কলকাতায় পৌঁছেছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল

কলকাতায় পৌঁছেছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল গঙ্গা নদীর পানি চুক্তি পর্যালোচনা ও বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) ৮৬তম বৈঠকে যোগ দিতে কলকাতায় পৌঁছেছে বাংলাদেশের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। আজ ভারতীয় সময় সকাল পৌনে ১১টা নাগাদ প্রতিনিধি দলটি কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এরপরেই সড়কপথে তারা যান হাওড়া রেল স্টেশন। হাওড়া থেকে শতাব্দী এক্সপ্রেস ধরে তারা যাবেন মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কায়। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের পাশাপাশি ভারতের নদী কমিশনের সদস্যরাও যৌথভাবে ফারাক্কা পরিদর্শন করবেন। পরে ফিরে এসে অংশ নেবেন বৈঠকে। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জয়েন্ট রিভার কমিশনের (জেআরসিবি) সদস্য মোহাম্মদ আবুল হোসেন। তার নেতৃত্বে আছেন জেআরসিবি উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিদরী জাহান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুজ্জামান, জেআরসিবি সদস্য (কারিগরি কমিটি) মোহাম্মদ আবুল হোসেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (সিলেট) অতিরিক্ত মুখ্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (কুমিল্লা) অতিরিক্ত মুখ্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু তাহের, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (ঢাকা) হাইড্রো ইনফরমেটিক্স এবং ফ্লাড ফোরকাস্টিং বিভাগের সুপারিন্টেডেন্ট প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। কলকাতায় আয়োজিত বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের হয়ে অংশ নেবেন বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া-১ অনুবিভাগের পরিচালক মো. মনোয়ার মোকাররম, কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) তুষিতা চাকমা, দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) আফজল মেহদাত আদনান প্রমুখ। এদিন বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে মোহাম্মদ আবুল হোসেন জানান, এই সফরে তিস্তা জরিপ হবে না। এমনকি বৈঠকেও তিস্তা বিষয়ক কোনো আলাপও হবে না। এর জন্য একটা টেকনিক্যাল টিম আছে, তারা আলোচনা করবে। মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, এই পরিদর্শন ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ এই সফরে কোনো বড় ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে না। মূলত কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। ১৯৯৬ সালে দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত গঙ্গার চুক্তির বাস্তবায়নের জন্য প্রতিবছর আমরা এই সফর করে থাকি।গঙ্গার পানি বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ- এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ গঙ্গার পানির ওপর নির্ভরশীল। মূলত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এই পানির যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। জানা গেছে, পাঁচ দিনের এই সফরে আগামী ৪ মার্চ ফারাক্কায় গঙ্গা নদীর সন্নিহিত এলাকা পরিদর্শন করবেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। ফারাক্কায় গঙ্গা নদীতে পানির স্তর, পানির প্রবাহ সংক্রান্ত পরিসংখ্যান খতিয়ে দেখবেন তারা। ৫ মার্চ ফারাক্কা থেকে দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের সদস্যরা কলকাতায় ফিরবেন। এরপর ৬ এবং ৭ তারিখ ভারতের রিভার কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে বৈঠক হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রবাহিত গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া ও বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চুক্তির মেয়াদ ছিল ৩০ বছরের। ২০২৬ সালে সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গা কিংবা তিস্তার পানি বন্টন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আপত্তি জানিয়ে আসছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
ভারতে তুষারপাতে নিহত ৪, কয়েকজন নিখোঁজ

ভারতে তুষারপাতে নিহত ৪, কয়েকজন নিখোঁজ ভারতের হিমালয় রাজ্য উত্তরাখণ্ডে প্রবল তুষারপাতে অন্তত চারজন মারা গেছে। এছাড়া আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। উত্তরাখণ্ড রাজ্য সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিব্বতের সীমান্তবর্তী এলাকা মানায় তীব্র তুষারপাতে রাস্তা নির্মাণ শ্রমিকরা ভেসে যায়। সেখানে তুষারের নিচে চাপা পড়া ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছে কমপক্ষে পাঁচজন। হেলিকপ্টারে তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তারা আরও জানান, হিমালয় পর্বতের কাছে নিখোঁজ ৫ জনকে উদ্ধারের জন্য হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। উত্তরাখন্ড রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেছেন, বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন ক্যাম্পে তুষারপাতের পর উদ্ধারকারী দলগুলি নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এক্স-এ এক ফুটেজ পোস্ট করেছে। সেখানে দেখা যায়, উদ্ধারকারীরা কয়েক ফুট উঁচু তুষারপাতের মধ্যে হেঁটে স্ট্রেচারে করে আহতদের বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন। তখনও তুষারপাত অব্যাহত ছিল। মানার একজন সাবেক গ্রাম পরিষদ সদস্য গৌরব কুনাওয়ার শুক্রবার বিবিসিকে বলেছেন, ‘যে এলাকায় তুষার আঘাত হেনেছে সেখানে কেউ স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না। শুধু সীমান্তে রাস্তা নির্মাণ শ্রমিকরা শীতকালে সেখানে থাকে। ’ তিনি বলেন, ‘সেখানে এখনো সেনাবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। আমরা শুনেছি ওই এলাকায় দুই দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। যখন তুষার আঘাত হানে তখন সেখানে শ্রমিকরা একটি ক্যাম্পে ছিল’। এদিকে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর আগেই হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখন্ড, এবং জম্মু-কাশ্মিরে বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টি ও তুষারপাতের সতর্কতা জারি করেছিল। অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করার পরও এত হতাহত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় কর্মকর্তারা।
গাজায় ত্রাণ বন্ধ করলো ইসরায়েল

গাজায় ত্রাণ বন্ধ করলো ইসরায়েল ফিলিস্তিনের গাজায় সব ধরনের মানবিক ত্রাণের প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। গাজায় ইসরায়েল-হামাসের প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষে এমন পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি। খবর আল জাজিরার। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রথম ধাপের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আলোচনা চালিয়ে যেতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত উইটকফ একটি প্রস্তাব দিয়েছেন। ইসরায়েল ওই প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে। তবে হামাস এই প্রস্তাব মানতে রাজি হয়নি। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “এই পরিস্থিতির আলোকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু আজ সকালে গাজা উপত্যকায় সবধরনের পণ্য প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” ১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ৪২ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শনিবার দিবাগত রাত ১২টায় শেষ হয়। পূর্ব আলোচনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপ শেষে দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়ন হবার কথা ছিল। দ্বিতীয় ধাপের মূল সুর ছিল বাকি জিম্মিদের মুক্তি এবং গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন। গত ছয় সপ্তাহজুড়ে দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা, দরকষাকষি ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে এসেছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাস। কিন্তু ইসরায়েলের অসহযোগিতামূলক আচরণে তা আলোর মুখ দেখেনি। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের পরিবর্তে প্রথম ধাপের মেয়াদ বাড়ানোর মডেল নিয়ে আসেন। এই প্রস্তাব মতে, এপ্রিলের মধ্যভাগ পর্যন্ত সাত দিন করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে এবং এই সময়ের মধ্যে বাকি সব ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তি পাবেন। তবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস এটি প্রত্যাখান করেছে। তাদের দাবি, সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, হতে হবে স্থায়ী সমাধান। এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, গাজায় মানবিক সহায়তা বন্ধে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্ত ‘সস্তা ব্ল্যাকমেইল’। নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন বলেও হামাস দাবি করেছে। হামাস আরো জানায়, ইসরায়েলের পদক্ষেপ ‘যুদ্ধাপরাধ এবং চুক্তির বিরুদ্ধে একটি স্পষ্ট ‘আক্রমণ’। গাজায় ইসরায়েলের এ ধরনের অনৈতিক সিদ্ধান্ত বন্ধে ব্যবস্থা নিতে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হামাস।
ট্রাম্প-জেলেনস্কির তীব্র বাগবিতণ্ডা, হলো না চুক্তি

ট্রাম্প-জেলেনস্কির তীব্র বাগবিতণ্ডা, হলো না চুক্তি খনিজ উপাদান হস্তান্তর সংক্রান্ত চুক্তি ও যুদ্ধ বন্ধ সংক্রান্ত আলোচনার জন্য শুক্রবার ওয়াশিংটন সফরে গিয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকেও বসেছিলেন তিনি। কিন্তু উত্তেজনা ও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে সেই বৈঠক এবং ওয়াশিংটন থেকে জেলেনস্কি ফিরে গেছেন কোনো প্রকার চুক্তি স্বাক্ষর না করেই। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের সঙ্গে প্রথম বিতর্ক বাঁধে জেলেনস্কির। বৈঠকের শুরুতে জে ডি ভ্যান্স বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর জন্য এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কূটনৈতিক তৎপরতা। ভ্যান্সের এই বক্তব্যের পর জেলেনস্কি তাকে প্রশ্ন করেন, “আপনি কোন ধরনের কূটনীতির কথা বলতে চাইছেন জেডি?” উত্তরে ভ্যান্স বলেন, “আমি সেই ধরনের কূটনীতির কথা বলছি, যা আপনার দেশকে ধ্বংস হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারে।” এর উত্তরে জেলেনস্কি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে কটাক্ষ করে বলেন, “আমরা একজন খুনীর সঙ্গে কখনও সমঝোতায় যাব না।” এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জেলেনস্কিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনি এখন ভালো অবস্থায় নেই। এই মুহূর্তে আপনার হাতে কোনো কার্ড (বিকল্প) নেই। যদি আপনি আমাদের সঙ্গে থাকেন, তাহলে আপনার হাতে কার্ড আসা শুরু করবে।” জবাবে জেলেনস্কি বলেন, “আমি কোনো কার্ড খেলছি না এবং আমি খুবই সিরিয়াস, মি. প্রেসিডেন্ট।” কিন্তু তার কথাকে আমল না দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আপনি কার্ড খেলছেন; শুধু তাই নয়, লাখ লাখ মানুষ এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়েও জুয়া খেলছেন আপনি। একবার আমরা চুক্তি সই করলে আপনি ভালো অবস্থানে চলে যাবেন। কিন্ত আপনাকে আদৌ কৃতজ্ঞ মনে হচ্ছে না। সত্যি কথা বলতে কি, এটা ভালো কোনো বিষয় নয়।” ট্রাম্প জেলেনস্কিকে বলেন, “যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করতে চাইলে ইউক্রেনকে ছাড় দিতে হবে।” তিনি বলেন, “ছাড় দেওয়া ছাড়া আপনি কোনো চুক্তি করতে পারবেন না। তাই এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, কিছু ছাড় দিতে হবে। কিন্তু আশা করি, বড় কোনো ছাড় দিতে হবে না, যেমনটা লোকে বলে বেড়াচ্ছে।” ট্রাম্পের এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে জেলেনস্কি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি ট্রাম্পের নরম মনোভাব নিয়ে তাকে চ্যালেঞ্জ করে বসেন। তিনি বলেন, “একজন খুনিকে কোনো ছাড় দেওয়া উচিত নয়।” রয়টার্সের হোয়াইট হাউজ সংবাদদাতা ট্রাম্প-জেলেনস্কির এই বৈঠককে উত্তেজনার এক নজিরবিহীন মুহূর্ত বলে বর্ণনা করেছেন। হোয়াইট হাউজের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বৈঠকের এক পর্যায়ে জেলেনস্কিকে চলে যেতে বলা হয়। হোয়াইট হাউজে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে বৈঠকের পর তাকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের যৌথ সংবাদ সম্মেলন করা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের পর হোয়াইট হাউজ এ সংবাদ সম্মেলন বাতিল করার কথা জানায়। এরপর জেলেনস্কি ও তার সঙ্গে থাকা ইউক্রেনের অন্য কর্মকর্তাদের হোয়াইট হাউজ থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক শেষ হওয়ার পরপরই ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একে পোস্টে লেখেন, “জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্র ও এ দেশের শ্রদ্ধার জায়গা ওভাল অফিসকে অসম্মান করেছেন। যেদিন তিনি শান্তির জন্য প্রস্তুত হবেন, আবার (হোয়াইট হাউজে) ফিরে আসতে পারেন।”হোয়াইট হাউজ থেকে বেরিয়ে ফ্লোরিডার বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “জেলেনস্কির বোঝা উচিত যে তিনি এ যুদ্ধে হারছেন।” “তাকে বলতে হবে, ‘আমি শান্তি চাই।’ ‘পুতিন এটা, পুতিন ওটা’- শুধু এসব নেতিবাচক কথা বলে লাভ নেই। তাকে বলতে হবে, ‘আমি শান্তি স্থাপন করতে চাই। আমি আর যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চাই না” বলেন ট্রাম্প। বৈঠকের পর ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক এখনও ঠিক করা সম্ভব। এরপর কিছুটা অনুশোচনা প্রকাশ করে যোগ করেন, “এর জন্য আমি দুঃখিত।”
চাঁদ দেখা যায়নি, মালয়েশিয়ায় রোজা শুরু রবিবার

চাঁদ দেখা যায়নি, মালয়েশিয়ায় রোজা শুরু রবিবার দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ায় আজ শুক্রবার পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশটিতে রমজান মাস শুরু হবে আগামী ২ মার্চ রবিবার থেকে। আগামীকাল শনিবার মালয়েশিয়ায় হবে শাবান মাসের ৩০তম দিন। এর আগে ব্রুনাই ও সিঙ্গাপুরে আজ পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশ দু’টিতেও ২ মার্চ রবিবার থেকে শুরু হবে রোজা। ব্রুনাই ও সিঙ্গাপুর উভয় দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছে। তবে অস্ট্রেলিয়ায় আগামীকাল থেকেই রমজান শুরু হতে যাচ্ছে। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে তারা রমজান শুরুর ঘোষণা দেয়। মালয়েশিয়ার উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ‘কিপারস অব দ্য রুলার্স সিল’ সৈয়দ দানিয়াল সৈয়দ আহমেদ টেলিভিশনে দেওয়া সরাসরি ভাষণে রমজানের তারিখ ঘোষণা দেন।
গোপন তথ্য ফাঁসের জেরে মেটার ২০ কর্মীকে বরখাস্ত

গোপন তথ্য ফাঁসের জেরে মেটার ২০ কর্মীকে বরখাস্ত মিডিয়াতে গোপন তথ্য ফাঁস করার জেরে ২০ জন কর্মীকে বরখাস্ত করেছে ফেসবুকের মাদার কোম্পানি মেটা। গতকাল দ্য ভার্জ-এ প্রথম প্রকাশিত মেটার এক মুখপাত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেন। মেটা-র একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে বলেছেন, কর্মচারীদের কোম্পানিতে যোগ দিতে হলে কিছু নীতি মেনে চলতে হয়। সেটা পর্যায়ক্রমিকভাবে মনে করিয়েও দেওয়া হয়। কর্মচারীরা জানেন, অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁস করা নীতির বিরুদ্ধে। উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন।
জাপানে ছড়িয়ে পড়ছে দাবানল, বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

জাপানে ছড়িয়ে পড়ছে দাবানল, বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জাপানের উত্তরাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে দাবানল। এরই মধ্যে ৮০টিরও বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং শত শত বাসিন্দাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ আজ জানিয়েছে, আগুন নেভাতে সামরিক হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। খবর এএফপির। পাবলিক ব্রডকাস্টার এনএইচকে-র প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, ইওয়াতে অঞ্চলের ওফুনাতোর বনাঞ্চলে জ্বলন্ত আগুনে বেশ কয়েকটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, আশেপাশের প্রায় ৬০০ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। নগর কর্মকর্তারা অনুমান করেছেন যে আজ সকাল পর্যন্ত আগুনে কমপক্ষে ৮৪টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেল্ফ ডিফেন্স ফোর্স আকাশ থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। বুধবার সন্ধ্যায় ওফুনাতোর মেয়র কিয়োশি ফুচিগামি আগুনকে “বড় আকারের” বলে বর্ণনা করে বলেন, প্রায় ৬০০ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, এখনও আগুনের কারণ জানা যায়নি। ২০২৩ সালে জাপান জুড়ে প্রায় ১,৩০০টি দাবানল ঘটেছিল, যা ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ঘনীভূত ছিল। এসময় বাতাসের আদ্রতা কমে যায় এবং প্রবল বাতাস বইতে থাকে।
সুদানে সামরিক প্লেন দুর্ঘটনায় নিহত ৪৬

সুদানে সামরিক প্লেন দুর্ঘটনায় নিহত ৪৬ সুদানে এক মর্মান্তিক প্লেন দুর্ঘটনায় অন্তত ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। প্রাথমিক ভাবে এই দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত হওয়ার খবর জানা গিয়েছিল। আল জাজিরার এক প্রতিবেন থেকে থাকা যায়, সুদানের রাজধানী খার্তুমের উপকণ্ঠে অবস্থিত ওমদুরমানের উত্তরাঞ্চলে ওয়াদি সাইদনা সামরিক বিমানবন্দর থেকে মঙ্গলবার রাতে একটি আন্তোনভ সামরিক প্লেন উড্ডয়নের সময় বিধ্বস্ত হয়। প্লেনটি কারারি জেলার একটি বেসামরিক বাড়ির ওপর পড়ে, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্লেনটি বিধ্বস্ত হওয়ার ফলে আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দিয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে খার্তুমে কর্মরত সিনিয়র সামরিক কমান্ডার মেজর-জেনারেল বাহর আহমেদও রয়েছেন বলে জানা গেছে। সুদানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে, দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে সামরিক সদস্য ছাড়াও বেসামরিক উভয় ব্যক্তিও রয়েছেন। তারা আরও জানিয়েছে যে অগ্নিনির্বাপক দলগুলো ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে প্লেনটি কেন বিধ্বস্ত হলো, তার সঠিক কারণ এখনও জানানো হয়নি। সামরিক সূত্রগুলো ধারণা করছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই এমনটি ঘটতে পারে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সামরিক বাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফ-এর মধ্যে সংঘাত চলছে। এই দুর্ঘটনায় আবারও দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
৪৬ হাজার বছর পর জীবন ফিরে পেল হিমায়িত কীট

৪৬ হাজার বছর পর জীবন ফিরে পেল হিমায়িত কীট কোনো প্রাণী হাজার হাজার বছর হিমায়িত থাকার পরও জীবন ফিরে পেতে পারে এমনটি ভাবা সাধারণভাবে কঠিন। কিন্তু সাইবেরিয়ার পারমাফ্রোস্ট থেকে আবিষ্কৃত এক ক্ষুদ্র প্রাণী এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। সম্প্রতি পিএলওএস জেনেটিকস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন যে, প্রায় ৪৬ হাজার বছর ধরে বরফে আটকে থাকা এক কেঁচো জাতীয় কীট প্রাণ ফিরে পেয়েছে এবং জীবিত রয়েছে। জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব কোলোনের প্রাণীবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের গবেষক ড. ফিলিপ শিফার ও তার সহকর্মীরা এই কীটের অস্বাভাবিকভাবে এত দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছেন। সাইবেরিয়ায় বিশাল অঞ্চলজুড়ে পারমাফ্রোস্ট বিস্তৃত রয়েছে, যা এমন এক স্তর যেখানে মাটি বা তলদেশের পদার্থ অন্তত দুই বছর ধরে জমাট বাঁধা থাকে। কিছু কিছু অঞ্চলে এই বরফস্তর কয়েকশ’ ফুট গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে এখানে আটকে থাকা যে-কোনো জৈবিক উপাদান দীর্ঘ সময় ধরে অক্ষত থাকে, যা হাজার হাজার বছর পরও গবেষণার উপযোগী থাকে। জীবন থামিয়ে রাখার ক্ষমতা জীবিত ফিরে আসা এই কীটটি এমন এক গণের অংশ, যা ‘ক্রিপ্টোবায়োসিস’ নামে পরিচিত এক বিশেষ অবস্থায় প্রবেশ করতে পারে। এই অবস্থায় প্রাণের কোনো প্রধান বিপাকীয় কার্যকলাপ হয় না, ফলে প্রাণীটি মারাত্মক প্রতিকূল পরিবেশেও বেঁচে থাকতে পারে। বিজ্ঞানীরা আগেও টার্ডিগ্রেড এবং কিছু লবণাক্ত জলের চিংড়ির ক্ষেত্রে এমন আচরণ লক্ষ্য করেছেন। এরা নিজেদের দেহক্রিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ রেখে আবার অনুকূল পরিবেশ ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকতে পারে। জমাটবাঁধা কীটের গুরুত্ব গবেষকরা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া এই নিম্যাটোডের নাম পানাগ্রোলাইমাস কোলাইমেনসিস। এটি আগে বিজ্ঞানীদের কাছে পরিচিত ছিল না। রেডিওকার্বন ডেটিং অনুযায়ী এই নমুনাটি হাজার হাজার বছরে প্রাচীন। অর্থাৎ এটি প্রায় পুরো সময়ই বরফের নিচে ঘুমিয়ে ছিল। প্রায় ৩৭ মিটার গভীর থেকে উদ্ধার করা এই কীট চরম ঠান্ডার কারণে সুরক্ষিত ছিল এবং আধুনিক গবেষণাগারে এটি পুনরায় স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করতে সক্ষম হয়, এমনকি নতুন প্রজন্মও উৎপন্ন করেছে। টিকে থাকার অনন্য কৌশল গবেষকদের মতে এই ধরনের নিম্যাটোড সাধারণত মাত্র এক থেকে দুই মাস বাঁচে। কিন্তু হিমায়িত থাকা কীটটি তার জীবনচক্রকে ৪৬ হাজার বছর পর্যন্ত বাড়িয়ে নিতে পেরেছে। বিশেষ কিছু অণু হয়তো এদের কোষগুলোকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করেছে, যার ফলে তা প্রচণ্ড ঠান্ডা বা শুষ্কতার মধ্যেও অক্ষত থেকেছে। ড. শিফার বলেন, ‘এতো দীর্ঘ সময় ধরে ক্রিপ্টোবায়োসিস বজায় রাখা সম্ভব বলে কেউ ভাবেননি। ৪০ হাজার বছর বা তারও বেশি সময় পর আবার জীবন ফিরে আসতে পারে- এটি সত্যিই বিস্ময়কর।’ হিমায়িত কীটের জিনগত রহস্য গবেষকরা এই কীটের জিনোম সিকোয়েন্সিং করেছেন এবং দেখেছেন যে এর জিনগত গঠনের সঙ্গে কেনোরহাবডাইটিস এলিগ্যান্স নামক একটি পরিচিত নিম্যাটোডের কিছুটা মিল রয়েছে। এই ধরনের স্ট্যাসিস বা স্থগিত জীবনপ্রবাহ টার্ডিগ্রেডদের মধ্যেও দেখা যায়। ২০১৭ সালে নাসার এক গবেষণায় দেখা যায়, তারা মহাকাশের কঠিন পরিবেশ সহ্য করতে পারে। এ থেকে ইঙ্গিত মেলে যে ক্ষুদ্র প্রাণীদের মধ্যে চরম প্রতিকূলতা-প্রতিরোধী বিশেষ ব্যবস্থা থাকতে পারে। অন্যদিকে কিছু বীজও দীর্ঘদিন ঠান্ডা পরিবেশে সংরক্ষিত থাকার পরও অঙ্কুরিত হতে পারে। তবে, এই কীটের হিমায়িত থাকার সময়কাল তার তুলনায় অনেক বেশি, যা এটিকে এক অনন্য উদাহরণে পরিণত করেছে। ক্রিপ্টোবায়োসিস ও সম্ভাব্য প্রয়োগ বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, মরুভূমি, মেরু অঞ্চল বা এমনকি অন্য গ্রহেও এ ধরনের প্রাণী থাকতে পারে। মঙ্গলগ্রহ বা শনির উপগ্রহগুলোর মতো শীতল পরিবেশে প্রাণের অস্তিত্ব অনুসন্ধানে এই গবেষণা নতুন দিকনির্দেশনা দিতে পারে। এছাড়া খাদ্য সংরক্ষণ বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে এই জিনগত প্রযুক্তি কাজে লাগতে পারে। যদি বিজ্ঞানীরা কোষের বরফ প্রতিরোধী জিন আলাদা করতে পারেন, তবে ভবিষ্যতে এটি মানব অঙ্গ সংরক্ষণ বা জৈবিক নমুনা সংরক্ষণে ব্যবহার করা যেতে পারে। গবেষণার ভবিষ্যৎ দিক মূল নমুনাটি এখন মৃত, তবে গবেষকরা এর সন্তানদের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে লালন-পালন করছেন। এতে দেখা যাবে, কীভাবে এই নিম্যাটোডরা দীর্ঘ সময় ধরে পানি শূন্যতা, তাপমাত্রার পরিবর্তন এবং সুপ্ত অবস্থা সহ্য করতে পারে। গবেষকরা এখন এর কোষে থাকা বিশেষ প্রোটিন বা চিনি শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন, যা পানির পরিবর্তে কোষে জমা হয় এবং ক্রিপ্টোবায়োসিস বজায় রাখে। এ ছাড়া তারা আরও প্রাচীন পারমাফ্রোস্ট নমুনার অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে চান, যা থেকে প্রাগৈতিহাসিক জীবের সুদীর্ঘ দিন টিকে থাকার বিষয়ে নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
সামরিক বাহিনীর পলাতকদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ শ্রীলঙ্কায়

সামরিক বাহিনীর পলাতকদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ শ্রীলঙ্কায় শ্রীলঙ্কার সরকার দেশটির সামরিক বাহিনীর সব পলাতকদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের নিদের্শ দিয়েছে। আজ শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সম্পথ থুয়াকোন্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। সিনহুয়া নিউজের খবর জানানো হয় কলম্বোতে এক সংবাদ সম্মেলনে থুয়াকোন্তা বলেন, এই নির্দেশ কয়েকদিন আগে জারি করা হয়েছে। মেলিটারি পুলিশ অন্যান্য সংস্থার সহায়তায় এই অভিযান পরিচালনা করবে। কর্তৃপক্ষ শিগগির অপরাধমূলক কর্মকা-ে জড়িত সক্রিয় কর্তব্যরত সামরিক কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। শ্রীলঙ্কার পুলিশ সম্প্রতি জানিয়েছে, তারা সংগঠিত অপরাধে জড়িত ৫৮টি গ্যাং এবং তাদের প্রায় ১ হাজার ৪০০ সহযোগীকে চিহ্নিত করেছে।