কিয়ারা-সিদ্ধার্থের ঘরে এলো কন্যা সন্তান

কিয়ারা-সিদ্ধার্থের ঘরে এলো কন্যা সন্তান বাবা-মা হলেন বলিউডের তারকা দম্পতি কিয়ারা আদভানি ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। মঙ্গলবার বিকেলে (১৫ জুলাই) কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কিয়ারা। মা ও নবজাতক সুস্থ রয়েছেন। মুম্বাইয়ের স্যার এইচ. এন. রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন কিয়ারা আদভানি। এ হাসপাতালে কিয়ারার নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। তবে রাতের দিকে খবরটি সামনে আসে। বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ইনস্টাগ্রামে যৌথভাবে একটি বিবৃতি দিয়েছেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। তাতে এই দম্পতি লেখেন, আশীর্বাদ হিসেবে আমরা একটি কন্যাসন্তান পেয়েছি। আমাদের হৃদয় এখন পরিপূর্ণ। আজীবনের জন্য আমাদের জীবন বদলে গেল। এরপর থেকে ভক্ত-অনুরাগী ও সহকর্মীদের শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। ‘শেরশাহ’ সিনেমার শুটিং সেট থেকেই প্রেমের সম্পর্কে জড়ান সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। তারপর এ জুটির প্রেম-বিয়ে নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমীরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা।
ভারতীয় সিনেমায় জয়া, ঘোর আপত্তি জুঁই বিশ্বাসের

ভারতীয় সিনেমায় জয়া, ঘোর আপত্তি জুঁই বিশ্বাসের দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ওপারেও নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। বাংলাদেশের অনেক তারকাই এখন কলকাতার সিনেমা, ওয়েব সিরিজে কাজ করছেন। তবে জয়া আহসান সেখানে অনেকটা ব্যতিক্রম। ভারতীয় বাংলা সিনেমার গণ্ডি পেরিয়ে বলিউডেও কাজ করছেন এই অভিনেত্রী। ভারতীয় সিনেমায় বাংলাদেশি শিল্পীদের কাজ করা নিয়ে আপত্তি তুলেছেন কলকাতা পৌর করপোরেশনের নারী কাউন্সিল জুঁই বিশ্বাস। বিশেষ করে জয়া আহসানের কাজ নিয়ে ঘোর আপত্তি জানিয়েছেন। জুঁই অভিনেত্রী না হলেও শোবিজ অঙ্গনে পরিচিত মুখ। এই অঙ্গনের তারকাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) জুঁই তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। তাতে জয়ার কাজ করা নিয়ে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন। জুঁই বলেন, “আমরা পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা কী জেগে ঘুমিয়ে আছি? আমাদের শিল্পী, কলাকুশলী, ইভেন্ট অর্গানাইজাররা বাংলাদেশে কাজ করতে পারছেন না, আটক করে রাখা হচ্ছে, অথচ জয়া আহসানকে ভারতে রেড কার্পেট দিয়ে অভিনয়ের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের কোনো শিল্পীর কি প্রতিভা নেই, জয়া যে চরিত্রটি করেছেন সেখানে অভিনয় করার মতো? কেন ভারতীয় জাদুঘরে তার মিউজিক অ্যালবাম রিলিজ হয়?” জুঁইয়ের এই বক্তব্য নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো খবরও প্রকাশ করেছে। বুধবার (১৬ জুলাই) সকালে জুঁই তার ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাস দেন। এতে জুঁই বলেন, “এটি সত্যি যে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীরা বাংলাদেশে কাজ করতে গেলে প্রশাসনিক জটিলতা, ভিসা জট বা এমনকি ডিটেনশন-এর মতো ঘটনাও ঘটছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক ও দুশ্চিন্তার বিষয়। যদি দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান হয়, তাহলে সেটা দুই-পক্ষের হওয়া উচিত—না যে এক তরফা উদারতা দেখাতে হবে, না এক তরফা বন্ধুত্ব মেনে নিতে হবে।” উদাহরণ হিসেবে আবারো জয়া আহসানকে টেনে আনেন জুঁই বিশ্বাস। তার ভাষায়, “বাংলাদেশ যদি ভারতীয় শিল্পীদের জন্য সুযোগ সীমিত করে রাখে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে, ভারত কেন বাংলাদেশি শিল্পীদের জন্য দরজা খোলা রাখছে? জয়া আহসান নিঃসন্দেহে একজন প্রতিভাবান অভিনেত্রী, কিন্তু প্রশ্নটা প্রতিভার নয়—প্রশ্নটা ন্যায়বিচার ও ভারসাম্যের। যখন ভারতীয় শিল্পীরা সীমাবদ্ধতায় ভোগেন, অথচ বাংলাদেশি শিল্পীরা এখানে বড় সুযোগ পান, তখন তা সবার চোখে বৈষম্য বলে মনে হয়।” প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে জুঁই বিশ্বাস বলেন, “এখানে পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা কি সেই চরিত্রগুলো করতে অক্ষম? অবশ্যই না। তাহলে বারবার বিদেশি শিল্পীদের এমন ‘বাড়তি’ গুরুত্ব দেওয়ার যুক্তি কী? প্রযোজক-পরিচালকরা দেশ বিরোধী কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা উচিৎ নয় কি? যেকোনো শিল্পচর্চা অবশ্যই মুক্ত হওয়া উচিত। কিন্তু তার মধ্যে দেশীয় শিল্পীদের সুযোগ দেওয়াটাও দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। যখন তাদের কাজের সুযোগ বিদেশি শিল্পীদের দিয়ে দেওয়া হয় (যেখানে সেই দেশ ভারতীয় শিল্পীদের আটকে দেয়), তখন সেটি দায়বদ্ধতার অভাব বলেই মনে হয়।” প্রতীকী সহযোগিতা নয়, স্থায়ী নীতিগত অবস্থান দরকার বলে মনে করেন জুঁই। তার মতে, “যদি পাকিস্তানি শিল্পীদের ভারত নিষিদ্ধ করে, তাহলে বাংলাদেশি শিল্পীদের জন্য শর্তহীন মঞ্চ কেন? একতরফা সংস্কৃতিক দান কি আর রাজনীতি বা কূটনীতিতে কার্যকর? এটি নিছকই অর্থনৈতিক ক্ষতির প্রশ্ন নয়। এটি একটি ‘সফট পাওয়ার’ বা সাংস্কৃতিক ক্ষমতার প্রশ্ন। যখন ভারতের শিল্পীরা অন্য দেশের বাজারে প্রবেশ করতে পারে না, অথচ বিপরীতে সেই দেশের শিল্পীরা ভারতে ব্যবসা, সম্মান এবং সুযোগ পান, তখন এটা কেবল ‘বাণিজ্য’ নয়—ভারসাম্যহীনতা ও আত্মমর্যাদার প্রশ্ন। আমরা উদারতা দেখাচ্ছি—কিন্তু তার মূল্য দিচ্ছে নিজেরাই। উদারতা কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি দিক হতে পারে, কিন্তু তার ভিত্তি হওয়া উচিত পারস্পরিকতা। বন্ধুত্ব কাঁধে কাঁধ রেখে চলে, হাঁটু গেড়ে নয়।”
মারা গেছেন বরেণ্য অভিনেতা-প্রযোজক ধীরাজ কুমার

মারা গেছেন বরেণ্য অভিনেতা-প্রযোজক ধীরাজ কুমার বরেণ্য অভিনেতা-প্রযোজক ধীরাজ কুমার মারা গেছেন। আজ মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। এনডিটিভি এ খবর প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ১২ জুলাই শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার সমস্যা নিয়ে মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে ভর্তি হন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। পরবর্তীতে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয় এই অভিনেতাকে। সেখানে মারা যান এই অভিনেতা। রাজেশ খান্না এবং সুভাষ ঘাইয়ের সঙ্গে ক্যারিয়ার শুরু করেন ধীরাজ কুমার। ১৯৬৫ সালে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন। বহু বছর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরাজ নিজের জায়গা তৈরি করেন। ১৯৭০ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত ২১টি পাঞ্জাবি সিনেমায় অভিনয় করেন। এরপর টেলিভিশন প্রযোজনার কাজ শুরু করেন তিনি। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম ক্রিয়েটিভ আই। পাঞ্জাবি ছাড়াও বলিউডের বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায় কাজ করেছেন ধীরাজ কুমার। এ তালিকায় রয়েছে— ‘রতন কা রাজা’, ‘হীরা পান্না’, ‘রোটি কাপড়া অর মাকান’, ‘সরগম’, ‘ক্রান্তি’ প্রভৃতি।
