‘ডিম-মাছ খেতে পারছি না, মনে হচ্ছে প্রাণী হত্যা করছি’

‘ডিম-মাছ খেতে পারছি না, মনে হচ্ছে প্রাণী হত্যা করছি’ অভিনেত্রী জয়া আহসান বরাবরই ফিটনেস ও রূপ ধরে রাখা নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন। মেকআপ রুম থেকে শুরু করে সামাজিক অনুষ্ঠান সবখানেই তার খাবারের বহর দেখে অবাক হন সহকর্মীরা। সবাই যখন ওজন কমাতে ডায়েট চার্ট নিয়ে ব্যস্ত, জয়া তখন থালা ভর্তি খাবার খাচ্ছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান তার খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি নিজেকে একজন প্যাস্কিটেরিয়ান হিসেবে দাবি করার চেষ্টা করছেন গত তিন বছর ধরে। জয়া বলেন, ‘আমি খেতে ভালোবাসি এবং আমি খাই। আমার মনে হয় মাঝে মাঝে নিজের আত্মাকে তৃপ্ত করার জন্য খাওয়া প্রয়োজন। অনেকেই ডায়েট মেনে বিদেশি খাবার খায়, কিন্তু আমি তেমনটা করি না।’ তবে এই খাদ্যাভ্যাসের পেছনে রয়েছে এক গভীর মানসিক পরিবর্তন। জয়া জানান, বর্তমানে তিনি মাছ বা ডিম খেতেও দ্বিধাবোধ করছেন। তার কথায়, ‘ইদানিং তো ডিমও খেতে পারছি না, মাছও খেতে পারছি না। আমার মনে হয় আমি প্রাণী হত্যা করছি। এটি আমার একটি মানসিক সমস্যা।’
শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম ঢাকায় সিনেমার চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বিনোদন জগতে পা রাখেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, টেলিফিল্ম, বিজ্ঞাপনে কাজ করে গেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। এবার বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে একগুচ্ছ ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী সাজে করা ফটোশুট ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে। শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, হালকা গোলাপি আভাযুক্ত শাড়ির সঙ্গে গাঢ় রঙের ব্লাউজে ধরা দিয়েছেন মিম। ছবি শেয়ার করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন, নতুন শুরু।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমোজি।
নতুন রঙের ছোঁয়ায় রাঙুক প্রতিটি দিন : অপু বিশ্বাস

নতুন রঙের ছোঁয়ায় রাঙুক প্রতিটি দিন : অপু বিশ্বাস নতুন বছরকে বরণ করে নিতে মেতে উঠেছে দেশ। আর এই আনন্দের দিনে ভক্তদের নতুন সাজে ধরা দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস। জাঁকজমকপূর্ণ সাজ আর বাঙালিয়ানায় নিজেকে মেলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একগুচ্ছ নতুন ছবি শেয়ার করেছেন অপু বিশ্বাস। যেখানে তাকে দেখা গেছে ঐতিহ্যবাহী শাড়ি এবং দেশি আমেজে। সাদা রঙের শাড়িতে নীল এবং লাল রঙের জ্যামিতিক নকশার ছোঁয়া যেন বসন্ত ও বৈশাখের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। শাড়ির পাড়ে গাঢ় নীল রঙের আভিজাত্য এবং হাতে পরা রঙিন কাঁচের চুড়ি তাকে এনে দিয়েছে বাংলাদেশি লুক। গলায় পরেছেন জমকালো গহনা, যা তার ব্যক্তিত্বে যোগ করেছে রাজকীয় আভা। ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী তার মনের অনুভূতি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘নতুন রঙের ছোঁয়ায় রাঙুক প্রতিটি দিন। সবাইকে জানাই বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।’ শেয়ার করা ছবিগুলোতে অপু বিশ্বাসকে সোফায় বসে মৃদু হাসিতে পোজ দিতে দেখা গেছে। ভক্ত-অনুরাগীরা তাকে নতুন বছরের ফিরতি শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তার সৌন্দর্যের প্রশংসায় মেতেছেন।
