আজ ‘লাভ রিসেট ডে’

আজ ‘লাভ রিসেট ডে’ গতকাল ছিলো বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। কেউ নতুন নতুন প্রেমে পড়েছেন আবার অনেকে প্রেমে প্রাণ-প্রাচুর্য ফিরে পেয়েছেন। উল্টো ঘটনাও ঘটেছে— প্রেম ফিরে আসবে বলে আশায় থেকে আশাহত হয়েছেন কেউ কেউ। আক্ষেপ নিয়ে কাটিয়ে দিতে হয়েছে ভালোবাসার রঙিন একটি দিন। পুরো ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহ অপেক্ষায় থেকেও প্রিয়জনের ভালোবাসা পাওয়ার আশা যারা হারিয়ে ফেলেছেন আজকের দিনটিতে তারা নতুন সিদ্ধান্তে আসতে পারেন। কারণ আজ আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি, ‘লাভ রিসেট ডে’। যে প্রেমের সম্পর্ক অনেকদিন কোনো যত্ন পায়নি তার পেছনে থাকতে পারে দুইজনের ভুল বোঝাবুঝি। একে অপরের প্রতি অভিযোগ না বাড়িয়ে আজ মুখোমুখি বসে আলোচনা করে নিন। ভুলকে বিদায় দিয়ে নতুন করে শুরু করুন প্রেমের নতুন ইনিংস। ডেজ অব দ্য ইয়ারের তথ্য , ২০১৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সম্পর্ক-বিষয়ক পরামর্শক ও ব্লগার কার্লা লিন হল প্রথম এই দিবসটি পালনে উদ্যোগী হন। এরপর ভালোবাসার সম্পর্কে নতুন প্রাণ প্রতিষ্ঠার ভাবনা থেকেই এমন একটি দিবসের চল করেন তিনি।
বসন্ত রঙিন সাজ হবে ভালোবাসার দিনে

বসন্ত রঙিন সাজ হবে ভালোবাসার দিনে এবার একই দিনে পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস। বিউটি এক্সপার্ট ফারনাজ আলম জানালেন বিশেষ দিনে প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে কীভাবে সাজতে পারেন: ফারনাজ বলেন, এবার ভালোবাসা দিবসেই আমরা ঋতুরাজ বসন্তকেও বরণ করছি। এই দিনে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, জিনস-টপস, ফতুয়া যেকোনো পোশাক পরুন। তবে পোশাকের রঙের সঙ্গে মিল রেখে সাজুন। দিনের সাজে হালকা মেকআপ করুন। ফাউন্ডেশনের হালকা বেজ করে, কমপ্যাক্ট পাউডার বুলিয়ে নিন। গোলাপি বা ব্রাউন লিপস্টিক আর গালে হালকা ব্লাশন লাগান। চোখে হালকা রঙের শ্যাডো লাগিয়ে আইলাইনার দিন। আয়রন করে চুল খুলে বা ব্যাণ্ড দিয়ে বেঁধে রাখতে পারেন। পোশাকের সঙ্গে মানানসই কানের দুল পরুন। সারাদিনের জন্য তৈরি হয়ে গেলেন। এবার পছন্দের সুগন্ধি মেখে প্রিয়জনের সঙ্গে বের হোন। রাতে ইচ্ছেমতো সাজতে পারেন। পোশাক এবং সাজ হবে গাঢ় রঙের।ফাউন্ডেশন মুখে ও গলায় লাগিয়ে একটা ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ফাউন্ডেশন দেওয়ার পরও মুখে যদি দাগ থাকে তাহলে কনসিলার ব্যবহার করুন। এবার কমপ্যাক্ট পাউডার দিন। ফাউন্ডেশন লাগানোর সময় চোখের ওপর ও নিচে ভালো করে মিলিয়ে দিন। চোখের তলায় কালি থাকলে কনসিলার দিয়ে নিন। এবার চোখের ওপর পাতাজুড়ে বেস আইশ্যাডো লাগান। দুই বা তিনটি শেড মিলিয়ে আইশ্যাডো লাগিয়ে নিন। ভ্রুর ঠিক নিচে হাইলাইটার লাগান। কাজল শুধু চোখের ভেতর লাগান, ওপরে ও নিচে আইলাইনার দিন। সবশেষে ২-৩ কোট মাশকারা লাগিয়ে নিন। গোলাপি, বাদামি শেডের ব্লাশন ব্রাশে নিয়ে নিন। একটু হেসে নিয়ে আপনার গালের আপেল পয়েন্ট সিলেক্ট করুন এবং চিক বোনে ব্লাশ লাগান। ঠোঁটে লিপ পেন্সিল দিয়ে হালকা করে আউট লাইন এঁকে নিন। তারপর ঠোঁটের মাঝখানে লিপ ব্রাশ দিয়ে লিপস্টিক লাগিয়ে নিতে পারেন অথবা লিপগ্লসও ব্যবহার করতে পারেন। পোশাক এবং সাজের সঙ্গে মিলিয়ে কানে গলায় ও হাতে পছন্দমতো গহনা পরুন। পছন্দের সুগন্ধি ব্যবহার করে আপনার বিশেষ দিনের সাজ পূর্ণ করুন।