এই সম্মান মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মনে থাকবে: আনোয়ারা

এই সম্মান মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মনে থাকবে: আনোয়ারা নিজের দীর্ঘ অভিনয় জীবনের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন চলচ্চিত্রের মমতাময়ী মা’খ্যাত কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম। চোখের জলে ভিজেই নিজের ক্যারিয়ারের নানা গল্প শোনালেন প্রখ্যাত এই অভিনেত্রী। এসময় তিনি বলেন, বাচসাস আমার অনেক আপন। অনেক আগে থেকেই বাচসাসের সঙ্গে পরিচয়। বাচসাসকে আমি ভালোবাসি, সম্মান ও শ্রদ্ধা করি। এই আয়োজনে হাজির হয়ে আমার যে চোখের পানি ঝরেছে তা গ্লিসারিন নয়, শ্রদ্ধা আর সম্মানে এই পানি। বাচসাস আমাকে যে সম্মান দিয়েছে তা কখনো ভুলবো না। এই সম্মান আমার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মনে থাকবে। ’ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এমন আবেগঘন দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে আগত সাংবাদিকদের চোখও এসময় আবেগের জলে ভিজে যায়। পিনপতন নীরবতায় আয়োজনের পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে কিছু সময়ের জন্য। শুরুতেই গুণী এই অভিনেত্রীকে বাচসাস থেকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। দোয়েল ওটিটির সহযোগিতায় সোমবার বিকেলে মগবাজারস্থ বাচসাস কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় নিয়মিত ‘মিট দ্য প্রেস’-এর প্রথম পর্ব। সংগঠনের সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণের সভাপতিত্বে এই আয়োজনের সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রাহাত সাইফুল। বাচসাস’র সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ বলেন, বাচসাস এই প্রথম ‘মিট দ্য প্রেস’-এর আয়োজন করেছে। আনোয়ারার মতো কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে দিয়ে ধারাবাহিক এই আয়োজনের পথচলা শুরু করতে পেরে বাচসাস আনন্দিত। এখন থেকে নিয়মিত চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও সংগীতের তারকাশিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে ‘মিট দ্য প্রেস’-এর আয়োজন করা হবে। তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার ও সমসাময়িক প্রসঙ্গে কথা বলবেন। এই আয়োজনে সহযোগিতা করছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দোয়েল। বাচসাস তার প্রতি কৃতজ্ঞ। সম্পাদক রাহাত সাইফুল বলেন, বাচসাস কার্যালয়ে এই প্রথমবার ‘মিট দ্য প্রেস’-এর আয়োজন করা হয়। কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতা, সাংবাদিক সহকর্মী ও বাচসাস পরিবারের সদস্যদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি আমাদের এই আয়োজনকে আরও সমৃদ্ধ করেছে-আমরা সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। আনোয়ারা শুধু একজন অভিনেত্রী নন, তিনি আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক জীবন্ত অধ্যায়। তার চোখের জল ছিল আমাদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতীক। এই আবেগই আমাদের আগামী পথচলার প্রেরণা হয়ে থাকবে। সবশেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন খ্যাতিমান এই অভিনেত্রী। তিনি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে মঞ্চ, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিজীবনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা কন্যা জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। উপস্থিত ছিলেন বাচসাস-এর সহ-সভাপতি লিটন রহমান, সালাম মাহমুদ, অর্থ সম্পাদক রুহুল সাখাওয়াত, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মতিহার, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন ভূঁইয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য হাফিজ রহমান, পান্থ আফজাল, নিয়াজ মোর্শেদ শুভ এবং বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকরা। বলা দরকার, ছয় শতাধিক চলচ্চিত্রের নন্দিত এই অভিনেত্রী অনবদ্য অভিনয়ের সুবাদে ৪ বার বাচসাস পুরস্কার পেয়েছেন। মা (১৯৭৭), গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮), কসাই (১৯৮০), লাল কাজল (১৯৮২) সিনেমার জন্য তিনি পুরস্কৃত হয়েছিলেন।
বুলবুল আহমেদকে হারানোর দেড় দশক

বুলবুল আহমেদকে হারানোর দেড় দশক ২০১০ সালের আজকের দিনে না-ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক বুলবুল আহমেদ। আজ তাঁর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। বুলবুল আহমেদের আসল নাম তাবাররুক আহমেদ। মা-বাবা আদর করে ডাকতেন বুলবুল। ‘ইয়ে করে বিয়ে’ (১৯৭৩) ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক হয়। ‘দেবদাস’, ‘সূর্য কন্যা’, ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রূপালী সৈকতে’, ‘মোহনা’, ‘মহানায়ক’সহ বহু ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। পেয়েছেন চারবার জাতীয় পুরস্কারও। টিভিতে ‘এই সব দিনরাত্রি’, ‘বরফ গলা নদী’সহ বহু একক ও ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেছেন।
‘কন্যা’ পর কনার নতুন ধামাকা ‘সোনা জান’

‘কন্যা’ পর কনার নতুন ধামাকা ‘সোনা জান’ সবশেষ ‘কন্যা’ গান দিয়ে শ্রোতাদের মনে দোলা দিয়েছেন সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা। ভক্তদের জন্য সুখবর হলো এবার আরেকটা ধামাকা নিয়ে এসেছেন এই গায়িকা। কনার এবারের গানের শিরোনাম ‘সোনা জান’। ‘কন্যা’র পর এটিরও কথা লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আদিব কবির। রোববার (১৩ জুলাই) বিকালে গানটি প্রকাশ পেয়েছে ভিডিও আকারে। যেখানে রোমান্স করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় দুই অভিনয়শিল্পী অলিভিয়া সরকার ও অমিত পাল। বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে এটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন মোহন ইসলাম। কোরিওগ্রাফি করেছেন রোহান বেলাল। ট্রেন্ডি কথা-সুর ও ভরপুর ভালোবাসা সাজানো গান-ভিডিওটি তৈরি হয়েছে কেএম মিউজিকের ব্যানারে। প্রযোজনা করেছেন মাহামুদুল হাসান শোভন। গানটি প্রসঙ্গে শোভন বলেন, কনা আপু আমার খুব পছন্দের একজন গায়িকা। রবিউল ইসলাম জীবন ভাই এবং আদিব কবিরের কাজেরও ভক্ত আমি। সব মিলিয়ে তাদের নিয়ে কাজটি করা। গানটির মাধ্যমে আমরা শ্রোতা-দর্শকদের বিনোদন দিতে চেয়েছি। সবার ভালো লাগবে বিশ্বাস। তিনি বলেন, এই গানের ভিডিওতে অভিনয় করা দুজনই কলকাতার। বিশেষ করে অলিভিয়া সরকার স্টার জলশার অনেক পরিচিত মুখ। কয়েকটি সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজও করেছেন। দুই বাংলার শ্রোতাদের কথা মাথায় রেখেই কাজটি করা। গানটি উন্মুক্ত করা হয়েছে ইউটিউবে ‘কেএম মিউজিক’ চ্যানেলে।
