চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিকের শিক্ষকদের মানববন্ধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিকের শিক্ষকদের মানববন্ধন “দীর্ঘদিন যাবৎ বৈষম্যের শিকার কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি ৪৯টি পলিটেকনিক/মনোটেকনিক ইনস্টিটিউটে কর্মরত ‘স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (এসটিইপি)’ শীর্ষক সমাপ্ত প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে প্রক্রিয়াধীন শিক্ষকদের ৫০ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ ও চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ”র দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে কর্মরত রাজস্ব খাতে প্রক্রিয়াধীন শিক্ষকবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে বারঘরিয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বেলা ১১টায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শহীদ মিনার পাদদেশে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন- পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর (নন-টেক) মো. আব্দুল কাদের জিলানী, ইন্সট্রাক্টর (টেক) নাজমা খাতুন, জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (টেক) সালাউদ্দিন ইউসুফসহ অন্যরা। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির ইন্সট্রাক্টর (নন-টেক) মো. আজিজুর রহমান। ‘আমার সোনার বাংলায়-বৈষম্যের ঠাঁই নাই’- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত কর্মসূচিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সকল ছাত্র-জনতার আত্মার মাগফিরাত ও আহত সকল ছাত্র-জনতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষের হাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমাদানের উদ্দেশ্যে স্মারকলিপি তুলে দেয়া হয়। স্মারকলিপিতে বলা হয়- দক্ষ জনশক্তি ব্যতীত কোনোভাবেই একটি দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। দেশ-বিদেশে শ্রম বাজারে বাস্তব চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও দেশের কারিগরি শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে ‘স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’টি ২০১০ থেকে শুরু হয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সফল এই প্রকল্পে যৌথভাবে অর্থায়ন করেছে বিশ^ব্যাংক, কানাডা, আইডিএ এবং বাংলাদেশ সরকার। এটিইপি প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল, কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের গুণগত মান উন্নয়ন এবং সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে আর্থ-সামাজিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের নিকট কারিগরি শিক্ষাকে সহজলভ্য করে তোলা এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও বৃদ্ধির মাধ্যমে দরিদ্রতা ও বেকারত্ব দূর করা। স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে তীব্র শিক্ষক সংকটে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা যখন অচলাবস্থা তখন ২০১২ ও ২০১৪ সালে দুই ধাপে সরকারি ৪৯টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে শূন্য পদের বিপরীতে (প্রকল্প মেয়াদে) মোট ১০১৫ জন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়, যার মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন ৭৩৮ জন শিক্ষক। স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ন্যূনতম শিক্ষাগত যে যোগ্যতার আলোকে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয় তা এসটিইপি প্রকল্পে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে একই যোগ্যতা এবং প্রযোজ্য সরকারি বিধিবিধান অনুসরণপূর্বক উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ, সিভিল সার্জন কর্তৃক স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এসটিইপি প্রকল্পটির মেয়াদ দুই ধাপে বৃদ্ধি করে ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হয়। এই প্রকল্পে শিক্ষক নিয়োগের পূর্বে ২০০৯ সালে কারিগরি শিক্ষার হার ছিল ১ শতাংশ, যা বর্তমানে ২২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে এবং ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির হার প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছ। প্রকল্পটির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক বর্তমানে কর্মরত ৭৩৮ জন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রকল্পটি সমাপ্ত হওয়ার পর শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে ২০১৯ সালের ৩০ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের লিখিত আদেশে এই শিক্ষকদের দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সমাপ্ত এই প্রকল্পের শিক্ষকদের ‘রাজস্ব খাতে প্রক্রিয়াধীন শিক্ষক’ নামেও অবহিত করা হয়। বর্ণিত শিক্ষকগণকে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ১২ মাসের বেতন-ভাতাদি থোক বরাদ্দের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে একাধিকবার থোক