যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চাপে ভারত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চাপে ভারত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে ভারত। সমালোচকদের দাবি, এই চুক্তি ওয়াশিংটনের কাছে ‘আত্মসমর্পণ’। মুম্বাই থেকে এএফপি জানায়, চলতি মাসে ঘোষিত চুক্তিটি বিশেষ করে ভারতের প্রভাবশালী কৃষক সংগঠনগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তাদের আশঙ্কা, সস্তা মার্কিন পণ্য আমদানি হলে দেশীয় উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। ভারতে ৭০ কোটির বেশি মানুষ কৃষির সঙ্গে যুক্ত। চুক্তির বিস্তারিত এখনো প্রকাশ হয়নি, শুধু একটি যৌথ বিবৃতি ও হোয়াইট হাউসের তথ্যপত্র প্রকাশিত হয়েছে। তবে নয়াদিল্লি জানিয়েছে, মার্চের শেষ নাগাদ একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে। বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ অভিজিৎ দাস এএফপিকে বলেন, ‘ট্রাম্পের যুগে নিশ্চিত বলে কিছু নেই।’ তার মতে, চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তা টিকবে কি না, তা নির্ভর করবে ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর। সবচেয়ে বিতর্কিত প্রতিশ্রুতি হলো- সভারত আগামী পাঁচ বছরে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্য কেনার ‘ইচ্ছা’ প্রকাশ করেছে। অথচ গত অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের আমদানি ছিল প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ডলার। নয়াদিল্লিভিত্তিক থিংক ট্যাংক গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের অজয় শ্রীবাস্তব বলেন, বছরে আমদানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা ‘অবাস্তব’। তিনি জানান, এ অঙ্গীকারের বড় অংশ বিমান কেনার সঙ্গে যুক্ত। তবে বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোর অতিরিক্ত বোয়িং বিমান কেনার সিদ্ধান্তও মোট লক্ষ্যপূরণে যথেষ্ট হবে না। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, পাঁচ বছরে ২০০টি বোয়িং বিমান কিনলেও (প্রতি বিমানের আনুমানিক মূল্য ৩০০ মিলিয়ন ডলার) মোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে কিছু অর্থনীতিবিদ মনে করেন, ‘অঙ্গীকার’ নয় বরং ‘ইচ্ছা’ হিসেবে লক্ষ্য নির্ধারণ করায় নয়াদিল্লির ঝুঁকি কিছুটা কমেছে। ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের শিভান ট্যান্ডন বলেন, লক্ষ্যকে বাধ্যবাধকতা না বানানোয় চুক্তি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা কমেছে। আরেকটি বিতর্কিত বিষয় হলো- ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধে সম্মত হয়েছে বলে ওয়াশিংটনের দাবি। এর পর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে। তবে যৌথ বিবৃতিতে এমন কোনো প্রতিশ্রুতির উল্লেখ নেই এবং ভারত সরকারও বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। ভারত বলছে, তাদের জ্বালানি নীতি জাতীয় স্বার্থনির্ভর এবং বিভিন্ন উৎস থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির ওপর নির্ভরশীল। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি রুশ তেল আমদানি করলেও জানুয়ারিতে তা কমে প্রায় ১১ লাখ ব্যারেলে নেমেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত রিফাইনারিগুলো এপ্রিলের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল কেনা শুরু করেছে। তবে রুশ তেল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। আংশিকভাবে রাশিয়ার রোজনেফটের মালিকানাধীন মুম্বাইভিত্তিক নায়ারা এনার্জি প্রতিদিন প্রায় ৪ লাখ ব্যারেল তেল কেনা অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা করছে বলে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তিটি এখনো ‘ভঙ্গুর ও রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত। এ কারণে ভারতের প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাসে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আনার মতো স্থিতিশীলতা এখনো তৈরি হয়নি।

