বাংলাদেশ সিরিজের জন্য দল ঘোষণা নেদারল্যান্ডসের

বাংলাদেশ সিরিজের জন্য দল ঘোষণা নেদারল্যান্ডসের ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে চলতি মাসেই বাংলাদেশ সফরে আসবে নেদারল্যান্ডস। এই টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য আজ দল ঘোষণা করেছে ডাচরা। স্কট এডওয়ার্ডসের নেতৃত্বে টাইগারদের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। ডাচরা দল ঘোষণা করলেও বাংলাদেশ এখনো সিরিজের স্কোয়াড ঘোষণা করেনি। ধারণা করা হচ্ছে, ২-১ দিনের মধ্যেই একইসঙ্গে নেদারল্যান্ডস সিরিজ ও এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করতে পারে বাংলাদেশ।উল্লেখ্য, আগামী ২৬ আগস্ট বাংলাদেশে পা রাখবে নেদারল্যান্ডস। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ মাঠে গড়াবে ৩০ আগস্ট। আর সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ হবে ১ ও ৩ সেপ্টেম্বর। সিরিজের সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে।

পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন সালাহ

পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন সালাহ লিভারপুল তারকা মোহামেদ সালাহ তৃতীয়বারের মতো প্রফেশনাল ফুটবলার্স অ্যাসোসিয়েশন (পিএফএ)-এর বর্ষসেরা পুরস্কার জিতেছেন। ৩৩ বছর বয়সী মিশরীয় উইঙ্গার গত মৌসুমে লিভারপুলের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ ২৯ গোল এবং ১৮ অ্যাসিস্ট করেন।সালাহ একই সঙ্গে ২০২৪-২৫ মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগ বর্ষসেরা খেলোয়াড় এবং ফুটবল রাইটার্স’ অ্যাসোসিয়েশন (এফডব্লিউএ) বর্ষসেরা ফুটবলারও নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, অ্যাস্টনভিলা মিডফিল্ডার মরগান রজার্স জিতেছেন পিএফএ বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড়ের খেতাব। ২৩ বছর বয়সী এই ইংলিশ তারকা গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৪ ম্যাচে ১৪ গোল করেন এবং ভিলাকে প্রিমিয়ার লিগে ষষ্ঠ স্থানে তোলেন। সাবেক ইংল্যান্ড ম্যানেজার গ্যারেথ সাউথগেট পেয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ পিএফএ মেরিট অ্যাওয়ার্ড। জাতীয় দলের হয়ে আট বছরে চারটি বড় টুর্নামেন্টে দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি। বর্ষসেরা একাদশ: খেলোয়াড়দের ভোটে গঠিত প্রিমিয়ার লিগের বর্ষসেরা একাদশে আধিপত্য করেছে লিভারপুল ও আর্সেনাল। গোলরক্ষক: ম্যাটজ সেলস (নটিংহ্যাম ফরেস্ট) ডিফেন্ডার: উইলিয়াম সালিবা (আর্সেনাল) গ্যাব্রিয়েল (আর্সেনাল) ভার্জিল ফন ডাইক (লিভারপুল) মিলোস কেরকেজ (বর্নমাউথ, বর্তমানে লিভারপুল) মিডফিল্ডার: আলেক্সিস মাক আলিস্তার (লিভারপুল) রায়ান গ্র্যাভেনবার্গ (লিভারপুল) ডেক্লান রাইস (আর্সেনাল) ফরোয়ার্ড: মোহামেদ সালাহ (লিভারপুল) আলেকজান্ডার ইসাক (নিউক্যাসল) ক্রিস উড (নটিংহ্যাম ফরেস্ট)

নেইমার-দি মারিয়াদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেবে টাইগাররা

