ব্যবসায়ীর প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাত!

ব্যবসায়ীর প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাত! চলচ্চিত্র অঙ্গনের আলোচিত নায়িকা মিষ্টি জান্নাত আবারো ব্যক্তিগত জীবনের কারণে আলোচনায় উঠে এসেছেন। শোবিজ পাড়ায় জোর গুঞ্জন উঠেছে নতুন করে প্রেমে পড়েছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। জানা গেছে, এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, যা এখন প্রেমের সম্পর্কে রূপ নিয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরেই রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত রেস্টুরেন্ট, কফিশপ এবং বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে তাদের একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয়, দেশের বাইরে ভ্রমণের পরিকল্পনাতেও তাদের একসঙ্গে থাকার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি মিষ্টি জান্নাত কিংবা সংশ্লিষ্ট ওই ব্যবসায়ী। ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, তিনি ফ্যাশন ডিজাইনার ও ব্যবসায়ী আদিল খানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া বেশ ভালো এবং তারা একে অপরের সান্নিধ্যে স্বচ্ছন্দ।  ফলে তাদের সম্পর্কটি বেশ গভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নায়িকার সাম্প্রতিক কিছু পোস্ট ঘিরে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, তার পোস্টগুলোর মাধ্যমে হয়তো এই সম্পর্কের ইঙ্গিতই দিচ্ছেন তিনি। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না থাকায় বিষয়টি এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই এটিকে গুঞ্জন বলেই উড়িয়ে দিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন, সময় হলেই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পাবে। উল্লেখ্য, মিষ্টি জান্নাত তার অভিনয় ও ব্যক্তিত্বের জন্য বরাবরই আলোচনায় থাকেন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এর আগেও একাধিকবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। নতুন এই সম্পর্কের গুঞ্জন তার ভক্তদের মাঝে নতুন করে আগ্রহ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই সম্পর্ক নিয়ে তিনি কবে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলেন।

আবারো কারাগারে গায়ক নোবেল

আবারো কারাগারে গায়ক নোবেল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় আলোচিত সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দুপুরে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী নাসিদুস জামান নিশান (প্রিন্স)। তিনি জানান, জামিনের শর্ত অনুযায়ী আপোষের কথা থাকলেও আসামি তা ভঙ্গ করেছেন।  বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেও জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তা বাস্তবায়ন করেননি এবং নেওয়া অর্থও ফেরত দেননি। এ কারণে জামিন বাতিলের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। এর আগে, ২৪ ফেব্রুয়ারি একই আদালত আপোষের শর্তে নোবেলকে অস্থায়ী জামিন দেন, যার মেয়াদ ছিল আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। মামলার নথি অনুযায়ী, আনাননিয়া শবনম রোজ নামে এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখান নোবেল। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিনি ওই নারীর কাছ থেকে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা নেন। পরবর্তীতে সেই টাকা ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট মামলাটি হলে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে ৭ জানুয়ারি পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এর ভিত্তিতে গেল ৩ ফেব্রুয়ারি নোবেল, তার মা ও স্ত্রীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকা থেকে ডেমরা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

