ব্যাংককে আজ হাত মেলাননি ভারত-পাকিস্তানের মেয়েরা

ব্যাংককে আজ হাত মেলাননি ভারত-পাকিস্তানের মেয়েরা কলম্বোয় ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে উত্তাপ ছড়ালো মেয়েদের এশিয়া কাপ। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আজ ‘রাইজিং স্টারস’ টুর্নামেন্টে পাকিস্তান ‘এ’ দলকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে ভারত ‘এ’ দল। তবে মাঠের একপেশে লড়াই ছাপিয়ে আবারও আলোচনায় সেই পুরনো ‘হাত না মেলানো’র সংস্কৃতি। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৮.৫ ওভারে মাত্র ৯৩ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। শাওয়াল জুলফিকার (২৩) ও গুল রুখ (২১) ছাড়া কেউ দাঁড়াতে পারেননি। জবাবে দীনেশ ভৃন্দার ২৯ বলে অপরাজিত ৫৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে মাত্র ১০.১ ওভারেই জয় তুলে নেয় ভারত। ম্যাচের শুরুতে টসের সময় পাকিস্তান অধিনায়ক হাফসা খালিদ ও ভারত অধিনায়ক রাধা যাদব হাত মেলাননি। ম্যাচ শেষেও দুই দলের খেলোয়াড়দের করমর্দন করতে দেখা যায়নি। গত এশিয়া কাপ থেকেই দুই দেশের ক্রিকেটে এই বৈরী রেওয়াজ চলছে। আইসিসির নিয়মে হাত মেলানো বাধ্যতামূলক না হলেও এটি সৌজন্যের প্রতীক। আজ সন্ধ্যায় কলম্বোয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তানের ছেলেরা। ব্যাংককের এই ঘটনার পর কলম্বোতেও সৌজন্যের ব্যত্যয় ঘটবে কি না, তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে। দুই দলের অধিনায়করাও সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।

ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের সুযোগ আছে?

ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের সুযোগ আছে? ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার বহুল আলোচিত মহারণ আজ। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ম্যাচের আগে ও পরে ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রায় ১৬ হাজার ভারতীয় সমর্থক, যারা বিশেষভাবে এই ম্যাচ দেখতে শ্রীলঙ্কায় এসেছেন। ম্যাচটি হওয়ার কথা ২৮ হাজার দর্শক ধারণক্ষম প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। এই মাঠে গ্যালারি ভরার পাশাপাশি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ টেলিভিশন ও অনলাইনে ম্যাচটি দেখার অপেক্ষায় আছেন। পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আঘা বলেছেন, এই ম্যাচ সব সময়ই বড় গুরুত্ব বহন করে। তার ভাষায়, বৃষ্টি হলে তাদের কিছু করার নেই। ওভার কমে গেলে সে অনুযায়ী খেলতে প্রস্তুত দল। এই মাঠের উইকেট সাধারণত ধীরগতির এবং স্পিনারদের সহায়তা করে। ফলে ব্যাটসম্যানদের জন্য বড় রান করা সহজ হয় না। ঠিক একারণেই উসমান তারিক পাকিস্তানের জন্য ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে একজন গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। তার বোলিং অ্যাকশন ও ভ্যারিয়েশন ব্যাটসম্যানদের জন্য বেশ অস্বস্তিকর। ডানহাতি অফস্পিনার হিসেবে তিনি নিচু আর্ম অ্যাঙ্গেল ও থেমে থেমে বল করার কৌশল ব্যবহার করেন, যা সাধারণ স্পিনারদের থেকে আলাদা। এই অপ্রচলিত স্টাইলের কারণে পাকিস্তান তাকে মিডল ওভারে উইকেট নেওয়ার বড় ভরসা হিসেবে ব্যবহার করতে পারে, বিশেষ করে এই সময়েই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে। শুরুর দিকে ধারণা করা হয়েছিল, এটি হবে ব্যাটিং সহায়ক উইকেট। কিন্তু টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত এখানে খেলা তিনটি ম্যাচে রান হয়েছে তুলনামূলক কম। সাধারণত স্কোর ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ এর মধ্যে। তবে এবারও কী হবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। ভারতের অধিনায়ক সুরিয়াকুমার দুবাইয়ে এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তৃতীয় ম্যাচ জয়ের পর জানিয়ে দেন, এই মুহূর্তে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে দেখেন না তিনি। তবু দর্শকরা এখনও সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখায় এই ম্যাচে। স্টেডিয়াম সবসময় পূর্ণ থাকে, আর টিভি বা অনলাইন দর্শক সংখ্যা অন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার তুলনায় বেশি থাকে। পাকিস্তান কখনোই অস্বীকার করেনি যে ভারতের বিরুদ্ধে জয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গত ১০ বছরে তারা ভারতের বিরুদ্ধে মাত্র তিনটি ম্যাচ জিতেছে। তবে বাকি ১৭টি ম্যাচেই পরাজয় বরণ করেছে পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের দিক থেকে এই ম্যাচের প্রভাব খুব বেশি নয়। উভয় দলই তাদের কম পরিচিত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রথম দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে রেকর্ড গড়েছে। কোনো দল হারলেও পরবর্তী রাউন্ডে অগ্রগতি প্রায় নিশ্চিত। এই ম্যাচ, আসলে, টুর্নামেন্টের প্রেক্ষাপট ছাড়াই, তাদের নিজের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। মাঠের মধ্যে ভারত পাকিস্তানের ওপর স্পষ্টভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। এশিয়া কাপে তিনটি ম্যাচই তারা তিনভাবে জিতেছে, প্রথমে বল, দ্বিতীয়তে ব্যাট, শেষ ম্যাচে মানসিক কৌশল। এতে পাকিস্তানের জন্য জেতার পথ আরও কঠিন হয়ে গেছে। ভারতের টপ অর্ডার টি-২০তে ভীষণ শক্তিশালী, মিডল অর্ডারে রয়েছে ভার, স্পিনারদের ভ্যারাইটি বিশ্বমানের, এবং ফাস্ট বোলিংয়ে আছে জসপ্রিত বুমরাহ। ভারতের দলে হয়তো হার্দিক পান্ডিয়া পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। ই দলের বিপক্ষে তার বোলিং গড়, ইকোনমি রেট এবং স্ট্রাইক রেট তার সাধারণ টি২০ আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানের চেয়ে ভালো। ব্যাটিংয়ে যদিও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তার গড় খুব বেশি ভালো নয়, তবুও ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ৪৩ বলের ৭৬ রান হারলেও সবাই এখনও মনে রাখে।

এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ওমানকে হারালো আয়ার‌ল্যান্ড

এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ওমানকে হারালো আয়ার‌ল্যান্ড চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুইশোর্ধ্ব দলীয় স্কোর হয়ে পাঁচটি। এর মধ্যে ২৩৫ রান তুলেছে আয়ারল্যান্ড। যা এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। শুধু তাই নয়, ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই সংস্করণের বিশ্বকাপের ইতিহাসেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর এটি। ২০০৭ আসরে কেনিয়ার বিপক্ষে ৬ উইকেটে ২৬০ তুলেছিল শ্রীলঙ্কা। এমন রেকর্ড গড়ার দিনে বড় ব্যবধানে জিতে মাঠ ছেড়েছে আইরিশরা। ওমানকে ৯৬ রানে হারিয়েছে তারা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর এসএসসি গ্রাউন্ডে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে আয়ারল্যান্ড। এমনকি দলীয় ৬৪ রানে আরেকটি উইকেট হারালে বিপদ আরও বাড়ে। পল স্টার্লিংয়ের জায়গায় ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্ব পাওয়া টাকারের সঙ্গে গ্যারেথ ডিলানি যোগ দিতেই বদলে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। ৩০ বলে ৩ চার ও ৪ ছয়ে ৫৬ রানে আউট হন ডিলানি। এরপর ক্রিজে আসেন জর্জ ডকরেল। তার বিধ্বংসী ইনিংসে ডেথ ওভারেই দলটি ৯৩ রান তোলে, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। শেষদিকে জর্জ ডকরেল আগ্রাসী ছিলেন। তার সঙ্গে টাকারের জুটি ছিল ১৯ বলে ৭০ রানের। অধিনায়ক টাকার ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি করতে পারেননি। ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি, যা অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ স্কোরার হওয়ার পথে টাকার ৫১ বলে ১০ চার ও ৪ ছয় মারেন। ৯ বলে ৫ ছয়ে ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন ডকরেল। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড। ২৩৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১০.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১০০ রান তোলে ওমান। লড়াই করার মতো অবস্থায় ছিল তারা। কিন্তু আমির কালিম ও হাম্মাদ মির্জার ৪৯ বলে ৭৩ রানের জুটি ভেঙে গেলে আর দাঁড়াতে পারেনি ওমান। ৪২ রানে শেষ সাত উইকেট হারায়। কালিম সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন। ৪৬ রান আসে হাম্মাদের ব্যাটে। শেষ পর্যন্ত ২ ওভার বাকী থাকতেই ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় ওমান। আইরিশদের পক্ষে জশ লিটল নেন সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট।

