রমজানে আল-আকসায় মুসলিমদের প্রবেশ সীমিত করতে যাচ্ছে

রমজানে আল-আকসায় মুসলিমদের প্রবেশ সীমিত করতে যাচ্ছে  আসন্ন পবিত্র রমজানে মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদে নামাজ আদায়ে প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি ও বিশিষ্ট ইসলামি আলেম শেখ একরিমা সাবরি আনাদোলুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। শেখ একরিমা সাবরি রমজান মাসে মুসলমানদের আল-আকসায় প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপের ইসরায়েলি পরিকল্পনায় দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে নতুন পুলিশ কমান্ডার হিসেবে মেজর জেনারেল আভশালোম পেলেদকে নিয়োগ দেওয়ার মধ্য দিয়েই ইসরায়েলের বাজে উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে যায়। এই নিয়োগকে অনেকেই আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। ইসরায়েলি পত্রিকা হারেৎজ লিখেছে, ‘মনে হচ্ছে বেন-গভির আগুনে ঘি ঢালতে যা যা করা সম্ভব, সবই করছেন। শেখ সাবরি বলেন, ‘মুসলমানরা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নত অনুসরণ করে শাবান মাসের শেষে আশাবাদ নিয়ে রমজানকে স্বাগত জানান। কিন্তু জেরুজালেমের ক্ষেত্রে আমরা দুঃখিত। কারণ, দখলদার কর্তৃপক্ষ আল-আকসা মসজিদে আসা মুসল্লিদের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে কয়েক ডজন তরুণকে মসজিদে প্রবেশে বাধা দিয়েছে। তারা ঘোষণা করেছে, অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে রমজানে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের জন্য কোনো শিথিলতা দেওয়া হবে না’, বলেন তিনি। সাবরি বলেন, ‘এর মানে হলো আরও কঠোর বিধিনিষেধ থাকবে। আল-আকসায় মুসল্লির সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কম হবে। এটি ইবাদতের স্বাধীনতার পরিপন্থী।

ভিয়েতনামে বাড়ির ফ্রিজে মিললো বাঘের মরদেহ, গ্রেফতার ২

ভিয়েতনামে বাড়ির ফ্রিজে মিললো বাঘের মরদেহ, গ্রেফতার ২ ভিয়েতনামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ব্যবহুত ফ্রিজ থেকে দুটি বাঘের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিপন্ন প্রজাতির এই প্রাণীর অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগে ওই ব্যক্তি ও আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একসময় ভিয়েতনামের বনে বাঘ বিচরণ করতো। কিন্তু এখন দেশটির বনগুলোতে বাঘ প্রায় পুরোপুরি বিলুপ্তপ্রায়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি অবৈধ বন্যপ্রাণী পণ্যের একটি বড় ভোক্তা কেন্দ্র ও জনপ্রিয় পাচার-রুট হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে, ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় ব্যবহারের কারণে বাঘের হাড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় থেকে দক্ষিণে থান হোয়া প্রদেশের পুলিশ জানিয়েছে, ৫২ বছর বয়সী হোয়াং দিন দাতের বাড়ির বেজমেন্টে রাখা ফ্রিজ থেকে দুটি পূর্ণবয়স্ক বাঘের মরদেহ পাওয়া গেছে। বাঘ দুটির ওজন প্রায় ৪০০ কেজি (৮৮২ পাউন্ড)। অনলাইনে প্রকাশিত পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে দাত স্বীকার করেছেন যে তিনি বাঘ দুটি কিনেছিলেন দুই বিলিয়ন ডংয়ে (৭৭ হাজার মার্কিন ডলার)। তিনি বিক্রেতা হিসেবে ৩১ বছর বয়সী নগুয়েন ডোয়ান সনের নাম জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ সপ্তাহের শুরুর দিকেই ওই দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ক্রেতার বাড়িতে তথাকথিত ‘টাইগার বোন গ্লু’ বা বাঘের হাড় থেকে তৈরি আঠা বানানোর যন্ত্রপাতিও পাওয়া গেছে। স্থানীয়ভাবে এটি হাড়ের জোড়ায় ব্যথা বা কঙ্কাল সংক্রান্ত নানা রোগ নিরাময়ে কার্যকর বলে বিশ্বাস করা হয়।

রাশিয়া থেকে প্রায় ৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত

রাশিয়া থেকে প্রায় ৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত রাশিয়া থেকে ২৮৮টি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত। এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত ‘প্রয়োজনীয়তার অনুমোদন (এওএন)’ অনুমোদন দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল (ডিএসসি)। এতে ব্যয় হবে ১০ হাজার কোটি রুপি। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা।  গত বছরের নভেম্বরেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস প্রথম জানিয়েছিল, অপারেশন সিঁদুর চলাকালে ব্যবহার করা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনরায় ভরাট করতে এবং দীর্ঘ-পাল্লা ও স্বল্প-পাল্লার সারফেস-টু-এয়ার সিস্টেম বাড়াতে ভারত সরকার এসব ক্ষেপণাস্ত্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এওএন অনুমোদনের মাধ্যমে ১২০টি স্বল্প-পাল্লার ও ১৬৮টি দীর্ঘ-পাল্লার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথ খুলে গেলো। দ্রুত ক্রয়প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এগুলো কেনা হবে বলে হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। তারা আরও জানিয়েছে, চলতি বছরের জুন ও নভেম্বর মাসে ভারত এরই মধ্যে চুক্তিবদ্ধ আরও দুই সেট এস-৪০০ সিস্টেম পাবে। এদিকে, ভারতের বিমানবাহিনী আরও পাঁচটি অতিরিক্ত এস-৪০০ সিস্টেম কেনার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরছে, সঙ্গে প্যান্টসির স্বল্প-পাল্লার সিস্টেমও। রুশ এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সশস্ত্র ড্রোন ও কামিকাজে ড্রোন প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। এস-৪০০ ও প্যান্টসির একসঙ্গে যুক্ত করে দুই-স্তরবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব, যা সীমান্তপারের আকাশপথে আসা যে কোনো লক্ষ্যবস্তু ভূপাতিত করতে সক্ষম। ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পদ্ধতিতে কঠোর পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ অনুমোদন কাঠামো রয়েছে। এটি শুরু হয় ‘স্টেটমেন্ট অব কেস’ দিয়ে, যেখানে উল্লেখ থাকে অপারেশনাল প্রয়োজনীয়তা ও কেনাকাটার যৌক্তিকতা। এরপর তা পর্যালোচনা করে ডিফেন্স প্রোকিউরমেন্ট বোর্ড, যার সভাপতি প্রতিরক্ষা সচিব। পরে তা অনুমোদনের জন্য ডিএসসিতে পাঠানো হয়। এখান থেকে এওএন মিললে বিক্রেতার সঙ্গে বিস্তারিত মূল্য আলোচনা হয়। তারপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আর্থিক অনুমোদন আসে। সবশেষে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (সিসিএস) চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রায় ৩ দশমিক ৬০ লাখ কোটি রুপি মূল্যের বিভিন্ন প্রস্তাবে এওএন দিয়েছেন। বিমানবাহিনীর (আইএএফ) জন্য অনুমোদন পেয়েছে মাল্টি–রোল ফাইটার এয়ারক্রাফট (এমআরএএফএ), রাফালে, কমব্যাট ক্ষেপণাস্ত্র ও এয়ারশিপভিত্তিক হাই–অ্যাল্টিটিউড সুডো–স্যাটেলাইট। ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য অনুমোদন পেয়েছে অ্যান্টি–ট্যাঙ্ক মাইন (বিভব) ও আর্মার্ড রিকভারি ভেহিকল (এআরভি), টি–৭২ ট্যাংক ও বিএমপি–২ যুদ্ধযানের ওভারহলিং। নৌবাহিনীর জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ৪ মেগাওয়াট মেরিন গ্যাস টারবাইন–ভিত্তিক ইলেকট্রিক পাওয়ার জেনারেটর ও পি–৮আই লং রেঞ্জ মেরিটাইম রিকনাইসেন্স এয়ারক্রাফট।

ইরানে সপ্তাহব্যাপী হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে সপ্তাহব্যাপী হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি হামলার নির্দেশ দেন তাহলে ইরানের বিরুদ্ধে সপ্তাহব্যাপী অভিযান অব্যাহত রাখতে মার্কিন সেনাবাহিনী প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দুই মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। ফলে দেশ দুটির মধ্যে আগের তুলনায় অনেক বেশি গুরুতর সংঘাত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের এমন পরিকল্পনা সংবেদনশীল হওয়ায় ওই কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ করতে অসম্মতি জানিয়েছেন। তবে এই খবর বাইরে প্রকাশ পাওয়া যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতায় নিশ্চিতভাবে চাপ বৃদ্ধি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনীতি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে গত সপ্তাহে ওমানে মার্কিন ও ইরানি কূটনীতিকরা আলোচনা করেছেন। ট্রাম্প এই অঞ্চলে সামরিক বাহিনী জড়ো করার পর নতুন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা শুক্রবার জানিয়েছেন যে, পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে, যেখানে আরও হাজার হাজার সেনা, যুদ্ধবিমান, গাইডেড-ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী এবং আক্রমণ পরিচালনা এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা করতে সক্ষম অন্যান্য শক্তি যুক্ত করা হবে। শুক্রবার উত্তর ক্যারোলিনার একটি ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে ‘একটি চুক্তি করা কঠিন’ হয়ে পড়েছে। ট্রাম্প বলেন, কখনো কখনো ভীতি তৈরি করতে হয়। সত্যি বলতে, পরিস্থিতি সামাল দিতে এটাই একমাত্র উপায়। দীর্ঘ মেয়াদে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র আন্না কেলি বলেন, ‘ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে সব বিকল্পই খোলা আছে। তিনি যেকোনো ইস্যুতে নানা মতামত শোনেন। তবে শেষ পর্যন্ত দেশের স্বার্থ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য যা সবচেয়ে ভালো, সেটি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যুদ্ধের দামামা, মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধের দামামা, মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বইছে যুদ্ধের দামামা। যেকোনো সময় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হতে পারে। এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে যোগ দিতে পারে ইসরায়েলও। এমন পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য আরেকটি বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে মার্কিন বাহিনী। খবর আল জাজিরার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তেজনা কমাতে এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরি পাঠানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প গতকাল নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন। সেখানে ট্রাম্প কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে পেন্টাগন। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে রিপোর্টে বলা হয়, পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য একটি বিমানবাহী রণতরিকে প্রস্তুত করতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে। এই রণতরিটি ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের সঙ্গে যোগ দেবে। আল জাজিরা জানিয়েছে, ওই প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে নেতানিয়াহু তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। এদিকে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, ‘চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমি শুধু ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব, নাকি সম্ভব নয়; তা যাচাই করতে দেশটির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছি।

অসলো চুক্তির ব্যক্তিত্বরা যুক্ত ছিলেন এপস্টেইন নেটওয়ার্কে

অসলো চুক্তির ব্যক্তিত্বরা যুক্ত ছিলেন এপস্টেইন নেটওয়ার্কে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকট নিরসনে ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির মূল স্থপতি নরওয়ের যে কূটনীতিক ছিলেন, তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন। নতুন যেসব নথি প্রকাশ পেয়েছে, তাতে টেরজে রড-লারসেন নামের ওই ব্যক্তি প্রয়াত যৌন অপরাধী ও অর্থদাতা জেফরি এপস্টেইনের অভ্যন্তরীণ বৃত্তের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত ছিলেন এমন প্রমাণ মিলেছে। বৃহস্পতিবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, ১৯৯০-এর দশকে মধ্যপ্রাচ্যের ‘শান্তি প্রক্রিয়ার’ একজন কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন টেরজে রড-লারসেন। সদ্য প্রকাশিত মার্কিন বিচার বিভাগের নথি ও নরওয়ের গণমাধ্যমের তদন্তে অবৈধ অর্থ, যৌন পাচারকারী নারীদের জন্য ভিসা জালিয়াতি ও এপস্টেইনের লাখ লাখ ডলার মূল্যের উইলে একটি সুবিধাভোগী হিসেবে তাঁর নাম এসেছে। এসব তথ্য কূটনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। রড-লারসেনের স্ত্রী মোনা জুলও অসলো আলোচনার একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। স্বামীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠার ওপর চলতি মাসে জর্ডান ও ইরাকে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন। তাঁর নিরাপত্তা ছাড়পত্রও বাতিল করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি নেতারা এখন প্রশ্ন তুলছেন, অসলোর দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের মূল চুক্তিগুলো কি ছিল অভিজাত ব্ল্যাকমেইল এবং বিদেশি গোয়েন্দা চাপের ঝুঁকিতে থাকা একজন মধ্যস্থতাকারীর মধ্যস্থতা? ওই চুক্তি অনুযায়ী কার্যত কোনো পদক্ষেপই নেয়নি ইসরায়েল। তারা অব্যাহতভাবে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজায় হামলা চালিয়ে গেছে। সর্বশেষ তারা ২০২৩ সাল থেকে গাজায় গণহত্যা চালিয়ে ৭০ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করে। এন্ড্রুর প্রাসাদে তল্লাশির আহ্বান ভুক্তভোগীর জেফ্রি এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার এক নারী যুক্তরাজ্যে বাকিংহাম প্যালেসে গিয়ে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের নথিপত্র ও ইমেইল তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। জুলিয়েট ব্রায়ান্ট বিবিসিকে বলেন, তিনি এ সপ্তাহে এই বিবৃতিকে স্বাগত জানিয়েছেন, যেখানে ব্রিটেনের রাজা চার্লস বলেছেন, তিনি তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিবেচনার সময় পুলিশকে ‘সহায়তা করতে প্রস্তুত’। ২০০০ সালের দিকে এপস্টেইন তাঁকে নির্যাতন করেছিলেন। কারাগারে থাকা এপস্টেইনের কাছে পরামর্শ চান সারা সারা ফার্গুসন জেফরি এপস্টেইনের কাছে ছয় মিলিয়ন পাউন্ড ঋণের বোঝা মোকাবিলা করার জন্য পরামর্শ চেয়েছিলেন। এটা তিনি করেছিলেন যখন এপস্টেইন নাবালিকাদের যৌন নিপীড়নের অপরাধে কারা ভোগ করছেন। বিচার বিভাগ কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত ইমেইলে দেখা যাচ্ছে, সারা তাঁর আর্থিক অবস্থা নিয়ে মরিয়া ছিলেন।

থাইল্যান্ডে জোট সরকার গঠনের ইঙ্গিত

থাইল্যান্ডে জোট সরকার গঠনের ইঙ্গিত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুটিন চর্নভিরাকুল জানিয়েছেন, সাধারণ নির্বাচনে বেশি আসন পাওয়া ভুমজাইথাই পার্টি তৃতীয় অবস্থানে থাকা পেউ থাই পার্টির সমর্থন নিয়ে জোট সরকার গঠন করবে।ভুমজাইথাই পার্টি নির্বাচনে ৫০০ আসানের মধ্যে ১৯৩টি আসন জিতেছে। পিপলস পার্টি পেয়েছে ১১৮টি আসন, আর পেউ থাই পার্টি ৭৪টি আসন। পেউ থাই পার্টি-র সমর্থন আনুটিনকে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেবে, যা স্থিতিশীল জোট সরকার গঠনের পথে সাহায্য করবে। আনুটিন বলেন, আমরা সরকার হিসেবে এক সঙ্গে কাজ করবো এবং দেশের জন্য ভালো কিছু করবো। অতীতের ভুল বোঝাবুঝি মুছে আমরা এক সঙ্গে দেশ পরিচালনা করবো। থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনের পর ভোট গণনার স্বচ্ছতা নিয়ে অভিযোগ ওঠায় দেশটির নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ রয়েছে। গত রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের দল ভূমজাইথাই পার্টি বড় জয় পেলেও, একাধিক আসনে ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রোববার বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়মের ভিডিও ও তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে অন্ধকারে ব্যালট গণনা, বৈধ ভোটকে ভুলভাবে বাতিল হিসেবে চিহ্নিত করা এবং কেন্দ্রের ফলাফলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের অনলাইন সিস্টেমে দেওয়া সংখ্যার গরমিল। সূত্র: রয়টার্স

স্বর্ণ চুরি করে গাধার পিঠে চড়ে পালালো চোর

স্বর্ণ চুরি করে গাধার পিঠে চড়ে পালালো চোর চুরির পর চোর ঘটনাস্থল দ্রুত ত্যাগ করবে এটাই সারাজীবন শুনে এসেছেন। এর ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেছে তুরস্কের মধ্যাঞ্চলীয় শহর কায়সেরিতে। সেখানে স্বর্ণ চুরির পরে এক চোর গাধার পিঠে চড়ে ধীরেসুস্থে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাদ্যম টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, একটি ফর্কলিফট দিয়ে চোর প্রথমে দোকানের দরজা ভেঙে ফেলে। পরে সে দোকানের ভেতরে থাকা আলমারিটি ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দেয়। ওই আলমারি থেকে সে ১৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের গহনাগুলো সাথে থাকা ব্যাগে ভরে নেয়। এরপর সে দোকানের ভাঙা দরজা দিয়ে বের হয়ে বাইরে রাখা গাধার পিঠে চড়ে এলাকা থেকে বের হয়ে যায়। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ ২৬ বছর বয়সী ওই চোরকে খুঁজে পায় এবং গ্রেপ্তার করেছে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ কর্মকর্তারা চুরি করা সোনার গয়না খুঁজে পান, যা একটি কালো প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়ানো এবং একটি কাদামাটির পাত্রে পুঁতে রাখা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, আংটি, নেকলেস এবং ব্রেসলেট সহ জিনিসপত্রগুলো তাদের মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মাদুরো এখনও ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট : দেলসি

মাদুরো এখনও ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট : দেলসি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হাতে অপহরণের শিকার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এখনও ভেনেজুয়েলার বৈধ রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের পদে আছেন। তার অনুপস্থিতির কারণে ভেনেজুয়েলার সরকারব্যবস্থায় সাংবিধানিক কোনো বড় রূপান্তর ঘটেনি। ভেনেজুয়েলার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ সম্প্রতি বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, মাদুরোকে অপহরণের পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল ও রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে চুক্তি হয়েছে ভেনেজুয়েলার, কিন্তু দেশ চলছে সংবিধান মেনেই। বিবিসিকে দেলসি রদ্রিগুয়েজ বলেন, “আমি আপনাদের বলতে পারি যে নিকোলাস মাদুরোই দেশের বৈধ প্রেসিডেন্ট। আমি আপনাদের এ কথা বলছি একজন আইনজীবী হিসেবে, কারণ আমি নিজে একজন আইনজীবী। প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং ফ্রার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস উভয়েই নিরপরাধ। আমি যে এখন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি, তা সাংবিধানিক বিধি মেনেই করছি। ভেনেজুয়েলা তেল সম্পদে খুবই সমৃদ্ধ। এ মূহূর্তে বিশ্বে যত ভূগর্ভস্থ তেল রয়েছে তার এক পঞ্চমাংশই আছে ভেনেজুয়েলার খনিগুলোতে। ভেনেজুয়েলায় কয়েকটি স্বর্ণের খনি আছে এবং সেগুলোতে স্বর্ণের মজুতের পরিমাণও অনেক।তবে বামপন্থি প্রেসিডেন্ট মাদুরোর সঙ্গে রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্পর্ক খুবই খারাপ। ২০১৬ সালে যখন প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ট্রাম্পের উত্তরসূরি জো বাইডেনের সময়েও এই নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। গত ৩ জানুয়ারি গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারকাসে সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে সরকারি বাসভবন থেকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রের নিউিইয়র্ক সিটিতে নিয়ে আসে মার্কিন সেনাবাহিনী। তাদের উভয়ের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং মার্কিন আদালতে সেই অভিযোগের বিচারের প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে মাদুরো এবং সিলিয়া নিউইয়র্ক সিটির ফেডারেল কারাগারি বন্দি আছেন। মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে অপহরণের পর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের তদারক এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র করবে। তিনি আরও বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনার জন্য মার্কিন কোম্পানিগুলোকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে সস্ত্রীক অপহরণের কয়েক ঘণ্টা পর ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন মাদুরো সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ। বিবিসিকে দেলসি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে একটি কূটনৈতিক সমঝোতা আমাদের হয়েছে, কিন্তু ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এখনও আমরা বিকিয়ে দিইনি। ভেনেজুয়েলা চলছে ভেনেজুয়লার সংবিধান অনুসারে। ভেনেজুয়েলার ভিন্ন মতাবলম্বী রাজনীতিবিদ এবং ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো-কে নিয়েও বিবিসির সঙ্গে কথা হয়েছে দেলসির। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন মাচাদো। বিবিসিকে তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, “যদি তিনি দেশে ফিরে আসেন, তাহলে অবশ্যই তাকে ভেনেজুয়েলার জনগণের কাছে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রথমত, কেন তিনি ভেনেজুয়েলায় সামরিক আগ্রাসন চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, দ্বিতীয়ত, কেন তিনি ভেনেজুয়েলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং তৃতীয়ত, প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তার স্ত্রীকে যখন অপহরণ করা হলো কেন তিনি তা উদযাপন করলেন এবং সমাজ মাধ্যমে সেই উদযাপনের ছবি প্রকাশ করলেন?

ভারতে আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি স্টল ভাঙচুর করলো বিজেপির কর্মীরা

ভারতে আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি স্টল ভাঙচুর করলো বিজেপির কর্মীরা ভারতের পুনেতে এমআইটি-ডব্লিউপিইউতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক খাদ্য অনুষ্ঠানে বিজেপির যুব শাখার সদস্যরা বাংলাদেশি খাবারের স্টলে ভাঙচুর করেছে। মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। ‘এক বিশ্ব। অনেক সংস্কৃতি। এক উদযাপন’ এই মূলমন্ত্র নিয়ে এই অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল বিশ্ব সাংস্কৃতিক উৎসব। এই উৎসবে একাধিক দেশের খাবারের স্টল ছিল। ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার পুনের সভাপতি দুষ্মন্ত মহলের আপলোড করা ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সংগঠনের সদস্যরা স্টলে থাকা শিক্ষার্থীদের এবং নিরাপত্তারক্ষীদের মুখোমুখি হচ্ছে, স্লোগান দিচ্ছে এবং পরে স্টলে ভাঙচুর করছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে মোহন বলেছেন, “এমআইটি প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রশ্ন: আপনারা কার স্বার্থে কাজ করছেন? ভারত না ভারতবিরোধী শক্তির? প্রথমে পাকিস্তান এবং এখন বাংলাদেশ… অবিলম্বে এই ধরণের ব্যবসা বন্ধ করুন! যদি এটি বন্ধ না হয়, তাহলে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা আরো আক্রমণাত্মকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে। এমআইটিসহ সমস্ত কলেজের গুরুত্ব সহকারে নোট করা উচিত, পুনেতে ভবিষ্যতে এই ধরণের যেকোনো কর্মসূচি ধ্বংস করা হবে!” অনুষ্ঠানে উপস্থিত একজন আন্তর্জাতিক ছাত্র দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, “অনুষ্ঠানের পরে ২০-৩০ জনের এই দলটি স্টলে আক্রমণ করে। আমরা ইতিমধ্যেই সব বাংলাদেশি ছাত্রকে ভিতরে যেতে বলেছিলাম, কিন্তু একজন মেয়ে বাইরে ছিল, এবং তারা তাদের উপরও আক্রমণ করার চেষ্টা করছিল। আক্রমণকারীদের কাছে পরিচয়পত্র ছিল না এবং তারা কলেজের কেউ ছিল না। আমি বুঝতে পারছি না তারা কীভাবে মূল ফটক দিয়ে ঢুকেছিল।”মহারাষ্ট্র ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি ওয়ার্ল্ড পিস ইউনিভার্সিটির (এমআইটি-ডব্লিউপিইউ) রেজিস্ট্রার গণেশ পোকালে বলেন, ভাঙচুরকারীরা “বহিরাগত ছিল। আমরা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করছি এবং অভিযোগ দায়েরের প্রক্রিয়াধীন।” সিনিয়র পুলিশ ইন্সপেক্টর সন্দীপ দেশমানে জানান, কোথরুড পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত এবং বিস্তারিত জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ করেছে।