পাকিস্তান সিরিজের বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা

পাকিস্তান সিরিজের বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল। এই সিরিজকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ সাদিয়া ইসলামকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা করে বিসিবি। ঘোষিত সেই দলে আছেন সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, আরিত্রি মন্ডল নির্জনা, ইমান নাসের। সিরিজের সবগুলো ম্যাচ কক্সবাজারের একাডেমি মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল বুধবার সিরিজের প্রথম ম্যাচ। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ খেলতে গত ৩০ নভেম্বর ঢাকায় পা রাখে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল। বাংলাদেশ: সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা (উইকেটরক্ষক), আরিত্রি মন্ডল নির্জনা, সাদিয়া ইসলাম (অধিনায়ক), মোসাম্মৎ ফারজানা ইয়াসমিন, মাইমুনা নাহার স্বর্ণামনি, রুমানা আহমেদ, সাদিয়া আক্তার, হাবিবা ইসলাম পিংকি, অতশি মজুমদার, জারিন তাসনিম লাবণ্য, লামিয়া মৃদা, আচিনা জান্নাত ইমান্তা (উইকেটরক্ষক), মোসাম্মৎ সাদিয়া নুসরাত, মোসাম্মৎ সামিয়া খাতুন ও কুমারি রানি শিল। পাকিস্তান: বারিরাহ সাইফ, ফিজা ফিয়াজ, রাহিমা সাইদ, মেমুনা খালিদ, ইমান নাসের (অধিনায়ক), রোজিনা আকরাম, আরিশা আনসারি, কোমাল খান, রাভাইল ফারহান, আকসা হাবিব, শাহার বানো, মাহনুর জাব, আয়েশা রিয়াজ, জুফিসান আয়াজ ও আলিশা মুখতিয়ার।

বিশ্ব রেকর্ডগড়া তামিমের ফিফটি, সহজ জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের

বিশ্ব রেকর্ডগড়া তামিমের ফিফটি, সহজ জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছিল বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছিল লিটন দাসের দল। তবে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে পরের ম্যাচেই সমতা ফেরায় টাইগাররা। তাই শেষ ম্যাচটি ছিল সিরিজ নির্ধারণী। যেখানে ব্যাটে-বলে আইরিশদের উড়িয়ে দিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৯ ওভার ৫ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১৭ রান করে আয়ারল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করে পল স্টার্লিং। জবাবে ১৩ ওভার ৪ বলে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। ছোট লক্ষ্য তাড়ায় দুর্দান্ত শুরু পায় বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে তানজিদ তামিমের নতুন সঙ্গী হিসেবে ছিলেন সাইফ হাসান। দুজনে মিলে উদ্বোঢনী জুটিতে যোগ করেন ৩৮ রান। ১৪ বলে ১৯ রান করে সাইফ ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। তিনে নেমে ব্যর্থ লিটন দাস। অধিনায়কের ইনিংস ছিল মাত্র ৬ বলের। ৭ রান করে লিটন দ্রুত ফিরলে কিছুটা বিপাকে পড়ে দল। তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে সেই বিপর্যয় সামলে দলের জয় নিশ্চিত করেন তানজিদ তামিম ও পারভেজ ইমন। আজকে ফিল্ডিংয়ে দুর্দান্ত ছিলেন তামিম। একাই ধরেছেন ৫টি ক্যাচ। টেস্ট খেলুড়ে দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে কোনো ফিল্ডারের এক ম্যাচে এটিই সর্বোচ্চ। ফিল্ডিংয়ে এমন রেকর্ড গড়ার পর ব্যাটিংয়ে ফিফটি পেয়েছেন তামিম। ৩৬ বলে অপরাজিত ৫৫ রান করেন তিনি। আর ইমন ২৬ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থেকেছেন। এর আগে বোলিংয়ে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। আয়ারল্যান্ডকে প্রথম ওভারে ১৩ রান দেন মেহেদী হাসান। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে শরিফুল ইসলামের শিকার হওয়ার আগে টিম টেক্টর (১৭) দুই চার ও এক ছয়ে ১৪ রান তোলেন। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে হ্যারি টেক্টর সিঙ্গেল নিলে আয়ারল্যান্ড পঞ্চাশে পৌঁছায়। ওই ওভারে ১২ রান তোলে সফরকারীরা। বল হাতে নিয়ে মুস্তাফিজুর রহমান দ্বিতীয় ডেলিভারিতে উইকেট পান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে হ্যারি (৫) অদ্ভুত দৃশ্যের অবতারণা করে আউট হন। হ্যারি সামনের পায়ে রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে ব্যাট চালান। বল ব্যাটে লেগে তা স্টাম্পের দিকে ছোটে। আইরিশ ব্যাটার বিপদ টের পেয়ে তাড়াতাড়ি পা দিয়ে বলটা সরাতে গিয়েও পারেননি। বল স্টাম্পে আঘাত করে। মুস্তাফিজ ওই ওভারে মাত্র এক রান দেন। তাতে পাওয়ার প্লে শেষে আয়ারল্যান্ড করেছে ২ উইকেটে ৫১ রান। ভালো শুরুর পরও মিডল অর্ডার ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ পায়নি আয়ারল্যান্ড। পল স্টার্লিং এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকলেও আরেক প্রান্তে ছিল ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল। লরকান টাকার-কুর্তিস ক্যাম্পাররা কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। শেষদিকে জজ ডকরেল ও গ্যারেথ ডেলানি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে দুজনই থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ডেলানি করেছেন ১০ রান, আর ডকরেলের ব্যাট থেকে এসেছে ১৯ রান।

