পছন্দ কালাভুনা, কীভাবে ডায়েট করেন সাবিলা?

পছন্দ কালাভুনা, কীভাবে ডায়েট করেন সাবিলা? দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর। এক দশকের বেশি সময় ধরে শোবিজে কাজ করছেন। এই সময়ে তাকে বেশ স্বাস্থ্য সচেতন বলেই মনে হয়েছে। তবে এই সাবিলার পছন্দে খাবার নাকি ফার্স্টফুড ও গরুর মাংসের কালাভুনা। এক অনুষ্ঠানে ডায়েটের বিষয়ে জানতে চাইলে এই অভিনেত্রী বলেন, আমি চেষ্টা করি স্লিপং মেইনটেইন করতে। আমার সেক্ষেত্রে ডায়েট মেইনটেইন করা হয় না। চেষ্টা করি একটু নিয়মিত হাঁটা সেইসঙ্গে ক্যাজুয়াল স্লিপিংটা মেইনটেইন করা। ফার্স্টফুড কিংবা গরুর মাংস আমার খুব পছন্দ। বিশেষ করে কালাভুনা, যেহেতু আমি চাটগাঁইয়া।  চলছে ফেব্রুয়ারি মাস। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ভালোবাসা দিবস। এই সময়ে রোমান্টিক সব গল্পের কাজে নিজেকে মেলে ধরেন তারকারা। তবে সাবিলা জানালেন এবারের ভালোবাসা দিবসের নাটকে দেখা মিলবে না তার। কারণ হিসেবে সাবিলা জানান, বেশ কয়েকদিন কাজ করেননি তিনি। এই অভিনেত্রীর মতে, টানা কাজ না করে মাঝে বিরতি দেওয়া ভালো। যেটা অনেক বছর ধরেই করে আসছেন তিনি।  ভালোবাসা দিবসের নাটকে দেখা না গেলেও আসছে ঈদের বিশেষ নাটকে ঠিকই দেখা যাবে সাবিলাকে। তার কথায়, ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে রেখেছেন তিনি। সেইসঙ্গে ইন্টারেস্টিং গল্প ও চরিত্রের কিছু কাজ সামনে রয়েছে। সেগুলোও ঈদে প্রচারে আসবে। ওটিটি ও সিনেমার কাজের আপডেটও জানিয়েছেন ছোট পর্দার এই তারকা। সাবিলা বলেন, ওটিটির জন্য ভালোভালো কিছু স্ক্রিপ্ট পেয়েছি। অলরেডি দুটি কাজের কনফার্মেশন আছে। সামনে শুটিং শুরু হবে। সিনেমার কাজের ব্যাপারে তিনি বলেন, সবসময় বলে এসেছি, বড় পর্দার কাজের জন্য মানসিক প্রস্তুতি লাগে। কারণ দর্শক আমাকে বড় পর্দায় দেখবে এটা আমার জন্যও বড় একটা ব্যাপার। সেজন্য সেই সময়টা নিচ্ছি। আমি বলেছিলাম, এ বছর কিংবা সামনের বছর সিনেমা করব, ওই কথাটাই আছে। হয়তো এ বছর শুটিং হবে, এ বছর না হলে সামনের বছর আপনারা আমাকে বড় পর্দায় দেখবেন। সিনেমার কাজের ক্ষেত্রে ঢালিউডে না ভারতের টলিউডে দেখা যাবে? এমন প্রশ্নে সাবিলা নূর বলেন, এপার বাংলায় (ঢালিউড) দেখবেন। এমন একটা কাজের ইচ্ছে যেখানে দর্শক আমাকে নতুনভাবে দেখবে। অথবা যে সাবিলাকে তারা ছোট পর্দায় দেখেছে তেমন দেখবে না। এমন একটা সিনেমা করব যেটা ব্লকবাস্টার হবে। অবশ্যই ইচ্ছে আছে, একজন বড় তারকা কিংবা সুপারস্টারের সঙ্গে কাজ করার। এদিকে, সামনে ভিকি জাহেদের ‘এক্সট্রা’ নামের নতুন কনটেন্টে দেখা যাবে সাবিলাকে। ওটিটি প্লাটফর্মের জন্য তৈরি এই স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমায় সাবিলার সঙ্গে অভিনয় করবেন নিলয় আলমগীর। এর আগে একসঙ্গে তাদের অভিনয় করতে দেখা গেলেও এবারই প্রথমবার ভিকি জাহেদের পরিচালনায় দেখা যাবে।

