ভারতীয়রা পূজার আগেই পদ্মার ইলিশের স্বাদ পাবে

ভারতীয়রা পূজার আগেই পদ্মার ইলিশের স্বাদ পাবে দুর্গাপূজার আগেই ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার ৮ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের ফিস ইমপোর্টারস এসোসিয়েশনের কাছে একটি মেইল করে ইলিশ রপ্তানির অনুমতির খবর জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। চলতি বছর দুর্গাপূজায় ৩৫০০ মেট্রিক টনের বদলে ১২০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ধার্য করা প্রতি কেজি ইলিশের দাম ১২.৫ মার্কিন ডলার ধার্য করা হয়েছে। বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো মেইলে লেখা আছে, প্রতিবছরের ন্যায় চলতি ২০২৫ সালের দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১২০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে শর্তসাপেক্ষে রপ্তানির জন্য সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর আলোকে আগ্রহী রপ্তানিকারকগনের কাছ থেকে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে হার্ড কপিতে আবেদন করার আহ্বান করা হচ্ছে। প্রতি কেজি ইলিশের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য ১২.৫ মার্কিন ডলার সরকার কর্তৃত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রথমে ৩৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তা কমিয়ে ২৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এবার তা আরও কমিয়ে ১২০০ মেট্রিক টন রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে ফিস্ ইমপোর্টারস এসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ বলেন, আমরা আশা করেছিলাম ইলিশের পরিমাণটা একটু বাড়বে। তবে বাংলাদেশেও ইলিশের উৎপাদন অনেক কম হয়েছে। হয়তো সে কারণেই ইলিশের পরিমাণ কম আসছে। তবে যাই হোক পূজার আগে ভারতের বাঙালিরা পদ্মার ইলিশের স্বাদ নিতে পারবে।
‘দুর্নীতি বন্ধ করো’নেপালের শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্ম

‘দুর্নীতি বন্ধ করো’নেপালের শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্ম অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে নেপাল। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। খবর বিবিসির। নেপালের মন্ত্রিসভার মুখপাত্র এবং যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী পৃথ্বী শুব্বা গুরুং আজ মঙ্গলবার দিনের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর আগে সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুতে হাজারো তরুণ সংসদ ভবনে প্রবেশ করে ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইউটিউবসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে সরকারের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুং জানিয়েছেন, সোমবার গভীর রাতে ‘তরুণ প্রজন্মের দাবি পূরণের’ জন্য জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সোমবার দিনভর কেবল রাজধানী নয়, রাজধানীর বাইরের শহরগুলোতেও বিক্ষোভ হয়। এসব ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। নেপালে ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে লাখো ব্যবহারকারী রয়েছে। তারা বিনোদন, খবর এবং ব্যবসার জন্য এসব প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরশীল। নেপাল হাইকোর্টের গত বছরের নির্দেশনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে নেপালে নিবন্ধনের শর্ত দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ২৮ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয় সরকার। কিন্তু ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ বড় প্ল্যাটফর্মগুলো নিবন্ধন না করায় গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬টি প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। সরকারের এ পদক্ষেপেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে নেপালের শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্ম। ৪ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিতে থাকা আন্দোলন সোমবার রাজধানীজুড়ে রীতিমতো বিস্ফোরিত হয়ে পড়ে। কারফিউ অমান্য করে রাস্তায় নামেন হাজারো তরুণ-জনতা। রাস্তায় নামা তরুণরা জানান, তারা সরকারের কর্তৃত্ববাদী মনোভাবের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করছেন। তাদের হাতে থাকা অনেক প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল- ‘এবার যথেষ্ট হয়েছে’ এবং ‘দুর্নীতি বন্ধ করো’।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা জালিয়াতি নিয়ে বিশেষ বার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা জালিয়াতি নিয়ে বিশেষ বার্তা ভিসা জালিয়াতির পরিণতি অত্যন্ত গুরুতর বলে জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। ভিসার আবেদনে মিথ্যা তথ্য বা ভুয়া নথিপত্র জমা দিলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের আওতায় স্থায়ীভাবে বাতিল হয়ে যেতে পারে ভিসা। এর অর্থ হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আর কখনো যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন না। আজ নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ তথ্য পুনর্ব্যক্ত করেছে মার্কিন দূতাবাস। এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রার্থীদের জন্য কঠোর বার্তা দেয় ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। সেই বার্তায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়, ভিসা জালিয়াতিতে জড়িতদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হবে আজীবনের জন্য।
নেপালে জেন-জি বিক্ষোভে নিহত বেড়ে ১৪, কারফিউ জারি

