জম্মু-কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর গাড়ি খাদে পড়ে নিহত ১০

জম্মু-কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর গাড়ি খাদে পড়ে নিহত ১০ ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের ডোডা জেলায় সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি খাদে পড়ে ১০ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ১০ সেনা আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ডোডা জেলার ভাদেরওয়াহ–চাম্বা আন্তঃরাজ্য সড়কের খন্নি টপ এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুলেটপ্রুফ সেনাবাহিনীর গাড়িটি (ক্যাসপির) একটি অভিযানের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় চলাচলের সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে গভীর খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ডোডায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের সাহসী ১০ জন ভারতীয় সেনাসদস্যের প্রাণহানিতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তাদের অসামান্য সেবা ও সর্বোচ্চ ত্যাগ আমরা চিরদিন স্মরণ করব। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। তিনি আরও বলেন, এই গভীর শোকের মুহূর্তে পুরো দেশ শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে। আহত ১০ জন সেনাসদস্যকে দ্রুত বিমানযোগে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লেফটেন্যান্ট গভর্নর জানান, আহতদের সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। এদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে কর্পস জানায়, ডোডা এলাকায় খারাপ আবহাওয়া ও দুর্গম ভূখণ্ডে চলাচলের সময় অভিযানে নিয়োজিত সেনাদের বহনকারী একটি সেনা যান সড়ক থেকে পিছলে খাদে পড়ে যায়। এতে একাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হয়। নিহত ও আহতদের পরিচয় জানাতে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আফগানিস্তানে ঝড় ও বৃষ্টিপাতে ৯ শিশু নিহত

আফগানিস্তানে ঝড় ও বৃষ্টিপাতে ৯ শিশু নিহত আফগানিস্তানের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে তীব্র ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতে ভূমিধসে নয় শিশু নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দেশটির বেশ কিছু এলাকায় ভারী তুষারপাতের কারণে বাসিন্দারা দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছেন।  দক্ষিণ প্রদেশের জরুরি বিভাগ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার (২১ জানুয়ারি) কান্দাহারে তীব্র বাতাস এবং ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ছয়জন শিশু নিহত হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি জেলায় উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের কারণে ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। একইদিন পূর্বাঞ্চলীয় নূরিস্তান প্রদেশের কুরাইশ গ্রামে ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভূমিধসে মাটির নিচে চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজন সদস্য নিহত এবং আরও দুইজন আহত হয়েছেন। নূরিস্তান প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র ফ্রাইদুন শামীমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে দুজন ১০ বছর বয়সী কন্যা শিশু। দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় গজনি প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৮০ সেন্টিমিটার (৩১ ইঞ্চি) তুষারপাত হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে বাজার, বিচ্ছিন্ন হয়েছে সড়ক যোগাযোগ। রাজধানী কাবুলেও ভারী তুষারপাতের কারণে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। আফগানিস্তানের দুর্গম এলাকাগুলোর অবকাঠামো বেশ দুর্বল। প্রায়ই প্রাণঘাতী বন্যা, ভূমিধস ও ঝড় হয় স্থানীয় জনগোষ্ঠীগুলোকে অসহায় করে তোলে। সূত্র: আরব নিউজ।

বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ, মাঝপথ থেকে ওয়াশিংটনে ফিরলেন ট্রাম্প

বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ, মাঝপথ থেকে ওয়াশিংটনে ফিরলেন ট্রাম্প সুইজারল্যান্ডে যাওয়ার পথে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বিমানটি ওয়াশিংটন ডিসি এলাকায় ফিরে এসেছে। বুধবার (২১) জানুয়ারি এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। খবর রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির। হোয়াইট হাউজ এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলেছে, “স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) উড্ডয়নের পর এয়ার ফোর্স ওয়ান-এর ক্রুরা একটি সামান্য বৈদ্যুতিক সমস্যা শনাক্ত করেন। অত্যন্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিমানটি জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ-এ ফিরে এসেছে। প্রেসিডেন্ট এবং তার দল অন্য একটি বিমানে চড়ে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা অব্যাহত রাখবেন।” বিমানে থাকা এক সাংবাদিকের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর প্রেস কেবিনের আলোগুলো সাময়িকভাবে নিভে গিয়েছিল। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। এছাড়া ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড কেনার পরিকল্পনা নিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গেও তিনি বৈঠকে বসবেন বলে জানা গেছে। ন্যাটো জোটের সদস্য বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ ইতিমধ্যে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে আগামী মাস থেকে একাধিক ইউরোপীয় দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা পাল্টা ব্যবস্থার কথা আলোচনা করছেন, যার মধ্যে মার্কিন পণ্যের ওপর স্থগিত থাকা শুল্ক পুনরায় চালু করা এবং ইউরোপের বাজারে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রবেশাধিকার সীমিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মঙ্গলবার দাভোসে এক বক্তব্যে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখো ট্রাম্পের এই হুমকিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে নিন্দা জানিয়ে বলেন, ইউরোপকে ‘দুর্বল এবং অধীনস্ত’ করার প্রচেষ্টাকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিহত করবে।