গাইতে পারছেন না, বিরল রোগে আক্রান্ত অলকা ইয়াগনিক

গাইতে পারছেন না, বিরল রোগে আক্রান্ত অলকা ইয়াগনিক ভারতের বরেণ্য প্লেব্যাক গায়িকা অলকা ইয়াগনিক। দীর্ঘ দিন ধরে শ্রবণজনিত সমস্যায় ভুগছেন তিনি। এ কারণে জনসম্মুখেও কম আসেন। অনেকটা বিরতির পর নিজের স্বাস্থ্যের আপডেট তথ্য জানালেন এই সংগীতশিল্পী। চলতি বছর ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পেয়েছেন অলকা। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর তার অসুস্থতার প্রসঙ্গ নতুন করে সামনে আসে। সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অলকা ইয়াগনিক বলেন, আমি এখনো এ রোগে ভুগছি। অলকা তার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে আর কিছু বলেননি। তবে পুরস্কারের জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান এই শিল্পী।  অলকা ইয়াগনিকের শ্রবণ শক্তি হ্রাস পেয়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিরল এই রোগের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন এই শিল্পী। ইনস্টাগ্রামে পোস্টে তিনি জানান, বিরল ভাইরাস আক্রমণ করেছে গায়িকাকে।  যার কারণে তার বিরল সংবেদনশীল স্নায়ু শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে।  ইনস্টাগ্রামে অলকা লিখেছিলেন, আমার সব ভক্ত, বন্ধু, অনুরাগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে বলছি, কয়েক সপ্তাহ আগে, আমি যখন একটি ফ্লাইট থেকে নামছিলাম, তখন হঠাৎ অনুভব করলাম- আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। এই পর্বের কয়েক সপ্তাহ পর, আমি এখন আমার সমস্ত বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য এই পোস্ট। যারা জানতে চান কেন আমি অনুপস্থিত। বিরল রোগের বিষয়ে অলকা ইয়াগনিক লিখেছিলেন, ভাইরাস আক্রমণের কারণে এটি একটি বিরল সংবেদনশীল স্নায়ুর সমস্যা। যার কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে। এই আকস্মিক, বড় ধাক্কা আমার অজান্তেই শরীরে গ্রাস করেছে। আমি এটির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। দয়া করে আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।

বিয়ে করেছেন সেই লুবাবা

বিয়ে করেছেন সেই লুবাবা শোবিজের গ্ল্যামার জগতকে বিদায় জানিয়েছেন আলোচিত শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবা। নিজেকে বদলে ফেলার পর এবার জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু করলেন তিনি। সেই খবরটি হচ্ছে- বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন লুবাবা। সামাজিকমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লুবাবা নিজেই। দীর্ঘদিন ধরেই লুবাবার জীবনযাপনে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছিল। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে দীর্ঘ এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজের এই আধ্যাত্মিক পরিবর্তনের কথা ভক্তদের জানিয়েছিলেন। এবার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি ছবি শেয়ার করেন লুবাবা। এর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। দুইটি আত্মা, এক কিবলা। দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্য। আল্লাহ আমাকে একজন দ্বীন শেখার সঙ্গী উপহার দিয়েছেন।’ লুবাবার এই পরিবর্তনের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটিজেনরা তাকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন। বিয়ের খবরটি শেয়ার করার পর কমেন্ট বক্সে শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।  একজন মন্তব্য করেছেন, ‘মাশাআল্লাহ, আল্লাহ তোমাদের দাম্পত্য জীবন রহমতের চাদরে মুড়িয়ে রাখবেন ইনশাআল্লাহ।’ অন্য একজন শুভকামনা জানিয়ে লিখেছেন, ‘আল্লাহ আপনাদের ভালো রাখুক।’ বলে রাখা যায়, সিমরিন লুবাবা প্রয়াত মঞ্চ ও টেলিভিশন অভিনেতা আবদুল কাদেরের নাতনি। দাদার অনুপ্রেরণায় এসেছিল অভিনয়ে। শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেছে বেশকিছু নাটকে। বিজ্ঞাপন ও সিনেমায়ও দেখা গেছে তাকে। গত বছর হঠাৎ করেই জানা যায়, ধর্মের পথে চলতে মিডিয়া ছেড়ে দিয়েছে লুবাবা। ওই সময় তার মা জাহিদা ইসলাম জেমি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘লুবাবার নিজেরই উপলব্ধি হয়েছে সেই আর মিডিয়ায় কাজ করবে না। মুখ দেখাবে না, তাই নেকাব পরা শুরু করেছে। এ অবস্থায় তো মিডিয়ায় কাজ করা যায় না। লুবাবা ধর্মীয় বই পড়ে পড়ে নিজে নিজে মনে করেছে সে জীবনধারায় পরিবর্তন আনবে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

