সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত শুটিং বন্ধ রাশমিকার

 সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত শুটিং বন্ধ রাশমিকার রাশমিকা মান্দানার ভক্তদের জন্য খারাপ খবর! ‘অ্যানিমেল’ ও ‘পুষ্পা টু’-এর মতো পরপর ব্লকবাস্টার উপহার দিয়ে আপাতত সাফল্যের শীর্ষে এই দক্ষিণি অভিনেত্রী। বলিউড সিনেমায় রণবীরের পর এবার তাঁর নায়ক সালমান খান। ‘সিকান্দার’ নামের ওই সিনেমার শুটিংয়েই ব্যস্ত ছিলেন রাশমিকা। তবে সম্প্রতি ঘটল দুর্ঘটনা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাশমিকা সম্প্রতি জিমে চোট পেয়েছেন। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে এখন তিনি বিশ্রামে আছেন। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন অভিনেত্রী। জানা গেছে, সালমান খানের সঙ্গে সিকান্দারের শুটিং করছিলেন রাশমিকা। শুটিং শিডিউলের মাঝে একদিন জিম করতে গিয়ে মারাত্মক আঘাত পান। চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিয়েছেন, পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত যাবতীয় শুটিং বন্ধ রাখতে। সে অনুযায়ী চলছেন রাশমিকা। চিকিৎসকেরা ছাড়পত্র দিলেই কাজে ফিরবেন অভিনেত্রী। সিকান্দার সিনেমাটি পরিচালনা করছেন এ আর মুরুগাদোস। সালমান-রাশমিকা ছাড়াও এতে আছেন কাজল আগারওয়াল, সত্যরাজ, শরমন যোশি, প্রতীক বাব্বারসহ অনেকে। ৪০০ কোটি রুপি বাজেটে তৈরি হচ্ছে সিকান্দার। ঈদ উপলক্ষে ৩০ মার্চ সিনেমাটি মুক্তি পাবে। সিকান্দারের শুটিং শেষ করে তেলুগু সিনেমা ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’-এর শুটিংয়ে যোগ দেওয়ার কথা রাশমিকার। গত মাসে সিনেমাটির টিজার প্রকাশ হয়েছে। এতে রাশমিকার উপস্থিতি নজর কেড়েছে সবার।

বিশ্বাস করুন -আমি খুবই রোমান্টিক 

বিশ্বাস করুন -আমি খুবই রোমান্টিক বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। আবার বহুরূপীও বটে! কারণ রুপালি পর্দায় রোমান্টিক হিরো হিসেবেও কড়তালি কুড়িয়েছেন তিনি। এ খোলস ছাড়িয়ে খ্যাপাটে আমিরকেও দেখেছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। এসবই রুপালি পর্দার গল্প। ব্যক্তিগত জীবনে আমির খান ‘রোমান্টিক’ মানুষ। অন্তত এমনটাই দাবি তার। এ বিষয়ে আমির খান বলেন, “আমি খুবই রোমান্টিক। আমার কথা বিশ্বাস না হলে আমার দুই স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করুন। এ কারণে আমার প্রিয় সব সিনেমাই রোমান্টিক; আমি রোমান্টিক সিনেমায় নিজেকে হারিয়ে ফেলি।” সত্যিকারের ভালোবাসায় বিশ্বাসী আমির খান বলেন, “আমি সত্যিকারের ভালোবাসায় বিশ্বাসী। আমাদের বয়স যত বাড়ে, ভালোবাসা সম্পর্কে আমাদের বোধগম্যতাও তত বিকশিত হয়। আমি এখন উপলদ্ধি করতে পারি, কোথায় আমার ভুল ছিল। আমি আমার ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করছি।” আমির খান তার দৃষ্টিভঙ্গিতে ভালোবাসার সংজ্ঞা ব্যাখ্যা করেছেন। তার ভাষায়— “আমার কাছে ভালোবাসা হলো, এমন একজন আত্মার সঙ্গীকে খুঁজে পাওয়া; যা তোমাকে অনুভব করাবে— তুমি তোমার জীবনের গন্তব্যে পৌঁছে গেছো।” ব্যক্তিগত জীবনে ভালোবেসে অভিনেত্রী রিনা দত্তর সঙ্গে প্রথমবার সংসার বাঁধেন আমির খান। ১৯৮৬ সালে কয়েকজন বন্ধুর সহযোগিতায় ম্যারেজ রেজিস্টার অফিসে গিয়ে বিয়ে করেন রিনা ও আমির। তাদের দাম্পত্য জীবনে দুই সন্তান— জুনায়েদ ও ইরা। ২০০২ সালে এই দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ হয়। রিনার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কিরণ রাওয়ের সঙ্গে আমিরের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। এই অভিনেতার ‘লগান’ সিনেমার সেটেই তাদের পরিচয় হয়। এক সময় বন্ধুত্ব থেকে প্রেম এবং ২০০৫ সালে এই জুটির বিয়ে হয়। এ সংসারে আজাদ রাও খান নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। ২০২১ সালের ৩ জুলাই যৌথ বিবৃতিতে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন এই যুগল।

