নাচোলে শেষ হলো ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ

নাচোলে শেষ হলো ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে নাচোল উপজেলায় ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ হয়েছে। আজ নাচোল সরকারি কলেজের সম্মেলন কক্ষে এই প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন— জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শাহাদাত হোসেন মাসুদ। তিনি একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সকল কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার গোলাম রাব্বানী সরদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন— পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, সেনাবাহিনীর নাচোল ক্যাম্প কমান্ডার মেজর আসিক, জেলা নির্বাচন অফিসার আজাদুল হেলাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোমস্তাপুর সার্কেল) হাসান তারেক। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া, উপজেলা নির্বাচন অফিসার দুলাল হোসেন এবং নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আছলাম আলী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় মোট ৪৬০ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। ৫টি পৃথক হলরুমে ৫ জন দক্ষ প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এতে প্রিজাইডিং অফিসার ৬০ জন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ২৭০ জন এবং পোলিং অফিসার হিসেবে ১৩০ জন অংশগ্রহণ করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা নির্বাচনের পবিত্রতা রক্ষা এবং ভোটারদের আস্থার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
নাচোলে শিক্ষক রইশুদ্দীনেক অবসরজনিত সংবর্ধনা

নাচোলে শিক্ষক রইশুদ্দীনেক অবসরজনিত সংবর্ধনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার সোনাইচন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মোহা. রইশুদ্দীন অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। রবিবার এই সংবর্ধনার আয়োজন করে বিদ্যালয়টি। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রহিম, বাশিস নাচোল উপজেলা শাখার সভাপতি ও গোলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাজামুল হক, রাকাব সোনাইচন্ডী শাখার ব্যবস্থাপক ওয়াহুদুজামান ও শিক্ষানুরাগী মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ফান্ডের পক্ষ থেকে সঞ্চয়কৃত ১ লাখ ৭১ হাজার টাকার চেক তার হাতে তুলে দেওয়া হয়। সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেন রইশুদ্দীন। মোহা. রইশুদ্দীন ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি সোনাইচন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ে গণিত বিষয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি ১৯৮৯ সালের ১ জুন থেকে রাধানগর এএনসি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন এবং ২০১০ সাল পর্যন্ত সেখানে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছরের শিক্ষকতা জীবনে তিনি হাজারো শিক্ষার্থীকে গাণিতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। উপজেলার কসবা ইউনিয়নের সব্দলপুর গ্রামের এই কৃতী সন্তান শৈশব থেকেই মেধাবী ছিলেন। ১৯৭৫ সালে সোনাইচন্ডী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রেণীতে বৃত্তি লাভ করেন। এরপর ১৯৮১ সালে সোনাইচন্ডী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৮৪ সালে আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। ১৯৮৬ সালে রহনপুর ইউসুফ আলী কলেজ থেকে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। পারিবারিক জীবনে তিনি তিন কন্যা সন্তানের জনক। তার জ্যেষ্ঠ কন্যা রাজশাহী কলেজ থেকে এবং মেজ কন্যা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি (অনার্স-মাস্টার্স) সম্পন্ন করেছেন। ছোট কন্যা বর্তমানে রাজশাহী নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজে অধ্যয়নরত।
নাচোলে গৃবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নাচোলে গৃবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাচোল উপজেলা থেকে দুই শিশু সন্তানের জননী এক গৃহবধুর গলায় রশির ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ফতেপুর ইউনিয়নের আলিশাপুর গ্রামের সলেমান আলীর স্ত্রী মুনজেলা খাতুন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত গতকাল রাতে স্বামীর বাড়িতে খাবার পর স্বামী সন্তানসহ একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন মুনজেলা। আজ ভোর রাতের দিকে সন্তানের কান্নার শব্দে স্বামী সোলেমানের ঘুম ভেঙ্গে গেলে তিনি ঘরের দরজা খোলা ও স্ত্রীকে ঘরে অনুপস্থিত দেখেন। পরে তিনি ঘরের বাইরে এসে স্ত্রীকে বারান্দার ছাদের বাঁশের তীরের সাথে ঝুলতে দেখে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। এসময় পরিবারের অনান্য সদস্য ও প্রতিবেশীরা এসে মুনজেলাকে মৃত অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলী বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পারিবারিক কলহের কারণে আত্মহত্যার বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানান ওসি।
নাচোলে খড়ের গাদা আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত

নাচোলে খড়ের গাদা আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত নাচোলে আগুনে পুড়ে খড়ের গাদা ভস্মীভূত হয়েছে। আজ দুপুরে নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের কেন্দুয়া গ্রামের হেফায়েজ মন্ডলের ছেলে মহবুল আলীর বাড়ির ছাদের উপর থাকা খড়ের গাদায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মহবুল আলী বলেন, আজ দুপুরে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে খড়ের গাদায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে। নাচোল ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা দ্রুত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় নাচোল ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ এমদাদ হোসেন জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ দুটি গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
জনবল সংকট : খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে নাচোল রেলস্টেশন

জনবল সংকট : খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে নাচোল রেলস্টেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ নাচোল রেলওয়ে স্টেশনটি এখন জরাজীর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। মাত্র তিনজন কর্মচারী দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে স্টেশনের কার্যক্রম। এর সাথে যোগ হয়েছে অবকাঠামোগত বেহাল দশা। কর্তৃপক্ষের দীর্ঘদিনের উদাসীনতায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তার বালাই নেই বললেই চলে। পুরো স্টেশনের দায়িত্বে রয়েছেন মাত্র দুজন বুকিং সহকারী এবং একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। স্টেশন মাস্টারের অভাব এবং পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় দাপ্তরিক কাজ থেকে শুরু করে যাত্রীসেবা— সবকিছুই ব্যাহত হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মটি এখন আর যাত্রীদের জন্য নিরাপদ নয়। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে প্ল্যাটফর্মের ওপর দিয়েই যখন-তখন চলাচল করছে রিকশাভ্যান, অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেল। এতে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন রেলযাত্রীরা। এছাড়াও, প্ল্যাটফর্মের বড় একটি অংশ বিভিন্ন ভাসমান দোকানের দখলে চলে গেছে। হকার ও যানবাহনের দাপটে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করায় এখন যাত্রীদের দায় হয়ে পড়েছে। এছাড়া স্টেশনের ওয়াশরুমটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ফলে নারী ও শিশুযাত্রীরা সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনায় পড়ছেন। অন্যদিকে, স্টেশনে নেই কোনো কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা। ফলে বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতেই প্ল্যাটফর্ম বৃষ্টির পানিতে ডুবে যায়, তখন নোংরা পানি মাড়িয়ে যাত্রীদের ট্রেনে উঠতে হয়। বর্ষাকালে এই দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। এ বিষয়ে বুকিং সহকারী (ইনচার্জ) জানান, স্টেশনের এই দুরবস্থার কথা জানিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবগত করা হয়েছে। বিশেষ করে ‘এসএসএই (ওয়ার্কস) বাংলাদেশ রেলওয়ে, রাজশাহী’কে বিভিন্ন সময়ে লিখিত আবেদন জানিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি। আবেদনের পর আবেদন জমা পড়লেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। নাচোল উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ আল মাসুদ, সঞ্চয় বন্ধনে আমরা সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম এবং স্থানীয় যাত্রী ও সচেতন মহলের দাবি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে নাচোল রেলস্টেশনের জনবল সংকট দূর এবং সংস্কারের মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান ফিরিয়ে আনা হোক।
নাচোলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

নাচোলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে গণভোট এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিনি কনফারেন্স রুমে এই সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রির্টানিং অফিসার মো. গোলাম রব্বানী সরদার। তিনি সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন। উন্মুক্ত আলোচনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন— নাচোল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া, নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আছলাম আলী। সভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। সভায় বিশেষভাবে ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও ডিজিটাল নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে, যাতে ভোটগ্রহণের প্রতিটি ধাপ স্বচ্ছ ও নজরদারির আওতায় থাকে। এতে করে অনিয়ম, সহিংসতা ও অভিযোগের আশঙ্কা কমবে বলে মত প্রকাশ করেন বক্তারা। এছাড়া নির্বাচন চলাকালীন গুজব প্রতিরোধ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো বন্ধে সতর্ক নজরদারি, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভোটগ্রহণ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি সকলের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিনটি আসনে লড়বেন ১৩ প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিনটি আসনে লড়বেন ১৩ প্রার্থী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাছাইয়ে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেছে। তবে তারা আপিল করলে প্রার্থিতা ফিরেও পেতে পারেন। বর্তমানে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। রিটার্নিং অফিসারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন— বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. কেরামত আলী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের প্রার্থী মো. আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী নবাব মো. শামসুল হোদা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম। এই আসনে আয়করের তথ্যের সাথে হলফনামায় উল্লিখিত সম্পদের গরমিল থাকায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহা. আফজাল হোসেনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন— বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মু. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশের কমউিনিস্ট পার্টি-সিপিবি’র প্রার্থী মো. সাদেকুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বংলাদেশের প্রার্থী মো. ইব্রাহিম খলিল। এই আসনে দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রমাণপত্র এবং দলীয় মনোনয়নের মূল চিঠি সংযুক্ত না থাকায় খুরশিদ আলম বাচ্চুর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন— বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. হারুনুর রশীদ, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল, গণঅধিকার পরিষদ জিওপি’র প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম। ঋণখেলাপি ও হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন করায় এই আসনে জেএসডির প্রার্থী মো. ফজলুর ইসলাম খানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাছাইকালে রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ জানিয়েছিলেন, বাতিলকৃত প্রার্থীরা ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির তারিখ ১০ জানুয়ারি শনিবার থেকে ১৮ জানুয়ারি রবিবার পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার এবং প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি বুধবার। উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাচন সেল থেকে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ও ভোট কেন্দ্র এবং ভোটকক্ষের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, জেলায় এবার মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ১৩ হাজার ২৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ লাখ ১১ হাজার ৬৫০ জন এবং মহিলা ভোটার ৭ লাখ ১ হাজার ৫৮৭ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ জন। এছাড়া তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে পুরুষের তুলনায় ৪ হাজার ৪২ জন নারী ভোটার বেশি রয়েছেন। ৪৩, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার হচ্ছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ২৩৮ জন এবং মহিলা ভোটার ২ লাখ ৪২ হাজার ৮৩৩ জন। এই আসনে মোট ভোট কেন্দ্র হচ্ছে ১৫৯টি এবং ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে ৯১৯টি। অন্যদিকে ৪৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর-নাচোল-ভোলাহাট) আসনে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার হচ্ছে ২ লাখ ২৫ হাজার ১৯৫ জন ও মহিলা ভোটার হচ্ছে ২ লাখ ২৯ হাজার ২৩৭ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ জন। এই আসনে মোট ভোট কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮৪টি এবং মোট ভোটকক্ষ হচ্ছে ৮৬১টি। এদিকে জেলার সদর উপজেলার অর্থাৎ ৪৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭৩৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ২১৭ জন ও মহিলা ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ৫১৭ জন। এই আসনে ভোট কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭২টি এবং ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৮২টি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে জাতীয় পার্টির দুইজন ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ত্রুটি সংশোধন সাপেক্ষে বৈধ ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে (পেন্ডিং)। বাকি ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে এসব তথ্য জানান রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক শাহাদত হোসেন মাসুদ। তিনি বলেন, যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আফজাল হোসেন রয়েছেন। তার আয়কর রিটার্নে আয়ের তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতি এবং একটি সম্পত্তি উল্লেখ না করার কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. খুরশিদ আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তিনি দলীয় মনোনয়নপত্রের মূল কপি দাখিল না করে স্ক্যান কপি জমা দেন এবং ২০১৬ সালের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত ঘোষণাপত্রের দালিলক প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে জেএসডি প্রার্থী ফজলুর ইসলাম খাঁনের মনোনয়নপত্র ঋণ খেলাপের কারণে বাতিল করা হয়েছে। এদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনিরুল ইসলামের মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর না থাকায় তা পেন্ডিং রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর ও তথ্য প্রদান করলে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হবে। মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার তালিকা অনুযায়ী—চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে বৈধ প্রার্থী পাঁচজন: বিএনপির শাহাজাহান মিঞা, জামায়াতের কেরামত আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা এবং বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আব্দুল হালিম।চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বৈধ প্রার্থী চারজন: বিএনপির আমিনুল ইসলাম, জামায়াতের ড. মিজানুর রহমান, কমিউনিস্ট পার্টির সাদেকুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইব্রাহিম খলিল।চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বৈধ প্রার্থী তিনজন: বিএনপির হারুনুর রশীদ, জামায়াতের নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং গণঅধিকার পরিষদের শফিকুল ইসলাম। বাতিল হওয়া জাতীয় পার্টির দুই প্রার্থীই জানিয়েছেন, তারা আইন অনুযায়ী আপিল করবেন।
নাচোলে দেশীয় অস্ত্র ও এ্যামোনিশন উদ্ধার করেছে র্যাব-৫

