আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছে শ্রীলংকা-আফগানিস্তান, জটিল সমীকরণের সামনে টাইগাররা

আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছে শ্রীলংকা-আফগানিস্তান, জটিল সমীকরণের সামনে টাইগাররা এশিয়া কাপ ১৭তম আসরের ‘বি’ গ্রুপে আজ নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান। এ ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে এই গ্রুপ থেকে কোন দু’টি দল সুপার ফোরে খেলবে। শ্রীলংকা ও আফগানিস্তানের সাথে সুপার ফোরের দৌড়ে আছে বাংলাদেশও। তাই এ ম্যাচের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে টাইগারদের। আফগানিস্তান হেরে গেলেই সুপার ফোরে খেলবে বাংলাদেশ। আর আফগানরা জিতলে শ্রীলংকার সাথে রান রেটের হিসাব-নিকাশে বসতে হবে টাইগারদের। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে শ্রীলংকা। ৩ ম্যাচ খেলে ২ জয় ও ১ হারে ৪ পয়েন্ট থাকলেও রান রেটে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ। টেবিলের তৃতীয় স্থানে আছে ২ ম্যাচে ১টি করে জয়-হারে ২ পয়েন্ট পাওয়া আফগানিস্তান। এই গ্রুপের পয়েন্ট টেবিল বলছে-সুপার ফোরের দৌড়ে টিকে আছে শ্রীলংকা-বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। গ্রুপের আরেক দল হংকং ৩ ম্যাচে ৩টিই হেরেছে। ‘বি’ গ্রুপ থেকে সুপার ফোরে কোন দু’টি দল খেলবে, সেটি জানা যাবে আজ শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান ম্যাচের ফলাফলের উপর। সমীকরণ বলছে-আফগানিস্তানের বিপক্ষে শ্রীলংকা জিতলেও, লংকানদের সাথে সুপার ফোরে খেলবে বাংলাদেশ। তখন শ্রীলংকার পয়েন্ট হবে ৬, বাংলাদেশের পয়েন্ট থাকবে ৪ এবং আফগানিস্তান ২ পয়েন্ট নিয়ে বিদায় নেবে। আবার শ্রীলংকার বিপক্ষে জয় পেলে সুপার ফোর নিশ্চিত হবে আফগানিস্তানের। কারণ শ্রীলংকা ও বাংলাদেশের সাথে পয়েন্ট সমান ৪ করে হলেও রান রেটে সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবে আফগানরাই। বর্তমানে আফগানিস্তানের রান রেট ২.১৫০, শ্রীলংকার ১.৫৪৬ ও বাংলাদেশের -০.২৭০। আফগানিস্তানের জয়ে রান রেটের হিসাবে বসতে হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকাকে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুপার ফোরে উঠতে আফগানদের কাছে ৭০ রান বা তার বেশি ব্যবধানে এবং ম্যাচের ৫০ বল বাকি থাকতে হারতে হবে শ্রীলংকাকে। এছাড়াও শ্রীলংকা-আফগানিস্তান ম্যাচ যদি পরিত্যক্ত হয়, তাহলে লংকানদের নিয়ে সুপার ফোরে উঠবে বাংলাদেশ। অপরদিকে, আফগানিস্তানের ক্ষেত্রে-জয়ের বিকল্প নেই। তারা জিতলে তিন দলের পয়েন্ট সমান ৪ হলেও, নেট রানরেটের কারণে বাদ বাংলাদেশ। আজ আবু ধাবিতে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮ টায় মুখোমুখি হবে শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান।

বিসিবি প্রেসিডেন্ট হলে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেবেন তামিম