প্রতিদিন একটি লেবু খেলে শরীরে যা ঘটে

প্রতিদিন একটি লেবু খেলে শরীরে যা ঘটে লেবু নিঃসন্দেহে সবার প্রিয় একটি টক খাবার। গরম ভাতের সঙ্গে রস চেপে খাওয়া থেকে শুরু করে সকালে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে খাওয়া পর্যন্ত, লেবু বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করা হয়। তবে এর অনন্য স্বাদ ছাড়াও বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। লেবু পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং শরীরকে নানা ধরনের রোগ থেকে রক্ষা করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কমপক্ষে একটি লেবু যোগ করলে শরীরে কী ঘটে জানেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে লেবুর সবচেয়ে সুপরিচিত সুবিধাগুলোর মধ্যে একটি হলো এর ভিটামিন সি উপাদান, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লেবুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষকে ফ্রি র্যাডিক্যাল দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি থেকে রক্ষা করে, প্রদাহ কমায়। লেবুতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা গলার সংক্রমণ এবং সাধারণ সর্দি-কাশি প্রতিরোধে সহায়তা করে। ২. লেবু অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো লেবু হজমকে উদ্দীপিত করে এবং সুস্থ অন্ত্র বজায় রাখতে সাহায্য করে। এর প্রাকৃতিক অ্যাসিডিটি পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়, যা খাদ্য সঠিকভাবে ভেঙে ফেলার জন্য প্রয়োজনীয়। এটি পাচনতন্ত্র থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে, পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। যদি আপনার পেট ফাঁপা এবং গ্যাস হয়, তাহলে দিনে অন্তত একটি লেবু খান। ৩. বার্ধক্য রোধকারী প্রভাব লেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা তারুণ্য এবং সুস্থ ত্বক বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়, ত্বককে দৃঢ় করে এবং বলিরেখা কমায়। লেবুর ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্য ব্রণ, রঞ্জকতা এবং ত্বকের নিস্তেজতা কমাতে সাহায্য করে। ৪. হৃদপিণ্ডের জন্য ভালো লেবু হৃদপিণ্ড এবং রক্ত সঞ্চালনতন্ত্রের জন্য দুর্দান্ত, এর সমৃদ্ধ ভিটামিন সি এবং ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদান এই কাজে সহায়তা করে। ভিটামিন সি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং ধমনীর কাঠিন্য কমায়। লেবুতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায়, হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। লেবুতে পটাশিয়াম থাকে, যা হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এবং স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি লেবু যোগ করুন। ৫. ওজন কমানোর জন্য ভালো লেবু প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার হিসেবে কাজ করে এবং চর্বি বিপাক বৃদ্ধি করে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। লেবুতে পেকটিন ফাইবার থাকে, যা পেট ভরা অনুভব করতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা কমায়। এটি লিভারকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে উদ্দীপিত করে, বিপাক উন্নত করে। সাইট্রিক অ্যাসিড হজম এবং পুষ্টির শোষণ উন্নত করে চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে।
