নায়ক আলমগীরের নামে ভুয়া আইডি, সতর্ক করলেন মেয়ে আঁখি

নায়ক আলমগীরের নামে ভুয়া আইডি, সতর্ক করলেন মেয়ে আঁখি ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক আলমগীর। এখনকার সময়ের তারকাদের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন না তিনি। তবে তার কোনো অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইল না থাকলেও রয়েছে অসংখ্য সক্রিয় ভুয়া আইডি ও ফ্যান গ্রুপ। আর বিষয়টি নিয়ে খোলাখুলি সতর্ক করেছেন তার মেয়ে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর। ‘নায়ক আলমগীর ফ্যানস ক্লাব’ নামের একটি ফেসবুক পেজে বর্তমানে সাড়ে ছয় লাখের বেশি অনুসারী আছে। কিন্তু এই পেজের সঙ্গে আলমগীরের কোনো সম্পর্ক নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন আঁখি। সম্প্রতি নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘এসব বন্ধ করেন। আপনারা কারা ফ্যান ক্লাব চালান জানি না, তবে কার নাম দিয়ে চালাচ্ছেন, তা একটু বুঝে পোস্টগুলো করবেন এরপর থেকে। তার বিশালতা যদি অনুধাবন করতে না পারেন, তবে তার নামে ফ্যান পেজ চালাবেন না দয়া করে। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন আঁখি। তার ভাষায়, ‘চিত্রনায়ক আলমগীর ফেসবুক ব্যবহার করেন না। ভুয়া আইডি কিংবা পেজের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সংগীতশিল্পী আরও জানান, এসব ভুয়া আইডি ও পেজ থেকে নানা পোস্ট করা হয়, এমনকি তাকেও মাঝে মাঝে ট্যাগ করা হয়। আঁখির মতে, কিছু কিংবদন্তি শিল্পীদের অন্তত এ ধরনের অপব্যবহার থেকে মুক্ত রাখা জরুরি। তার কথায়, ‘আমার বাবা, শাবানা আন্টি, ববিতা আন্টি, তারা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তাদের প্রচারের আর প্রয়োজন নেই। তারা প্রচারের ঊর্ধ্বে। তবে এ বিষয়ে সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ করার ইচ্ছে নেই বলে জানান আঁখি। বলেছেন, ‘এ নিয়ে সত্যি বলতে সময় নেই। আব্বুরও নেই। এত পেজ আছে যে, একটা বন্ধ হলেও আবার অন্য পেজ খোলা হয়। তাই অভিযোগ না করে সবাইকে সতর্ক করাই শ্রেয় মনে করেছি।

বাসার গুলি দিশা পাটানির

বাসার গুলি দিশা পাটানির বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানির বরেলিতে পৈতৃক বাড়িতে গুলি চালিয়েছে দুর্বৃত্বরা। শুক্রবার মোটরসাইকেলে আসা দুই যুবক গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এসময় দিশা পাটানির বাবা অবসরপ্রাপ্ত ডিএসপি জগদীশ সিং পাটানি, মা ও বড় বোন খুশবু বাসভবনে ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ এবং ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বাড়ির বাইরে থেকে একাধিক খালি কার্তুজ উদ্ধার করে। দিশার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। সিনিয়র পুলিশ সুপার (এসএসপি) অনুরাগ আর্য জানিয়েছেন, আমরা মামলাটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে স্থানান্তর করেছি। গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রার সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার দায় স্বীকার করার পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। গোল্ডি ব্রারের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।এদিকে রোহিত গোদারা-গোল্ডি ব্রার চক্র ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। সেখানে দাবি করা হ, দিশা ও তার বোন নাকি আধ্যাত্মিক গুরু প্রেমানন্দ মহারাজ ও অনিরুদ্ধাচার্য মহারাজকে অসম্মান করেছেন। এর জবাবেই হামলা চালানো হয়েছে। পোস্টে আরও হুমকি দেওয়া হয়েছে, ‘এটা শুধু ট্রেলার। পরেরবার যদি কেউ আমাদের ধর্মকে অসম্মান করে, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। চক্রটির বক্তব্য, ‘ধর্ম ও সমাজ আমাদের কাছে অভিন্ন। এগুলো রক্ষার জন্য আমরা যেকোনো পর্যায়ে যেতে প্রস্তুত। পোস্টটিতে আরও বেশ কয়েকটি অপরাধী গোষ্ঠীর নাম ট্যাগ করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে মনু গ্রুপ, এপি গ্রুপ, কালা রানা, নরেশ শেঠি, টিনু হরিয়ানা ও অমরজিৎ বিষ্ণোই। সতর্কবার্তায় স্পষ্ট বলা হয়, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করলে, তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। গত কয়েক দিনে খুশবু পাটানি সামাজিক মাধ্যমে ধর্মীয় নেতাদের বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা করেন-তাই এটিকে ঘটনায় কনটেক্সট হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে প্রাথমিকভাবে মেটাতে তদন্তই নির্ধারক হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সূত্র: ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস।