শ্রীলংকাকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু বাংলাদেশের

শ্রীলংকাকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু বাংলাদেশের লংকানদের বিপক্ষে অল্প পুঁজি নিয়েও শ্বাসরুদ্ধকর লড়ােইয়ে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪ রানে জয় পেয়েছে টাইগ্রেসরা। শনিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককের টেরডথাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে। উদ্বোধনী জুটিতে ৫.৫ ওভারে ৪৮ রান করেন দুই ওপেনার ইসমা তানজিম ও শামিমা সুলতানা। এরপর মাত্র ৮ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। একটা পর্যায়ে ৪ উইকেটে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ছিল ১০৪ রান। কিন্তু এরপর মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট পতনের কারণে শেষ বলের আগেই ইনিংস গুটায় টাইগ্রেসরা। মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে সানজিদা আক্তার মেঘলা ও ফাতেমা খাতুনের স্পিন আর লতা মন্ডলের গতিতে বিপর্যস্ত হয় শ্রীলংকা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে ২০ ওভারে ১১১/৯ রানের বেশি করতে পারেনি শ্রীলংকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন হানসিমা করুনারত্নে, ২৩ রান করেন এমা কাঞ্চনা। বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে সানজিদা আক্তার মেঘলা ৪ ওভারে ২০ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন। ৪ ওভারে ২০ রানে ২ উইকেট নেন অভিজ্ঞ লতা মন্ডল। ৪ ওভারে ২৪ রানে ২ উইকেট নেন লেগ স্পিনার ফাতেমা খাতুন।

ওমানকে বিদায় করে বিশ্বকাপে আইরিশদের প্রথম জয়

ওমানকে বিদায় করে বিশ্বকাপে আইরিশদের প্রথম জয় বিশ্বকাপে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ওমানকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। টানা ৩ ম্যাচ হেরে আসর থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে দলটির। আয়ারল্যান্ডের ২৩৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ওমান। উদ্বোধনী জুটিতে বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগ তৈরি হলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। দলকে লড়াইয়ে রাখার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন আমির কালীম। ২৯ বলে ৫০ রানের ঝরঝরে ইনিংস খেলেন তিনি। পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংসটি ওমানকে দ্রুতগতির শুরু এনে দেয়। তবে অপর প্রান্তে সেভাবে সঙ্গ পাননি তিনি। অধিনায়ক যতিন্দর সিং ৫ বলে ৭ রান করে এলবিডব্লিউ হন। আশিস ওদেদারা রানআউটে মাত্র ১ রান করে বিদায় নেন। এরপর হামাদ মির্জা কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। ৩৭ বলে ৪৬ রানের ইনিংসে ছয়টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান তিনি।  মাঝের দিকে নেমে ভিনায়ক শুক্লা শূন্য রানে আউট হন। মোহাম্মদ নাদিম ৩ বলে ১ এবং জিতেন রামানন্দি ৬ বলে ৩ রান করে ফিরলে চাপ আরও বাড়ে। নাদিম খানও রানের খাতা খুলতে পারেননি। শেষদিকে সুফিয়ান মেহমুদ ১১ বলে ১০ রান যোগ করলেও ম্যাচের চিত্র বদলাতে পারেননি। আইরিশ বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে নিয়মিত উইকেট তুলে নেন। ক্যাচ, রানআউট ও এলবিডব্লিউ সব মিলিয়ে ওমানের ইনিংসে ছন্দপতন ঘটে বারবার। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ওমান গড়ে তুলতে পারেনি বড় কোনো জুটি। আমির কলিম ও হামাদ মির্জার লড়াই সত্ত্বেও রান তাড়া অধরাই থেকে যায়। এদিকে টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ওমান। কলম্বোয় ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় আয়ারল্যান্ড। ইনিংসের প্রথম ওভারেই আউট হন ওপেনার টিম টেক্টর। ৪ বলে ৫ রান করে দলীয় ৬ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন তিনি। প্রথম উইকেটের পর ক্রিজে জুটি গড়েন রস অ্যাডেয়ার ও হ্যারি টেক্টর। দুজনেই দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন। তবে তাদের জুটি বড় হয়নি। ৭ বলে ১৪ রান করে আউট হন রস অ্যাডেয়ার, ১৩ বলে ১৪ রান করে বিদায় নেন হ্যারি। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড। পাওয়ার প্লের পরপরই ৭ বলে ১২ রান করা কার্টিস ক্যাম্পায়ার আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে দলটি। এরপর হাল ধরেন লোরকান টাকার ও গ্যারেথ ডেলানি। দুজন মিলে ইনিংস মেরামত করেন এবং ধীরে ধীরে রানের গতি বাড়ান। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তারা, ওমানের বোলারদের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। দুজনেই তুলে নেন অর্ধশতক। বিশেষ করে টাকার ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। ফিফটির পর শতকের দিকেও এগোচ্ছিলেন তিনি। অন্য প্রান্তে ডিলানি ৩০ বলে ৫৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলীয় ১৬৫ রানের সময় আউট হন। শেষদিকে টাকারের সঙ্গে যোগ দেন জর্জ ডকরেল। দুজনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত বাড়তে থাকে রানের গতি। বড় শটে স্কোর ২০০ পেরিয়ে যায় অনায়াসে। শতকের খুব কাছাকাছি গিয়েও তিন অঙ্ক ছোঁয়া হয়নি টাকারের। ৫১ বলে ৯৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষদিকে ৯ বলে ৩৫ রানের ঝড় তোলেন ডকরেল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় আয়ারল্যান্ড। ওমানের হয়ে ৩টি উইকেট নেন শাকিল আহমেদ। তবে তার সাফল্যও আয়ারল্যান্ডের রানের বন্যা ও জয় থামাতে পারেনি।