বিসিবি প্রেসিডেন্ট হলে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেবেন তামিম বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা আগেই দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এবার জানালেন নির্বাচনে জয়ী হলে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেবেন তিনি। এমনটাই সম্প্রতি দেশের এক গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। তামিম বলেন, ‘বোর্ড পরিচালক হলে আমি আর খেলব না। আমার মনে হয় না এটা ভালো দেখাবে। যদি নির্বাচিত হই, তাহলে ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানব। তবে নির্বাচিত না হলে বিপিএলসহ ক্রিকেট নিয়েই থাকব। ’ আগামী ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বিসিবি নির্বাচন, যেখানে বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও প্রার্থী হবেন। ইতোমধ্যেই বিসিবি তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, তার সঙ্গে আছেন সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি সিবগাত উল্লাহ এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক। তফসিল অনুযায়ী ২০ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২১ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, ২২-২৩ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, ২৫ সেপ্টেম্বর জমার শেষ দিন, ২৬ সেপ্টেম্বর প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, ২৮ সেপ্টেম্বর প্রার্থী প্রত্যাহারের শেষ সময় ও পোস্টাল ও ই-ব্যালট বিতরণ হবে। ৪ অক্টোবর ভোটগ্রহণ শেষে প্রাথমিক ফল এবং ৫ অক্টোবর চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হবে। ২৫ পরিচালকের ভোটে বিসিবির সভাপতি নির্বাচিত হবেন। যার মধ্যে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে ১০, ক্লাব প্রতিনিধিদের থেকে ১২, সাবেক অধিনায়ক বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি থেকে ১ এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে ২ জন থাকবেন। তবে এবার নির্বাচন করছেন না সাবেক পরিচালক আকরাম খান ও মাহবুব আনাম। তামিমের সরাসরি অংশগ্রহণে এবারের বিসিবি নির্বাচনকে ঘিরে ক্রিকেট মহলে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

শ্রীলংকা-আফগানিস্তান ম্যাচের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ

শ্রীলংকা-আফগানিস্তান ম্যাচের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ আগামীকাল এশিয়া কাপে ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান। এ ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে এই গ্রুপ থেকে কোন দু’টি দল সুপার ফোরে খেলবে। শ্রীলংকা ও আফগানিস্তানের সাথে সুপার ফোরের দৌড়ে আছে বাংলাদেশও। তাই এ ম্যাচের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে টাইগারদের। আফগানিস্তান হেরে গেলেই সুপার ফোরে খেলবে বাংলাদেশ। আর আফগানরা জিতলে শ্রীলংকার সাথে রান রেটের হিসাব-নিকাশে বসতে হবে টাইগারদের। আবু ধাবিতে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটায় মুখোমুখি হবে শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে শ্রীলংকা। ৩ ম্যাচ খেলে ২ জয় ও ১ হারে ৪ পয়েন্ট থাকলেও রান রেটে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ। টেবিলের তৃতীয় স্থানে আছে ২ ম্যাচে ১টি করে জয়-হারে ২ পয়েন্ট পাওয়া আফগানিস্তান। এই গ্রুপের পয়েন্ট টেবিল বলছে- সুপার ফোরের দৌড়ে টিকে আছে শ্রীলংকা-বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। গ্রুপের আরেক দল হংকং ৩ ম্যাচে ৩টিই হেরেছে। ‘বি’ গ্রুপ থেকে সুপার ফোরে কোন দু’টি দল খেলবে, সেটি জানা যাবে কাল শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান ম্যাচের ফলাফলের উপর। সমীকরণ বলছে- আফগানিস্তানের বিপক্ষে শ্রীলংকা জিতলেও, লংকানদের সাথে সুপার ফোরে খেলবে বাংলাদেশ। তখন শ্রীলংকার পয়েন্ট হবে ৬, বাংলাদেশের পয়েন্ট থাকবে ৪ এবং আফগানিস্তান ২ পয়েন্ট নিয়ে বিদায় নেবে। আবার শ্রীলংকার বিপক্ষে জয় পেলে সুপার ফোর নিশ্চিত হবে আফগানিস্তানের। কারণ শ্রীলংকা ও বাংলাদেশের সাথে পয়েন্ট সমান ৪ করে হলেও রান রেটে সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবে আফগানরাই। বর্তমানে আফগানিস্তানের রান রেট ২.১৫০, শ্রীলংকার ১.৫৪৬ ও বাংলাদেশের -০.২৭০। আফগানিস্তানের জয়ে রান রেটের হিসাবে বসতে হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকাকে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুপার ফোরে উঠতে আফগানদের কাছে ৭০ রান বা তার বেশি ব্যবধানে এবং ম্যাচের ৫০ বল বাকি থাকতে হারতে হবে শ্রীলংকাকে। এছাড়াও শ্রীলংকা-আফগানিস্তান ম্যাচ যদি পরিত্যক্ত হয়, তাহলে লংকানদের নিয়ে সুপার ফোরে উঠবে বাংলাদেশ। শ্রীলংকার বিপক্ষে বাঁচা-মরার ম্যাচে জয় ছাড়া অন্য কিছুই ভাবছে না আফগানিস্তান। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের পর আফগান অধিনায়ক রশিদ খান বলেন, ‘শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচটি আমাদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের কাছে অনেক বড় ম্যাচ। মাঠে নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে করা ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং মানসিকভাবে শক্ত থাকতে হবে। শ্রীলংকার ম্যাচটি আমাদের সবার জন্য চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে।’ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে শ্রীলংকার অধিনায়ক চারিথ আসালঙ্কা বলেন, ‘আমরা আমাদের স্বাভাবিক খেলাই খেলব। সবসময় যেমন জয়ের জন্য মাঠে নামি, কালও একই লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নামব।’ টি-টোয়েন্টিতে ৮বার মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান। এরমধ্যে লংকানরা ৫বার ও আফগানরা ৩বার জয় পেয়েছে।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ হংকংয়ের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচ খেলেছিল আফগানিস্তান। মাঝে, লম্বা একটা বিরতি পেয়েছে রশিদ খানের দল। এরই মধ্যে হংকং তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছে। ২টি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা। অথচ আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেছে তারা। সুপার ফোরে যেতে হলে আজ আফগানিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে বাংলাদেশকে। তবুও সুপার ফোর নিশ্চিত হবে না টাইগারদের। কারণ, শেষ ম্যাচে যদি আবার শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দেয় আফগানরা, তখন রান রেটের হিসাব হবে। অন্যদিকে বাংলাদেশকে যদি আজ আফগানরা হারিয়ে দিতে পারে, তাহলে আর শেষ ম্যাচের দিকে তাকাতে হবে না, এই ম্যাচেই নির্ধারণ হয়ে যাবে সুপার ফোরের লাইনআপ। নিজেদের টিকে থাকার লড়াইয়ে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। বাংলাদেশ দলে তিনটি পরিবর্তন আনা হয়। পেসার শরিফুল ইসলামের পরিবর্তে একাদশে আনা হয় তাসকিন আহমেদকে। বাদ দেয়া হয় তানজিম হাসান সাকিবকে। বাড়ানো হয় ব্যাটিং শক্তি। দলে নেয়া হলো নুরুল হাসান সোহানকে। ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনকে বাদ দিয়ে দলে নেওয়া হলো সাইফ হাসানকে। বাংলাদেশ একাদশ : তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), তাওহিদ হৃদয়, শেখ মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ। আফগানিস্তান একাদশ : রহমানুল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), সেদিকুল্লাহ অটল, ইবরাহিম জাদরান, গুলবাদিন নাইব, করিম জানাত, আজহমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবি, রশিদ খান (অধিনায়ক), নুর আহমাদ, এএম গজনফার, ফজলহক ফারুকি।

বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি প্রকাশ

বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি প্রকাশ আফগানিস্তানের বিপক্ষে আজ আবুধাবিতে বাঁচা-মরার ম্যাচ খেলতে নামার আগেই এক গুরুত্বপূর্ণ খবর পেয়েছে বাংলাদেশ দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিশ্চিত করেছে তাদের বাংলাদেশ সফরের পূর্ণাঙ্গ সূচি। এর আগে জানা গিয়েছিল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল অক্টোবরে বাংলাদেশ সফরে আসবে। তবে নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা হয়নি। অবশেষে ক্যারিবীয় ক্রিকেট বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে সিরিজের সময়সূচি। এই সফরে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সফরের সূচনা হবে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে, প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়াবে ১৮ অক্টোবর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে যথাক্রমে ২০ ও ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এরপর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। প্রথম ম্যাচ ২৭ অক্টোবর, দ্বিতীয়টি ৩০ অক্টোবর এবং তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি হবে ১ নভেম্বর। তবে এখনো ভেন্যু এবং ম্যাচ শুরুর সময়সূচি ঘোষণা করেনি দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড।

