ভারতে ব্ল*ক করা হল পাকি*স্তান সর*কারের এক্স অ্যা*কাউন্ট

ভারতে ব্ল*ক করা হল পাকি*স্তান সর*কারের এক্স অ্যা*কাউন্ট ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি এক্স (টুইটার) প্ল্যাটফর্মে কিছু নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট ও পোস্ট ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, এক্স শুধুমাত্র ভারতের অভ্যন্তরে এই অ্যাকাউন্ট ও পোস্টগুলোর অ্যাক্সেস সীমিত করেছে। পাকিস্তানের সরকারি এক্স অ্যাকাউন্টটি ভারতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আজ সকালে। তবে, কোম্পানিটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নয় এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তবে ভারত সরকারের দাবি, এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বিভ্রান্তিকর বা উসকানিমূলক বার্তা ছড়ানো হচ্ছিল, যা জাতীয় নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। পহেলগাঁওয়ে ২২ এপ্রিল ঘটে যাওয়া প্রাণঘাতী জঙ্গি হামলার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে ২৬ জন পর্যটক নিহত এবং ২০ জন আহত হন। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ যা পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার একটি শাখা বলে পরিচিত। এর আগে হামলার জেরে ভারত সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি বাতিলসহ, পাকিস্তানের কোনো নাগরিককে ‘সার্ক ভিসা’ দেওয়া বন্ধের ঘোষণা দেয়। তাছাড়া পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের আটারি সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। পাকিস্তানে ভারতের হাইকমিশন থেকে কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে নিতে বলে। ভারতে অবস্থারত পাকিস্তানের নাগরিকদের দেওয়া ভারতের ভিসা বাতিল করে তাদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারত ছাড়তে বলে। এর মধ্যে সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি বাতিল সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১৯৬০ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় এই চুক্তিতে সই করেছিলেন।

ভারতীয় দূতাবাস অভি*মুখে ‘সং* মা*র্চ

ভারতীয় দূতাবাস অভি*মুখে ‘সং* মা*র্চ ভারতব্যাপী মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে প্রতিবাদী সংগীতযাত্রা ‘সং মার্চ’ শুরু করেছে জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। আজ বিকেল তিনটায় পল্টনের মুক্তাঙ্গন থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। মুক্তাঙ্গন থেকে পিকআপভ্যানে করে ইসলামী সংগীত পরিবেশন করতে করতে সংগীত যাত্রা শুরু করেন জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্যরা। এই ‘সং মার্চ’ থেকে ভারতব্যাপী মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতীয় দূতাবাসে প্রতিবাদলিপি দেবেন তারা। ‘সং মার্চ’ পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি কবি মুহিব খান বলেন, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর থেকে সারা ভারতজুড়ে নানা সময়ে নানা স্থানে নানাভাবে সেখানকার মুসলমানদের ওপর হত্যা, গুম, ধর্ষণ, ধ্বংসযজ্ঞ, উচ্ছেদ ও লাঞ্ছনাসহ নানারকম নির্যাতন সংঘটিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে ১৯৯২ সালে অযোধ্যায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা থেকে নিয়ে ২০০২ সালে গুজরাটের নৃশংস মুসলিম হত্যা ও ধর্ষণযজ্ঞ, ২০১৩ সালে মুজাফফরাবাদের মুসলিম হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ, ২০২০ সালে দিল্লিজুড়ে মুসলিম হত্যা ও মসজিদসহ বিভিন্ন মুসলিম ঐতিহাসিক স্থাপত্যকলা ধ্বংসযজ্ঞ, সর্বশেষ ভারতীয় মুসলিম জনগোষ্ঠীর সম্পদ হরণ ও প্রতিকার হননের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে ভারতের পার্লামেন্টে গৃহীত ওয়াকফ আইন সংশোধন বিলকে কেন্দ্র করে ভারতীয় মুসলমানদের ওপর যে নিধন ও নির্যাতন চলছে আমরা বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর অঙ্গ ও অংশ হিসেবে এবং আধুনিক বিশ্বের মানবতাবাদী সভ্য মানুষ হিসেবে এসবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, আমাদের নিন্দা ও প্রতিবাদের ভাষা দেশ ও বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আমরা আজ ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে প্রতিবাদী সংগীতযাত্রা ‘সং মার্চ’ করছি। কবি মুহিব খান আরও বলেন, আমরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভারতের ধর্মান্ধ উগ্রবাদী গোষ্ঠীর ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং কখনো কখনো এসব কর্মকাণ্ডে ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে শ্লোগান, সংগীত এবং সুস্পষ্ট বক্তব্যের মাধ্যমে দেশ ও বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চাই যে, ভারতসহ পৃথিবীর যেকোনো ভূখণ্ডে নির্যাতিত মুসলমানদের পাশে আমরা আছি। শুধু মুসলিমরাই নন, নির্যাতন অন্যায় ও অমানবিকতার শিকার যেকোনো মানুষের পক্ষেই আমাদের অবস্থান। তিনি বলেন, আমরা ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনারের মাধ্যমে ভারতীয় মুসলিমদের নাগরিক অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার, সামাজিক অধিকার, সাংস্কৃতিক অধিকার এবং নিজ ধর্মীয় অনুশাসন পালনের পূর্ণাঙ্গ অধিকার নিশ্চিত করতে এবং ভারতীয় মুসলমানদের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা সুরক্ষায় সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিতে ভারত সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি। কবি মুহিব খান বলেন, আমরা উগ্রতা ও সহিংসতায় বিশ্বাসী নই। আমরা চাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। আমরা চাই ধর্মান্ধ উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের পতন। আমরা চাই পৃথিবীর সব দেশের সব মানুষ নিজেদের ন্যায্য অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকুক। আমরা চাই বিশ্ব মানবতা এবং প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতার বিজয় হোক।

সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প

সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরকালে তিনি কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও যাবেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। গতকাল মঙ্গলবার মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর আরব নিউজের। লেভিট জানান, আগামী ১৩ থেকে ১৬ মে মধ্যপ্রাচের ওই তিন দেশ সফর করবেন ট্রাম্প। এর আগে তিনি পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে শুক্রবার রোমে যাবেন। দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে তার প্রথম বিদেশ সফর। বিশ্লেষকরা বলছেন, এবার ট্রাম্প এমন এক মধ্যপ্রাচ্যে পা রাখবেন, যা তার প্রথম মেয়াদের তুলনায় অনেকটাই পরিবর্তিত। চীনের মধ্যস্থতায় সৌদি আরব-ইরান উত্তেজনা অনেকটাই প্রশমিত, ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ প্রায় শেষের পথে, আর আইএস এখন আর মধ্যপ্রাচ্যে শক্তিশালী কোনো সন্ত্রাসীদল নয়। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের পুনর্গঠন নিয়ে আরব বিশ্বের সঙ্গে ট্রাম্পের মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। সফরকালে এই মতপার্থক্যগুলো আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া মার্কিন শুল্কনীতি ও বাণিজ্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ধনী উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে আরো বেশি বিনিয়োগ টানার চেষ্টা ট্রাম্প অনেক আগে থেকেই করে আসছেন।

পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে জানানো শোকবার্তা মুছে ফেলল ইসরায়েল

পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে জানানো শোকবার্তা মুছে ফেলল ইসরায়েল ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকবার্তা প্রকাশ করেছিল ইসরায়েল। কিন্তু কিছু সময় পরেই শোকবার্তাটি মুছে ফেলা হয়। ইসরায়েল সরকারের পক্ষ থেকে এ ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। বুধবার (২৩ এপ্রিল) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার ৮৮ বছর বয়সে ভ্যাটিকানে মারা যান পোপ ফ্রান্সিস। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইসরায়েলের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। সেখানে লেখা হয়- “আপনার আত্মা শান্তি পাক, পোপ ফ্রান্সিস। আপনার জীবনাদর্শ আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে থাকুক।”কিছুক্ষণ পর পোস্টটি মুছে ফেলা হয়। এ বিষয়ে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য জেরুজালেম পোস্টকে বলেন, “প্রয়াত পোপ একাধিকবার ইসরায়েলবিরোধী বক্তব্য দিয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে ভুলে শোকা বার্তাটি প্রকাশ করা হয়েছিল।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওই অ্যাকাউন্টটি ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করে থাকে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে মন্তব্য জানতে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে ইসরায়েলি পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো সাড়া দেয়নি। উল্লেখ্য, পোপ ফ্রান্সিস গত নভেম্বরে গাজায় ইসরায়েলের অভিযানকে সম্ভাব্য গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছিলেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি গাজার মানবিক পরিস্থিতিকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেন। এসব বক্তব্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করে। পোপের এসব মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে রোমের প্রধান র‍্যাবাই (ইহুদিদের ধর্মযাজক) বলেছিলেন, ফ্রান্সিস পক্ষপাতমূলক সমালোচনা করছেন। পোপের মৃত্যুর পর হামাস এবং হিজবুল্লাহ পৃথকভাবে শোক জানিয়েছে। তারা পোপের আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও মানবিক মূল্যবোধের প্রশংসা করে বিবৃতি দিয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পোপের মৃত্যু নিয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি শোকবার্তা পাঠিয়ে পোপ ফ্রান্সিসকে ‘গভীর বিশ্বাস এবং সীমাহীন সহানুভূতির মানুষ’ হিসেবে আখ্যা দেন। দীর্ঘ কয়েকশ বছর ধরে ক্যাথলিক চার্চের সঙ্গে ইহুদিদের শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্ক ছিল। তবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। দায়িত্ব পালনের ১২ বছরে সাধারণ কোনো সংঘাতে পক্ষ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন পোপ ফ্রান্সিস। তিনি যেমন ক্রমবর্ধমান ইহুদি বিদ্বেষ নিয়েও নিন্দা জানিয়েছেন, তেমনি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় অবস্থানরত সংখ্যালঘু খ্রিস্টানদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতেন। তবে শোকবার্তা প্রকাশ ও তা মুছে ফেলার ঘটনায় ইসরায়েল-ভ্যাটিকান সম্পর্কের জটিলতা নতুনভাবে সামনে এসেছে।

তিউনিসিয়ায় আটকা পড়েছেন ৩২ বাংলাদেশি, ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ

তিউনিসিয়ায় আটকা পড়েছেন ৩২ বাংলাদেশি, ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ তিউনিসিয়ার বিভিন্ন শহরে ৩২ জন বাংলাদেশি আটকা পড়েছেন। তাদেরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাস থেকে তিউনিসিয়ার বিভিন্ন শহরে আটকা পড়া ৩২ বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করে তাদের নামে ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা করা হয়েছে। তাদের আউটপাসগুলো আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তিউনিসিয়া কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দূতাবাসের প্রতিনিধি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বুধবার (২৩ এপ্রিল) ২১ জনকে প্রাথমিকভাবে দেশে পাঠানোর বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। অবশিষ্টদের দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরত পাঠানোর সব প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। এছাড়া, দূতাবাস থেকে জানবুদা শহরে আটকা থাকা দুই বাংলাদেশিকে ২২ এপ্রিল স্থানীয় আদালতে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, তারা অচিরেই মুক্তি পাবেন।

গাজায় নিহত আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি, ত্রাণ সংকটে মানবিক বিপর্যয়

