সিদ্ধার্থ-কিয়ারার ঘরে আসছে প্রথম সন্তান 

সিদ্ধার্থ-কিয়ারার ঘরে আসছে প্রথম সন্তান বিয়ের দুবছর পরেই অনুরাগীদের সুখবর দিলেন কিয়ারা আদভানি ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তাদের সংসারে নতুন অতিথি আসতে যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে এ তারকা দম্পতি এমন সুখবর দিয়েছেন। সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার দুই জোড়া হাতের উপর রাখা সাদা রঙের ছোট্ট এক জোড়া মোজা। এভাবেই সংসারে নতুন অতিথি আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন তারকা দম্পতি। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমাদের জীবনের সেরা উপহার। শিগগির আসছে।’ পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তাদের শুভেচ্ছাবার্তায় ভরিয়ে দিয়েছেন অনুরাগীরা। বলিউডে একাধিক তারকাও তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইশান খট্টর, নেহা ধুপিয়া, হুমা কোরেশি, রিয়া কাপুরসহ আর অনেকেই ভালোবাসায় ভরিয়েছেন হবু মা-বাবাকে। বিয়ের ঠিক পরেই, মানে ২০২৩ সালে একবার এমনও জল্পনা-কল্পনা শোনা গিয়েছিল, মা হতে চলেছেন কিয়ারা। সে সময় জয়পুরে সিনেমার প্রচারে কিয়ারার পরনে ছিল ব্রালেট, তার উপরে রাজস্থানি হাতের কাজের ব্লেজার ও প্যান্ট। তার মধ্যে থেকেই নাকি দেখা যাচ্ছিল তার বেবিবাম্প, এমনটাই দাবি করেছিলেন নেটিজেনরা। তবে সেই জল্পনা যে গুঞ্জন মাত্র, তা সময়ই প্রমাণ করেছে। ২০২৩ সালের সাত ফেব্রুয়ারি রাজকীয় পরিবেশে বিয়ে করেছিলেন সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা। একাধিক সাক্ষাৎকারে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন কিয়ারা। সিদ্ধার্থের জন্যই রোজ ঘরে ফিরে আসতে ভালোলাগে বলেও জানান তিনি। কিয়ারা বলেছিলেন, ‘তার (সিদ্ধার্থ) সঙ্গে থাকলে মনে হয় যেন বাড়িতেই রয়েছি। আমি যে বাড়িতে বড় হয়েছি সেখানেও অনেক ভালোবাসা ও আদর পেয়েছি।’ সেই একই ভালোবাসা সিদ্ধার্থের থেকেও পান বলে জানিয়েছিলেন কিয়ারা। প্রসঙ্গত, সিদ্ধার্থ আর কিয়ারা একসঙ্গে জুটি বেঁধে এসেছিলেন ‘শেরশাহ’ ছবিতে। প্রায় দু-তিন বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সাত পাকে বাঁধা পড়েন এই জুটি। বিয়ের দুবছর পর মা হতে চলেছেন কিয়ারা। কিয়ারাকে আগামী দিনে দেখা যাবে ‘ডন ৩’ সিনেমায়। রণবীর সিংয়ের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন তিনি। অন্যদিকে সিদ্ধার্থকে ‘পরম সুন্দরী’ সিনেমায় দেখা যাবে।