বৈশাখে মায়ের সঙ্গে গিয়ে দোকান দিতাম: ফারিণ

বৈশাখে মায়ের সঙ্গে গিয়ে দোকান দিতাম: ফারিণ ছোট ও বড় পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উদযাপনে মেতেছেন এই অভিনেত্রী। এ উপলক্ষে কেনাকাটাও করেছেন। বাসায়ও পিঠাপুলি তৈরি করেছেন তার মা। শৈশব-কৈশোরের বৈশাখ নিয়ে কথা বলেছেন তাসনিয়া ফারিণ। স্মৃতিচারণ করে এ অভিনেত্রী বলেন, “ছোটবেলার কথা খুব মনে পড়ে। তখন শহরেও মেলা বসত। আমি মায়ের সঙ্গে গিয়ে দোকান দিতাম। কখনো মুড়ি-বাতাসা, কখনো স্কুলের বৈশাখী অনুষ্ঠানে আচার বা পিঠা বিক্রি করতাম।” প্রতি বছর রমনা বটমূলে ‘ছায়ানট’ নাচ-গান পরিবেশন করে থাকে। ছোট সময়ে এসব তাসনিয়া ফারিণের মনে ছাপ ফেলত। এসব তথ্য স্মরণ করে তিনি বলেন, “আমাদের বাসা থেকে রমনা বটবৃক্ষ পায়ে হাঁটা পথ। নতুন পোশাকে সেজে বাড়ির বড়দের হাত ধরে সেখানে পৌঁছে যেতাম। সকলের সঙ্গে বুঁদ হয়ে গান শুনতাম।” সময় বদলেছে। চাইলেই এখন জনস্রোতে পা মেলাতে পারেন না তাসনিয়া ফারিণ। তিনি বলেন, “বদলে যেখানে থাকি, সেখানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিই। আমি কিন্তু লাল পাড় সাদা শাড়ি কিনেছি। মা রকমারি পিঠা বানিয়েছেন।” এবারের নববর্ষ উদযাপন নিয়ে তাসনিয়া ফারিণ বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে এই সময়ে ঈদের আগের রোজা পড়েছে। আমরা তেমনভাবে উদযাপন করতে পারিনি। এ বছর সেটা হবে।”
ব্যবসায়ীর প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাত!

ব্যবসায়ীর প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাত! চলচ্চিত্র অঙ্গনের আলোচিত নায়িকা মিষ্টি জান্নাত আবারো ব্যক্তিগত জীবনের কারণে আলোচনায় উঠে এসেছেন। শোবিজ পাড়ায় জোর গুঞ্জন উঠেছে নতুন করে প্রেমে পড়েছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। জানা গেছে, এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, যা এখন প্রেমের সম্পর্কে রূপ নিয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরেই রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত রেস্টুরেন্ট, কফিশপ এবং বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে তাদের একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয়, দেশের বাইরে ভ্রমণের পরিকল্পনাতেও তাদের একসঙ্গে থাকার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি মিষ্টি জান্নাত কিংবা সংশ্লিষ্ট ওই ব্যবসায়ী। ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, তিনি ফ্যাশন ডিজাইনার ও ব্যবসায়ী আদিল খানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া বেশ ভালো এবং তারা একে অপরের সান্নিধ্যে স্বচ্ছন্দ। ফলে তাদের সম্পর্কটি বেশ গভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নায়িকার সাম্প্রতিক কিছু পোস্ট ঘিরে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, তার পোস্টগুলোর মাধ্যমে হয়তো এই সম্পর্কের ইঙ্গিতই দিচ্ছেন তিনি। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না থাকায় বিষয়টি এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই এটিকে গুঞ্জন বলেই উড়িয়ে দিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন, সময় হলেই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পাবে। উল্লেখ্য, মিষ্টি জান্নাত তার অভিনয় ও ব্যক্তিত্বের জন্য বরাবরই আলোচনায় থাকেন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এর আগেও একাধিকবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। নতুন এই সম্পর্কের গুঞ্জন তার ভক্তদের মাঝে নতুন করে আগ্রহ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই সম্পর্ক নিয়ে তিনি কবে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলেন।