নেপালে জেন-জি বিক্ষোভে নিহত বেড়ে ১৪, কারফিউ জারি সরকারি দুর্নীতি এবং সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে নেপালে আজ শুরু হওয়া জেন-জি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন অস্থিরতা রোধ এবং শহরের সংবেদনশীল বিভিন্ন স্থানে কারফিউ জারি করেছে। এক প্রতিবেদনে কাঠমান্ডু পোস্ট এসব তথ্য জানিয়েছে। তবে নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। প্রতিবেদন অনুসারে, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর জলকামান, কাঁদানে গ্যাস এবং তাজা গুলি ব্যবহার করেছে। কাঠমান্ডু এবং অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আনুতিন

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আনুতিন রাজার অনুমোদনের পর থাইল্যান্ডের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী আনুতিন চার্নভিরাকুল রোববার দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে নতুন রক্ষণশীল নেতৃত্বের যাত্রা শুরু হলো। ব্যাংকক থেকে এএফপি জানায়, থাইল্যান্ডের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের মহাসচিব আরপাথ সুখানুন্ত এক অনুষ্ঠানে রাজ-আদেশ পড়ে শোনান। ব্যাংককে আনুতিনের ভুমজাইথাই পার্টির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মহামান্য রাজা আনুতিন চার্নভিরাকুলকে এখন থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন দিয়েছেন। ৫৮ বছর বয়সী আনুতিন এর আগে উপ-প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত দুই বছরের মধ্যে দেশটির তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আনুতিন। তবে চার মাসের মধ্যে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচনের আয়োজন করার শর্তে তিনি ক্ষমতায় এসেছেন। আনুতিন জনপ্রিয় সিনাওয়াত্রা পরিবারের ফেউ থাই পার্টিকে পরাজিত করলেন। তারা ২০২৩ সালের নির্বাচনের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রেখেছিল। তবে গত মাসে আদালতের আদেশে তাদের উত্তরাধিকারী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে বরখাস্ত হন।
নাইজেরিয়ায় জিহাদিদের হামলায় নিহত ৬৩

নাইজেরিয়ায় জিহাদিদের হামলায় নিহত ৬৩ জিহাদিরা নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি শহরে হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ৬৩ জনকে হত্যা করেছে। শহরের বাসিন্দাদেরকে একটি বাস্তুচ্যুত শিবির থেকে শহরটিতে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। শুক্রবার রাতের হামলায় দারুল জামাল শহরে আঘাত হানা হয়, যেখানে জিহাদি হামলায় বিধ্বস্ত নাইজেরিয়া-ক্যামেরুন সীমান্তের একটি সামরিক ঘাঁটি থেকে বাসিন্দারা বাসিন্দারা এসেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত বোর্নো রাজ্যের গভর্নর বাবাগানা জুলুমের বরাত দিয়ে একটি নিরাপত্তা সূত্র এএফপিকে নিশ্চিত করেছে যে, নিহতদের মধ্যে পাঁচ জন সৈন্য রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের জন্য শিবির বন্ধ করে তাদের বাসিন্দাদের গ্রামাঞ্চলে ফিরিয়ে আনার জন্য নাইজেরিয়ার চাপ বেড়েছে। হামলার ঘটনাস্থলে উপস্থিত জুলুম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা খুবই দুঃখজনক। এই সম্প্রদায়কে কয়েক মাস আগে পুনর্বাসিত করা হয়েছিল এবং তারা তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল।’ ‘এখন পর্যন্ত, আমরা নিশ্চিত করছি যে বেসামরিক ও সেনাবাহিনী উভয় মিলে মোট ৬৩ জন প্রাণ হারিয়েছে।’ ২০১৩-২০১৫ সাল পর্যন্ত বোকো হারামের বিদ্রোহের শীর্ষে পৌঁছানোর পর থেকে জিহাদি সহিংসতা হ্রাস পেয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা ওয়েস্ট আফ্রিকান প্রভিন্সসহ উত্তর-পূর্বের গ্রামীণ এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। জুলুম বলেন, ‘নাইজেরিয়ান সেনাবাহিনীর সংখ্যাগত শক্তি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য যথেষ্ট নয়। তিনি আরও বলেন, ফরেস্ট গার্ডস নামে একটি নতুন প্রতিষ্ঠিত বাহিনী এই অঞ্চলে নিরাপত্তা কর্মী বৃদ্ধি করার জন্য প্রস্তুত ছিল। বাসিন্দারা জানান, রাত ৮টা ৩০ মিনিট নাগাদ আক্রমণ শুরু হয়। ওই সময়ে কয়েক ডজন যোদ্ধা মোটরবাইকে করে এসে অ্যাসল্ট রাইফেল গুলি চালায় ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। স্ত্রী এবং তিন সন্তানকে নিয়ে গ্রামাঞ্চলে পালিয়ে যাওয়া মালাম বুকার এএফপিকে বলেন, ‘তারা চিৎকার করতে করতে এসেছিল। ওরা এসেই দেখামাত্রই এখানকার মানুষের ওপর গুলি করে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যখন ভোরে ফিরে আসি, তখন সর্বত্র লাশ পড়ে ছিল।’ এদিকে দেশটির বিমান বাহিনী জানিয়েছে, তারা ‘সন্ত্রাসীদের’ হত্যা করেছে। এর আগে, বেসামরিক মিলিশিয়া কমান্ডার বাবাগানা ইব্রাহিম বলেন, এই ঘটনায় কমপক্ষে ৫৫ জন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এনজিও কর্মী এএফপিকে জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা ৬৪।
পদত্যাগ করবেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা

পদত্যাগ করবেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা উচ্চকক্ষের নির্বাচনে বিপর্যয়কর ফলাফলের পর জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি রোববার জানিয়েছে, এই বিপর্যয়ের তার ক্ষমতাসীন দলের সদস্যরা নতুন নেতৃত্বের নির্বাচনের আয়োজনের চেষ্টা করায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ৬৮ বছর বয়সী ইশিবা প্রায় এক বছর আগে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তারপর থেকে তিনি পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান। জাপানের সরকারি গণমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, বিভাজন এড়াতে ইশিবা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে আসাহী শিমবুন দৈনিক সংবাদপত্র বলেছে, পদত্যাগের আহ্বান বৃদ্ধির কারণে তিনি টিকে থাকতে পারেননি। কৃষি মন্ত্রী ও সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রী শনিবার রাতে ইশিবার সঙ্গে দেখা করে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এনএইচকে জানিয়েছে, ইশিবা দিনের শেষের দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে, দলের দুই নম্বর নেতা হিরোশি মোরিয়ামাসহ চার জন সিনিয়র এলডিপি কর্মকর্তা পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। জুলাই মাসে উচ্চকক্ষের ভোটের পর ইশিবার বিরোধীরা তাকে নির্বাচনের ফলাফলের দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের মতে, এই পদক্ষেপকে সমর্থনকারীদের মধ্যে ৮৪ বছর বয়সী প্রভাবশালী সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোও ছিলেন। তবে আরও কিছু প্রবীণ সদস্য সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এলডিপির পুরনো ধাঁচের রাজনীতি তাদের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ন করছে। নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন চান এমন জাপান জুড়ে এলডিপি আইন প্রণেতা এবং আঞ্চলিক কর্মকর্তারা সোমবার একটি অনুরোধ জমা দেবেন। প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় নেতা হিসেবে ইশিবার মেয়াদ ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সানা তাকাইচি মঙ্গলবার বলেছিলেন যে, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সানাকে একজন কট্টর জাতীয়তাবাদী হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শুল্ক চুক্তি ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বর্তমান চাল নীতি পরিবর্তনের সরকারের সিদ্ধান্তের পর ইশিবার মন্ত্রিসভার প্রতি সমর্থন ফিরে আসছে। ভোটাররা ২০২৪ সালের শেষ নেতৃত্ব নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী তাকাইচির প্রতি খুব একটা আগ্রহী নন। পরিশ্রমী রাজনীতিবিদ ইশিবা গত বছর তার পঞ্চমবারের প্রচেষ্টায় ‘নতুন জাপান’-এর প্রতিশ্রুতি দিয়ে এলডিপির নেতা নির্বাচিত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ‘ইতিবাচক’: নরেন্দ্র মোদি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ‘ইতিবাচক’: নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের সম্পর্ক এখনো ‘অনেক ইতিবাচক’ রয়ে গেছে। মোদির সঙ্গে ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করার পরে শনিবার এ মন্তব্য করলেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। এক্স- এ মোদি লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুভূতি এবং আমাদের সম্পর্ক নিয়ে তার ইতিবাচক বক্তব্যের প্রশংসা করছি। আমরা এর সম্পূর্ণ প্রতিদান দেব। ভারত ও আমেরিকার মধ্যে অত্যন্ত ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী এবং কৌশলগত অংশীদারি রয়েছে।” ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় আমদানিতে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের পর থেকে দীর্ঘস্থায়ী দুই মিত্রের মধ্যে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছ। রাশিয়ার তেল কিনে ইউক্রেনের উপর মস্কোর মারাত্মক আক্রমণে ইন্ধন জোগানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে। চীনে প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিং, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদির বৈঠকের পরে শুক্রবার ট্রাম্প বলেছিলেন, রাশিয়ার পাশাপাশি ভারতও চীনের কাছে ‘পরাজিত হলো’ বলে মনে হচ্ছে। তার এই মন্তব্যের পরে দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্বের জল্পনা আরো তীব্র হয়ে ওঠে। তবে শুক্রবার রাতে ট্রাম্প তার মন্তব্য থেকে সরে এসে সাংবাদিকদের বলেন, “আমি খুবই হতাশ হয়েছি যে ভারত রাশিয়া থেকে এত তেল কিনছে, যেমনটা আপনারা জানেন। এবং আমি তাদের এটা জানিয়েছি।”
গাজার বাসিন্দাদের দক্ষিণে যাবার নির্দেশ ইসরায়েলি বাহিনী