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক জিম্বাবুয়ের

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। শুক্রবার কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এই চমক দেখায় তারা। এটি ছিল গ্রুপ পর্বে জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় জয়। ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। ২.৫ ওভারে ২৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। ব্লেসিং মুজারাবানির আগুনে বোলিংয়ে জশ ইংলিস ও টিম ডেভিড দ্রুত ফিরে যান। ৪.৩ ওভারে ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় পড়ে অস্ট্রেলিয়া। এরপর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাট রেন শ ৭৭ রানের জুটি গড়ে আশা জাগান। তবে রায়ান বার্ল জুটি ভেঙে দিলে আবারও চাপে পড়ে অজিরা। শেষদিকে রেন শ ৪৪ বলে ৬৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেললেও নিয়মিত উইকেট পতনে লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ১৪৬ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। মুজারাবানি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নায়ক বনে যান। এর আগে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে উড়ন্ত সূচনা পায় ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানির ব্যাটে। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬১ রান। মারুমানি ২১ বলে ৩৫ রান করে আউট হলেও বেনেট ইনিংসের হাল ধরেন। রায়ান বার্লের সঙ্গে ৭০ রানের জুটি গড়ে দলকে শক্ত ভিত এনে দেন তিনি। বেনেট ৫৬ বলে অপরাজিত ৬৪ রান করেন। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১৩ বলে ঝোড়ো ২৫ রান যোগ করলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৬৯ সংগ্রহ দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ের। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মার্কাস স্টয়নিস ও ক্যামেরন গ্রিন একটি করে উইকেট নিলেও অন্য বোলাররা প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হন।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা কেমন

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা কেমন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শ্রীলঙ্কার কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে বহুল প্রতীক্ষিত এই মহারণ ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে থাকলেও বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে আবহাওয়া। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার কলম্বোয় ১০০ শতাংশ মেঘাচ্ছন্ন আকাশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় ১৩ শতাংশ।ম্যাচ শুরু হবে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায়, টস অনুষ্ঠিত হবে সাড়ে ৬টায়। তবে সন্ধ্যা ৬টার দিকে—ম্যাচ শুরুর এক ঘণ্টা আগে— বৃষ্টির সম্ভাবনা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৪৯ শতাংশে। যদিও সন্ধ্যা ৭টার সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা কমে ৯ শতাংশে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, তবু আকাশ পুরোপুরি মেঘে ঢাকা থাকবে। রাত ১১টা পর্যন্ত একই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচে কোনো রিজার্ভ ডে রাখা হয়নি। ফলে বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে দুই দলই পাবে এক পয়েন্ট করে, যা গ্রুপের সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে দুই দলই অপরাজিত। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত যুক্তরাষ্ট্র ও নামিবিয়াকে হারিয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এ’-এর শীর্ষে রয়েছে। তাদের নেট রান রেট +৩.০৫০। অন্যদিকে পাকিস্তান নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে, তাদের নেট রান রেট +০.৯৩২। সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই যেমন রোমাঞ্চকর হওয়ার অপেক্ষায়, তেমনি কলম্বোর আকাশও হয়ে উঠেছে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচের বড় অনিশ্চয়তা। এখন দেখার বিষয়, বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়ায় নাকি দর্শকরা উপভোগ করতে পারেন আরেকটি ঐতিহাসিক ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ।