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যাকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। বুধবার এই দণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। ২০২২ সালে নারা শহরে একটি সমাবেশে গুলি করে হত্যা করা হয় শিনজো আবেকে। এর সাড়ে তিন বছর পর হত্যাকারীকে দণ্ড দিলো আদালত।  গত বছর বিচারের শুরুতে তেতসুয়া ইয়ামাগামি খুনের অভিযোগ স্বীকার করেছিলেন। কিন্তু তাকে কীভাবে শাস্তি দেওয়া উচিত তা নিয়ে জাপানে জনমত বিভক্ত হয়ে পড়েছে। অনেকে ৪৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তিকে একজন ঠান্ডা মাথায় খুনি হিসেবে দেখেন, কেউ কেউ তার সমস্যাগ্রস্ত লালন-পালনের প্রতি সহানুভূতিশীল। সরকারি কৌঁসুলিরা জানিয়েছেন, ইয়ামাগামি তার ‘গুরুতর কাজের’ জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের যোগ্য। তবে দণ্ডের ক্ষেত্রে নমনীয়তা কামনা করে ইয়ামাগামির আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তিনি ‘ধর্মীয় নির্যাতনের’ শিকার ছিলেন। আদালতে শোনা গেছে, ইউনিফিকেশন চার্চের প্রতি তার মায়ের নিষ্ঠা পরিবারকে দেউলিয়া করে দিয়েছিল। বিতর্কিত গির্জার সাথে শিনজো আবের সম্পর্ক বুঝতে পেরে ইয়ামাগামির তার প্রতি ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। বুধবার নারা জেলা আদালতের বিচারক শিনিচি তানাকা প্যারোল ছাড়াই ইয়ামাগামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। বিচারক বলেছেন, “সুযোগের জন্য অপেক্ষা করা, সুযোগ খুঁজে বের করা এবং বন্দুক দিয়ে ভুক্তভোগীকে লক্ষ্য করে লক্ষ্যবস্তু করা ঘৃণ্য এবং অত্যন্ত বিদ্বেষপূর্ণ।” রায় ঘোষণার সময় ইয়ামাগামি হাত জোড় করে এবং চোখ অবনত করে চুপচাপ বসে ছিলেন

স্পেনের ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৪০, ৩ দিনের শোক 

স্পেনের ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৪০, ৩ দিনের শোক  স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের আদামুজে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে। আহত হয়েছেন ১২০-এর বেশি যাত্রী। এ জন্য দেশজুড়ে আজ থেকে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। গত রবিবার রাতে মালাগা থেকে মাদ্রিদগামী ‘ইরিও’ কম্পানির একটি হাইস্পিড ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা রেনফে ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সানচেজ সাংবাদিকদের বলেন, আজ পুরো স্পেনের জন্য শোকের দিন। আন্দালুসিয়ার আঞ্চলিক সরকারের প্রধান হুয়ান ম্যানুয়েল মোরেনো জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ চলায় প্রকৃত মৃত্যুসংখ্যা নিশ্চিত করতে আরো ২৪-৪৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। দুর্ঘটনাস্থলে ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বগি সরানোর কাজ চলছে।