‘ফাইনাল’ ‌ম‌্যাচে সরল ভাবনায় বাংলাদেশ

‘ফাইনাল’ ‌ম‌্যাচে সরল ভাবনায় বাংলাদেশ আয়ারল‌্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশ। ১-১ সমতায় থাকা সিরিজটির শেষ ম‌্যাচ আগামীকাল চট্টগ্রামে দুপুর ২টায় শুরু হবে। বিশ্বকাপের আগে এই ম‌্যাচটি বাংলাদেশের শেষ আন্তর্জাতিক ম‌্যাচ। এরপর লম্বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিরতি।  মাঝে ক্রিকেটাররা খেলবেন বিপিএল। বছরের শেষ ম‌্যাচ, শেষ আন্তর্জাতিক ম‌্যাচ কি ভাবছেন ক্রিকেটাররা? ড্রেসিংরুমেই বা কি চলছে? জানতে চাওয়া হয়েছিল দলের কোচ শন টেইটের কাছে। পেস বোলিং কোচ জানালেন, স্রেফ ম‌্যাচটা জিতে সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ। ম‌্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে টেইট বলেছেন, “আমার মনে হয় আমাদের চিন্তাভাবনাকে খুব বেশি জটিল করার প্রয়োজন আছে। আমার মনে হয় আমাদের শুধু ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে এবং খেলা জিততে হবে। যখনই আপনি একটি ম্যাচ জেতেন আপনি তা থেকে কিছুটা আত্মবিশ্বাস অর্জন করেন। আমরা যা করতে পারি তা হল, আমাদের শেষ জেতা ম্যাচের আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে ভালো খেলা এবং সেটাকে আগামীকালের ম্যাচে কাজে লাগানো। আশা করি, আমরা জিতব। যদি আমরা জয় নিশ্চিত করতে পারি, তবে বিরতির আগে এটাই আমাদের জন্য সেরা প্রাপ্তি হবে। সুতরাং, আমার মনে হয় না আমাদের চিন্তাভাবনাকে খুব বেশি জটিল করার দরকার আছে।’’ আয়ারল‌্যান্ডের বিপক্ষে সহজেই বাংলাদেশ সিরিজ জিতবে এমনটাই প্রত‌্যাশা করা হচ্ছিল। কিন্তু তেমন কিছু হয়নি। আয়ারল‌্যান্ডর প্রথম ম‌্যাচে বাংলাদেশকে ৩৯ রানে হারায়। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম‌্যাচে কঠিন যুদ্ধ করে ৪ উইকেটে জয় পায়। চট্টগ্রামে শেষ ম‌্যাচটি লড়াই হবে এমনটাই প্রত‌্যাশা করা হচ্ছে। টেইট আইরিশ শক্তিকে বেশ সমীহ করছেন। তবে তার কাছে নিজেদের ভালো ক্রিকেট খেলা, প্রক্রিয়া অনুসরণ করা এবং নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক করার গুরুত্ব অনেক, ‘‘সত্যি বলতে, প্রতিপক্ষ কে তা বড় কথা নয়। আমরা আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া বা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই খেলি না কেন, আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। আমাদের শুধু ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। ভালো দিক হলো, আমরা আগামীকাল আরেকটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছি, যেখানে আমরা আবারও ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করতে পারব এবং এটাই আমাদের কাম্য। যদিও আয়ারল্যান্ড কিছু ভালো ক্রিকেট খেলেছে, তারা কী করছে তা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা কীভাবে খেলছি। আমাদের কাল মাঠে গিয়ে ভালো খেলতে হবে। এটাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট; এখানে ভালো পারফর্ম করার প্রত্যাশা থাকে।”

বিশ্বকাপের আগে জয়ের মানসিকতাই মূল লক্ষ্য: শন টেইট

বিশ্বকাপের আগে জয়ের মানসিকতাই মূল লক্ষ্য: শন টেইট টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ দলের ফাস্ট বোলিং কোচ শন টেইট। তার মতে, প্রতিপক্ষ যেই হোক, জয়ের মানসিকতা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপে যাওয়াটাই মূল লক্ষ্য। রোববার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সংবাদ সম্মেলনে টেইট দলের পরিকল্পনা ও পেসারদের নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। শেষ ম্যাচ নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানাতে গিয়ে টেইট বলেন, ‘বিষয়টি খুব জটিল করে দেখতে চাই না। আমরা ভালো খেলে ম্যাচটি জিততে চাই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জয় সব সময়ই আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। গত ম্যাচের আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়ে কালও (রোববার) আমরা জিততে চাই।’ আয়ারল্যান্ডের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আয়ারল্যান্ড বেশ ভালো ও গোছানো দল। টি-টোয়েন্টিতে তারা কঠিন প্রতিপক্ষ। বিশ্বকাপের ঠিক আগে আমরা এমন চ্যালেঞ্জই চেয়েছিলাম, যা আমাদের প্রস্তুতির জন্য সহায়ক হবে।’ বাংলাদেশের বর্তমান পেস অ্যাটাক নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট এই অস্ট্রেলিয়ান কোচ। দেশে এখন মানসম্পন্ন পেসারের সংখ্যা বাড়ায় দলে সুযোগ পাওয়ার প্রতিযোগিতা বেড়েছে, যা দলের জন্য ইতিবাচক। টেইট বলেন, ‘সম্ভবত বাংলাদেশের ক্রিকেটে এবারই প্রথম এতজন হাই কোয়ালিটি পেসার থেকে আমাদের সেরাটা বেছে নিতে হচ্ছে। সংখ্যা বেশি হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেড়েছে, আর প্রত্যেক বোলার জানে প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র।’ তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তাসকিন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একজন ভালো লিডার। তার সাথে আমার নিয়মিত কথা হয়। অন্যদিকে মোস্তাফিজ অভিজ্ঞতায় ভরপুর এবং বিশ্বমানের। সে নিজের শক্তির জায়গাটা ভালো চেনে, তাই সব জায়গাতেই তার কদর রয়েছে।’

দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে প্রথম ম্যাচে টসে জিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ফিল্ডিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। এবার দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরেও সেই ফিল্ডিংই পেয়েছেন লিটন দাসরা। এদিকে দলে তিন পরিবর্তন নিয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে খেলা জাকের আলী, রিশাদ হোসেন ও শরীফুল ইসলাম নেই আজকের স্কোয়াডে। তাদের বদলে আজ টাইগারদের হয়ে নামছেন নুরুল হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মেহেদী হাসান। বিপরীতে আয়ারল্যান্ড দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। গত ম্যাচে খেলা কার্টিস ক্যাম্ফারের জায়গায় খেলবেন বেন কালিজ। বাংলাদেশ দল–লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নুরুল হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান। আয়ারল্যান্ড দল-পল স্টার্লিং (অধিনায়ক), টিম টেক্টর, হ্যারি টেক্টর, লোরকান টাকার, বেন কালিজ, জর্জ ডকরেল, গ্যারেথ ডেলানি, মার্ক অ্যাডাইর, ব্যারি ম্যাকার্থি, ম্যাথু হামফ্রিস ও জশ লিটল।

