ছুটির দিনে বানাতে পারেন ৬ রকমের লোভনীয় বার্গার

ছুটির দিনে বানাতে পারেন ৬ রকমের লোভনীয় বার্গার আপনি কী বার্গার খেতে ভালোবাসেন? সুযোগ পেলেই রেস্টুরেন্টে ঢুঁ মারেন? আপনার জন্যেই বার্গারের ছয়টি রেসিপি দেওয়া হলো, যেগুলো আপনি খুব সহজেই বাড়িতে বানিয়ে ফেলতে পারেন। দেখে নিন কোন বার্গারটি আজকে আপনি বাড়িতেই বানাচ্ছেন। চিকেন এগ বার্গার কড়াইয়ে তেল ঢেলে মাঝারি তাপে গরম করে নিন ও মুরগির মাংসের চাপ বাদামি রং হওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। এক টেবিল চামচ ময়োনিজ বার্গার রুটির দুই টুকরোতে ভালোভাবে মেখে নিন। নিচের রুটির টুকরাটিতে লেটুসপাতা, পেঁয়াজ কুচি, মাংসের চাপ, টমেটো স্লাইস ও ভাজা ডিম সাজিয়ে রাখুন। ডিমের ওপর ময়োনিজের স্তর দিন। এবার রুটির বাকি টুকরোটি ওপরে দিয়ে দিন। ব্যস, এবার বাসায় তৈরি চিকেন এগ বার্গার পরিবেশন করুন। আলু টিক্কি বার্গার প্রথমেই আলুর পুলি বানিয়ে নিন। বার্গার রুটির দুই টুকরোতেই এক টেবিল চামচ ময়োনিজ ভালোভাবে ছড়িয়ে দিন। নিচের রুটির টুকরোটিতে আলুর পুলি, টমেটোর স্লাইস, পেঁয়াজ কুচি বসিয়ে নিন। ময়োনিজের স্তর ঢেলে রুটির ওপরের টুকরোটি জুড়ে দিলেই তৈরি হয়ে গেল আলুর টিক্কি বার্গার। ময়োনিজ-ভাজা আলুর বার্গার ননস্টিক প্যানে এক টেবিল চামচ তেল মঝারি তাপে গরম করে নিন। সরিষা বীজ, কারি পাতা, এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া, আলু ও লবণ যোগ করুন। দুই মিনিট ভালোভাবে নাড়তে থাকুন ও বেসন, লাল মরিচের গুঁড়া ও পানি যোগ করে আস্তে আস্তে মেশান। আলুর মাঝারি আকারের বল বানিয়ে নিন। বেসন মেখে একটি কড়াইয়ে গরম তেলে মচমচে করে ভাজতে থাকুন সোনালি রং না আসা পর্যন্ত। রসুনের চাটনি বানাতে আট কোয়া ভাজা রসুন, কোড়ানো নারিকেল, বাদাম, মরিচ ও জিরার গুঁড়া দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। রুটির টুকরোয় ময়োনিজ মেখে তার ওপর চাটনি ছড়িয়ে দিন। ভাজা আলু যোগ করে ময়োনিজ দিয়ে পরিবেশন করুন। ভাজা মাংসের বার্গার মাংসের টুকরা রোজমেরি, তেল ও মরিচের গুঁড়া মেখে এক ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। ঘণ্টাখানেক পরে মাংসের টুকরাগুলো পাতলা স্লাইস করে কাটুন। একটি প্যানে পেঁয়াজের সাথে মাংসের স্লাইস দুই দিকেই ভাজুন। রুটির টুকরো দুটোয় ময়োনিজ মাখুন। নিচের অংশে লেটুসপাতা, টমেটো, শসা ও মাংসের চাপ রেখে ওপরে রুটির টুকরো দিয়ে ঢেকে দিন। ফ্রেন্স ফ্রাই বা সস দিয়ে পরিবেশন করুন। সুশি বার্গার রাইসের জন্য, সুশি বা ছোট বীজের বাসমতি বা জাপানি চাউল এক কাপ, ভিনেগার এক টেবিল চামচ, চিনি এক চা চামচ ও লবণ। ফিলিংয়ের জন্য অ্যাভোকাডো তিন টুকরো, গাজর, শসা, ক্যাপসিকাম। প্রোটিন– সেদ্ধ চিংড়ি, টোফু, চিকেন। বার্গার সাজানোর জন্য– নরি শিট ২ টুকরো,ময়োনেজ বা স্পাইসি সস দুই টেবিল চামচ ও লেটুসপাতা প্রথমে চালের সঙ্গে দেড় কাপ পানি দিয়ে রান্না করুন। ভিনেগার, চিনি ও লবণ মিশিয়ে ঠান্ডা করতে হবে। বার্গার বেস করতে, ভেজা হাতে সেদ্ধ করা চাল নিয়ে ছোট বাটি বা হাত দিয়ে প্যাটি তৈরি করুন। প্রতিটি প্যাটির মধ্যে সামান্য লেটুস বা সবজি রাখুন। এরপর রাইস প্যাটির ওপরে প্রোটিন (চিকেন, চিংড়ি, টোফু) রাখুন। অ্যাভোকাডো ও অন্যান্য সবজি স্লাইস যোগ করুন। ওপরে আরেকটি রাইস প্যাটি দিয়ে চাপ দিন। এরপর বার্গারের চারপাশ নরি শিট দিয়ে মোড়ান যাতে ধরে থাকে। পছন্দমতো সস দিয়ে পরিবেশন করুন। ঝাল চিংড়ির বার্গার মাঝারি সাইজের কয়েকটি চিংড়ি রসুন বাটা, মরিচের গুঁড়া, সরিষা বাটা, লবণ, অলিভ অয়েল, ধনে পাতা ও লেবুর রস মেখে ৩০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। চিংড়িগুলোকে ময়দা মেখে ফ্যাটানো ডিমে চোবান। আবারও ময়দা মেখে নিন। মচমচে ও সোনালি রং না হওয়া পর্যন্ত তেলে ভাজতে থাকুন। বার্গার রুটির টুকরা দুটি সেঁকে নিন। রুটির ভেতর লেটুস পাতা ও চিংড়ি ঢুকিয়ে টমেটো কেচাপ দিয়ে পরিবেশন করুন।

