষে ডার্বি মিস করার পর এমবাপে এখন অনেকটাই ভালো বোধ করছেন আগের চেয়ে। আলোনসো বলেন, ‘সে এখন অনেক ভালো আছে। আতলেতিকোর বিপক্ষে ম্যাচে সে পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল না, তাই আমরা তার প্রত্যাবর্তন ত্বরান্বিত করিনি।’তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনায় ছিল ফাইনালে উঠতে পারলে এবং সে কেমন অনুভব করছে তা দেখে, তখন তাকে এখানে আনার বিষয়টি বিবেচনা করব। আজ সে যখন অনুশীলন করবে, তখন আমরা সব তথ্য পাব এবং বুঝতে পারব সে শুরুর একাদশে খেলতে পারবে কি না, নাকি সীমিত সময়ের জন্য নামবে।’ সুপার কাপ জিততে পারলে গত জুনে রিয়ালের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই হবে আলোনসোর প্রথম শিরোপা। যা তার ওপর থাকা চাপও অনেকটাই কমাবে।
রোজেনিয়রের স্বপ্নময় শুরু, চার্লটনকে ৫-১ ব্যবধানে হারালো চেলসি
রোজেনিয়রের স্বপ্নময় শুরু, চার্লটনকে ৫-১ ব্যবধানে হারালো চেলসি চেলসির কোচ হয়েই প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে লিয়াম রোজেনিয়র শুরুটা করলেন দারুণ এক জয় দিয়ে। চার্লটন অ্যাথলেটিককে ৫-১ গোলে হারিয়ে নতুন কোচের অধীনে দারুণ শুরু করেছে ব্লুজরা। দ্য ভ্যালি স্টেডিয়ামে বিরতির আগমুহূর্তে দুর্দান্ত এক ভলিতে গোলের সূচনা করেন জোরেল হাতো। সেই ব্যবধানে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাড়িয়ে দেন তোসিন আদারাবিওয়ো। চার্লটনের হয়ে মাইলস লিবার্ন এক সময় ব্যবধান কমালেও শেষ পর্যন্ত মার্ক গিউ, পেদ্রো নেটো ও এনজো ফার্নান্দেজের গোল চেলসির বড় জয় নিশ্চিত করে। ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তাল ছিল দ্য ভ্যালি। লন্ডনের প্রতিবেশী ক্লাবকে চাপে ফেলতে মুখিয়ে ছিলো গ্যালারির চার্লটন সমর্থকরা। তবে ম্যাচ শুরুর পরপরই গ্যালারিতে এক চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ বিরতি পড়ে, যা কিছুটা হলেও স্টেডিয়ামের উত্তেজনা কমিয়ে দেয়। এই বিরতি শেষে দ্রুতই নিজেদের ছন্দ খুঁজে নেয় চেলসি। প্রথমার্ধে ৭৭ শতাংশ বল দখলে রেখে ছয়টি শট লক্ষ্যে রাখে। তবে চার্লটনের গোলকিপার উইল ম্যানিয়ন দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় চেলসি। চার্লটনের বক্সের সামনে বাউন্স করা বলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নিখুঁত ভলিতে গোল করেন হাতো। বিরতির পরপরই ম্যাচের ৫০ মিনিটে স্বাগতিকদের দুর্ভোগ বাড়ায় চেলসি। ফাকুন্দো বুয়োনানোট্টের নেওয়া প্রান্তিক ফ্রি-কিক দুর্দান্ত গতিতে নিকট পোস্টে পৌঁছালে তোসিন আদারাবিওয়ো হেডে বল জালে পাঠান। দুই গোল হজমের পর চার্লটন দমে যায়নি। কর্নার থেকে লয়েড জোন্সের হেড ফিলিপ ইয়োরগেনসেন ঠেকালেও ফিরতি বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে গোল করেন মাইলস লিবার্ন। তাতে স্বাগতিক সমর্থকদের মনে স্বপ্ন জাগে প্রত্যাবর্তনের। গোল করেও মাত্র পাঁচ মিনিট পর আবারও গোল হজম করে বিপদে পড়ে চার্লটন। ৬২ মিনিটে আলেহান্দ্রো গারনাচোর শট থেকে আসা রিবাউন্ডে সুযোগ নিয়ে মার্ক