আমি পাগলের মতো কেঁদেছিলাম: ঐশ্বরিয়া

আমি পাগলের মতো কেঁদেছিলাম: ঐশ্বরিয়া ১৯৯৭ সালে তামিল সিনেমার মাধ্যমে রুপালি জগতে পা রাখেন ঐশ্বরিয়া। একই বছর বলিউডে যাত্রা শুরু করেন। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় ও প্রশংসিত সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। বলিউডের প্রথম সারির সব নায়কের সঙ্গে কাজ করেছেন ঐশ্বরিয়া। কাজের সুবাদে একাধিক নায়কের সঙ্গে সম্পর্কেও জড়ান এই প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী। কখনো কখনো অন্যের প্রেম ভাঙার অভিযোগও উঠে তার বিরুদ্ধে। এমন এক ঘটনা ঘটেছিল অভিনেত্রী মনীষা কৈরালার সঙ্গে। তারপর পাগলের মতো কেঁদেছিলেন ঐশ্বরিয়া। ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায় মনীষা কৈরালা অভিনীত ‘বোম্বে’ সিনেমা। এতে তার অভিনয় দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। রাজীব মুলচান্ডানির সঙ্গে মনীষা কৈরালার প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পেছনের নারী ঐশ্বরিয়া। এ খবর জানার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এই অভিনেত্রী। বেশ আগে শোটাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান ঐশ্বরিয়া।  ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ তারকা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন বলেন, “আমি তামিল ভাষার ‘বোম্বে’ সিনেমা দেখে এটিকে অসাধারণ মনে হয়েছিল। ১ এপ্রিল বোম্বে পৌঁছাই। কাকতালীয়ভাবে রাজীব আমাকে ফোন করেন। ‘বোম্বে’ সিনেমায় মনীষা কতটা দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন, তা আমি চিৎকার করে বলছিলাম। মনীষাকে অভিনন্দন জানাতে তাকে ফুলের তোড়া পাঠাতে চাই— এ কথাও রাজীবকে বলি।” পরের ঘটনা বর্ণনা করে ঐশ্বরিয়া রাই বলেন, “তারপর রাজীব আমাকে জিজ্ঞাসা করে, ‘তুমি কি খবরের কাগজ পড়েছো? মনীষা অভিযোগ করেছে, সে একটি প্রেমপত্র খুঁজে পেয়েছে, যা আমি তোমাকে (ঐশ্বরিয়া) লেখেছি।’ এটি আমাকে ভীষণভাবে আহত করে।” একগুচ্ছ প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে ঐশ্বরিয়া রাই বলেন, “যদি এই প্রতিবেদনের কোনো সত্যতা থাকে, তাহলে ১৯৯৪ সালের জুলাই মাসে কেন বের হয়নি? কয়েক মাসের মধ্যে এই কারণে যদি রাজীবের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়, তাহলে পুরো নয় মাস ধরে এটি নিয়ে কেন চিন্তা করছিলেন? তারপর কেন এটি প্রকাশ্যে আনলেন?” এ ঘটনার পর পাগলের মতো কেঁদেছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই। তা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, “মনীষার এই ঘটনা আমার উপরে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। আমি পাগলের মতো কেঁদেছিলাম। যা কিছু ঘটেছিল তার জন্য সত্যিই খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। এতকিছু বলার পর সে (মনীষা) বারবার বলে, ‘তার উদ্ধৃতি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।’ সেই বিচ্ছেদের পর তার (মনীষা) অসংখ্য সম্পর্কের খবর প্রকাশ করে মিডিয়া।”