বরাদ্দের আবেদন করা হলেও অর্থ বিভাগ হতে বরাদ্দ না পাওয়ায় সুদীর্ঘ ৫০ মাস বেতনবিহীন অবস্থায় শিক্ষকগণ তাদের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং বেশ কয়েকজন শিক্ষক সুচিকিৎসার অভাবে অকালে মৃত্যুবরণ করেছেন। অপরদিকে প্রকল্প শেষ হওয়ার সুদীর্ঘ ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও রাজস্ব খাতে স্থানান্তর প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন করা হয়নি। সমাপ্ত প্রকল্পের জনবল রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সমাপ্ত প্রকল্পটি শিক্ষকদের বর্তমানে গড় বয়স ৩৬ থেকে ৪০ বছর এবং কর্মকালীন দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা ১০ থেকে ১২ বছর সুদীর্ঘ ৫০ মাস বেতনবিহীন অবস্থায় এবং চাকরি রাজস্বকরণে বিলম্ব হওয়ায় শিক্ষকগণ চরমভাবে বৈষম্যের স্বীকার হয়েছেন। এ অবস্থায় সরকারি ৪৯টি পলিটেকনিক/মনোটেকনিক ইনস্টিটিউটে কর্মরত সমাপ্ত এসটিইপি প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে প্রক্রিয়াধীন শিক্ষকদের ৫০ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ ও চাকরি রাজস্বখাতে স্থানান্তরের চলমান প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্নকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্মারকলিপিতে বিনীত অনুরোধ জানানো হয়।
গোবরাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর নাম পরিবর্তন মানবেন না এলাকাবাসী

গোবরাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর নাম পরিবর্তন মানবেন না এলাকাবাসী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নে অবস্থিত ‘গোবরাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’র নাম পরিবর্তন মানবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন এলাকবাসী। একইসঙ্গে নতুন নাম বাতিল করে আগের নাম বহালে ৭ কর্মদিবসের সময়ও বেঁধে দিয়েছেন তারা। বুধবার বেলা ১১টায় গোবরাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে নাম পরিবর্তন মানবেন না বলে জানান এলাকাবাসী। মানববন্ধনে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক, গোবরাতলা এলাকাবাসী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অংশ নেন। ‘গোবরাতলা এলাকাবাসী’র ব্যানারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৩ এপ্রিল ‘গোবরাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’র নাম পরিবর্তন করে ‘বকুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ নামকরণ করা হয়। শুধু এই বিদ্যালয় নয়, আশপাশের কয়েকটি উচ্চ মাধ্যমিক ও কলেজসহ স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ইউনিয়ন পরিষদ ‘গোবরাতলা’ নামেই রয়েছে। এমনকি গোবরাতলা একটি গ্রামেরও নাম। বক্তারা আরো বলেন, গোবরাতলা নামটি এই অঞ্চলে মানুষের মুখে মুখে ও অন্তরে মিশে আছে। অথচ ‘শ্রুতিমধুর না’ এমন মিথ্যা অভিযোগে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু গোবরাতলা গ্রাম, গোবরাতলা ইউনিয়ন পরিষদ, গোবরাতলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, গোবরাতলা ভূমি অফিস, গোবরাতলা বাজার, গোবরাতলা মহিলা কলেজ, গোবরাতলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম বহাল রয়েছে। বক্তারা নতুন নাম বাতিল করে আগের নাম বহাল করতে ৭ কর্মদিবসের সময় বেঁধে দেন। দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলারও হুঁশিয়ারি দেন তারা। এ বিষয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. সুজা উদ্দিন বলেন, গোবরাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নাম পরিবর্তন করে গত ৩ এপ্রিল ‘বকুলতলা’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামকরণ করা হয়। সে সময় আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না। শুধু আমাদের বিদ্যালয়ই নয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ২৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়। যার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৪৮টি এবং সদর উপজেলাতেই ৪৭টি বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। তিনি বলেন- অভিভাবক, স্থানীয় বাসিন্দা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করে আগের নাম বহাল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউল ইসলাম আজিজী, গোবরাতলা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম রেজা, গোবরাতলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক মো. আশরাফুল ইসলাম মিলন, সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমান, ইউপি সদস্য মতিউর রহমান মতু, স্থানীয় বাসিন্দা মো. রেজাউল করিম পলাশ, মো. আক্কাশ আলী, হিমেল চৌধুরী, মো. সজল আলী, মো. শ্যামল ইসলাম, মো. মানিক আলী, মো. হজরত আলী, শ্রী বাসুদেবসহ অভিভাবক ও স্থানীয়রা। গোবরাতলা মহিলা কলেজ ও গোবরাতলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। এদিকে, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জেহের আলী বলেন, বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর কোনো আপত্তি থাকলে তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে নাম পুনর্বহালের বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে তা সমাধান করা হবে। এরই মধ্যে এমন কয়েকটি বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের আবেদন পাওয়া গেছে।