গিউ তৃতীয় গোলটি করেন। এই গোলের হজম করে ভেঙে পড়ে চার্লটনের প্রতিরোধ। এস্তেভাওকে মাঠে নামানোর পর ডান প্রান্তে একের পর এক সুযোগ তৈরি করে চেলসি। ম্যানিয়ন এস্তেভাও ও এনজো ফার্নান্দেজের শট ঠেকালেও লিয়াম ডেলাপ সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। ম্যাচ যখন শেষের পথে, দ্য ভ্যালি স্টেডিয়ামে হালকা কুয়াশা ভর করতে শুরু করে। ঠিক সেই সময়ই নৈপুণ্যের ছোঁয়ায় ব্যবধান বাড়ান পেদ্রো নেটো লয়েড জোন্সকে ফাঁকি দিয়ে বক্সে ঢুকে নিকট কোনায় নিচু শটে জাল কাঁপান। এরপর এস্তেভাওকে বক্সে ফেলে দেওয়ায় গোলরক্ষক উইল ম্যানিয়নের বিরুদ্ধে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট থেকে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করে এনজো ফার্নান্দেজ চেলসির বড় ৫–১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন।
২২ বছরের খরা কাটিয়ে সেমিফাইনালে মরক্কো
২২ বছরের খরা কাটিয়ে সেমিফাইনালে মরক্কো দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে মরক্কো। রাবাতে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরুনকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে স্বাগতিক মরক্কো। দুই অর্ধে দুটি গোল দীর্ঘ ২২ বছর পর সেমিফাইনালে পা রেখেছে মরক্কো। একটি করে গোল করে ব্রাহিম দিয়াজ ও ইসমাইল সাইবারি মরক্কোর হয়ে জয় নিশ্চিত করেন। পুরো ম্যাচে ক্যামেরুন খুব একটা প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। সবশেষ ২০০৪ নেশনস কাপের সেমিতে খেলেছিল দলটি। ২৬তম মিনিটে কর্নার থেকে আইয়ুব এল কাবির ফ্লিকে বল পেয়ে কাছ থেকে বল জালে পাঠান ব্রাহিম দিয়াজ। উরুতে লেগে বল জালে প্রবেশ করলে টুর্নামেন্টে এটি ছিল তার পঞ্চম গোল। দ্বিতীয়ার্ধে সেট পিস থেকেই আসে ইসমাইল সাইবারির গোল। ফ্রি-কিক থেকে আসা বল পেয়ে নিচু বাঁ-পায়ের শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনল খেলা মরক্কোর সমর্থকরা নেশনস কাপের সেমির গ্যালারিতেও উন্মাতাল পরিবেশের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে। সেই চিরচেনা আবহে ওয়ালিদ রেগরাগুইয়ের দল পুরো ম্যাচেই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। এই জয়ের মাধ্যমে কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠার ঐতিহাসিক সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করল রেগরাগুইয়ের শিষ্যরা। এখন আর মাত্র দুই জয় দূরে মরক্কো। ১৯৭৬ সালের পর প্রথম মহাদেশীয় শিরোপা জয়ের হাতছানি।এটি মরক্কোর এটি টানা ২৫ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড। যা শুরু হয়েছিল ২০২৩ আফকনের শেষ ষোলোতে বিদায় নেওয়ার পর থেকে। আগামী বুধবার একই মাঠে সেমিফাইনালে মরক্কোর প্রতিপক্ষ হবে শনিবারের কোয়ার্টার ফাইনালে আলজেরিয়া ও নাইজেরিয়ার মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী।
বিশ্বকাপের আগে মুখোমুখি ব্রাজিল-ফ্রান্স, জেনে নিন সময়সূচি