নেইমার-দি মারিয়াদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেবে টাইগাররা বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের চিকিৎসা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বিসিবি। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশে চিকিৎসার জন্য খেলোয়াড়দের পাঠাতে গিয়ে ভিসাজনিত জটিলতা আর অনিশ্চয়তায় পড়তে হয়েছে বোর্ডকে। এবার সেই সমস্যা এড়াতে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ ক্রিকেটারদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ক্যাটাগরিতে ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতিটি ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের জন্য নির্দিষ্ট করা হবে চিকিৎসার গন্তব্য দেশ ও হাসপাতাল। গুরুতর চোট বা বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন পড়লে নিয়ম ভেঙে অন্য দেশেও পাঠানো হবে ক্রিকেটারদের। তবে মূল পরিকল্পনায় শীর্ষে থাকছে কাতারের বিশ্বখ্যাত এসপেটার হাসপাতাল, যেটি ফিফার স্বীকৃত মেডিকেল সেন্টার এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির গবেষণা কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। ২০০৯ সালে ফিফা একে ঘোষণা করে ‘মেডিকেল সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’ আর ২০১৪ সালে আইওসি একে স্বীকৃতি দেয় চোট প্রতিরোধ ও ক্রীড়াবিদদের স্বাস্থ্য গবেষণার জন্য। বিশ্বের বড় বড় ক্রীড়াবিদদের চিকিৎসার জন্য বহুবার আলোচনায় এসেছে এই হাসপাতাল। ২০২৩ সালে অস্ত্রোপচার করান নেইমার, চিকিৎসা নেন আনহেল দি মারিয়া, মো. ফারাহ, ইয়া ইয়া তোরের মতো বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াবিদরা। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্যও হাসপাতালটি নতুন নয়। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, অভিষেক দাস এবং আশিকুর জামান এর আগে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। শুধু বিদেশে নয়, দেশের মাটিতেও ক্রিকেটারদের জন্য চিকিৎসা সুবিধা বাড়াতে চাইছে বিসিবি। এজন্য পরিকল্পনা হচ্ছে মিরপুরের একাডেমি ভবনে একটি ‘মিনি মেডিকেল ইউনিট’ স্থাপনের। বর্তমানে বিসিবির মূল ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম চলে, তবে ম্যাচ চলাকালে দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের বিধিনিষেধের কারণে সেখানে প্রবেশ করতে পারেন না খেলোয়াড়রা। নতুন মেডিকেল ইউনিট হলে জিম আর একাডেমি মাঠের কাছেই থাকবে পুনর্বাসনের সব ব্যবস্থা। এতে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর হবে বলে মনে করছে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম ইতোমধ্যেই এসপেটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। পরিকল্পনা চলছে, সেখান থেকে চিকিৎসক এনে স্থানীয় ফিজিওদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার। বিসিবির মেডিকেল বিভাগের প্রধান মনজুর আলম দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘আমরা শুধু বিদেশে চিকিৎসা নয়, মিরপুরেই ক্রিকেটারদের প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য আল্ট্রাসনোগ্রামসহ আধুনিক সব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করব। একই সঙ্গে এসপেটারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের এনে স্থানীয় চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে। ’ সব মিলিয়ে নেইমারদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেবে টাইগাররা—এমন খবর শুধু প্রতীকী নয়, বরং বাংলাদেশের ক্রিকেট চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য এক নতুন যুগের সূচনা। ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত করা, চোট কমানো এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে আরও বৈজ্ঞানিক করার লক্ষ্যে বিসিবির এই উদ্যোগকে অভিনব মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এশিয়া কাপে ভারতের নেতৃত্বে সূর্যকুমার