শারীরিক অবস্থার উন্নতি, বাসায় ফিরছেন সাবিনা ইয়াসমিন

শারীরিক অবস্থার উন্নতি, বাসায় ফিরছেন সাবিনা ইয়াসমিন খ্যাতিমান কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) একটি অনুষ্ঠানে গাইবার সময় মঞ্চেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাকে হাসপাতালে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছিলেন। আবারও এ শিল্পী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে বর্তমানে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি এখনো হাসপাতালে রয়েছেন। জানা গেছে, সাবিনা ইয়াসমিনের শারীরিক অবস্থা ক্রমেই উন্নতির দিকে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ শিল্পী বাসায় যেতে পারেন। এ প্রসঙ্গে সাবিনা ইয়াসমিনের মেয়ে সংগীতশিল্পী ইয়াসমিন ফায়রুজ বাঁধন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আম্মুর অবস্থা এখন ভালো। আজকে তার বাসায় ফেরার কথা রয়েছে। ডাক্তাররা এখন পর্যন্ত এমনটাই বলছেন।’ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গানে বিরতি নিয়েছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন। এই সময়ে তিনি ক্যানসারের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। প্রথম ২০০৭ সালে তার ক্যানসার ধরা পড়ে। চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আবারও গান শুরু করেছিলেন তিনি। মাঝে বিশ্বের কয়েকটি দেশের প্রবাসী বাঙালিদের জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানগুলোয় গান করেছেন তিনি। গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নতুন করে তার শরীরে ক্যানসার ফিরে আসে। সেবার সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়ে ফিরেছিলেন তিনি। তবে তাকে অনেকগুলো রেডিওথেরাপি নিতে হয়েছিল। দশ হাজারেও বেশি গান কণ্ঠে তুলেছেন সাবিনা ইয়াসমিন। গীতিকার নয়ীম গহরের লেখা ও সুরকার আজাদ রহমানের সুরে সাবিনা ইয়াসমিনের গাওয়া দেশাত্মবোধক গান ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো’ একাত্তরের রণাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বেশ কিছু গানের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে সব শ্রেণির শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। সংগীতে অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে তিনি একুশে পদক, ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার ও ১৪ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

‘পরীমণির সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক হতেই পারে না’