আজ প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার দিন

আজ প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার দিন ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের আজ দ্বিতীয় দিন। গতকাল ছিল রোজ ডে। অর্থাৎ প্রিয়জনকে গোলাপ উপহার দেওয়ার দিন। যারা এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি তারা কিন্তু আজ সরাসরি প্রেমের প্রস্তাব দিতে পারেন। প্রিয়জনকে আপনার ভালোবাসার কথা জানানোর কৌশলটি আপনিই ভালো জানেন। তারপরেও আমরা আপনাকে কয়েকটি কৌশল জানিয়ে দিচ্ছি। প্রথম দেখার স্মৃতি মনে করিয়ে দিন: যাকে ভালোবাসার কথা বলতে চান, তার সঙ্গে নিশ্চয় এর আগে কোথাও দেখা হয়েছে?— যে জায়গায় আপনাদের প্রথম দেখা হয়েছিলো সেখানে তাকে নিয়ে যেতে পারেন। কথায় কথায় প্রথম দিন আপনাদের কী কথা হয়েছিলো এবং সেই দিনের অনুভূতি সঙ্গীকে জানান। এরপর হঠাৎ করে তার প্রতি আপনার ভালোবাসার কথা জানিয়ে দিন। একটি আংটি কিংবা ফুল দিয়ে প্রেমের প্রস্তাব দিতে পারেন। ক্যান্ডেল লাইট ডিনার বা রুফটপ রেষ্টুরেন্টে ডিনার: আজকাল রেস্টুরেন্ট সংস্কৃতি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সুন্দর কোনো রেষ্টুরেন্টে একটি ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের ব্যবস্থা করে ফেলতে পারেন। এরপর সঙ্গীকে আপনার মনের কথা জানিয়ে দিতে পারেন। এছাড়া, রেষ্টুরেন্টের কোনো স্পেশাল ডেজার্ট অথবা পিজ্জার ওপর আপনার মনের কথা লিখে অবাক করে দিতে পারেন প্রিয়জনকে। কোথাও ট্যুরে যেতে পারেন: প্রিয়জন যদি বন্ধু সার্কেলের কেউ হয় তাহলে বন্ধুবান্ধব সহ তাকে নিয়ে চলে যান শহরের আশেপাশে কোনো পিকনিক স্পটে। সবার সামনেই তাকে সেখানে প্রপোজ করতে পারেন। বন্ধুদের সহযোগিতায় জায়গাটি সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে পারেন। এতে আপনার ভালোবাসাও প্রকাশ করা হবে, আবার ডে-ট্যুরও হয়ে যাবে। চিঠি লিখে প্রেমের প্রস্তাব: হাতে লেখা প্রেমপত্র একটি হারিয়ে যাওয়া শিল্প। চিঠি পাওয়ার মধ্যে এক ধরনের আনন্দ আছে। আর চিঠি লিখতে গেলে মনের কথা গুছিয়ে লেখা যায়। প্রিয়জনকে উদ্দেশ্য করে লিখে ফেলতে পারেন মনের কথা। ছবি তোলার মাধ্যমে: প্রিয়জনের প্রিয় জায়গার খোঁজ যদি আপনার জানা থাকে তাহলে দুজনে সেখানেই চলে যান। একসঙ্গে ছবি তুলুন। আর ছবি তোলার সময় প্রিয়জনকে প্রোপজ করতে পারেন। ছবিতে থেকে যাবে সেই মহামূল্যবান স্মৃতি।
যেসব খাবার প্রেসার কুকারে সেদ্ধ করবেন না

যেসব খাবার প্রেসার কুকারে সেদ্ধ করবেন না রান্নার কাজ সহজ করেছে প্রেসার কুকার। শুধু কি তাই? এটি সময় ও খরচ দুটিই বাঁচায়। অন্যদিকে স্বাদ আর পুষ্টিতেও তেমন তারতম্য হয় না। তাইতো প্রায় সবার রান্নাঘরেই খুঁজে পাওয়া যাবে জরুরি এই পাত্রটি। রান্না সহজ করার জন্য আমরা অনেক খাবারই প্রেসার কুকারে তৈরি করে থাকি। তবে আপনি জানেন কি, কিছু খাবার আছে যেগুলো কখনো প্রেসার কুকারে রান্না করতে নেই? চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন খাবারগুলো কখনোই প্রেসার কুকারে রান্না করবেন না- আলু ঝটপট সেদ্ধ করার জন্য অনেকেই আলু প্রেসার কুকারে দিয়ে দেন। আপনিও কি এমনটা করেন? তাহলে আজই সেই অভ্যাস বদলাতে হবে। কারণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রেসার