টেস্ট সিরিজের ১ম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

টেস্ট সিরিজের ১ম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। সাদা পোশাকে রঙিন পারফরম্যান্সের পর এবার টাইগারদের সামনে সাদা বলের চ্যালেঞ্জ। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। আজ চট্টগ্রামের শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। ম্যাচটি শুরু হয়েছে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায়।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ টেস্ট সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। সাদা পোশাকে রঙিন পারফরম্যান্সের পর এবার টাইগারদের সামনে সাদা বলের চ্যালেঞ্জ। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। আজ চট্টগ্রামের শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায়। বাংলাদেশের ওপেনিংয়ে যথারীতি তানজিদ হাসান তামিম এবং সাইফ হাসানকে দেখা যাবে। তিন নম্বরে লিটন দাস, চার নম্বরে দেখা যেতে পারে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে। পাঁচে জাকের আলি অনিককে খেলানো হতে পারে। স্পিন নির্ভর একাদশ গড়তে পারে বাংলাদেশ। একাদশে দেখা যেতে পারে নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেনকে। দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ : বাংলাদেশ : তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, লিটন দাস (অধিনায়ক), মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, নুরুল হাসান সোহান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান। আয়ারল্যান্ড : পল স্টার্লিং (অধিনায়ক), হ্যারি টেক্টর, গ্যারেথ ডিলানি, লরকান টাকার (উইকেটরক্ষক), কার্টিস ক্যাম্ফার, জর্জ ডকরেল, ম্যাথু হামফ্রেস, মার্ক অ্যাডায়ার, জশ লিটল, ব্যারি ম্যাককার্থি, ক্রেইগ ইয়ং।

বিপিএল নিলামে যেসব বিদেশি ক্রিকেটার রয়েছেন

বিপিএল নিলামে যেসব বিদেশি ক্রিকেটার রয়েছেন কয়েক দফা পেছানোর পর অবশেষে আগামী ৩০ নভেম্বর রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম। কয়েক মৌসুম পর ফের আয়োজিত এই নিলামে অংশ নিতে প্রথমে নিবন্ধন করেছিলেন ৫০০ জনের বেশি বিদেশি ক্রিকেটার; যাচাই-বাছাই শেষে ২৫০ জনকে চূড়ান্ত করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। বিপিএল নিলামে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটার এসেছে শ্রীলঙ্কা থেকে- মোট ৫০ জন। পাকিস্তান থেকে অংশ নিচ্ছেন ৪৫ জন খেলোয়াড়। ভারতের মাত্র ৩ জন ক্রিকেটার নিলামে নাম জমা দিয়েছেন, আর আয়ারল্যান্ডের রয়েছে ৬ প্রতিনিধি। আফগানিস্তানের ক্রিকেটারের সংখ্যা ১৮। সবশেষে, যুক্তরাজ্য থেকে সর্বোচ্চ ৫৪ জন ক্রিকেটার নিলামের জন্য নিবন্ধন করেছেন। একই সময়ে ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টি ও এসএ টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিদের এমন সুযোগ করে দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। যার ফলে কয়েক ম্যাচের জন্য বিদেশি তারকাদের আনতে পারবে দলগুলো। বিপিএল নিলামে ২৫০ জন বিদেশিকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ডলার। এ ছাড়া ‘বি’ ২৬ হাজার ডলার, ‘সি’ ২০ হাজার ডলার, ‘ডি’ ১৫ হাজার ডলার এবং ‘ই’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ১৫ হাজার ডলার। ক্যাটাগরি অনুসারে যথাক্রমে প্রতি ডাকে বাড়বে ৫ হাজার ডলার, ৩ হাজার ডলার, ২ হাজার ডলার, ১ হাজার ৫০০ ডলার এবং ১ হাজার ডলার। বিপিএল নিলামে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তারকা ও প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটার যারা আছেন- ক্যাটাগরি এ- জনসন চার্লস, কেসি কার্টি, কিমো পল, ডমিনিক ড্রেক্স, আব্দুল সামাদ, জামান খান, মোহাম্মদ হাসনাইন, উসামা মির, শোয়েব মালিক, অভিষ্কা ফার্নান্দো, দাসুন শানাকা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, মাহিশ থিকশানা, দুশমান্থ চামিরা, মাথিশা পথিরানা, চারিথ আসালাঙ্কা, জর্জ ডাকরেল, বাস ডি লিড, ওয়েইন পার্নেল, দীনেশ চান্দিমাল, নিরোশান ডিকওয়েলা, লাহিরু কুমারা। ক্যাটাগরি বি- সন্দীপ লামিচানে, আসিফ আলী, রিচার্ড এনগারাভা, ওশেন থমাস, হ্যারি টেক্টর, আলি খান, হাশমতুল্লাহ শাহিদি, রবি বোপারা, সাউথ শাকিল, ইসুরু উদানা, নাজিবউল্লাহ জাদরান। ক্যাটাগরি সি- আলি রেজা, হায়দার আলী, শন উইলিয়ামস, টেরেন্স হিন্ডস, জেমস ফুলার, লাহিরু মিলান্থা, খুররম শাহজাদ, দিলশান মুনাওয়েরা, অ্যাশেন বান্দারা, জশ লিটল, জুবায়ের হামজা, ডেন প্যাটারসন, রায়ান বার্ল, পল স্টার্লিং ও কারিমা গোর। ক্যাটাগরি ডি- মেহরান মুমতাজ, উসমান কাদির, ব্রায়ান বেনেট, দীপেন্দ্র সিং আইরে, শেভন ড্যানিয়েল, বাসিল হামিদ, কলাম পার্কিনসন, সালিম শাফি, ব্র্যাড ইভান্স, মার্ক ওয়াট ও জ্যাক হেইন্স। ক্যাটাগরি ই- সাঙ্গিথ কোরায়, থানুকা দাবারে, জশুয়া বিশপ, কাদিম অ্যালেন, কেমানি মেলিয়াস, র‍্যান্সফোর্ড বিটন, আশমীদ নেড, আসদ রাজা, তৈয়ব আব্বাস, মুহাম্মদ জিশান, রুম্মান রইস, খলিল গুরবাজ ও বাকার ইব্রাহিমজাই।

লিটন দাসের সঙ্গে কথা বলেই শামীমকে বাদ দেয়া হয়েছে: লিপু

লিটন দাসের সঙ্গে কথা বলেই শামীমকে বাদ দেয়া হয়েছে: লিপু কী এমন হলো যে নির্বাচকরা হঠাৎ করে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাসের সাথে কথা না বলে, তার মতামত না নিয়েই শামীম পাটোয়ারীর মত টি-টোয়েন্টি পারফরমারকে বাদ দিয়ে দিলেন? এবং তাকে বলে দেয়া হলো, ‘যে দল সাজানো হয়েছে, সেই দল নিয়েই খেলতে হবে।’ শামীম পাটোয়ারীকে বাদ দেয়া প্রসঙ্গে আজ দুপুরেই চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস অভিযোগ করে জানিয়েছিলেন, তার মতামত না নিয়েই শামীম পাটোয়ারীকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এমনকি তিনি গুরুতর অভিযোগ তোলেন, নির্বাচকরা নাকি দল নির্বাচনে অধিনায়ক হিসেবে তার মতামতআর নেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।  কেন এমনটা হবে? এ প্রশ্নের উত্তর যার দেয়ার কথা, সেই বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর সাথে একান্ত আলাপে সেটাই দিয়েছেন। জানিয়েছেন আসল রহস্য। শামীম পাটোয়ারী ইস্যুতে প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু নির্বাচকদের আলোকে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে যা বলেন, তার সারমর্ম হলো, তিনি আর অপর নির্বাচক হাসিবুল হোসেন শান্ত ঢাকায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের চতুর্থ ও পঞ্চম দিন অধিনায়ক লিটন দাস ও কোচ ফিল সিমন্সের সাথে টি-টোয়েন্টি দল নিয়ে কথা বলেছিলেন। সেখানে অধিনায়ক লিটন দাস শামীম পাটোয়ারীকে দলে রাখার ব্যাপারে নিজের মত দিয়েছিলেন। মানে শামীমকে দলে রাখার পক্ষে ছিলেন টাইগার ক্যাপ্টেন লিটন। পাশাপাশি হেড কোচ ফিল সিমন্সের সাথে কথা বলে তাদের (নির্বাচকদের) মনে হয়, তারা দুজনই শামীম পাটোয়ারীকে দলে চান। কিন্তু নির্বাচকরা মনে করেন, শামীম পাটোয়ারীর সর্বশেষ সিরিজে যে ফর্ম তা দিয়ে তার এখন দলে থাকার মত অবস্থা নেই। তাই তারা শামীমকে ছাড়াই দল গঠন করেন। ‘তার সাথে কোনরকম কথা হয়নি নির্বাচকদের’- লিটন দাসের এমন দাবির ব্যাখ্যায় প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘অবশ্যই কথা হয়েছে। লিটন ও হেড কোচের কথা আমরা শুনেছি। কথা বলে আমাদের মনে হয়েছে কোচ ও ক্যাপ্টেন শামীম পাটোয়ারীকে দলে রাখার পক্ষে। মানে ব্যাটিং লাইনআপে পরিবর্তনের বিপক্ষে।’ কিন্তু নির্বাচকরা মনে করেন শামীম পাটোয়ারীকে দলে রাখা যায় না। তাই লিটন দাস শামীমকে দলে রাখতে চাইলেও তার কথা না শুনে নির্বাচকরা নিজেদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে শামীমকে ছাড়াই দল সাজিয়েছেন। লিপুর দাবি, দল নির্বাচনে ভূমিকা, মতামত থাকলেও নির্বাচক, কোচ ও ক্যাপ্টেনের আলাদা সীমারেখা আছে। কে বা কারা ওই সীমারেখার কতদুর যাবেন, যেতে পারবেন এবং কার বা কাদের মতামত সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে, স্টোও ঠিক করা আছে। সেখানে নির্বাচদের মতামতের সীমা রেখা সর্বোচ্চ। তিনি সে আলোকেই শামীমকে বাদ দিয়ে দল সাজিয়েছেন। আজ বুধবার দুপুরে লিটন দাসের সংবাদ সম্মেলনে বলা মন্তব্যর প্রেক্ষিতে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর মতামত ও ব্যাখ্যা চাওয়া হলে জাতীয় দলের প্রথম ওয়ানডে অধিনায়ক জাগো নিউজকে জানান, ‘আমরা দল গঠনের আগে ও ক্রিকেটার নির্বাচনের আগে সব সময় কোচ ও ক্যাপ্টেনের সাথে কথা বলি। আমি প্রধান নির্বাচক হওয়ার পর এ ধারা অব্যাহত ছিল। আগের সব সিরিজ, সফরেই নিজেরা কথা বলে দল নির্বাচন করেছি। এবারও আয়ারল্যান্ডের সাথে ঢাকার মিরপুরে শেষ টেস্ট চলাকালীনও আমরা বসে কথা বলে দল চূড়ান্ত করেছি। ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে সিলেকশন কমিটির সাথে ক্যাপ্টেন লিটন দাসও ছিল। সেখানে টিম নিয়ে কথা হয়।’ ‘এক পর্যায়ে ব্যাটিং ও পারফরমেন্সের ইস্যু ওঠে। আমি অধিনায়ক লিটন দাসকে শামীম পাটোয়ারীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করি। শামীমের সর্বশেষ পারফরমেন্স বিশ্লেষণ করে শেষ দিকে তার পরপর কয়েকটি ম্যাচের পারফরমেন্স ও আউট হওয়ার ধরনের আলোকে জানতে চাই । লিটন মতামত জানাতে গিয়ে আমাকে বলেছে যে, সে শামীমকে দলে চায়। শামীমের সাম্প্রতিক বাজে পারফরমেন্সের পরও তাকে দলে চায়। লিটন দাস আমাকে সে কথা বলছে।’ ‘আমি বলছি সেতো দলে চান্স পাওয়ার মত অবস্থায় নেই। তারপরও লিটন বোঝানোর চেষ্টা করে সে শামীম পাটোয়ারীকে দলে রাখতে আগ্রহী। তখন আমি তাকে (লিটন দাসকে) বলি, ওকে আই গট ইওর ওপিনিয়ন।’ ‘এরপর দিন মানে ঢাকা টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিন কোচের সাথে কথা হয়েছে আমাদের। কথা-বার্তার এক পর্যায়ে ব্যাটিং নিয়ে কথা ওঠে। ব্যাটিংয়ের অবস্থা নিয়ে আমি কোচের মতামত জানতে চাই। কোচকে জিজ্ঞেস করলাম, টি-টোয়েন্টি দলের ব্যাটিং নিয়ে আপনার কি মত? কথা শুনে মনে হলো, হেড কোচের কোন অসন্তুষ্টি নেই ব্যাটিং নিয়ে। হি ইজ হ্যাপি। যেহেতু কোচ ব্যাটিং নিয়ে কোন অসন্তোষ প্রকাশ করেনি। তাই আমি আর শামীম পাটোয়ারীর কথা আলাদাভাবে জিজ্ঞেস করিনি।’