বয়স্কদের সঙ্গেও করুন ভিডিও চ্যাট

বয়স্কদের সঙ্গেও করুন ভিডিও চ্যাট প্রযুক্তির এই যুগে আমরা অনেক কিছুই পাচ্ছি। যার মধ্যে বাড়তি পাওয়া দূরে থাকলেও প্রিয়জনকে একটু দেখে নেওয়ার সুযোগ। বেশিরভাগ সময় এই দেখাদেখি তরুণ-তরুণীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু জানেন কি, বাড়ির বয়স্কদের অবসাদ কাটিয়ে দেয় দূরে থাকা প্রিয়জনের সঙ্গে ভিডিও চ্যাট। এক গবেষণায় জানা গেছে ,ফেসবুক মেসেঞ্জার হোক বা হোয়াটসঅ্যাপের ভিডিও কলিং বয়স্কদের অবসাদ কমিয়ে দিতে পারে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্গান হেলথ অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভর্সিটির অধ্যাপক অ্যালান টিও বলেন, এই ভিডিও চ্যাট বৃদ্ধ ও প্রাপ্তবয়স্কদের বিষণ্নতা কমিয়ে দেয়। গবেষকরা দুই বছর ধরে ১ হাজার ৪২৪ জনকে নিয়ে সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন বিষণ্নতা দূর করতে সক্ষম ভিডিও চ্যাট। বাড়ির বয়স্করা অনেকেই নিঃসঙ্গ থাকেন। জীবনের তাগিদে ছেলে-মেয়েরা তাদের পরিবার নিয়ে দূরে থাকেন। যার জন্য বয়স্করা একাকীত্বে ভোগেন। তাদের পেয়ে বসে হতাশা বা অবসাদ, এই পর্যায়ে এসে শুধু মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা ছাড়া যেন কিছুই করার নেই তার। নিজেকে অনেকেই অবহেলিত ও অপ্রয়োজনীয় ভাবতে শুরু করেন। সন্তানদের প্রতিও দেখা দিতে পারে অভিমান। কিন্তু এই সবই ঠিক করে নেওয়া যায় শুধু মাঝে মাঝে ভিডিও চ্যাট করে। এতে করে বয়স্কদের মনও ভালো থাকে, খুব কাছ থেকে ছুঁয়ে দেখা গেলেও প্রিয়জনের হাসি মুখ, কথা বলা দেখেও স্বস্তি পান তারা। যাদের বয়স্ক বাবা-মা দূরে থাকে তাদের জন্য সাধ্যের মধ্যে স্মার্টফোন বা একটা ল্যাপটপের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। আর এগুলোর ব্যবহারও শিখিয়ে দিন, দিনের একটা সময় তাদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলুন, দেখবেন নিজেদেরও ভালো লাগবে, বাবা-মায়েরাও ভালো থাকবেন।