বিশ্বকাপের আগে মুখোমুখি ব্রাজিল-ফ্রান্স, জেনে নিন সময়সূচি আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। মেগা এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের জিলেট স্টেডিয়ামে আগামী ২৬ শে মার্চ রাত ২টায় মাঠে নামবে ব্রাজিল-ফ্রান্স। ম্যাচটি হবে ‘রোড টু ২৬’ নামের নতুন আন্তর্জাতিক সিরিজের অংশ হিসেবে। এখন পর্যন্ত ১৮ বার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই দল। এর মধ্যে ফ্রান্স জিতেছে ৭টি ম্যাচ, ড্র হয়েছে ৬টি এবং ব্রাজিল জয় পেয়েছে ৫টিতে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুনে প্যারিসে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ‘রোড টু ২৬’ সিরিজে ব্রাজিল ও ফ্রান্সের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছে ক্রোয়েশিয়া ও কলম্বিয়া। একনজরে ‘রোড টু ২৬’-এর সম্পূর্ণ সূচি (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী): তারিখ (বাংলাদেশ) ম্যাচ ভেন্যু সময় (বাংলাদেশ) ২৬ মার্চ, ২০২৬ ব্রাজিল বনাম ফ্রান্স জিলেট স্টেডিয়াম, ম্যাসাচুসেটস রাত ২:০০টা ২৭ মার্চ, ২০২৬ কলম্বিয়া বনাম ক্রোয়েশিয়া ক্যাম্পিং ওয়ার্ল্ড স্টেডিয়াম, ফ্লোরিডা ভোর ৫:৩০টা ২৯ মার্চ, ২০২৬ ফ্রান্স বনাম কলম্বিয়া নর্থওয়েস্ট স্টেডিয়াম, মেরিল্যান্ড রাত ১:০০টা ১ এপ্রিল, ২০২৬ ব্রাজিল বনাম ক্রোয়েশিয়া ক্যাম্পিং ওয়ার্ল্ড স্টেডিয়াম, ফ্লোরিডা ভোর ৬:০০টা।
বিশ্বকাপের আগে টিকটকারদের দারুণ খবর দিলো ফিফা

বিশ্বকাপের আগে টিকটকারদের দারুণ খবর দিলো ফিফা আগামী ১৯ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে হবে বিশ্বকাপ। ৪৮ দলের এই টুর্নামেন্ট ঘিরে সরব থাকবে সোশ্যাল মিডিয়া। তবে টিকটক থাকবে একটি বিশেষ অবস্থানে। বিশ্বকাপে সোশ্যাল মিডিয়া পার্টনার হিসেবে এটিকে প্রথম ‘পছন্দসই ভিডিও প্ল্যাটফর্ম’ হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব ফুটবল সংস্থা। এবারের বিশ্বকাপে টিকটকের কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা বিশেষ অ্যাকসেস পাবেন। ফিফা বলেছে, বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্বাধিকারীরা টিকটক অ্যাপের ডেডিকেটেড হাবে থাকা ১০৪ ম্যাচের বিভিন্ন অংশ লাইভস্ট্রিম করতে পারবে। টুইটারে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭ কোটির বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। ফিফা বলেছে, ‘কন্টেন্ট ক্রিকেটরদের বৃহৎ অংশ ফিফার আর্কাইভাল ফুটেজ ব্যবহার ও নতুন করে তৈরি করতে পারবে।’ ফিফা ভক্তদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, এবারের আসরে ভক্তরা পর্দার আড়ালের ও মাঠের ভেতরের এমন দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে বাছাই করা ভক্তদের জন্য টিকটক ইন অ্যাপের পক্ষ থেকে থাকবে কাস্টম স্টিকার, ফিল্টার্স ও গেমিফিকেশন ফিচারস। টিকটক বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ডাউনলোডেড অ্যাপ। যদিও জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে এটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।