বাড়িতে মিলল সস্ত্রীক ‘সুপারম্যান’ খ্যাত অভিনেতার দেহ

বাড়িতে মিলল সস্ত্রীক ‘সুপারম্যান’ খ্যাত অভিনেতার দেহ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফে’র নিজ বাড়িতে পাওয়া গেছে অস্কারজয়ী অভিনেতা জিন হ্যাকম্যান এবং তার স্ত্রী জনপ্রিয় পিয়ানোবাদক বেৎসি আরাকাওয়ার নিথর দেহ। হলিউড মাধ্যমের খবর, হ্যাকম্যান-বেৎসির সঙ্গে তাদের প্রিয় পোষ্যর মৃতদেহও পাওয়া যায় সেই বাড়ি থেকে। সান্তা ফে’র পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মনে হয়নি যে, জিন হ্যাকম্যান এবং বেৎসি আরাকাওয়ার মৃত্যু অস্বাভাবিক কিংবা জনপ্রিয় হলিউডের তারকাদম্পতির মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কারও হাত রয়েছে। যদিও মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই সেটা বোঝা যাবে। তবে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাবে। ১৯৭৮ সালে ‘সুপারম্যান’ সিনেমায় ভিলেন লেক্স লুথারের ভূমিকায় অভিনয় করে ডিসি কমিকস ফ্যানদের নজর কেড়েছিলেন হ্যাকম্যান। ৯৫ বছর বয়সী এই অভিনেতা ‘দ্য ফ্রেঞ্চ কানেকশন’ (১৯৭১) এবং ‘আনফরগিভেন’ (১৯৯২) এই দুটি সিনেমার জন্য অস্কার পেয়েছিলেন। প্রায় দুই দশক ধরে হ্যাকম্যান জনসমক্ষে না এলেও তার অভিনয় দর্শকদের মনে গেঁথে রয়েছে আজও। তাই তো হ্যাকম্যানের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার অনুরাগীদের মাঝে। ২০০৪ সালেই অভিনয় থেকে অবসর নেন ‘বনি অ্যান্ড ক্লাইড’ খ্যাত অভিনেতা। অন্যদিকে মৃত্যুকালে পিয়ানোবাদক স্ত্রী আরাকাওয়ার বয়স হয়েছিল ৬৩। ১৯৯১ সালে তারা বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার প্রায় একদশক বাদেই অভিনয় জগতকে বিদায় জানান তিনি।

৩৭ বছরের সংসার ভাঙছে সুনীতা-গোবিন্দর

৩৭ বছরের সংসার ভাঙছে সুনীতা-গোবিন্দর বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ ২০২৩ সালের অক্টোবরে নিজের বাড়িতেই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। যে খবরে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল বলিপাড়ায়। ওই ঘটনার কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন, স্ত্রী সুনীতাই কি গুলি করেছিলেন গোবিন্দকে? কারণ তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক বেশ কিছুদিন হলো ভালো যাচ্ছে না। এর মধ্যে নতুন খবর, বিবাহবিচ্ছেদের পথে গোবিন্দ-সুনীতা। কিন্তু কেন বিচ্ছেদ? দীর্ঘ ৩৭ বছরের দাম্পত্য গোবিন্দ ও সুনীতা আহুজার। যদিও সম্প্রতি জানা যায়, এক ছাদের তলায় থাকেন না গোবিন্দ-সুনীতা। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতার স্ত্রী জানান, দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি থাকেন একটি ফ্ল্যাটে। ঠিক তার উল্টো দিকে নিজের বাংলোয় একা থাকেন অভিনেতা। অথচ দীর্ঘদিন ধরে বলিউডে ‘সুখী দম্পতি’ হিসাবে পরিচিত ছিলেন তারা। বলিউডে গুঞ্জন রয়েছে, পরকীয়ায় জড়িয়েছেন ষাট বছরের গোবিন্দ! প্রায় অর্ধেক বয়সী মারাঠি অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। আর সেই কারণেই নাকি গোবিন্দা-সুনীতার বিয়ে ভাঙতে চলেছে। যদিও এই বিষয়ে অভিনেতা এবং তার স্ত্রী এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি। তবে সাক্ষাৎকারে সুনীতা জানান, আগে দাম্পত্য নিয়ে সুরক্ষিত বোধ করতেন। এখন আর করেন না। তার বক্তব্য, হাতে কাজ না থাকা স্বামীকে নিয়ে চিন্তিত তিনি। সুনীতা বলেন, এখন তো বসেই থাকে। তাই ভয় হয়, কিছু করে না বসে! উল্লেখ্য, মাত্র ১৮ বছর বয়সে গোবিন্দর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সুনীতার। গোবিন্দ-সুনীতা দুই সন্তান যশবর্ধন এবং টিনার বাবা-মা। ১৯৮৭ সালের ১১ মার্চ তাদের দুজনের বিয়ে হয়। যদিও শুরুর দিকে বিয়ের কথা সামনে আনেননি গোবিন্দ। ভেবেছিলেন বিয়ের কথা ছড়িয়ে পড়লে নায়ক হিসাবে তার খ্যাতি কমবে। তবে তিন বছর পরে তারা বিয়ের কথা সামনে আনেন। তবে দীর্ঘ দাম্পত্যের নানা ঘটনায় গোবিন্দর পাশে সবসময়ই ছিলেন সুনীতা। আর আজ তাদের পথ আলাদা হতে চলেছে।

খ্যাতি সুন্দর একটি হাতব্যাগের মতো বলেছেন শ্রুতি হাসান

খ্যাতি সুন্দর একটি হাতব্যাগের মতো বলেছেন শ্রুতি হাসান ভারতীয় সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রুতি হাসান। তার আরেক পরিচয় তিনি বরেণ্য অভিনেতা কমল হাসান ও অভিনেত্রী সারিকার কন্যা। ছোটবেলা থেকেই বাবা-মায়ের খ্যাতি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতেন। এজন্য অপরিচিতদের কাছে নিজের ভুয়া নাম বলতেন শ্রুতি। কয়েক দিন আগে একটি নারী ক্রিকেট টুর্নামেন্টের মধ্যবর্তী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন শ্রুতি হাসান। তার ফাঁকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘থ্রি’ সিনেমা খ্যাত এই অভিনেত্রী। শ্রুতি হাসান বলেন, “আমার বাবা-মা (অভিনেতা কমল হাসান ও সারিকা) বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। এই পরিচয় আমার বিরুদ্ধাচরণ ছিল। এজন্য আমি ভুয়া নাম ব্যবহার করতাম। যাতে আমার বাবা-মায়ের খ্যাতির সঙ্গে আমাকে না জড়ায় এবং কেবল একজন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেন।” খ্যাতিকে হাতব্যাগের সঙ্গে তুলনা করে শ্রুতি হাসান বলেন, “খ্যাতি চিরস্থায়ী জিনিস না, এটি খুবই ক্ষণস্থায়ী। এটি একটি সুন্দর হাতব্যাগের মতো। আপনি যদি পাথর দিয়ে এটি পূর্ণ করেন, তবে আপনার কাঁধে ব্যথা করবে। সুতরাং খ্যাতি আপনাকে খুব হালকাভাবে বহন করতে হবে। কারণ এটি চিরস্থায়ী নয়। যদি কেউ মনে করেন, খ্যাতির উপরে ভিত্তি করে তার আশা-স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ গড়বেন, তাহলে সে আকাশে দুর্গ তৈরি করছেন।” স্বাধীনচেতা শ্রুতি হাসান মাত্র ৬ বছর বয়সে গায়িকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ২০০০ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে রুপালি জগতে পা রাখেন। ২০১১ সালে তেলেগু সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পরের বছরই ‘থ্রি’ সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতি কুড়ান এই অভিনেত্রী। পরের গল্প সকলেরই জানা। বর্তমানে শ্রুতির হাতে ‘সালার টু’, ‘কুলি’ সিনেমার কাজ রয়েছে। ‘সালার টু’ সিনেমায় প্রভাসের সঙ্গে জুটি বেঁধে পর্দায় হাজির হবেন তিনি। এটি পরিচালনা করবেন প্রশান্ত নীল।

রাবণরুপে কেন এলেন যশ

রাবণরুপে কেন এলেন যশ পৌরাণিক গল্প নিয়ে পরিচালক নীতেশ তিওয়ারি নির্মাণ করছেন ‘রামায়ণ’ সিনেমা। এতে রামের ভূমিকায় অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর। আর সীতা চরিত্র রূপায়ন করছেন দক্ষিণী সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবী। সিনেমাটিতে রাবণ চরিত্রে দেখা যাবে ‘কেজিএফ’ তারকা যশকে। মহাকাব্য রামায়ণের অন্যতম প্রধান চরিত্র এবং প্রধান খলনায়ক রাবণ। তারপরও চরিত্রটি কেন রূপায়ন করতে রাজি হলেন যশ। এ নিয়ে কথা বলেছেন এই তারকা। যশ বলেন, “চরিত্রটি ভীষণ চিত্তার্কষক। অন্য কোনো কারণে এটা করতাম না। আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন, রামায়ণে অন্য কোনো চরিত্রে অভিনয় করতে চান কিনা? আমি বলব, সম্ভবত না। আমার কাছে, রাবণ চরিত্রটি রোমাঞ্চকর। বিশেষ এই চরিত্রের শেড এবং সূক্ষ্মতা আমার পছন্দ। চরিত্রটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার অনেক সুযোগ রয়েছে।” রণবীর-সাই পল্লবী আগেই সিনেমাটির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। এ জুটির লুকও প্রকাশিত হয়েছে। তবে এখনো যশের অংশের শুটিং শুরু হয়নি। যশ বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে ‘টক্সিক’ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ সিনেমার শুটিং শেষ করতে যশের আরো দুই মাস সময় লাগবে। এটি পরিচালনা করছেন গীতু মোহনদাস। ‘রামায়ণ’ সিনেমায় হনুমান চরিত্রে অভিনয় করছেন সানি দেওল। রাবণের ভাই বিভীষণের চরিত্রে অভিনয় করছেন বিজয় সেতুপতি। অভিনেত্রী লারা দত্তকে দেখা যাবে কৈকেয়ীর ভূমিকায়। সিনেমাটি তিনটি পর্বে নির্মাণ করা হবে। ‘রামায়ণ’ সিনেমার পোস্ট প্রোডাকশনের কাজের জন্য ৬০০ দিন ব্যয় হবে। এর ভিএফএক্সের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অস্কারজয়ী সংস্থা ডিএনইজিকে। হিন্দি, তামিল, তেলেগু ছাড়া আরো বেশ কিছু ভাষায় সিনেমাটি মুক্তি পাবে। বক্স অফিস বিশ্লেষক সুমিত জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের অক্টোবরে মুক্তি পাবে ‘রামায়ণ’।