এশিয়া কাপে ভারতের নেতৃত্বে সূর্যকুমার এশিয়া কাপের জন্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ভারত। অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন সূর্যকুমার যাদব, সহ অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন ভারতের টেস্ট অধিনায়ক শুভমান গিল। তবে দলে নেই অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফিতে দারুণ পারফর্ম করা পেসার মোহাম্মদ সিরাজ। যশপ্রীত বুমরাকে রাখা হয়েছে দলে। এশিয়া কাপে ৮ বারের শিরোপাজয়ী ভারত নিজেদের অভিযান শুরু করবে পাকিস্তানের বিপক্ষে, আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। ভারত দলে জায়গা পেয়েছেন- সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), শুভমান গিল (ভাইস-অধিনায়ক), সঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মা, রিঙ্কু সিং, হার্দিক পান্ডিয়া, শিবম দুবে, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল, জিতেশ শর্মা, হর্ষিত রানা, অর্শদীপ সিং, বরুণ সিভি ও জসপ্রিত বুমরাহ। আর স্ট্যান্ডবাই থাকছেন- প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা, ওয়াশিংটন সুন্দর, ধ্রুব জুরেল, রিয়ান পরাগ ও যশস্বী জয়সওয়াল।

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে রাবাদাকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে রাবাদাকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা কেয়ার্নসে প্রথম ওয়ানডের আগে দলের সঙ্গে মাঠে এলেন কাগিসো রাবাদা। তবে সতীর্থদের সঙ্গে ওয়ার্ম-আপে দেখা যায় নি তাকে। কিছুক্ষণ পরের খবর-অ্যাঙ্কেলের চোটে গোটা সিরিজ থেকেই ছিটকে গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই পেসার। আজ ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা। ৩০ বছর বয়সী এই পেসার সিরিজের আগে টি-টোয়েন্টি দলে নিয়মিত খেললেও কবে, কীভাবে চোট পেয়েছেন সে বিষয়ে কিছু জানায়নি বোর্ড। তবে ১৬৪ ওয়ানডে উইকেট শিকারি রাবাদা দলের সঙ্গেই থাকবেন অস্ট্রেলিয়ায়। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় নজর রাখবেন দলের চিকিৎসকরা। তার অনুপস্থিতিতে আগেই স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন তরুণ বাঁহাতি পেসার কোয়েনা মাফাকা।

খেলতে গিয়ে পরিবার নিয়ে সমুদ্র বিলাস সাকিবের

খেলতে গিয়ে পরিবার নিয়ে সমুদ্র বিলাস সাকিবের দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন সাকিব আল হাসান। তবে নিয়মিত খেলছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট। পঞ্চমবারের মতো ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলছেন সাবেক বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। এবার অ্যান্টিগা অ্যান্ড বার্বুডা ফ্যালকনসের হয়ে খেলছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। খেলার ব্যস্ততার মধ্যেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন সাকিব। সোমবার (১৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেন সাবেক বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। ছবিতে দেখা যায়, স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরে সঙ্গে দুই মেয়ে ও ছেলেকে নিয়ে বেশ আয়েশ করে সমুদ্র বিলাস করছেন সাকিব। তবে ছবি ক্যাপশনে কিছুই লেখেননি সাকিব। এমনকি কোন সমুদ্রে তার ছিলেন সেটাও জানা যায়নি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সাকিবের পোস্টে ৪ লাখ লাইক, প্রায় ৪২ হাজার কমেন্ট ও ৩ হাজার শেয়ার হয়েছে। এখন পর্যন্ত অ্যান্টিগা অ্যান্ড বার্বুডা ফ্যালকনসের হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। দুই ম্যাচে ব্যাটে-বলে বিবর্ণ ছিলেন এই অলরাউন্ডার। তবে দুই ম্যাচের একটিতে জয় পেয়েছে সাকিবের দল। সেন্ট লুসিয়া কিংসের বিপক্ষে তাদের তৃতীয় ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছে।

