বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করে সুখবর দিলেন সোনম

বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করে সুখবর দিলেন সোনম দ্বিতীয়বার মা হতে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী সোনম কাপুর। গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই, এবার প্রকাশ্যে এলো সুখবর। বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করেছেন সোনম নিজেই। কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে তিনি নিজেকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করেছেন। গোলাপি কো-অর্ডে একেবারে অন্যরকম দেখিয়েছে তাকে। বেশ কয়েকদিন ধরেই সোনম কাপুরের গর্ভাবস্থা নিয়ে চলছিল নানা জল্পনা। তবে অভিনেত্রী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি সেই সময়ে। কিন্তু এবার সোনমের পোস্টে বিষয়টিতে নিশ্চিত সবাই। বেবি বাম্প শেয়ার করে ভক্তদের সুখবর দিয়েছেন অভিনেত্রী। বেশ কয়েক বছর প্রেম করার পরে ২০১৮ সালের মে মাসে ব্যবসায়ী আনন্দ আহুজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সোনম। ২০২২ সালের আগস্টে তাদের প্রথম সন্তান বায়ুর জন্ম। এবার তাদের পরিবার আরও বড় হতে চলেছে বলে ঘোষণা করেন অভিনেত্রী। অনিল কাপুরের কন্যা সোনম ২০০৫ সালে সঞ্জয় লীলা বনসালির সিনেমা ‘ব্ল্যাক’-এ সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৭ সালে বনসালির রোমান্টিক সিনেমা ‘সাওয়ারিয়া’য় অভিনয়ের মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন অভিনেত্রী। এরপর থেকে তাকে ‘আই হেট লাভ স্টোরিজ’ এবং ‘রঞ্ঝনা’, ‘ভাগ মিলখা ভাগ’, ‘সঞ্জু’-র মতো সিনেমায়ও দেখা গেছে তাকে।

পঞ্চাশের সুস্মিতা কেন বিয়ে করেননি?

পঞ্চাশের সুস্মিতা কেন বিয়ে করেননি? সাবেক মিস ইউনিভার্স ও বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। ভক্ত-অনুরাগীদের মুঠো মুঠো ভালোবাসা কুড়িয়েছেন। মেঘে মেঘে বেলা অনেক গড়িয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) তার জন্মদিন। ৪৯ পেরিয়ে ৫০ বছর পূর্ণ করলেন এই অভিনেত্রী। জীবনের এ পর্যায়েও সুস্মিতা সেন এখনো অবিবাহিত। যদিও তার প্রেমজীবন নিয়ে নানা সময়ে নানা খবর রটেছে। কিন্তু কেন বিয়ে করেননি এই অভিনেত্রী? কয়েক বছর আগে একাধিক সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে কথা বলেছিলেন সুস্মিতা। ২০২৩ সালে হেলথ শটস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুস্মিতা সেন বলেছিলেন, “আমার জীবনের সবচেয়ে বড় চাহিদা—আমার স্বাধীনতা। আমি স্বাধীনচেতা মানুষ। আমি যা করি, তা মন থেকে করি—কারো প্রত্যাশা থেকে করি না।” বিয়ে না করার কারণ ব্যাখ্যা করে সুস্মিতা সেন বলেছিলেন, “আমি সিঙ্গেল কারণ এখনো এমন কাউকে পাইনি; যার সঙ্গে আমি আমার জীবন কাটাতে চাই। আমি ভালোবাসার অভাববোধ করি না; যা দারুণ বিষয়! ভারতীয়রা এটা বিশ্বাস করেন যে, এটি বিয়ের সঙ্গে যুক্ত। আমার জীবনে সেসব আগে থেকেই আছে। আমার দুটি সুন্দর সন্তান আছে। আমি ওদের একাই বড় করেছি। আমি আমার জীবনে কোনো কিছুর অভাববোধ করি না।” “আমি নিজের মতো বাঁচার সিদ্ধান্ত নিইনি—এটা নিজে থেকেই ঘটেছে। আমি ধীরে ধীরে আশেপাশের মানুষের বিভিন্ন মতামত নিয়েছি। এরপর নিজেকে প্রশ্ন করেছি, ‘আমি আসলে কী চাই?’ আমি সবার কথা শুনি। কিন্তু যা করার তা নিজের ইচ্ছেমতো করি। এজন্য আমি নিজের মতো জীবনযাপন করতে পেরেছি।” বলেন সুস্মিতা সেন। ২০২২ সালে অভিনেত্রী-লেখিকা টুইঙ্কেল খান্নাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিয়ে নিয়ে কথা বলেছিলেন সুস্মিতা সেন। এ আলাপচারিতায় তিনি বলেছিলেন, “সৌভাগ্যক্রমে আমি অনেক মজার মানুষদের সঙ্গে মিশেছি। কিন্তু আমি বিয়ে করিনি কারণ তারা সকলেই হতাশ থাকত। বাচ্চাদের নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। এতে বাচ্চাদের কিছু নেই। তারা খুবই ভদ্র। আমার জীবনে যারা এসেছে দু’টি বাচ্চাই তাদের আপন করে নিয়েছে। তারা সবাইকে সমানভাবে সম্মান করেন। এটি দেখলে ভালো লাগে।” তিনবার বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানান এই অভিনেত্রী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। সুস্মিতার ভাষায়, “আমি তিনবার বিয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা আমাকে বাঁচিয়েছেন। পরে তাদের জীবনে কী ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে তা বলে বোঝাতে পারবো না। সৃষ্টিকর্তা আমাকে রক্ষা করেছেন। আমার বাচ্চাদেরকেও। তিনি আমাকে এসব বাজে সম্পর্কে জড়াতে দেননি।”

মোদিকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন ঐশ্বরিয়া

মোদিকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন ঐশ্বরিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। বুধবার (১৯ নভেম্বর) অন্ধ্র প্রদেশের পুট্টাপার্থিতে শ্রী সত্য সাই বাবার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের মঞ্চে নরেন্দ্র মোদিক প্রণাম করেন এই প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই এ খবর প্রকাশ করেছে। এ মুহূর্তের একাধিক ক্লিপে এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। তাতে দেখা যায়, মঞ্চে বসে আছেন নরেন্দ্র মোদি, প্রাক্তন ক্রিকেটার সচীন টেন্ডুলকার, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাম মোহন নাইডুসহ অনেকে। এ মঞ্চে বক্তব্য রাখেন অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া। ৫২ বছর বয়সি ঐশ্বরিয়া অনুষ্ঠানে জাত ও ধর্ম নিয়ে ভাষণ দেন। তিনি বলেন, “একটাই জাত, মানবতা। একটাই ধর্ম, ভালোবাসার ধর্ম। একটাই ভাষা, হৃদয়ের ভাষা; আর ঈশ্বরও একজন, তিনি সর্বব্যাপী।” তার এই বক্তব্য শুনে উপস্থিত সকলে হাততালি দিয়ে সমর্থন জানান। ঐশ্বরিয়ার তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পা স্পর্শ করে প্রণাম করেন এবং তার আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী তার মাথায় হাত রেখে উষ্ণ অভিবাদন জানান। তারপর নির্ধারিত চেয়ারে গিয়ে বসেন এই অভিনেত্রী। অনুষ্ঠানে ঐশ্বরিয়া হলুদ রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেছিলেন। ভিডিও ক্লিপটি দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে নেটিজেনরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন।   ব্যক্তিগত জীবনে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন ঐশ্বরিয়া। এ দম্পতির একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। স্বামী-সন্তান নিয়েই অধিক ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত কয়েক বছর ধরে অভিনয়ে দেখা যাচ্ছে না তাকে। ঐশ্বরিয়া অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘পোনিয়িন সেলভান: টু’। ২০২৩ সালের ২৮ এপ্রিল মুক্তি পায় মনি রত্নম পরিচালিত আলোচিত এই সিনেমা। দশম শতাব্দীতে চোল সাম্রাজ্যের এক উত্তাল সময়ের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয় তামিল ভাষার এই সিনেমা। সিনেমাটিতে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। বক্স অফিসেও দারুণ সাড়া ফেলেছিল এটি।