জীবনে প্রথম ভোট দিলেন তামিম ইকবাল

জীবনে প্রথম ভোট দিলেন তামিম ইকবাল উৎসবমুখর পরিবেশে জীবনের প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ি এলাকার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের একটি বুথে তিনি ভোট প্রদান করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অংশ নিতে তামিম ইকবাল তার ভাই ও সাবেক ক্রিকেটার নাফিস ইকবালকে সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হন। নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে সেনাবাহিনীর বিশেষ প্রটোকলে কেন্দ্রে নেওয়া হয়। চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনের এই ভোটার গাড়ি থেকে নেমে সরাসরি বুথে গিয়ে তার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তামিম ইকবাল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘জীবনের প্রথম ভোট দিলাম। পরিবেশ খুবই ভালো লাগছে। নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি। প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ ছিল। আশা করি, সবাই এমন সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবেন। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. এয়াছিন জানান, এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। ভোট প্রদান শেষে সেনাবাহিনীর একই প্রটোকলে কেন্দ্র ত্যাগ করেন এই ক্রিকেট তারকা।

অবশেষে চালু হচ্ছে মেয়েদের বিপিএল, শুরু কবে থেকে

অবশেষে চালু হচ্ছে মেয়েদের বিপিএল, শুরু কবে থেকে মেয়েদের বিপিএল করার চিন্তা আগে থেকেই ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। গত বছরই দেশের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক নারীদের এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছিল বিসিবি। তবে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণাটা এলো। বোর্ডের নারী উইং জানিয়েছে, মেয়েদের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউবিপিএল) প্রথম আসর হবে আগামী ৩ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডব্লিউবিপিএল দেশের নারী ক্রিকেটের পেশাদার উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। প্রথম আসরে তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে। এতে জাতীয় দলের শীর্ষ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি উদীয়মান প্রতিভারাও খেলবেন। প্রতিটি দলে ভারসাম্য ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় খেলোয়াড়দের ড্রাফট পদ্ধতির মাধ্যমে বাছাই করা হবে। এ ছাড়া ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো বিদেশি পেশাদার খেলোয়াড় দলে নিতে পারবে। এতে আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বাড়বে, বিশ্বমঞ্চে পরিচিতি মিলবে এবং টুর্নামেন্টের মান আরো উন্নত হবে বলে আশা বিসিবির। ডব্লিউবিপিএলের পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিসিবির পরিচালক ও নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রুবাবা দৌলা। এই পরিষদ টুর্নামেন্টের সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকি করবে। ফ্র্যাঞ্চাইজি, ড্রাফট নীতিমালা, খেলার ধরন, সূচি, ভেন্যু, সম্প্রচার ও বাণিজ্যিক অংশীদারদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানাবে বিসিবি।