বলিউডের ‘টাইগার বুড়ো’ হয়ে গেছেন

বলিউডের ‘টাইগার বুড়ো’ হয়ে গেছেন গাড়িতে বসে আছেন সালমান খান। তার দুই কানে দুল। গাল যেন ভেঙে গেছে। মুখের দাড়িতেও পাক ধরেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক ছবিতে এমন দৃশ্য দেখা যায়। বলিউডের মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর সালমান খানকে এমন লুকে দেখে নানারকম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। বলা যায়, আলোচনার ঝড় বইছে। কিষাণ নামে একজন লেখেন, “আমার শৈশবের নায়ক এখন বৃদ্ধ।” আরেকজন লেখেন, “আমাদের বলিউডের টাইগার বুড়ো হয়ে গেছেন।” মকবুল লেখেন, “মেকআপ ছাড়া সালমানের এটাই আসল লুক।” কেউ কেউ বলছেন, “সালমান খান তো দাদাজি হয়ে গিয়েছেন।” আগামী ডিসেম্বরে ষাট বছরে পা দেবেন সালমান খান। তাই অনেকে বলছেন, “৬০ বছরে পা রাখবেন সালমান খান। আর সেই ছাপই চোখেমুখে পড়েছে। যদিও সেই অনুযায়ী আমির বা শাহরুখের বয়স কম বোঝা যায়।” হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সালমান খানের পরবর্তী সিনেমা ‘সিকান্দার’। এ সিনেমার শেষ দৃশ্যের শুটিংয়ের পর এমন লুকে ক্যামেরাবন্দি হন সালমান। আর সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে; যা নিয়ে চর্চা চলছে অন্তর্জালে। ‘সিকান্দার’ সিনেমায় ৩০ বছরের ছোট ‘পুষ্পা’ তারকা রাশমিকা মান্দানার সঙ্গে রোমান্স করতে দেখা যাবে সালমান খানকে। এটি পরিচালনা করছেন এ আর মুরুগাদোস। ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে।

নিহার সঙ্গে তৌসিফের ‘অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ’

নিহার সঙ্গে তৌসিফের ‘অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ’ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্মিত একক নাটকে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব ও নাজনীন নাহার নিহা। ‘অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ’ নামে নাটকটি নির্মাণ করেছেন শিহাব শাহীন। নাটকটির চিত্রনাট্যও রচনা করেছেন এই পরিচালক। শিহাব শাহীন বলেন, “একটি অ্যারেঞ্জ ম্যারেজের পর প্রাথমিকভাবে জটিলতা দেখা যায়। যেমন— পরস্পরকে বুঝতে পারার ব্যাপার। মূলত, এই দিকটা উপজীব্য করে গল্পটি এগিয়েছে। এটি একাধারে যেমন রোমান্টিক তেমন প্র্যাকটিক্যালও।” নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন— মাসুম রিজওয়ান ও আয়েশা লাবণ্য। চিত্রগ্রহণে ছিলেন নাঈম ফুয়াদ। নাটকটির প্রযোজক-পরিবেশক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, এবারের ঈদে সিএমভির ব্যানারে ২০টি বিশেষ নাটক মুক্তির প্রস্তুতি রয়েছে। যা চাঁদরাত থেকে ধারাবাহিকভাবে মুক্তি পাবে প্রতিষ্ঠানটির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।

মায়ের ‘মূল্যবান পরামর্শ’ জানালেন রাভিনা কন্যা

মায়ের ‘মূল্যবান পরামর্শ’ জানালেন রাভিনা কন্যা বলিউড অভিনেত্রী রাভিনা ট্যান্ডন। চলচ্চিত্র পরিবেশক অনিল থাদানির সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন পদ্মশ্রী জয়ী এ অভিনেত্রী। এ দম্পতির রাশা থাদানি ও রণবীর নামে কন্যা ও পুত্র সন্তান রয়েছে। রাভিনার কন্যা রাশা চলতি বছরের শুরুতে বলিউডে পা রেখেছেন। অভিনেত্রী রাভিনার বাবার নাম রবি ট্যান্ডন। তিনিও প্রখ্যাত পরিচালক-প্রযোজক। জীবদ্দশায় নানাভাবে মেয়েকে পথ দেখিয়েছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ার ও অর্জিত অভিজ্ঞতা থেকে মেয়েকে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন রাভিনা। মায়ের পরামর্শকে ‘গোল্ডেন অ্যাডভাইস’ বলে মন্তব্য করেছেন রাশা। কিছুদিন আগে ফিল্ম ফেয়ারকে সাক্ষাৎকার দেন রাশা থাদানি। মায়ের মূল্যবান পরামর্শের বিষয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, “কেবল চলচ্চিত্রেই নয়, সাধারণ জীবনেও বিনয়ী হওয়া জরুরি। তবে আমার নানা আমাকে যে কথা বলেছিলেন, আমার মা-ও তা মেনে চলেছেন। আমার সঙ্গেও তা পুনরাবৃত্তি করেছেন। আর তা হলো— ‘সেটে পরিচালক হলেন বস। তুমি শুধু চুপচাপ শুনবে। কোনো মতামত দেওয়ার দরকার নেই, না। তোমাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে, পরিচালক যা বলেন তা শুনতে হবে। কারণ তার একটি লক্ষ্য আছে এবং তিনি জানেন তিনি কী করছেন।” ‘আজাদ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয়েছে রাশা থাদানির। সিনেমাটির ট্রেইলারে মুগ্ধতা ছড়ান এই অভিনেত্রী। যদিও প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর সাড়া ফেলতে পারেনি অভিষেক কাপুর পরিচালিত এই সিনেমা। এতে রাশার বিপরীতে অভিনয় করেন অজয় দেবগনের ভাগনে আমান দেবগন।রাবিনা ট্যান্ডনের কন্যার আসল নাম রাশা নয়। জন্মের পর তার নাম রাখা হয়েছিল রাশাবিশাখা। ‘রাশা’ শব্দের অর্থ বৃষ্টির প্রথম ফোঁটা এবং ‘বিশাখা’ শব্দের অর্থ শিব। পড়াশোনার পাশাপাশি সংগীতের প্রতি রাশার আগ্রহ রয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মিউজিক কনসার্টেও দেখা যায় তাকে। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারেন রাশা। গানও গাইতে পারেন ১৯ বছরের এই অভিনেত্রী। সংগীত এবং থিয়েটারের প্রতি তার এই ভালোবাসার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব রাশা তার নানা রবি ট্যান্ডনকে দিয়েছেন।

ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে পরীমণি

ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে পরীমণি ঢাকাই সিনেমার লাস্যময়ীকন্যা পরীমণি। অভিনয় ক্যারিয়ারের শুরু থেকে নানারকম চড়াই-উতরাই পাড়ি দিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে স্পষ্টবাদী হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদ জীবনের অনুষঙ্গ। এসব বিষয়েও তার বক্তব্য পরিষ্কার। পরীমণি তার ভাবনার কথা প্রকাশ করতে ফেসবুক বেছে নেন। রবিবার (১৬ মার্চ) ভোররাতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এতে তিনি লেখেন, “আজ এখন যাকে নিয়ে তোমার সুখ খুঁজে পাচ্ছো, দেখো সে যেন তোমার দুঃখের কারণ না হয়! সোনা।” ব্যক্তিগত জীবনে পরীমণি অভিনেতা শরিফুল রাজকে ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন। এ দম্পতির পুণ্য (পদ্ম) নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। যদিও ভেঙে গেছে এই সংসার। একাই পুত্রকে মানুষ করছেন এই অভিনেত্রী। মাঝে মধ্যে প্রাক্তনকে ইঙ্গিত করে স্ট্যাটাস দিয়ে থাকেন পরীমণি। এটিও ইঙ্গিতপূর্ণ বলেই মনে করছেন নেটিজেনরা। অভিনেত্রীর ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট নিয়ে নেটিজেনরা বেশ আলোচনা-সমালোচনা করছেন। তারা বলছেন, পরী তার প্রাক্তন স্বামী শরিফুল রাজকে নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। নেটিজেনদের অনেকের দাবি— ‘সোনা’ শব্দটি দিয়ে রাজকে বোঝাতে চেয়েছেন পরীমণি। অনেকেই পরীমণির বক্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করে পোস্ট দিয়েছেন। এ অভিনেত্রীর পোস্টটি শেয়ার দিয়ে একজন লিখেন, “পরী রাজকে ভুলতে না পেরে এমন পোস্ট করেছে।” সাব্বির নামে একজন লেখেন, “দেখ সময় কোথায় নিয়ে যায়?” ফারহান লেখেন, “কষ্ট পেয়ে এভাবে রাজকে মিস করার কী আছে। নিজেকে নিজে ভালোবাসেন।” এমন অনেক মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে। ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বিয়ে করেন চিত্রনায়িকা পরীমণি ও চিত্রনায়ক শরিফুল রাজ। তবে পারিবারিকভাবে ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি ঘরোয়াভাবে আবার তাদের বিয়ে হয়। ২০২২ সালের ১০ আগস্ট তাদের ছেলে শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যের জন্ম হয়। পরে পরীমণি একটি কন্যাসন্তান দত্তক নিয়েছেন।

৬০তম জন্মদিনে প্রেমিকাকে প্রকাশ্যে আনলেন আমির খান

জন্মদিনে প্রেমিকাকে প্রকাশ্যে আনলেন আমির খান ৬০ বছরের জন্মদিন উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে নিজের প্রেমিকা গৌরী স্প্রাটের পরিচয় করিয়ে দিলেন বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। নিজের প্রাক-জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমির জানালেন, গত দেড় বছর ধরে তারা সম্পর্কে রয়েছেন। তবে গত কয়েক মাস ধরেই বেঙ্গালুরুনিবাসী এই মহিলার সঙ্গে আমিরের সম্পর্কের জল্পনা চলছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আজকালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিনেতার জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে মুম্বাইয়ের এক হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়। সেখানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে গৌরীর পরিচয় করিয়ে দেন আমির। তবে গৌরীর ছবি প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন। তিনি জানান, নতুন সম্পর্ক যতটা সম্ভব ব্যক্তিগত রাখতে চান। আমির জানান, তারই প্রযোজনা সংস্থাতে কাজ করেন গৌরী। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে গৌরীর সঙ্গে যোগাযোগ আমিরের।‌ কিন্তু একে অপরের প্রেমে পড়েছেন বছর দেড়েক আগে। গৌরীর সঙ্গে গত দেড় বছর ধরে লিভ-ইন করছেন তিনি। তামিল ও আইরিশ বংশোদ্ভূত গৌরীর একটি ছয় বছরের ছেলেও রয়েছে। এদিকে আমির খানের ৬০তম জন্মদিনে প্রেমের বিষয়ে জানানোর পর ভক্ত-অনুরাগীদের গৌরীকে একঝলক দেখতে মরিয়া হয়ে উঠবে এটা ভেবে তড়িঘড়ি করে একজন ব্যক্তিগত দেহরক্ষীও নিয়োগ করেছেন প্রেমিকার জন্য। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, ‘আমরা মনস্থির করেছি এই সম্পর্ক নিয়ে এখন জনসমক্ষে বলার সময় এসেছে। ১৮ মাস ধরে আমরা সম্পর্কে। এরপর থেকে আমাদের আর আপনাদের কাছে কিছু লুকাতে হবে না।’ গৌরীর নাম প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই যে তিনি আলোচনায় থাকবেন, এ কথা বিলক্ষণ বুঝতে পেরেছিলেন আমির। তাই আগেভাগেই একজন দেহরক্ষী নিযুক্ত করেন। এ প্রসঙ্গে আমির বলেন, ‘আমি গৌরীর কথা সকলকে জানানোর আগে থেকেই তার জন্য একজন দেহরক্ষী নিয়োগ করেছি। তবে এটা কেবল আমার নিজের মনের শান্তির জন্য করা।’ ভক্তদের সঙ্গে গৌরীকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ারও পরিকল্পনা করেছেন আমির। অভিনেতা জানান, গৌরী এ সবের সঙ্গে তেমন অভ্যস্ত নন। তাই তাকে কিছুটা হলেও সব কিছুর জন্য প্রস্তুত করতে সময় লেগেছে। সংবাদমাধ্যমকে আমির জানান, গৌরীর সঙ্গে আগে শাহরুখ ও সালমানের পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। তার পর বাকিদের জানান আমির। ২৫ বছর আগে বেঙ্গালুরুর এই কন্যার সঙ্গে পরিচয় অভিনেতার। দীর্ঘ বছরের এই পরিচয়ের পর বছর দেড়েক ধরে সম্পর্কে রয়েছেন অভিনেতা। তবে এখন সকলের মনে একটাই প্রশ্ন, প্রেমিকা গৌরীর সঙ্গে কি শীঘ্রই গাঁটছড়া বাঁধবেন আমির? নাকি এ ভাবেই কাটিয়ে দেবেন বাকি জীবন। প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে অভিনেত্রী রিনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন আমির। তাদের দুই সন্তান রয়েছেন জুনাইদ ও ইরা। ২০০২ সালে রিনার সঙ্গে দাম্পত্যে ইতি টেনেছিলেন অভিনেতা। এরপরই আমিরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তারই সহ-পরিচালক কিরণ রাও। ২০০৫ সালে বিয়ে করেছিলেন তারা। তবে ২০২১ সালে যৌথভাবে বিচ্ছেদ ঘোষণা করেছিলেন তারা। আমির ও কিরণেরও এক পুত্র রয়েছে, নাম আজাদ রাও খান। উল্লেখ্য, ‘লাল সিংহ চাড্ডা’ ছবিতে আমিরকে শেষ দেখা গিয়েছিল। তবে ছবিটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। ভবিষ্যতে তাকে দেখা যাবে ‘সিতারে জমিন পার’ ছবিতে। চলতি বছরের বড়দিনে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

বাবা-মা সন্তানের বন্ধু হতে পারেন না অভিষেক বচ্চন

বাবা-মা সন্তানের বন্ধু হতে পারেন না অভিষেক বচ্চন বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ভালোবেসে ঘর বেঁধেছে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে। এ সংসারে আরাধ্য নামে তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। রুপালি পর্দায়ও অনেকবার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিষেক। তার পরবর্তী সিনেমা ‘বি হ্যাপি’। এ সিনেমার গল্পও বাবা-মেয়েকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে। সিনেমাটির প্রচারে গিয়ে সন্তানের সঙ্গে বাবা-মায়ের সমীকরণ নিয়ে কথা বলেছেন অভিষেক। বাবা-মায়ের ভূমিকাও ব্যাখ্যা করেছেন। এক পর্যায়ে অভিষেক জানান— বাবা-মা সন্তানের বন্ধু হতে পারেন না। অভিষেক বচ্চন বলেন, “অনেক সময় আমরা ভুলে যাই, একজন বাবা কীসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আমার মনে হয়, পুরুষরা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে খুব একটা ভালো না। এটি তাদের বড় একটি দুর্বলতা। তাদের খুব নীরবে যেকোনো দায়িত্ব বা চাপ গ্রহণ করে তা এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়।” সন্তানের কাছে বাবা কখনো মায়ের বিকল্প হতে পারেন। এ তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাবা কখনো মায়ের বিকল্প হতে পারে না। নারীরা উচ্চতর জাতি। কিন্তু একজন বাবার কাজকে অবহেলা করা উচিত নয়। মাঝে মাঝে বলা উচিত— বাবা হয়তো একজন মায়ের তুলনায় কিছুই না, কিন্তু তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেন।” বাবা-মা সন্তানের বন্ধু হতে পারেন না বলে মনে করেন অভিষেক। তার ভাষায়, “সন্তানের সঙ্গে আপনার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হওয়া উচিত। কিন্তু আপনি আপনার সন্তানের বন্ধু হতে পারবেন না। আপনি তাদের বাবা-মা। আপনি তাদের লালন-পালন, সুরক্ষা এবং তাদের পথ দেখাবেন। আপনাকে যথেষ্ট বন্ধুত্বপূর্ণ হতে হবে, যাতে তারা আপনার উপর আস্থা রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। আপনি প্রথম ব্যক্তি যাকে তারা ফোন করার কথা ভাববে, দিন শেষে আপনিই তাদের বাবা-মা।” রেমো ডি’সুজা নির্মিত ‘বি হ্যাপি’ সিনেমায় সিঙ্গেল বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিষেক বচ্চন। বিভিন্ন চরিত্রে আরো অভিনয় করেছেন— নোরা ফাতেহি, নাসের, ইনায়েত ভার্মা, জনি লিভার প্রমুখ। আগামী ১৪ মার্চ ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইমে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

শেষ সিনেমায় কত টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন সালমান শাহ

শেষ সিনেমায় কত টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন সালমান শাহ ঢাকাই সিনেমার অমর চিত্রনায়ক সালমান শাহ। নব্বই দশকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ধূমকেতুর মতো তার আবির্ভাব। মাত্র চার বছরে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে যান। বৃহস্পতি তুঙ্গে থাকা অবস্থায় অর্থাৎ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পরপারে পাড়ি জমান এই নায়ক। সালমান শাহ অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘বুকের ভেতর আগুন’। এটি পরিচালনা করেন ছটকু আহমেদ। সিনেমাটিতে সালমানের বিপরীতে অভিনয় করেন শাবনূর। ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায় এটি। সিনেমাটির জন্য কত টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন সালমান? ‘বুকের ভেতর আগুন’ সিনেমার পরিচালক-প্রযোজক ছটকু আহমেদ জানিয়েছেন, সালমান শাহ সেই সময়ের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নেওয়া নায়ক ছিল। এ সিনেমার জন্য ২ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিল সালমান শাহ। ‘বুকের ভেতর আগুন’ সিনেমার কাজ পুরোপুরি শেষ করতে পারেননি সালমান। তার আগেই মারা যান। ফলে গল্পের কিছুটা পরিবর্তন করে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয় ফেরদৌস আহমেদকে। সালমানের মৃত্যুর এক বছর পর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। সালমান শাহের মৃত্যুর পর বেশ জটিলতায় পড়ে যান ছটকু আহমেদ। কারণ একদিকে মুক্তিপ্রতীক্ষিত ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, অন্যদিকে অসম্পূর্ণ ‘বুকের ভেতর আগুন’ সিনেমার কাজ। ফলে সময়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল নির্মাতার জন্য। ছটকু আহমেদ বলেন, “সিনেমা মুক্তির প্রায় দুই মাস আগে থেকেই পরিকল্পনা অনুযায়ী পোস্টার, ব্যানার প্রস্তুত করে জেলায় জেলায় পাঠিয়েছিলাম। সিনেমার প্রচারে যাওয়ার শিডিউলও দিয়েছিলেন সালমান। কিন্তু মৃত্যুর খবরে স্তব্ধ হয়ে যাই। এমন কিছু হয়ে যাবে, কল্পনাও করতে পারিনি।” ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তার আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। সালমান শাহ নামে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। ১৯৮৫ সালে ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। এ সিনেমায় সালমান শাহর বিপরীতে অভিনয় করেন মৌসুমী। সালমান শাহর সঙ্গে জুটি বেঁধে মৌসুমী মাত্র চারটি চলচ্চিত্রে কাজ করেন। এরপর প্রয়াত অভিনেতা ও পরিচালক জহিরুল হক পরিচালিত ‘তুমি আমার’ সিনেমায় সালমান শাহ ও শাবনূর প্রথম জুটি বাঁধেন। শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহ মোট ১৪টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে একাই রাজত্ব করে গেছেন সালমান শাহ। এই চার বছরে উপহার দিয়েছেন ব্যবসাসফল ২৭টি সিনেমা। সালমান শাহ অভিনীত সিনেমাগুলো হলো— ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ (১৯৯৩), ‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্নেহ’, ‘প্রেম যুদ্ধ’ (১৯৯৪), ‘কন্যাদান’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘মহামিলন’, ‘আশা ভালোবাসা’ (১৯৯৫), ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘প্রিয়জন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’ (১৯৯৬), ‘প্রেমপিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘শুধু তুমি’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’ (১৯৯৭)।

১৯৪ কোটির সিনেমা ‘ছাব ‘র আয় ১০০৩ কোটি টাকা

১৯৪ কোটির সিনেমা ‘ছাবা‘র আয় ১০০৩ কোটি টাকা রাশমিকা মান্দানা ও ভিকি কৌশল অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘ছাবা’। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতের ৪ হাজার পর্দায় মুক্তি পায় এটি। রাশমিকা মান্দানা অভিনীত চলতি বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা এটি। লক্ষ্মণ উতেকার পরিচালিত এই সিনেমা নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৯৪ কোটি টাকা। তবে মুক্তির প্রথম দিনই বক্স অফিসে সাড়া ফেলে এটি। দীর্ঘদিন সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। তবে এখন আয়ের গ্রাফ ওঠানামা করছে। এ পর্যন্ত কত টাকা আয় করেছে সিনেমাটি? স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, গত ২৭ দিনে ‘ছাবা’ সিনেমা শুধু ভারতে আয় করেছে ৬৩৩.২৫ (গ্রস) কোটি রুপি। বিদেশে আয় করেছে ৮৫.২৫ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৭১৮.৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার বেশি)। ‘ছাবা’ সিনেমার গল্প শিবাজির পুত্র ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের জীবনের ওপর ভিত্তি করে এগিয়েছে। ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের চরিত্রে ভিকি কৌশল ও মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের চরিত্র রূপায়ন করেছেন অক্ষয় খান্না। সম্ভাজি মহারাজের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রাশমিকা মান্দানা। তা ছাড়াও অভিনয় করেছেন— আশুতোষ রানা, ডিয়ানা পেন্টি, দিব্যা দত্ত প্রমুখ। দীনেশ বিজন প্রযোজিত এ সিনেমা নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৪০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯৪ কোটি ৩১ লাখ টাকার বেশি)।

তবে কি আমির সঙ্গে  ‘শত্রুতা’ রণবীরের

তবে কি আমির সঙ্গে  ‘শত্রুতা’ রণবীরের আমির খানের ‘পিকে’ সিনেমায় ক্যামিয়ো চরিত্রে দেখা গিয়েছিল রণবীর কাপুরকে। তবে এবার দুই তারকার অনুরাগীদের জন্য সুখবর। একসঙ্গে জুটি বাঁধছেন বলিউডের দুই সুপারস্টার। অন্তত মঙ্গলবার পর্যন্ত সে রকমই ইঙ্গিত দিয়েছেন রণবীর-ঘরনি আলিয়া ভাট। তারপরেই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে চর্চা। মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেন আলিয়া। সেখানে দেখা যাচ্ছে, অভিনেত্রীর হাতে একটি পোস্টার। ভিডিওতে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি এটা দীর্ঘদিন ধরে আপনাদের দেখানোর অপেক্ষায় ছিলাম। আমার দুই প্রিয় অভিনেতাকে একসঙ্গে দেখা যাবে, তা-ও একে অপরের বিরুদ্ধে।’ এরপরেই পোস্টারে আমির এবং রণবীরের ছবি দেখান আলিয়া। সেখানে দুই অভিনেতার নামের আদ্যক্ষর ব্যবহার করে লেখা, ‘একে ভার্সেস আরকে’। সঙ্গে লেখা, ‘বছরের সবচেয়ে বড় শত্রুতা।’ এই ভিডিও থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ছবিটি পরিচালনা করবেন ‘দঙ্গল’ খ্যাত পরিচালক নিতেশ তিওয়ারি। অনুরাগীদের কাছে স্পষ্ট, তাহলে আমির এবং রণবীর একসঙ্গে নতুন কোনো ছবিতে জুটি বাঁধছেন। যদিও আলিয়া নতুন কাজটি নিয়ে এখনই বিশদে কিছু বলতে নারাজ। তবে সূত্রের দাবি, সম্ভবত কোনও নতুন বিজ্ঞাপনী ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে পারেন আমির এবং রণবীর। দুই অভিনেতাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেন না। তাই আলিয়াই তাদের হয়ে প্রচারণাটা চালালেন। আমির এবং রণবীর শেষ পর্যন্ত দর্শকের সামনে কীভাবে হাজির হন, তা জানার অপেক্ষায় অনুরাগীরা। এই মুহূর্তে আমির তার প্রযোজিত এবং অভিনীত ‘সিতারে জামিন পর’ ছবিটির মুক্তি নিয়ে ব্যস্ত। অন্যদিকে, সঞ্জয় লীলা বাসনালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবিটির প্রস্তুতি শুরু করেছেন রণবীর।