সিরাজউদ্দৌলা বাংলা সিনেমার ‘নবাব’ আনোয়ার হোসেনকে মনে পড়ে

সিরাজউদ্দৌলা বাংলা সিনেমার ‘নবাব’ আনোয়ার হোসেনকে মনে পড়ে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অনন্য নাম আনোয়ার হোসেন। তাকে বলা হয় ‘বাংলার মুকুটহীন নবাব’। আজ ১৩ সেপ্টেম্বর, এই কিংবদন্তি অভিনেতার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৩ সালের এই দিনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সময়ের আবর্তে হারিয়ে গেলেও তিনি এখনো বেঁচে আছেন ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’র মতো চরিত্রে, তার শক্তিশালী অভিনয়ে। খান আতার পরিচালনায় ১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ঐতিহাসিক ছবি ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’-তে নাম ভূমিকায় দাপুটে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি হয়ে ওঠেন দর্শকের প্রিয় অভিনেতা ও দেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক মাইলফলক। এই একটি চরিত্রই তাকে এনে দেয় ‘নবাব’ উপাধি। কিংবদন্তি এই অভিনেতা অভিনয় করেছেন প্রায় পাঁচ শতাধিক সিনেমায়। তার দীর্ঘ ৫১ বছরের অভিনয়জীবনে একের পর এক কালজয়ী চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন। ১৯৫৮ সালে ‘তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হলেও তার প্রকৃত উত্থান ষাটের দশকের মাঝামাঝিতে। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’, ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, ‘লাঠিয়াল’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘নয়নতারা’, ‘ভাত দে’, ‘কাঁচের দেয়াল’, ‘জীবন থেকে নেওয়া’, ‘ধীরে বহে মেঘনা’, ‘রংবাজ’, ‘সূর্যস্নান’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় ও দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্র। ১৯৭৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত হন ‘লাঠিয়াল’ ছবির জন্য। ১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ছবিতে সহ-অভিনেতার পুরস্কার এবং ২০১০ সালে আজীবন সম্মাননা পান। আনোয়ার হোসেন ১৯৩১ সালের ৬ নভেম্বর জামালপুরের সরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ঝোঁক ছিল। স্কুলজীবনে প্রথম মঞ্চে অভিনয় করেন আসকার ইবনে সাইকের নাটকে। ঢাকায় আসেন ১৯৫৭ সালে এবং পরে নাসিমা খানমকে বিয়ে করেন। তবে কালের পরিক্রমায় এই কিংবদন্তি শিল্পীকে আজ চলচ্চিত্র সমাজ অনেকটাই ভুলে গেছে। তার জন্মদিন, মৃত্যুবার্ষিকী সবই কাটে কোনো আয়োজন ছাড়া।

সংগীতাঙ্গনের অমূল্য রত্ন ফরিদা পারভীনের অবস্থা সংকটাপন্ন

সংগীতাঙ্গনের অমূল্য রত্ন ফরিদা পারভীনের অবস্থা সংকটাপন্ন বাংলা সংগীতাঙ্গনের অমূল্য রত্ন, লালন সংগীতের মহীরুহ ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে আছেন তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে এই কিংবদন্তি শিল্পীকে। শনিবার ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে ফরিদা পারভীনের মেয়ে জিহান ফারিহা সাংবাদিকদের বলেছেন, “আম্মার অবস্থা আগের থেকে অনেক খারাপ। তাকে জেনারেশন ফোর মেডিসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। ছয় সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ডাক্তাররা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, শিল্পীর বড় ছেলে ইমাম জাফর নুমানী বৃহস্পতিবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “গত বুধবার বিকেল থেকে আম্মাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে, ব্লাড প্রেশারও নেই। ডাক্তাররা কৃত্রিমভাবে তার শ্বাস-প্রশ্বাস ও রক্তচাপ চালু রাখছেন। তবে, দুঃখজনক হলেও সত্যি, উন্নতির সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। ফরিদা পারভীনের পরিবারের সদস্যরা আরো জানিয়েছেন, সরকারের কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়মিত খোঁজ-খবর নিচ্ছে। তবে, চিকিৎসার জন্য কোনো আর্থিক বা অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন নেই। পরিবারের একটাই অনুরোধ সবাই যেন ফরিদা পারভীনের জন্য দোয়া করেন। ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী বলেছেন, “ফরিদা পারভীন এখন লাইফ সাপোর্টে আছেন। তার কিডনি, মস্তিষ্ক কাজ করছে না, ফুসফুসে জটিলতা দেখা দিয়েছে। হৃদযন্ত্রে অনিয়মিত স্পন্দন আছে, রক্তের সংক্রমণ পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে তিনি মাল্টি অর্গান ফেইলিউরে ভুগছেন। রক্তচাপ অত্যন্ত কম থাকায় ডায়ালাইসিস সম্ভব হয়নি। তাকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে। ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর বোঝা যাবে, অবস্থা কোন দিকে যাবে। চলতি বছরের শুরুতেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল ফরিদা পারভীনকে। চিকিৎসা শেষে বাসায় ফেরেন। আবারও গত ৫ জুলাই গুরুতর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে আইসিইউতে চিকিৎসা নিতে হয় তাকে। কিছুটা সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলেও নিয়মিত রুটিন চিকিৎসা চলছিল। গত বুধবার থেকে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হয়। ক্যারিয়ারের শুরুতে দেশাত্মবোধক গান গাইলেও লালন সংগীতের মাধ্যমেই গড়ে ওঠে ফরিদা পারভীনের নিজস্ব পরিচয়। গুরুদের সাহচর্যে তিনি লালনের গানকে হৃদয়ের গভীরতা দিয়ে উপলব্ধি করেছেন এবং সেই আবেগেই গেয়েছেন ‘মিলন হবে কত দিনে’, ‘অচিন পাখি’সহ অসংখ্য কালজয়ী গান। ১৯৭৮ সালে সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক পান ফরিদা পারভীন। পরে জাপান সরকার তাকে সম্মানিত করে কুফুওয়া এশিয়ান কালচারাল পদক দিয়ে। দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেছেন তিনি। কেবল গানের মঞ্চেই নয়, লালন সংগীতকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘অচিন পাখি স্কুল’, যেখানে শিশু-কিশোরদের শেখানো হয় লালনের আধ্যাত্মিক দর্শন ও সংগীত।

অবস্থা সংকটাপন্ন, ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে ফরিদা পারভীন