গাজায় নিহত আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি, ত্রাণ সংকটে মানবিক বিপর্যয় অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলায় একদিনেই কমপক্ষে আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৫০ জন। ফলে চলমান সংঘাতে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫১ হাজার ২৫০ জনে। এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি। গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় ইসরায়েল নতুন করে হামলা শুরু করে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অব্যাহত হামলার পাশাপাশি গাজায় ইসরায়েলের কঠোর অবরোধের কারণে গত ৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে কোনো ত্রাণবাহী গাড়ি উপত্যকায় প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং জ্বালানির মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে। গাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য সরবরাহ চালুর আহ্বান জানিয়েছে। তবে সংকটময় এই পরিস্থিতির মধ্যেও ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় ওষুধের মারাত্মক অভাবে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গত ২ মার্চ নতুন করে অবরোধ আরোপের পর থেকে গাজায় কোনো ধরনের চিকিৎসা সামগ্রী প্রবেশ করতে পারেনি। এতে অসংখ্য ফিলিস্তিনি বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করছেন। এই মানবিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ আবারও অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, গাজার বাসিন্দাদের অধিকাংশই নারী, শিশু এবং নিরীহ বেসামরিক মানুষ, যারা বর্তমানে ‘অকল্পনীয় ভোগান্তির’ মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ইউএনআরডব্লিউএ-এর মতে, ফিলিস্তিনিদের ওপর এভাবে সমন্বিতভাবে শাস্তি আরোপ করা কোনোভাবেই ন্যায্য নয়।