কুকারে আলু সেদ্ধ করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ডেকে আনতে পারে ক্ষতি। আলুতে উচ্চ স্টার্চ থাকে। আপনি যখন প্রেসার কুকারে রান্না করেন তখন এর পুষ্টিগুণ কমে যায়। জার্নাল অফ সায়েন্স অফ ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রেসার কুকারে রান্না করলে তা অনেক সময় খাবারে উপস্থিত পুষ্টি উপাদান হ্রাস করতে পারে। আলুতে থাকা স্টার্চ প্রেসার কুকারে রান্না করার ফলে এক ধরণের রাসায়নিক তৈরি হয়। এভাবে সেদ্ধ করা আলু খেলে হতে পারে স্বাস্থ্যের ক্ষতি। ভাত ভাত রান্নার জন্য অনেকেই প্রেসার কুকার বেছে নেন। কারণ মাপমতো পানি দিয়ে সিটি দিয়ে নিলেই তৈরি ঝরঝরে ভাত। এত সহজ পদ্ধতি কে না চাইবেন! এখানেই আপত্তি বিশেষজ্ঞদের। কারণ তারা বলছেন, প্রেসার কুকারে ভাত রান্না করলে ভাতে উপস্থিত স্টার্চ অ্যাক্রিলামাইড নামক একটি ক্ষতিকারক রাসায়নিক নির্গত করে। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। তাই ভাত রান্নার জন্য প্রেসার কুকারের বদলে বেছে নিতে হবে অন্য কোনো পাত্র। মটরশুঁটি মটরশুঁটির সঙ্গে আমাদের অনেকের আবেগ জড়িয়ে আছে। বিভিন্ন রান্নায় এটি যোগ করলে তা আরও বেশি সুস্বাদু হয়ে ওঠে। তবে দ্রুত সেদ্ধ করার জন্য কখনো মটরশুঁটি প্রেসার কুকারে রান্না করতে যাবেন না। কারণ হলো মটরশুঁটিতে লেকটিন নামক একটি বিষ থাকে, যা কুকারে রান্না করলে হজমজনিত সমস্যা এবং বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। পাতাযুক্ত সবজি বাজারে বিভিন্ন ধরনের পাতাযুক্ত সবজি কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলো কখনোই প্রেসার কুকারে রান্না করা উচিত নয়। কারণ প্রেসার কুকারে পাতাযুক্ত সবজি রান্না করলে তাতে উপস্থিত অক্সালেট দ্রবীভূত হতে পারে। এরপর সেই খাবার নিয়মিত খেলে হতে পারে কিডনিতে পাথরের মতো সমস্যা। তাই এ ধরনের অসুস্থতা থেকে বাঁচতে সচেতন থাকতে হবে আপনাকেই।
কিডনির ক্ষতি প্রতিরোধ করবে যে ৫ খাবার

কিডনির ক্ষতি প্রতিরোধ করবে যে ৫ খাবার শীতকালে কিডনির স্বাস্থ্য বজায় রাখা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হয়ে ওঠে। কারণ এসময় বিপাকীয় প্রক্রিয়াগুলো স্থানান্তরিত হয় এবং শরীরের কিছু অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন হয়। এই অঙ্গগুলো ক্রমাগত বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেওয়ার জন্য এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করে। সঠিক সুপারফুড ঠাণ্ডা ঋতুতে সেই বোঝা ভালোভাবে কমিয়ে দিতে পারে। কিডনির কার্যকারিতা বজায় রাখতে, প্রদাহ কমাতে এবং ক্ষতি রোধ করতে আপনার ডায়েটে বিশেষ করে রাতে রেনাল-বান্ধব সুপারফুড অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৫টি খাবার সম্পর্কে যেগুলো কিডনির ক্ষতি প্রতিরোধ করবে- ১. বিটরুট অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং নাইট্রেট সমৃদ্ধ বিট রক্তচাপ কমাতে এবং রক্ত প্রবাহ উন্নত করতে পারে। উচ্চ ফাইবার সামগ্রী খাবার হজম করতে, শরীরকে পরিষ্কার করতে এবং কিডনিকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। শীতকালীন সালাদ বা স্যুপে বিট যোগ করতে পারেন। বিটরুট শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং নাইট্রেট সমৃদ্ধ যা রক্তের প্রবাহ বাড়ায় এবং ডিটক্সিফিকেশনে সহায়তা করে। ২. ক্র্যানবেরি ক্র্যানবেরি মূত্রনালীর সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং মূত্রনালীর সঙ্গে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া লেগে থাকা বন্ধ করে কিডনিকে রক্ষা করে। ফলটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে। কিডনি-বান্ধব খাদ্যের সুস্বাদু সংযোজন হিসাবে ক্র্যানবেরি জুস বা তাজা ক্র্যানবেরি বেছে নিতে পারেন। ক্র্যানবেরি হলো আরেকটি প্রিয় শীতকালীন ফল যা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দূর করার ক্ষমতার কারণে মূত্রনালীর সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য পরিচিত। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিডনির অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যা কিডনির ক্ষতি রোধ করে। ৩. মিষ্টি আলু মিষ্টি আলু কিডনি স্বাস্থ্যের জন্য আরেকটি সুপারফুড যা ভিটামিন এ এবং সি, ফাইবার এবং পটাসিয়ামে পূর্ণ। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল করে এবং স্বাস্থ্যকর রক্তচাপকে সহায়তা করে। এই সুবিধাগুলো কিডনির কার্যকারিতা রক্ষার জন্য অপরিহার্য। ভিটামিন এ এবং সি, পটাসিয়াম এবং ফাইবারে পরিপূর্ণ এই আলু রক্তের গ্লুকোজ এবং রক্তচাপকে স্থিতিশীল রাখে, যা উভয়ই কিডনি রোগের গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কারণ। ৪. রসুন রসুন স্বাদ বাড়ায় এবং কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। অ্যালিসিন হলো রসুনে পাওয়া একটি প্রদাহরোধী যা রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। খাবারে রসুন যোগ করলে প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়ার পাশাপাশি স্বাদও উন্নত হবে। রসুন এর প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য অ্যালিসিনের মাধ্যমে রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল কমিয়ে কিডনিকে রক্ষা করে। ৫. পালং শাক পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। তবে অক্সালেট সামগ্রীর কারণে এটি পরিমিতভাবে খাওয়া উচিত, যা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। পালং শাক উচ্চ আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং অন্যান্য অনেক পুষ্টি সমৃদ্ধ। কিডনি ভালো রাখতে এই শাক নিয়মিত পরিমিত খাওয়ার অভ্যাস করুন।
সকালে খালি পেটে যেসব খাবার খেলে শরীর ভালো থাকবে

সকালে খালি পেটে যেসব খাবার খেলে শরীর ভালো থাকবে আপনি কেমন খাবার দিয়ে দিন শুরু করছেন সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা দিনের পুষ্টি এবং শক্তি সঞ্চয়ের জন্য সকালের খাওয়াতে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাটের সঠিক সামঞ্জস্য থাকা দরকার। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি খাওয়াটা বাধ্যতামূলক। খালি পেটে কী খাওয়া যেতে পারে? মধু ও লেবুর পানি দিনের শুরুতে হালকা গরম পানি খেলে শরীর ভালো থাকে। পানিতে ১ চামচ মধু ও অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে নিন। কাজ হবে আরও ভালো। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। পাশপাশি মেদ কমাতেও সহায়ক এই পানীয়। ভেজানো আমন্ড ভিটামিন ই, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার ও নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর আমন্ড শরীরের জন্য অত্যন্ত ভালো। সকালেই যদি ৩-৪টে আমন্ড খোসা ছাড়িয়ে খেয়ে নেয়া যায়, শরীর তার প্রয়োজনীয় পুষ্টির বেশ কিছুটা পেয়ে যাবে। ওট্স ফাইবার ও অন্যান্য পুষ্টিগুণে সম্পন্ন ওট্স সকালে খেলে দিনভর পেট যেমন ভরা থাকে, তেমন শরীরের উপকার হয়। ওট্সের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ও ক্যালোরির পরিমাণ কম হওয়ায় ডায়াবেটিস রোগীদের ডায়েটে তা বিশেষ ভাবে রাখতে বলা হয়। খালি পেটে ওট্স খাওয়ার উপকারিতা হল এটি পাকস্থলীর উপর একটি আস্তরণ তৈরি করে। যা শরীরে অ্যাসিডের জন্য হওয়া জ্বলন থেকে সুরক্ষা দিতে পারে কিছুটা। ফল ভিটামিন, ফাইবার, ফাইটোকেমিক্যালে পরিপূর্ণ ফল স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। খালি পেটে ফল খেলে শক্তি যেমন পাওয়া যায়, তেমন ফল পরিপাক তন্ত্রকে ‘ডিটক্সিফাই’ করতে সাহায্য করে। চিয়া সিড চিয়া সিড ওমেগা থ্রি, ফ্যাটি অ্যাসিডে পরিপূর্ণ। সকালে খালি পেটে চিয়া সিড ভেজানো পানি বা খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে চিয়া সিড খেলে শরীর তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে। খেজুর মিষ্টি এই ফলটিতে ভিটামিন, ম্যাগেশিয়াম, ফাইবার, আয়রন রয়েছে প্রচুর। দিনের শুরুতে শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতে খুব সাহায্য করে খেজুর। এতে ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও এতে কমে। আমলকির রস ভিটামিন ই ও অন্যান্য খনিজে ভরপুর আমলকির রস যদি দিনের শুরুতেই খাওয়া যায় তাহলে শরীর থাকবে রোগমুক্ত। এতে থাকা উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আয়ুর্বেদে বলাই হয়, দিনের শুরুতে আমলকির রস খাওয়া দরকার। আমলকির রস হজম ক্ষমতা বাড়ায়। ত্বক এবং চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এই রস।
শরীরে আয়রন শোষণ বাড়াবেন যেভাবে

শরীরে আয়রন শোষণ বাড়াবেন যেভাবে আয়রন একটি অপরিহার্য খনিজ যা আমাদের শরীরের প্রচুর প্রয়োজন। এটি আমাদের রক্ত প্রবাহিত রাখে এবং সামগ্রিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আয়রনের ঘাটতি ক্লান্তি, দুর্বলতা এবং ফ্যাকাশে ত্বকের মতো উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে। আপনার যদি আয়রনের ঘাটতি থাকে তবে কিছু খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে তারপরেও আয়রনের মাত্রার উন্নতি দেখা যায় না। তাহলে আপনি কোথায় ভুল করছেন? আপনার শরীরে আয়রনের শোষণকে ধীর করে দিচ্ছে কি? চলুন জেনে নেওয়া যাক কী করবেন- ১. আয়রন সমৃদ্ধ খাবার আয়রন শোষণ বাড়ানোর জন্য সবুজ শাক, খেজুর এবং ডালিমের মতো খাবার নিয়মিত খেতে হবে। এ ধরনের খাবার আয়রন সমৃদ্ধ এবং এগুলো খেলে আয়রনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। আয়রনের প্রস্তাবিত দৈনিক পরিমাণ বয়স এবং লিঙ্গের ওপর নির্ভর করে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অনুসারে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের দৈনিক আয়রন গ্রহণের লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রায় ৪ মিলিগ্রাম, যেখানে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর লক্ষ্য হওয়া উচিত ১৮ মিলিগ্রাম। ২. চা/কফির সঙ্গে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাবেন না আমরা অনেকেই সারাদিন চা এবং কফিতে চুমুক দিতে পছন্দ করি। তবে এই পানীয়ের সঙ্গে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাবেন না। এটি আপনার শরীরে আয়রন শোষণে হস্তক্ষেপ করতে পারে। চা এবং কফিতে ক্যাফেইন এবং ট্যানিন থাকে, উভয়ই আয়রন শোষণকে ধীরগতি করতে এবং কমাতে পরিচিত। জাপান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড মেডিকেল রিসার্চ-এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, চা খেলে আয়রন শোষণ ৩৫% পর্যন্ত এবং কফির সঙ্গে খাওয়ার সময় ৬২% পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। ৩. ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার ভিটামিন সি-এর উৎসের সঙ্গে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যুক্ত করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ হলো ভিটামিন সি একটি অ্যাসিডিক পরিবেশ তৈরি করতে সাহায্য করে, যা আয়রনকে আরও পর্যাপ্তভাবে দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে। সুতরাং সবুজ শাক-সবজি খাওয়ার সময় তার ওপর লেবুর রস চেপে নিন। এতে আপনার শরীর আয়রন শোষণ করতে সক্ষম হবে, এইভাবে আপনার সামগ্রিক আয়রনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। কোন খাবারে সবচেয়ে বেশি আয়রন থাকে? যখন আমরা আয়রন-সমৃদ্ধ খাবারের কথা ভাবি, তখন পালং শাকই সম্ভবত প্রথমেই মাথায় আসে। আর কেন নয়? এটি আয়রনের একটি চমৎকার উৎস এবং এটি বিভিন্ন রেসিপিতেও যোগ করা যেতে পারে। তবে আরও বেশ কিছু আয়রন-সমৃদ্ধ খাবার রয়েছে যা আপনার ডায়েটে রাখতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে চিয়া বীজ, শুকনো এপ্রিকট এবং কাজুবাদাম অন্যতম। এই সবগুলোতে উচ্চ আয়রন সামগ্রী রয়েছে, তাই আপনার খাবারে এগুলো যোগ করার চেষ্টা করুন।
থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন যেসব খাবার ভুলেও খাবেন না

থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন যেসব খাবার ভুলেও খাবেন না আজকাল অধিকাংশ মানুষ থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন। অথচ তারা জানেনই না। কিংবা জানলেও খুব একটা গুরুত্ব দেন না। থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগলে নানা ধরনের সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে কম বা বেশি হরমোন উৎপাদন হলে শীত শীত অনুভব, অতিধিক গরম লাগা, হুট করে মেজাজের অস্বাভাবিক পরিবর্তন, চুল পড়ে যাওয়াসহ নানাবিধ লক্ষণ দেখা দেয়। থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা কমে যাওয়াকে বলে হাইপোথাইরয়েডিজম। আর অতিরিক্ত হরমোন নিঃসৃত হওয়াকে বলে হাইপার থাইরয়েডিজম। দুই ক্ষেত্রেই ওজন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে বা কমে যেতে পারে। দীর্ঘদিন এ সমস্যায় ভুগলে এক সময় ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধিও হতে পারে। তাই থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খেতে হবে। এর পাশাপাশি খাবার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যেসব খাবার খেলে থাইরয়েডের রোগীদের সমস্যা বাড়ে, সেসব খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। থাইরয়েডের রোগীরা যেসব খাবার খাবেন না- ১. থাইরয়েডের রোগীদের ক্রুসিফেরাস জাতীয় শাক সবজি যেমন ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকোলি, শালগম, মুলা, মুলাশাক, সরিষা, সরিষাশাক, মিষ্টি আলু ইত্যাদি খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। ২. সয়া ও সয়া জাতীয় খাবার যেমন সয়াবিন, সয়া মিল্ক, সয়া সস, টফু, সয়াবাদাম, সয়া চাংক ইত্যাদি ভুলেও খাওয়া যাবে না। ৩. চেরি, এপ্রিকট, পিয়ার, রাসবেরি, স্ট্রবেরিতে গয়োট্রোজেন উপাদান থাকে। তাই হাইপোথাইরয়েডিজম সমস্যায় এ ফলগুলো খাওয়া যাবে না। খেলেও খুব কম পরিমাণে খেতে হবে। ৪. থাইরয়েডের সমস্যা হলে আটা-ময়দা এবং তা দিয়ে তৈরি সব ধরনের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। কেননা এসব খাবারে আছে গ্লুটেন। থাইরয়েড গ্ল্যান্ডকে ঠিকমতো কাজ করতে দেয় না এই গ্লুটেন। ফলে থাইরয়েড সমস্যার লক্ষণগুলো বেড়ে যায়। ৫. ক্যাফেইন থাইরয়েড হরমোনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে না। তবে এটি টি-ফোর হরমোনের শোষণ কমিয়ে দেয়। ফলে থাইরয়েড সমস্যার লক্ষণগুলো বেড়ে যায়। তাই ক্যাফেইন আছে এমন সব ধরনের পানীয় যেমন—কফি, চা, ক্যাফেইন ক্রিম, সব ধরনের কার্বনেটেড পানীয় ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে।
যে রঙের পোশাক মানসিক চাপ দূর করতে পারে

যে রঙের পোশাক মানসিক চাপ দূর করতে পারে মানসিক চাপ কাটানোর সহজ উপায় হতে পারে নতুন কিছু কেনাকাটা করা। সেই সঙ্গে কিছু সঠিক রঙের পোশাক বেছে নেওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, সবুজ রঙের পোশাক শুধু তাৎক্ষণিকভাবেই নয়, দীর্ঘ মেয়াদে মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে। দ্য কালার কিউরের প্রতিষ্ঠাতা রঙের মনস্তত্ত্ব বিশেষজ্ঞ মিশেল লুইস জানিয়েছেন, বিভিন্ন রং আমাদের মনের ওপর ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব ফেলে। যেমন, হলুদ রং আপনাকে খুশি করতে পারে, গোলাপি আপনাকে আরামদায়ক অনুভূতি দেয়। কিন্তু সবুজ রং মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। লুইস বলেন, ‘সবুজ হলো সেই মনস্তাত্ত্বিক প্রধান রং যা লাল, হলুদ ও নীলের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। আপনি যদি খুব বেশি মানসিক চাপে থাকেন, সবুজ রং আপনাকে শান্ত করবে। আবার মন খারাপ থাকলে এটি আপনাকে উজ্জীবিত করবে। সবুজ রঙের প্রভাব : সবুজ রঙের পোশাক পরা ডোপামিন ড্রেসিংয়ের একটি অংশ, যা পোশাকের মাধ্যমে মনের অবস্থার উন্নতি ঘটায়। মনোবিজ্ঞানী ও রেইকি মাস্টার ড. এলেন আলবার্টসন ভেরি ওয়েল-কে জানান, ‘সবুজ রং স্বস্তিদায়ক। এটি আপনাকে আরো শান্ত রাখবে এবং ভয়-ভীতি কাটাতে সাহায্য করতে পারে। শুধু পোশাকে নয়, পরিবেশেও সবুজ রঙের প্রভাব অত্যন্ত ইতিবাচক। ২০১৭ সালে ৩৬ জন নারীর ওপর পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শহরের সবুজ পরিবেশে সময় কাটালে রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে। নীল রঙের বিকল্প প্রভাব : আলবার্টসন বলেন, যদি সবুজ আপনার পছন্দের রং না হয়, তবে নীল রংও মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক। নীল রংকে বলা হয়ে থাকে শান্তির প্রতীক। এটি আপনার চাপকে কমাতে পারে। কিন্তু লাল রং আপনাকে উত্তেজিত করতে পারে। লুইসও একমত হয়ে বলেছেন, নীল রং হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ কমায়। হালকা বা গাঢ়, যে কোনো শেডই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই মানসিক চাপ দূর করতে, সবুজ বা নীল রঙের পোশাক বেছে নেওয়া আপনার প্রতিদিনের জীবনকে আরো শান্তিময় করে তুলতে পারে।