সুপার ফোরে যেতে বাংলাদেশের সামনে কঠিন সমীকরণ

সুপার ফোরে যেতে বাংলাদেশের সামনে কঠিন সমীকরণ এশিয়া কাপে হংকংকে হারিয়ে শুভ সূচনা করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে বড় ধাক্কা খেয়েছে টাইগাররা। এই হারের ফলে সুপার ফোরে যাওয়ার পথ কঠিন হয়ে গেছে লিটন-মুস্তাফিজদের জন্য। বর্তমানে দুই ম্যাচে এক জয়ে ২ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ টেবিলের তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে শ্রীলঙ্কা এবং ২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আফগানিস্তান। তবে নেট রানরেটে তারা এগিয়ে আছে। বাংলাদেশের সুপার ফোরে যেতে হলে আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততেই হবে। একইসঙ্গে শ্রীলঙ্কার জন্য প্রার্থনা করতে হবে যেন আফগানদের বিপক্ষে জয়ী হয়। তাতে বাংলাদেশ পাবে ৪ পয়েন্ট, শ্রীলঙ্কা ৬ পয়েন্ট এবং আফগানিস্তান ২ পয়েন্টে থেকে বিদায় নেবে। তবে আফগানদের কাছে হারলে কার্যত শেষ হয়ে যাবে বাংলাদেশের সুপার ফোরের স্বপ্ন। একমাত্র ভরসা তখন হবে হংকংয়ের অঘটন, যদি তারা শ্রীলঙ্কাকে হারায় এবং আফগানিস্তানও লঙ্কানদের হারায়, তবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার পয়েন্ট সমান হবে। সে ক্ষেত্রে নেট রানরেট নির্ধারণ করবে কারা যাবে পরের রাউন্ডে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ভোটযুদ্ধে নতুন সমীকরণ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ভোটযুদ্ধে নতুন সমীকরণ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন ঘিরে আনুষ্ঠানিক কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে নির্ধারিত হয়েছে ভোটগ্রহণের দিন-আগামী ৪ অক্টোবর। ইতিমধ্যে ৩ সদস্যের নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নিয়েছে এবং এ মাসের ২০ তারিখ থেকে শুরু হবে নির্বাচনি কার্যক্রম। খসড়া সূচি অনুযায়ী ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, ২৫ তারিখ জমাদান এবং ২৬ তারিখ যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বোর্ডের সংবিধান অনুযায়ী ১৭১ জন কাউন্সিলরের ভোটেই নির্ধারিত হবে পরিচালনা পর্ষদ। ২৫ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠনে ১২ জন আসবেন ক্লাব ক্রিকেট থেকে, আর বিভাগীয় ও আঞ্চলিক পর্যায় থেকে থাকবেন ১০ জন প্রতিনিধি, ২ জন এনএসসি থেকে থাকবেন এবং ১ জন অন্যান্য ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচিত হন। এরপর নির্বাচিত পরিচালকরা ভোটের মাধ্যমে বেছে নেবেন নতুন সভাপতি।

রাতে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

রাতে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান এশিয়া কাপে আজ মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে এই মহারণ। পরিসংখ্যান বলছে, টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ১৩ বার। এর মধ্যে ভারত জিতেছে ১০ ম্যাচে, আর পাকিস্তান জিতেছে মাত্র ৩ ম্যাচে। আজকের ম্যাচ তাই শুধু পয়েন্ট টেবিলের লড়াই নয়, বরং মর্যাদা রক্ষারও লড়াই। এবারের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে আবহ আগের তুলনায় বেশি উত্তেজিত। ইতোমধ্যেই দু’দলই বড় ব্যবধানে জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে। ফলে দু’দল সমান তালে মাঠে নামবে, যেখানে আবেগের চাপ আরও প্রবল হয়ে উঠবে। ম্যাচ ঘিরে রাজনীতি, শোক, প্রতিবাদ আর প্রতিপক্ষকে খোঁচা-সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মাঠের ক্রিকেট হয়তো কখনোই আলাদা করে দেখা যাবে না। তবে ক্রিকেটপ্রেমীরা চান, অন্তত খেলার ভেতরে থাকুক লড়াই, বাইরে নয়।