পোপের মৃত্যুর কারণ জানাল ভ্যাটিকান

পোপের মৃত্যুর কারণ জানাল ভ্যাটিকান বিশ্বের ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস (৮৮) গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে ভ্যাটিকানে নিজ বাসভবন মৃত্যুবরণ করেছেন।  তার মৃত্যুর কারণ সোমবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে ভ্যাটিকান সিটির হলি সি প্রেস অফিস। ভ্যাটিকান সিটি স্টেটের স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. আন্দ্রেয়া আর্কাঞ্জেলি পোপের মৃত্যুর সার্টিফিকেট জারি করেছেন।  ভ্যাটিকান নিউজ জানিয়েছে, পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে স্ট্রোক, এরপর কোমা এবং অপরিবর্তনীয় হৃদযন্ত্রের রক্তনালী ধস। মেডিকেল রিপোর্ট অনুসারে, পোপের মাল্টিমাইক্রোবিয়াল বিলাটেরাল নিউমোনিয়া, একাধিক ব্রঙ্কাইক্টেস, উচ্চ রক্তচাপ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের কারণে তীব্র শ্বাসযন্ত্রের জটিলতা ছিল। ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফিক থ্যানাটোগ্রাফির মাধ্যমে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। ডেথ সার্টিফিকেটে ডা. আর্কাঞ্জেলি লিখেছেন, “আমি ঘোষণা করছি, আমার জ্ঞান এবং বিচারে মৃত্যুর কারণগুলো উপরে বর্ণিত।” সম্প্রতি টানা পাঁচ সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন পোপ। এরপর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার এক মাসের মাথায় মারা গেলেন এই ধর্মগুরু। সোমবার সকালে ভ্যাটিক্যানে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পোপ ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ ভ্যাটিকানের ২৬৬তম পোপ নির্বাচিত হন ফ্রান্সিস। রোমের বিশপ হিসেবে তিনি বিশ্বব্যাপী ক্যাথলিক চার্চ এবং সার্বভৌম ভ্যাটিকান সিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।  ১৯৩৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে পোপ ফ্রান্সিসের জন্ম। ক্যাথলিক পুরোহিত হিসেবে তার অভিষেক হয়েছিল ১৯৬৯ সালে। তিনি ছিলেন ৭৪১ সালের পর প্রথম নন-ইউরোপিয়ান পোপ। ৭৪১ সালে সিরিয়ান বংশোদ্ভূত তৃতীয় গ্রেগরির মৃত্যুর পর রোমে আর কোনো নন-ইউরোপীয় পোপ আসেননি। পুরো আমেরিকা অঞ্চল এবং দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ ছিলেন ফ্রান্সিস। তিনি ক্যাথলিক গির্জায় সংস্কার কখনো বন্ধ করেননি। তারপরও তিনি সকলের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন। পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ গোটা বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মানুষদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিশ্বনেতারাও।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি না করার হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি না করার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি না করার ব্যাপারে বিভিন্ন দেশকে সতর্ক করেছে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, দেশগুলো যেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন কোনো বাণিজ্য চুক্তি না করে, যাতে চীনের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতে পারে। চীন হুঁশিয়ারি দিয়ে আরো বলেছে, কোনো দেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের স্বার্থবিরোধী চুক্তি সই করে, তাহলে সেই দেশের বিরুদ্ধে চীন শক্ত অবস্থান নেবে এবং পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সোমবার  (২১ এপ্রিল) বিবিসির এক প্রতিবেদনের বলা হয়, মার্কিন শুল্ক ছাড়ের বিনিময়ে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সীমিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশকে চাপ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে- ব্লুমবার্গের এমন একটি প্রতিবেদন সামনে আসার পর চীন এই হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরে আসা জাপানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাণিজ্যিক আলোচনা করেছে এবং এই সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া আলোচনা শুরু করতে চলেছে।  ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউজে ফিরে আসার পর থেকে চীনা পণ্য আমদানির উপর ব্যাপক কর আরোপ করেছেন, অন্যদিকে অন্যান্য দেশগুলোও তাদের পণ্যের উপর মার্কিন শুল্ক আরোপের শিকার হয়েছে। নতুন আরোপিত মার্কিন কর থেকে রেহাই পেতে দেশগুলো যুুক্তরাষ্ট্রকে ‘তুষ্ট’ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।  দেশগুলোকে সতর্ক করে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “তুষ্টি শান্তি আনতে পারে না এবং আপস কাউকে সম্মান দিতে পারে না।”  মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, “চীনের স্বার্থের বিনিময়ে যে কোনো পক্ষের চুক্তিতে পৌঁছানোর দৃঢ় বিরোধিতা করে চীন। যদি এটি ঘটে, তাহলে চীন কখনই তা মেনে নেবে না এবং দৃঢ়ভাবে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।” গত সপ্তাহে রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত চায়না ডেইলির একটি সম্পাদকীয়তে একই ধরনের মন্তব্য করা হয়েছিল, যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘তুষ্ট’ করার চেষ্টা করার বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়েছিল। ট্রাম্প জানিয়েছেন, পারস্পরিক শুল্ক ঘোষণার পর থেকে ৭০টিরও বেশি দেশ আলোচনা শুরু করার জন্য যোগাযোগ করেছে।

পোপ ফ্রান্সিস মারা গেছেন

পোপ ফ্রান্সিস মারা গেছেন ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। আজ সোমবার ভ্যাটিকানের একটি ভিডিও বার্তায় তার মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে। ভিডিও বার্তায় কার্ডিনাল কেভিন ফারেল জানান, স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে ভ্যাটিক্যানে নিজ বাসভবন কাসা সান্টা মার্টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন পোপ। ভ্যাটিক্যানের টেলিভিশন চ্যানেলে ফারেল বলেন, “গভীর দুঃখের সঙ্গে আমাকে আমাদের পবিত্র ফাদার ফ্রান্সিসের মৃত্যুর কথা ঘোষণা করতে হচ্ছে। রোমের বিশপ আজ সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার পুরো জীবন প্রভু এবং তার গির্জার সেবায় নিবেদিত ছিল।”“তিনি আমাদের বিশ্বস্ততা, সাহস এবং সর্বজনীন প্রেমের সাথে সুসমাচারের মূল্যবোধগুলো জীবনযাপন করতে শিখিয়েছিলেন, বিশেষ করে দরিদ্রতম এবং সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষের পক্ষে।” ফারেল আরো বলেন, “প্রভু যীশুর একজন প্রকৃত শিষ্য হিসেবে তার উদাহরণের জন্য অপরিসীম কৃতজ্ঞতার সাথে, আমরা ঈশ্বরের অসীম করুণাময় প্রেমের কাছে পোপ ফ্রান্সিসের আত্মাকে প্রণাম জানাই।” রবিবারই খ্রিস্টান ক্যাথলিক ধর্মালবলম্বীদের উদ্দেশে ইস্টারের বার্তা দিয়েছিলেন পোপ ফ্রান্সিস। সেন্ট পিটারস ব্যাসিলিকার ব্যালকনি থেকে নিজের বার্তা শুনিয়েছিলেন তিনি। তার কথা শোনার জন্য ভ্যাটিক্যান স্কোয়ারে ভিড় করেছিলেন হাজার হাজার মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিলেন পোপ ফ্রান্সিস। হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা চলছিল তার। সম্প্রতি রোমের গেমেলি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান রোমান ক্যাথলিক গির্জার প্রধান। তারপর থেকে ভ্যাটিক্যানে নিজের বাসভবনেই ছিলেন তিনি। সোমবার সকালে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পোপ। ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ ভ্যাটিকানের ২৬৬তম পোপ নির্বাচিত হন ফ্রান্সিস। রোমের বিশপ হিসেবে তিনি বিশ্বব্যাপী ক্যাথলিক চার্চ এবং সার্বভৌম ভ্যাটিকান সিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।  ১৯৩৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে পোপ ফ্রান্সিসের জন্ম। ক্যাথলিক পুরোহিত হিসেবে তার অভিষেক হয়েছিল ১৯৬৯ সালে। তিনি ছিলেন ৭৪১ সালের পর প্রথম নন-ইউরোপিয়ান পোপ। ৭৪১ সালে সিরিয়ান বংশোদ্ভূত তৃতীয় গ্রেগরির মৃত্যুর পর রোমে আর কোনো নন-ইউরোপীয় পোপ আসেননি। পুরো আমেরিকা অঞ্চল এবং দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ ছিলেন ফ্রান্সিস। তিনি ক্যাথলিক গির্জায় সংস্কার কখনো বন্ধ করেননি। তারপরও তিনি সকলের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন।

ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৫৪ ফিলিস্তিনি

ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৫৪ ফিলিস্তিনি গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। শনিবার একদিনেই কমপক্ষে ৫৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন গাজার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন, গাজায় হামলার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে। তার এই ঘোষণা আসে, যখন হামাস ইসরায়েলের প্রস্তাবিত একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। হামাসের দাবি, যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে বন্ধের নিশ্চয়তা ছাড়া তারা বন্দিমুক্তির কোনও চুক্তিতে যাবে না। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর গত ১৮ মাসে গাজায় ৫১,০৬৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১১৬,৫০৫ জন আহত হয়েছেন। তবে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস আরও ভয়াবহ পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ চাপা পড়ে আছেন, যাদের অনেকেই মৃত বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ৬১,৭০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে তারা জানিয়েছে। গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীরেও অভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। দখলকৃত পশ্চিম তীরে তুলকারেম শহরের উত্তরে এক ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে পায়ে আহত করেছে ইসরায়েলি সেনারা। তাছাড়া বেইত উম্মার, ইদনা শহর এবং নাবলুস-এ অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এসব এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। নুর শামস শরণার্থী শিবির (তুলকারেমের কাছে) থেকে এক ফিলিস্তিনি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তুতা শহরে অভিযানের সময় ব্যাপকভাবে টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড বোমা ব্যবহার করা হয়েছে, যা এলাকায় আতঙ্ক ছড়ানো হয়। পাশাপাশি, সালফিত গভর্নরেটের বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ব্রুকিন ও দেইর বল্লুত।