আবারো কারাগারে গায়ক নোবেল

আবারো কারাগারে গায়ক নোবেল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় আলোচিত সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দুপুরে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী নাসিদুস জামান নিশান (প্রিন্স)। তিনি জানান, জামিনের শর্ত অনুযায়ী আপোষের কথা থাকলেও আসামি তা ভঙ্গ করেছেন। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেও জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তা বাস্তবায়ন করেননি এবং নেওয়া অর্থও ফেরত দেননি। এ কারণে জামিন বাতিলের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। এর আগে, ২৪ ফেব্রুয়ারি একই আদালত আপোষের শর্তে নোবেলকে অস্থায়ী জামিন দেন, যার মেয়াদ ছিল আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। মামলার নথি অনুযায়ী, আনাননিয়া শবনম রোজ নামে এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখান নোবেল। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিনি ওই নারীর কাছ থেকে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা নেন। পরবর্তীতে সেই টাকা ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট মামলাটি হলে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে ৭ জানুয়ারি পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এর ভিত্তিতে গেল ৩ ফেব্রুয়ারি নোবেল, তার মা ও স্ত্রীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকা থেকে ডেমরা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
গাইতে পারছেন না, বিরল রোগে আক্রান্ত অলকা ইয়াগনিক

গাইতে পারছেন না, বিরল রোগে আক্রান্ত অলকা ইয়াগনিক ভারতের বরেণ্য প্লেব্যাক গায়িকা অলকা ইয়াগনিক। দীর্ঘ দিন ধরে শ্রবণজনিত সমস্যায় ভুগছেন তিনি। এ কারণে জনসম্মুখেও কম আসেন। অনেকটা বিরতির পর নিজের স্বাস্থ্যের আপডেট তথ্য জানালেন এই সংগীতশিল্পী। চলতি বছর ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পেয়েছেন অলকা। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর তার অসুস্থতার প্রসঙ্গ নতুন করে সামনে আসে। সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অলকা ইয়াগনিক বলেন, আমি এখনো এ রোগে ভুগছি। অলকা তার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে আর কিছু বলেননি। তবে পুরস্কারের জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান এই শিল্পী। অলকা ইয়াগনিকের শ্রবণ শক্তি হ্রাস পেয়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিরল এই রোগের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন এই শিল্পী। ইনস্টাগ্রামে পোস্টে তিনি জানান, বিরল ভাইরাস আক্রমণ করেছে গায়িকাকে। যার কারণে তার বিরল সংবেদনশীল স্নায়ু শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে। ইনস্টাগ্রামে অলকা লিখেছিলেন, আমার সব ভক্ত, বন্ধু, অনুরাগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে বলছি, কয়েক সপ্তাহ আগে, আমি যখন একটি ফ্লাইট থেকে নামছিলাম, তখন হঠাৎ অনুভব