এশিয়া কাপে আজ রাতে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা পরীক্ষা

এশিয়া কাপে আজ রাতে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা পরীক্ষা অবশেষে এলো আসল লড়াইয়ের দিন। আজ আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের পঞ্চম ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে। এশিয়া কাপের এবারের আসরের প্রথম দিকটা হয়েছে প্রত্যাশামতো। ভারত, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান সহজ জয় তুলে নিয়েছে। আর পাকিস্তানও এড়িয়েছে অঘটন। তবে আজকের লড়াইটা ভিন্ন রঙের। দুই দলই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সমানতালে লড়াই করেছে। শেষ ১০ বছরে ১৬টি ম্যাচে দুই দল জিতেছে সমান ৮ বার করে। সাম্প্রতিক ইতিহাস বাংলাদেশের পক্ষে: গত জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। তার আগে গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ডালাসে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে টাইগাররা। ঐ ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশের বোলাররা শুরুতেই আঘাত হেনেছিল এবং নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়েছিল। লঙ্কানরা এবার আশা করছে তাদের ব্যাটিং লাইনআপ ভালো করবে, যদিও মাত্র দুই সপ্তাহ আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গুটিয়ে গিয়েছিল ৮০ রানে। বাংলাদেশের বাড়তি সুবিধা হলো- তারা ইতোমধ্যেই এই ভেন্যুতে খেলেছে। বৃহস্পতিবার হংকংয়ের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয় ছিল প্রায় নিখুঁত প্রদর্শনী। ফাস্ট বোলাররা উইকেট শিকার করেছে। ব্যাটসম্যানরা সহজেই রান তাড়া করেছে। লেগস্পিনার রিশাদ হোসেনও নিয়েছেন উইকেট। যিনি লঙ্কানদের বিপক্ষে শেষ সিরিজে দুর্দান্ত ছিলেন। তিন ম্যাচে মাত্র ৫.৪৭ ইকোনমি রেটে বল করেছেন। শ্রীলঙ্কার নতুন শুরু: শ্রীলঙ্কা সিরিজ হারের পর এবার ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে নেমেছে। মাসের শুরুতে জিম্বাবুয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারালেও তাদের ধারাবাহিকতার অভাব বড় সমস্যা। আসালঙ্কার নেতৃত্বাধীন দল অনেকটাই নির্ভর করছে স্পিন জুটি ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও মাহিশ থিকশানার ওপর। গ্রুপ অব ডেথের চাপ: এই গ্রুপে আফগানিস্তানও আছে। মানে প্রতিটি ম্যাচই বাঁচা-মরার লড়াই। আজ যে দল হারবে, তাদের জন্য সুপার ফোরের পথ হবে কঠিন। বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস অবশ্য আকাশচুম্বী। টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। এশিয়া কাপে হংকংকে হারিয়ে সেই ছন্দ অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার জন্য এটাই টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ। ভেন্যু ও পিচ: শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামের উইকেটে রান ওঠে ভালোই। তবে ম্যাচ যত গড়ায়, স্পিনাররা প্রভাব ফেলতে পারে। পাওয়ার প্লে’র ওভারগুলোই নির্ধারণ করবে ম্যাচের গতি। নজর রাখার খেলোয়াড়: বাংলাদেশের হয়ে লিটন দাস দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৩ ম্যাচে করেছেন ১৪৫ রান। এশিয়া কাপেও হংকংয়ের বিপক্ষে খেলেছেন ৩৯ বলে ৫৯ রানের ঝড়ো ইনিংস। শ্রীলঙ্কার হয়ে দুশমন্ত চামিরা নজর কাড়তে পারেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩ ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন নতুন বলে কতটা কার্যকর। মাইলফলকের পথে: লিটন দাস ১১১ ম্যাচে করেছেন ২,৪৯৬ রান। মাত্র ৪ রান দূরে ২,৫০০ পূর্ণ করার থেকে। তাওহীদ হৃদয়ের চাই ৫৬ রান। তাহলেই তিনি ছুঁয়ে ফেলবেন ১,০০০ রানের মাইলফলক। লঙ্কান ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা আছেন ১,৯৫০ রানে। আর ৫০ রান করলে তিনিও ঢুকে পড়বেন দুই হাজারি ক্লাবে। বোলারদের মধ্যে হাসারাঙ্গার ঝুলিতে আছে ৭৯ ম্যাচে ১৩১ উইকেট। যেখানে চারবার নিয়েছেন চার উইকেট। বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকার আলি আনিক, রিশাদ হোসেন, মাহেদি হাসান, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। শ্রীলঙ্কার সম্ভাব্য একাদশ: কুশল মেন্ডিস (উইকেটকিপার), পাথুম নিসাঙ্কা, কামিল মিশারা/নুয়ান থুশারা, কুশল পেরেরা, চারিথ আসালঙ্কা (অধিনায়ক), কামিন্দু মেন্ডিস, দাসুন শানাকা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মাহিশ থিকশানা, দুশমন্ত চামিরা ও মাথিশা পাথিরানা।