গাজার বাসিন্দাদের দক্ষিণে যাবার নির্দেশ ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনিদের গাজার উত্তরাংশ থেকে সরে দক্ষিণে চলে যেতে বলেছে ইসরায়েলি বাহিনী। কারণ তাদের বাহিনী ছিটমহলের বৃহত্তম নগর এলাকার আরো গভীরে অগ্রসর হচ্ছে। আজ ইসরায়েলি বাহিনী এ ঘোষণা দিয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সেনাবাহিনীকে গাজার উত্তরাঞ্চল দখলের নির্দেশ দেওয়ার পর কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসরায়েলি বাহিনী উত্তরাঞ্চলীয় শহরতলিতে আক্রমণ চালিয়ে আসছে। নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, গাজা শহর হামাসের একটি শক্ত ঘাঁটি এবং ফিলিস্তিনি এই গোষ্ঠীটিকে পরাজিত করার জন্য গাজা দখল করা প্রয়োজন। ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র আভিচায় আদ্রাই এক্স-এ লিখেছেন, বাসিন্দাদের শহর ছেড়ে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি নির্ধারিত অঞ্চলে চলে যাওয়া উচিত। তারা সেখানে খাবার, চিকিৎসা সেবা এবং আশ্রয় পাবে।
৩৪টি মানব বোমা, হামলার হুমকিতে সর্বোচ্চ সতর্ক মুম্বাই

৩৪টি মানব বোমা, হামলার হুমকিতে সর্বোচ্চ সতর্ক মুম্বাই ৪০ কেজি বিস্ফোরক নিয়ে ৩৪টি ‘মানব বোমা’ ৩৪টি গাড়িতে রাখা হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপে এমন আত্মঘাতী হামলার হুমকি পেয়ে শুক্রবার উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে ভারতের বাণিজ্যনগরী মুম্বাইয়ের পুলিশ। খবর এনডিটিভি অনলাইনের। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, মুম্বাইয়ের ট্র্যাফিক পুলিশের হেল্পলাইন নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বার্তা পাঠক নিকেজে ‘লস্কর-ই-জিহাদি’ নামে এক সংগঠনের সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছে। তার দাবি, ৩৪টি মানব বোমা বহনকারী গাড়ি মুম্বাইয়ের বিভিন্ন জায়গায় রাখা হয়েছে। তাতে মোট ৪০০ কেজি আরডিএক্স রয়েছে। তার বিস্ফোরণে কাঁপবে মুম্বাই। শুধু তা-ই নয়, ১৪ জন জঙ্গি পাকিস্তান থেকে মুম্বাইয়ে প্রবেশ করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই হুমকিবার্তা পাওয়ার পরই পুলিশ তৎপরতা বাড়িয়েছে। দিকে দিকে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। তবে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত কোথাও সন্দেহজনক কিছু মেলেনি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ভুয়া হুমকি বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনোরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ মুম্বাই পুলিশ। বোমা স্কোয়াড এবং বিশেষ পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় খোঁজ চালানো হচ্ছে। ভারতের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিমানবন্দরে বোমা হামলার হুমকি ইমেল, ফোন নতুন নয়। এর আগেও বেশ কয়েকবার এমন হুমকি ইমেল পাঠানো হয় দিল্লি, মুম্বাই, জয়পুরের বিভিন্ন স্কুলে। গত বছরের মে মাসে প্রায় ৩০০টি স্কুল বোমা-হুমকির ইমেল পাওয়া গিয়েছিল। জুলাই মাসে রাজধানী দিল্লিতে টানা তিন দিন ধরে আটটি বোমা হামলার হুমকির খবর মিলেছিল। দিন কয়েক আগেই দিল্লির ৫০টির বেশি স্কুলে বোমা হামলার হুমকি-ইমেল পাঠানো হয়েছে। তবে প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এসব ভুয়া হুমকি বলে জানা যায়।