ত্বকের যত্নে তেঁতুল ব্যবহারের কয়েকটি নিয়ম

ত্বকের যত্নে তেঁতুল ব্যবহারের কয়েকটি নিয়ম তেঁতুল এমন একটি ফল যার নাম শুনলেই মুখে পানি আসে। অনেকেই ত্বকের যত্নে তেঁতুল ব্যবহার করে থাকেন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে তেঁতুলে। এই ফল দিয়ে ত্বকের যত্ন কীভাবে নেওয়া যায়, জেনে নিন। হলুদ-তেঁতুলের ফেসপ্যাক ত্বকের ক্ষেত্রে দারুণ কাজ করে। এর জন্য লাগবে পরিমাণমতো তেঁতুল পানিতে সিদ্ধ করে নিন। ঠান্ডা হলে সেই ফোটানো তেঁতুলের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে নিন। তৈরি আপনার ফেসপ্যাক। ১৫ মিনিট মুখে মেখে, শুকিয়ে নিয়ে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। দেখবেন রাতারাতি ত্বক ঝকঝকে হয়ে উঠবে। বেসন- তেঁতুলের ফেসপ্যাক বেসন সবসময়ই ত্বকের পক্ষে ভালো। চটজলদি ঝকঝকে স্কিন পাওয়ার জন্য বেসন দারুণ কাজ করে। রূপবিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘বেসনের সঙ্গে অল্প তেঁতুল, মধু মিশিয়ে নিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা যায়।’’ এই ফেসপ্যাক ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলেই হয়ে গেলো। তেঁতুল-বেকিংসোডার ফেসপ্যাক অল্প পরিমাণ তেঁতুলের ক্বাথের সঙ্গে ২ চামচ চিনি আর ১ চা চামচ বেকিং সোডা ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এরপর এই প্যাক ত্বকে লাগিয়ে নিন। এই প্যাক স্ক্রাব হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। এতে ত্বকের মৃত কোষগুলো দূর হয়। চিনি ত্বকের ময়লা দূর করে ত্বক পরিষ্কার করে। বেকিং সোডা ত্বকের জেল্লা ফিরিয়ে আনে। যাদের মুখে পোড়া দাগ পড়েছে তারা এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। উল্লেখ্য, পান করতে পারেন তেঁতুলের শরবত। এ ছাড়া তেঁতুল পানিতে তুলার বল ভিজিয়ে মুখ মুছে নিন। দেখবেন সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে জেল্লা ফিরবে।