হয়ে গেলো মেহজাবীনের বিয়ে

হয়ে গেলো মেহজাবীনের বিয়ে ঢাকার অদূরে একটি রিসোর্টে গতকাল রবিবার তারকা অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর গায়েহলুদ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। আজ বসবেন বিয়ের পিঁড়িতে। স্বামী আদনান আল রাজীব পেশায় প্রযোজক ও পরিচালক। তাদের দুইজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেম ও বিয়ের গুঞ্জন ছিল। সেই গুঞ্জন সত্যি হতে চলেছে আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে। গতকাল সকাল থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। এ তারকা জুটির গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবারের লোকজন। একই ভেন্যুতে আজ বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তবে বিয়েতে ছবি তোলার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। গায়েহলুদ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এ তারকা জুটির ঘনিষ্ঠজনরা গণমাধ্যমকে জানান, গায়ে হলুদের ছবি তোলার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। যাদেরকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা তাদেরকে ছবি না তোলার জন্য বারবার বলা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রী নিজে বিয়ের ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করবেন। এরপর অন্যরা ছবি-ভিডিও শেয়ার করতে পারবেন। গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে মেহজাবীনের পরনে ছিল লেহেঙ্গা আর আদনান পরেছিলেন পাঞ্জাবি-পায়জামা। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে রাজীবের সঙ্গে ঢাকার একটি বিপণিবিতানে মেহজাবীনের হাত ধরাধরি করে হাঁটার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপরই তাদের সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়ায়। পরবর্তীতে এই জুটিকে কখনো কক্সবাজার আবার কখনো দেশের বাইরেও ঘুরতে দেখা গেছে।

অ্যাকশন দৃশ্যের স্টান্ট করতে গিয়ে আহত গুরু 

অ্যাকশন দৃশ্যের স্টান্ট করতে গিয়ে আহত গুরু সেটে অ্যাকশন দৃশ্যের শুট করতে গিয়ে আহত হয়েছেন পাঞ্জাবি গায়ক তথা অভিনেতা গুরু রানধাওয়া। ‘শাওনকি সর্দার’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় ঘটে এ দুর্ঘটনা। হাসপাতালের বিছানা থেকেই একটি ছবি শেয়ার করে দুর্ঘটনার কথা জানান গুরু রানধাওয়া। ওই ছবিতে দেখা যায়, গলায় সার্ভিক্যাল কলার। চেহারা আংশিক রক্তাক্ত। মাথায় ব্যান্ডেজ। চোখে-মুখে চোটের ছাপ স্পষ্ট। হাসপাতাল থেকে ছবি শেয়ার করে গায়ক-অভিনেতা বলেন, আমার প্রথম স্টান্ট। আমার প্রথম চোট। তবে মনোবল এখনও অটুট, সেটি ভাঙেনি। শাওনকি সর্দার ছবির সেটের স্মৃতি। এই অ্যাকশন সিকোয়েন্সের শুটিং করা খুব কঠিন। হাসপাতালে গুরু রানধাওয়াকে এভাবে দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনুরাগীরা। এমনকি ম্রুণাল ঠাকুর, অনুপম খের, মিকা সিংয়ের মতো অনেক তারকারাও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। গুরু রানধাওয়ারের ‘শাওনকি সর্দার’ সিনেমা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে বেশ উন্মাদনা। সিনেমায় অভিনয় করলেও মূলত তিনি গায়ক। তাই তো তাকে অ্যাকশন হিরোর ভূমিকায় দেখতে মরিয়া দর্শক। আর সেরকম দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়েই বিপদে পড়লেন তিনি।

মন দুয়ারী নাটক নাকি সিনেমা, নির্মাণের সময় ভাবিনি: জাকারিয়া সৌখিন

মন দুয়ারী নাটক নাকি সিনেমা, নির্মাণের সময় ভাবিনি: জাকারিয়া সৌখিন জাকারিয়া সৌখিন নির্মিত সময়ের আলোচিত একক নাটক ‘মন দুয়ারী’। নাটকটির চিত্রনাট্যও রচনা করেছেন এই পরিচালক। প্রধান তিন চরিত্র রূপায়ন করেছেন দিলারা জামান, জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও নাজনীন নিহা। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পায় ১ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ৪০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের নাটক ‘মন দুয়ারী’। বড় ক্যানভাসে নির্মিত নাটকের গল্প পারিবারিক ক্লাইম্যাক্সে ভরা। পাশাপাশি চোখ ধাঁধানো অপরূপ সিনেমাটোগ্রাফি দর্শকদের চোখে স্নিগ্ধ অনুভূতি জাগিয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে দর্শক নাটকটিকে ‘সিনেমা’ বলছেন। অনেকে এটিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা বলছেন। কেউ কেউ দ্বিধা প্রকাশ করে বলছেন, “এটি নাটক নাকি সিনেমা?” দর্শকদের এসব প্রতিক্রিয়া নিয়ে কথা বলেছেন জাকারিয়া সৌখিন। এ পরিচালক বলেন, “আমি আসলে গল্প বলার চেষ্টা করেছি। আমার ভেতরে জন্ম নেওয়া দৃশ্যগুলো ক্যামেরায় ধরেছি। চরিত্রের মাধ্যমে আমার ভেতরে কাজ করা আবেগটুকু ঢালার চেষ্টা করেছি। আমি নির্মাণের সময় একবারও ভাবিনি, এটি নাটক না সিনেমা। এটি সিনেমা হলে যাবে নাকি ইউটিউবে!”খানিকটা ব্যাখ্যা করে জাকারিয়া সৌখিন বলেন, “আমি চেয়েছি দুচোখ ভরে আমার গল্পটা সাজাতে। এখন দর্শকদের কাছ থেকে সিনেমার মন্তব্য পাই, তখন মনে হয় ভালোবাসা কখনো বিফলে যায় না। কারণ ভিউয়ের কথা না ভেবে গল্পটাকে ভালোবেসেই বলার চেষ্টা করেছি।” পরিবার, দেশ ও মানুষের গল্প পছন্দ করেন দর্শক। এ তথ্য উল্লেখ করে এই নির্মাতা বলেন, “আমাদের দর্শক বরাবরই আবেগপ্রবণ এবং ফ্যামিলি ওরিয়েন্টেড। এ কারণে তারা পরিবার, দেশ, মানুষের গল্প খুব পছন্দ করে। এর সঙ্গে সঠিক মিউজিক আর বাংলার রূপ ক্যামেরায় ধরতে পারলে তো কথাই নেই। আমি নিজেও এমন কাজ দেখতে খুব আরামবোধ করি। ‘মন দুয়ারী’ নাটকের মধ্যে এর সবকিছুই রাখার চেষ্টা করেছি। যাকে বলে ফুল প্যাকেজ। আমার মনে হয়, মানুষ এগুলোর সঙ্গে নিজে যুক্ত করতে পেরেছেন।” ভবিষ্যতে আরো বড় ক্যানভাসে গল্প বলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাকরিয়া সৌখিন বলেন, “এর আগে ‘পথে হলো দেরী’ বড় ক্যানভাসে নির্মাণ করেছিলাম। এবার ‘মন দুয়ারী’ বানালাম। দু’বারই মুক্তির আগে একটু ভয়ে ছিলাম। দু’বারই দর্শকদের ভালোবাসায় উতরে গেছি। ভবিষ্যতে আরো বড় ক্যানভাসে গল্প বলতে চাই। অবশ্যই সেটা পরিবার, দেশ ও সংগীতকে সঙ্গে রেখে।”মুক্তির চারদিনে ইউটিউবে ৯৯ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে ১ কোটি ভিউ পূর্ণ করবে। বর্তমানে ইউটিউবে বাংলাদেশ অংশের ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে রয়েছেন। সিএমভির ব্যানারে নাটকটি প্রযোজনা করেছেন এস কে সাহেদ আলী।