‘পরীমণির সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক হতেই পারে না’ গত কয়েক দিন ধরেই গুঞ্জন উড়ছে, চিত্রনায়িকা পরীমণি গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। গত সোমবার ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন পরীমণি। সেদিন এ অভিনেত্রীর জামিনদার হন গায়ক শেখ সাদী। এরপর তাদের ‘প্রেম’ নিয়ে আলোচনা আরো জোরালো হয়েছে। পরীমণি-শেখ সাদীর ব্যাপারটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণভাবে ঘনীভূত হয়েছে। স্পষ্টবাদী পরীমণি নিজের অবস্থান পরিষ্কার না করলেও বক্তব্য দিয়েছেন শেখ সাদী। প্রেমের গুঞ্জন উড়িয়ে শেখ সাদী গণমাধ্যমকে বলেন, “পরীমণির সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক হতেই পারে না। পারিবারিকভাবে আমাদের বোঝাপড়া ভালো। আমাদের পরিবারের সদস্যরা তার বাসায় যান; তিনিও আমাদের বাসায় আসেন। পারিবারিক সম্পর্কের বাইরে তার সঙ্গে প্রেমের কোনো সম্পর্ক নেই। মানুষ না জেনে না বুঝে আমাদের নিয়ে রিউমার ছড়াচ্ছেন।” পরীমণির সঙ্গে পরিচয়ের বিষয়টি ব্যাখ্যা করে শেখ সাদী বলেন, “একই অঙ্গনে দীর্ঘদিন কাজ করার ফলে পরীমণির সঙ্গে বেশ আগেই পরিচয়। পেশাগত কারণে তার সঙ্গে আমার পরিচয়। নিয়মিত কথাবার্তাও হয়; এটা নিয়ে বলার তো কিছু দেখি না।” জামিনদার হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন গায়ক শেখ সাদী। তার ভাষায়, “দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে আদালতে গিয়েছিলাম। পরীমণি আমার সহকর্মী। তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির খবর শুনে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। তখন পরীমণির সঙ্গে কথা হয়। তিনি আমাকে জানিয়েছিলেন, আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। জামিন হওয়ার পর তার আইনজীবী একজন জামিনদার হন; আমি আরেকজন জামিনদার হই।” ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর ভালোবেসে বিয়ে করেন চিত্রনায়িকা পরীমণি ও চিত্রনায়ক শরিফুল রাজ। তবে ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি ঘরোয়াভাবে আবার তাদের বিয়ে হয়। ২০২২ সালের ১০ আগস্ট তাদের ছেলে শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যের জন্ম হয়। রাজের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর একটি কন্যাসন্তান দত্তক নেন পরীমণি। আপাতত সিঙ্গেল মাদার হিসেবে দুই সন্তানকে বড় করছেন এই অভিনেত্রী।

ওরা আমাকে মেরেই ফেলত: বিশ্বনাথ

ওরা আমাকে মেরেই ফেলত: বিশ্বনাথ হামলার শিকার হয়েছেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু। গত ২৫ জানুয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদা থানা এলাকার পাহাড়িচক গ্রামে অনুষ্ঠান করতে এমন ঘটনার মুখোমুখি হন ‘বস’ তারকা। মূলত, অনুষ্ঠান শুরুর আগে স্টেজের পাশে থাকা নেতাজির মূর্তিতে মালা দেওয়ার অনুরোধ করেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ। বিশ্বনাথ জুতা পরেই মালা দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। জুতা শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে জটিলতার সূত্রপাত্র। ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে বিশ্বনাথ বসু বলেন, “এসবের পর এক ঘণ্টা শো করি। কোনো অসুবিধাই হয়নি। স্টেজে উঠে নেতাজির কথা বলেছি। যে অর্গানাইজার নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি আসলে মাতাল অবস্থায় ছিলেন।” অনুষ্ঠান শেষ করার পর বিশ্বনাথ বসুকে বলা হয়, ক্লাবের সেক্রেটারি আপনার সঙ্গে কথা বলবেন। এ তথ্য উল্লেখ করে বিশ্বনাথ বসু বলেন, “সেখানে আমাকে বলা হয়, আপনি জুতা পরে মালা দিলেন কেন? আমি বললাম, ভুল হয়ে গিয়েছে। আসলে খুব ক্লান্ত ছিলাম তো! তখন ক্লাবের ক্যাশিয়ার আমাকে ইশারা করে বলেন, ‘পয়সা দিয়ে নিয়ে এসেছি। কোথায় যাচ্ছেন? সবার সঙ্গে ছবি না তুলে যেতে পারবেন না।’ তারপরই অশান্তির শুরু।” ঘটনা বিশদে ব্যাখ্যা করে বিশ্বনাথ বসু বলেন, “আমাকে যে অর্গানাইজার স্টেজে নিয়ে গিয়েছিলেন তার নাম মলয় রায়। আমাকে যখন স্টেজে নিয়ে যান তখন তিনি মাতাল ছিলেন। এটা আমি একদম মেনে নিতে পারিনি। ২১ বছরের ক্যারিয়ারে এটা কখনো মেনে নিইনি যে, আমার সঙ্গে কর্মরত অবস্থায় কেউ মদ্যপ থাকবে। অনুষ্ঠান শেষে যখন গাড়িতে উঠব তখন মলয় এসে বলেন, ‘সেক্রেটারি একটু কথা বলবেন।’ তিনিও একই অবস্থায় ছিলেন। আমাকে বললেন, ‘জুতা পরে কেন মালা পরালেন? আমি সঙ্গে সঙ্গে বলেছি, ওটা আমার ভুল হয়েছে। ক্ষমা চাইছি। তখন ওদের মুখ থেকে এত গন্ধ বের হচ্ছিল যে, আমি বলতে বাধ্য হই, একটু দূরে যান আমি থাকতে পারছি না। তারপরই রেগে যান।”প্রাণে বাঁচার কথা স্মরণ করে বিশ্বনাথ বলেন, “ওই ক্লাবের লোকজন মৃত্যুদর্শন করিয়ে দিয়েছেন। দু’জন বাউন্সারও আটকাতে পারছিলেন না। গাড়ির লুকিং গ্লাস ভেঙে দিয়েছে। কিছুতেই গাড়িতে উঠতে দিচ্ছিল না। ওরা এতটাই রেগে ছিল যে, মেরেই ফেলত।”এ ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। এরই মধ্যে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পরীমণির জামিনদার তরুণ গায়ক