সকালেই হোক সুস্থতার শুরু

সকালেই হোক সুস্থতার শুরু ইংরেজি একটি প্রবাদ আছে ‘মর্নিং শোজ দ্য ডে’ অর্থাৎ দিনের শুরুর কর্ম উদ্যমতাই আপনাকে সাফল্যের পথে নিয়ে যায়। আরেকটু ভেঙে বললে বলা যায় যে, সকালের যেকোনো সুস্থ অভ্যাস আপনাকে ধীরে ধীরে কর্মঠ এবং আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। চলুন স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো জেনে আসা যাক। এক তাড়াহুড়ো করে দিন শুরু করার কোনো প্রয়োজন নেই। আস্তে-ধীরে শুরু করুন। প্রাকৃতিক আলো যেন আপনাকে জাগিয়ে তুলতে পারে। দুই নিশ্বাস নিন। মেডিটেশন কিংবা ধ্যানে বসুন এবং নিজেই নিজেকে কয়েকটি বিষয় বলুন- পাঁচটি জিনিস যা আপনি দেখতে পাচ্ছেন, চারটি জিনিস যা অনুভব করতে পারছেন, তিনটি জিনিস যা শুনতে পাচ্ছেন, দুইটি জিনিস যার গন্ধ শুঁকতে পারছেন এবং একটি জিনিস যার স্বাদ নিতে পারছেন। তিন ঘরে টেলিভিশন চললে বন্ধ করে দিন। এমনকি মোবাইলফোন থেকেও দূরে থাকুন। চাইলে ব্যাকগ্রাউন্ডে হালকা কোনো গান বাজাতে পারেন। চার প্রাতরাশ করার পূর্বে বড় এক গ্লাস পানি পান করুন। চাইলে ভেষজ চা-ও পান করতে পারেন। পাঁচ পেট ভরে সুষম খাবার দিয়ে নাস্তা করুন। যেমন- আটার রুটি, ওটমিল, সবজি, ফল, ডিম ইত্যাদি। ছয় নিজের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলুন। যেমন- সেদিন কী করতে চান, আপনার পরিকল্পনা কী কিংবা আপনি কেমন বোধ করছেন ইত্যাদি। টু-ডু লিস্ট কিংবা কর্মতালিকায় চোখ বুলিয়ে দেখুন। এটি আগের রাতেই ঘুমের পূর্বে তৈরি করে রাখবেন। আট কাজ শুরু করার পূর্বে টেবিলে একবার চোখ বুলান। দেখুন গোছানো আছে কিনা। না গোছানো থাকলে গুছিয়ে তারপর কাজে হাত দিন।

সহজ উপায়ে বানিয়ে নিন চকোলেট কোকোনাট বল

সহজ উপায়ে বানিয়ে নিন চকোলেট কোকোনাট বল চকোলেটের মতো সুস্বাদু খাদ্য মোটামুটি সকলেই ভালোবাসেন। এই মিষ্টি স্বাদের খাদ্যটি বাচ্চা থাকে বুড়ো প্রতিটি মানুষই খান। তবে চকোলেট শুধু খাওয়ার ক্ষেত্রেই নয়, এমনকি এর রয়েছে অনেক গুণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক চকোলেট কোকোনাট বল বানানোর পদ্ধতি: যা যা নিতে হবে- কনডেনসড মিল্ক-১ কাপ, ডেসিকেটেড কোকোনাট (নারিকেল গুঁড়া) ২ কাপ, কোকো পাউডার- ৩ টেবিল চামচ, বিস্কুট ক্রাম্বস, বাদাম কুচি চকোলেট টুকরা ১/২ কাপ, সাজানোর জন্য কোকোনাট ফ্লেক্স (কোড়ানো নারিকেল) ১/২ কাপ। যেভাবে বানাবেন : প্রথমে পাত্রে কনডেনসড মিল্ক, কোকো পাউডার ও কোকোনাট গুঁড়া নিয়ে মেশাতে হবে। পরে তাতে বিস্কুট ক্রাম্বস ও বাদাম কুচি মেশান। এরপর একটা ডো বানিয়ে নিন। ডো থেকে ছোট বলের মতো করুন। প্রতিটি বল কোকোনাট ফ্লেক্সে গড়িয়ে নিন। এরপর ফ্রিজে ৩০ মিনিট রাখুন। মেহমান এলে তাদের মাঝে পরিবেশন করুন মজাদার চকোলেট কোকোনাট বল।