আরাধ্যার স্বভাব এমন কেন, জানালেন অভিষেক

আরাধ্যার স্বভাব এমন কেন, জানালেন অভিষেক আরাধ্যার বয়স দেখতে দেখতে ১৪। বলিউডের আলো–ঝলমলে দুনিয়ায় জন্ম হলেও আরাধ্যা বচ্চনকে খুব কমই দেখা যায় ক্যামেরার সামনে। মা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সঙ্গেই প্রধানত ধরা দেন। সোশ্যাল মিডিয়াতে নেই তার আলাদা উপস্থিতি। লাজুক, সাদামাটা স্বভাবের এই তারকা-সন্তানকে নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুললেন বাবা অভিষেক বচ্চন। এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বলেন, আরাধ্যাকে বিনোদনজগতের সঙ্গে পরিচিত করানোর ক্ষেত্রেও সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন ঐশ্বরিয়া। তার ভাষায়, ‘ওর মা ওকে এই দুনিয়ার সঙ্গে খুব সহজভাবে পরিচয় করিয়েছে। দাদা-দাদি, মা-বাবা- সবারই পেশা এই জগত। কিন্তু কখনোই বিষয়টাকে ওর সামনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়নি। খুব স্বাভাবিকভাবেই ও বড় হয়েছে।” তারকা-পরিবার হওয়া সত্ত্বেও মেয়েকে যেন কখনো গ্ল্যামারের ঝলকানি ছুঁয়ে না যায়, সে চেষ্টা সবসময় করেছেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। অভিষেক বলেন, “আরাধ্যা খুব স্বাভাবিকভাবে বড় হতে থাকা একটা বাচ্চা। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব আমার স্ত্রীর। তার কারণ, ওর অনুমতিতেই আমি বাইরে কাজ করি, ছবিতে সময় দিই। আর এদিকে ও আরাধ্যার সব খেয়াল রাখে। আরাধ্যাও এই স্বাভাবিক বড় হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াটা ভীষণ উপভোগ করে।” বাবার সিনেমা দেখা নিয়ে আরাধ্যার আগ্রহ কতটা? এমন প্রশ্নে অভিষেক হাসতে হাসতেই জানান, ‘ও সবচেয়ে ভালোবাসে খেলতে, স্কুলে যেতে, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে। সিনেমা দেখার প্রতি ওর তেমন আগ্রহ নেই।” আর নিজের কোন ছবি মেয়ের সবচেয়ে পছন্দ-এই প্রশ্ন করতে অভিষেক নিজেই ভয় পান। কারণ, “আরাধ্যা খুব সৎ উত্তর দেবে-যা আমি হয়তো শুনতে প্রস্তুত নই!”