এ আর রহমান সম্পর্কে সনুর বিস্ফোরক অভিযোগ

এ আর রহমান সম্পর্কে সনুর বিস্ফোরক অভিযোগ ভারতীয় সংগীতশিল্পী, পরিচালক, গায়ক ও প্রযোজক এ আর রহমান। যিনি বলিউড মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকে বিশ্ব মহলে তুলে ধরেছেন সুউচ্চ অবস্থানে। এখনও উপমহাদেশের সংগীত পরিচালকদের মধ্যে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পীর তকমা তার। জিতেছেন অস্কার ও গ্র্যামির মত বড় অ্যাওয়ার্ড। এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ আর রহমানকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জনপ্রিয় গায়ক সোনু নিগম। যে রহমানের সুরে একাধিক সুপারহিট গান গেয়েছেন সোনু, সেই রহমানকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন। সাক্ষাৎকারে সোনু বলেন, ‘এআর রহমান এমন একটা মানুষ, যিনি সম্পর্ক বানান না বা সম্পর্ক তৈরিতেও কোনো রকম আগ্রহও থাকে না। সবার সঙ্গে খুব কম কথাবার্তা বলেন। অন্তত যখন আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি তারপর এমনটাই মনে হয়েছে।’ তার কথায়, ‘হয়ত রহমানের আলাদা পরিচিত মহল রয়েছে। রহমান একেবারেই মিশুকে নয়। কাজ ছাড়া কিছু বোঝেন না। কোনও গসিপ নেই। রহমান এমনই, উনি নিজেও চান না ওর ব্যক্তিগত বিষয়ে কেউ কিছু জানুক। সারাক্ষণ নিজের মতো থাকেন, তিনি খুবই অদ্ভুত।’ প্রসঙ্গত, এ আর রহমান হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তিনি ২০ বছর বয়সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার পূর্ব নাম ছিল এ এস দিলীপ কুমার। নয় বছর বয়সে পিতার মৃত্যুর পর, তার পরিবার কঠিন সময় অতিবাহিত করছিল। পুরো পরিবারের দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পরেছিল। ১৯৮৮ সালে তিনি ও তার পুরো পরিবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে।

যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ দাবা*নলে পুড়ছে তারকাদের বাড়িঘর

যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ দাবা*নলে পুড়ছে তারকাদের বাড়িঘর যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্চেলসে হঠাৎ দাবানলে পুড়ছে প্যাসিফিক প্যালিসেডস এলাকার শতাধিক বাড়িঘর। বিধ্বংসী এই আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন স্থানীয় হাজারো মানুষ। বাদ যায়নি রুপালি পর্দার তারকারাও। ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দা, একাধিক তারকার বসতবাড়ি ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই! চোখের জলে হাহাকার করছেন হলিউড তারকারা। জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্যাসিফিক প্যালিসেডস। এটি লস অ্যাঞ্জেলেসের অত্যন্ত অভিজাত এলাকা। এখানেই রয়েছে ম্যান্ডি মুর, প্যারিস হিলটন, অ্যান্থনি হপকিন্‌স, ক্যারি এলওয়েসের মতো তারকার বিলাসবহুল বাড়ি। সাধের বাড়ি হারিয়ে মাথায় হাত তাদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তারা। যদিও এখনও স্পষ্ট নয় ঠিক কীভাবে ছড়াল এই ভয়াবহ আগুন। প্যারিস হিলটনের কথাই ধরুন। মালিবুতে তার বাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত। টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার দেখে জেনেছেন সে কথা। হৃদয়বিদারক সেই হাহাকারের কথা জানিয়ে প্যারিস লিখেছেন, ‘এই অভিজ্ঞতা যেন আর কারও না হয়।’ তিনি আরও জানান, এই বাড়িতে অনেক মূল্যবান স্মৃতি ছিল। আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করেছে সব। তার পরিবারের সদস্য এবং পোষ্যদের নিরাপদ স্থান সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’ ছবির অভিনেতা ক্যারি এলওয়েসেরও। তার বাড়িও পুড়ে ছাই। কোনওমতে প্রাণে বেঁচেছেন পরিবারের সদস্যরা। খ্যাতনামী জেমি লি কার্টিস সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, তার পরিবার নিরাপদ রয়েছে। কিন্তু তাদের বাড়ি রক্ষা পায়নি। অভিনেত্রী ঈশ্বর এবং উদ্ধারকারীদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। যাদের জন্য তিনি এবং তার পরিবার প্রাণে বেঁচেছেন। জেমি লির শেয়ার করা একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, স্থানীয় বাড়িঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। কোনো কিছুই আগুনের ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি। দাবানল ভয়াবহ রূপ ধরার আগেই পরিবারের সকলকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছিলেন অভিনেতা-গায়িকা ম্যান্ডি মুর। বাড়ি জ্বলেছে তারও। ধ্বংসের ভয়াবহ রূপ প্রত্যক্ষ করে বাক্‌রুদ্ধ তিনি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলেসের আশপাশে কমপক্ষে চারটি জায়গায় এই দাবানল ছড়িয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকাও ক্রমশ বাড়ছে। এই তালিকায় রয়েছেন বিলি ক্রিস্টাল, আনা ফারিস এবং রিকি লেক-সহ অনেকে।

১৭ বছর পর যা করেছি, তুমি ৭ বছরেই করে দিলে : রুক্মিণীকে দেব

১৭ বছর পর যা করেছি, তুমি ৭ বছরেই করে দিলে : রুক্মিণীকে দেব অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রর ক্যারিয়ার গ্রাফ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। দীর্ঘ মডেলিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০১৭ সালে টলিউডে পথ চলা শুরু করেছিলেন অভিনেত্রী। প্রথম বছরেই পর পর দুটি ছবি ‘চ্যাম্প’ ও ‘ককপিট’-এ দেবের সঙ্গে জুটি বেঁধে দর্শকের নজর কেড়েছিলেন। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক ছবিতে প্রশংসা কুড়িয়েছেন রুক্মিণী। শিগগিরই আসছে রুক্মিণীর পরবর্তী ছবি ‘বিনোদিনী’। বুধবার মুক্তি পেয়েছে সেই বহু প্রতীক্ষিত ছবির প্রথম গান ‘কানহা’। শ্রেয়া ঘোষালের গানের পাশাপাশি রুক্মিণীর নাচ ও অভিনয় দেখে মুগ্ধ দর্শকেরা। ‘বুমেরাং’ হোক বা ‘টেক্কা’ বা ‘বিনোদিনী’, বারবার নিজেকে ভেঙে নতুন করে সামনে আনছেন রুক্মিণী৷ বিভিন্ন চরিত্রে নিজেকে তুলে ধরেছেন। ঝুঁকি নিয়ে নতুন কিছু চেষ্টা করে চলেছেন। যা প্রশংসনীয় বলে মনে করেন দেবও। অভিনেত্রীর কথায়, দেব আমাকে সবসময় বলেন, ‘আমি ১৭ বছর পর যা করছি, তুমি ৭ বছরেই তা করে দিলে।’ আসলে এই ছবির শুটিং যখন শুরু হয় তখন টলিপাড়ায় রুক্মিণীর মাত্র দু বছর হয়েছে। পরিচালক রামকমল প্রথম থেকেই নায়িকাকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন, যদিও প্রযোজকরা বিশ্বাস করতে পারেননি। পরে অবশ্য দেব এবং প্রমদ ফিল্মস এগিয়ে আসেন বলে জানিয়েছেন রুক্মিণী। আসলে দেব নিজেকে ভেঙে অন্যধারার ছবি করতে ক্যারিয়ারে কিছুটা সময় নিলেও রুক্মিণী একেবারেই তা করেননি, তাই প্রেমিকার প্রশংসা করতে কখনও পিছপা হননি দেব নিজেও। রুক্মিণী জানিয়েছেন, পায়ের অস্ত্রপচারের পর সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার আগেই এই বিশেষ গানের নাচ শেখা শুরু করেন তিনি। অনেকেই ভয় পেলেও অভিনেত্রী থামেননি৷ গানের শুটিংয়ের ক্ষেত্রেও নানা বাধা এসেছে, এসব কিছুর পর অবশেষে গানটি মুক্তি পাওয়ায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন নায়িকা। ৫ মিনিটেরও বেশি বড় হওয়ায় প্রথমে গানটি ছোট করার ভাবনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা করা হয়নি। ফলে মুক্তির পর থেকেই ট্রেন্ডিংয়ে রয়েছে এই গান।