আশির দশকের পত্রমিতালী

আশির দশকের পত্রমিতালী আশির দশকে দূরের, অচেনা কারও সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলার অন্যতম উপায় ছিলো পত্রমিতালী। এই পত্রমিতালী কেন্দ্র করে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আলাদা একটি শৈল্পিক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিলো। সাধারণত পরষ্পর-পরষ্পর সম্পর্কে কারও কাছ থেকে জেনে, একজন আরেকজন সম্পর্কে আগ্রহী হলে চিঠির মাধ্যমে একপক্ষ হয়তো বন্ধুত্বের আহ্বান জানাতো। এখানে একজন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকতেন। তিনিই প্রথম পক্ষের চিঠি দ্বিতীয় পক্ষের কাছে পৌঁছে দিতেন। চিঠি পাওয়ার পরে ওই মধ্যস্ততাকারীর কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে দ্বিতীয় পক্ষ সিদ্ধান্তে আসতেন পত্রমিতালী করবেন, নাকি করবেন না। এর মাধ্যমে নারী-পুরুষের মধ্যেও অনেক সময় গভীর বন্ধুত্ব গড়ে উঠতো। সে সময় নারী-পুরুষের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা মোটেও সহজ ছিল না। নারী-পুরুষে পত্রমিতালী তৈরি হলে কোনো কোনো সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত প্রেম পর্যন্ত গড়াতো। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটা বন্ধুত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতো। পত্রমিতালী সাহিত্যনির্ভর একটি বিষয় ছিল। কনভারসেশন, মত বিনিময়, ভাবের আদান-প্রদান, মতের আদান-প্রদান বা মতোবিরোধ হলে সেটা নিয়ে আলোচনা হতো। সেই আলোচনাগুলো খুবই উচ্চমার্গীয় ব্যাপার ছিল। কেন তার মতের সঙ্গে আমি একমত না, সেটার যুক্তি দিতে দিতে অনেক সময় দুই তিন, পৃষ্টার চিঠি লেখা হয়ে যেত। দেখা যেতো যে চিঠি পাঠানোর জন্য অনেক সময় বাড়তি ডাক মাসূলও দিতে হতো। পত্রমিতালী চিন্তা চেতনা বিকাশেও সহায়ক ছিলো। এমন পত্রমিতালীও হয়েছে, দেখা গেছে যে দুই, চার বছর ধরে একজন আরেকজনকে চিঠি লিখেছে কিন্তু কেউ কাউকে দেখেনি। এখন যেমন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে ফেইক আইডি খোলে। নারী পুরুষ সাজে আবার পুরুষ নারী সাজে। এইটা ছিলো না। তখন যে যা, তাই বলতো, লিখতো। তবে হ্যাঁ, কোনো কোনো সম্পর্ক প্রেমের দিকে গেছে। কেউ কেউ বিয়ে করে ঘর বেঁধেছেন। কিন্তু বেশিরভাগই ছিলো বন্ধুত্বের সম্পর্ক। চিঠি লিখে একজন অজানা, অচেনা মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা, তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা, সেই সম্পর্কের যে আবেদন সেটা এখন এই পর্যায়ে এসে ভাবা যায় না। আমারও একজনের সঙ্গে পত্রমিতালীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো। সে অভিজ্ঞতা থেকে জানি, একটা চিঠি লেখার পরে উত্তর পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হতো। তিন, চার, পাঁচ দিন বা তারও বেশিদিন পরে উত্তর আসতো। এই যে সময়টা, এই সময়টাতে একজনের কল্পনা, সম্ভাব্য উত্তর নিয়ে ভাবনা মনের ভেতর ছড়িয়ে পড়তো। একটা সময় ডাকপিয়ন চিঠি নিয়ে আসতো। সেটা একটা অসাধারণ মুহূর্ত। খামটা খোলার পরে সেই চিঠিটা স্পর্শ করার যে অনুভূতি, তা আজকে বলে বোঝানো যাবে না। এটা শুধু তখনই বোঝা যেত। যথারীতি চিঠির তো আর অনুলিপি রাখা হতো না, কিছু কিছু যা মনে পড়তো সেগুলোর উত্তর ঠিকঠাক আছে কিনা পড়ে মেলানো হতো। চিঠি পড়ে যদি কোনো জায়গায় দেখা যেত যে দুইজনের মতের সাথে মিল আছে, তাহলে ভালো বোধ হতো। আবার যদি যুক্তিসঙ্গত দ্বিমতের প্রকাশ দেখা যেত তাহলেও ভালো লাগতো। আবার কোনো কোনো যুক্তিকে যখন অযৌক্তিক মনে হতো, পরবর্তী চিঠির উত্তরে হয়তো আবার সেই লেখার প্রেক্ষিতে নিজের যুক্তি আর জোড়ালোভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা থাকতো। অনেকেই পত্রমিতালী গড়ে তোলার জন্য আগ্রহী হয়ে পত্রপত্রিকায় ছোট আকারে বিজ্ঞাপন দিতো। এটা এক ধরনের বিনোদনও ছিলো। এখন আমরা যেমন কক্সবাজার বেড়াতে যাই, আমরা হ্যাংআউট করি, রিসোর্টে যাই বা বারবিকিউ পার্টি করি, সে সময়তো এই কাজগুলো করার উপায় ছিলো না। কিন্তু মানুষ সব সময় অন্যরকম কিছু করার তাড়না বোধ করে, সেই বোধেরই এক ধরণের বহিঃপ্রকাশ ছিলো পত্রমিতালী।

‘পোস্টনেটাল ডিপ্রেশন’ কাটাতে মাকে কীভাবে সহায়তা করবেন

‘পোস্টনেটাল ডিপ্রেশন’ কাটাতে মাকে কীভাবে সহায়তা করবেন সন্তান প্রসবের পরে মায়ের শরীরে অনেক ধরণের পরিবর্তন আসে। যার প্রভাব পড়ে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর। এদিকে শিশুর যত্ন নেওয়ার একটি বাড়তি চাপতো থাকেই। এই সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পারিবারিক এবং সামাজিক সহায়তা না পেলে মায়ের পোস্টনেটাল ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বাড়ে। ‘মিস আয়ারল্যান্ড’ খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রী মাকসুদা আখতার সম্প্রতি এই বিষয় নিয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘শিশুর মাকে অন্তত প্রথম দুইবছর পর্যাপ্ত সময় দিন, যতটুকু আপনি যথেষ্ট ভাবছেন তার চেয়ে বেশী সহযোগিতা করুন, তখন আর মাকে পোস্টনেটাল ডিপ্রেশনের চেহারা দেখতে হবে না।’’ প্রিয়তীর ওই পোস্টের কমেন্টে অনেক নারী নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। এবং মতামত দিয়েছেন। রুখসানা আফরোজ মিতু নামের একজন লিখেছেন, ‘‘আপু আমাদের সমাজে এরকম কেউ করেনা বাচ্চা হবে শুধু কথা শুনাবে।কথা শুনলে মায়েরা ডিপ্রেশনে চলে যায়।আমার জটিল প্রেগন্যান্সি ছিল।দুটি অপারেশন হয়েছে রিকভারি না হতেই কেন পরিবারের সবার জন্য কেন রান্না করছি না তেড়ে আসে।যৌথ পরিবারে থাকলে তো কথায় নেই।আমার হাজবেন্ড সাহায্য করে কিন্তু পরিবারের লোক জনদের সাথে পারেনা।’’ ফারজানা আলম নামের একজন লিখেছেন, ‘‘এটা কয়জনইবা বুঝে সবাই ভাবে বাচ্চা হলেই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যায় কিন্তু একটা মার উপর দিয়ে কি যায় সেই একমাত্র জানে।’’ মাকসুদা আক্তার প্রিয়তির যুক্তি হচ্ছে, সবাই তার স্বাভাবিক নিয়মে জীবন যাপন করতে চায়, মায়েরও যে স্বাভাবিক সময়টুকু লাগে এটা কিন্তু কেউ বোঝার কষ্ট করেনা কারন বুঝলেই ওদের বিপদ । একজন মায়ের ‘পোস্টনেটাল ডিপ্রেশন’ দেখা দিয়েছে কিনা যেভাবে বুঝবেন— অতিরিক্ত বিষণ্ণতা বা দুঃখ বোধ হতে পারে অতিরিক্ত ক্লান্তি লাগতে পারে„ অহেতুক কান্না আসতে পারে মেজাজ খিটখিটে হতে পারে ঘুম অতিরিক্ত বেড়ে যেতে পারে অথবা অতিরিক্ত কমে যেতে পারে। খুব বেশি ক্ষুধা লাগতে পারে অথবা খুব কম ক্ষুধা লাগতে পারে শিশুর প্রতি মনোযোগ দিতে সমস্যা হয অন্যান্য মানুষের থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে ইচ্ছা করে। উল্লেখ্য, একজন মা যাতে পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারেন, স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন এবং নিয়মিত ব্যায়াম করতে পারেন—তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা করা যেতে পারে।

ভালো থাকতে বদলে ফেলুন নিজেকে

ভালো থাকতে বদলে ফেলুন নিজেকে বেশিরভাগ মানুষই নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। তারা সবাই ভাবে তাদের জীবনটা আরও বেশি সুন্দর হতে পারতো কিন্তু এজন্য তারা কিছুই করে না। আপনি যদি আপনার জীবনটাকে পরিবর্তন করতে চান তাহলে আপনার জীবন যাপনের প্রতিটা স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে। প্রথমেই পুরোনো বদ অভ্যাসগুলোকে ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে। আর নতুন নতুন ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এ ভালো অভ্যাসগুলোই আপনার জীবন বদলে দেবে। আমাদের জীবন আসলে খুবই ছোট আর এজন্যই এতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখন এ ছোট জীবনে সবাই চায় সুখী হতে আর উপভোগ্য একটি জীবন কাটাতে কিন্তু সবাই তা করতে পারে না। কেন করতে পারে না সেটা নিয়ে আজ আমরা কথা বলবো না, আমরা আজ জানবো কিভাবে খুব ছোট ছোট কিছু কিছু অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব। এমন কিছু অভ্যাস আছে যেগুলো আপনি আয়ত্ত করলে অতি সহজেই একটি সুন্দর ও উপভোগ্য জীবন কাটিয়ে দিতে পারবেন। আজকের প্রতিবেদনে আমরা তেমন কিছু অভ্যাস নিয়ে আলোচনা করব। চলুন শুরু করা যাক- * নিজের যত্ন নিন, সুন্দর সুন্দর পোশাক পরুন। সকালে উঠে একটু বাড়তি যত্ন নিয়ে সাজ-পোশাকে তৈরি হয়ে অফিসে গেলে দেখবেন সারাদিন আপনার মন ভালো থাকবে। সঙ্গে পছন্দের পারফিউম ব্যবহার করুন। * জানেন তো, হাসিমুখে সবার সঙ্গে কথা বলতে কষ্ট তো হয়ই না, বরং আমাদের দেখতে আরও সুন্দর ও আকষর্ণীয় লাগে। সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলুন। সবাই আপনাকে পছন্দ করবে, আপন করে নেবে আর এ অনুভূতি আপনাকেও ভালো রাখবে। * সমালোচনা নয়, প্রশংসা করুন। কেউ একটা নতুন শাড়ি পরেছে, অথবা কোনো কাজ করে খুব আগ্রহ নিয়ে আপনার মতামত জানতে চেয়েছে। এ সময় নিশ্চয় তারা প্রশংসাই আশা করবেন। আপনার প্রশংসাই হয়তো তাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখাবে। * কেউ কিছু বলতে চাইলে মন দিয়ে শুনুন। আপনি একজন ভালো শ্রোতা যেমন হবেন আবার তার কথা থেকে হয়তো অনেক কিছু শিখতেও পারবেন। * ধন্যবাদ জানান, ঘর থেকে শুরু করুন। যখন বের হচ্ছেন, কেউ আপনাকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিচ্ছেন, প্রথমে তাকেই ধন্যবাদ দিন। সকালের নাস্তাটা আজ ভালো ছিল? যিনি তৈরি করেছেন তার তো একটা ধন্যবাদ প্রাপ্যই। এরপর ড্রাইভার, বাড়ির বা অফিসের দারোয়ান, দোকানদার কিংবা অফিসের সহকর্মী ছোট কোনো কাজেও যে সাহায্য করছে তাকেই ধন্যবাদ দিন। দেখুন দিনটাই সুন্দর হয়ে যাবে। * একেবারেই ব্যায়াম করা হয় না? অন্তত রাতে কিছুটা সময় গান শুনতে শুনতে হাঁটুন। * দিন সবার জন্যই সমান সময় নিয়েই আসে, একে সুন্দর করা ও নিজে ভালো থাকা অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের ইচ্ছা এবং কাজের ওপর। এটাও মানতে হবে, সব পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তবে যেটুকু থাকে, এতটুকু ভালো থাকার আন্তরিক চেষ্টা করুন আজ থেকেই।

