নাচোলে কৃষকদের মধ্যে বীজ বিতরণ প্রয়াসের

নাচোলে কৃষকদের মধ্যে বীজ বিতরণ প্রয়াসের চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সমন্বিত কৃষি ইউনিট (কৃষি খাত)’র আওতায় কৃষকদের মধ্যে গম ও মসুর বীজ বিতরণ করা হয়েছে।আজ সকালে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির ইউনিট-১৫ নাচোল অফিসে এইসব বীজ বিতরণের আয়োজন করা হয়। কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রয়াসের কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ও সমন্বিত কৃষি ইউনিটের ফোকাল পার্সন ফারুক আহমেদ। অনুষ্ঠানে গম ও মসুর ডাল চাষ বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন প্রয়াসের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রয়াসের কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, আরএমটিপি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রিফাত আমিন হিরা, মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, অফিসার শাহরিয়ার শিমুল, সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র সহযোগিতায় কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার দৈনিক গৌড় বাংলা ও রেডিও মহানন্দা ৯৮.৮ এফএম।
নাচোলে উত্তম ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষ বিষয়ে দুদিনের প্রশিক্ষণ শুরু

নাচোলে উত্তম ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষ বিষয়ে দুদিনের প্রশিক্ষণ শুরু নভেম্বর ১৯, ২০২৪: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ফতেপুরে উত্তম ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষ বিষয়ে দুদিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির সমন্বিত কৃষি ইউনিটভূক্ত মৎস্য খাতের আওতায় এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির ফতেপুর ইউনিটের অধীনস্থ ২৫ জন মৎস্যচাষি এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী দিনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাচোল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইমরুল কায়েস, প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক ও প্রয়াসের ফতেপুর ইউনিট ব্যবস্থাপক মো. আনোয়ার হোসেন। প্রশিক্ষণে পুকুর নির্বাচন, পুকুর প্রস্তুতি, পুকুরকে মাছ চাষের উপযোগী করার কৌশল, প্রজাতি নির্বাচন, পোনা মজুত, চুন ও সার প্রয়োগ পদ্ধতি, মাছ চাষে সাধারণ সমস্যা ও সমাধান, মাছের রোগ ও প্রতিকার ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র সহযোগিতায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি এই প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন করছে। চরঅনুপনগরে সরিষা বীজ ও সার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে সদর উপজেলার চরঅনুপনগরে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির ইউনিট-১২ চরঅনুপনগর অফিসের সদস্যেদের মধ্যে সরিষার বীজ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি) প্রকল্পের আওতায় ১০০ জন কৃষকের প্রত্যেককে সরিষা বীজ, জৈব সার ও ছত্রাকনাশক প্রদান করা হয়। বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে সরিষা চাষ বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন আরএমটিপি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ রিফাত আমিন হিরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রয়াসের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান, ইউনিট-১২ এর ব্যবস্থাপক মো. জাকারিয়া, স্মার্ট প্রকল্পের পরিবেশ কর্মকর্তা ইকবাল মাহমুদ, অফিসার শাহরিয়ার শিমুল, জুনিয়র অফিসার আলমাস উদ্দিনসহ অন্যরা। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সরিষার নিরাপদ ভোজ্য তেল উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি শীর্ষক ভ্যালু চেইন উপ-প্রকল্পের আওতায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি এই বীজ এবং জৈব সার ও ছত্রাকনাশক বিতরণ করে।
পারিবারিক কলহের জের : নাচোলে ককটেল বিস্ফোরণ ৭টি বাইকে অগ্নিসংযোগ

পারিবারিক কলহের জের : নাচোলে ককটেল বিস্ফোরণ ৭টি বাইকে অগ্নিসংযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে পারিবারিক কলহের জের ধরে ককটেল বিস্ফোরণ, মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং আটক করা হয়েছে ৬ জনকে। রবিবার দুপুরে উপজেলার গুঠইল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, এর আগে কেন্দুয়া ঘাসুড়া গ্রামের রজবের ছেলে সিফাতের সঙ্গে রজবের ভাগ্নে গুঠইল গ্রামের মো. জসিমের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে জসিমকে মারধর করে সিফাত। এতে তিনি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। রবিবার ভাগ্নে জসিমকে দেখতে যান রজব আলী। এরই মধ্যে কে বা কারা গুজব ছড়িয়ে দেয় এই বলে যে, রজবকে মারধর করে আটকে রাখা হয়েছে। এরপর সিফাত একটি মাইক্রো ও ২০-২৫টি মোটরসাইকেলে বহিরাগতদের নিয়ে জসিমের বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িঘরে ব্যাপক ক্ষতিসাধনের পর পালিয়ে যাওয়ার সময় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় উত্তেজিত জনতা হামলাকারীদের ৭টি মোটরসাইকেলে (বাইকে) অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জনতার সহযোগিতায় ৬ জন হামলাকারীকে আটক করে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি মনিরুল ইসলাম।
নাচোলে আদিবাসীদের নিয়ে কমিউনিটি সংলাপ অনুষ্ঠিত

নাচোলে আদিবাসীদের নিয়ে কমিউনিটি সংলাপ অনুষ্ঠিত নাচোলে আদিবাসীদের সমস্যা সমাধানভিত্তিক কমিউনিটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকেলে নাচোল সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক দেবেন্দ্রনাথ উঁরাও। কমিউনিটি সংলাপে বিশেষ অতিথি ছিলেন- নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা সরকার। কমিউনিটি সংলাপে আদিবাসীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। সমস্যাগুলোর মধ্যে ছিল-আদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন সরকারি সুযোগ সুবিধার প্রদান করা, মাদকাসক্তি ও উৎপাদন বন্ধের ব্যবস্থা করা, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সহায়তা করা, আদিবাসী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা, ভূমিহীন আদিবাসীদের আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় পুনর্বাসন করা ও সরকারি খাস জমিতে আদিবাসীদের শ্মশানের ব্যবস্থা করা, নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা, আদিবাসী এলাকার রাস্তা সংস্কার ও শ্মশানে যাবার রাস্তার ব্যবস্থা করা, মন্দিরে সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি। এসব সমস্যা সমাধানে প্রধান অতিথির সহায়তা কামনা করেন আদিবাসী নেতৃবৃন্দ। এসময় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদ্বয় সমস্যাগুলো সমাধানে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তবে দেবেন্দ্রনাথ উঁরাও বলেন, আদিবাসীদের অনেকে ভাল গান গায়, কথা বলতে পারে কিন্তু স্টেজ পাইনা, ভাল খেলতে পারে কিন্তু মাঠ নেই। আপনাদের জানাতে চাই বর্তমান আন্তবর্তীকালীন সরকার আদিবাসীদের নিয়ে ভাবছে, আমরা আর পিছিয়ে থাকব না সামনে এগিয়ে যাব। রেডিও মহানন্দার টেকনিক্যাল অফিসার রেজাউল করিম টুটুল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রেডিও মহানন্দার স্টেশন ম্যানেজার ও প্রয়াসের পরিচালক (মানবসম্পদ প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ বিভাগ) আলেয়া ফেরদৌস, প্রযোজক নয়ন আলী ও সহকারি প্রযোজক উম্মে আয়েশা সিদ্দিকা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমির উপ-পরিচালক বেঞ্জামিন টুডু, নাচোল সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শফিকুল আলম, এসআইএল এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর পিন্টু এ্যালবার্ট পিরিচ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এরিয়া ম্যানেজার নিকোলাস মুরমুসহ অন্যরা। উল্লেখ্য, প্রোমোটিং দ্য ভয়েস অব প্লেইনল্যান্ড এথনিক মাইনোরিটিজ ইন সিভিক স্পেস থ্রু কমিউনিটি মিডিয়া বিষয়ক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত কমিউনিটি সংলাপটি রেডিও মহানন্দায় ‘সেতু বন্ধন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সম্প্রচারিত হবে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ফ্রি প্রেস আনলিমিটেড ও আর্টিকেল নাইনটিন এর আর্থিক সহায়তায় ও গণমাধ্যম বিষয়ক উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টি ফাউন্ডেশন এর কারিগরি সহায়তায় কমিউনিটি সংলাপের আয়োজন করে কমিউনিটি রেডিও মহানন্দা ৯৮.৮এফএম।
নাচোলে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আদিবাসীদের নিয়ে কমিউনিটি সংলাপ

নাচোলে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আদিবাসীদের নিয়ে কমিউনিটি সংলাপ নাচোলে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আদিবাসীদের নিয়ে কমিউনিটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকেলে নাচোল সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন- জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক ও সরকারের উপসচিব দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও। বিশেষ অতিথি ছিলেন নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা সরকার। সংলাপে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমির উপ-পরিচালক বেঞ্জামিন টুডু, নাচোল সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শফিকুল আলম, রেডিও মহানন্দার স্টেশন ম্যানেজার ও প্রয়াসের পরিচালক(মানবসম্পদ প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ বিভাগ) আলেয়া ফেরদৌস, এসআইএল এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর পিন্টু এ্যালবার্ট পিরিচ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এরিয়া ম্যানেজার নিকোলাস মুরমু সহ অন্যরা। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহায়তায় নাচোল উপজেলা প্রশাসন এই সংলাপের আয়োজন করে। সংলাপে আদিবাসী নারী-পুরুষরা বাল্যবিয়েকে না বলেন। এসময় তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও তুলে ধরেন।
নাচোলে নবান্ন উৎসব ও আদিবাসী মিলনমেলা