পরীমণির জামিনদার তরুণ গায়ক নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির একদিনের মাথায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুনাইদ তাকে জামিন দেন। গায়ক শেখ সাদী হয়েছেন পরীমণির জামিনদার। বিষয়টি নিশ্চিত করে পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত বলেন, আদালতে পরীমণি আসতে না পারায় আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে পরীমণিকে খবরটি জানান। এরপর পরীমণি সিদ্ধান্ত নেন, সোমবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইবেন। ওইদিন তিনি আদালত থেকে জামিনও পেয়ে যান। নীলাঞ্জনা রিফাত বলেন, আদালতের জামিন আদেশের পর পরীমণির জামিননামা লেখা হয়। আমি জামিনদার হয়েছি। আরেকজন জামিনদার হয়েছেন শেখ সাদী। জামিননামাটি আদালতে জমাও দিয়েছি। জামিনদার হয়ে শেখ সাদী আদালতে শুরু থেকে পরীমণির সঙ্গে ছিলেন। পরীমণির জামিনদার হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেখ সাদী বলেন, পরীমণি আমার সহকর্মী। যখন তিনি গণমাধ্যমে পরীমণির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির খবর শুনলেন, তখন বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। তখন পরীমণির সঙ্গে কথা হয়। তিনি আমাকে জানিয়েছিলেন, আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। এ জন্য আমিও আজ আদালতে আসি। জামিন হওয়ার পর তার আইনজীবী একজন জামিনদার হন। আমিও আরেকজন জামিনদার হলাম। শেখ সাদী জানান, একই অঙ্গনে দীর্ঘদিন কাজ করার কারণে পরীমণির সঙ্গে বেশ আগেই পরিচয় হয়েছিল। তখন থেকে পেশাগত বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে নিয়মিত কথাবার্তা হয়। তরুণ গায়ক শেখ সাদীর বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গান রয়েছে। ইউটিউবে এসব গানের ভিউ কোটি পার হয়েছে। শেখ সাদীর জামিনদার হওয়া প্রসঙ্গে চিত্রনায়িকা পরীমণি বলেন, হঠাৎ করে আমি ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম বলে গতকাল আদালতে যেতে পারিনি। যখন শুনলাম, আমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। খবরটি যখন গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, তখন আমার শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ীরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এমন পরিস্থিতিতে আমার বন্ধুবান্ধবরা আমাকে সাহস জুগিয়েছে। শেখ সাদীও আমার সহকর্মী। তার সঙ্গেও গতকাল কথা হয়। আজ আদালতে শুনানির সময় সে ছিল। জামিন পাওয়ার পর আইনজীবী জামিনদারের পাশাপাশি স্থানীয় একজন জামিনদারের প্রয়োজন হয়। শেখ সাদী তখন জামিননামায় স্বাক্ষর করে। মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ৮ জুন পরীমণি ও তার সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢুকে ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন। রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে ক্লাব ত্যাগ করার সময় পরীমনি তাকে ডাক দেন। পরে একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনা মূল্যে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন। একপর্যায়ে পরীমণি হত্যাচেষ্টার জন্য একটি গ্লাস ছুড়ে মারেন, যা তার মাথায় ও বুকে লাগে। এদিকে ২০২১ সালের ৮ জুন সাভারের বিরুলিয়ায় ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে পরীমণি ব্যবসায়ী নাসিরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। মামলায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ তিন আসামির বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১৮ মে অভিযোগ গঠন করেন। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত বলেন, মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। অন্যদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিচার চলছে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ। মামলাটিও সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