দুর্ঘটনার কবলে অজিত, গাড়ির গতি ছিল ১৮০ কি.মি.

দুর্ঘটনার কবলে অজিত, গাড়ির গতি ছিল ১৮০ কি.মি. দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন ভারতের দক্ষিণী সিনেমার অভিনেতা অজিত কুমার। কয়েক দিন পরই অনুষ্ঠিত হবে ‘দুবাই ২৪ আওয়ার রেস’। এতে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন অজিত। গতকাল অনুশীলন করতে গিয়ে তার গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে; দুমড়েমুচড়ে গেছে তার গাড়িটি। ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, অজিত কুমার যে গাড়িতে অনুশীলন করছিলেন সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অভিনেতা অক্ষত রয়েছেন। অজিত কুমারের মুখপাত্র সুরেশ চন্দ্র বলেন, “আগামী ১১ জানুয়ারি রেস অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেওয়ার আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনুশীলন করছেন অজিত। প্রথম সেশনে তার গাড়িটি বাউন্ডারিতে গিয়ে আঘাত করে। এতে গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। আজ আবারো অনুশীলন শুরু করবেন অজিত।” এনডিটিভি জানিয়েছে, ‘দুবাই ২৪ আওয়ার রেস’ প্রতিযোগিতার নিয়ম হলো— ২৪ ঘণ্টার রিলে রেস। প্রত্যেক চালককে ৬ ঘণ্টা করে গাড়ি চালাতে হবে। তারই অনুশীলন করছিলেন অজিত। সেসময় তার তার গাড়ির গতি ছিল ১৮০ কিলোমিটার; তখনই দুর্ঘটনার কবলে পড়েন এই অভিনেতা। সিনেমার পাশাপাশি গাড়ি ও মোটরসাইকেলের প্রতি আলাদা ভালোবাসা রয়েছে অজিত কুমারের। তিনি একজন পেশাদার রেসার। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে মোটরসাইকেল নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণ শুরু করেন। নেপাল-ভূটান এবং ইউরোপের বেশ কিছু দেশ ভ্রমণ করেছেন এই অভিনেতা। অজিত কুমার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘থুনিভা’। ২০২৩ সালের ১১ জানুয়ারি মুক্তি পায় এটি। এতে অজিতের বিপরীতে অভিনয় করেন মঞ্জু ওয়ারিয়ার।  অজিতের পরবর্তী সিনেমা ‘বিদা মুইয়াচি’। তামিল ভাষার এ সিনেমায় তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে অর্ধ যুগের বেশি সময় পর জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন অজিত। এটি পরিচালনা করছেন মাগের থিরুমেনি। তা ছাড়াও তামিল ভাষার ‘গুড ব্যাড আগলি’ সিনেমায় দেখা যাবে তাকে।

ওমরাহ পালনে গেলেন নিলয়

ওমরাহ পালনে গেলেন নিলয় ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে যাচ্ছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় তারকা নিলয় আলমগীর। তবে নিলয় একা নন, তার বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্ত্রী তাসনুভা তাবাসসুম হৃদিও ওমরাহ পালন করবেন। বুধবার (৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ছবি প্রকাশ করেছেন নিলয়। তাতে ইহরামের পোশাকে দেখা যায় তাকে। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “দোয়া করবেন।”  নিলয়ের স্ত্রী হৃদিও তার ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে লেখেন, “আল্লাহ তা’আলা অবশেষে আব্বু, আম্মু, শ্বশুর-শাশুড়ি সবাইকে নিয়ে আমাদের ওমরাহ পালনের সুযোগ করে দিলেন। নতুন বছরের শুরু আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।” ‘তাহসানের স্ত্রীর আগের সম্পর্ক এখন সামনে আনা বিকৃত রুচির পরিচয়’  নিলয় ছোটপর্দার পাশাপাশি বড়পর্দাতেও কাজ করেছেন। ‘বেইলী রোড’ তার অভিনীত প্রথম সিনেমা। এরপর চারটি সিনেমায় অভিনয় করেন এই অভিনেতা। বর্তমানে নাটকের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতাদের একজন নিলয় আলমগীর। বিশেষ করে ইউটিউবের নাটকে তার চাহিদা তুঙ্গে। নতুন বছরের প্রথমদিনে তার অভিনীত ‘পাগলের সুখ মনে মনে’ নাটক মুক্তি পায়। এতে নিলয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন হিমি। আরো রয়েছেন তানজিম হাসান অনিক, সিয়াম নাসির, স্নেহাসহ অনেকেই।