নাচোলে নবান্ন উৎসব ও আদিবাসী মিলনমেলা নাচোলে নবান্ন উৎসব ও আদিবাসী মিলনমেলা উপলক্ষে আলোচনা সভা পিঠা উৎসব, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ নাচোল উপজেলার নাচোল সরকারি কলেজে দিনব্যাপী এসব কর্মসূচি অনুুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল সকালে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভা, পিঠা উৎসব, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও বিকেলে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক (উপসচিব) দেবেন্দ্রনাথ উঁরাও। আদিবাসী প্রতিনিধি শ্যামল মাহাতোর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা সরকার, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমির উপ-পরিচালক বেঞ্জামিন টুডু, নাচোল সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শফিকুল আলম, এসআইএল এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর পিন্টু এ্যালবার্ট পিরিচ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এরিয়া ম্যানেজার নিকোলাস মুরমু সহ অন্যরা। এরআগে, সকালে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো কামাল উদ্দিন। উইকলীফ সুইজারল্যান্ড এর অর্থায়নে ও এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর বাস্তাবায়নে এসব কর্মসূচির আয়োজন করে নাচোল উপজেলা গ্রাম উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
নাচোলে ৩দিনের ব্যবধানে ৮টি গরু চুরি

নাচোলে ৩দিনের ব্যবধানে ৮টি গরু চুরি নাচোল উপজেলায় ৩ দিনের ব্যবধানে ৮টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। গরুগুলির আনুমানিক মূল্য অন্তত: সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নাচোল পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সদ্য সাবেক কাউন্সিলর ও শিমুলতলা মহল্লার মৃত মফিজউদ্দিনের ছেলে সানাউল্লার বাড়ি সংলগ্ন গোয়ালঘরের দরজার তালা কেটে ৫টি গরু চুরি হয়। এর আগে গত ১১ নভেম্বর ভোররাতে নেজামপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের পঁচাকান্দর মৌজার শুঁড়িপুকুর গ্রামে কৃষক আব্দুর রাজ্জাকের মাটি নির্মিত গোয়ারঘরের জানালা ভেঙ্গে ৩টি গরু চুরির হয়। সাবেক কাউন্সিলর সানাউল্লাহ বলেন, রাত ১টা পর্যন্ত গরুগুলি ছিল। কিন্তু রাত ২টার দিকে গোয়ালঘরে গিয়ে আর গরু পাওয়া যায়নি। ধারনা করা হচ্ছে,৮/১০ জনের একটি চোরচক্র একটি পিকআপ ভ্যান ব্যবহার করে গরুগুলি নিয়ে যায়। বাচ্চাসহ একটি দুধের গাইসহ গরু ৫টির মূল্য অন্তত: সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা। নিকটের মডেল মসজিদের সিসিটিভি ক্যামেরায় গরু চুরি করে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যাবার কিছু আবছা দৃশ্য দেখা গেছে। সানাউল্লাহ আরও বলেন, এ ঘটনায় রাতেই নাচোল থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। সকালে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁরা নিজেরাও গরুগুলো খুঁজছেন। তবে এ ব্যাপারে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি। গোয়ালে ৬টি গরু থাকলেও একটি গরু চোর নিতে পারে নি। নেজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, গত ভোররাতে কৃষক রাজ্জাকের বড় তিনটি গরু চুরি যায়। গরুগুলোর মূল্য-৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা। এ ব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি উদ্বেগজনক। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন,সানাউল্লার গরু চুরির ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। নেজামপুরের ঘটনায় মামলা না হলেও অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত চলছে। নেজামপুরের ঘটনায় চোরচক্র মিনি ট্রাক ব্যবহার করে ও মাটির গোয়ালঘর ভেঙ্গে গরু নিয়ে যায়। তবে দুটি ঘটনা একই চোরচক্রের কিনা তা চোর না ধরা পর্যন্ত বলা যাবে না বলেও জানান ওসি।
গোমস্তাপুর ও নাচোলে মাছের পোনা বিতরণ

গোমস্তাপুর ও নাচোলে মাছের পোনা বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর ও নাচোল উপজেলায় প্রয়াস মানবকি উন্নয়ন সোসাইটির ১০ জন মৎস্যচাষির মধ্যে গুলসা ও দেশী শিং মাছের পোনা বিতরণ করা হয়েছে। পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির উদ্যোগে রহনপুর ও নাচোল শাখার সমন্বিত কৃষি ইউনিটের (মৎস্য খাত) আওতায় এইসব পোনা বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- গোমস্তাপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ, রহনপুর ও নাচোল শাখার ব্যবস্থাপক জামাল হোসেন ও কাউসার আলী, প্রয়াসের মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক। চাষিদের মাছের পোনা ছাড়ার নিয়ম, নিয়মিত সম্পূরক খাবার প্রয়োগ, মাঝেমধ্যে জাল টেনে মাছের স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা, ইত্যাদি পরামর্শ প্রদান করেন।
নাচোলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের উদ্বোধনসহ ১১ দাবিতে মানববন্ধন

নাচোলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের উদ্বোধনসহ ১১ দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবন উদ্বোধনসহ ১১ দফা দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নাচোল উন্নয়ন ফোরাম ও এনমাস এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে নাচোল উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি আমানুল্লাহ আল মাসুদ, এনমাসের সভাপতি শাকিল রেজা, ইসলামিক তরুণ প্রজন্মের সভাপতি আলীমূল আনসারীসহ আরো অনেকেই বক্তব্য দেন। মানববন্ধনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা নাচোল উপজেলাবাসীর চিকিৎসা সেবা বৃদ্ধির লক্ষে হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন, বরাদ্দকৃত ডাক্তার নিশ্চিতকরণ, ওষুধ বরাদ্দ বৃদ্ধিসহ অপারেশন ও বৈকালী সেবা চালু করা, দালাল নির্মূল ও বহিরাগতদের হস্তক্ষেপ বন্ধ করা, সার্জারি ও গাইনি বিশেষজ্ঞ সেবা প্রদান চালু করা, ডাক্তার ও নার্সদের মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা, বেড ও যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা, কর্মস্থলে উপস্থিত শতভাগ নিশ্চিত করা, ইমার্জেন্সি বিভাগকে আরো উন্নত করা ও অহেতুক রোগী রেফার্ড বন্ধের দাবি জানান। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেন দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জাতীয়করণের দাবিতে নাচোলে কলম বিরতিতে নকলনবিশরা

জাতীয়করণের দাবিতে নাচোলে কলম বিরতিতে নকলনবিশরা চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নকলনবিশরা চাকরি জাতীয়করণের এক দফা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন। তারা এই কর্মসূচির নাম দিয়েছেন ‘কলম বিরতি’। নকলনবিশ অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা ও নির্দেশনা মোতাবেক মঙ্গলবার সকাল থেকে নাচোল সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সামনে কর্মবিরতির ব্যানার ঝুলিয়ে নকলনবিশরা এই কর্মসূচি পালন করেন। নাচোল উপজেলা নকলনবিশ নজরুল ইসলাম বলেন, নকলনবিশরা বছরের পর বছর বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ ও জনসেবার কাজ করি আমরা, অথচ আমাদেরকে সরকারের কোষাগার থেকে কোনো বেতন-ভাতা দেওয়া হয় না। তিনি আরো বলেন, আমাদের জাতীয়করণ করা হলে রাষ্ট্রকে আমারা যে টাকা আয় করে দেই, সেই অর্থ থেকেই আমাদের বেতন দেওয়া সম্ভব। অন্য কোনো রাজস্ব খাত থেকে আমাদের এক টাকাও দিতে হবে না। এমনকি নিজেদের টাকা দিয়ে কাগজ-কলম কিনে কাজ করতে হয় আমাদের। নকলনবিশ সদস্যরা আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমরা সর্বাত্মক আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে রাজপথে নেমেছিলাম। আওয়ামী লীগ সরকারের আইনমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন, আপনারা ঘরে ফিরে যান। আপনাদের সকল দাবি দাওয়া এমনকি জাতীয়করণের দাবি মেনে নেয়া হবে। আমরা যখন ঘরে ফিরে যাই তখন ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের দাবি উপেক্ষা করে। আমরা এ মিথ্যা প্রতিশ্রুতি ও বৈষম্যের তীব্র নিন্দা জানাই। সদস্যরা আরো বলেন, আমরা দলিলের নকল লেখা বাবদ বর্তমানে প্রতি পৃষ্ঠা ৩৬ টাকা হারে পাই। এতে মাসে কয়েক হাজার টাকা আয় হয়, যা একজন নকলনবিশের সংসার চালানোর জন্য অতি নগণ্য। অথচ আমরাই এই অফিসের মূল চালিকাশক্তি। নকলনবিশ সদস্যরা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের চাকরি স্থায়ীকরণের (জাতীয়করণের) দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। কর্মবিরতি পালন করেছি কয়েকবার। তৎকালীন সরকারের আশ্বাসে আমরা কর্মবিরতি স্থগিত করেছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে সঠিক সমাধান না হওয়ায় আবার কর্মবিরতি শুরু করেছি। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করছেন। আমাদের এই দাবি মানা না হলে আমরা সর্বাত্মক কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে নামব। নারী নকলনবিশ সদস্যরা বলেন, আমরা রাষ্ট্রের কোনো সুযোগ-সুবিধা পাই না। এমনকি নারী হিসেবে আমাদের মাতৃকালীন কোনো সুযোগ-সুবিধাও নেই। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই বৈষম্যের বিলোপ চাই এবং আমাদের চাকরির জাতীয়করণ চাই।