ইরানে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে চান রেজা পাহলভি

ইরানে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে চান রেজা পাহলভি জার্মানির মিউনিখে ইরানি প্রবাসীদের এক বিশাল সমাবেশে দেশটির সাবেক যুবরাজ ও বিরোধী নেতা রেজা পাহলভি বলেছেন, তিনি ইরানে একটি ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ‘রূপান্তর’ প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত। শনিবার মিউনিখের থেরেজিয়েনভিজে ময়দানে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। পুলিশ জানায়, সমাবেশে প্রায় দুই লাখ মানুষ অংশ নেন। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ইরানের বর্তমান শাসকদের অপসারণের দাবি জানান। রেজা পাহলভি বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের দিকে রূপান্তর নিশ্চিত করতে।’ ‘আমি আপনাদের জন্য এই রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে একদিন আমরা স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ব্যালটের মাধ্যমে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারি’, বলেন তিনি। ইরানের সাবেক শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির ছেলে রেজা পাহলভি দীর্ঘদিন ধরেই বর্তমান ইসলামি প্রজাতন্ত্র সরকারের কড়া সমালোচক। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের পতনের পর থেকে তিনি প্রবাসে বসবাস করছেন। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

টিউলিপকে দেশে ফেরাতে আবেদন করবে নির্বাচিত সরকার

 টিউলিপকে দেশে ফেরাতে আবেদন করবে নির্বাচিত সরকার দুর্নীতির মামলায় লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিককে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য যুক্তরাজ্যের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন জানাবে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকার। প্রধানমন্ত্রী-মনোনীত তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ এক শীর্ষ সহযোগীর বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউকে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে। হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড হাইগেটের এমপি ও সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকির বিরুদ্ধে ঢাকার একটি জমি অধিগ্রহণ চুক্তি সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলা রয়েছে। মামলার শুনানিতে অনুপস্থিতিত থাকলেও টিউলিপকে এ মামলার বিচারে চার বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য সরকার জানিয়েছে, তারা এই রায়কে স্বীকৃতি দেয় না। এই মামলায় টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে তার খালা, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পৃথকভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ২০২৪ সালে সরকার পতনের পর তিনি ভারতে পালিয়ে যান। তারেক রহমানের সম্ভাব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আলোচিত হুমায়ুন কবির বলেছেন, নতুন বিএনপি সরকার দুর্নীতির মামলায় বিচার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে। তারা এখন দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী। বিচারিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে এগোচ্ছে, দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে বলেন হুমায়ুন কবির। তবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই ফলে টিউলিপ সিদ্দিককে দেশে ফেরত পাঠানো অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে। চুক্তি ছাড়াও তাত্ত্বিকভাবে প্রত্যর্পণ সম্ভব হলেও, লেবার পার্টি এই বিচার প্রক্রিয়ার কঠোর সমালোচনা করেছে। লেবার পার্টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিক ন্যায্য আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ পাননি এবং অভিযোগের বিস্তারিত কখনও তাকে জানানো হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে আমরা এই রায়কে স্বীকৃতি দিতে পারি না। হুমায়ুন কবির বলেন, নতুন সরকার মামলাগুলো প্রত্যাহার করবে না। আমরা হস্তক্ষেপ করব না। বিচারিক প্রক্রিয়াই তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। এছাড়া, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি কর্তৃক সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৭০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ করার পদক্ষেপকে স্বাগত জানান হুমায়ুন কবির, তবে বলেন ,আরও অনেক কিছু করা প্রয়োজন। টিউলিপ সিদ্দিক এর আগে এই বিচারকে ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই কথিত রায় যেমন পূর্বনির্ধারিত, তেমনি অযৌক্তিক। আমি বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতিতে বিভ্রান্ত হব না; আমার মনোযোগ সবসময় আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রতি।

ঢাকায় আসছেন ভারতের স্পিকার-পররাষ্ট্র সচিব

ঢাকায় আসছেন ভারতের স্পিকার-পররাষ্ট্র সচিব বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা। সঙ্গে থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লোকসভার স্পিকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকার তথ্য জানিয়েছে। জানা গেছে, শনিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে ভারতীয় হাইকমিশন সূত্র জানায়, একই সময়ে ভারতে এআই সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছ। এতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁসহ প্রায় ২০ জন রাষ্ট্রপ্রধান উপস্থিত থাকবেন। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী মোদির পরিবর্তে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