স্বামীর নামে ‘প্রেম তালা’ লাগালেন মেহজাবীন

স্বামীর নামে ‘প্রেম তালা’ লাগালেন মেহজাবীন দেশের আলোচিত তারকা দম্পতি মেহজাবীন চৌধুরী ও নির্মাতা আদনান আল রাজীব। এক যুগের বেশি সময় সম্পর্কে ছিলেন তারা। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন এই তারকা জুটি। এবার মেহজাবীন নিজদের ভালোবাসাকে তালাবন্দী করলেন, যেন এই ভালোবাসার তালা কখনোই খুলে না যায়। কেননা তালার চাবি কখনোই খুঁজে পাওয়া যাবে না, চাবি পড়ে রয়েছে নদীর তলদেশে। ফ্রান্সের একটি নদীর ব্রিজে নিজের ও স্বামী আদনান আল রাজীবের নাম লিখে তালা লাগিয়েছেন মেহজাবীন। সেই তালার চাবি ফেলে দিয়েছেন নদীতে। এরই কয়েকটি ছবি সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। ক্যাপশনে লিখেছেন লক। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের এই সেতুর রেলিং-এ প্রেমিক-প্রেমিকারা তাদের ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে তালা লাগিয়ে দেন। সাইন নদীর উপর ‘পঁ দে আর্টস’ সেতুতে ‘প্রেম তালা’ লাগিয়ে চাবি নদীতে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া পর্যটকদের মধ্যে এক ধরনের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। এই সেতুতেই তালা লাগিয়েছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। মেহজাবীন কখন এই তালা লাগিয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। কেননা সম্প্রতি তিনি ইউরোপ ভ্রমণের ছবি পোস্ট করছেন। একদিন ইতালির মিলান শহরে ঘোরার ছবি পোস্ট করেছেন। তার আগে দিলেন সুইজ্যারল্যান্ডে ঘোরার ছবি। কিছুদিন আগে কান চলচ্চিত্র উৎসবে গিয়েছিলেন, এই ভ্রমণ তখনকার নাকি, জানা যায়নি। যতবে ‘প্রেম তালা’ লাগিয়ে দেওয়ার পর ভক্তরাও আশা প্রকাশ করছেন এই তালা যেন কখনোই না খোলে, আর ভাঙতেও না হয়।
দেশ ছাড়লেন শাকিব খান!

দেশ ছাড়লেন শাকিব খান! ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’ সিনেমা ঈদুল আজহায় মুক্তির পর দেশজুড়ে সাড়া ফেলেছিল। এবার সিনেমাটির আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র দিয়ে। পরিচালক রায়হান রাফীর অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার সিনেমাটি ইতোমধ্যে হিউস্টন, ক্যালিফোর্নিয়া, বোস্টন, অরল্যান্ডো, স্যাক্রামেন্টোসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১০টি শহরের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির দুই দিন পরই দেশ ছেড়েছেন ঢালিউডের এই মেগাস্টার। শনিবার (১৩ জুলাই) রাতে বিমানের ভেতর তোলা নিজের একটি ছবি শেয়ার করে শাকিব লেখেন, “রোমাঞ্চকর যাত্রা শুরু হোক!” ছবিতে দেখা যায়, সাদা টি-শার্ট, চোখে সানগ্লাস, মাথায় ‘লুলুলেমন’ ব্র্যান্ডের ক্যাপ—জানালার পাশে বসে আছেন তিনি। যদিও পোস্টে সফরের নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি, তবে ধারণা করা হচ্ছে, ‘তাণ্ডব’-এর প্রিমিয়ার শো এবং প্রবাসী দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি ছবি দেখা-সংক্রান্ত আয়োজনে অংশ নিতে তার এই সফর। এদিকে, শাকিব খানকে ঘিরে আরেকটি নতুন গুঞ্জন ছড়িয়েছে। শোনা যাচ্ছে, নব্বইয়ের দশকের কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন ‘কালা জাহাঙ্গীর’-এর জীবনী নিয়ে একটি সিনেমা নির্মাণ হতে যাচ্ছে, সিনেমাটির নাম ভূমিকায় দেখা যেতে পারে শাকিব খানকে। আগামী ঈদে মুক্তির লক্ষ্যে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি।
