ভোলাহাটে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে গরু ও ছাগল বিতরণ

ভোলাহাটে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে গরু ও ছাগল বিতরণ ভোলাহাট উপজেলায় ভিক্ষুক পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় ২০ জন উপকারভোগীর মাঝে গরু ও ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। আজ সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে ৯ জনকে ৪টি করে ছাগল ও ১১ জনকে ১টি করে গরু বিতরণ করেণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনিরুজ্জামন। উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে এ বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাসিম উদ্দিন, বিএমডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী লোকমান হাকিম, যুব কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম কবিরাজ, দলদলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক চুটুসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উপকারভোগীরা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামন উপকারভোগীদের বলেন, সরকার অসহায় জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে এ ধরনের পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই গরু ছাগলগুলো বিক্রি করে দেওয়া যাবে না। এগুলো যতœ সহকারে লালন-পালন করবেন। নিয়মিত পরিচর্যা করলে পশুগুলো বৃদ্ধি পাবে এবং এর মাধ্যমে বাড়তি আয় নিশ্চিত হবে। ভবিষ্যতে সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে উপকারভোগীরা স্বাবলম্বী হয়ে নিজেদের জীবিকা নির্বাহে সক্ষম হবেন বলে প্রত্যাশা করেন।

৬ বছর পর নিজ দেশে ফিরলেন ভারতীয় নাগরিক

৬ বছর পর নিজ দেশে ফিরলেন ভারতীয় নাগরিক অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ৬ মাস সাজাপ্রাপ্ত ভারতীয় নাগরিক রামদেব মাহাতোকে নিজ দেশে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর আইসিপি গেট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং বিজিবি ও বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিততে তাকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়া ব্যক্তি রামদেব মাহাতো (৬০) ভারতের বিহার প্রদেশের বাতিয়া জেলার মাজালিয়া থানার গুদারা পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা তিনি। তার পিতার নাম তাপা মাহাতো। তিনি ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে আটক হন। পরবর্তীতে আদালত তাকে ৬ মাস সাজা দেন। ২০১৯ সালের ২৯ মে সাজা শেষে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সঠিক ঠিকানা না থাকায় দীর্ঘদিন কারাগারেই থাকতে হয় তাকে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর স্বেচ্ছাসেবী ও গণমাধ্যম কর্মী শামসুল হুদার চেষ্টায় ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর রামদেব মাহাতোর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যায়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর উভয় দেশের সম্মতিতে আইনী প্রক্রিয়া শেষে সোমবার ভারতের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। রামদেব মাহাতো নিজ দেশে ফিরে যাবার আগ মুহুর্তে আনন্দে কেঁদে ফেলেন। এ সময় তিনি স্বেচ্ছাসেবক ও গণমাধ্যম কর্মী শামসুল হুদার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ ব্যাপারে স্বেচ্ছাসেবক ও গণমাধ্যম কর্মী শামসুল হুদা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. জাকির হোসেন তাকে জানান, তার জেলে ১০ জন প্রত্যাবাসন বন্দী সাজা শেষে নিজ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। সঠিক ঠিকানা না থাকায় তাদের ফেরানো যাচ্ছেনা। সে তালিকা মোতাবেক তিনি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিহারের পশ্চিম চাঁমপাড়ান জেলার গুদ্রা গ্রামের খোঁজ পেয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত লাল বাচ্চা যাদবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে রামদেবের ছবি পাঠিয়ে গতবছরের ২০ নভেম্বর পরিবারের খোঁজ পাবার তিন দিন পর ২৩ নভেম্বর তিনি বিষয়টি প্রমাণসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সব তথ্য-উপাত্তসহ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা ভারতীয় দূতাবাসকে জানায়। পরবর্তীতে নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই শেষে ভারতীয় দূতাবাস ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ রামদেব মাহাতোর ছাড়পত্র বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এরপর বিভিন্ন দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবার ফেরত পাঠানো হলো।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে কমেছে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের বহির্বিভাগে নতুন করে মাত্র ১জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮ জন রোগী এবং ২ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪ জন পুরুষ ও ২ জন নারীসহ ৬ জন, শিবগঞ্জে ১ জন পুরুষ, গোমস্তাপুরে ১ জন নারী রোগী। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ১ জনকে ও গোমস্তাপুর থেকে ১ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৩৫৮ জন এবং জেলা হাসপাতালের বহির্বিভাগে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৬৩ জন। সিভিল সার্জন অফিস ও জেলা হাসপাতালের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিত্যক্ত ককটেল বিস্ফোরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিত্যক্ত ককটেল বিস্ফোরণ সদর উপজেলায় একটি পারিবারিক গোরস্থানের সীমানা প্রাচীরের পাশে মাটির নীচে মজুদকৃত একটি ককটেল স্তুপে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গভীর রাতে রানীহাটী ইউনিয়নের উপর ধুমিহায়াতপুর গ্রামে অবস্থিত ওই গোরস্থানের পাশে প্রচন্ড বিস্ফোরণে ধসে পড়ে গোরস্থানের পাকা সীমানা প্রাচীরের বেশ কিছু অংশ। বিকট শব্দে আতংকিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসী। পরে আজ সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করে। স্থানীয় সূত্রে ওই মজুদ থেকে এক সাথে ১২/১৫ টি ককটেলের বিস্ফোরনের খবর পাওয়া গেলেও পুলিশ বলছে সর্বাধিক ৬/৭টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মতিউর রহমান বলেন, মাটির নীচে মজুদকৃত ঠিক কতগুলো ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে তা বিস্তারিত তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়। স্থানীয়রা বিভিন্ন সংখ্যার কথা বলছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে ওইস্থানে ককটেল মজুদ করেছিল তা বের করার চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীণ।