তৌসিফের নায়িকা হলেন গায়িকা পড়শী

তৌসিফের নায়িকা হলেন গায়িকা পড়শী ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবের নায়িকা হয়ে দর্শকদের সামনে আসছেন গায়িকা সাবরিনা পড়শী। আসন্ন ভালোবাসা দিবসের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন তারা। এর নাম রাখা হয়েছে ‘মনেরই রঙে রাঙিয়ে’। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে সিলেটের জাফলংয়ে শুটিং শুরু হয়েছে। চলবে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। গল্পের প্রয়োজনে নাটকটির শুটিং জাফলংয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে হচ্ছে বলে জানান প্রযোজক মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। ‘মনেরই রঙে রাঙিয়ে’ লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন কে এম সোহাগ রানা। নাটকের গল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেহেতু ভালোবাসা দিবসকে উপলক্ষে এটি বানাচ্ছি, সেক্ষেত্রে প্রেমের গল্প তো বটেই। একইসঙ্গে এটি প্রেম জেগে ওঠার গল্প। নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন এমএনইউ রাজু, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, সাদনিমাসহ অনেকে। নাটকটির চিত্রগ্রহণ করছেন ফুয়াদ বিন আলমগীর। শুধু অভিনয় নয়, ‘মনের রঙে রাঙিয়ে’ নাটকের জন্য নতুন একটি গান গেয়েছেন পড়শী। এতে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন ও এর সুর-সংগীত করেছেন আরফিন রুমি। গানটি লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। ভালোবাসা  দিবস উপলক্ষে সিনেমাওয়ালা  ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে ‘মনেরই রঙে রাঙিয়ে’।