স্পেনে দ্রুতগতির দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৩৯

স্পেনে দ্রুতগতির দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৩৯ স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে উচ্চগতির দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বহু যাত্রী। রেল কর্তৃপক্ষ আদিফ জানায়, স্থানীয় সময় রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে মালাগা থেকে মাদ্রিদগামী একটি ট্রেনের পেছনের অংশ কর্দোবার কাছে লাইনচ্যুত হয়। ওই ট্রেনটিতে প্রায় ৩০০ জন যাত্রী ছিলেন। লাইনচ্যুত অংশটি বিপরীত দিক থেকে আসা মাদ্রিদ থেকে হুয়েলভাগামী আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এর আগে আন্দালুসিয়া অঞ্চলের প্রধান হুয়ান মোরেনো জানান, দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ৭৫ জন যাত্রী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা গুরুতর। অধিকাংশ আহতকে কর্দোবা শহরের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। স্পেনের রেড ক্রস দুর্ঘটনাস্থলের কাছে আদামুজ শহরে একটি সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করেছে। সেখানে জরুরি সেবাকর্মী ও স্বজনদের তথ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। রাতভর স্পেনের সিভিল গার্ড ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা ঘটনাস্থলে কাজ করেন। ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, ট্রেনের বগিগুলো উল্টে পড়ে রয়েছে এবং ধাতব অংশগুলো দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। যাত্রীরা জানান, ভাঙা জানালা দিয়ে তারা বেরিয়ে আসেন। কেউ কেউ জরুরি হাতুড়ি ব্যবহার করে জানালা ভেঙে বের হন। স্পেনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সাংবাদিক সালভাদোর হিমেনেস একটি লাইনচ্যুত ট্রেনে ছিলেন। তিনি ফোনে বলেন, ‘এক মুহূর্তে মনে হয়েছিল ভূমিকম্প হচ্ছে, তারপরই ট্রেন লাইনচ্যুত হয়।’ স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী ওস্কার পুয়েন্তে সোমবার ভোরে জানান, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তিনি ঘটনাটিকে ‘খুবই অস্বাভাবিক’ বলে বর্ণনা করেন, কারণ এটি এমন একটি সমতল রেলপথে ঘটেছে, যা গত মে মাসে সংস্কার করা হয়েছিল। তিনি আরো জানান, লাইনচ্যুত হওয়া ট্রেনটি চার বছরেরও কম পুরোনো। পুয়েন্তে বলেন, প্রথম ট্রেনটির পেছনের অংশ লাইনচ্যুত হয়ে অন্য ট্রেনটির সামনের অংশে আঘাত করে। এতে রেনফে কম্পানির ট্রেনটির প্রথম দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে প্রায় চার মিটার নিচে পড়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ওই ট্রেনটির সামনের অংশে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কত সময় লাগতে পারে—এ প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত শেষ হতে প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের তথ্যমতে, স্পেনে ২৫০ কিলোমিটার গতির বেশি চলাচলকারী ট্রেনের জন্য ইউরোপের সবচেয়ে বড় উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে। দেশটিতে এমন রেলপথের দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ১০০ কিলোমিটারের বেশি। এই রেলসেবা তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী ও নিরাপদ হিসেবে জনপ্রিয়। রেনফে জানিয়েছে, ২০২৪ সালে তাদের উচ্চগতির ট্রেনে ২ কোটি ৫০ লাখের বেশি যাত্রী ভ্রমণ করেছেন। দুর্ঘটনার পর সোমবার মাদ্রিদ ও আন্দালুসিয়ার বিভিন্ন শহরের মধ্যে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয় সাময়িকভাবে।