নাচোলে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত

নাচোলে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত নাচোলে পণ্যবাহী একটি ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে আবুল কালাম আজাদ নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। নিহত গোমস্তাপুর সদর ইউনিয়নের নয়াদিয়াড়ি গ্রামের সাদেক আলী বিষুর ছেলে। আজ দুপুরে ফতেপুর গ্রামের রাস্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে গোমস্তাপুরগামী সড়কে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলযোগে গোমস্তাপুর যাবার পথে একটি রিক্সাভ্যানকে সাইড দিতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যান মোটরসাইকেল চালক আবুল কালম আজাদ। তিনি ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে কর্মরত ছিলেন। তিনি এক নিকটাত্মীয়ের জানাযায় অংশ নিতে ঢাকা থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দূর্ঘটনার কবলে পড়ে নিজেই মারা যান। ঘটনার পরপরই ট্রাক ফলে চালক ও সহকারী পালিয়ে যায়। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিুরল ইসলাম বলেন, পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার ও ট্রাকটি আটক করেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীণ।

ভোলাহাটে নারীদের ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার

ভোলাহাটে নারীদের ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার বাংলাদেশের গ্রামীন জনপদে ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধে সহায়তার লক্ষ্যে ভোলাহাটে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে উপজলো পল্লীমঙ্গল ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ভবনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারের আয়োজন করে ডাইসিন গ্রুপ। বাংলাদেশ সরকারের ক্যান্সার শিক্ষা ও সচেতনতা কর্মস‚চির আওতায়, সাইফুন্নেসা মকবুল দাতব্য চিকিৎসালয় আয়োজিত সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাইফুন্নেসা মকবুল দাতব্য চিকিৎসালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডাঃ মুস্তাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ, প্রতিরোধের উপায় এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা করেন। এসময় সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ইউনেস্কোর সাবিনা ইয়াসমিন, প্রভাষক কানিজ ফাতেমা, ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. মোসফিকা কাওসারী লিসাসহ অন্যরা। সেমিনারে বক্তারা ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের উপর জোর দেন।

জার্মানির নির্বাচনে অংশ নিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সন্তান ড. আব্দুল হাই

জার্মানির নির্বাচনে অংশ নিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সন্তান ড. আব্দুল হাই জার্মানির সাবেক রাজধানী বন নগরীর নির্বাচনে কাউন্সিলর পদসহ তিনটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বাংলাদেশী-জার্মান সাংবাদিক ও উন্নয়ন গবেষক ড. আব্দুল হাই। তার জন্ম চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা নদীর তীরে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর বন শহরের এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে ফলাফল ঘোষণা হতে আরো দুইতিন সময় লাগবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ড. আব্দুল হাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর সেখান থেকেই সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা নেন। তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন ২০০১ সালে ডেইলি স্টার পত্রিকার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) রাজশাহী প্রতিনিধি হিসেবে ২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। টেলিভিশন সাংবাদিকতায় বিশেষ কৃতিত্বের জন্য ২০০৫ ও ২০০৬ সালে বিটিভি থেকে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার পান। ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগ ও টেলিভিশন শাখায় কাজ করেন। ২০১৪ সালে জার্মানির বন ইউনিভার্সিটি, হোকশুলে বন-রাইন-জিগ ও ডয়চে ভেলে একাডেমির যৌথ মাস্টার্স প্রোগ্রাম অন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া স্টাডিজ সফলভাবে সম্পন্ন করেন। পরে ২০২৩ সালে বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি গবেষণা সম্পন্ন করেন তিনি। গবেষণার পাশাপাশি তার নেশা আছে কবিতা আর গল্প লেখার। তার কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ ও নিবন্ধ ইতোমধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, জার্মানি এবং ফ্রান্স থেকে প্রকাশিত সাহিত্য সংকলন, সাময়িকী, পত্রিকা ও অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে জার্মান, বাংলা ও ইংরেজি তিন ভাষায় প্রকাশিত অনলাইন গণমাধ্যম ‘আওয়ার ভয়েস’ এবং বাংলা ও জার্মান ভাষায় প্রকাশিত প্রিন্ট ম্যাগাজিন ‘সীমান্ত’ সম্পাদনা করেন। ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি জার্মান উন্নয়ন সংস্থা ওয়ান ওয়ার্ল্ড নেটওয়ার্কে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২০ সাল থেকে জার্মানির অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল সামাজিক গণতান্ত্রিক পার্টির (এসপিডি) সামনের সারির একজন নেতা হিসেবে বন নগরীতে দলের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর বন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর, হার্টবার্গ জেলা কাউন্সিলে প্রতিনিধি ও বন সিটির ইন্টেগ্রেশন কাউন্সিলের সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। সংবাদটি ঢাকা পোস্ট অনলাইন এর।

রাজশাহীতে ফেন্সিডিলসহ মাদকচক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

রাজশাহীতে ফেন্সিডিলসহ মাদকচক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজশাহীর পবা উপজেলা হতে ফেন্সিডিলসহ মাদকচক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫। আজ র‌্যাব-৫ এর প্রেস নোটে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে পবা উপজেলার ছোট আমগাছী এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩০ বোতল ফেন্সিডিল, ৩টি মোবাইল, ৬ টি সীম, ১টি মোটরসাইকেল ও নগদ ৭ হাজার ৫’শ টাকা জব্দ করা হয়। আটককৃতরা হলেন, পবা থানার আমগাছী এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের ছেলে কুরাইস আহম্মেদ অরফে মনি (৫০), বেলপুকুর থানার ধাধাইস এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আকরাম হোসেন (৩৮) এবং কাটাখালী থানার কাপাশিয়া গ্রামের মৃত হাবিববুর রহমানের ছেলে নজরুল ইসলাম। র‌্যাব-৫ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী অবৈধ মাদকদ্রব্য সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সংগ্রহ ও পরস্পরের যোগসাজশে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে আমগাছী এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের গোয়েন্দা দল আসামীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং র‌্যাব-৫ এর একটি আভিযানিক দল ঐ ৩ আসামিকে আটক করে। পরবর্তীতে ১নং আসামী কুরাইস আহম্মেদ অরফে মনির বাড়ী তল্লাশী করে ৩০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে পবা থানায় মাদক আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তারা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে শনাক্ত হন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১১ জন। তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ৪ জন মহিলা ও ৩ জন শিশু রোগী রয়েছেন। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ১ জন পুরুষ রোগীকে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ জন। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ২৪৯ জন। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে রবিবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘনায় নিহত দুই প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘনায় নিহত দুই প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন   মালয়েশিয়া সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই প্রবাসী রেমিটেন্সযোদ্ধার মরদেহ দেশে এসে গ্রামের বাড়িতে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। এরআগে তাদের দুজনের মরদেহ গোমস্তাপুর ইউনিয়নের নিজ গ্রামে এসে পৌছালে পরিবারসহ এলাকার লোকজনের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত তুহিন আলি গোপালনগর গ্রামের বাসিন্দা শুকুরুদ্দিন কালুর ছেলে। অপরজন একই ইউনিয়নের নসিবন্দি নগর গ্রামের কাবিলের ছেলে শামিম রেজা। তারা দুজনই মালেশিয়ার একটি পাম বাগানে কাজ করতেন। গত ৩১ আগষ্ট তারা সড়ক দুর্ঘনায় নিহত হন। এদিকে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার দিন মালেশিয়ায় সরকারি ছুটি ছিল। ওইদিন তুহিন ও শামীমসহ ৫জন ওভারটাইম কাজ করছিলেন। কাজ শেষে তারা একটি পিকআপে করে ঘরে ফিরছিলেন। পথে পাহাড়ি এলাকার সুঙ্গাই কোয়ানে একটি মোটরসাইকেলকে বাঁচাতে গিয়ে পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। সে সময় তাদের সঙ্গে থাকা ৩জন লাফ দিতে পারলেও তুহিন আর শামীম নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তারা প্রায় ৩ বছর আগে জীবন ও জীবিকার তাগিদে এবং পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন। নিহত তুহিনের স্ত্রীসহ এক ছেলে, এক মেয়ে এবং মা-বাবা রয়েছে। এছাড়া শামিমের ভ্যানচালক বাবা রয়েছে। তিনি ধারদেনাসহ এনজিওতে ঋণ করে ভাগ্য পরিবর্তেনর আসায় প্রবাসে যান। হুজরাপুর মডেল একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, শামিম গত কয়েকবছর আগে তার প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পাস করেন। এ বিষয়ে গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সি বলেন, তুহিন ও শামিমের মরদেহ আজ সকালে গ্রামে ফেরার পর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আমরা গভীরভাবে শোকাহত। কোন সহযোগিতা লাগলে আমরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছি।