৪ দিনে রাশমিকা-ভিকি অভিনীত সিনেমার আয় ২৭৩ কোটি টাকা

৪ দিনে রাশমিকা-ভিকি অভিনীত সিনেমার আয় ২৭৩ কোটি টাকা রাশমিকা মান্দানা অভিনীত চলতি বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা ‘ছাবা’। লক্ষ্মণ উতেকার নির্মিত এই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ভিকি কৌশল। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতের ৪ হাজার পর্দায় মুক্তি পায় এটি। মুক্তির আগেই বিতর্কে জড়ায় হিন্দি ভাষার ‘ছাবা’ সিনেমা। বাধ্য হয়েই আপত্তি ওঠা গানটি সিনেমা থেকে বাদ দেন নির্মাতারা। এসব বিষয় নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হওয়ার আগে থেকেই আলোচনায় এটি। মুক্তির পর দর্শক সমালোচকরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। তা হলে বক্স অফিসে কেমন সাড়া ফেলেছে রাশমিকার এই সিনেমা? স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, ‘ছাবা’ চারদিনে শুধু ভারতে আয় করেছে ১৬৮.৬ কোটি রুপি। বিদেশে আয় করেছে ২৭ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৯৫.৬ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৭৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি)। ‘ছাবা’ সিনেমার গল্প শিবাজির পুত্র ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের জীবনের ওপর ভিত্তি করে এগিয়েছে। ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের চরিত্রে ভিকি কৌশল ও মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের চরিত্র রূপায়ন করেছেন অক্ষয় খান্না। সম্ভাজি মহারাজের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রাশমিকা মান্দানা। তা ছাড়াও অভিনয় করেছেন— আশুতোষ রানা, ডিয়ানা পেন্টি, দিব্যা দত্ত প্রমুখ। দীনেশ বিজন প্রযোজিত এ সিনেমা নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৪০ কোটি রুপি।

এবার গায়ক পরিচয়ে আসছেন অক্ষয়

এবার গায়ক পরিচয়ে আসছেন অক্ষয়   বলিউডে একটা সময় অক্ষয় কুমারের সিনেমা মানেই ২০০ কোটির ক্লাব। বক্স অফিসের খিলাড়ি ছিলেন অক্ষয়। কিন্তু কয়েক বছর ধরে হিটের মুখ দেখছেন না অভিনেতা, বরং সেই ‘বেলবটম’, ‘রামসেতু’, ‘রক্ষাবন্ধন’ ছবি থেকে ফ্লপের শুরু। মাঝে ‘ও মাই গড ২’ অল্প ব্যবসা করলেও কোটি কোটি টাকা রোজগারে ব্যর্থ অক্ষয়। সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া তার ‘খেল খেল মে’ ছবি সুপারফ্লপ! এমন পরিস্থিতিতে নতুন পরিচয়ে আসছেন অক্ষয়। সম্প্রতি এই অভিনেতা তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা গেছে, শিবলিঙ্গকে জড়িয়ে বসে রয়েছেন অক্ষয়। ছবি শেয়ার করে অভিনেতা লিখলেন, ওম নম শিবায়, মহাকালের শক্তি আর ভক্তি অনুভব করে নিন। জানা গেছে, অভিনয়ের পাশাপাশি এবার গায়ক হয়ে আসছেন অক্ষয়। নিজেই প্রকাশ্যে আনছেন গানের ভিডিও। আর খিলাড়ি কুমারের গানের যাত্রা শুরু শিব আরাধনার হাত ধরেই। তারই প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে আনলেন অক্ষয়। তার এই গানের অ্যালবামের নাম ‘মহাকাল চলো’। গানটিতে অক্ষয় ছাড়া আরো কণ্ঠ দিয়েছেন পলাশ সেন, বিক্রম।

নায়ক মান্না চলে যাওয়ার ১৭ বছর 

নায়ক মান্না চলে যাওয়ার ১৭ বছর তিনি ছিলেন সিনেমা অন্তপ্রাণ মানুষ। সবসময় চিন্তা করতেন কীভাবে সিনেমাকে দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া যায়। তিনিই আইয়ূব বাচ্চুকে সিনেমার গানে নিয়ে এসেছিলেন ‌‘আম্মাজান’ সিনেমায়। জেমসকে দিয়ে সিনেমার জন্য গান করিয়ে দর্শকের নজর কাড়তে পানির নিচে করেছিলেন শুটিং। এভাবেই প্রতিনিয়ত চমক আর নতুনত্ব দিয়ে সিনেমাকে তিনি দর্শকপ্রিয় করে তুলতেন। তার ছিল সাবলীল অভিনয়ের যোগ্যতা, ভরাট কণ্ঠস্বর। সিনেমার পর্দায় নায়ক হয়ে তিনি নিপীড়িত, বঞ্চিত ও সাধারণ মানুষের পক্ষে লড়েছেন। প্রতিবাদের আওয়াজ তুলেছেন। তাই সাধারণ মানুষের কাছে তার জনপ্রিয়তা ছিলো শীর্ষে। বলছি প্রয়াত নায়ক মান্নার কথা। অমর নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর পর মান্নার অকাল প্রয়াণকেও এ দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জন্য বিরাট ক্ষতি বলে মানা হয়। অনেকে বলে থাকেন এই দুই নায়ক অকালে চলে না গেলে ঢালিউডের ইতিহাসটা হয়তো অন্যরকম হতে পারতো। আজ নায়ক মান্নার ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৭ বছর আগে ২০০৮ সালের আজকের দিনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি। সারাদেশ আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল শোকে। মৃত্যুর পর তাকে সমাধিস্থ করা হয় নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায়। সেখানেই মায়ের কবরের পাশে ১৭ বছর ধরে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন মান্না। ১৯৬৪ সালের ১৪ এপ্রিল টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন মান্না। তার পারিবারিক নাম এসএম আসলাম তালুকদার মান্না। নিজ এলাকায় স্থানীয় একটি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করে ঢাকা কলেজে স্নাতকে ভর্তি হন মান্না। ১৯৮৪ সালে তিনি এফডিসির নতুন মুখের সন্ধান কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রের জগতে আসেন। নায়করাজ রাজ্জাক মান্নাকে প্রথম চলচ্চিত্রে সুযোগ করে দেন। ‘তওবা’র মাধ্যমে সিনেমার জন্য প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। তবে তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘পাগলী’। ১৯৯১ সালে মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত ‌‘কাসেম মালার প্রেম’ চলচ্চিত্রে প্রথম একক নায়ক হিসেবে চম্পার বিপরীতে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়। তবে নায়ক মান্নার রাজত্বের শুরু আরও কিছু পরে। কাজী হায়াতের ‘তেজি’ সিনেমা সুপারহিট হওয়ার পর ঢালিউডে মূলত মান্না যুগের শুরু। এরপর একের পর এক ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে সেরা নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন মান্না। অভিনয় জীবনে তিন শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন মান্না। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবি হচ্ছে- তেজি, শান্ত কেন মাস্তান, সিপাহী, যন্ত্রণা, অমর, পাগলী, ত্রাস, জনতার বাশা, লাল বাদশা, আম্মাজান, আব্বাজানা, রুটি, দেশ রী, অন্ধ আইন, স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ, অবুঝ শিশু, মায়ের মর্যাদা, মা-বাবার স্বপ্ন, হৃদয় থেকে পাওয়া ইত্যাদি। দেশের চলচ্চিত্র যখন অশ্লীলতার সংকটে পড়েছিল, তখন সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে মান্না গঠন করেন ‘কৃতাঞ্জলী চলচ্চিত্র’ নামে একটি প্রযোজনা সংস্থা। তার প্রযোজনায় তৈরি হয় ‘লুটতরাজ’, ‘স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ’, ‘দুই বধূ এক স্বামী’, ‘মনের সাথে যুদ্ধ’সহ অনেক ব্যবসাসফল ও প্রশংসিত সিনেমা। ‘বীর সৈনিক’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন মান্না। বিমানবালা শেলি মান্নার সঙ্গে সুখী দাম্পত্য জীবন ছিলো মান্নার। তাদের একমাত্র পুত্রের নাম সিয়াম ইলতেমাশ। যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমা নির্মাণের ওপর পড়াশোনা করছেন তিনি।

কনসার্ট স্থগিত  হাসপাতালে শাকিরা

কনসার্ট স্থগিত  হাসপাতালে শাকিরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরাকে। অসুস্থতার কারণে কনসার্ট স্থগিত করেছেন এই তারকা। শাকিরা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি পোস্ট দিয়ে অসুস্থতার খবর জানান। এ পোস্টে শাকিরা বলেন, “দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গতকাল (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে পেটের সমস্যা নিয়ে জরুরি বিভাগে যেতে হয়। আমি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছি। আজকে মঞ্চে উঠতে না পেরে ভীষণ খারাপ লাগছে।” রবিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে পেরুর জাতীয় স্টেডিয়ামে শাকিরার কনসার্ট ছিল। দেশটির রাজধানীতে পরপর দুটো শো ছিল। অসুস্থতার কারণে দুটো শো স্থগিত করেছেন এই শিল্পী। তবে নতুন তারিখ নির্ধারণ নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ভক্তদের উদ্দেশ্যে শাকিরা বলেন, “পেরুতে আমার ভক্তদের সঙ্গে পুনরায় একত্রিত হওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।” ১৯৭৭ সালে কলম্বিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন পপ তারকা শাকিরা। গানের শিল্পী হয়েও মাত্র ৩৩ বছর বয়সে গোটা বিশ্বকে নাচান ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গান দিয়ে। ফুটবল মাঠে সেই উন্মাদনার কথা এখনো ভোলেননি শাকিরা ভক্তরা।

দুর্ঘটনায় হাড় ভেঙেছে বিখ্যাত পপ তারকা ফিলিক্সের

দুর্ঘটনায় হাড় ভেঙেছে বিখ্যাত পপ তারকা ফিলিক্সের  গাড়ি দুর্ঘটনায় কে–পপ তারকা ফিলিক্সের একটি হাড় ভেঙে গেছে। শনিবার রাতে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন স্ট্রে কিডস গ্রুপের এই সদস্য। ফিলিক্সের এজেন্সি জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রামে রয়েছেন তিনি। গান থেকে আপাতত দূরে থাকছেন এই তারকা। এজেন্সি জানিয়েছে, স্ট্রে কিডসের ফ্যান মিটিং শেষে ফেরার পথে ইনচনের ইয়াংজং আইল্যান্ডের ইন্সপায়ার রিসোর্টস কমপ্লেক্সের কাছে একটি শাটল বাসের সঙ্গে ফিলিক্সের কারের সংঘর্ষ হয়। জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট লিখেছে, ‘দুর্ঘটনাটি খুব গুরুতর নয়। তবে তার হাতের হাড় ভেঙেছে। তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে তাঁকে বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়। তিনি বর্তমানে বাসায় বিশ্রামে রয়েছেন।’ ফলে সব ধরনের কার্যক্রম থেকে দূরে থাকছেন ফিলিক্স। শুক্রবার থেকে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে স্ট্রে কিডস। আজ রোববার আয়োজনের সমাপনী দিনে থাকতে পারছেন না ফিলিক্স। প্রায় ১১ মাস পর কোনো ফ্যান মিটিং করছে স্ট্রে কিডস। সামনে লাতিন অ্যামেরিকা, জাপান, উত্তর আমেরিকা, ইউরোপে গ্রুপটির শো রয়েছে।

কাঞ্চনকে না পেলে বিয়েই করতাম না: শ্রীময়ী

কাঞ্চনকে না পেলে বিয়েই করতাম না: শ্রীময়ী ‘কৃষ্ণকলি’খ্যাত টেলিভিশন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ান টলিউড অভিনেতা ও বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক। এ নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি, তা গড়ায় মামলা পর্যন্ত। সব বিতর্ক ও মানুষের সমালোচনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শ্রীময়ীকে স্ত্রী হিসেবে ঘরে তুলেছেন ৫৪ বছরের কাঞ্চন মল্লিক। বিয়ের আগে সম্পর্কের কথা স্বীকারই করেননি শ্রীময়ী। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ অভিনেত্রী জানান, কাঞ্চনকে না পেলে বিয়েই করতেন না তিনি। ব্যাপারটি খোলাসা করে শ্রীময়ী চট্টরাজ বলেন, “আমি কোনো দিন চাইনি আমাদের সম্পর্ক পরিণতি পাক। ও ভালো থাকুক এটাই চেয়েছিলাম। বিয়ে না হলেও একইভাবে বন্ধুত্ব রাখতাম। তবে আমি বিয়ে করতাম না।” স্ত্রীর এমন বক্তব্যে অভিভূত কাঞ্চন মল্লিক। আত্মপক্ষ সমর্থন করে কাঞ্চন মল্লিক বলেন, “আমার জন্য ওর যা আত্মত্যাগ, তার চার আনাও আমার নেই।” কাঞ্চন-শ্রীময়ীর দাম্পত্য জীবন কেবল ভালোবাসায় ভরপুর, তা ঠিক নয় ঝগড়াও হয়। এ বিষয়ে শ্রীময়ী বলেন, “তার অভিমান একটু বেশি। তবে কাঞ্চন নাকি সেই অভিমান সামাল দিতে ঢাল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। বোঝার চেষ্টা করেন, এ কোন ঝড়র পূর্বাভাস।” মানুষ কাঞ্চন, স্বামী বা বাবাদ কাঞ্চন কেমন তাও ব্যাখ্যা করেছেন শ্রীময়ী। তার ভাষায়— “ছেলে হিসেবে কাঞ্চন একশোয় একশো। বাবা হিসেবে একশোয় আশি। স্বামী হিসেবে একশোয় চল্লিশ। প্রেমিক হিসেবে একশোয় আশি। তবে বলে দিই, বাবা হিসেবে আশি দিলাম তার একটাই কারণ। কাঞ্চনের সময় অনেক ব্যস্ততার মধ্যে কাটে। সারাদিন অনেক জায়গায় যেতে হয়। বহু কমিটমেন্ট থাকে। বাকি একদম পারফেক্ট।” গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ২৭ বছর বয়সি শ্রীময়ীকে রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন কাঞ্চন। এরপর সামাজিক রীতি মেনে ২৬ বছরের ছোট শ্রীময়ীকে ঘরে তুলেন। গত বছরের ২ নভেম্বর কন্যাসন্তানের বাবা-মা হন এই দম্পতি।

বলিউড সুপারস্টার ভাইজানের  প্রথম প্রেম ও ১৮ নারী 

বলিউড সুপারস্টার ভাইজানের  প্রথম প্রেম ও ১৮ নারী বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের প্রেমিকাদের নামের তালিকা অনেক দীর্ঘ। প্রেম যমুনায় ভেসে বেড়ালেও কারো সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা হয়নি তার। মেঘে মেঘে বেলা অনেক গড়িয়েছে। বয়স ঊনষাট চললেও এখনো ব্যাচেলর সালমান খান। কী কারণে সংসারী হননি যদিও তা অজানা। শাহীন জাফরি সালমান খানের  প্রথম প্রেমিকার নাম শাহীন জাফরি। মাত্র ১৯ বছর বয়সে এই মডেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান সালমান। তাকে নিয়ে লেখা বই ‘বিং সালমান’-এ এই তথ্য উল্লেখ করেছেন লেখক জসিম খান। বলিউড সুপারস্টার অশোক কুমারের নাতনি শাহীন জাফরি। সালমানের সঙ্গে শাহীনের প্রথম দেখা কলেজে। তারা একই কলেজে পড়াশোনা করতেন। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব ও প্রেম। ১৯৮৮ সালে মুক্তি পায় সালমানের প্রথম সিনেমা। তখন সংগীতা বিজলানির সঙ্গে দেখা হয় সালমানের। এ অভিনেত্রীকে দেখার পর তার দিকে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন এই তারকা। ফলে ভেঙে যায় শাহীন-সালমানের প্রেম। পার্সিস খামবাতা সালমান খান তার জীবনের প্রথম দিকে মডেল-অভিনেত্রী পার্সিস খামবাতার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। আশির দশকের শেষের দিকে সালমানের সঙ্গে পার্সিসের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে এই সম্পর্ক খুব বেশি দিন স্থায়ী হয়নি বলে জানা গেছে। ফারিয়া আলম সালমান খানের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে ফারিয়া আলমের। ১৯৮৬ সাল সালমানের সঙ্গে প্রাক্তন ফুটবল দলের কর্মকর্তা ফারিয়া আলম সম্পর্ক জড়ান বলে গুঞ্জন রয়েছে। সেই সময়ে এই জুটির সম্পর্কের খবর বেশ মনোযোগ কেড়েছিল। শোনা যায়, সালমানের উঠতি ক্যারিয়ারে অনেক সাপোর্ট দিয়েছিলেন ফারিয়া। সংগীতা বিজলানি সালমানের প্রেমিকাদের তালিকায় আরো একটি আলোচিত নাম সংগীতা বিজলানি। শোনা যায়, এই অভিনেত্রীর সঙ্গে বিয়ের পরিকল্পনাও করেছিলেন সালমান। শুধু তাই নয়, বিয়ের কার্ডও ছাপা হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভেঙে দেন সালমান।  এরপর ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান সংগীতা। সোমি আলী পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত, বলিউড অভিনেত্রী সোমি আলীর সঙ্গে সালমানের প্রেমের কথা কারো অজানা নয়। আজও বিটাউনে কান পাতলেই তা শোনা যায়। সালমানের সঙ্গে সোমি আলী ১৯৯১ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত সম্পর্কে ছিলেন তারা। এ জুটির প্রেমে খলনায়িকা হিসেবে আবির্ভাব ঘটে বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বরিয়ার। এক সাক্ষাৎকারে সোমি আলী জানান, সালমানের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভেঙেছিল ঐশ্বরিয়ার কারণেই। ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ঐশ্বরিয়া-সালমানের প্রেমের খবরও কারো অজানা নয়। ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমার সেট থেকে তাদের প্রেমের সূচনা। তাদের নিয়ে বলিপাড়ায় অনেক চর্চা হয়েছে। কিন্তু এ সম্পর্ক এক সময় ভেঙে যায়। পরবর্তীতে অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়া। স্নেহা উল্লাল ২০০৫ সালে ‘লাকি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন স্নেহা উল্লাল। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন সালমান খান। স্নেহা দেখতে অনেকটা ঐশ্বরিয়ার মতো। বিশ্ব সুন্দরীর সঙ্গে প্রেম ভাঙার পর স্নেহাকে বলিউডে নিয়ে আসেন সালমান। বলিউডে পা রাখার পরই সালমানের সঙ্গে নাম জড়ায় স্নেহার। পরে এ অভিনেত্রী দাবি করেন— “সালমান খান তার বন্ধু।” ক্যাটরিনা কাইফ সালমানের জীবনে এসেছিলেন আরেক বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। ২০০৫ সালে ভাই সোহেল খানের প্রযোজনায় ব্যবসাসফল সিনেমা ‘ম্যায় নে পেয়ার কিউ কিয়া’ সিনেমায় সালমানের বিপরীতে অভিনয় করেন ক্যাটরিনা। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কও তৈরি হয়। তবে একটা সময়ে গিয়ে এ প্রেম ভেঙে যায়। পরে আবারো সালমান-ক্যাটরিনাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়াতে শুরু করে। একসঙ্গে জুটি বেঁধে সিনেমাও করেন তারা। কিন্তু অভিনেতা ভিকি কৌশলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ক্যাটরিনা। কয়েক বছর আগে তারা বিয়ে করেন। এখন ভিকির ঘরণী ক্যাটরিনা। ব্রুনা আব্দুল্লাহ ব্রাজিলের মডেল-অভিনেত্রী ব্রুনা আব্দুল্লাহ। ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে প্রেম ভাঙার পর ব্রুনার সঙ্গে নাম জড়ায় সালমান খানের। এ জুটির সম্পর্ক নিয়ে নানা ফিসফাস যখন বলিপাড়ায় উড়ছে, তখন স্থানীয় মিডিয়া নজর বাড়ায় তাদের দিকে। কিন্তু এরপরই আলাদা হয়ে যান তারা। তাদের সম্পর্ক খুব একটা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। জেরিন খান ‘বীর’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে অভিনেত্রী জেরিন খানের। এতে সালমান খানের বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। মূলত, ক্যাটরিনা অন্যের বাহুডোরে যাওয়ার পর তার মতো দেখতে জেরিন খানকে বলিউডে নিয়ে আসেন সালমান খানই।  পরে এ সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেন সালমান খান। প্রাক্তন হলেও এখনো জেরিনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক এই নায়কের। ক্লডিয়া সিসলা জার্মানির মডেল-অভিনেত্রী ক্লডিয়া সিসলা। বলিউডে ক্যারিয়ার গড়তে বেশ আগে ভারতে পাড়ি জমান এই অভিনেত্রী। ২০০৯ সালে বিতর্কিত টিভি রিয়েলিটি শো বিগ বসের তৃতীয় আসরে অংশ নেন তিনি। সালমান খানের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করার কারণে দীর্ঘদিন বলিপাড়ায় চর্চিত হয়েছেন। এ নিয়ে সালমান মুখ না খুললেও কথা বলেছেন ক্লডিয়া। গুঞ্জন উড়িয়ে এই অভিনেত্রী বলেছিলেন— “সালমান আমার প্রেমিক না, সে আমার খুব ভালো বন্ধু।” মেহেক চাহাল নরওয়ের নাগরিক মডেল-অভিনেত্রী মেহেক চাহাল। ২০১১ সালে বলিউডে কাজের উদ্দেশ্যে ভারতে পা রাখেন। টিভি রিয়েলিটি শো বিগ বসের পঞ্চম আসরে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু হয়। এ আসরের সঞ্চালক ছিলেন সালমান খান। সালমানের সঙ্গে যখন মেহেকের সাক্ষাৎ হয়, তখন তার বয়স ১৯ বছর। প্রথম সাক্ষাতে বিদেশিনীর সঙ্গে ফ্লার্ট করার চেষ্টা করেন সালমান। এরপর মেহেক-সালমানের প্রেম নিয়ে কম চর্চা হয়নি। হ্যাজেল কিচ ‘হ্যারিপটার’খ্যাত ব্রিটিশ অভিনেত্রী হ্যাজেল কিচ। ২০০৭ সালে প্রভাস অভিনীত তামিল ভাষার ‘বিল্লা’ সিনেমার মাধ্যমে ভারতীয় সিনেমায় অভিষেক ঘটে তার। ব্রিটিশ এই অভিনেত্রী ভারতে পা রাখার পর সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন সালমান খান। অনেকে সালমান খানকে তার ‘গডফাদার’ বলেন। ২০১১ সালে সালমানের সঙ্গে ‘বডিগার্ড’ সিনেমায় অভিনয় করেন হ্যাজেল। এ অভিনেত্রীর সঙ্গেও সালমানের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে জোরালো চর্চা হয়েছে। যদিও এ জুটি কখনো নীরবতা ভাঙেননি। এলি আব্রাহাম সুইডিশ-গ্রিক অভিনেত্রী এলি আব্রাহাম। বিতর্কিত টিভি রিয়েলিটি শো বিগ বসে অংশ নিয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এই আসর সঞ্চালনা করেন সালমান খান। ২০১৩ সালে ‘মিকি ভাইরাস’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে তার। সালমান খানের সঙ্গে এ অভিনেত্রীর নাম জড়ায়। দীর্ঘ চর্চা হয়েছে এ জুটির প্রেম নিয়ে। এক সাক্ষাৎকারে এলি বলেছিলেন— ‘এ বিষয়ে আমি কোনো উত্তর দেব না।” ডেইজি শাহ সালমান খানের হাত ধরে বলিউডে অভিষেক ঘটে ডেইজি শাহর। ২০১৪ সালে ‘জয় হো’ সিনেমায় সালমানের সঙ্গে অভিনয় করেন তিনি। সিনেমাটিতে কাজ করতে গিয়ে তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এসব নিয়েই চর্চা শুরু হয় বলিপাড়ায়। আলোচনার মাঝে আলাদা হয়ে যায় তাদের দুটো পথ। তবে এই সম্পর্ক নিয়ে তাদের কেউই মুখ খুলেননি। অ্যামি জ্যাকসন ব্রিটিশ বংশোদ্ভুত ভারতীয় অভিনেত্রী অ্যামি জ্যাকসন। ২০১৬ সালে ‘ফ্রিকি আলী’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। এটি প্রযোজনা করেন সালমানের খানের ভাই সোহেল খান। এ সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে সালমান খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে অ্যামির। এরপর এ জুটির অফ-স্ক্রিন রসায়ন নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা চর্চা হলেও মুখ খুলেননি তাদের কেউই। সামান্থা লকউড মার্কিন অভিনেত্রী সামান্থা লকউড। ‘হিরো’খ্যাত এ অভিনেত্রীর নামও জড়িয়েছে সালমান খানের সঙ্গে। ২০২২ সালে ৫৬তম জন্মদিন উদযাপন করেন সালমান খান। জন্মদিনের পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন সামান্থা। এ অনুষ্ঠানে তোলা সামান্থা-সালমানের বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এরপরই শুরু হয় এই যুগলের প্রেমের গুঞ্জন। বিষয়টি নিয়ে কখনো মুখ খুলেননি সালমান। তবে সামান্থা এক সাক্ষাৎকারে এই গুঞ্জন ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দেন। লুলিয়া ভান্তুর রোমানিয়ান মডেল-অভিনেত্রী লুলিয়া ভান্তুর। সালমানের জীবনে যতজন নারী এসেছেন, তার মধ্যে