দুই দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালু করলো চীন

দুই দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালু করলো চীন যুক্তরাজ্য ও কানাডার নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালু করার ঘোষণা দিয়েছে চীন। দেশটির কর্তৃপক্ষ কানাডা ও যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই চীনে প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছে। রোববার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কানাডীয় ও ব্রিটিশ নাগরিকরা চীনে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারবেন বলে বেইজিংয়ের কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। বেইজিংয়ে ওই দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে চীনা কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালুর ঘোষণা এসেছে। এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের সাধারণ পাসপোর্টধারীরা ব্যবসা, পর্যটন, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, সৌজন্য বিনিময় কর্মসূচি অথবা ট্রানজিটের উদ্দেশ্যে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য ভিসা ছাড়াই চীনে প্রবেশ করতে পারবেন। এই নীতি আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বেইজিং। এর আগে, গত ১৬ জানুয়ারি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বেইজিংয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর চীনা কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, কানাডীয় নাগরিকদের জন্য ৩০ দিনের ভিসামুক্ত প্রবেশের প্রস্তাবটি সক্রিয়ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পরদিন ১৭ জানুয়ারি চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কানাডার প্রস্তাব এখনও আলোচনাধীন রয়েছে। কানাডা ও যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্য এক মাসের ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালুর চীনা এই পদক্ষেপকে গত কয়েক বছর ধরে চলা সম্পর্কের দ্বিপাক্ষিক টানাপোড়েনের অবসানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৮ সালে কানাডায় চীনা নাগরিক মেং ওয়ানঝৌ গ্রেপ্তারের পর থেকেই চীন-কানাডা সম্পর্কের অবনতি শুরু হয়। পরবর্তীতে কানাডা হুয়াওয়ের ৫জি সরঞ্জামের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, বেইজিংয়ের এই ভিসা সংক্রান্ত বার্তায় উভয় দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করার বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে। তবে কানাডা চীনের নাগরিকদের জন্য পাল্টা কোনও সুবিধা দেবে, সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। বর্তমানে চীনা নাগরিকদের কানাডায় পূর্ণ ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালু নেই। বরং ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) যাচাই ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে দেশটিতে চীনা নাগরিকদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রিত হয়। সূত্র: এএফপি।

রমজানে আল-আকসায় মুসলিমদের প্রবেশ সীমিত করতে যাচ্ছে

রমজানে আল-আকসায় মুসলিমদের প্রবেশ সীমিত করতে যাচ্ছে  আসন্ন পবিত্র রমজানে মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদে নামাজ আদায়ে প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি ও বিশিষ্ট ইসলামি আলেম শেখ একরিমা সাবরি আনাদোলুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। শেখ একরিমা সাবরি রমজান মাসে মুসলমানদের আল-আকসায় প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপের ইসরায়েলি পরিকল্পনায় দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে নতুন পুলিশ কমান্ডার হিসেবে মেজর জেনারেল আভশালোম পেলেদকে নিয়োগ দেওয়ার মধ্য দিয়েই ইসরায়েলের বাজে উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে যায়। এই নিয়োগকে অনেকেই আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। ইসরায়েলি পত্রিকা হারেৎজ লিখেছে, ‘মনে হচ্ছে বেন-গভির আগুনে ঘি ঢালতে যা যা করা সম্ভব, সবই করছেন। শেখ সাবরি বলেন, ‘মুসলমানরা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নত অনুসরণ করে শাবান মাসের শেষে আশাবাদ নিয়ে রমজানকে স্বাগত জানান। কিন্তু জেরুজালেমের ক্ষেত্রে আমরা দুঃখিত। কারণ, দখলদার কর্তৃপক্ষ আল-আকসা মসজিদে আসা মুসল্লিদের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে কয়েক ডজন তরুণকে মসজিদে প্রবেশে বাধা দিয়েছে। তারা ঘোষণা করেছে, অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে রমজানে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের জন্য কোনো শিথিলতা দেওয়া হবে না’, বলেন তিনি। সাবরি বলেন, ‘এর মানে হলো আরও কঠোর বিধিনিষেধ থাকবে। আল-আকসায় মুসল্লির সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কম হবে। এটি ইবাদতের স্বাধীনতার পরিপন্থী।