প্রয়াসের মাছচাষের উপকরণ পেলেন ২০ চাষি

প্রয়াসের মাছচাষের উপকরণ পেলেন ২০ চাষি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার গোবরাতলায় ২০ জন মৎস্যচাষির মধ্যে মাছ ও সবজি চাষবিষয়ক বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণকৃত উপকরণের মধ্যে রয়েছে চুন, রোটেনন, টিএসপি ও ইউরিয়া সার, মাচা জাল, ঝাঁকি জাল, ব্লু নেট, সবজি বীজ, জি আই তার, তথ্য বুক ইত্যাদি। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন-পিকেএসএফ’র সহযোগিতায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি গোবরাতলা শাখায় বুধবার এইসব উপকরণ বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ও সমন্বিত কৃষি ইউনিটের ফোকাল পারসন ফারুক আহমেদ, কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাজিন বিন রেজাউল, আরএমটিপির প্রকল্প ব্যবস্থাপক রিফাত আমিন হীরা, মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ইমাম।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের মানববন্ধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে জেলার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত কর্মসূচীতে ঢাকার শিক্ষা ভবনে সেসিপ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিগৃহীত হবার ঘটনার প্রতিবাদে এই কর্মসূচী আহব্বান করা হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নবাবগঞ্জ হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যারয়ের সিনিয়র শিক্ষক সৈয়দ মফিজুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, সাইমুম ইসলাম, নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক লিন্স হাসদা, সহকারী শিক্ষক আশফিকা তাহসিন বেবি প্রমুখ। বক্তরা বলেন, গতকাল শিক্ষা ভবনের সামনে ৩৫তম থেকে ৪১ তম বিসিএস ব্যাচে নন ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া ২০/২৫ জন শিক্ষকের উপর হামলার এই ঘটনাা ঘটে। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক বিচার দাবি করেন বক্তরা। কর্মসূচীতে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনান্য দাবিও তোলা হয়।
গোদাগাড়ীতে র্যাবের হাতে ২ কেজি হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ১

গোদাগাড়ীতে র্যাবের হাতে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ১ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ র্যাব ক্যাম্পের অভিযানে ২ কেজি হেরোইনসহ সাইফুল ইসলাম(৪২) নামে এক ব্যাক্তি গ্রেপ্তার হয়েছে। সে নাটোরের সিংড়া থানার চকগোপাল এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। র্যাব জানায়,গতকাল রাত ৯টার দিকে গোদাগাড়ীর সিএন্ডবি মোড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়কের উপর অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ র্যাব ক্যাম্পের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাইফুল এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে সে রাজশাহী সহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ জড়িত। তার বাড়ি নাটোর হলেও সে প্রায়ই গোদাগাড়ী সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করত। গোয়েন্দা সূত্রে সাইফুলের সন্দেহজনক চলাফেরার খবরে র্যাব নজরদারি বাড়িয়ে মহাসড়কে চেকপোষ্ট বসিয়ে একটি অটোরিক্সা তল্লাশী করে যাত্রীবেশী সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় গোদাগাড়ী থানায় মামলা হয়েছে।
ভোলাহাটে কৃষকের মাঝে মাসকলাই বীজ ও সার বিতরণ

ভোলাহাটে কৃষকের মাঝে মাসকলাই বীজ ও সার বিতরণ ভোলাহাট উপজেলার ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে মাসকলাই বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। আজ সকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনার আওতায় মাসকলাই উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির আওতায় এসব সার-বীজ বিতরণ করা হয়। উপজেলা কুষি কর্মকর্তা কুষিবিদ সুলতান আলীর সভাপতিত্বে কৃষকদের হাতে সার-বীজ তুলে দেন প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিদা আক্তার। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আশীষ কুমার দেবনাথ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রতন কুমার নায়েক উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুবর্ণা খাতুন, উদ্ভিদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলামসহ উপকারভোগী কৃষকবৃন্দ। উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের ৬শ’ ৫০জন কৃষকের মাঝে ৫ কজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি করে এমওপি বিতরণ করা হয়।
বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সভা

বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ে রোধ এবং শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইউনিসেফ’র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশ জাতীয় অফিসের জেন্ডার অফিসার তহমিনা হক, শিশু সুরক্ষা স্পেশালিস্ট মনিরা হাসান, শাবনাজ জাহেরিন, এস বি বি স্পেসালিস্ট তানিয়া সুলতানা, শিশু সুরক্ষা অফিসার (রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ) জেসমিন হোসাইন, সোশ্যাল বিহেভিয়ার চেঞ্জ অফিসার (রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ) মনজুর আহম্মেদ। এসময় তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাল্যবিয়ের কারণ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আমনুরা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েরে প্রধান শিক্ষক কুদরত ই খুদা, পুরোহিত রানা প্রতাপ, ইসলামী চিন্তাবিদ মো. আবু হানিফ, সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (প্রোগ্রাম অফিসার, অতিরিক্ত দায়িত্ব) উম্মে সুমাইয়া, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন আখতার, ওয়ার্ল্ড ভিশনের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রোগ্রাম অফিসার উত্তম মন্ডল, রেডিও মহানন্দার টেকনিক্যাল অফিসার রেজাউল করিম। এছাড়াও সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ইউনিসেফের অর্থায়নে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র স্ট্রেনদেনিক সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্প, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও শিবগঞ্জ উপজেলা এই সভার আয়োজন করে।
নাচোলে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

নাচোলে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে নাচোলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খরিফ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায়, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও মাসকালাই ফসলের আবাদ বৃদ্ধির ল„ক্ষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ, রাসায়নিক সার ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্বাহী অফিসার নীলুফা সরকারের সভাপতিত্বে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের উদ্বোধন করা হয়। এসময় উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আবদুন নুর, নেজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল হক, নাচোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম, কসবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকারিয়া আল মেহরাবসহ কৃষি অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৫০ জন কৃষকের মধ্যে মাসকালাই ও ৫৫০ জন কৃষকের মধ্যে পেঁয়াজের বীজ, রাসায়নিক সার ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে।
কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করবে না পুলিশ : নবাগত পুলিশ সুপার

কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করবে না পুলিশ : নবাগত পুলিশ সুপার চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাগত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম বলেছেন, পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের বা গ্রুপের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করবে না। পুলিশ আইনের মধ্যে থেকেই তার দায়িত্ব পালন করবে। পুলিশ বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীন কাজ করছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি কথাগুলো বলেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ সুপার হিসেবে তার যোগদান উপলক্ষে এই মতবিনিময়ের আয়োজন করে জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপার বলেন, মাদকের মতন খারাপ জিনিস হয় না, মাদক জাতিকে ধ্বংস করে দেয়, কাজেই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাবে পুলিশ, পুলিশের কোনো সদস্যও যদি জড়িত থাকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি তথ্যপ্রমাণ মিলে তাহলে তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। আয়নাঘর সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনো আয়নাঘর থাকবে না, আইনের আলোকে যতটুকু সময় আটকে রাখার বিধান আছে, ততটুকুই রাখা হবে। এখানে কীভাবে এটা হয়েছে তা আমি দেখছি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন- কোনো ঘটনা ঘটলে তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া থাকবে অথবা যে থানার অধীন ঘটনা ঘটবে সেই থানার ওসি কিংবা এসআই তথ্য দিবেন। যদি না দেন তাহলে আপনারা আমাকে ফোন করবেন। জরুরি কোনো বিষয় হলে প্রয়োজনে একাধিকবার ফোন করবেন। অথবা মেসেজ দেবেন। তবে আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ হচ্ছে, কোনো বক্তব্য নেয়ার পর যদি দেখেন কোনো অসামঞ্জস্য থেকে গেছে তাহলে সেই বক্তব্যটুকু বাদ দেবেন। পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেছেন, জঙ্গি নাটক তদন্ত করা হবে। তবে শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জই নয়, সারাদেশে যেসব ঘটনা ঘটেছে তা কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে। পুলিশ বিশাল একটা বাহিনী, এটি একটি বড় কাজ। নবাগত পুলিশ সুপার বলেন- দেখেন ৫ আগস্টের পর মাঠপর্যায়ে পুলিশের যে স্থবিরতা তা আস্তে আস্তে কাঠিয়ে ওঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেটার জন্য আগের সেটআপকে বদলি করা হচ্ছে এবং নতুন সেটআপ হচ্ছে অর্থাৎ পরিবর্তন হচ্ছে। আমাদের এখান থেকেই প্রায় ৫০-৬০ জন বদলি হয়ে গেছে, সেই জায়গায় নতুন লোক আসবে। আমি বলতে পারি, পুলিশ ইতোমধ্যেই সক্রিয় হয়ে গেছে। তবে আরেকটু সময় লাগবে, আপনারা সহযোগিতা করেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশ সুপার বলেন- আমার প্রতিদিন সকাল হলেই স্থানীয় পত্রপত্রিকা দেখার প্রয়োজন। ঢাকার পত্রিকার খবর পরে দেখলেও চলবে কিন্তু স্থানীয় সংবাদ আগে দেখার দরকার। কারণ, কোনো সংবাদের গুরুত্ব থাকলে সেই বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া জরুরি, তা না হলে হয় বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যাবে। তাই স্থানীয় পত্রপত্রিকাকে অধিক গুরুত্ব দিই। পুলিশ সুপার মতবিনিময়কালে বলেন- আমি জেনে খুবই খুশি হলাম, এখানে কমিউনিটি রেডিও আছে। সুযোগ পেলে রেডিওটি পরিদর্শনের ইচ্ছে ব্যক্ত করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবুল কালাম সাহিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অফস) মো. নুরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবাবগঞ্জ সার্কেল) মো. জাহাঙ্গীর আলম, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম জাকরিয়া। সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ, সিটি প্রেস ক্লাব-চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র সভাপতি কামাল সুকরানা ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানসহ অন্যান্য প্রেস ক্লাবের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং দেশের বিভিন্ন পত্রিকা, টেলিভিশন ও অনলাইন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধিগণ। এছাড়া স্থানীয় পত্রিকা হিসেবে দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টির প্রকাশক ও সম্পাদক এমরান ফারুক মাসুম, দৈনিক গৌড় বাংলার প্রকাশক ও সম্পাদক হাসিব হোসেন, দৈনিক চাঁপাই দর্পণের প্রকাশক ও সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু এবং চাঁপাই চিত্রের নির্বাহী সম্পাদক ওয়ালিউজ্জামান রুবেল উপস্থিত ছিলেন। পরিচয়পর্বের পর সাংবাদিকদের কাছ থেকে জেলার বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেন পুলিশ সুপার। এসময় তিনি জানান, দেশের পরিস্থিতির উন্নতির সাথে সাথে আমাদের জেলার সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে। এই জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন। উল্লেখ্য, ২৫তম বিসিএসের সদস্য পুলিশ সুপার রেজাউল করিম এর আগে সিরাজগঞ্জে পিবিআইয়ে কর্মরত ছিলেন। বরগুনা জেলার পাথরঘটা উপজেলার বাসিন্দা রেজাউল করিম ১৯৯২ সালে কালমেঘা মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ১৯৯৪ সালে বরগুনা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ২০০০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে বিএসএস (অনার্স), এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি সম্পন্ন করেন। তিনি ২০০৬ সালের ২১ আগস্ট পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। পুলিশ সুপার রেজাউল করিম ২ কন্যাসন্তানের জনক।
চাঁপাইনবাবঞ্জে পদ্মা’র তীরবর্তী ধানের জমিতে ১৪টি রাসেলস ভাইপার সাপ মারল কৃষকরা

চাঁপাইনবাবঞ্জে পদ্মা’র তীরবর্তী ধানের জমিতে ১৪টি রাসেলস ভাইপার সাপ মারল কৃষকরা শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মা নদীর তীরবর্তী পাঁকা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের গমেরচর জামাইপাড়া এলাকার নদীঘেঁষা একটি ধানক্ষেতে আজ, গতকাল ও গত সোমবার ৩ দিনে বড়, ছোট ও মাঝারি তিন আকৃতির ১৪টি চন্দ্রবোড়া বা রাসেলস ভাইপার সাপ পিটিয়ে মেরে নদীতে ভাসিয়ে ও মাটিতে পুঁতে ফেলেছে জমির মালিক ও স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্র জানায়, পদ্মাপাড়ের ওই এলাকায় বহুপূর্ব থেকেই রাসেলস ভাইপারের উপদ্রব রয়েছে। কয়েকটি দূর্ঘটনাও ঘটেছে অতীতে। কৃষকরাসহ স্থানীয় সকলেই সাপটির প্রজাতি ভাল করে চেনে ও জানে। ইন্টারনেটের কারণে এখন তারা ওই সাপ সহজেই শনাক্ত করতে পারে বলেও দাবি স্থানীয়দের। গত ৩দিনে সাপগুলি কেটে রাখা ধানের নীচে পাওয়ার পর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিস্ট ইউপি সদস্য মো.জালাল, গ্রাম পুলিশ জমশেদ আলী,২বিঘা ওই জমির মালিক কৃষক ইব্রাহীমের(৫৬) ছেলে সৈয়বুর(২৬) ও স্থানীয় বাসিন্দা শাহিন(২৮)। জানা গেছে, কেটে জমিতে ফেলে রাখা ধান গত সোমবার সকাল ১০টার দিকে আঁটি বাঁধতে গেলে ধানের নীতে সাপ দেখতে পান ইব্রাহীম ও তার ছেলেরা। তারা সোমবার ৬টি সাপ মারেন। এ সময় আশেপাশের বহু লোক জড়ো হয়ে যায়। ওইদিন পাশের জমির মালিক একরামুলে ছেলে টুটুল,মন্টুর ছেলে হবু, হুমায়ুন কবিরের ছেলে রুবেলরা আরও ৩টি সাপ মারেন। মঙ্গলবার দিনব্যাপী ইব্রাহীম ও তার ছেলেরা আরও ৩টি সাপ মারেন। বুধবার মারা পড়ে আরও ২টি সাপ।