ঈদ সিনেমা ‘প্রিন্স’র ব্যর্থতায় শাকিব খানের দুঃখ প্রকাশ

ঈদ সিনেমা ‘প্রিন্স’র ব্যর্থতায় শাকিব খানের দুঃখ প্রকাশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিজেকে যেন নতুন করে আবিষ্কার করেন শাকিব খান। উপহার দিয়েছেন একের পর এক সুপারহিট সিনেমা। তবে এবার ঈদে মুক্তি পাওয়া তার ‘প্রিন্স’ সিনেমাটি সফলতার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। দর্শক-ভক্ত-সমালোচকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি ঢালিউডের এই শীর্ষ নায়ক। সিনেমাটির বিভিন্ন টেকনিক্যাল জটিলতার কারণে ঈদের বাজারে মুক্তির প্রথম দিন থেকেই সিনেমাটি নানারকম সমালোচনার মুখে পড়ে। মুক্তির ১০ দিন পর জনসমক্ষে এসে শাকিব খান যেন এর দায় সময় ও পরিস্থিতির ওপরই বর্তান। ৩১ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তরা সেন্টার পয়েন্টে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্স-এ বিশেষ প্রদর্শনী শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিনেমাটি নিয়ে কথা বলেন তিনি। এসময় শাকিব খান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ, প্রযোজক শিরিন সুলতানা, অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ ও জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, অভিনেতা ডা. এজাজ, ইন্তেখাব দিনারসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে শাকিব খান বলেন, আমি যখন ‘প্রিন্স’ সিনেমার গল্প শুনেছি তখন মনে হয়েছিল এটি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সিনেমা হতে যাচ্ছে। হয়তো সময় স্বল্পতার কারণে আমরা সেটা করতে পারিনি। এজন্য নির্মাতাসহ সবার পক্ষ থেকে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি আমার পরবর্তী সিনেমাতে ত্রুটিগুলো খেয়াল করবো।  এরপর এই নায়ক বলেন, আমি ৩০টির বেশি গল্প শুনে একটি গল্প পছন্দ করি। বলতে গেলে, সারা বছরই গল্প শুনি। কিন্তু এবার যেটা হয়েছে সেটা ভিন্ন। আমরা তিন মাস ভারতে কাজের অনুমতি পাইনি। এরপর যা হয়েছে সেটা আরো ভয়াবহ। যেখানে আমাদের সিনেমার সেট ফেলা হয়েছিল সেটা ভেঙে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। এখানেও অনেক সময় চলে গেছে। ফলে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আমাদের কাজ করতে হয়েছে। যার কারণে সময়ের অভাবে অনেক ত্রুটি থেকে গেছে। হায়াত মাহমুদ অনেক ভালো ও মেধাবী একজন নির্মাতা। আমরা যদি উপযুক্ত সময় পেতাম তাহলে ভালো কিছু হতো। তিনি আরো বলেন, আমার জীবনের এইটা কোনো সিনেমা যেটার শুটিং ঈদের আগের দিন পর্যন্ত করেছি। তাসনিয়া ফারিণের সঙ্গে আইটেম গানের শুটিং ঈদের আগেই করেছি। এছাড়া পরী গানের শুটিং একদিনে শেষ করেছি। এগুলো হয়েছে শুধু সময়ের কারণে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তিনি। এই নায়ক জানান, মুক্তির পর প্রথম পাঁচ দিন মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমাটি চলেনি, যা বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়েছে। তার কথায়, ঈদের পর পাঁচদিন আমরা মাল্টিপ্লেক্সে ঢুকতে পারিনি। এটা কষ্টের।

‘রাক্ষস আবার হতে হবে’

‘রাক্ষস আবার হতে হবে’ ঈদুল ফিতরের আমেজ আর প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় সব মিলিয়ে দেশের সিনেমা অঙ্গনে এখন উৎসবের হাওয়া। এই খুশির জোয়ারে শামিল হয়েছেন চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদও। ঈদ উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছে তার বহুল প্রতিক্ষীত সিনেমা ‘রাক্ষস’। সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ এবং প্রথম দিনের অভাবনীয় প্রতিক্রিয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা। এক সাক্ষাৎকারে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সিয়াম আহমেদ বলেন, ‘আমরা এই দিনটার জন্য ওয়েট করি কারণ সিনেমা অডিয়েন্সের জন্য বানানো। অডিয়েন্সের ভালো লাগা, অডিয়েন্সের যত ধরনের রিঅ্যাকশন এটাই হচ্ছে আমাদের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি। সো ইটস আ ফ্যান্টাস্টিক ডে ফর আস যে আমরা যে রাক্ষসটা যেটা ভেবে বানাচ্ছিলাম, অডিয়েন্স আসলে সেটার সাথে রিলেট করতে পারছেন।’ সিনেমাটি নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে সিয়াম বলেন, ‘আমি বারবার বলছিলাম যে এটি শুধু আরেকটি বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র নয়, এটি হতে চলেছে একটি নতুন মানদণ্ড, বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের জন্য একটি নতুন সূচনা। সো আলহামদুলিল্লাহ ইটস হ্যাপেনিং। এতদিন তো আমরা জিনিসটা জানতাম, আমাদের মাঝখানে ছিল। বাট আজকে থেকে রাক্ষস আপনাদের হয়ে গেছে। অ্যান্ড থ্যাংক ইউ সো মাচ ফর লাভিং রাক্ষস অন দ্য ফার্স্ট ডে।’ তার কথায়, ‘কারণ যারা প্রথম দিন এসেছেন, তারা কিন্তু কোন ধরনের রিভিউ ছাড়া, রিঅ্যাকশন ছাড়া এসেছেন। তার মানে ইউ হ্যাড দ্যাট কনফিডেন্স ইন রাক্ষস। সো ইনশাআল্লাহ আপনাদের এই কনফিডেন্স থাকলে আমার মনে হয় যে আমাদের এই টিম আপনাদেরকে সামনে ইনশাআল্লাহ আরো বেটার কিছু দেওয়ার চেষ্টা করবে। বাট থ্যাংক ইউ সো মাচ ফর দ্য ফার্স্ট ডে রিঅ্যাকশন।’ শুটিং সেটের পরিবেশ এবং টিমের সাথে সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে সিয়ামের ভাষ্য, ‘আমার টিমের মানুষজন, দ্য হোল এনভায়রনমেন্ট দ্যাট ওয়াজ সো সাপোর্টিভ। উই অলওয়েজ হ্যাড আ ভেরি হেলদি এনভায়রনমেন্ট। এখানে আসলে আমার রাক্ষস হয়ে থাকার কোন মানে হয় না। তবে ইনশাআল্লাহ রাক্ষস আবার হতে হবে যখন মেহেদী হাসান হৃদয়ের গল্প সেই রাক্ষসকে ডিমান্ড করবে, রিয়েল এনার্জি আবার যখন রাক্ষসকে ডিমান্ড করবে ইনশাআল্লাহ তখন আমরা আবার রাক্ষস হব।’ ‘ততক্ষণ পর্যন্ত আই অ্যাম দ্যাট ওল্ড সিয়াম। তো আমাদের কাজ করতে করতে আমরা এতটা বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছি ইনফ্যাক্ট এই যে ফিল্ম রিলিজ করতে গিয়েও হচ্ছি। তাতে আমার কাছে মনে হয় যে আমাদের সম্পর্কগুলো আসলে প্রডিউসার-অ্যাক্টরের বাইরে চলে গেছে। নাউ উই আর আ বিগ ফ্যামিলি অ্যান্ড দিস ফ্যামিলি ইজ কমিটেড টু গিভ ইউ দ্য ভেরি বেস্ট ইন বাংলাদেশি কমার্শিয়াল ফিল্ম মার্কেট ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেন, ‘যে পাইরেটেড কোনো কপি দেখবেন আসলে তিনি কখনোই চান না যে বাংলাদেশের ফিল্ম অথবা কোনো ফিল্ম ভালো করুক। তো এটা সবসময় তো আমরা বলি, এখন যাকে সারা জীবন বলবো এটা বলে মাঝে মাঝে লাভও হয় না, আপনারাও জানেন। স্কুল লাইফ থেকে যদি কেউ শিখাতে না পারে, আজকের আমাদের এই স্টেটমেন্ট তাকে কিছু শেখাবে না। তো এটা তাদের থেকে বেশি রেসপন্সিবল আসলে আমাদের অডিয়েন্স যারা দেখেন, যারা সিনেমাকে ধারণ করেন, যারা চান যে বাংলাদেশ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ভালো কিছু হোক।’ সবশেষে নিজের পরিবার ও দর্শকদের দোয়ার কথা স্মরণ করে সিয়াম বলেন, ‘টেনশনে থাকি, তো এবার আব্বা-আম্মার দোয়া, আব্বা-আম্মার ভালোবাসাটাও একটু বেশি থাকে। লাস্ট ইয়ারের ‘জংলি’র জন্য ছিল, ‘তাণ্ডব’-এর কথা তাদেরকে জানাইনি বিকজ ইট ওয়াজ আ সারপ্রাইজ। আর এইবার তারা ‘রাক্ষস’ নিয়ে তো দেখছেন যে আমরা কী চেষ্টা করেছি। সো বাবা-মার সাথে, আমার সন্তানের সাথে, আমার ওয়াইফের সাথে এই ছোট্ট পরিবার নিয়ে আমাদের শুরু হয়েছে। আর এখন আলহামদুলিল্লাহ এখন বড় পরিবারের কাছে এসেছি, দর্শকদেরকে দেখব আমরা।’

‘আমি দমদার অ্যাকশন ফিল্ম করবো’

‘আমি দমদার অ্যাকশন ফিল্ম করবো’ ঈদুল ফিতর মানেই বড় পর্দায় নতুন চমক, আর বর্তমান সময়ে সেই চমকের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আফরান নিশো। ‘সুড়ঙ্গ’ দিয়ে বড় পর্দায় রাজকীয় অভিষেকের পর এবারের ঈদে নিশো হাজির হয়েছেন ‘দম’ নিয়ে। রেদওয়ান রনি পরিচালিত ‘দম: আনটিল দ্য লাস্ট ব্রেথ’ সিনেমাটি ঘিরে দর্শকদের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে, প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় আফরান নিশো ও চঞ্চল চৌধুরীর একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করা এই সিনেমাকে নিয়ে গেছে অন্য উচ্চতায়। কাজাখস্তানের হাড়কাঁপানো শীত থেকে পাবনার মেঠোপথ ‘শাহজাহান ইসলাম নূর’ চরিত্রের মধ্য দিয়ে একজন সাধারণ মানুষের অসাধারণ টিকে থাকার লড়াই বা সারভাইভাল ড্রামা ফুটিয়ে তুলেছেন নিশো। তবে কেবল অভিনয় নয়, দেশের সিনেমার অ্যাকশন ঘরানা নিয়েও নিজের স্পষ্ট দর্শনের কথা জানিয়েছেন এই অভিনেতা। প্রচলিত ধারার মারপিট বা অ্যাকশন নিয়ে নিজের অনীহার কথা লুকিয়ে রাখেননি নিশো। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বাংলা অ্যাকশন কি কম ফাটাফাটি হইতে পারে নাকি? কিন্তু এই যে কিছু কনভেনশনাল ওয়েতে করা অ্যাকশন আমার কাছে খুব বোরিং লাগে। ভালো লাগে না। আর এগুলো আমি বললেও অনেক সময় হয় কি আমি একটা কথা বললাম সেটা আরেকজনের উপর নিয়ে ফেলে নেয়। উনি কি বললেন উনাকে নিয়ে আমি কাউকে নিয়ে বলি না। যার যার পারপাস শেষে ডান করবে। একেকজনের সমসাময়িক সময় আমাকে অনেকের সাথে মিলানো হয়। অনেকের সাথে প্রতিযোগী হিসেবে দেখানো হয়। আমি কারো প্রতিযোগী না।’ তার কথায়, ‘অবশ্যই যোগ্য মানুষের সাথে আমার কম্পারিজন করলে আইশুড এনজয় দশট শুডবি। আমি বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমি খুবই নিউ কামার আমার সবে মাত্র তিন নাম্বার ছবি রিলিজ হলো হ্যা এখনো অনেকদিন বাকি তবে হ্যাঁ নাটকের সুবাদে আমি অভিনয়ের সাথে সম্পৃক্ত আছি অনেকদিন ধরে এজন্য অনেক কিছু শিখতে পারছি। তো আমার কাছে মনে হয় যে আমার ফিল্ম নিয়ে আমার একটা ইমপ্রেশন আছে একটা ভিশন আছে আমি ওরকম দেখতে চাই। তো এমন কোন কিছু করতে চাই না যেটা আমার না এক আবার এমন কোন কিছু করতে চাই না যেটা লাস্ট করবে না।’ নতুন প্রজন্মের জন্য উদাহরণ তৈরি করতে চান নিশো। তিনি জানান, ভবিষ্যতে এমন অ্যাকশন ফিল্ম করতে চান যা দেখে মনে হবে এটি খাঁটি বাংলাদেশি সিনেমা। তিনি বলেন, ‘সো ওইটার মধ্যেও কষ্টটা আপনাদের রিফ্লেক্ট করবে। আমি কথা দিচ্ছি আমি একশন করলেও সেটার মধ্যে আপনারা দেখবেন ওইটার মধ্যে অন্য এফর্ট আছে। সেটা শারীরিক কষ্ট হোক, শারীরিক শ্রম হোক। এরকম আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে দেখে মনে হবে এটা বাংলাদেশি সিনেমা। অ্যাকশন ওরিয়েন্টেড যে সিনেমা এটা আমাদের বাংলাদেশের সিনেমা মনে হতে হবে। বাংলাদেশি হ্যা বাংলাঅকশন কি কম ফাটাফাটি হইতে পারে নাকি এটা তো এমন না কিন্তু এই যে কিছু কনভেনশনাল ওয়েতে করা অকশন আমার কাছে খুব বোরিং লাগে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এজ এ অডিয়েন্স আমার কাছে খুবই ভালো লাগে না হতে পারে একটা ট্রেন্ডি বা একটা ফর্মে এটা আমার ব্যক্তিগত পছন্দ হয়তোবা পূজার সেটা নাও একমত হতে পারে হয়তোবা রনি সেটার একমত না হতে পারে কিন্তু আমার দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে আমি বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি অর মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির একজন মানুষ হিসেবে আমারও কিছু ব্যক্তিগত ইচ্ছা আছে সেই ইচ্ছার উপরেই কাজ করে আমার পরপর এই তিনটা সিনেমা এরকম আসা।’ নিশোর ভাষ্যে, ‘আমি অবশ্যই একশন করব একশনকে আমি ছোটবেলা থেকে একশন সিনেমা দেখে বড় হইছি বিশেষ করে যুদ্ধের সিনেমা দেখে তো এখন সাপোজ ধরেন যে একটা যুদ্ধের সিনেমা হার্ডকোর যুদ্ধ হচ্ছে সেটা তো একশন এটা তো অভিয়াস না যে মানে আমাকেই তুলে নিতে হবে একটা গান সেটা দিয়ে পৃথিবী উজার করে গুলি করব আমি এরকম তো না বিষয়টা এরকম না তো উজার করে গুলি করব পৃথিবী উজার করে আমার কাছে অনেক সময় এগুলা করো একটা স্বপ্নের দৃশ্য থাকুক স্বপ্নদৃশ্য কর অবশ্যই অবশ্যই আমি প্লান করে ফেলছি আমার তো প্লান অনেক আগের থেকে হয়তোবা আপনাদেরকে জানাই না লুকিং ফরওয়ার্ড ঈদ ছাড়াও সিনেমা করা হবে।’

