টলিউডে মুক্তি পাচ্ছে নওশাবার প্রথম সিনেমা

টলিউডে মুক্তি পাচ্ছে নওশাবার প্রথম সিনেমা অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ এবার টলিউডে হাজির হচ্ছেন প্রথম সিনেমা নিয়ে। অনিক দত্ত পরিচালিত ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’ সিনেমাটির শুটিং শেষ হয়েছিল ২০২২ সালে, তবে নানা কারণে তা মুক্তি পায়নি। অবশেষে চলতি বছরের দুর্গাপূজায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিনেমাটি। সম্প্রতি সিনেমার মোশন পোস্টার প্রকাশ করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডস কমিউনিকেশন। এতে মূল চরিত্রে রয়েছেন ওপার বাংলার অভিনেতা আবির চ্যাটার্জি, আর নওশাবা অভিনয় করেছেন এক বাংলাদেশি তরুণীর চরিত্রে, যে তার শিকড় খুঁজতে কলকাতায় আসে। নওশাবা বলেন, “সিনেমায় আমি আর আবির দুজনেই ফেলুদাভক্ত। গল্পের প্রতিটি পরতে পরতে আছে ফেলুদা ও সত্যজিৎ রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, যদিও এটি সরাসরি গোয়েন্দা কাহিনি নয়।” সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, “সবকিছু যেন এক ম্যাজিকের মতো ঘটেছে। হঠাৎ করেই অনিকদার টেক্সট পাই, তারপর অডিশন দিয়ে সুযোগ পাই। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে শুটিং করি। এখন যখন সিনেমাটি দুর্গাপূজায় মুক্তি পাচ্ছে, তখন মনে হচ্ছে—স্বপ্ন সত্যি হচ্ছে। সব ঠিক থাকলে মুক্তির সময় কলকাতায় যাওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে নওশাবার। এটি তার জন্য শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং টলিউডে নতুন এক অধ্যায়ের শুরু।
দেশের অবস্থা দেখে হৃদয় ভেঙেছে বাঁধনের

দেশের অবস্থা দেখে হৃদয় ভেঙেছে বাঁধনের ‘‘আমার বাবা-মা আমার নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তিত। আর আমার মেয়ে—শুধু আমিই তার। আমিই আমার মেয়ের পুরো পৃথিবী। কিন্তু এই রকম একটা দেশে আমি তাকে কীভাবে রক্ষা করব?’’ কথাগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন চিত্রনায়িকা আজমেরী হক বাঁধন। তিনি আরও লিখেছেন, ‘‘আমরা কেমন জায়গায় বাস করছি? যেখানে কোন নিরাপত্তা নেই। মনে শান্তি নেই। আমরা আশা করেছিলাম পরিস্থিতি বদলে যাবে। আমরা আরও ভালো, নিরাপদ জীবনের স্বপ্ন দেখেছিলাম।একটি নতুন সরকার এসেছিল। আমরা বিশ্বাস করেছিলাম। আমরা অপেক্ষা করেছিলাম।কিন্তু এখন আমরা যা দেখছি তা ভয়াবহ।’’ বাঁধন তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে তার হৃদয় ভেঙে গেছে। বাঁধনের ভাষায় ‘‘ যদি নির্বাচিত সরকারের কোন বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি না থাকে, পরিবর্তন আনার সাহস না থাকে—তাহলে লাভ কী? আমি ভীত। আমি রেগে আছি।আর সবকিছুর চেয়েও বেশি, আমার হৃদয় ভেঙে গেছে।’’ বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের তিন নম্বর গেটের সামনে সোহাগ নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। ওই হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নড়ে ওঠে দেশবাসী। যে যার জায়গা থেকে প্রতিবাদ করেছে। মর্মান্তিক এ ঘটনা বাঁধনকে শুধু শোকাহত করেনি, তার নিজের নিরাপত্তা নিয়েও ভাবাচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন বাঁধন। ১১ জুলাই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই অভিনেত্রী লেখেন, ‘‘এটা এক ধরনের মর্মান্তিক ছবি। কারো হত্যা হতে দেখা, যেখানে বাকি সবাই দাঁড়িয়ে দেখছে। কিছুই করছে না। এটা কীভাবে সম্ভব? কী ধরনের দেশে আমরা বেঁচে আছি? মানুষ দাঁড়িয়ে দেখল।কিন্তু কেউ এগিয়ে গেল না। কতটা ভয়াবহ?’’