আশরাফুলকে নিয়ে আশাবাদী টিম ডিরেক্টর রাজ্জাক

আশরাফুলকে নিয়ে আশাবাদী টিম ডিরেক্টর রাজ্জাক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে দলের নতুন ব্যাটিং কনসালটেন্ট মোহাম্মদ আশরাফুলের ভূমিকা ও প্রভাব নিয়ে আশাবাদী মত প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ দলের টিম ডিরেক্টর আব্দুর রাজ্জাক। মঙ্গলবার সকালে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি জানান, এত অল্প সময়ে আশরাফুলের কাজের সম্পূর্ণ মূল্যায়ন করা কঠিন হলেও তার উপস্থিতি দলের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। রাজ্জাক বলেন, ‘আশরাফুল খুব অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। যেহেতু মাত্র একটা সিরিজ কাজ করেছে। এখানে অল্প সময়ের মধ্যে বলাও মুশকিল। আসলে এইগুলো ইনক্লুশন সময়। বেশ সময় পরে বোঝা যায় যে আসলে কী ইমপ্যাক্ট পড়ছে। হুট করে একটা মানুষকে নিয়ে যে কোনো মন্তব্য করে দেওয়া একটু মুশকিল।’ অভিজ্ঞতা ও ট্যাকটিক্যাল বিষয়গুলোতে আশরাফুল যে দলের ব্যাটারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন, সেটিও তুলে ধরেন রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘টেকনিকের থেকে ট্যাকটিসের ব্যাপার আসলে তো অবশ্যই আশরাফুল খাটাচ্ছে। ও বলছে, কথা বলছে। আমি দেখছি সবসময় ও ব্যাটারদের কাছাকাছি থাকে, প্র্যাকটিসে থাকে, এমনকি খেলা চলাকালেও কথা বলছে। তো আমার কাছে মনে হয় যে এটার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে ইনশাআল্লাহ।’ দল পরিচালনায় নতুন সংযোজন হিসেবে আশরাফুলকে যুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও দেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের একজন তিনি। তাই দলে তার উপস্থিতিকে তরুণদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ হিসেবে দেখছেন টিম ম্যানেজমেন্ট। টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে দলের প্রস্তুতিতেও আশরাফুল ছিলেন সক্রিয়। ব্যাটারদের সঙ্গে আলাপ, ছোট ছোট টিপস দেওয়া, পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং পরিকল্পনা শেয়ার সবকিছুতেই তার সম্পৃক্ততা নজরে এসেছে। টিম ডিরেক্টর রাজ্জাকের মতে, সময়ের সঙ্গে আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে আশরাফুলের অন্তর্ভুক্তি দলের জন্য কতটা কার্যকর হচ্ছে। তবে ইতোমধ্যেই তার প্রভাব যে ইতিবাচক, তা নিশ্চিত করেই জানিয়েছেন তিনি।