এশিয়া কাপের দলে গিল-জায়সওয়ালের থাকা নিয়ে শঙ্কা

এশিয়া কাপের দলে গিল-জায়সওয়ালের থাকা নিয়ে শঙ্কা আগামী ৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসতে যাচ্ছে এশিয়া কাপ ক্রিকেটের আসর। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ভারতীয় দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। বিশেষ করে শুভমান গিল ও যশস্বী জায়সওয়ালকে দলে রাখা হবে কি না, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্পোর্টস্টার জানিয়েছে, আগামীকাল ঘোষিত দলে এই দুই তরুণ তারকার অন্তর্ভুক্তি নাও হতে পারে। গৌতম গম্ভীরের কোচিংয়ে দুর্দান্ত সাফল্য পাওয়া মূল স্কোয়াডই ধরে রাখার পরিকল্পনা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। গম্ভীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত খেলা ১৫টি টি-টোয়েন্টির মধ্যে ভারত জিতেছে ১৩টিতেই। অন্যদিকে, যশস্বী জয়সওয়ালও সমান ছন্দে রয়েছেন। তবু সংযুক্ত আরব আমিরাতের ধীর গতির উইকেট বিবেচনায় ভারতীয় ম্যানেজমেন্ট অভিজ্ঞ মিডল-অর্ডার ব্যাটারদের ওপরই ভরসা রাখতে চাইছে। সে কারণে শ্রেয়াস আইয়ার ও জিতেশ শর্মার দলে থাকার সম্ভাবনাই বেশি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্কোয়াড ঘোষণা: এশিয়া কাপের দলেও নেই বাবর ও রিজওয়ান

স্কোয়াড ঘোষণা: এশিয়া কাপের দলেও নেই বাবর ও রিজওয়ান দীর্ঘদিন ধরে টি-টোয়েন্টি দলের বাইরে থাকা বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানকে এশিয়া কাপের দলেও রাখেনি পাকিস্তান। চোট কাটিয়ে ফিরেছেন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ফাখার জামান। এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের জন্য রোববার ১৭ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। এই দল নিয়েই এশিয়া কাপের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে তারা। পাকিস্তানের জার্সিতে বাবর সবশেষ ম্যাচ খেলেছেন গত বছরের ডিসেম্বরে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ওই ম্যাচ দেশের হয়ে রিজওয়ানেরও সবশেষ টি-টোয়েন্টি। এরপর আরও চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে পাকিস্তান। কিন্তু কোনোটিতেই সুযোগ পাননি অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান। দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ১২৮ টি-টোয়েন্টি খেলে তিন সেঞ্চুরি ও ১২৯.২২ স্ট্রাইক রেটে চার হাজার ২২৩ রান করেছেন বাবর। পাকিস্তানের হয়ে সাড়ে তিন হাজার রানও করতে পারেননি আর কেউ। ১০৬ ম্যাচ খেলে এক সেঞ্চুরি ও ১২৫.৩৭ স্ট্রাইক রেটে তিন হাজার ৪১৪ রান নিয়ে তালিকায় দুইয়ে রিজওয়ান। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজে সফরের মাঝপথে ছিটকে যান ফাখার। এশিয়া কাপে তাকে পাওয়া নিয়ে শুরুতে কিছুটা সংশয় জেগেছিল। সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠেছেন বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান। গত জুলাইয়ে বাংলাদেশ সফরে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির স্বাদ পান সালমান মির্জা। এই সংস্করণে তিন ম্যাচে সাত উইকেট নেওয়া বাঁহাতি পেসারকে ফেরানো হয়েছে এশিয়া কাপের দলে। আরেক পেসার মোহাম্মদ ওয়াসিমকেও ফেরানো হয়েছে। পাকিস্তানের হয়ে গত জানুয়ারিতে সবশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। এই সংস্করণে ২৯ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ৩৬ উইকেট। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এশিয়া কাপ অভিযান শুরু করবে পাকিস্তান। এক দিন পর তারা মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের। গ্রুপ পর্বে সালমান আলি আগার নেতৃত্বাধীন দলের শেষ প্রতিপক্ষ স্বাগতিক আরব আমিরাত, ১৭ সেপ্টেম্বর। এশিয়া কাপের ঠিক আগে আফগানিস্তান ও আরব আমিরাতকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। ২৯ অগাস্ট আফগানদের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে মাঠের লড়াই। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর শেষ হবে এই সিরিজ। এশিয়া কাপের পাকিস্তান দল: সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফাখার জামান, হারিস রউফ, হাসান আলি, হাসান নাওয়াজ, হুসাইন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হারিস (কিপার), মোহাম্মদ নাওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, সালমান মির্জা, শাহিন শাহ আফ্রিদি, সুফিয়ান মুকিম।