নিমপাতায় ত্বক-চুলের যত্ন

নিমপাতায় ত্বক-চুলের যত্ন আমরা সবাই জানি, নিম একটি ওষুধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। নিমের উপকারিতাগুলো ত্বক: বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এ চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়। চুল: উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুশকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিমপাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে। কৃমিনাশক: পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেট বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমপাতার জুড়ি নেই। দাঁতের রোগ: দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে, সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দাঁতের রোগ থেকেও।

পরিচ্ছন্ন ঘর মানেই পরিচ্ছন্ন মন

পরিচ্ছন্ন ঘর মানেই পরিচ্ছন্ন মন পরিচ্ছন্ন ঘর শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বরং মানসিক শান্তি ও সুস্থতার জন্যও জরুরি। ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন ঘর গোছানো অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে ঘর সর্বদা ঝকঝকে ও সুশৃঙ্খল রাখা সম্ভব। প্রতিদিন ছোট ছোট কাজ করুনঃ একসাথে পুরো ঘর পরিষ্কার করতে গেলে সময় ও শ্রম দুটোই বেশি লাগে। তাই প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট করে ছোট ছোট অংশ পরিষ্কার করুন—যেমন, আজ ড্রইংরুম, কাল রান্নাঘরের তাক, পরশু শোবার ঘর। এতে ঘর নোংরা হওয়ার সুযোগ পাবে না। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিন ঘরে যত বেশি অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমে, ততই ধুলো ও অগোছালো অবস্থা বাড়ে। নিয়মিত আলমারি, টেবিল, তাক দেখে পুরোনো জামা, কাগজপত্র বা ব্যবহারহীন জিনিস সরিয়ে ফেলুন। মিনিমালিস্ট জীবনযাপন ঘর পরিচ্ছন্ন রাখার অন্যতম উপায়। প্রতিদিন বিছানা গুছিয়ে নিন বিছানা অগোছালো থাকলে পুরো ঘরই নোংরা মনে হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠেই বিছানার চাদর ভাঁজ করে গুছিয়ে নিলে শোবার ঘর অনেক পরিপাটি দেখাবে। রান্নাঘর পরিষ্কার রাখুন খাওয়ার পর থালা-বাসন ধুয়ে ফেলুন, সিঙ্কে জমতে দেবেন না। রান্নাঘরের টেবিল, চুলা ও ফ্রিজের দরজা নিয়মিত মুছে রাখুন। রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন থাকলে পুরো ঘরেই পরিচ্ছন্নতার ছাপ পড়বে। মেঝে ঝাড়ু ও মপ করুন প্রতিদিন অন্তত একবার ঝাড়ু দিন এবং সপ্তাহে অন্তত দু’বার ভিজে মপ করুন। এতে ধুলো, ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু কমবে। বিশেষ করে ছোট বাচ্চা থাকলে মেঝে পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। ডাস্টবিন নিয়মিত খালি করুন ডাস্টবিনে আবর্জনা জমলে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়ে। তাই প্রতিদিন ডাস্টবিন খালি করুন ও সপ্তাহে অন্তত একবার জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। জানালা-দরজা খোলা রাখুন প্রতিদিন কিছু সময় জানালা ও দরজা খোলা রাখলে বাতাস চলাচল হয়। এতে ঘরের গন্ধ দূর হয় এবং পরিবেশ থাকে সতেজ। পরিবারকে অভ্যাস করান পরিচ্ছন্ন ঘর শুধু একজনের দায়িত্ব নয়। পরিবারে সবাইকে নিজ নিজ জিনিস গুছিয়ে রাখার অভ্যাস করাতে হবে। যেমন—ব্যবহারের পর কাপড় ঝুলিয়ে রাখা, বই-খাতা আলমারিতে রাখা, খেলনা বাক্সে রাখা ইত্যাদি।