নাচোলে দেশীয় অস্ত্র ও এ্যামোনিশন উদ্ধার করেছে র্যাব-৫ নাচোল থানার নিজামপুর ইউনিয়নের ২নং বহেরুল ওয়ার্ডের ইলামিত্র গেইটের দিঘির উত্তর পার্শ্বের পাটাল থেকে আধিপত্য বিস্তারে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও এ্যামোনিশন উদ্ধার করেছে র্যাব-৫। র্যাবের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানানো হয়, গতকাল রাতে নাচোল থানার নিজামপুর ইউনিয়নের ২নং বহেরুল ওয়ার্ডের ইলামিত্র গেইটের দিঘির উত্তর পার্শ্বের পাটাল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৬টি দেশীয় অস্ত্র এবং ০৩ রাউন্ড তাজা এ্যামোনিশন আলামত হিসাবে উদ্ধার করা হয়। অস্ত্রগুলোর হচ্ছে ১টি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর সবুজ কাপড়ে মোড়ানো লোহার বড় হাসুয়া ৪টি, কাঠের বাটযুক্ত লোহার ছোট হাসুয়া ৪টি, কাঠের বাটযুক্ত ১টি খড়গ, কিরিচ ১টি, লোহার চাইনিজ কুড়াল ২টি, দ্বি-মুখী চাইনিজ কুড়াল ৩টি, স্টিলের হাতলযুক্ত লোহার চেইন স্টিক ১টি সহ সর্বমোট ১৬টি দেশীয় অস্ত্র এবং সাদা কাগজে মোড়ানো অবস্থায় ০৩ রাউন্ড তাজা এ্যামোনিশন আলামত হিসাবে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামত সমূহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাচোল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
খালেদা জিয়ার মৃত্যু : চাঁপাইনবাবগঞ্জে শোক সভা ও দোয়া মহফিল

খালেদা জিয়ার মৃত্যু : চাঁপাইনবাবগঞ্জে শোক সভা ও দোয়া মহফিল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলের পক্ষ থেকে সাত দিনের শোক পালিত হচ্ছে। বুধবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির পক্ষ থেকে শোকসভা, কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল ও ইউনিয়নে ইউনিয়নে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করা হয়। বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আয়োজনে নবাবগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে শোক সভা, কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া জাকা, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম টিপু, বিএনপি নেতা ইসমাইল বিশ্বাস, আব্দুস সালাম, জহুরুল হক বিশ্বাস বুলুসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কোরআনখানি শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মাওলানা আব্দুল মতিন। অন্যদিকে বিকেলে বিএনপির চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর শাখা ও অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে জেলাশহরের পাঠানপাড়ায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন— প্রফেসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মতি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ময়েজ উদ্দিন, বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান, আহসান হাবীব, এনামুল হক, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সারোয়ার জাহানসহ অন্যরা। এছাড়াও সদর উপজেলার ইউনিয়নগুলোয় বিকেলে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করা হয়। নাচোল : বিএনপির চেয়ারপারসন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বুধবার বিকেল ৪টায় উপজেলার দুটি পৃথক স্থানে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। বিকেল ৪টায় স্থানীয় রেলস্টেশন মাঠে অনুষ্ঠিত গায়েবানা জানাজায় উপস্থিত ছিলেন— উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম মজিদুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন— পৌর জামায়াতের আমির মনিরুল ইসলাম এবং নায়েবে আমির ডা. রফিকুল ইসলাম। একই সময়ে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আরেকটি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন—বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মঈনুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা মোবারক আলী এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম। শিবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাই স্কুল মাঠে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন শিবগঞ্জ বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা নবীবুর রহমান। জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন— শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল হক, শিবগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সফিকুল ইসলাম, শিবগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাসার ও শিবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র শামীম কবির হেলিমসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। শেষে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় নেত্রীর গায়েবানা জানাজায় অংশ নেন। এ সময় জানাজাস্থল এক আবেগঘন পরিবেশে পরিণত হয়। খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এই গায়েবানা জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।