শাকিবের ‘প্রিন্স’ কত আয় করল

শাকিবের ‘প্রিন্স’ কত আয় করল চারদিকে বইছে ঈদ উৎসবের আমেজ, আর সেই আমেজে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে আবু হায়াত মাহমুদ পরিচালিত সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন ঢাকা’। নব্বই দশকের আলোচিত আন্ডারওয়ার্ল্ড ফিগার কালা জাহাঙ্গীরের ছায়া অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমাটি নিয়ে মুক্তির আগে থেকেই দর্শকদের মাঝে ছিল তুঙ্গে থাকা কৌতূহল। বিএমআরের দেওয়া তথ্যমতে, দেশের জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সে শো না থাকলেও ই-টিকেটিং সুবিধা সম্বলিত অন্যান্য প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি ভালোই সূচনা করেছে। প্রথম দিনেই ডাবল ডিজিট কালেকশন তুলে নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন ‘প্রিন্স’। প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, গতকাল লায়ন সিনেমাস (৫টি শো), গ্র্যান্ড সিলেট মুভি থিয়েটার (২টি শো), মন ইন (৪টি শো), মনিহার সিনেপ্লেক্স (৪টি শো), মধুবন সিনেপ্লেক্স (৪টি শো), শ্যামলী (৪টি শো), সিনেস্কোপ (৪টি শো) এবং গ্র্যান্ড রিভারভিউ সিনেপ্লেক্স (৪টি শো) মিলিয়ে সিনেমাটির মোট ৩১টি শো প্রদর্শিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩১টি শো’র মধ্যে ২৬টি শো-ই ছিল পুরোপুরি ‘হাউজফুল’। এছাড়া একটি শো ছিল অলমোস্ট ফুল। দিন শেষে সিনেমাটির মোট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬.১৯ লাখ টাকা। শিরিন সুলতানা প্রযোজিত এই সিনেমাটি কেবল মারপিট বা অ্যাকশন নির্ভর নয় বরং মেজবাহ উদ্দিন সুমনের চিত্রনাট্যে এটি তৎকালীন ঢাকার রাজনীতি ও অপরাধ জগতের এক গভীর আখ্যান হিসেবে ফুটে উঠেছে। শাকিব খান তার চেনা ছক ভেঙে কালা জাহাঙ্গীর চরিত্রে অভিনয় করে ক্যারিয়ারে নতুন এক মোড় নিয়েছেন। বৈচিত্র্যময় লোকেশনে চিত্রায়িত এই সিনেমায় শাকিবের বিপরীতে দেখা গেছে তসনিয়া ফারিণকে। ওপার বাংলার জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডুর পাশাপাশি এতে আরও অভিনয় করেছেন ইন্তেখাব দিনার, রাশেদ মামুন অপু ও ড. এজাজের মতো শক্তিমান অভিনেতারা।

দর্শকদের প্রশংসায় ভাসছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’