বড় জয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

বড় জয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের হংকংকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপ অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক লিটন দাসের হাফ সেঞ্চুরির সুবাদে ১৪৪ রানের লক্ষ্য ১৪ বল হাতে রেখেই পূর্ণ করেছে টাইগাররা। যদিও সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের প্রথম বলটি ডট হলেও পরের দুই বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ভালো সূচনা করেন পারভেজ হোসেন ইমন। আয়ুস শুক্লার করা দ্বিতীয় বলটিতে ড্রাইভ করে কাভারের ওপর দিয়ে চার মারেন ইমন। পরের বলেও ইন সাইড এজ হয়ে আরেকটি চার পেয়ে যান তিনি। তবে তৃতীয় ওভারে আয়ুসকে মারতে গিয়ে ১৪ বলে ১৯ রান করে আউট হয়ে ফিরে যান ইমন। এরপর তানজিদ হাসান দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করতে গিয়ে ১৮ বলে ১৪ রান করে আউট হন। আতিক ইকবালের বলে মিড অফে ক্যাচ দেন তানজিদ। এরপর তাওহীদ হৃদয় ও লিটন দাস ৭০ বলে ৯৫ রানের একটি জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ধরে রাখেন। যদিও লিটন ইনিংসের ১৮তম ওভারে ৩৯ বলে ৫৯ রান করে বোল্ড হয়ে যান। তবে এরপর আর কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। হৃদয় ৩৬ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং দলকে জয় এনে দেন। হংকংয়ের ব্যাটিংয়ে প্রথম আঘাতটি দেন তাসকিন। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে তিনি আনশুমান রাঠকে আউট করেন। পরে বাবর হায়াতের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং প্রতিরোধ গড়তে থাকলেও তানজিম সাকিবের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে ১২ বলে ১৪ রান করে আউট হন। পাওয়ার প্লে শেষে হংকং ৩৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি। এরপর জিসান আলী ও নিজাকাত খান কিছুটা জুটি গড়ে রান বাড়াতে থাকেন। কিন্তু তানজিম সাকিবের পরবর্তী ওভারে জিসান ৩৪ বলে ৩০ রান করে আউট হন। এরপর মুর্তজা ও নিজাকাত কিছুটা রান বাড়ান, তবে তারা দ্রুত রান তুলতে পারছিলেন না। ১৮তম ওভারে নিজেদের ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে যান মুর্তজা, ২৮ রান করে। পরবর্তীতে নিজাকাত খান ৪২ রান (এক ছক্কা, দুই চারে) নিয়ে রিশাদ হোসেনের বলে আউট হন। হংকং শেষ পর্যন্ত ১৪৩ রান সংগ্রহ করে। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তাসকিন, রিশাদ এবং তানজিম।