ভিয়েতনামে বাড়ির ফ্রিজে মিললো বাঘের মরদেহ, গ্রেফতার ২

ভিয়েতনামে বাড়ির ফ্রিজে মিললো বাঘের মরদেহ, গ্রেফতার ২ ভিয়েতনামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ব্যবহুত ফ্রিজ থেকে দুটি বাঘের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিপন্ন প্রজাতির এই প্রাণীর অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগে ওই ব্যক্তি ও আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একসময় ভিয়েতনামের বনে বাঘ বিচরণ করতো। কিন্তু এখন দেশটির বনগুলোতে বাঘ প্রায় পুরোপুরি বিলুপ্তপ্রায়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি অবৈধ বন্যপ্রাণী পণ্যের একটি বড় ভোক্তা কেন্দ্র ও জনপ্রিয় পাচার-রুট হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে, ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় ব্যবহারের কারণে বাঘের হাড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় থেকে দক্ষিণে থান হোয়া প্রদেশের পুলিশ জানিয়েছে, ৫২ বছর বয়সী হোয়াং দিন দাতের বাড়ির বেজমেন্টে রাখা ফ্রিজ থেকে দুটি পূর্ণবয়স্ক বাঘের মরদেহ পাওয়া গেছে। বাঘ দুটির ওজন প্রায় ৪০০ কেজি (৮৮২ পাউন্ড)। অনলাইনে প্রকাশিত পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে দাত স্বীকার করেছেন যে তিনি বাঘ দুটি কিনেছিলেন দুই বিলিয়ন ডংয়ে (৭৭ হাজার মার্কিন ডলার)। তিনি বিক্রেতা হিসেবে ৩১ বছর বয়সী নগুয়েন ডোয়ান সনের নাম জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ সপ্তাহের শুরুর দিকেই ওই দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ক্রেতার বাড়িতে তথাকথিত ‘টাইগার বোন গ্লু’ বা বাঘের হাড় থেকে তৈরি আঠা বানানোর যন্ত্রপাতিও পাওয়া গেছে। স্থানীয়ভাবে এটি হাড়ের জোড়ায় ব্যথা বা কঙ্কাল সংক্রান্ত নানা রোগ নিরাময়ে কার্যকর বলে বিশ্বাস করা হয়।

রাশিয়া থেকে প্রায় ৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত

রাশিয়া থেকে প্রায় ৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত রাশিয়া থেকে ২৮৮টি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত। এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত ‘প্রয়োজনীয়তার অনুমোদন (এওএন)’ অনুমোদন দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল (ডিএসসি)। এতে ব্যয় হবে ১০ হাজার কোটি রুপি। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা।  গত বছরের নভেম্বরেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস প্রথম জানিয়েছিল, অপারেশন সিঁদুর চলাকালে ব্যবহার করা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনরায় ভরাট করতে এবং দীর্ঘ-পাল্লা ও স্বল্প-পাল্লার সারফেস-টু-এয়ার সিস্টেম বাড়াতে ভারত সরকার এসব ক্ষেপণাস্ত্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এওএন অনুমোদনের মাধ্যমে ১২০টি স্বল্প-পাল্লার ও ১৬৮টি দীর্ঘ-পাল্লার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথ খুলে গেলো। দ্রুত ক্রয়প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এগুলো কেনা হবে বলে হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। তারা আরও জানিয়েছে, চলতি বছরের জুন ও নভেম্বর মাসে ভারত এরই মধ্যে চুক্তিবদ্ধ আরও দুই সেট এস-৪০০ সিস্টেম পাবে। এদিকে, ভারতের বিমানবাহিনী আরও পাঁচটি অতিরিক্ত এস-৪০০ সিস্টেম কেনার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরছে, সঙ্গে প্যান্টসির স্বল্প-পাল্লার সিস্টেমও। রুশ এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সশস্ত্র ড্রোন ও কামিকাজে ড্রোন প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। এস-৪০০ ও প্যান্টসির একসঙ্গে যুক্ত করে দুই-স্তরবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব, যা সীমান্তপারের আকাশপথে আসা যে কোনো লক্ষ্যবস্তু ভূপাতিত করতে সক্ষম। ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পদ্ধতিতে কঠোর পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ অনুমোদন কাঠামো রয়েছে। এটি শুরু হয় ‘স্টেটমেন্ট অব কেস’ দিয়ে, যেখানে উল্লেখ থাকে অপারেশনাল প্রয়োজনীয়তা ও কেনাকাটার যৌক্তিকতা। এরপর তা পর্যালোচনা করে ডিফেন্স প্রোকিউরমেন্ট বোর্ড, যার সভাপতি প্রতিরক্ষা সচিব। পরে তা অনুমোদনের জন্য ডিএসসিতে পাঠানো হয়। এখান থেকে এওএন মিললে বিক্রেতার সঙ্গে বিস্তারিত মূল্য আলোচনা হয়। তারপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আর্থিক অনুমোদন আসে। সবশেষে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (সিসিএস) চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রায় ৩ দশমিক ৬০ লাখ কোটি রুপি মূল্যের বিভিন্ন প্রস্তাবে এওএন দিয়েছেন। বিমানবাহিনীর (আইএএফ) জন্য অনুমোদন পেয়েছে মাল্টি–রোল ফাইটার এয়ারক্রাফট (এমআরএএফএ), রাফালে, কমব্যাট ক্ষেপণাস্ত্র ও এয়ারশিপভিত্তিক হাই–অ্যাল্টিটিউড সুডো–স্যাটেলাইট। ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য অনুমোদন পেয়েছে অ্যান্টি–ট্যাঙ্ক মাইন (বিভব) ও আর্মার্ড রিকভারি ভেহিকল (এআরভি), টি–৭২ ট্যাংক ও বিএমপি–২ যুদ্ধযানের ওভারহলিং। নৌবাহিনীর জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ৪ মেগাওয়াট মেরিন গ্যাস টারবাইন–ভিত্তিক ইলেকট্রিক পাওয়ার জেনারেটর ও পি–৮আই লং রেঞ্জ মেরিটাইম রিকনাইসেন্স এয়ারক্রাফট।