অবস্থা সংকটাপন্ন, ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে ফরিদা পারভীন বাংলা সংগীতাঙ্গনের অমূল্য রত্ন, লালন সংগীতের মহীরুহ ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে আছেন তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে এই কিংবদন্তি শিল্পীকে। আজ দুপুরে ফরিদা পারভীনের মেয়ে জিহান ফারিহা সাংবাদিকদের বলেছেন, “আম্মার অবস্থা আগের থেকে অনেক খারাপ। তাকে জেনারেশন ফোর মেডিসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। ছয় সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ডাক্তাররা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।” অন্যদিকে, শিল্পীর বড় ছেলে ইমাম জাফর নুমানী বৃহস্পতিবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “গত বুধবার বিকেল থেকে আম্মাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে, ব্লাড প্রেশারও নেই। ডাক্তাররা কৃত্রিমভাবে তার শ্বাস-প্রশ্বাস ও রক্তচাপ চালু রাখছেন। তবে, দুঃখজনক হলেও সত্যি, উন্নতির সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।” ফরিদা পারভীনের পরিবারের সদস্যরা আরো জানিয়েছেন, সরকারের কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়মিত খোঁজ-খবর নিচ্ছে। তবে, চিকিৎসার জন্য কোনো আর্থিক বা অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন নেই। পরিবারের একটাই অনুরোধ— সবাই যেন ফরিদা পারভীনের জন্য দোয়া করেন। ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী বলেছেন, “ফরিদা পারভীন এখন লাইফ সাপোর্টে আছেন। তার কিডনি, মস্তিষ্ক কাজ করছে না, ফুসফুসে জটিলতা দেখা দিয়েছে। হৃদযন্ত্রে অনিয়মিত স্পন্দন আছে, রক্তের সংক্রমণ পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে তিনি মাল্টি অর্গান ফেইলিউরে ভুগছেন। রক্তচাপ অত্যন্ত কম থাকায় ডায়ালাইসিস সম্ভব হয়নি। তাকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে। ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর বোঝা যাবে, অবস্থা কোন দিকে যাবে।” চলতি বছরের শুরুতেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল ফরিদা পারভীনকে। চিকিৎসা শেষে বাসায় ফেরেন। আবারও গত ৫ জুলাই গুরুতর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে আইসিইউতে চিকিৎসা নিতে হয় তাকে। কিছুটা সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলেও নিয়মিত রুটিন চিকিৎসা চলছিল। গত বুধবার থেকে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হয়। ক্যারিয়ারের শুরুতে দেশাত্মবোধক গান গাইলেও লালন সংগীতের মাধ্যমেই গড়ে ওঠে ফরিদা পারভীনের নিজস্ব পরিচয়। গুরুদের সাহচর্যে তিনি লালনের গানকে হৃদয়ের গভীরতা দিয়ে উপলব্ধি করেছেন এবং সেই আবেগেই গেয়েছেন ‘মিলন হবে কত দিনে’, ‘অচিন পাখি’সহ অসংখ্য কালজয়ী গান। ১৯৭৮ সালে সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক পান ফরিদা পারভীন। পরে জাপান সরকার তাকে সম্মানিত করে কুফুওয়া এশিয়ান কালচারাল পদক দিয়ে। দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেছেন তিনি।কেবল গানের মঞ্চেই নয়, লালন সংগীতকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘অচিন পাখি স্কুল’, যেখানে শিশু-কিশোরদের শেখানো হয় লালনের আধ্যাত্মিক দর্শন ও সংগীত।

আদালত থেকে যে রায় পেলেন ঐশ্বরিয়া

আদালত থেকে যে রায় পেলেন ঐশ্বরিয়া তারকাদের ছবি অনেক সময় অনেকে বিকৃতভাবে ব্যবহার করেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়েছেন সাবেক বিশ্ব সুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। সম্প্রতি ব্যক্তি অধিকার রক্ষার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। দিল্লি উচ্চ আদালতের পক্ষে জানানো হয়েছে, ‘আগামীতে বিনা অনুমতিতে অভিনেত্রীর নাম ও ছবি ব্যবহার করা যাবে না। এতে অভিনেত্রীর ব্যক্তি অধিকার লঙ্ঘিত হতে পারে কিংবা ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে। ’ জানা গেছে, ঐশ্বরিয়ার ছবি ব্যবহার করে অনেক উদ্যোক্তা কফি মগ, টি-শার্টের মতো নানা সামগ্রী তৈরি করেছেন। এ ছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ঐশ্বরিয়ার একাধিক ছবির স্বাভাবিকতা নষ্ট করে সেগুলো সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আদালতে ঐশ্বরিয়ার বক্তব্য শুনেছেন বিচারপতি তেজস করিয়া। অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে এই ধরনের ঘটনা পুণরায় যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দেন তিনি। ঐশ্বরিয়া রায়ের পক্ষে লড়েন আইনজীবী সন্দীপ শেঠি। আদালত জানিয়েছে, ‘ব্যবসার উদ্দেশ্যে ঐশ্বরিয়ার কোনো ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা যাবে না। এমনকি ঐশ্বরিয়ার সংক্ষিপ্ত নামও ব্যবহার করা যাবে না। ’

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমকে হারানোর ১৬ বছর

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমকে হারানোর ১৬ বছর বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম, যিনি অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা। ভাটি বাংলার এ প্রাণপুরুষ বাউল গানের অনন্য এক কিংবদন্তি। আজ বাউলসঙ্গীতের এই পথিকৃতের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৯ সালের আজকের এই দিনে অগণিত ভক্তকুলকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম। ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের দিরাই থানার ধলআশ্রম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পিতার নাম ইব্রাহীম আলী ও মাতার নাম নাইওরজান। দারিদ্র ও জীবন সংগ্রামের মাঝে বড় হওয়া বাউল শাহ আবদুল করিমের সঙ্গীত সাধনার শুরু ছেলেবেলা থেকেই। বাউল সম্রাটের প্রেরণা তার স্ত্রী; যাকে তিনি আদর করে ‘সরলা’ নামে ডাকতেন। তিনি গানের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন প্রখ্যাত বাউলসম্রাট ফকির লালন শাহ, পুঞ্জু শাহ এবং দুদ্দু শাহ-এর দর্শন থেকে। যদিও দারিদ্র তাকে বাধ্য করে কৃষিকাজে তার শ্রম ব্যয় করতে কিন্তু কোনো কিছু তাকে গান সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। তিনি বাউল গানের দীক্ষা লাভ করেছেন সাধক রশীদ উদ্দীন, শাহ ইব্রাহীম মাস্তান বকশ এর কাছ থেকে। শরীয়তী, মারফতি, দেহতত্ত্ব, গণসংগীতসহ বাউল গান এবং গানের অন্যান্য শাখার চর্চাও করেছেন শাহ আবদুল করিম। বাংলা একাডেমির উদ্যোগে তার ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। শাহ আবদুল করিমের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে ‘বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে’, ‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’, ‘গাড়ি চলে না’, ‘রঙ এর দুনিয়া তরে চায় না’, ‘তুমি রাখ কিবা মার’, ‘ঝিলঝিল ঝিলঝিল করেরে ময়ুরপংখী নাও’, ‘আমি কূলহারা কলঙ্কিনী’, ‘কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া’ এবং ‘কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু’ অন্যতম। এ পর্যন্ত বাউল শাহ আবদুল করিমের লেখা গানের ৭টি বই প্রকাশিত হয়েছে। তার মৃত্যুর কিছুদিন আগে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে তার রচনাসমগ্র (অমনিবাস)-এর মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো শাহ আবদুল করিমের জীবদ্দশায় তার জীবন ও কর্মভিত্তিক একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। ‘শাহ আবদুল করিম সংবর্ধন-গ্রন্থ’ (উৎস প্রকাশন) নামের এ বইটি সম্পাদনা করেন লোকসংস্কৃতি গবেষক ও প্রাবন্ধিক সুমনকুমার দাশ। পরে শিল্পীর চাওয়া অনুযায়ী ২০০৯ সালের প্রথম দিকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের উদ্যোগে বাউল আব্দুল করিমের সমগ্র সৃষ্টিকর্ম নিয়ে একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এছাড়াও এর আগে-পরে শাহ আবদুল করিমকে নিয়ে সুমনকুমার দাশের ‘বাংলা মায়ের ছেলে : শাহ আবদুল করিম জীবনী’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘সাক্ষাৎকথায় শাহ আবদুল করিম’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘শাহ আবদুল করিম’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিম’ (উৎস প্রকাশন), ‘গণগীতিকার শাহ আবদুল করিম’ (উৎস প্রকাশন) প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালে ঢাকার প্রখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা প্রথমা থেকে প্রকাশিত হয় সুমন কুমার দশের ‘শাহ আবদুল করিম : জীবন ও গান’ বইটি। এ বইটি ইতোমধ্যেই একটি প্রামাণ্য জীবনী হিসেবে বোদ্ধামহলে স্বীকৃতি আদায় করে নিয়েছে। এ বইটিতে করিমের নির্বাচিত বেশ কিছু গানও সংকলিত হয়েছে। বাউল শাহ আব্দুল করিম ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন। শাকুর মজিদ তাকে নিয়ে নির্মাণ করেছেন ভাটির পুরুষ নামে একটি প্রামাণ্য চিত্র। এছাড়াও সুবচন নাট্য সংসদ তাকে নিয়ে নির্মাণ করেছে শাকুর মজিদের লেখা নাটক ‘মহাজনের নাও’।

চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ, কেমন আছেন কারিশমা?

চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ, কেমন আছেন কারিশমা? চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন অভিনেত্রী কারিশমা শর্মা। এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুর্ঘটনার জেরে মাথায় চোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। কেন হঠাৎ চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিলেন, সে কথা নিজেই জানালেন ‘পেয়ার কা পাঞ্চনামা ২’ অভিনেত্রী। সামাজিকমাধ্যমে সেই অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন কারিশমা। তিনি লেখেন, গতকাল, চার্চগেটের উদ্দেশে শুটের জন্য রওনা দিয়েছিলাম। শাড়ি পরে ট্রেনে করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। ট্রেনে উঠেও পড়েছিলাম। তার পরেই খেয়াল করি যে আমার বন্ধুরা উঠতে পারেনি। এ দিকে ততক্ষণে ট্রেনের গতি বেড়ে গেছে। ভয় পেয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিই। দুর্ভাগ্যবশত চিত হয়ে পড়ি, মাথায় প্রচণ্ড জোরে আঘাত পাই। এই অভিনেত্রী জানান, তার শরীরে ক্ষত ভরে গেছে। পিঠে চোট পেয়েছেন, মাথা ফুলে গেছে। কারিশমা যোগ করেন, চিকিৎসকের পরামর্শে এমআরআই করিয়েছি। একটা দিন নজরদারিতে রাখা হয়েছিল আমাকে, মাথার চোট কতটা গুরুতর পরীক্ষা করার জন্য। অনুরাগীদের কাছে নিজের দ্রুত আরোগ্য কামনার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। তার কথায়, গতকাল থেকে আমি খুব যন্ত্রণায় আছি। কিন্তু, শক্ত থাকার চেষ্টা করছি। আমার জন্য প্রার্থনা করবেন, ভালোবাসা পাঠাবেন। ‘হোটেল মিলান’, ‘ফাঁসতে ফাঁসাতে’, ‘উজড়া চমন’, ‘এক ভিলেন রিটার্নস্‌’র মতো একাধিক জনপ্রিয় সিনেমাতে অভিনয় করেছেন কারিশমা। তাকে দেখা গেছে একাধিক ওয়েব সিরিজ ও হিন্দি ধারাবাহিকেও।