করলাম- আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। এই পর্বের কয়েক সপ্তাহ পর, আমি এখন আমার সমস্ত বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য এই পোস্ট। যারা জানতে চান কেন আমি অনুপস্থিত। বিরল রোগের বিষয়ে অলকা ইয়াগনিক লিখেছিলেন, ভাইরাস আক্রমণের কারণে এটি একটি বিরল সংবেদনশীল স্নায়ুর সমস্যা। যার কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে। এই আকস্মিক, বড় ধাক্কা আমার অজান্তেই শরীরে গ্রাস করেছে। আমি এটির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। দয়া করে আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।
বিয়ে করেছেন সেই লুবাবা

বিয়ে করেছেন সেই লুবাবা শোবিজের গ্ল্যামার জগতকে বিদায় জানিয়েছেন আলোচিত শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবা। নিজেকে বদলে ফেলার পর এবার জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু করলেন তিনি। সেই খবরটি হচ্ছে- বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন লুবাবা। সামাজিকমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লুবাবা নিজেই। দীর্ঘদিন ধরেই লুবাবার জীবনযাপনে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছিল। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে দীর্ঘ এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজের এই আধ্যাত্মিক পরিবর্তনের কথা ভক্তদের জানিয়েছিলেন। এবার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি ছবি শেয়ার করেন লুবাবা। এর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। দুইটি আত্মা, এক কিবলা। দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্য। আল্লাহ আমাকে একজন দ্বীন শেখার সঙ্গী উপহার দিয়েছেন।’ লুবাবার এই পরিবর্তনের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটিজেনরা তাকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন। বিয়ের খবরটি শেয়ার করার পর কমেন্ট বক্সে শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘মাশাআল্লাহ, আল্লাহ তোমাদের দাম্পত্য জীবন রহমতের চাদরে মুড়িয়ে রাখবেন ইনশাআল্লাহ।’ অন্য একজন শুভকামনা জানিয়ে লিখেছেন, ‘আল্লাহ আপনাদের ভালো রাখুক।’ বলে রাখা যায়, সিমরিন লুবাবা প্রয়াত মঞ্চ ও টেলিভিশন অভিনেতা আবদুল কাদেরের নাতনি। দাদার অনুপ্রেরণায় এসেছিল অভিনয়ে। শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেছে বেশকিছু নাটকে। বিজ্ঞাপন ও সিনেমায়ও দেখা গেছে তাকে। গত বছর হঠাৎ করেই জানা যায়, ধর্মের পথে চলতে মিডিয়া ছেড়ে দিয়েছে লুবাবা। ওই সময় তার মা জাহিদা ইসলাম জেমি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘লুবাবার নিজেরই উপলব্ধি হয়েছে সেই আর মিডিয়ায় কাজ করবে না। মুখ দেখাবে না, তাই নেকাব পরা শুরু করেছে। এ অবস্থায় তো মিডিয়ায় কাজ করা যায় না। লুবাবা ধর্মীয় বই পড়ে পড়ে নিজে নিজে মনে করেছে সে জীবনধারায় পরিবর্তন আনবে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
ঈদ সিনেমা ‘প্রিন্স’র ব্যর্থতায় শাকিব খানের দুঃখ প্রকাশ