কারাগারে দাঙ্গা, ৩০ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্ট

কারাগারে দাঙ্গা, ৩০ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্ট মধ্য আমেরিকার দেশ গুয়াতেমালায় সহিংসতার ভয়াবহ ঘটনার পর দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট বার্নার্দো আরেভালো। গতকাল রবিবার অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেশব্যাপী ৩০ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। কর্তৃপক্ষ এই দলগুলোর বিরুদ্ধে আট পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যা এবং তিনটি কারাগার জিম্মি করার অভিযোগ এনেছে। কারাগারকেন্দ্রিক দাঙ্গা ও প্রতিশোধমূলক হামলায় রাজধানী গুয়াতেমালা সিটিতে অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য নিহত হন। একই সঙ্গে তিনটি কারাগারে গ্যাং সদস্যরা ডজনখানেক কারা কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে জিম্মি করে। জরুরি অবস্থা জারির ফলে কিছু নাগরিক অধিকার সাময়িকভাবে সীমিত হবে এবং নিরাপত্তা বাহিনী আদালতের পূর্বানুমতি ছাড়াই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক বা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। আদেশটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হলেও এটি এখনো দেশটির সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন। জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডগুলোর উদ্দেশ্য ছিল নিরাপত্তা বাহিনী ও জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া, যাতে আমরা গ্যাংদের বিরুদ্ধে লড়াই থেকে সরে আসি। কিন্তু তারা সফল হবে না।’ তিনি জানান, সব জিম্মিকে মুক্ত করা হয়েছে এবং হামলায় নিহতদের স্মরণে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার কারাগারের দাঙ্গা শুরু হয়, যখন কর্তৃপক্ষ গ্যাং নেতাদের বিশেষ সুবিধা সীমিত করার উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যে ছিলেন গুয়াতেমালার কুখ্যাত গ্যাং বারিও ১৮-এর কারাবন্দি নেতা আলদো দুপ্পিয়ে, যিনি ‘এল লোবো’ বা ‘নেকড়ে’ নামে পরিচিত। উল্লেখ্য, বারিও ১৮ এবং তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যাং মারা সালভাত্রুচাকে (এমএস-১৩) গত সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করে। এক মাস পর গুয়াতেমালার পার্লামেন্টও একই ঘোষণা দেয়। দাঙ্গার সময় গ্যাং–সংশ্লিষ্ট বন্দিরা গুয়াতেমালা সিটির আশপাশের তিনটি কারাগার থেকে মোট ৪৬ জন কারারক্ষী ও কর্মচারীকে জিম্মি করে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার কারাগারও ছিল, যেখানে এল লোবো বন্দি ছিলেন। রবিবার ভোরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এল লোবোর কারাগারের দাঙ্গা দমন করা হয়। একই দিনে আরো দুটি কারাগারেও অভিযান চালানো হয়। অভিযানের পর নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে এল লোবোর একটি ছবি প্রকাশ পায়, যেখানে তার জামাকাপড়ে রক্তের দাগ দেখা যায়। কারা অভিযানের কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজধানীতে পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু হয়। কর্তৃপক্ষের মতে, এতে অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য নিহত এবং ১০ জন আহত হন। কিছু গণমাধ্যম নিহত পুলিশের সংখ্যা আট বলে জানিয়েছে, পাশাপাশি এক সন্দেহভাজন গ্যাং সদস্যের মৃত্যুর কথাও উল্লেখ করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো আন্তোনিও ভিলেদা বলেন, পুলিশ হত্যাকাণ্ডগুলো গ্যাংগুলোর প্রতিশোধমূলক হামলা, যা রাষ্ট্রের কঠোর অভিযানের জবাব হিসেবেই চালানো হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেনরি সায়েন্স জানান, গ্যাং দমনে অভিযান অব্যাহত রাখতে সেনাবাহিনী রাস্তায় অবস্থান করবে। এদিকে রবিবার গুয়াতেমালা সিটিতে পুলিশের ওপর সমন্বিত সশস্ত্র হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কর্মীদের জন্য জারি করা ‘ঘরে অবস্থান’ নির্দেশনা প্রত্যাহার করেছে। সূত্র : আলজাজিরা

বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহত অন্তত ৫ হাজার, স্বীকার করলো ইরান

বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহত অন্তত ৫ হাজার, স্বীকার করলো ইরান ইরানে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অন্তত ৫ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে প্রথমবারের মতো দেশটির সরকার স্বীকার করেছে। রোববার দেশটির আঞ্চলিক এক সরকারি কর্মকর্তা বিক্ষোভ সহিংসতায় হতাহতের শিকার লোকজনের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ে কর্তৃপক্ষ এমন পরিসংখ্যান পেয়েছে বলে জানিয়েছেন। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, দেশে চলমান বিক্ষোভে অন্তত ৫ হাজার মানুষের প্রাণহানির তথ্য কর্তৃপক্ষ যাচাই করেছে। নিহতদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৫০০ সদস্য রয়েছেন। তিনি এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও সশস্ত্র দাঙ্গাবাজদের দায়ী করে বলেছেন, তারা ‘‘নিরীহ ইরানিদের’’ হত্যা করেছে। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের উত্তর-পশ্চিমের কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত ও সর্বাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ওই অঞ্চলে কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সক্রিয় রয়েছেন এবং দেশটির অতীতের অস্থিতিশীলতার সময়ও সেখানে ভয়াবহ সহিংসতার রেকর্ড রয়েছে। দেশটির সরকারি ওই কর্মকর্তা বলেছেন, বিক্ষোভ-সহিংসতায় প্রাণহানির চূড়ান্ত সংখ্যায় বড় ধরনের উল্লম্ফনের সম্ভাবনা নেই। একই সঙ্গে ইসরায়েল ও বিদেশে থাকা সশস্ত্র বিভিন্ন গোষ্ঠী রাস্তায় নামা লোকজনকে সমর্থন ও অস্ত্র সরবরাহ করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। ইরানি কর্তৃপক্ষ দেশটিতে বিভিন্ন সময়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য বিদেশি শত্রুদের দায়ী করে থাকে। এর মধ্যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের কট্টর বিরোধী প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলও রয়েছে। গত বছরের জুনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রও সাম্প্রতিক বিক্ষোভ-সহিংসতায় উসকানি ও অস্ত্র সরবরাহ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এদিকে, শনিবার যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ বলেছে, ইরান বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩০৮ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া দেশটির নজিরবিহীন এই সংঘাতে আরও ৪ হাজার ৩৮২ জনের বিষয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। সংস্থাটি বলেছে, বিক্ষোভ চলাকালীন ইরানি কর্তৃপক্ষ ২৪ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে। নরওয়ে-ভিত্তিক ইরানি কুর্দিপন্থীদের মানবাধিকার সংগঠন হেঙ্গাও বলেছে, গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানের যে বিক্ষোভ শুরু হয়, তা সবচেয়ে সহিংস আকারে ছড়িয়ে পড়ে উত্তর-পশ্চিমের কুর্দি অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায়। অন্যদিকে, রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সানডে টাইমসের এক প্রতিবেদনে ইরানি চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সাড়ে ১৬ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগের বয়স ৩০ বছরের কম এবং তরুণ। এছাড়া বিক্ষোভে আহত হয়েছেন প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। বেশিরভাগই মানুষ নিহত হয়েছেন দু’দিনের ব্যবধানে। ইরানি-জার্মান চক্ষু চিকিৎসক প্রফেসর আমির পারাস্তা সানডে টাইমসকে বলেছেন, এটি অন্য মাত্রার নৃশংসতা। এবার তারা মিলিটারি গ্রেডের অস্ত্র ব্যবহার করেছে। আমরা মাথা, গলা, বুকে গুলি এবং শার্পনেলের আঘাত দেখতে পেয়েছি। সানডে টাইমস বলছে, ইরানের বড় আটটি চক্ষু হাসপাতাল এবং ১৬টি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হতাহতের ওই পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে। চিকিৎসকরা সাধারণ ইন্টারনেট বন্ধ থাকা সত্ত্বেও নিষিদ্ধ স্টারলিংকের ইন্টারনেট ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে সমর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেছে সানডে টাইমস। আহতদের অনেকে চোখে আঘাত পেয়েছেন বলেও এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের ওপর শটগান থেকে গুলিবর্ষণ করেছেন। গুলিতে প্রায় ৭০০ জন অন্ধ হয়ে গেছেন। গত মাসের শেষ দিকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং গত ৭ ও ৮ জানুয়ারি তা সহিংস আকার ধারণ করে। ওই সময় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের শঙ্কাও তৈরি হয়। তবে দেশটির নিরাপত্তাবাহিনী কঠোর অবস্থানে যাওয়ায় বর্তমানে বিক্ষোভ প্রায় স্থিমিত হয়ে পড়েছে। সূত্র: রয়টার্স, সানডে টাইমস।

মোদির সভা শুরুর আগেই ডিম-ভাত খেলেন বিজেপি কর্মীরা

মোদির সভা শুরুর আগেই ডিম-ভাত খেলেন বিজেপি কর্মীরা ভারতের হুগলির সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেগা জনসভাকে কেন্দ্র করে বিজেপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা গেছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বিজেপি কর্মীরা দলবেঁধে ডিম-ভাত খেয়ে সভার প্রস্তুতি সারেন। সারাদিন সভার ব্যস্ততায় খাওয়ার সময় পাওয়া যাবে না এই আশঙ্কায় সকাল সকাল পেট ভরে আহার সেরে নেন তারা। আনন্দবাজার অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপি কর্মীদের এই ‘ডিম-ভাত’ ভোজ মূলত ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের ব্রিগেডের সেই আলোচিত ‘ডিম্ভাত’ স্মৃতিকেই নতুন করে উসকে দিয়েছে।রোববার সকালে হুগলির গ্রামাঞ্চলে শীতের আমেজ থাকলেও মোদির সভাকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ছিল বনভোজনের মেজাজ। ইটের অস্থায়ী উনুন বানিয়ে বড় কড়াইয়ে চলছে রান্না। মেনু হিসেবে প্রায় সর্বত্রই ছিল গরম ভাত আর ডিমের ঝোল, কোথাও আবার বাড়তি পদ হিসেবে ছিল সয়াবিনের তরকারি। বিজেপি কর্মীদের দাবি, কম সময়ে এবং স্বল্প খরচে ডিম-ভাতের চেয়ে পুষ্টিকর ও দ্রুত তৈরি করা যায় এমন খাবার আর নেই। তাই দীর্ঘক্ষণ সভায় থাকার শক্তি জোগাতে তারা এই পদকেই বেছে নিয়েছেন। বাংলার রাজনীতিতে বড় সভার আগে সমর্থকদের ডিম-ভাত খাওয়ানোর সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের এবং এটি কোনো বিশেষ দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ২০১৯ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ব্রিগেডে বিরোধী জোটের সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন, তখন তৃণমূলের পক্ষ থেকে কর্মীদের জন্য ডিম-ভাতের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই সময় দেওয়াল লিখনে বানান ভুলের কারণে ‘ডিম্ভাত’ শব্দটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছিল। এমনকি বামপন্থীদের সভাতেও কর্মীদের ডিম-ভাত খেতে দেখা গেছে। মোদির সভার আগে বিজেপির এই আয়োজন প্রমাণ করল যে রাজনৈতিক আদর্শ ভিন্ন হলেও জনসভার ঝক্কি সামলাতে সব পক্ষই শেষ পর্যন্ত সস্তা ও সুষম আহার হিসেবে ডিম-ভাতের ওপরই ভরসা রাখে। সিঙ্গুরের ‘টাটার মাঠে’ আয়োজিত এই সভায় যোগ দিতে সকাল থেকেই বাসে করে রওনা দেন কর্মীরা। মূলত তৃণমূলের দুর্নীতি এবং সিঙ্গুরের হারানো শিল্প ফিরিয়ে আনার দাবিকে সামনে রেখেই এই ‘পরিবর্তন সংকল্প জনসভা’র আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই কর্মীদের মধ্যে চনমনে ভাব বজায় রাখতে দলীয় স্তরে এই খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। রাজনীতির মাঠে ‘ডিম্ভাত’ নিয়ে যতই ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ হোক না কেন, বাস্তব চিত্র হলো কঠোর পরিশ্রমী কর্মী-সমর্থকদের কাছে চার দেয়ালের রাজনীতির চেয়েও পাতের এই সহজলভ্য আহারটি অনেক বেশি তৃপ্তিদায়ক ও কার্যকর। সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

করাচিতে শপিং মলে আগুন, নিহত ৬

করাচিতে শপিং মলে আগুন, নিহত ৬ পাকিস্তানের করাচির একটি শপিং মলে আগুনে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। শনিবার রাতে গুল প্লাজা নামে ওই শপিং মলে আগুন লাগে বলে জানায় স্থানীয় কর্মকর্তারা। রোববার সকাল পর্যন্ত আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি। উদ্ধার অভিযান চলছে। খবর আল-জাজিরার । করাচির সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক সাবির মেমন জানান, তিনজনের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। তবে হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। করাচির ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল সৈয়দ আসাদ রেজা বলেন, এ ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৫ হয়েছে। পরে ইধি ফাউন্ডেশন ছয়জন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। নিহত ব্যক্তিদের এ সংখ্যা নিশ্চিত করে উদ্ধারকাজের মুখপাত্র হাসানুল হাসিব খান জানান, আহত হয়েছেন ২০ জন। তিনি বলেন, সকাল পর্যন্ত আগুন প্রায় ৩০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। ওই শপিং মলে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ দোকান রয়েছে। কাপড়, তৈজসপত্র, ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ, সুগন্ধি, প্রসাধনীসহ নানা পণ্য কেনাবেচা হয় সেখানে। এসব পণ্যের কারণে আগুনের তীব্রতা বেড়েছে।