গোপনে বিয়ে সারলেন অভিনেত্রী নারগিস ফাখরি

গোপনে বিয়ে সারলেন অভিনেত্রী নারগিস ফাখরি বিয়ে করেছেন বলিউড অভিনেত্রী নারগিস ফাখরি। তবে, তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে আরও সপ্তাহখানেক আগে! শোনা যাচ্ছে, আমেরিকার এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেছেন নারগিস; বর্তমানে স্বামীকে নিয়ে হানিমুন উদযাপনে ব্যস্ত তিনি। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, আমেরিকান ব্যবসায়ী টোনি বাগকে বিয়ে করেছেন নারগিস। ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারি হিলসের একটি বিলাসবহুল হোটেলে বসে তাদের বিয়ের আসর। খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনের উপস্থিতিতে বিয়ে সারেন তারা। এদিকে নারগিস তার ইনস্টাগ্রামে সুইজারল্যান্ড থেকে হানিমুনের ছবি শেয়ার করেছেন এবং টনির পোস্ট করা স্টোরিগুলোও শেয়ার করেছেন। এতে নিশ্চিত হওয়া যায়, তারা একসঙ্গেই রয়েছেন এবং একান্ত সময় কাটাচ্ছেন। ‘রকস্টার’ এবং ‘ম্যাড্রাস কাফে’র মতো ছবির মাধ্যমে পরিচিতি পান নারগিস ফাখরি। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে অভিনেত্রীর দূরত্ব বেড়েছে অনেকদিন ধরেই। পাড়ি দিয়েছেন মার্কিন মুলুকে। একটা সময় রণবীর কাপুরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তার। তারপর প্রায় পাঁচ বছর উদয় চোপড়ার সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। সেই সময় যদিও সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি তিনি। পরে প্রেম ভাঙার পর সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন নার্গিস। বলা বাহুল্য, বহুবার মন ভেঙেছে তার! এবার বিয়ে করে সংসারী হলেন নারগিস।

সব যোগাযোগ বন্ধ রাখতে চান সামান্থা!

সব যোগাযোগ বন্ধ রাখতে চান সামান্থা! দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তেলেগু এবং তামিল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে খ্যাতি অর্জন করেছেন। পরবর্তীতে বলিউডে অভিষেক ঘটে। অভিনেতা নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে।সব কিছুর মাঝেও সামান্থা মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার পক্ষে। তিনি নিজের সঙ্গে সময় কাটাতেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। ফোন ছাড়াই নীরবে সময় কাটাতে পারেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি ‘নীরবতার সাধনা’ লেখা একটি কার্ডের ছবিও পোস্ট করেছেন। শেয়ার করে লিখেছেন, ‘তিন দিনের নীরবতা, না কোনও ফোন। না কারও সঙ্গে যোগাযোগ। কেবল নিজের সঙ্গে সময় কাটানো।’ অনেক নেটিজেনদের মধ্যেই এই প্রশ্ন যদি তিনি নীরবই থাকবেন বলে মনে করেন, তবে কেন তা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন কেন। এদিকে অভিনেত্রী তার ইনস্টাগ্রামে ধ্যানের একটি ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ধ্যান। যদি কোনও একটা জিনিস আমি মন থেকে চাই সেটা হলো ধ্যান। আমি চাই তোমরাও এই চেষ্টা করো। প্রতিদিন মাত্র ১৫ মিনিট ধ্যান করো।’ ‘যে ভাবেই হোক না কেন নীরবে বসে থাকো। তোমার শ্বাস-প্রশ্বাসের উপর মনোযোগ দাও। অথবা ইউটিউব দেখে ধ্যান করো। এর কোনও ঠিক বা ভুল নেই। শুধু মন দিয়ে ধ্যান করাটা খুব দরকার।’ সামান্থার কাছে ধ্যান জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তিনি আরও লিখেছেন, ‘পৃথিবীতে যতই বিশৃঙ্খলা তৈরি হোক না কেন, আমি জানি আমার ভিতরে একটা শান্ত জায়গা রয়েছে। এবং সেটি একই রয়েছে। যখন তুমি নিজের বাড়ির পথ খুঁজে বের করতে শিখে যাবে, তখন বাইরের শব্দ তার নিয়ন্ত্রণ হারাবে। সেটাই চেষ্টা করে দেখুন।’