‘১৫ হাজার সেফটিপিন শাড়িতে লাগালেও, তারা খুঁত বের করবে

‘১৫ হাজার সেফটিপিন শাড়িতে লাগালেও, তারা খুঁত বের করবে পশ্চিমবঙ্গের আলোচিত সংগীতশিল্পী পৌষালী ব্যানার্জি। বছরজুড়ে গান নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করেন এই শিল্পী। শীত চলে আসায় স্টেজ শোয়ের ব্যস্ততা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মধ্যে কিছু শ্রোতা পৌষালীর পোশাক নিয়ে কটূক্তি করেছেন। এ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম টিভি নাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন এই শিল্পী। পৌষালী ব্যানার্জি বলেন, “আমি আটপৌরেভা শাড়ি পরি। আমি গান গাইছি, অনুষ্ঠান ভালো হচ্ছে, শ্রোতাদের অনেকে নাচছেন, কমিটির মানুষেরা খুশি, তারপরও কিছু তো একটা বলতে হবে। কিছু মানুষ আছেন, যারা খুঁত বের করবেন। তাদের একজনের মন্তব্য ‘আরো রুচিশীল হতে হবে একজন শিল্পীকে।’ এটা শোনার পর আমি নিজের ভিডিও দেখা শুরু করলাম।” শাড়িতে এখন ১৫টি সেফটিপিন ব্যবহার করেন পৌষালী। এ তথ্য উল্লেখ করে গায়িকা বলেন, “আসলে অত খেয়াল থাকে না। কোথায় শাড়ি সামান্য সরে গেল বা কোথাও ব্রার স্ট্র্যাপ একবারের জন্য দেখা গেল বা কোথায় পেটিকোট দেখা গেল। এবার এমন সব মন্তব্য আমার মা পড়েছেন। সর্বনাশের কারণ হলো এটা। মা একদিন বিরাট বকা দিলেন। এগুলো কী, জানতে চাইলেন। বললেন, ‘তুমি দেখতে পাচ্ছ না যে শাড়ির আঁচলটা সামান্য সরে গিয়েছে।’ তাই মায়ের কথা আর শ্রোতাদের কথা এই দুটোর জন্যই আগে ছয়টা সেফটিপিন লাগাতাম; এখন ১৫টা সেফটিপিন লাগাই।” যারা ভুল ধরার তারা ধরবেনই, এমন ভাবনা পৌষালীর। এ গায়িকা বলেন, “মজার কথা হলো, এমন অনেক শ্রোতা আছেন, যারা শুধু ভালো গান শুনতে যান। তারা শুধু আমার গানই শোনেন। কিন্তু কিছু মানুষের লক্ষ্য থাকে, খুঁত বের করা। ১৫টা কেন, ১৫ হাজার সেফটিপিন শাড়িতে লাগালেও, তারা যে খুঁত বের করছেন, সেটা ঢাকা পড়বে না। আমার মা খুবই স্ট্রিক্ট, বাবাও তাই। মা যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্যগুলো পড়েন, আমাকে বলেন, আরো বেশি সতর্ক হতে; তাই আমাকে বেশি সতর্ক হতে হচ্ছে।”

আমাকে পুরস্কার দেওয়া হলে, তা ডাস্টবিনে ফেলে দেব: বিশাল

আমাকে পুরস্কার দেওয়া হলে, তা ডাস্টবিনে ফেলে দেব: বিশাল ভারতের তামিল সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা-প্রযোজক বিশাল কৃষ্ণা রেড্ডি। শিশুশিল্পী হিসেবে রুপালি জগতে পা রাখেন। পরবর্তীতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। ২০০৪ সালে ‘চেলামাই’ সিনেমায় নায়ক হিসেবে পর্দায় হাজির হন। এরপর ‘সান্ডাকোঝি’, ‘তিমিরু’, ‘বেদি’-এর মতো অনেক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। দুই দশকের বেশি সময়ের অভিনয় ক্যারিয়ারে এখনো ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাননি বিশাল। কয়েক দিন আগে ‘ইয়োর্স ফ্র্যাঙ্কলি বিশাল’ শিরোনামের পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এই অভিনেতা। এ আলাপচারিতায় পুরস্কারের সংস্কৃতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার ভাষ্য—“আমাকে পুরস্কার দেওয়া হলে তা ডাস্টবিনে ফেলে দেব।” ‘চাক্রা’ তারকা বিশাল বলেন, “আমি পুরস্কারে বিশ্বাস করি না। পুরস্কার একেবারেই পাগলাটে ব্যাপার। সাত কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র চারজন মানুষ কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন—কে সেরা অভিনেতা, কে সেরা সহ-অভিনেতা বা কোনটি সেরা সিনেমা হবে? এরা কি সবার বস? ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাননি, এজন্য আফসোস নেই ‘মার্ক অ্যান্টনি’ তারকার। এ তথ্য স্মরণ করে বিশাল বলেন, “আমি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়েও একই কথা বলছি। আমি পুরস্কার পাইনি বলে এসব কথা বলছি না। তবে জরিপ করে মানুষের মতামত নেওয়া উচিত। এটা গুরুত্বপূর্ণ। এই পুরস্কার আসলে আটজন মানুষ বসে ঠিক করে কে সেরা অভিনেতা—এটা হাস্যকর। আমি পুরস্কারে বিশ্বাস করি না; এটা বাজে ব্যাপার। আয়োজকদের প্রতি অনুরোধ করে বিশাল বলেন, “আমি আয়োজকদের বলেছি, যদি আমাকে পুরস্কার দেওয়া হয়, আমি সেটা ডাস্টবিনে ফেলে দেব। যদি সেটা স্বর্ণ দিয়েও তৈরি হয়, আমি বিক্রি করে টাকাটা দান করে দেব। আমি তাদের অনুরোধ করি, আমাকে যেন পুরস্কার না দেওয়া হয়। বরং যে সত্যিকার অর্থে প্রাপ্য, তাকে দেওয়া হোক।” ব্যক্তিগত কারণে পুরস্কার গ্রহণ করেন না বিশাল। তবে এটাও স্বীকার করেন যে, অনেকেই এই স্বীকৃতি গুরুত্ব সহকারে নেন, তাই আয়োজকদের প্রতি আহ্বান, যারা পুরস্কারকে মূল্য দেন, তাদেরই যেন সম্মান জানানো হয়। উল্লেখ্য, তামিল সিনেমায় অবদানের জন্য ২০০৬ সালে বিশালকে কালাইমামানি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। জানা যায়, এ পুরস্কার তিনি গ্রহণ করেছেন। যদিও সেই মুহূর্তের কোনো ছবি খোঁজে পাওয়া যায়নি। বিশাল এখন ‘মাগুডাম’ সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অ্যাকশন-গ্যাংস্টার ঘরানার সিনেমাটিতে একাধিক চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এতে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করবেন দুশারা বিজয়ান। এটি পরিচালনা করছেন রবি আরাসু। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে এটি মুক্তির পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতারা। তথ্যসূত্র: পিঙ্কভিলা

মা হলেন পরিণীতি চোপড়া

মা হলেন পরিণীতি চোপড়া পুত্রসন্তানের মা হলেন বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া। শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে দিল্লির এক বেসরকারি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন দিনি। মা ও নবজাতক- দুজনই সুস্থ আছেন। ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে পরিণীতি ও রাঘব দুজনই খবরটি জানিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রসবের পর সারা রাত স্ত্রীর পাশে ছিলেন অভিনেত্রী স্বামী রাজনীতিক রাঘব চাড্ডা।  ইনস্টাগ্রামে দেওয়া বিবৃতিতে পরিণীতি চোপড়া ও রাঘব চাড্ডা লেখেন, ‘অবশেষে তিনি এখানে এসেছেন। আমাদের ছেলে হয়েছে। আমরা আক্ষরিক অর্থে আগের জীবনকে স্মরণ করতে পারি না! আমাদের হৃদয় পরিপূর্ণ। প্রথমে আমরা একে অপরকে পেয়েছিলাম, এখন আমাদের সবকিছু রয়েছে। ’খবরটি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই বলিউড ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়েছে শুভেচ্ছার বন্যা। অনেকে সামাজিকমাধ্যমে দম্পতিকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।  কয়েক সপ্তাহ ধরেই অভিনেত্রীর অনুরাগীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন সুখবরের জন্য। কয়েক দিন আগে তাকে দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে শনিবার রাতে তিনি সন্তান জন্ম দেন। আগস্ট মাসে ইনস্টাগ্রামে একটি কেকের ছবি পোস্ট করেছিলেন পরিণীতি ও রাঘব। কেকের ওপর লেখা ছিল- ‘১ + ১ = ৩’। পাশে অভিনেত্রী লিখেছিলেন, ‘আমাদের ছোট্ট পৃথিবী আসছে…কৃতজ্ঞতা জানাব কীভাবে, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। ’ এই পোস্টেই প্রথমবার প্রকাশ্যে আসে তাদের সন্তান আসার হওয়ার খবর। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রাজস্থানের উদয়পুরে ঘটা করে বিয়ে করেন বলিউড তারকা পরিণীতি চোপড়া ও আম আদমি পার্টির নেতা রাঘব চাড্ডা। বিয়ের পর থেকেই পরিণীতি অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন, মনোযোগ দিয়েছিলেন সংসার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায়।

জন্মদিনে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন জাংকুক

জন্মদিনে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন জাংকুক বিটিএস তারকা জাংকুক, যিনি তার গান দিয়ে বিশ্বব্যাপী তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্বজুড়ে ভক্তরা উদযাপন করেছেন প্রিয় তারকা জন্মদিন। আর জন্মদিনের শুভেচ্ছার ভিড়ের মধ্যেই ভক্তদের সাথে সরাসরি আলাপচারিতায় ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এই সংগীতশিল্পী। জানিয়েছেন অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার (ADHD) রোগে ভুগছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকায় একটি মিউজিক ভিডিওর শুট করে দেশে ফেরার পর গায়ক এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন। এক ভক্ত লাইভ চলাকালীন তার অস্থিরভাবে নাড়াচাড়া করা নিয়ে মন্তব্য করলে জাংকুক সরল ভঙ্গিতে বলেন, ‘আমার এই স্বভাবটা আছে। আমি এভাবেই নড়াচড়া করি।’ ADHD বা Attention Deficit Hyperactivity Disorder একটি স্নায়ু-সংক্রান্ত সমস্যা। এটি মনোযোগ ধরে রাখা, স্থির হয়ে বসা বা আকস্মিক প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলে। সাধারণত শৈশবেই এর লক্ষণ শুরু হয়, তবে প্রাপ্তবয়সেও অনেকের মধ্যে তা থেকে যায়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি অতিরিক্ত অস্থিরতা, এক জায়গায় স্থির হয়ে না বসতে পারা, মনোযোগের ঘাটতি, টাইম ম্যানেজমেন্টের সমস্যা ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকাশ পায়। তবে চিকিৎসা ও সঠিক কৌশলের মাধ্যমে অনেকেই এর সঙ্গে স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন। জাংকুকের এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি মুহূর্তেই ভক্তদের মন ছুঁয়ে যায়। মাসের পর মাস তার লাইভে স্বাভাবিক অস্থির আচরণ নিয়ে কটাক্ষ হচ্ছিল। অনেকে তাকে ‘চুপচাপ বসতে’ বলতেন। কিন্তু এবার ভক্তরা তার পাশে দাঁড়িয়ে জানান, অস্থিরভাবে নড়াচড়া করা বা ‘স্টিমিং’ আসলে ADHD-এর সাধারণ বৈশিষ্ট্য, যা নিয়ে বিদ্রূপ করা উচিত নয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের সমর্থন। কেউ লিখেছেন, ‘উনি যেভাবে স্বাভাবিকভাবে কথাটা বললেন, দারুণ লেগেছে। জাংকুক আর সুগা- দু’জনেই যেভাবে তাদের ADHD নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন, সেটা অসাধারণ।’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘এখন যারা অকারণে তাকে ‘চুপচাপ বসো’ বলছিলেন, তাদের থামা উচিত।’ অনেক ভক্ত জানিয়েছেন, জাংকুকের অভিজ্ঞতা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে মিলে গেছে। একজন লিখেছেন, ‘আমি সারাক্ষণ শুনি পা নড়ানো বা অস্থিরভাবে বসা নিয়ে বকাঝকা। কিন্তু আমি থামাতে পারি না। জাংকুকের কথায় মনে হল, আমি তো একা নই।’

৯৭ লাখ বাজেটের সিনেমায় আয় ১০৪ কোটি

৯৭ লাখ বাজেটের সিনেমায় আয় ১০৪ কোটি বক্স অফিসে আয়ের উপর ভিত্তি করে সিনেমাকে এখন ব্লকবাস্টার বা হিট তকমা দেওয়া হয়। অনেক সময় খ্যাতিমান অভিনেতাদের সিনেমাও বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলতে পারে না। আবার ছোট বাজেটে নির্মিত অখ্যাত অভিনয়শিল্পীদের কোনো কোনো সিনেমা আশাতীত সাফল্য পায়। স্বল্প বাজেটের কন্নড় ভাষার ‘মুনগারু মেল’ সিনেমাও কল্পনাতীত আয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। কমেডি-ড্রামা ঘরানার ‘মুনগারু মেল’ সিনেমা ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেন—গণেষ ও পূজা গান্ধী। এটি পরিচালনা করেন যোগরাজ ভাট। এটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৭০ লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৭ লাখ টাকা)। ১৩২ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই সিনেমা বক্স অফিসে আয় করে ৭৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি)। রোমান্টিক কমেডি মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘মুনগারু মেল’। প্রীতম ও নন্দিনীকে কেন্দ্র করে সিনেমাটির কাহিনি আবর্তিত হয়। প্রীতম নন্দিনীকে ভালোবাসলেও তার মন ভেঙে যায়; যখন জানতে পারে নন্দিনীর বিয়ে অন্যত্র ঠিক হয়ে গেছে। তারপর গল্প মোড় নেয় ভিন্ন দিকে। মজার ব্যাপার হলো, ‘মুনগারু মেল’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে গণেষ ও পূজা গান্ধীর। আর অভিষেকেই বাজিমাত করেন এই জুটি। এ সিনেমার মাধ্যমেই তারকা খ্যাতি কুড়ান তারা। সিনেমাটি কর্নাটকে টানা ২০০ দিন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়েছিল। সিনেমাটিতে কোনো তারকা অভিনয়শিল্পী ছিলেন না। অন্যান্য চরিত্র রূপায়ন করেছিলেন—অনন্ত নাগ, জয় জগদীশ, সুচিতা শেঠি প্রমুখ। এ সিনেমার ৮০ শতাংশ শুটিং হয়েছিল বৃষ্টিতে। এই সিনেমার মাধ্যমে বলিউড প্লেব্যাক গায়ক সোনু নিগম, কুনাল গানজাওয়ালা এবং উদিত নারায়ণ কর্নাটকে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দর্শকরা চাইলে সিনেমাটি এখনো দেখে নিতে পারবেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিওহটস্টারে দেখা যাবে এটি। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টিভি

রজনীকান্তের সিনেমা কুলি’র ৩ দিনে আয় ৩৬২ কোটি টাকা

রজনীকান্তের সিনেমা কুলি’র ৩ দিনে আয় ৩৬২ কোটি টাকা দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার রজনীকান্ত অভিনীত নতুন সিনেমা ‘কুলি’। এতে তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন বরেণ্য অভিনেতা নাগার্জুনা আক্কিনেনি ও বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। তামিল ভাষার এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন লোকেশ কঙ্গরাজ। গত ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। মুক্তির আগেই আলোচনায় উঠে আসে রজনীকান্তের ‘কুলি’। দর্শকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলেছে এটি। অগ্রিম টিকিট বুকিং নিয়েও কাড়াকাড়ি শুরু হয়েছিল। বড় বাজেটের এ সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগেই ৬৬ শতাংশ খরচ তুলে ফেলেন নির্মাতারা। আর মুক্তির পর বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে এটি। বলি মুভি রিভিউজের তথ্য অনুসারে, মুক্তির প্রথম দিনে বিশ্বব্যাপী ‘কুলি’ সিনেমা আয় করে ১৫১.৯ কোটি রুপি, দ্বিতীয় দিনে আয় করে ৯৪ কোটি রুপি, তৃতীয় দিনে আয় করে ৬০ কোটি রুপি। যার মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৩০৬ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২৪ কোটি টাকা)। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, তিন দিনে কুলি সিনেমা শুধু ভারতে আয় করেছে ১৫৮.৩৫ কোটি রুপি (গ্রস), বিদেশে আয় করেছে ১০৩.২৫ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৬১.৬ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৬২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা)। পিঙ্কভিলার তথ্য অনুসারে, রজনীকান্তের ‘কুলি’ সিনেমা নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা)। মুক্তির আগেই আন্তর্জাতিক, ডিজিটাল, মিউজিক এবং স্যাটেলাইট স্বত্ব বিক্রি করে প্রায় ২৫০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৪৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বেশি) আয় করেছে। সিনেমাটির আন্তর্জাতিক স্বত্ব ৬৮ কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছে। লোকেশ কঙ্গরাজ পরিচালিত এই সিনেমা তামিল চলচ্চিত্রের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম চুক্তি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার ‘কুলি’ সিনেমায় দেবা চরিত্রে অভিনয় করেছেন রজনীকান্ত। তার চরিত্রটি রহস্যেঘেরা। তাছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন—উপেন্দ্র, শ্রুতি হাসান, সত্যরাজ, রচিতা রাম, কালি ভেঙ্কট, চার্লি প্রমুখ। সিনেমাটির আইটেম গানে পারফর্ম করেছেন পূজা হেগড়ে।