আবারো বিপদে কপিল শর্মা

আবারো বিপদে কপিল শর্মা এইতো কিছুদিন আগে একদল দুর্বৃত্ত কানাডায় কপিল শর্মার ক্যাফেতে গুলি চালায়। সেই দেশ থেকে কপিলকে ব্যবসা গোটানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে একাধিকবার। এবার ফের বিপদের মুখে তিনি। মুম্বাইয়েও শান্তি নেই তার। মুম্বাই নবনির্মাণ সেনার রোষানলের মুখে তারকা। সংগঠনটিরর দাবি, কপিল তার শো-তে মুম্বাইকে একাধিক বার ‘বম্বে’ অথবা ‘বোম্বাই’ বলে অভিহিত করেছেন। তাতেই ক্ষুব্ধ তারা। আবার যদি কপিল মুম্বাইয়ের নাম বিকৃত করেন তা হলে তার শো বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে তারা। নবনির্মাণ সেনার দাবি, ‘‘শহরটার নাম মুম্বাই। সেই নামেই ডাকুন। এটা আপত্তি নয়, এটা ভেতরের ক্ষোভ থেকে বলছি। যদি আপনি বেঙ্গালুরু, কলকাতা, চেন্নাইয়ের ক্ষেত্রে সঠিক উচ্চারণ করতে পারেন, তা হলে মুম্বাই নয় কেন!’’ওই সংগঠনটি এ-ও জানায়, যদি এটা কপিলের অজান্তে করা ভুল হয়, তবে তা যেন তিনি দ্রুত শুধরে নেন। নবনির্মাণ সেনার পক্ষ থেকে অময় খোপেকর বলেন, ‘‘মুম্বাইয়ে এক বছর ধরে কাজ করছেন। এটা আপনার কর্মভূমি। এখানকার মানুষ এত ভালবেসে আপনার অনুষ্ঠান দেখেন। সেই শহরকে, সেখানকার মানুষকে অপমান করছেন! আপনাকে শেষ বার বলছি, শুধরে যান কপিল শর্মা।’’ চলতি বছরের জুন মাস থেকে শুরু হয়েছে কপিল শর্মা শোয়ের নতুন সিজন। তার পর থেকেই একের পর ফাঁড়া যাচ্ছে তার ওপর দিয়ে। যদিও নবনির্মাণ সেনার হুমকির প্রেক্ষিতে কপিলের তরফ থেকে কোনও বিবৃতি মেলেনি।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ালেন শাহরুখ খান

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ালেন শাহরুখ খান বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান বন্যাবিধ্বস্ত ভারতের পাঞ্জাবের মানুষের পাশে দাঁড়ালেন। ‘কিং’ সিনেমার শুটিং কিংবা ছেলে আরিয়ান খানের প্রথম পরিচালিত সিরিজের প্রচারের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, তার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মীর ফাউন্ডেশন’র মাধ্যমে প্রতিনিয়ত মানবসেবায় নিয়োজিত তিনি। গত ৩৭ বছরের মধ্যে এত ভয়াবহ বন্যা দেখেনি পাঞ্জাব। লাগাতার বৃষ্টির কারণে পানির নিচে চলে গেছে পাঞ্জাবের বিস্তীর্ণ এলাকা। জানা গেল, সেখানকার বানভাসি ১৫০০টি পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিং খান। ইতোমধ্যেই ‘মীর ফাউন্ডেশন’ পাঞ্জাবের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উদ্ধার কার্য শুরু করেছে বলে খবর বলিউড মাধ্যম সূত্রে। এছাড়াও বিশুদ্ধ পানি, খাবার, ফোল্টিং কাট, তোষক, মশারিসহ নানা প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিলি করা হচ্ছে শাহরুখের টিমের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি দুস্থদের চিকিৎসার দায়ভারও বহন করছেন কিং খান। শাহরুখ খানের পক্ষে এই পরিষেবা পৌঁছে যাচ্ছে অমৃতসর, পাতিয়ালা, ফজিলকা, ফিরোজপুরসহ পাঞ্জাবের একাধিক বন্যাকবলিত অঞ্চলের ১৫০০ পরিবারের কাছে। কিং খানের ‘মীর ফাউন্ডেশনে’র প্রতিশ্রুতি, বন্যার্ত পরিবারগুলোকে পুণরায় মাথার ওপর ছাদ গড়ে দিতে সাহায্য করা হবে। চলতি মাসের শুরুতে শাহরুখ খান টুইটারে পাঞ্জাবের হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি নিয়ে একটি বার্তা শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘পাঞ্জাবের এই ভয়াবহ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি প্রাণের জন্য আমার হৃদয় ব্যথিত। প্রার্থনা ও শক্তি পাঠাচ্ছ, পাঞ্জাবের আত্মা কখনও ভাঙবে না, সৃষ্টকর্তা তাদের আশীর্বাদ করুন।’