উইজডেনের শতাব্দীর সেরা ১৫ টেস্ট সিরিজের দু’টিতে টাইগাররা

উইজডেনের শতাব্দীর সেরা ১৫ টেস্ট সিরিজের দু’টিতে টাইগাররা একবিংশ শতাব্দীর সেরা ১৫টি টেস্ট সিরিজের তালিকা প্রকাশ করেছে ‘ক্রিকেটের বাইবেল’খ্যাত মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগাজিন উইজডেন। যেখানে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের দু’টি ভিন্ন স্বাদের স্মৃতি-একটি জয়ে ভরপুর এবং আরেকটি তিক্ত হারের। উইজডেনের একবিংশ শতাব্দীর সেরা টেস্ট সিরিজের তালিকায় ১৫ নম্বরে রয়েছে ২০১৬ সালের বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড সিরিজ। এছাড়া ২০২১ সালে কোভিড-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের মাটিতে হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজটি তালিকার ৭ম স্থানে রয়েছে। দুই ম্যাচের এই সিরিজেই অভিষেক হয়েছিল তরুণ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে সাব্বির রহমানের সাহসী ব্যাটিংয়ের পরও জয় হাতছাড়া হয় টাইগারদের। তবে মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টে মিরাজের ঘূর্ণিতে ইতিহাস রচনা হয়। ২৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বিনা উইকেটে ১০০ থেকে ১৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। মিরাজ একাই নেন ৬ উইকেট, বাকি চারটি ভাগ করে নেন সাকিব আল হাসান, নিশ্চিত হয় ১০৮ রানের ঐতিহাসিক জয়। আরও উঁচুতে, ৭ম স্থানে জায়গা পেয়েছে ২০২১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফর। কোভিড পরবর্তী সময়ে অনেকে ভেবেছিল দুর্বল স্কোয়াড নিয়ে আসা ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে জয় সম্ভব নয়। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্টে কাইল মেয়ার্সের অবিশ্বাস্য ২১০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৩ উইকেটে জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে ওঠে, তবে শেষ হাসি হাসে অতিথিরা, ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নেয়। তালিকার অন্য উল্লেখযোগ্য সিরিজের মধ্যে রয়েছে সর্বশেষ অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি, যেখানে ইংল্যান্ড ও ভারতের পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-২ ব্যবধানে ড্র হয়, এটি আছে ৫ নম্বরে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ২০২৩ সালের অ্যাশেজ, যা ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একই ব্যবধানে ড্র হয়েছিল। সবশেষে, একুশ শতকের সেরা টেস্ট সিরিজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ২০২০-২১ মৌসুমে ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর। প্রথম টেস্টে মাত্র ৩৬ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরও ভারত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে। উইজডেনের মতে, এটি প্রত্যাবর্তনের সবচেয়ে সুন্দর গল্প।

ঢাকা থেকে ৬ ক্রিকেটার যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া

ঢাকা থেকে ৬ ক্রিকেটার যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া গতকাল অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হয়েছে ১১ দলের টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। যেখানে লাল-সবুজের প্রতিনিধি হিসেবে খেলছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। এই টুর্নামেন্ট শেষে ২৮ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪ দিনের একটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সারির দলটির। যে ম্যাচটি আগামী বছর অস্ট্রেলিয়া সফরে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে। এবার সেই ম্যাচ খেলার জন্য ঢাকা থেকে ৬ ক্রিকেটার যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়। শাহাদাত হোসেন দিপু, ইফতেখার হোসেন ইফতি, অমিত হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়, হাসান মুরাদ এবং পেসার এনামুল হক ৪ দিনের ম্যাচ খেলার জন্য অস্ট্রেলিয়া যাবেন। তারা দুটি পৃথক দলে ভাগ হয়ে আগামী ১৭ ও ১৮ আগস্ট অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।