সাত সকালে হানিমুনে কোথায় গেলেন তাহসান-রোজা?

সাত সকালে হানিমুনে কোথায় গেলেন তাহসান-রোজা? গায়ক-অভিনেতা তাহসান খানের বিয়ে নিয়ে আলোচনা এখনো তুঙ্গে। সামাজিকমাধ্যমে চোখ রাখলেই এ উন্মাদনার প্রমাণ মিলছে। তাহসান ও তার নতুন জীবনসঙ্গী রোজা আহমেদের বিয়ের ছবি ঘুরছে হাজারো পোস্টে। শুভকামনার বন্যার সঙ্গে চলছে নানা কৌতূহল। সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন- হানিমুনে কোথায় যাচ্ছেন তাহসান-রোজা দম্পতি? হসান-ভক্তদের জন্য এক্সক্লুসিভ খবর হলো, মঙ্গলবার (০৭ জানুয়ারি) সকালে হানিমুনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন তাহসান ও রোজা। জানা গেছে, সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে দেশের একটি এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে তারা রওনা হন মালদ্বীপের উদ্দেশে। তিন-চার দিন সূর্যময় দ্বীপরাজ্যেই কাটবে তাদের মধুচন্দ্রিমার বিশেষ মুহূর্তগুলো। এই সময়ের জনপ্রিয় গায়ক তাহসান শুধু বিয়ে নিয়েই ব্যস্ত নন, সমানতালে সামলাচ্ছেন নিজের সৃজনশীল কাজও। বিয়ের দুদিনের মাথায় নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন। ‘একা ঘর আমার’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন এবং সুর দিয়েছেন নিজেই। তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন সিঁথি সাহা। গানটি প্রকাশ করেছে অনুপম রেকর্ডিং মিডিয়া। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় এই গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাহসান। প্রসঙ্গত, তাহসানের স্ত্রী রোজা আহমেদ নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর সেখানে রোজা’স ব্রাইডাল মেকওভার নামে একটি রূপসজ্জার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশেই ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। এছাড়াও মেকআপ শিক্ষিকা হিসেবে তিনি নারীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন এবং অনেককে উদ্যোক্তা হতে সাহায্য করেছেন।

তাহসানকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিলেন রোজা

তাহসানকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিলেন রোজা বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন সংগীতশিল্পী, অভিনেতা তাহসান খান ও রূপসজ্জাকর (মেকআপ আর্টিস্ট) রোজা আহমেদ। নতুন জীবনের শুরুতে রোজা আহমেদ তাহসানকে ৪টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আর তা জানা গেল তার রোজার বয়ানেই। দাম্পত্য মানেই একের প্রতি অপরের কিছু দায়িত্ব পালন আর কিছু প্রতিশ্রুতি রক্ষা। নানা প্রতিশ্রুতি আর জীবনসঙ্গীর চাওয়াগুলোকে পূর্ণ করার প্রত্যয় নিয়েই ঘর বাঁধে দুটি মানুষ। আর এই ঘর মানে অনেক কিছু। এই ঘর মানে প্রতিদিন কারো কাছে ফিরে আসা, পরম আশ্রয় আর ভালোবাসার বন্ধন। নিজেদের বিয়ের আটটি ছবি সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করে এক ঘরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাহসানের নববিবাহিতা স্ত্রী রোজা আহমেদ। আর সেই সঙ্গে তাহসানের তিনটি বিশেষ চাওয়া পূরণ করার প্রতিশ্রুতির কথাও জানিয়েছেন রোজা। সেগুলো হলো বিশ্বাস, শ্রদ্ধা আর বন্ধুত্ব। ছবির ক্যাপশনে রোজা লেখেন, আমি এমন একজন লোককে পেয়েছি যিনি দয়ালু। তিনি জীবনের জন্য বিশ্বাস, শ্রদ্ধা এবং বন্ধুত্ব চেয়েছিলেন। আমি তাকে এসবের সঙ্গে জীবনের জন্য একটি বাড়ির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সব কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। ভেবে দেখলেই বোঝা যায় রোজার দেওয়া প্রতিশ্রুতির (বিশ্বাস, শ্রদ্ধা আর বন্ধুত্ব) এই তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আসলে পারস্পরিক। এর সঙ্গে যদি একটি শান্তির নীড় বা ঘরের প্রতিশ্রুতি মেলে তবে পুরুষ আর না আটকিয়ে যাবে কোথায়! আর সেটিই হয়েছে বহুদিন সিঙ্গেল জীবন কাটানো, কয়েক প্রজন্মের হার্টথ্রব তাহসানের বেলায়। এই নবদম্পতিকে নিয়ে এখন আলোচনা চলছে নেটিজেনদের। অন্যদিকে, রোজা আহমেদের এই হৃদয়ছোঁয়া পোস্ট এরই মাঝে আলাদা করে ভালোলাগা জাগাচ্ছে, ছুঁয়ে যাচ্ছে সবাইকে। জানা গেছে, তাহসানের স্ত্রী রোজা আহমেদ নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর সেখানে রোজা’স ব্রাইডাল মেকওভার নামে একটি রূপসজ্জার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশেই ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। এছাড়াও মেকআপ শিক্ষিকা হিসেবে তিনি নারীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন এবং অনেককে উদ্যোক্তা হতে সাহায্য করেছেন।

এফডিসিতে শ্রদ্ধা ও প্রবীর মিত্রের জানাজা অনুষ্ঠিত

এফডিসিতে শ্রদ্ধা ও প্রবীর মিত্রের জানাজা অনুষ্ঠিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেতা প্রবীর মিত্র ওরফে হাসান ইমামের প্রথম জানাজা এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর এফডিসির জহির রায়হান ভিআইপি প্রজেকশনের সামনে বরেণ্য এই অভিনেতার জানাজা সম্পন্ন হয়। প্রবীর মিত্রকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে এফডিসিতে উপস্থিত হয়েছিলেন তার সহকর্মীসহ নবীন-প্রবীণ চলচ্চিত্রকর্মীরা।  প্রবীর মিত্রকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস), চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতি, পরিচালক সমিতি, শিল্পী সমিতি, ফিল্ম ক্লাবসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন।  সংকটাপন্ন অবস্থায় প্রবীর মিত্র রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। প্রবীর মিত্র দীর্ঘদিন ধরে শরীরে অক্সিজেন স্বল্পতাসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২২ ডিসেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  গতকাল রাতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য সনি রহমান রাইজিংবিডিকে বলেন, “এফডিসি থেকে প্রবীর মিত্রের মরদেহ নেওয়া হবে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা হবে। এরপর রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে।”  ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট কুমিল্লার চান্দিনায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবীর মিত্র। পুরান ঢাকায় বড় হওয়া প্রবীর মিত্র স্কুলজীবনে নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন। স্কুলজীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ডাকঘর’ নাটকে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯৬৯ সালে প্রয়াত এইচ আকবরের ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান প্রবীর মিত্র। যদিও চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালের ১ জানুয়ারি। অভিনয় ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে প্রবীর মিত্র ‘নায়ক’ হিসেবে কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এরপর চরিত্রাভিনেতা হিসেবে কাজ করে দর্শকপ্রিয়তা লঅভ করেন। ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘জীবন তৃষ্ণা’, ‘সেয়ানা’, ‘জালিয়াত’, ‘ফরিয়াদ’, ‘রক্ত শপথ’, ‘চরিত্রহীন’, ‘জয় পরাজয়’, ‘অঙ্গার’, ‘মিন্টু আমার নাম’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘মধুমিতা’, ‘অশান্ত ঢেউ’, ‘অলংকার’, ‘অনুরাগ’, ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘তরুলতা’, ‘গাঁয়ের ছেলে’, ‘পুত্রবধূ’সহ চার শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এই বরেণ্য অভিনেতা।