আজ ‘হাসির রাজা’খ্যাত দিলদারের মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ‘হাসির রাজা’খ্যাত দিলদারের মৃত্যুবার্ষিকী সিনেমার দুঃখ ভোলানো মানুষ তিনি। পর্দায় তাকে দেখে হাসবেন না এমন দর্শক পাওয়া কঠিন। যতক্ষণ তিনি অভিনয় করবেন, ততক্ষণই মুগ্ধ হয়ে সবাই শুধু তাকেই দেখবেন। দেশীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে দিলদারের তুলনা তিনি নিজেই। ঢাকাই চলচ্চিত্রের ‘হাসির রাজা’খ্যাত এই অভিনেতার মৃত্যুবার্ষিকী রোববার (১৩ জুলাই)। দেখতে দেখতে কেটে গেল ২২টি বছর, দিলদার নেই। ২০০৩ সালের এই দিনে ৫৮ বছর বয়সে তিনি জীবনের মায়া কাটিয়ে চিরদিনের মতো পৃথিবী ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী রোকেয়া বেগম এবং মাসুমা আক্তার ও জিনিয়া আফরোজ নামে দুই কন্যাসন্তান রেখে গেছেন। দিলদারের জন্ম ১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুরে। এসএসসি পাস করার পর পড়াশোনা বাদ দিয়ে দেন এই অভিনেতা। ১৯৭২ সালে ‘কেন এমন হয়’ নামের সিনেমা দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন দিলদার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। দুর্দান্ত অভিনয় দিয়ে হয়ে ওঠেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা। দিলদারের তুমুল জনপ্রিয়তা দেখে তাকে নায়ক করে নির্মাণ করা হয়েছিল ‘আব্দুল্লাহ’ সিনেমা। এটি দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। এতে দিলদারের নায়িকা ছিলেন নূতন। চলচ্চিত্রে সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি উপহার দিয়ে গেছেন- ‘বেদের মেয়ে জোসনা’, ‘বিক্ষোভ’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘কন্যাদান’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘শুধু তুমি’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘অজান্তে’, ‘প্রিয়জন’, ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’, ‘নাচনেওয়ালী’সহ আরও অনেক জনপ্রিয় সিনেমা। দিলদার সেরা কৌতুক অভিনেতা হিসেবে ২০০৩ সালে ‘তুমি শুধু আমার’ সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হন।
অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে শহীদ মিনারে কনসার্ট ও ড্রোন শো

অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে শহীদ মিনারে কনসার্ট ও ড্রোন শো ২০২৪ এর ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে আগামী ১৪ জুলাই সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, কনসার্ট ও ড্রোন শো প্রদর্শিত হবে। অনুষ্ঠান ‘জুলাই ওমেন’, ‘দীপক কুমার গোস্বামী’, ‘জুলাই বিষাদ সিন্ধু’, ‘জুলাই বীরগাঁথা’ চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শনী ও শহীদ পরিবারের স্মৃতিচারণের পর উইমেন ডে কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করবেন সায়ান, ইলা লালা, এফ মাইনর, পারসা মাহজাবিন ও এলিটা করিম। রাত ১০ টায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে প্রদর্শিত হবে ড্রোন শো।