ইরানে সপ্তাহব্যাপী হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে সপ্তাহব্যাপী হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি হামলার নির্দেশ দেন তাহলে ইরানের বিরুদ্ধে সপ্তাহব্যাপী অভিযান অব্যাহত রাখতে মার্কিন সেনাবাহিনী প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দুই মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। ফলে দেশ দুটির মধ্যে আগের তুলনায় অনেক বেশি গুরুতর সংঘাত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের এমন পরিকল্পনা সংবেদনশীল হওয়ায় ওই কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ করতে অসম্মতি জানিয়েছেন। তবে এই খবর বাইরে প্রকাশ পাওয়া যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতায় নিশ্চিতভাবে চাপ বৃদ্ধি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনীতি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে গত সপ্তাহে ওমানে মার্কিন ও ইরানি কূটনীতিকরা আলোচনা করেছেন। ট্রাম্প এই অঞ্চলে সামরিক বাহিনী জড়ো করার পর নতুন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা শুক্রবার জানিয়েছেন যে, পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে, যেখানে আরও হাজার হাজার সেনা, যুদ্ধবিমান, গাইডেড-ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী এবং আক্রমণ পরিচালনা এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা করতে সক্ষম অন্যান্য শক্তি যুক্ত করা হবে। শুক্রবার উত্তর ক্যারোলিনার একটি ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে ‘একটি চুক্তি করা কঠিন’ হয়ে পড়েছে। ট্রাম্প বলেন, কখনো কখনো ভীতি তৈরি করতে হয়। সত্যি বলতে, পরিস্থিতি সামাল দিতে এটাই একমাত্র উপায়। দীর্ঘ মেয়াদে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র আন্না কেলি বলেন, ‘ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে সব বিকল্পই খোলা আছে। তিনি যেকোনো ইস্যুতে নানা মতামত শোনেন। তবে শেষ পর্যন্ত দেশের স্বার্থ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য যা সবচেয়ে ভালো, সেটি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যুদ্ধের দামামা, মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধের দামামা, মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বইছে যুদ্ধের দামামা। যেকোনো সময় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হতে পারে। এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে যোগ দিতে পারে ইসরায়েলও। এমন পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য আরেকটি বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে মার্কিন বাহিনী। খবর আল জাজিরার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তেজনা কমাতে এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরি পাঠানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প গতকাল নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন। সেখানে ট্রাম্প কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে পেন্টাগন। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে রিপোর্টে বলা হয়, পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য একটি বিমানবাহী রণতরিকে প্রস্তুত করতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে। এই রণতরিটি ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের সঙ্গে যোগ দেবে। আল জাজিরা জানিয়েছে, ওই প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে নেতানিয়াহু তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। এদিকে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, ‘চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমি শুধু ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব, নাকি সম্ভব নয়; তা যাচাই করতে দেশটির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছি।