সেমিকন্ডাক্টর খাতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করছে ভারত

সেমিকন্ডাক্টর খাতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করছে ভারত সেমিকন্ডাক্টর খাতে অংশীদারত্ব আরও ঘনিষ্ঠ করতে চায় ভারত ও মালয়েশিয়া। দুই দেশের সরকারপ্রধানদের মধ্যে হওয়া এক বৈঠকে খাতটিসহ বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার করা হয়েছে। মালয়েশিয়া সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানিতে বিশ্বে ষষ্ঠ। শনিবার সরকারি সফরে পুত্রজায়ায় যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রোববার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। বৈঠক শেষে নরেন্দ্র মোদি বলেন, এআই ও ডিজিটাল প্রযুক্তির পাশাপাশি দুই দেশ এখন থেকে সেমিকন্ডাক্টর, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। আর সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, সম্পর্ক জোরদারের জন্য এই বৈঠক কৌশলগত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়ার সরকারি তথ্য অনুযায়ী, তাদের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) সেমিকন্ডাক্টর খাত প্রায় ২৫ শতাংশ অবদান রাখে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে অত্যন্ত শক্তিশালী সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম আছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সেমিকন্ডাক্টর খাতে মালয়েশিয়ার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা আছে। ভারতীয় কোম্পানিগুলো গবেষণা, উন্নয়ন এবং উৎপাদন ও টেস্টিং প্ল্যান্ট তৈরির ক্ষেত্রে দেশটির সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। গত বছরের জুন মাসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, টাটা ইলেকট্রনিকস মালয়েশিয়ায় একটি ফ্যাব্রিকেশন বা আউটসোর্সড সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি এবং টেস্ট প্ল্যান্ট কেনার জন্য বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলোর সঙ্গেও আলোচনা করেছিল।

ইউক্রেন আমাদের শত্রু: হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী

ইউক্রেন আমাদের শত্রু: হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান ইউক্রেনকে ‘শত্রু’ হিসেবে অ্যাখায়িত করেছেন। হাঙ্গেরি যেন রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাস কেনা বন্ধ করে দেয়- ইউক্রেনের এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম আরটি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে হাঙ্গেরি রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি বন্ধের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে হাঙ্গেরি এর বিরোধিতা করে আসছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) হাঙ্গেরির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সোম্বাতেলিতে এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ওরবান ইউক্রেনের বিরুদ্ধে হাঙ্গেরির নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগ তোলেন। ওরবান বলেন, “ব্রাসেলসে বসে হাঙ্গেরিকে রাশিয়ার সস্তা জ্বালানি থেকে বিচ্ছিন্ন করার যে ক্রমাগত দাবি ইউক্রেন জানাচ্ছে, তা তাদের বন্ধ করতে হবে। তিনি সতর্ক করে আরো বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত ইউক্রেন দাবি করবে যে হাঙ্গেরিকে রাশিয়ার সস্তা জ্বালানি থেকে বিচ্ছিন্ন করা হোক, ততক্ষণ ইউক্রেন কেবল আমাদের প্রতিপক্ষ নয়, ইউক্রেন আমাদের শত্রু।” তিনি জানান, এমনটা হলে সাধারণ মানুষের ইউটিলিটি বিল বা জীবনযাত্রার ব্যয় নাটকীয়ভাবে বেড়ে যাবে। ইউরোপীয় কমিশন বর্তমানে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ২০তম নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা করছে, যার মধ্যে রুশ তেলের সামুদ্রিক পরিষেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গত মাসে ইউরোপীয় কাউন্সিল ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়ার সব গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করার একটি রোডম্যাপ অনুমোদন করেছে। গত সোমবার হাঙ্গেরি জানায়, তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে মামলা করবে। রাশিয়ার জ্বালানির ওপর এই নিষেধাজ্ঞাকে তারা ‘আত্মঘাতী’ বলে অভিহিত করেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ওরবান ইউক্রেনের ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের বিরোধিতার কথা আবারও পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি যুক্তি দেন, কিয়েভের সঙ্গে কোনো ‘সামরিক বা অর্থনৈতিক জোট’ শেষ পর্যন্ত বিপর্যয় ডেকে আনবে।

মার্কিন সামরিক মোতায়েনে ইরান ভীত নয়

মার্কিন সামরিক মোতায়েনে ইরান ভীত নয় ইরানের ওপর যদি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয় তবুও ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বাদ দেবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ জাহাজ মোতায়েন ইরানকে ভীত করে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী তেহরানে একটি সম্মেলনে আরাগবি বলেন, “ইরানকে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কার্যক্রম ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য অনেক দাম দিতে হয়েছে। আমরা কেন (তাদের কথায়) সমৃদ্ধকরণের ওপর এত জোর দেব, এমনকি তারা আমাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়ও? কারণ আমাদের চালানোর অধিকার কারও নেই। গত শুক্রবার ওমানের রাজধানী মাস্কাটে পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফের সঙ্গে পরোক্ষ বৈঠক করেন আরাগচি। এর দুদিন পরই তিনি এমন কথা বললেন। যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ ইরানকে ভীত করে না উল্লেখ করে আব্বাস আরাগচি বলেন, “এ অঞ্চলে তাদের সামরিক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন আমাদের ভীত করে না। যুক্তরাষ্ট্রের কথায় যদি ইরান চুক্তি না করে তাহলে তাদের ওপর হামলা চালানো হবে বলে অসংখ্যবার হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর অংশ হিসেবে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহম লিংকনসহ একাধিক যুদ্ধজাহাজ ইরানের কাছে নিয়ে এসেছেন তিনি। গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। যদিও ট্রাম্প তখন দাবি করেছেন তেহরানের পরমাণূ কর্মসূচি পুরোপুরি নিঃশেষ করে দিয়েছেন, কিন্তু তিনি এখন আবার চুক্তি করতে চাইছেন। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

জাপানে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে

জাপানে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে জাপানে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে।আজ রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে দেশটির নাগরিকরা ভোট প্রদান করছেন। এদিন এই নির্বাচনের মাধ্যমে জাপানের সংসদের নিম্নকক্ষের সদস্য নির্বাচন করা হবে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৮৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাচি সংসদ ভেঙে দিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি আগাম জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিজের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ক্ষমতাসীন দলকে বিজয়ী করতেই আগাম নির্বাচনের পথে হেঁটেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে জাপানের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাকাচি। মাত্র ৪ মাসের শাসনামলেই তিনি দেশব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকাচির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা থাকলেও তার দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) একাধিক কেলেঙ্কারির কারণে জনসমর্থন হারিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভোটাররা তাকাচিকে পছন্দ করলেও এলডিপিকে কতটা সমর্থন দেবেন, তা এখনো অনিশ্চিত। সবশেষ জনমত জরিপে দেখা গেছে, এলডিপি ও জনতাবাদী জাপান ইনোভেশন পার্টির জোট সংসদের নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসনের মধ্যে প্রায় ৩০০টি আসনে জয় পেতে পারে। এমন ফলাফল হলে গত বছর পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানো এলডিপির জন্য এটি বড় ধরনের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হবে। এদিকে নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী তাকাচি করছাড় ও সরকারি ভর্তুকি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেছেন। তবে সমালোচকদের মতে, এসব প্রস্তাব জাপানের ধীরগতির অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘিরে জাপানের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জুনের মধ্যে ইউক্রেনযুদ্ধ বন্ধ চান ট্রাম্প: জেলেনস্কি

জুনের মধ্যে ইউক্রেনযুদ্ধ বন্ধ চান ট্রাম্প: জেলেনস্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী জুনের মধ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধ চান। এ তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, প্রায় চার বছর ধরে চলা এ সংঘাত বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) কিয়েভে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমেরিকানরা প্রস্তাব করছে যেন রাশিয়া ও ইউক্রেন আসছে গ্রীষ্মের শুরুর দিকেই যুদ্ধ শেষ করে এবং সম্ভবত তারা এই নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী উভয় পক্ষের ওপর চাপ তৈরি করবে।’ তবে তার এ মন্তব্য শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত প্রচার না করার শর্ত ছিল। জেলেনস্কি বলেন, ট্রাম্পের প্রশাসন সব ঘটনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমার ওপর জোর দিয়েছে। তারা আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে (সম্ভবত মিয়ামিতে) পরবর্তী দফার ত্রিপক্ষীয় আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে। ইউক্রেন ইতোমধ্যে এতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ট্রাম্প ক্ষমতা নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার দম্ভোক্তি করেছিলেন। কিন্তু এক বছরেরও বেশি সময় পার হলেও কোনো শান্তিচুক্তি এখনও অধরা রয়ে গেছে। সমালোচকরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে, তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে ক্রেমলিনের যুদ্ধের বয়ান এবং সর্বোচ্চ দাবিগুলোর দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবিতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে মার্কিন-মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় আলোচনার পর এ নতুন সময়সীমা দেওয়া হলো। তবে ওই আলোচনায় খুব সামান্যই অগ্রগতি হয়েছে, কারণ উভয় পক্ষই তাদের বিপরীতমুখী দাবিতে অনড় ছিল। ক্রেমলিন দাবি করেছে যে, ইউক্রেনকে শিল্পসমৃদ্ধ পূর্ব দনবাস অঞ্চল (দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক) থেকে সরে যেতে হবে, যেখানে বর্তমানে সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। কিয়েভ এই শর্ত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এছাড়া ইউক্রেনের সংবিধান অনুযায়ী রাশিয়ার দাবি করা এ পূর্বাঞ্চলীয় ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া নিষিদ্ধ। উভয়পক্ষ ১৫৭ জন করে যুদ্ধবন্দী হস্তান্তরের বিষয়ে একমত হয়েছে। ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, ৫ ফেব্রুয়ারি এই বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার জেলেনস্কি আরো জানান, চুক্তির আওতায় রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবন্দী বিনিময় অব্যাহত থাকবে। মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, যিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আমেরিকান মধ্যস্থতাকারী দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, বৃহস্পতিবার বলেন যে শান্তি আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য কাজ বাকি থাকলেও’ বন্দী বিনিময় প্রমাণ করে যে ‘নিরবচ্ছিন্ন কূটনৈতিক তৎপরতা বাস্তব ফলাফল বয়ে আনছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমাধান না এলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা কিছু জানাননি। এমনকি বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ার আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

২০২৬ সালের হজ ভিসা শুরু আগামীকাল ফেব্রুয়ারি থেকে

২০২৬ সালের হজ ভিসা শুরু আগামীকাল ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমের জন্য আগামীকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ভিসা ইস্যু শুরু করবে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে। খবর গালফ নিউজের। সংবাদ মাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় হাজিদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর কয়েক মাস আগেই সেবার প্রস্তুতি জোরদার ও কার্যক্রম সহজ করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে অনেক আগেই ২০২৫ সালের ৮ জুন থেকে। তারিখটি হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১৪৪৬ সালের ১২ জিলহজের সঙ্গে মিলে যায়। ওই সময় বিশ্বজুড়ে হজের কার্যক্রম তদারককারী দপ্তরগুলোর কাছে প্রাথমিক পরিকল্পনার নথিপত্র পাঠায় সৌদি মন্ত্রণালয়। সফর মাসের শুরুতে ‘নুসুক মাসার’ নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পবিত্র স্থানগুলোর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। এতে পরিকল্পনা, পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শুরুর দিকে মক্কা ও মদিনার আবাসন, পরিবহন ও অন্যান্য সেবাসংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন করা লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা দেওয়া শুরু হবে। আর মার্চে ভিসা চূড়ান্তকরণ এবং হাজিদের আগমনের জন্য প্রস্তুতির তথ্য জমা দেওয়া হবে। ঘোষণা অনুযায়ী, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (১৪৪৭ হিজরির ১ জিলকদ) থেকে প্রথম দফার হাজিরা সৌদি আরবে পৌঁছাতে শুরু করবেন। হাজিদের আগমনের মাধ্যমে হজ মৌসুমের চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু হবে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, হাজিদের আগমনের আগেই অবকাঠামো ও সেবাসমূহ পুরোপুরি প্রস্তুত রাখতে ঘোষিত সময়সূচি কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গালফ নিউজ জানায়, এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ লাখ হাজি নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে নিজ নিজ দেশ থেকে সরাসরি প্যাকেজ বুক করেছেন প্রায় ৩০ হাজার হাজি। আন্তর্জাতিক হাজিদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং ৭৩টি হজ বিষয়ক দপ্তর তাদের মৌলিক চুক্তিগত প্রয়োজনীয়তা সম্পন্ন করেছে।

পাকিস্তানে শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৩১, শোকাতুর ইসলামাবাদ

পাকিস্তানে শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৩১, শোকাতুর ইসলামাবাদ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের কাছে একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৩১ জনের জানাজা ও দাফন আজ শনিবার সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় কয়েক হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা আরো হামলার আশঙ্কায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। খবর রয়টার্সের। প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার পাকিস্তানের রাজধানীর উপকণ্ঠে খাদিজাতুল কুবরা ইমামবারগাহ মসজিদ চত্বরে জুম্মার নামাজের সময় এক ব্যক্তি প্রথমে গুলি চালায় ও পরে নিজের শরীরে থাকা বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে হামলাকারীসহ ৩১ জন নিহত এবং ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন। ইসলামিক স্টেট (আইএস) টেলিগ্রাম অ্যাপে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। আজ শনিবার সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মসজিদের কাছের একটি খোলা মাঠে কয়েকজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পুলিশ ও এলিট কমান্ডো বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছিলেন। জানাজার সময় অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। জানাজা পরিচালনাকারী ইমাম দোয়া করেন, “যারা এই সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত, সৃষ্টিকর্তা যেন তাদের জাহান্নামের আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেন।”কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা ইসলামাবাদে বোমা হামলার ঘটনা বিরল। তবে গত তিন মাসের মধ্যে এটি দ্বিতীয় হামলা। পাকিস্তানে সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটায় প্রধান শহরগুলোতে আবারো বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, সরকার এই হামলার নেপথ্যে থাকা পরিকল্পনাকারী ও সহায়তাকারীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। তিনি আরো জানান, আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তাদের উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ শুক্রবার এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, হামলাকারীর আফগানিস্তান ভ্রমণের ইতিহাস ছিল। তিনি কোনো প্রমাণ ছাড়াই এই হামলার পেছনে ভারতের মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তবে ভারত এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, “নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে পাকিস্তান অন্যদের ওপর দোষ চাপিয়ে নিজেকে বিভ্রান্ত করছে, যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।”২৪ কোটি জনসংখ্যার সুন্নিপ্রধান পাকিস্তানে শিয়া সম্প্রদায় সংখ্যালঘু। এর আগেও তারা ইসলামিক স্টেট এবং তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) মতো উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য, ১৫ প্রতিষ্ঠান-১৪ জাহাজের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য, ১৫ প্রতিষ্ঠান-১৪ জাহাজের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ইরানের সঙ্গে তেলের বাণিজ্য করা ১৫টি প্রতিষ্ঠান এবং ১৪টি জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ইরানি পেট্রোলিয়াম, পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের অবৈধ বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ১৫টি প্রতিষ্ঠান এবং ১৪টি ছায়া নৌবহরের জাহাজের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। খবর রয়টার্সের। শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তেহরানের শাসকগোষ্ঠী বিদেশে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করতে এবং তার নাগরিকদের দমন করতে যে রাজস্ব প্রবাহ ব্যবহার করে, তা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য একাধিক ব্যক্তি এবং জাহাজকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের অংশ হিসেবে, পররাষ্ট্র দপ্তর ১৪টি ছায়া নৌবহরকে ইরানি পেট্রোলিয়াম, পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহনে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত করছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইরানে উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল, পেট্রোলিয়াম পণ্য বা পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের ব্যবসা করছে এমন ১৫টি প্রতিষ্ঠান এবং সেই সঙ্গে দুইজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি বারবার ইরান সরকার তার নিজস্ব নাগরিকদের নিরাপত্তার চেয়ে তাদের অস্থিতিশীল আচরণকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, যেমনটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর শাসকগোষ্ঠীর গণহত্যার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অপরিশোধিত তেল, পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহন এবং অধিগ্রহণের সঙ্গে জড়িত জাহাজ এবং ব্যবসায়ীদের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে, যা শাসকগোষ্ঠীর আয়ের প্রাথমিক উৎস। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের পর বলেছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করতে পারেন। ওই আদেশে কত শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করা হবে তা বলা হয়নি। তবে উদাহরণ হিসেবে ২৫ শতাংশ শুল্কের কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইরান থেকে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়, আমদানি বা অন্য কোনোভাবে সংগ্রহ করা হলে- এমন যেকোনো দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা পণ্যের ওপর এই শুল্ক প্রযোজ্য হবে।

ভারতের ওপর থেকে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের

ভারতের ওপর থেকে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের উপর আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার তিনি এ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি অনলাইন। ট্রাম্প স্বাক্ষরিত একটি নির্বাহী আদেশ অনুসারে, “ভারত রাশিয়ান ফেডারেশনের তেল আমদানি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।”নয়াদিল্লি জানিয়েছে, তারা মার্কিন জ্বালানি পণ্য কিনবে, ‘এবং আগামী ১০ বছর প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি কাঠামোতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।’শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সময় রাত ১২টা ১ মিনিটে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ মার্কিন শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে। ট্রাম্প ভারতের উপর শুল্ক কমানোর জন্য একটি বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা করার কয়েকদিন পরেই এই নির্বাহী আদেশ জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই চুক্তিতে ওয়াশিংটন ভারতীয় পণ্যের উপর তথাকথিত ‘পাল্টা’ শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনবে। এই পরিবর্তনটি ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের উল্লেখযোগ্য হ্রাসকে চিহ্নিত করে, যা গত বছরের শেষের দিকে ৫০ শতাংশ ছিল। শুক্রবার হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত একটি বিবৃতি অনুসারে, চুক্তির অন্যান্য শর্তাবলীর মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট বিমান এবং যন্ত্রাংশের উপর শুল্ক প্রত্যাহার। ভারত আগামী পাঁচ বছরে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন জ্বালানি পণ্য, বিমান এবং যন্ত্রাংশ, মূল্যবান ধাতু, প্রযুক্তি পণ্য এবং কোকিং কয়লা কিনতে চায়।

ফিলিস্তিনি জনসংখ্যা কমাতে এপস্টেইনের সঙ্গে কথা বলেছিলেন সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিনি জনসংখ্যা কমাতে এপস্টেইনের সঙ্গে কথা বলেছিলেন সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনি জনসংখ্যা কমানোর ব্যাপারে ইসরায়েলের প্রচেষ্টা নিয়ে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে কথা বলেছিলেন ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক। সম্প্রতি মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশিত এপস্টেইন ফাইলসের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি অডিও রেকর্ডও ছিল। এপস্টেইনকে এহুদ বারাক জানিয়েছেন, তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে জানিয়েছেন ইসরায়েলের ১০ লাখ রুশভাষী অভিবাসীকে গ্রহণ করা প্রয়োজন। কারণ ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ অতীতের তুলনায় আরো ‘যাচাই-বাছাইপ্রবণ এবং ‘মানকে আরো কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।’ ১৯৪৮ সালের মে মাসে ইসরায়েলের সৃষ্টির আগে এবং এর প্রাথমিক বছরগুলোতে অভিবাসনের প্রধান উৎস ছিল পূর্ব ইউরোপীয় আশকেনাজি ইহুদি এবং মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার সেফারদি ইহুদিরা। অডিওতে বারাক সেফারদি ইহুদিদের অবমাননা করছেন বলে মনে হচ্ছে। তিনি বলছেন যে, ‘উত্তর আফ্রিকা, আরব, যেকোনো জায়গা থেকে’ ইহুদিদের ধরে নিয়ে দেশটি যা করতে পেরেছে তা করেছে। ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে ইসরায়েলে ব্যাপক অভিবাসন প্রবাহ শুরু হয়। সরকারি তথ্য অনুসারে, ২০০৯ সাল পর্যন্ত সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র থেকে ৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৯ জন অভিবাসী ইসরায়েলে এসেছিলেন। তাদের রাজনীতি ডানপন্থীদের সাথে সংযুক্ত ছিল। বারাক ধর্মীয় এবং ধর্মনিরপেক্ষ ইহুদিদের মধ্যে গভীর বিভাজনের উপরও জোর দিয়েছিলেন। তিনি কঠোর ধর্মীয় নিয়মের কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমি বিশ্বাস করি আমাদের বিবাহ, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এবং যেকোনো কিছুর উপর এবং ইহুদির সংজ্ঞার উপর অর্থোডক্স রাব্বিদের একচেটিয়া শাসন ভেঙে ফেলতে হবে। এটি একটি পরিশীলিত, নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে, ইহুদি ধর্মে ব্যাপক রূপান্তরের দরজা খুলে দেবে। এটি একটি সফল দেশ, অনেকেই এটি প্রয়োগ করবে।” বারাক জানান, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জনসংখ্যার মান ‘আমাদের পূর্বপুরুষদের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।’ ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠাতাদের তুলনায়। তিনি বলেন, “এটি উত্তর আফ্রিকা, আরব (বিশ্ব) বা যেকোনো জায়গা থেকে এক ধরণের মুক্তির ঢেউ ছিল। তারা যা আসত তা গ্রহণ করেছিল; এখন, আমরা যাচাই-বাছাই করতে পারি। আমরা সহজেই আরো ১০ লাখ মানুষ গ্রহণ করতে পারি। আমি পুতিনকে সবসময় বলতাম, আমাদের যা প্রয়োজন তা হল আরো ১০ লাখ মানুষ।”