ঈদ সিনেমা ‘প্রিন্স’র ব্যর্থতায় শাকিব খানের দুঃখ প্রকাশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিজেকে যেন নতুন করে আবিষ্কার করেন শাকিব খান। উপহার দিয়েছেন একের পর এক সুপারহিট সিনেমা। তবে এবার ঈদে মুক্তি পাওয়া তার ‘প্রিন্স’ সিনেমাটি সফলতার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। দর্শক-ভক্ত-সমালোচকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি ঢালিউডের এই শীর্ষ নায়ক। সিনেমাটির বিভিন্ন টেকনিক্যাল জটিলতার কারণে ঈদের বাজারে মুক্তির প্রথম দিন থেকেই সিনেমাটি নানারকম সমালোচনার মুখে পড়ে। মুক্তির ১০ দিন পর জনসমক্ষে এসে শাকিব খান যেন এর দায় সময় ও পরিস্থিতির ওপরই বর্তান। ৩১ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তরা সেন্টার পয়েন্টে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্স-এ বিশেষ প্রদর্শনী শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিনেমাটি নিয়ে কথা বলেন তিনি। এসময় শাকিব খান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ, প্রযোজক শিরিন সুলতানা, অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ ও জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, অভিনেতা ডা. এজাজ, ইন্তেখাব দিনারসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে শাকিব খান বলেন, আমি যখন ‘প্রিন্স’ সিনেমার গল্প শুনেছি তখন মনে হয়েছিল এটি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সিনেমা হতে যাচ্ছে। হয়তো সময় স্বল্পতার কারণে আমরা সেটা করতে পারিনি। এজন্য নির্মাতাসহ সবার পক্ষ থেকে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি আমার পরবর্তী সিনেমাতে ত্রুটিগুলো খেয়াল করবো। এরপর এই নায়ক বলেন, আমি ৩০টির বেশি গল্প শুনে একটি গল্প পছন্দ করি। বলতে গেলে, সারা বছরই গল্প শুনি। কিন্তু এবার যেটা হয়েছে সেটা ভিন্ন। আমরা তিন মাস ভারতে কাজের অনুমতি পাইনি। এরপর যা হয়েছে সেটা আরো ভয়াবহ। যেখানে আমাদের সিনেমার সেট ফেলা হয়েছিল সেটা ভেঙে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। এখানেও অনেক সময় চলে গেছে। ফলে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আমাদের কাজ করতে হয়েছে। যার কারণে সময়ের অভাবে অনেক ত্রুটি থেকে গেছে। হায়াত মাহমুদ অনেক ভালো ও মেধাবী একজন নির্মাতা। আমরা যদি উপযুক্ত সময় পেতাম তাহলে ভালো কিছু হতো। তিনি আরো বলেন, আমার জীবনের এইটা কোনো সিনেমা যেটার শুটিং ঈদের আগের দিন পর্যন্ত করেছি। তাসনিয়া ফারিণের সঙ্গে আইটেম গানের শুটিং ঈদের আগেই করেছি। এছাড়া পরী গানের শুটিং একদিনে শেষ করেছি। এগুলো হয়েছে শুধু সময়ের কারণে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তিনি। এই নায়ক জানান, মুক্তির পর প্রথম পাঁচ দিন মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমাটি চলেনি, যা বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়েছে। তার কথায়, ঈদের পর পাঁচদিন আমরা মাল্টিপ্লেক্সে ঢুকতে পারিনি। এটা কষ্টের।
‘রাক্ষস আবার হতে হবে’

‘রাক্ষস আবার হতে হবে’ ঈদুল ফিতরের আমেজ আর প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় সব মিলিয়ে দেশের সিনেমা অঙ্গনে এখন উৎসবের হাওয়া। এই খুশির জোয়ারে শামিল হয়েছেন চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদও। ঈদ উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছে তার বহুল প্রতিক্ষীত সিনেমা ‘রাক্ষস’। সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ এবং প্রথম দিনের অভাবনীয় প্রতিক্রিয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা। এক সাক্ষাৎকারে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সিয়াম আহমেদ বলেন, ‘আমরা এই দিনটার জন্য ওয়েট করি কারণ সিনেমা অডিয়েন্সের জন্য বানানো। অডিয়েন্সের ভালো লাগা, অডিয়েন্সের যত ধরনের রিঅ্যাকশন এটাই হচ্ছে আমাদের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি। সো ইটস আ ফ্যান্টাস্টিক ডে ফর আস যে আমরা যে রাক্ষসটা যেটা ভেবে বানাচ্ছিলাম, অডিয়েন্স আসলে সেটার সাথে রিলেট করতে পারছেন।’ সিনেমাটি নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে সিয়াম বলেন, ‘আমি বারবার বলছিলাম যে এটি শুধু আরেকটি বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র নয়, এটি হতে চলেছে একটি নতুন মানদণ্ড, বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের জন্য একটি নতুন সূচনা। সো আলহামদুলিল্লাহ ইটস হ্যাপেনিং। এতদিন তো আমরা জিনিসটা জানতাম, আমাদের মাঝখানে ছিল। বাট আজকে থেকে রাক্ষস আপনাদের হয়ে গেছে। অ্যান্ড থ্যাংক ইউ সো মাচ ফর লাভিং রাক্ষস অন দ্য ফার্স্ট ডে।’ তার কথায়, ‘কারণ যারা প্রথম দিন এসেছেন, তারা কিন্তু কোন ধরনের রিভিউ ছাড়া, রিঅ্যাকশন ছাড়া এসেছেন। তার মানে ইউ হ্যাড দ্যাট কনফিডেন্স ইন রাক্ষস। সো ইনশাআল্লাহ আপনাদের এই কনফিডেন্স থাকলে আমার মনে হয় যে আমাদের এই টিম আপনাদেরকে সামনে ইনশাআল্লাহ আরো বেটার কিছু দেওয়ার চেষ্টা করবে। বাট থ্যাংক ইউ সো মাচ ফর দ্য ফার্স্ট ডে রিঅ্যাকশন।’ শুটিং সেটের পরিবেশ এবং টিমের সাথে সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে সিয়ামের ভাষ্য, ‘আমার টিমের মানুষজন, দ্য হোল এনভায়রনমেন্ট দ্যাট ওয়াজ সো সাপোর্টিভ। উই অলওয়েজ হ্যাড আ ভেরি হেলদি এনভায়রনমেন্ট। এখানে আসলে আমার রাক্ষস হয়ে থাকার কোন মানে হয় না। তবে ইনশাআল্লাহ রাক্ষস আবার হতে হবে যখন মেহেদী হাসান হৃদয়ের গল্প সেই রাক্ষসকে ডিমান্ড করবে, রিয়েল এনার্জি আবার যখন রাক্ষসকে ডিমান্ড করবে ইনশাআল্লাহ তখন আমরা আবার রাক্ষস হব।’ ‘ততক্ষণ পর্যন্ত আই অ্যাম দ্যাট ওল্ড সিয়াম। তো আমাদের কাজ করতে করতে আমরা এতটা বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছি ইনফ্যাক্ট এই যে ফিল্ম রিলিজ করতে গিয়েও হচ্ছি। তাতে আমার কাছে মনে হয় যে আমাদের সম্পর্কগুলো আসলে প্রডিউসার-অ্যাক্টরের বাইরে চলে গেছে। নাউ উই আর আ বিগ ফ্যামিলি অ্যান্ড দিস ফ্যামিলি ইজ কমিটেড টু গিভ ইউ দ্য ভেরি বেস্ট ইন বাংলাদেশি কমার্শিয়াল ফিল্ম মার্কেট ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেন, ‘যে পাইরেটেড কোনো কপি দেখবেন আসলে তিনি কখনোই চান না যে বাংলাদেশের ফিল্ম অথবা কোনো ফিল্ম ভালো করুক। তো এটা সবসময় তো আমরা বলি, এখন যাকে সারা জীবন বলবো এটা বলে মাঝে মাঝে লাভও হয় না, আপনারাও জানেন। স্কুল লাইফ থেকে যদি কেউ শিখাতে না পারে, আজকের আমাদের এই স্টেটমেন্ট তাকে কিছু শেখাবে না। তো এটা তাদের থেকে বেশি রেসপন্সিবল আসলে আমাদের অডিয়েন্স যারা দেখেন, যারা সিনেমাকে ধারণ করেন, যারা চান যে বাংলাদেশ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ভালো কিছু হোক।’ সবশেষে নিজের পরিবার ও দর্শকদের দোয়ার কথা স্মরণ করে সিয়াম বলেন, ‘টেনশনে থাকি, তো এবার আব্বা-আম্মার দোয়া, আব্বা-আম্মার ভালোবাসাটাও একটু বেশি থাকে। লাস্ট ইয়ারের ‘জংলি’র জন্য ছিল, ‘তাণ্ডব’-এর কথা তাদেরকে জানাইনি বিকজ ইট ওয়াজ আ সারপ্রাইজ। আর এইবার তারা ‘রাক্ষস’ নিয়ে তো দেখছেন যে আমরা কী চেষ্টা করেছি। সো বাবা-মার সাথে, আমার সন্তানের সাথে, আমার ওয়াইফের সাথে এই ছোট্ট পরিবার নিয়ে আমাদের শুরু হয়েছে। আর এখন আলহামদুলিল্লাহ এখন বড় পরিবারের কাছে এসেছি, দর্শকদেরকে দেখব আমরা।’