হুমায়ুন ফরীদিকে হারানোর ১৩ বছর

হুমায়ুন ফরীদিকে হারানোর ১৩ বছর চলচ্চিত্র ও নাট্যাঙ্গনের শক্তিমান অভিনেতা ছিলেন হুমায়ুন ফরীদি। বসন্তের রঙে বিষাদ ছড়িয়ে না ফেরার দেশে চলে যান এই কিংবদন্তি। ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি পহেলা ফাল্গুনে ৬০ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। দেখতে দেখতে তার চলে যাওয়ার ১৩ বছর কেটে গেলো। তিন দশকেরও বেশি সময় মঞ্চ, টেলিভিশন আর চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে রং ছড়িয়েছেন নন্দিত ও বরেণ্য এই অভিনেতা। হুমায়ুন ফরীদির দেহ বিদায় নিলেও তার স্মৃতি এখনও ভক্তদের চোখ অশ্রুসিক্ত করে। ১৯৫২ সালের ২৯মে ঢাকার নারিন্দায় জন্মেছিলেন হুমায়ুন ফরীদি। তার বাবার নাম এটিএম নুরুল ইসলাম, মায়ের নাম বেগম ফরীদা ইসলাম। চার ভাই-বোনের মধ্যে ফরীদি ছিলেন দ্বিতীয়। ১৯৭০ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেন চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে। একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানিক কেমিস্ট্রিতে ভর্তি হন স্নাতক করতে। পরের বছর ১৯৭১ সালে অংশ নেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। স্বাধীনতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে পড়াশোনা শুরু করেন হুমায়ুন ফরীদি। সেখানেই তার অভিনয় প্রতিভার বিকাশ ঘটে। সেলিম আল দীনের কাছে নাট্যতত্ত্বে দীক্ষা নেন তিনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতেই সদস্যপদ পান ঢাকা থিয়েটারের। এই নাট্যদল থেকেই ছড়িয়ে পড়তে থাকে তার অভিনয়ের রঙগুলো। ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নাট্য সম্পাদক। ঢাকা থিয়েটারের ‘শকুন্তলা’, ‘মুনতাসীর ফ্যান্টাসি’, ‘কীর্তনখোলা’, ‘কেরামত মঙ্গল’র মতো মঞ্চনাটকে অভিনয় করে নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন ফরীদি। বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সদস্য হিসেবে গ্রাম থিয়েটারের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত ‘নীল নকশার সন্ধ্যায়’ ও ‘দূরবীন দিয়ে দেখুন’ নাটকে অভিনয় করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন তিনি। ধারাবাহিক নাটক ‘সংশপ্তক’কে কানকাটা রমজান চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যান। তার পরিচালিত সর্বশেষ নাটক ‘তখন হেমন্ত’ এবং অভিনীত ‘পূর্ণ চাঁদের অপূর্ণতায়’। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকের তালিকায় রয়েছে- ‘ভাঙনের শব্দ শুনি’, ‘বকুলপুর কতদূর’, ‘দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা’, ‘একটি লাল শাড়ি’, ‘মহুয়ার মন’, ‘সাত আসমানের সিঁড়ি’, ‘একদিন হঠাৎ’, ‘অযাত্রা’, ‘পাথর সময়’, ‘দুই ভাই’, ‘শীতের পাখি’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘তিনি একজন’, ‘চন্দ্রগ্রস্ত’, ‘কাছের মানুষ’, ‘মোহনা’, ‘শৃঙ্খল’, ‘প্রিয়জন নিবাস’। তানভীর মোকাম্মেলের ‘হুলিয়া’ সিনেমার মধ্য দিয়ে হুমায়ুন ফরীদি বড় পর্দায় নাম লেখান। নব্বই দশকে বাণিজ্যিক সিনেমার পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘সন্ত্রাস’, ‘দিনমজুর’, ‘বীরপুরুষ’ ও ‘লড়াকু’ সিনেমাতে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এরপরেই দেশীয় চলচ্চিত্রে খল-নায়কের চরিত্র হিসেবে তিনি নন্দিত হন। শহীদুল ইসলাম খোকন ‘বিশ্বপ্রেমিক’, ‘অপহরণ’, ‘দুঃসাহস’সহ ২৮টি সিনেমার মধ্যে ২৫টিতেই রাখেন ফরীদিকে। এছাড়া হুমায়ুন ফরীদি ‘দহন’, ‘একাত্তরের যীশু’, ‘দূরত্ব’, ‘ব্যাচেলর’, ‘জয়যাত্রা’, ‘শ্যামল ছায়া’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘অধিকার চাই’, ‘ত্যাগ’, ‘মায়ের মর্যাদা’, ‘মাতৃত্ব’ ও ‘আহা!’র মতো অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করেছেন। আশির দশকের শুরুর দিকে মিনুকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফাকে ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন ফরীদি। ২০০৮ সালে সেই সম্পর্কেরও বিচ্ছেদ ঘটে।

সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদে আমার ছেলে অবসাদে চলে যায় : নাগার্জুন

সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদে আমার ছেলে অবসাদে চলে যায় : নাগার্জুন ছেলে নাগা চৈতন্যকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন দক্ষিণী তারকা নাগার্জুন। সামান্থা প্রভুর সঙ্গে চার বছরের দাম্পত্য ভেঙে যাওয়ার পর কেমন থাকবেন নাগা? এই প্রশ্নই দিনরাত ভাবাচ্ছিল তাকে। যদিও শোভিতার সঙ্গে নাগার দ্বিতীয় বিয়ের পর নিশ্চিন্ত বাবা। তবে প্রাক্তন বৌমা সামান্থাকে ছেলেকে অবসাদে ফেলে চলে যাওয়ার জন্য দোষারোপ করলেন দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেতা নাগার্জুন! সামান্থার সঙ্গে নাগা চৈতন্যের বিচ্ছেদের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোপের মুখে পড়তে হয় নাগাকে। বাবার দ্বিতীয় বিয়ের প্রসঙ্গ তুলে নাগার দ্বিতীয় বিয়ের কারণ খুঁজতে শুরু করে নেটাপাড়ার বাসিন্দারা। ২০১৭ সালে সামান্থাকে বিয়ের পর ২০২১-এ বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছিলেন নাগা চৈতন্য। এই তারকা জুটি দু’জনে মিলেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বিচ্ছেদের সময় তারা জানান, দুজনের পথচলা আলাদা হয়ে গেলেও পরস্পরকে শ্রদ্ধা করবেন। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নাগা চৈতন্য জানান, সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা সংবাদমাধ্যমে যেভাবে আলোচনা হয়, তাতে করে নিজেকেই অপরাধী মনে হয়। অভিনেতা সাফ জানান, ‘লোকে আমাদের বিচ্ছেদের বিষয়টাকে এমনভাবে দেখছে, যেন আমি একাই দোষ করেছি।’ নাগা চৈতন্যর এমন মন্তব্যের পর এবার ছেলের কথার রেষ টেনে নাগার্জুন জানালেন, সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নাগা অবসাদে ডুবে গিয়েছিল। দক্ষিণী জনপ্রিয় এই তারকা বলেন, ‘আমার ছেলেটা খুব দুঃখে ছিল। সে কারও কাছে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে না। তবে বাবা হিসেবে আমি বুঝতাম। ও আসলে সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অবসাদে ডুবে গিয়েছিল। এখন ওকে ফের খুশি দেখে নিশ্চিন্ত।’এদিকে নাগার্জুনের এমন মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি সামান্থার অনুরাগীরা। তারা এখনও অভিনেত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য নাগা চৈতন্যকেই দায়ী করছেন।

সালমানকে নিয়ে অ্যাটলির নয়া মিশন, বাজেট ৭০০ কোটি টাকা!

সালমানকে নিয়ে অ্যাটলির নয়া মিশন, বাজেট ৭০০ কোটি টাকা! ভারতের দক্ষিণী সিনেমার তারকা পরিচালক অ্যাটলি কুমার। ২০১৩ সালে তামিল ভাষার ‘রাজা রানি’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে অভিষেক ঘটে। নির্মাণ ক্যারিয়ারে বেশ কিছু সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তার মধ্যে অধিকাংশ সিনেমাই ব্যবসাসফল। এবার বলিউড অভিনেতা সালমান খানকে নিয়ে নতুন মিশন শুরু করতে যাচ্ছেন অ্যাটলি। বলিউড হাঙ্গামা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘অ্যাটলি৬’ বা ‘এ৬’ সিনেমায় ভিন্ন একটি জগৎ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছেন পরিচালক। ৫০০ কোটি রুপির (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭০০ কোটি ১৭ লাখ টাকার বেশি) বিশাল বাজেটে নির্মিত হবে সিনেমাটি। আর এতে অভিনয় করবেন সালমান খান ও রজনীকান্ত। এরই মধ্যে ভারতের এই দুই তারকার সঙ্গে কথাও বলেছেন পরিচালক অ্যাটলি কুমার। একটি সূত্র বলিউড হাঙ্গামাকে বলেন, “পুনর্জন্মের গল্প নিয়ে পিরিয়ড ড্রামা ঘরানার সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন অ্যাটলি কুমার। ‘এ৬’ সিনেমায় এমন একটি অদৃশ্য জগৎ তৈরির পরিকল্পনা করছেন, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। অ্যাটলির সঙ্গে নতুন কিছু আবিষ্কারের যাত্রা নিয়ে উচ্ছ্বসিত সালমান খানও। সিনেমাটির জন্য ওজন কমাতে হবে সালমান খানকে এবং নির্দিষ্ট ধরণের শারীরিক গড়ন প্রয়োজন তার।” সালমান-রজনীকান্ত ছাড়া অন্য আর কে কে অভিনয় করছেন, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। তবে খুব শিগগির এ বিষয়ে জানা যাবে বলেও এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্মাণ ক্যারিয়ারে বেশ কিছু সিনেমা নির্মাণ করেছেন অ্যাটলি কুমার। তার নির্মিত উল্লেখযোগ্য সিনেমা হলো— ‘থেরি’, ‘মের্শাল’, ‘বিগিলি’, ‘জওয়ান’ প্রভৃতি।