ধর্ষণের দায়ে কে-পপ তারকার সাজা অর্ধেক করল আদালত

ধর্ষণের দায়ে কে-পপ তারকার সাজা অর্ধেক করল আদালত দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় বয় ব্যান্ড ‘এনসিটি’র সাবেক সদস্য তেইলকে এক বিদেশি নারীকে ধর্ষণের দায়ে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) এই রায় দেন সিউলের আদালত এবং সঙ্গে সঙ্গে তেইলকে আটক করার নির্দেশও দেওয়া হয়। এই মামলায় তেইলের আরও দুই সহযোগীকেও একই মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে এবং তাদেরও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালতের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা ২০২৪ সালের জুনে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে এক চীনা নারীকে যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। ঘটনার পর তারা জামিনে মুক্ত ছিলেন এবং সে সময়েই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র বরাতে জানা গেছে, আদালত অপরাধটিকে “অত্যন্ত গুরুতর” হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। রায়ে উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগী নারী তখন আত্মরক্ষার সামর্থ্য হারিয়েছিলেন। তবে অভিযুক্তরা প্রথমবার এমন অপরাধ করায় আদালত তাদের সাত বছরের সাজা কমিয়ে সাড়ে তিন বছর করেছে। আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, তিনজনকেই ৪০ ঘণ্টার ‘যৌন সহিংসতা প্রতিরোধ’ বিষয়ক একটি বিশেষ চিকিৎসামূলক কাউন্সেলিং কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে। ‘তেইল’ নামেই পরিচিত ওই সংগীতশিল্পীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০২৩ সালের আগস্টে। এরপরই তিনি কে-পপ ব্যান্ড ‘এনসিটি’ থেকে সরে দাঁড়ান।
১১৩৫ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমায় আল্লুর বিপরীতে রাশমিকা!

১১৩৫ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমায় আল্লুর বিপরীতে রাশমিকা! ‘পুষ্পা’ তারকা আল্লু অর্জুনকে নিয়ে ১১৩৫ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমা নির্মাণ করছেন পরিচালক অ্যাটলি কুমার। আপাতত সিনেমাটির নাম রাখা হয়েছে— ‘এএ২২×এ৬’। এলাহি আয়োজনে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। এতে আল্লু অর্জুনের বিপরীতে কে অভিনয় করবেন, তা নিয়ে অনেক দিন ধরে গুঞ্জন উড়ছে। এবার জানা গেল, ‘পুষ্পা’ তারকা রাশমিকা মান্দানা সিনেমাটিতে আল্লু অর্জুনের সঙ্গে জুটি বাঁধবেন। সিনেমা সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র পিঙ্কভিলাকে বলেন, “অ্যাটলির বিশাল আয়োজনের এই সিনেমায় অভিনয় করছেন রাশমিকা মান্দানা। সিনেমাটিতে তাকে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সাহসী চরিত্রগুলোর মধ্যে একটিতে দেখা যাবে। ‘পুষ্পা’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে রাশমিকা-আল্লুর যে রসায়ন দর্শক দেখেছেন, এই সিনেমায় তারচেয়ে আলাদা কিছু দেখতে পাবেন।” ইতোমধ্যে অ্যাটলির সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে রাশমিকা তার লুক টেস্ট এবং বডি স্ক্যান করিয়েছেন। তার চরিত্রের প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন সূত্রটি। তবে এ নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি রাশমিকা। ভারতের তারকা অভিনয়শিল্পীরাও সিনেমাটিতে অভিনয় করবেন। এ তথ্য জানিয়েছে সূত্রটি বলেন, “অ্যাটলির পরবর্তী এই সিনেমায় প্রযুক্তিগত বিস্ময় রয়েছে। কারণ চলচ্চিত্র নির্মাতা দুটি ভিন্ন জগতের অবতার করবেন। এতে ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে বড় বড় নারী ও পুরুষ অভিনেতারা গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন।” ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে একটি সূত্র বলেন, “অ্যাটলির নতুন সিনেমায় আল্লু অর্জুন দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করবেন। তার ক্যারিয়ারে এটাই প্রথম দ্বৈত চরিত্র। নতুন সিনেমায় অ্যাটলি আলাদা একটি জগৎ তৈরি করবেন; যা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।” গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, সাইন্স ফিকশন-অ্যাকশন ঘরানার সিনেমা হবে এটি। এর আগে আল্লু অর্জুন তার ইনস্টাগ্রামে ভিডিও শেয়ার করে বেশ কিছু দিকে ইঙ্গিতও দিয়েছেন। এটি প্রযোজনা করছে সান পিকচার্স। প্রতিষ্ঠানটিও তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি শেয়ার করেন। এ ভিডিওতে দেখা যায়, চেন্নাইয়ে অবস্থিত সান পিকচার্সের অফিসে উপস্থিত হন আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলি কুমার। সেখানে প্রযোজক কালানিথি মারনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং আলোচনা করেন তারা। ভিডিওর এক অংশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত একটি ভিএফএক্স স্টুডিওতে হাজির হন আল্লু অর্জুন-অ্যাটলি। স্টুডিওতে রাখা মাস্ক, গিয়ার ট্রাই করতে দেখা যায় আল্লু অর্জুনকে। নিজের ব্যক্তিত্বের থ্রি-ডি ক্যারেক্টারকে পর্দায় দেখানোর প্রক্রিয়াও পরীক্ষা করেন। এসময় সেখানে হলিউডের কয়েকজন বিখ্যাত টেকনিশিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেন আল্লু-অ্যাটলি। তাদের মধ্যে রয়েছেন আয়রনহেড স্টুডিওর সিইও এবং আর্ট ডিরেক্টর জোস ফার্নান্দেজ। ‘স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং’, ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার’, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এজ অব আল্ট্রোন’-এর মতো সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি। তাছাড়াও দেখা যায় ‘আয়রন ম্যান টু’, ‘ট্রান্সফরমারস: রাইজ অব দ্য বিটস’-এর মতো সিনেমার ভিএফএক্স গুরু জেমস ম্যাডিগানকে! ‘এএ২২×এ৬’ সিনেমার চিত্রনাট্য পড়ে বিস্মিত তিনি। জেমস বলেন— “চিত্রনাট্য পড়ে এখনো মাথা ঘুরছে।” স্পেকট্রাল মোশনের আর্ট ডিরেক্টর মাইক এলিজালদের সিনেমাটির গল্প প্রসঙ্গে বলেন— “এরকম কিছু কখনো পড়িনি। এটা আমার স্বপ্নের প্রজেক্ট।” এলাহি আয়োজনের জন্য প্রয়োজন অর্থ। তা হলে কত টাকা বাজেট নিয়ে মাঠে নেমেছেন নির্মাতারা? চলুন তা জেনে নিই— আল্লু অর্জুন-অ্যাটলির সিনেমার বাজেট ধরা হয়েছে ৮০০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১৩৫ কোটি টাকা)। এ বাজেট থেকে শুটিংয়ের জন্য ব্যয় হবে ২০০ কোটি রুপি, ভিএফএক্সে (ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট) খরচ হবে ২৫০ কোটি রুপি। সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য আল্লু অর্জুন পারিশ্রমিক নেবেন ১৭৫ কোটি রুপি। পাশাপাশি সিনেমাটির ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ পাবেন এই তারকা। পরিচালক অ্যাটলি কুমার পারিশ্রমিক নেবেন ১০০ কোটি রুপি। যার মাধ্যমে ভারতীয় পরিচালকদের পারিশ্রমিকের রেকর্ড ভেঙে দিলেন তিনি।
অভিনেত্রীর মরদেহ নিতে রাজি নন বাবা

অভিনেত্রীর মরদেহ নিতে রাজি নন বাবা গত ৮ জুলাই, করাচির ডিফেন্স হাউজিং অথরিটির একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পাকিস্তানি মডেল-অভিনেত্রী হুমায়রা আজগর আলীর পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারকে বুঝিয়ে দিতে চাইলে, তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান অভিনেত্রীর বাবা ডা. আজগর আলী। পাকিস্তান টুডে এ খবর প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে এসএসপি (দক্ষিণ করাচি) মাহরুজ আলী জানান, ২০২৪ সালের শুরু থেকে অ্যাপার্টমেন্টটির ভাড়া দেন না হুমায়রা আজগর আলী। এখানে একা বসবাস করতেন, কারো সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল না। অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর তার পরিবারকে খুঁজে বের করে পুলিশ। কথা বলেন অভিনেত্রীর বাবা ডা. আজগর আলী (আর্মির প্রাক্তন চিকিৎসক) ও তার ভাইয়ের সঙ্গে। কিন্তু হুমায়রা আজগরের বাবা কন্যার মরদেহ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। এ বিষয়ে হুমায়রার বাবা আজগর আলী বলেন, “আমরা অনেক আগেই তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছি। তার মৃতদেহ নিয়ে যা ইচ্ছা করুন। আমরা তা গ্রহণ করব না।” গত মঙ্গলবার রাতে হুমায়রা আজগর আলীর মরদেহের পোস্টমর্টেম সম্পন্ন হয়। তবে এখনো মৃত্যুর কারণ প্রকাশ করেনি পুলিশ। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তারা রাসায়নিক বিশ্লেষণের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন। মৃতদেহটি এখন হিমাগারে রাখা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে, এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধারণা করছে পুলিশ। এর আগে এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, ইত্তেহাদ কমার্শিয়ালের একটি ফ্ল্যাট থেকে হুমায়রা আজগর আলীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহটি ৩২ বছর বয়সি অভিনেত্রী হুমায়রার বলে শনাক্ত করেছে পুলিশ। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে মারা গিয়েছেন তিনি। ডিআইজি সৈয়দ আসাদ রাজা পাকিস্তানি গণমাধ্য ডনকে বলেন, “আদালতের নির্দেশে গিজরি পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টটি খালি করার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে পুলিশ দরজায় কড়া নাড়লে কেউ সাড়া দেয়নি। এরপর তালা ভেঙে পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করে এবং তার মৃতদেহটি দেখতে পায়। এই অ্যাপার্টমেন্টে ভাড়া থাকতেন অভিনেত্রী হুমায়রা।” টিভি রিয়েলিটি শো ‘তামাশা ঘরে’-এ অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন হুমায়রা। ২০১৫ সালে তার অভিনীত ‘জালাইবি’ সিনেমা মুক্তি পায়। এ সিনেমা তাকে পরিচিতি এনে দেয়।
রণবীরের জোড়াতালির ভাইরাল শার্টের দাম কত?

রণবীরের জোড়াতালির ভাইরাল শার্টের দাম কত? রণবীর কাপুরের পরনে নীল রঙের জিন্স। গায়ে শার্ট, মাথায় ক্যাপ। তার গায়ের শার্ট একদম আলাদা। কারণ তাতে কয়েকটি জোড়াতালি রয়েছে। কিছু অংশ এমনভাবে ছেঁড়া, প্রথম দেখায় মনে হবে— জামাটি ইঁদুরে কেটেছে। এমন পোশাকে একটি বাড়ি থেকে বের হতে দেখা যায় রণবীরকে। হাস্যোজ্জ্বল মুখে ক্যামেরার সামনে পোজও দেন এই তারকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও ক্লিপে এমন লুকে ধরা দিয়েছেন ‘অ্যানিমেল’ তারকা রণবীর। মূলত, ভিডিওটি এক মাস আগের। সম্প্রতি পুরোনো সেই ভিডিও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। চর্চায় মেতেছেন নেটিজেনরা। রণবীর কাপুরে শার্টটি নিয়ে রসিকতা করছেন নেটিজেনরা। দেবজ্যোতি লেখেন, “গরীব, মহা গরীব।” রিয়া লেখেন, “ওনারা এমন পোশাক পরলে, সেটা ফ্যাশন। আর আমরা পরতে গেলে লজ্জা পাই।” আশুতোষ লেখেন, “অভিনেতা ধনী-গরীব।” প্রকৃতি লেখেন, “এটি ভিখারি শার্ট, স্টাইলিস্ট না।” এমন অসংখ্য মন্তব্য করেছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ আবার কড়া ভাষায় রণবীরের ফ্যাশন সেন্স নিয়েও সমালোচনা করেছেন। রণবীরের জোড়াতালির শার্ট নিয়ে হাসি-তামাশা চললেও দাম জানলে অনেকে ভড়কে যেতে পারেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শার্টটি তৈরি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ড কিথ। দেশটির লস অ্যাঞ্জেলেসে তৈরি হয়েছে এটি। এ ব্র্যান্ডের অফিশিয়াল ওয়েব সাইটে বলা হয়েছে, শার্টটি তৈরিতে সুতি কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে। স্প্লিট সাইড সেলাই, ক্যাঙ্গারু পকেট, ভিনটেজ বোতাম ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় শার্টটির দাম ১ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ টাকা। রণবীর কাপুরের পরবর্তী সিনেমা ‘রামায়ণ’। নীতেশ তিওয়ারি নির্মিত এ সিনেমায় রাম চরিত্রে অভিনয় করছেন। তার বিপরীতে রয়েছেন সাই পল্লবী; সীতা রূপে দেখা যাবে তাকে। রণবীর এ সিনেমার এক পার্টের জন্য ৭৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে জানা যায়। হিন্দি, তামিল, তেলেগু ছাড়া আরো বেশ কিছু ভাষায় সিনেমাটি মুক্তি পাবে। ২০২৬ সালের দীপাবলিতে সিনেমাটির প্রথম পার্ট মুক্তির পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতারা।
সন্তান আছে প্রমাণ করতে পারলে ২৫ লাখ টাকা দেবেন তানজিন তিশা

সন্তান আছে প্রমাণ করতে পারলে ২৫ লাখ টাকা দেবেন তানজিন তিশা সন্তান আছে- এটা প্রমাণ করতে পারলে ২৫ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা। সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই ঘোষণা দেন। সম্প্রতি জায়েদ খানের সঞ্চালনায় একটি টক শোতে অংশ নিয়ে মা হওয়ার ইচ্ছার কথা জানান তানজিন তিশা। তিনি বলেন, ‘আমি মা হতে চাই। ’ এরপর সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর সামাজিকমাধ্যমে তিনটি ছবি প্রকাশ করে দাবি করেন, এগুলো তানজিন তিশার সন্তান ও সাবেক স্বামীর ছবি। জাওয়াদ নির্ঝর ছবিগুলোর ক্যাপশনে লেখেন, ‘সেলিব্রিটি হওয়ার পর মানুষ কী তার গর্ভের সন্তানকেও অস্বীকার করতে পারে? এই ছবিগুলো তিশার মিডিয়ায় আসার আগের। তার সাবেক স্বামী বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন। সেই ঘরে তাদের একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়, যে বর্তমানে ঢাকায় দাদির সঙ্গে থাকে। ’ এর জবাবে শনিবার (৫ জুলাই) রাতে তানজিন তিশা সামাজিকমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে আমার সন্তান আছে, তাকে ২০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫ লাখ টাকা) দেব। ’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা আমার ভাগ্নে-ভাগ্নির ছবি দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করছে, তারা এখন সুবর্ণ সুযোগ পেল। আমার যত লুকানো বাচ্চাকাচ্চা আছে, সবাইকে আমার কাছে পৌঁছে দিলে নগদ ২০ হাজার ডলার পুরস্কার। ’
কাজল-রানীদের ঐতিহ্যবাহী ফিল্মিস্তান স্টুডিও বিক্রি

কাজল-রানীদের ঐতিহ্যবাহী ফিল্মিস্তান স্টুডিও বিক্রি বিক্রি হয়ে গেছে বলিউড ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ ফিল্মিস্তান স্টুডিও। গত ৩ জুলাই, ১৮৩ কোটি রুপিতে এটি কিনে নিয়েছে মুম্বাইভিত্তিক আর্কেড ডেভেলপার লিমিটেড। টাইমস নাউ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৮২ বছর আগে এটি প্রতিষ্ঠা করেন অভিনেত্রী কাজল-রানী মুখার্জির দাদা শশধর মুখার্জি এবং তার শ্যালক প্রয়াত অভিনেতা অশোক কুমার। তাদের সঙ্গে ছিলেন জ্ঞান মুখার্জি ও রাই বাহাদুর চুনীলাল। ১৯৪৩ সালে বম্বে টুকিজ ছেড়ে দেন অশোক কুমার। এরপর এই স্টুডিও তৈরি করেন। সেই সময়ে এই স্টুডিওতে কেবল শুটিং হতো না, বরং প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো সেখানেই পুরো সিনেমা তৈরি করতেন। বছরের পর বছর অভিনেতা-অভিনেত্রীরা মাসিক বেতনের ভিত্তিতে সেখানে কাজ করতেন। এই স্টুডিওর জায়গায় নির্মিত হবে বিলাসবহুল বহুতল ভবন। প্রায় তিন হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে আর্কেড ডেভেলপার লি.। ২০২৬ সালে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ৫০ তলা ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে থাকবে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাওয়ার। স্টুডিওটি বিক্রির খবর প্রকাশ্যে আসার পর, আপত্তি জানিয়েছে ‘অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (এআইসিডব্লিউএ)। এ নিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে সংগঠনটি। এ চিঠিতে বলা হয়েছে, “ফিল্মিস্তান স্টুডিও মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওতে অবস্থিত। ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। ভারতীয় ফিল্ম স্টুডিওর ইতিহাসে এটি সবচেয়ে আইকনিক একটি স্টুডিও। এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ভারতীয় চলচ্চিত্রের উত্থান দেখেছে এবং লাখ লাখ টেকনিশিয়ান, শিল্পী, জুনিয়র শিল্পীদের কর্মক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, এটি আর্কেড ডেভেলপারের কাছে ১৮৩ কোটি রুপিতে বিক্রি করা হয়েছে।” ফিল্মিস্তান স্টুডিওর অবদান ব্যাখ্যা করে চিঠিতে বলা হয়েছে, “ফিল্মিস্তান স্টুডিও সৃজনশীল কাজের ভিত্তি হিসেবে কয়েক দশক ধরে কাজ করেছে। অসংখ্য বলিউড এবং ভারতীয় সিনেমা প্রযোজনার সুযোগ তৈরি করেছে। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়; এটি সিনেমার উত্তরাধিকার, ক্যামেরার পেছনের শ্রমিক শ্রেণির ঘাম এবং কঠোর পরিশ্রমের প্রতীক।” সরকারি হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, “অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন (এআইসিডব্লিউএ), মহারাষ্ট্র সরকারকে এ বিষয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। ঐতিহ্যবাহী ফিল্ম স্টুডিওগুলোকে, বিশেষ করে ফিল্মিস্তানকে রক্ষার জন্য এবং সরকারের অধীনে আনার জন্য একটি জি. আর. জারি করার জন্য আবেদন করছি।” তবে এ নিয়ে এখনো কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি কাজল কিংবা রানী মুখার্জি।
দেশের উন্নতির জন্যই শাকিবের বিদেশি নায়িকা চান না দীপা

দেশের উন্নতির জন্যই শাকিবের বিদেশি নায়িকা চান না দীপা আগামী ঈদুল ফিতরে নতুন সিনেমা নিয়ে হাজির হবেন শাকিব খান। নাম ‘ওয়ানস আপন আ টাইন ইন ঢাকা’। ট্যাগলাইন- ‘আমি কালা’। ঢাকার নব্বই দশকের আন্ডারওয়ার্ল্ডকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিনেমার কাহিনী অনেকটাই সত্য ঘটনা অবলম্বনে। শাকিব অভিনয় করবেন এক সময়ের আলোচিত সন্ত্রাসী কালা জাহাঙ্গীরের চরিত্রে। এ সিনেমার মাধ্যমে ছোট পর্দার জনপ্রিয় নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ পা রাখছেন বড় পর্দায়। সিনেমায় শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করার কথা শোনা যাচ্ছে টলিউডের মধুমিতা সরকারের। আর এই খবর ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অভিনেত্রী দীপা খন্দকার গতকাল এক পোস্টে লিখেছেন, ‘এটা কি যৌথ প্রযোজনার সিনেমা? যদি শুধু বাংলাদেশের হয়, তাহলে আমাদের দেশে কি লিড ফিমেল (নায়িকা) রোল করার মতো কোনো শিল্পী নেই? কেন এমন কাস্টিং হচ্ছে?’ দীপার এই মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তার জবাবেই আজ (৮ জুলাই) মঙ্গলবার অভিনেত্রী আরও একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট করেছেন কেন শাকিবের বিদেশি নায়িকা নিয়ে তার আপত্তি। মূলত দেশের উন্নতির স্বার্থেই তিনি শাকিবের সঙ্গে দেশের নায়িকা চান বলে দাবি করেন। দীপা তার পোস্টে লিখেছেন, ‘জি আমি স্বার্থপর। আমি চাই আমার দেশের উন্নতি হোক। আমার মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির উন্নতি হোক। আর্টিস্টদের লাভ হোক। শাকিব খানের সিনেমা মানেই বিশাল কিছু। সেখানের একটা অংশ কেন আমরা অন্যদের দিয়ে দিব?’ শাকিবের সিনেমায় নারী লিড রোলে বেশি সুযোগ থাকে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যেখানে নারী লিড রোলের সুযোগ খুব বেশি থাকে না। যাও দুই একটা থাকে তা যদি অন্য দেশের আর্টিস্টদের দিয়ে দেয়া হয় তাহলে আমাদের আর্টিস্টদের জন্য কি থাকল? অলরেডি অনেক আর্টিস্টই সিনেমায় প্রমাণিত। চিন্তা ভাবনা বদলাতে হবে। গল্প নির্ভর সিনেমা বানাতে হবে।’ শাকিব খানের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনার ‘ভাইজান এলোরে’ সিনেমায় অভিনয় করেন দীপা খন্দকার।
এয়ারপোর্টে কেন কাঁদছেন নোরা ফাতেহি?

এয়ারপোর্টে কেন কাঁদছেন নোরা ফাতেহি? পরনে কালো রঙের পোশাক। খোলা চুল। চোখে রোদচশমা। হাতে ব্যাগ। এমন লুকে গাড়ি থেকে নেমে বিমানবন্দরের প্রবেশ পথের দিকে এগিয়ে যান অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। কিন্তু চোখে রোদচশমা থাকলেও, চোখের জল আড়াল করতে পারেননি। কাঁদতে কাঁদতে হাঁটতে দেখা যায় তাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বেশ কটি ভিডিও ক্লিপে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এসব ভিডিও এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। দ্য ফ্রি প্রেস জার্নাল জানিয়েছে, রবিবার (৬ জুলাই) বিকালে মুম্বাই এয়ারপোর্টে কাঁদতে দেখা যায় নোরা ফাতেহিকে। এসময় পাপারাজ্জিদের কেউ কেউ ছবি তুলতে এগিয়ে গেলে তাদের সরিয়ে দেন নোরার দেহরক্ষী। তবে কী কারণে এতটা ভেঙে পড়েছেন তার সঠিক কারণ জানা যায়নি। এয়ারপোর্টে নামার কয়েক মিনিট আগে নোরা ফাতেহি তার ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দেন। তাতে এ অভিনেত্রী লেখেন, “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।” কেউ মারা গেলে বা বিপদগ্রস্ত থাকলে মুসলিম ধর্মের অনুসারীরা এটি পাঠ করে থাকেন। ধারণা করা হচ্ছে, নোরা তার পরিবারের কাউকে হারিয়েছেন। নোরা ফাতেহির মা–বাবা দুজনই মরক্কোর। তবে তার জন্ম আর বেড়ে ওঠা কানাডায়। ক্যারিয়ার গড়েছেন ভারতে। যদিও নিজেকে মরোক্কান হিসেবে পরিচয় দিতেই ভালোবাসেন এই অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী। ‘বিগ বস’ রিয়েলিটি শোয়ের মাধ্যমে ভারতীয় শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন নোরা। তেলেগু ভাষার ‘টেম্পার’, ‘বাহুবলি: দ্য বিগিনিং’, ‘কিক টু’, বলিউডের ‘সত্যমেভ জয়তে’, ‘স্ট্রিট ড্যান্সার থ্রিডি’ সিনেমার গানে নেচে বিশেষ পরিচিত লাভ করেন তিনি। শুধু বড় পর্দায়ই নয়, ছোট পর্দা এবং মিউজিক ভিডিওতেও সমান জনপ্রিয় তিনি। ‘ঝলক দিখলা যা’, ‘কমেডি নাইটস’, ‘এমটিভি ট্রল পুলিশ’সহ বেশ কিছু রিয়েলিটি শোয়ে পারফরর্ম করেও নজর কাড়েন তিনি।