সাইফ-কারিনার পরিবারকে নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ

সাইফ-কারিনার পরিবারকে নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ হামলার কারণে বলিউড তারকা সাইফ আলি খান ও কারিনা কাপুর খানের পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে তাদেরকে এরই মধ্যে অস্থায়ী সুরক্ষা প্রদান শুরু করেছে। সাইফ গত সপ্তাহে নিজের বাড়িতে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় আহত হয়েছিলেন। এরপর তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল এবং ৬ দিন হাসপাতালে কাটিয়েছিলেন। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সাইফকে লীলাবতী হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং তার বান্দ্রার অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে আসেন। ‘ইন্ডিয়ান টাইমস’ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সাইফ, কারিনা এবং তাদের দুই সন্তান- তৈমুর এবং জেহকে অস্থায়ী সুরক্ষা প্রদান করছে। প্রতিবেদনে একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, পরিবারকে দুজন কনস্টেবল সরবরাহ করা হয়েছে এবং তারা যখনই বাইরে যাবে তখন তারা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। সাইফ আলি খান হাসপাতাল থেকে ফিরে তার ‘সৎগুরু শরণ’ আবাসনে যাননি। সেখান থেকে কিছুটা দূরে অন্য এক বাড়িতে উঠেছেন এ অভিনেতা। ২১ জানুয়ারি বেলা ১১টার কিছু পরেই হাসপাতালে পৌঁছে যান শর্মিলা ঠাকুর। তারপর আসেন কারিনা কাপুর খান। দুপুর ২টার পর সাইফকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালের বাইরে দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে তাকে বাড়ি নিয়ে আসেন। সোমবার চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাইফকে মঙ্গলবার ছুটি দেওয়া হতে পারে। আপাতত তাকে বাড়িতে টানা বিশ্রামে থাকতে হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। আগামী দুতিন দিন শুয়ে থাকতে হবে এ অভিনেতাকে। এক সপ্তাহ কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে যেতে পারবেন না। কারণ, এখনো তার জখম পুরোপুরি শুকায়নি। সাইফ আপাতত বান্দ্রার অন্য এক ফ্ল্যাটে থাকবেন। জানা গেছে, এ ফ্ল্যাটে নিজের কার্যালয় খুলেছিলেন অভিনেতা। এরই মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেখানে। ছেলেদের খেলনাও নিয়ে আসা হয়েছে। ১৬ জানুয়ারি ভোর সাড়ে ৩টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় নিজেই লীলাবতী হাসপাতালে উপস্থিত হন সাইফ। সে সময় তার হাত ধরে ছিল ৮ বছরের তৈমুর। জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে বান্দ্রা এলাকার অভিজাত আবাসন ‘সৎগুরু শরণ’র ১২ তলায় সাইফ আলি খান ও কারিনা কাপুর খানের এক দুষ্কৃতকারী ফ্ল্যাটে হানা দেয়। রাত প্রায় আড়াইটার দিকে ওই ব্যক্তিকে কারিনার ছোট ছেলে জেহর ঘরের সামনে আবিষ্কার করেন তার দেখভালে নিযুক্ত এক নারীকর্মী। তার চিৎকারেই ছুটে আসেন আর এক নারী কর্মী এবং সাইফ। এরপরই শুরু হয় হাতাহাতি। অভিযোগ করা হয় সেসময় ধারালো ছুরি নিয়ে অভিনেতার উপর চড়াও হন ওই ব্যক্তি। এলোপাথাড়ি কোপে শরীরে প্রায় ৬ জায়গায় আঘাত লাগে সাইফের। সামান্য জখম হন এক নারীকর্মীও। তারপর সাইফ নিজেই একটি অটোরিকশা ভাড়া করে চলে যান ২ কিলোমিটার দূরে লীলাবতী হাসপাতালে। তখনো তার পিঠে, মেরুদণ্ডের কাছে গেঁথে রয়েছে ছুরির আড়াই ইঞ্চি ভাঙা ফলা। সে দিন সকালে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকরা জানান, বিপদমুক্ত সাইফ। হাতে, ঘাড়ে, পিঠে প্রায় ছটি জখমের মধ্যে দুটি গুরুতর ছিল বলেও জানা যায়।

চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাকের জন্মদিন আজ

চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাকের জন্মদিন আজ বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাক। চলচ্চিত্র শিল্পে প্রায় অর্ধশতাব্দী পার করেছেন। এই সময়ে ভক্তদের কাছে হয়ে উঠেন ‘নায়করাজ’। আজ এই কিংবদন্তির জন্মদিন। বেঁচে থাকলে আজ ৮৩ বছরে পা রাখতেন রাজ্জাক। ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। কখনো নীল আকাশের নিচে হেঁটেছেন রোমান্টিক নায়ক হয়ে, কখনো হাজির হয়েছেন পিতার বেশে, কখনো বা আবার হয়েছেন সংগ্রামী যোদ্ধা। ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে কোনো জুড়ি ছিল না তার। এবার রাজ্জাকের জন্মদিন ঘিরে বিশেষ কোনো আয়োজন থাকছে না বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। অভিনেতার ছোট ছেলে সম্রাট জানান, তার বাবার কবর জিয়ারত, কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে জন্মদিন পালন করবেন তারা। ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি ভারতের কলকাতার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রাজ্জাক। চলচ্চিত্রে নায়করাজ নামে পরিচিত হলেও তার পারিবারিক নাম আবদুর রাজ্জাক। কলকাতার থিয়েটারে অভিনয় করার মাধ্যমে রাজ্জাক নিজের অভিনয় জীবন শুরু করেন। ১৯৫৯ সালে ভারতের মুম্বাইয়ের ফিল্মালয়তে সিনেমার ওপর পড়াশোনা ও ডিপ্লোমা শেষ করেন রাজ্জাক। এরপর কলকাতায় ফিরে ‘শিলালিপি’ ও আরো একটি সিনেমায় অভিনয় করেন। ১৯৬৪ সালে কলকাতায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কবলে পড়ে রাজ্জাক তার পরিবারপরিজন নিয়ে ঢাকায় চলে আসতে বাধ্য হন। ঢাকায় এসেও চলচ্চিত্রের নায়ক হওয়ার সুযোগ খুঁজতে থাকেন রাজ্জাক। প্রথমে এতে সফলতা না পেয়ে ‘উজালা’ সিনেমায় পরিচালক কামাল আহমেদের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। ষাটের দশকে সালাউদ্দিন পরিচালিত ‘তেরো নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন’ সিনেমায় একটি পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ঢাকায় তার অভিনয় জীবনের সূচনা। এরপর প্রতিভাবন নির্মাতা জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ সিনেমায় রাজ্জাককে লখিন্দরের ভূমিকায় অভিনয় করার সুযোগ করে দেন। আর এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথম নায়ক হিসেবে অভিনয় শুরু তার। ‘বেহুলা’ সিনেমায় সুচন্দার সঙ্গে জুটি বেঁধে নায়ক হিসেবে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেন রাজ্জাক। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। সত্তর ও আশির দশকে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠেন রাজ্জাক। ক্যারিয়ারে তিনশ’র বেশি চলচ্চিত্রে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। রাজ্জাক অভিনীত দর্শকনন্দিত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘ময়নামতি’, ‘মধু মিলন’, ‘পীচ ঢালা পথ’, ‘যে আগুনে পুড়ি’, ‘জীবন থেকে নেওয়া’, ‘কী যে করি’, ‘অবুঝ মন’, ‘রংবাজ’, ‘বেঈমান’, ‘আলোর মিছিল’, ‘অশিক্ষিত’, ‘অনন্ত প্রেম’, ‘বাদী থেকে বেগম’ ইত্যাদি। দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য অভিনয় জীবনে রাজ্জাক-সুচন্দা, রাজ্জাক-কবরী ও রাজ্জাক-শাবানা ও রাজ্জাক-ববিতার অনেক সিনেমা দর্শক হৃদয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি ঢালিউডের ‘নায়ক রাজ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয় রাজ্জাককে। কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