দর্শকদের প্রশংসায় ভাসছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এবারের ঈদুল ফিতরে দেশের সিনেমা অঙ্গনে বইছে উৎসবের হাওয়া। প্রতি বছরের মতো এবারও দর্শকদের ঢল নেমেছে প্রেক্ষাগৃহে। তবে এবারের সমীকরণটা একটু ভিন্ন। কেবল তারকাখ্যাতি নয়, গল্পের শক্তিতেই সিনেমা বাছাই করছেন দর্শকরা। ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত পাঁচটি সিনেমা- ‘প্রিন্স’, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, ‘দম’, ‘রাক্ষস’ ও ‘প্রেশার কুকার’ নিয়ে এখন মুখরিত সিনেমা পাড়া। তবে এই পাঁচের ভিড়ে দর্শকদের বিশেষ আগ্রহ ও প্রশংসায় ভাসছে পরিচালক তানিম নূরের সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘কিছুক্ষণ’ অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমাটি মুক্তির পর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিনেমাপ্রেমীরা এ সিনেমার বেশ প্রশংসা করছেন। হুমায়ূন আহমেদের গল্পের এক অদ্ভুত জাদু থাকে, যেখানে মানুষের সূক্ষ্ম অনুভূতি এবং নিঃশব্দ যন্ত্রণাগুলো খুব সহজেই দর্শকের হৃদয়ে গেঁথে যায়। সেই চিরচেনা জাদুকে সেলুলয়েডে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তানিম নূর। পরিচালক জানিয়েছেন, তিনি ২০০৭ সালের সেই প্রেক্ষাপটকে বজায় রেখেই সিনেমার ভিজ্যুয়াল বয়ান তৈরি করেছেন। ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ মূলত একটি ট্রেন যাত্রাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। এই সিনেমার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর কাস্টিং। বর্তমান সময়ের দুই শক্তিমান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও মোশাররফ করিমকে একসাথে পর্দায় দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা, যা এবারের ঈদের সবচেয়ে বড় উপহারগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় আরও রয়েছেন আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম এবং শরীফুল রাজের মতো তারকারা। তাদের নিপুণ অভিনয় চরিত্রগুলোকে প্রাণদান করেছে। ট্রেনের সেই চিরচেনা নস্টালজিয়া আর গভীর মানবিক সম্পর্কগুলো নিয়ে নির্মিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দর্শকদের এক অন্য জগতে নিয়ে যাচ্ছে। প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হওয়া দর্শকদের মতে, নিটোল গল্প আর শক্তিশালী অভিনয়ের সংমিশ্রণে এটি এই ঈদের অন্যতম সেরা নির্মাণ।

‘বিলেত রাজা’তে ঝড় তুললেন সিয়াম

‘বিলেত রাজা’তে ঝড় তুললেন সিয়াম ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান বরাবরই পর্দায় নতুনত্বের ছাপ রেখে চলেছেন। তবে এবার যেন তাকেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন এই সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘রাক্ষস’ সিনেমার আইটেম গান ‘বিলেত রাজা’ প্রকাশ হতেই সিয়ামের নতুন রূপ দেখে তাজ্জব বনে গেছেন দর্শকরা। ‘বিলেত রাজা’ গানে সিয়াম আহমেদ এবং আন্তর্জাতিক মডেল নাতালিয়া জানোশেক এক প্রাণবন্ত এবং সাহসী পারফরম্যান্সে ড্যান্স ফ্লোর মাতিয়েছেন। সিয়ামের গ্ল্যামারাস লুক এবং নাতালিয়ার আবেদনময়ী উপস্থিতি গানটিতে যোগ করেছে বাড়তি উন্মাদনা।  পুরো ট্র্যাকটির মিক্স ও মাস্টারিংয়ের দায়িত্বে ছিল বুকশেলফ স্টুডিওস। রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশনের পরিবেশনায় গানটি মুক্তির পর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।  অ্যাকশন-ড্রামা ঘরানার ‘রাক্ষস’ সিনেমায় সিয়ামের এমন ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ ড্যান্স অবতার ভক্তদের জন্য এবারের ঈদে সেরা উপহার হতে যাচ্ছে।