পিএসএলের ৮ দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড

পিএসএলের ৮ দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) এবারের আসর আগামী ২৬ মার্চ থেকে মাঠে গড়াবে। গতকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়েছে পিএসএলের নিলাম। গতকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন রিশাদ হোসেন, নাহিদ রানা ও পারভেজ হোসেন ইমন।  এবারের পিএসএল নিলামে দল পেয়েছেন মোট ১০৩ ক্রিকেটার। তবে রিটেইন ও সরাসরি চুক্তিসহ এবার দল পেয়েছেন মোট ১৪১ জন ক্রিকেটার। পিএসএলের ৮ দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড-  ইসলামাবাদ ইউনাইটেড- শাদাব খান, সালমান ইরশাদ, আন্দ্রিস গুস, ডেভন কনওয়, ফাহিম আশরাফ, মেহরান মুমতাজ, ম্যাক্স ব্রায়ান্ট, মার্ক চ্যাপম্যান, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, মীর হামজা সাজ্জাদ, সামির মিনহাস, সামিন গুল, শামার জোসেফ, ইমাদ ওয়াসিম, রিচার্ড গ্লেসন, হায়দার আলী, মোহাম্মদ হাসনাইন, দীপেন্দ্র সিং আইরে। শিয়ালকোট স্ট্যালিয়ন্স- স্টিভ স্মিথ, মোহাম্মদ নাওয়াজ, সালমান মির্জা, আহমেদ দানিয়াল, সাদ মাসুদ, শাহিবজাদা ফারহান, স্টিভ স্মিথ, জাহানজাইব সুলতান, অ্যাস্টন টার্নার, পিটার সিডল, তাবরাইজ শামসি, লাচলান শো, ডিলানো পটগিটার, জশ ফিপিপ, শান মাসুদ, মমিন কুমার, আওয়াইস জাফর। করাচি কিংস- মঈন আলী, খুশদিল শাহ, হাসান আলী, সাদ বেগ, আব্বাস আফ্রিদি, মঈন আলী, আজম খান, ডেভিড ওয়ার্নার, সালমান আলী আঘা, শহীদ আজিজ, মীর হামজা, অ্যাডাম জাম্পা, মোহাম্মদ হামজা, আকিব ইলিয়াস, খুজাইমা বিন তানভির, জনসন চার্লস, মোহাম্মদ ওয়াসিম, ইহসানউল্লাহ, রিজওয়ানউল্লাহ। কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্স- আবরার আহমেদ, উসমান তারিক, হাসান নাওয়াজ, শ্যামল হোসেন, স্পেন্সার জনসন, রাইলি রুশো, ফয়সাল আকরাম, আরাফাত মিনহাস, জাহানদাদ খান, খাজা নাফে, ওয়াসিম আকরাম জুনিয়র, খান জেব, বিসমিল্লাহ খান, সাকিব খান, ব্রেট হ্যাম্পটন, স্যামুয়েল হার্পার, বেভন জ্যাকবস, সাউদ শাকিল, বেন ম্যাকডারমট, টম কারান। লাহোর কালান্দার্স- মুস্তাফিজুর রহমান, শাহীন শাহ আফ্রিদি, সিকান্দার রাজা, আব্দুল্লাহ শফিক, মোহাম্মদ নাইম, হারিস রউফ, উসামা মীর, ফখর জামান, উবাইদ শাহ, হাসিবউল্লাহ খান, মোহাম্মদ ফারুক, দাসুন শানাকা, পারভেজ হোসেন ইমন, আসিফ আলী, হুসাইন তালাত, তৈয়ব তাহির, গুড়াকেশ মোতি। পেশাওয়ার জালমি- অ্যারন হার্ডি, বাবর আজম, সুফিয়ান মুকিম, আব্দুল সামাদ, আলী রাজা, আমের জামাল, খুররাম শাহজাদ, মোহাম্মদ হারিস, খালিদ উসমান, আব্দুস সুবহান, জেমস ভিন্স, মাইকেল ব্রেসওয়েল, কুশাল মেন্ডিস, ইফতিখার আহমেদ, নাহিদ রানা, মির্জা তাহির বেগ। হায়দরাবাদ কিংসম্যান- সাইম আইয়ুব, উসমান খান, আকিফ জাভেদ, মাজ সাদাকাত, মার্নাস ল্যাবুশেন, মোহাম্মদ আলী, কুশাল পেরেরা, ইরফান খান নিয়াজি, হাসান খান, শায়ান জাহাঙ্গীর, ওটেনিল বার্টম্যান, হাম্মাদ আজম, রাইলি মেরিডিথ, শারজিল খান, আসিফ মাহমুদ, হুনাইন শাহ, রিজওয়ান মেহমুদ, সাদ আলী, তৈয়ব আরিফ। রাওয়ালপিন্ডি- মোহাম্মদ রিজওয়ান, জামান খান, ইয়াসির খান, স্যাম বিলিংস, নাসিম শাহ, রিশাদ হোসেন, ড্যারিল মিচেল, মোহাম্মদ আমির, আব্দুল্লাহ ফজল, আমাদ বাট, ডিয়ান ফরেস্টার, লরি ইভান্স, আসিফ আফ্রিদি, কামরান গুলাম, ফাওয়াদ আলী, মোহাম্মদ আমির খান, শাহজাইব খান।