শোয়েবের বন্ধুর প্রেমে টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা

শোয়েবের বন্ধুর প্রেমে টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের সঙ্গে গতবছর বিচ্ছেদ হয় ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার। বিচ্ছেদ হওয়ার পর থেকে আলোচনায় এই তারকা। একের পর এক ব্যক্তির সঙ্গে নাম জড়িয়েছে তার। এবার আলোচনায় এসেছেন দুবাইভিত্তিক ব্যবসায়ী আদিল সাজানের সঙ্গে ডেটিংয়ের গুঞ্জন নিয়ে। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, শোয়েবের সঙ্গে ডিভোর্সের পর থেকে সানিয়া মির্জা ছেলে আজান মির্জা মালিককে নিয়ে দুবাইতে থাকছেন। সেখানেই এক বিলাসবহুল এক ভিলা বানাচ্ছেন তিনি। মূলত সেই ভিলার ডিজাইন করেছেন আদিল সাজানের কোম্পানি দানিউব হোমস। তবে সম্পর্কের ডালপালা মেলতে শুরু করে সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে সানিয়া মির্জা আদিলকে অনুসরণ মধ্য দিয়ে। গণমাধ্যমের দাবি, তাদের মধ্যে পেশাদার সম্পর্ক এবং বন্ধুত্বের বাইরে আরো কিছু সম্পর্ক থাকতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আদিল সাজান ও সানিয়া মির্জা দুজনেই এখনো চুপ। এ সম্পর্কে কিছুই মন্তব্য করেননি তারা। এদিকে তাদের নীরবতাই আরো বেশি জল্পনার সৃষ্টি করেছে। আদিল সাজান দুবাইয়ের একজন বিলিয়নিয়ার এবং দানিউব গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ভারতীয় ব্যবসায়ী রিজওয়ান সাজানের ছেলে। বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য পরিচিত আদিলের গ্যারাজে রয়েছে ফেরারি ক্যালিফোর্নিয়া টি, বেন্টলি কন্টিনেন্টাল জিটি এবং ল্যাম্বোরগিনি গ্যালার্ডো। বলিউডের সঙ্গেও আদিলের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। সানিয়ার সাবেক স্বামী শোয়েব মালিকের সঙ্গে আদিলের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল একটা সময়। সেই সূত্রে সানিয়াকেও বহুদিন ধরে চেনেন তিনি। তবে আদিল কিন্তু বিবাহিত। তার স্ত্রী সানা সাজন পেশায় চিকিৎসক।

সিনেমার প্রস্তাব দিলেও ভয়ে রাজি হইনি: ফারিয়া

সিনেমার প্রস্তাব দিলেও ভয়ে রাজি হইনি: ফারিয়া ঢাকাই চলচ্চিত্রের এ প্রজন্মের চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। জাজ মাল্টিমিডিয়া এবং কলকাতার এসকে মুভিজের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘আশিকী’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। এরপর দুই বাংলার বেশ কিছু সিনেমায় তাকে দেখা গেছে। জাজের মাধ্যমে রুপালি জগতে পা রাখলেও দীর্ঘদিন ধরে এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি তাকে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হঠাৎ জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজের সঙ্গে দেখা গেল ফারিয়াকে। এই প্রযোজকের সঙ্গে তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। নুসরাত ফারিয়া বলেন, “২০১৪ সালে কাতারে চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠের গ্র্যান্ড ফিনালে আজিজ ভাই আমাকে প্রথম পারফর্ম করতে দেখেন। এরপর অনেকবার সিনেমায় অভিনয়ের অফার করলেও ভয়ে রাজি হইনি। ২০১৫ সালে কলকাতায় বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে আবার দেখা। এরপর আমার প্রথম সিনেমা জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে।” দীর্ঘ ৭ বছর পর প্রযোজক আব্দুল আজিজের দেখা পেয়ে উচ্ছ্বসিত নুসরাত ফারিয়া বলেন, “২০২৫ সালে আমার সিনেমা ক্যারিয়ারের ১০ বছর হবে। এই লোকটাকে ছাড়া এই স্বপ্ন কোনো দিনও পূরণ হতো না। অনেক কিছু বদলে গেছে আশেপাশে। কিন্তু উনার ভালো কাজ করার আগুনটা কমেনি। আজ ৭ বছর পর দেখা, ঘরের মেয়ে ঘরে আসার মতো আনন্দ।” নুসরাত ফারিয়ার এই পোস্টকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা। নেটিজেনদের অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন— ফের কি জাজের ব্যানারে নতুন কোনো কাজে দেখা যাবে ফারিয়াকে? যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি এই অভিনেত্রী।