ফিট ও তারুণ্যের রহস্য জানালেন শাহরুখ খান

ফিট ও তারুণ্যের রহস্য জানালেন শাহরুখ খান আর কয়েক মাস পরেই ৬০ বছর পূর্ণ করবেন অভিনেতা শাহরুখ খান। তবে তাকে দেখে তা বোঝার উপায় নেই, তিনি এখনও ‘জওয়ান’। শুধু বড় পর্দাতেই নয়, বাস্তবেও বাদশার চেহারায় তারুণ্যের ছোঁয়া স্পষ্ট। কীভাবে এত সুস্থ সবল তিনি? কী এমন খাওয়াদাওয়া করেন তিনি? তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে প্রায়ই। শাহরুখ কাজে ডুবে থাকতে ভালবাসেন। তার পাশাপাশি সারা দিন পড়াশোনা করেন। ঘুমোতে যান প্রায় ভোর পাঁচটা নাগাদ। ঘুম থেকে উঠে পড়েন ৯টায়। কীভাবে এতটা সুস্থ থাকেন তিনি? পুরনো এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ জানিয়েছিলেন, তিনি কোন খাবার সবচেয়ে বেশি খান? অভিনেতা বলেছিলেন, “আমি গ্রিলড চিকেন খেতে খুব ভালবাসি। একেবারে নিরেট মাংস আর তার সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ খাই।” এর পরেই তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এমন মেদহীন চেহারার জন্য আলাদা করে কী খান? হাসতে হাসতে শাহরুখ বলেছিলেন, ‘কিছুই না’। তারকা জানান, তিনি খুব মেপেই খাবার খান। সাদা রুটি, সাদা ভাত, মিষ্টি ত্যাগ করেছেন তিনি। বাড়ির খাবারের উপরেই ভরসা করেন তারকা। শুটিং থাকলেও বাড়ি থেকে নিয়ে যান খাবার। তবে শাহরুখ মাছ ও মুরগির মাংসের ভক্ত। তার সঙ্গে তাঁর রোজের খাবারে থাকে অঙ্কুরিত ছোলা। মাঝে মধ্যে সুস্বাদু খাবার খান শাহরুখ। অভিনেতা বলেন, “তন্দুরি চিকেনের সঙ্গে তন্দুরি রুটি আমার খুবই ভাল লাগে। তন্দুরি চিকেনের নেশা আছে আমার। বছরে ৩৬৫ দিন আমি এই চিকেন তন্দুরি খেয়ে কাটিয়ে দিতে পারি। আর মাঝে মধ্যে পাঁঠার মাংস খাই।”
ইচ্ছা ছিলো না জিৎ যেভাবে সিনেমায় এলেন

ইচ্ছা ছিলো না জিৎ যেভাবে সিনেমায় এলেন ‘‘সিনেমায় আসার কোনো ইচ্ছা ছিলো না। বিল্ডিং ম্যাটারিয়ালস সাপ্লাইয়ে কাজ করতাম। আমার ছোট-খাটো একটা ব্যবসাও ছিলো। আর টুক-টাক মডেলিং করেছিলাম। এই করতে করতে বন্ধুরা ইন্সপায়ার করলো। ওরা বললো, বম্বে চলে যাও। এরপর বম্বে গেলাম । কিছু কমার্শিয়াল অ্যাড, মিউজিক ভিডিও করলাম। এরপর টলিউডে ‘সাথী’ হলো। তারপরে সব বদলে গেলো। তার মাঝখানে বন্ধুদের সামনে ছোট-খাটো মিমিক্রি করতে থাকতাম। কখনও রাজেশ খান্নার মতো ডান্স করতাম, আবার কখনও অমিতাভ বচ্চনের কণ্ঠ নকল করতাম। এখন যখন ভাবি তখন রিলেট করতে পারি, ওই কারণগুলো ছিলো বলেই আজ আমি সিনেমায়। এছাড়া সম্ভব হতো না।’’ – কথাগুলো বলছিলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ। রচনা ব্যানার্জির উপস্থাপনায় ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ অনুষ্ঠানে এসে এই স্বীকারোক্তি দেন জিৎ। সম্প্রতি জিৎ যুক্ত হয়েছেন জীবনীভিত্তিক সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমায়। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য, ‘‘চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের অন্যতম নায়ক অনন্ত সিংহ। তার জীবনী অবলম্বনে সিনেমা পরিচালনা করছেন পথিকৃৎ বসু। সিনেমার নাম ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’। নতুন এই সিনেমায় অভিনয় করবেন জিৎ।
বক্স অফিসে মুখোমুখি অজয়-সিদ্ধার্থ, কে এগিয়ে?

বক্স অফিসে মুখোমুখি অজয়-সিদ্ধার্থ, কে এগিয়ে? বলিউডে একইসঙ্গে মুক্তি পায় অজয় দেবগনের ‘সন অফ সর্দার টু’ ও সিদ্ধার্থ চতুর্বেদীর ‘ধড়ক টু’। মুক্তির ১৩ দিন পার হওয়ার পর আয়ের দিক থেকে কে এগিয়ে- তা এবার আলোচনায়। দুটি সিনেমারই দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে দর্শকের দীর্ঘ প্রতিক্ষা থাকলেও বক্স অফিসে এর আয় খুব বেশি আশাব্যঞ্জক হয়নি। মুক্তির সময়ে সিনেমা দুটি প্রবল প্রতিযোগিতার মুখে পড়লেও মোহিত সুরির ‘সাইয়ারা’ সে সময় বক্স অফিসে রাজত্ব শুরু করে। এরই মধ্যে মুক্তির তালিকায় যোগ হয় আরও দুটি সিনেমা- ‘ওয়ার টু’ ও ‘কুলি’। বলা বাহুল্য, বলিউডে এখন সিনেমার বাজার রমরমা; একসাথে বহু ছবির মুক্তি! কিন্তু প্রশ্ন, দুই সপ্তাহ পরে ‘সন অফ সর্দার টু’ ও ‘ধড়ক টু’ আয়ের দিক থেকে কোনটি এগিয়ে রইল? স্যাকনিল্কের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, ১৫০ কোটি বাজেটের অজয় দেবগনের কমেডি ঘরানার ‘সন অফ সর্দার টু’ দুই সপ্তাহে শুধু ভারতের বাজারেই আয় করেছে ৪৫ কোটি ১২ লক্ষ রুপি। এদিকে তৃপ্তি দিমরি ও সিদ্ধার্থ চতুর্বেদীর রোম্যান্টিক ঘরানার ‘ধড়ক টু’ এর বাজেট ছিল ৪৫ কোটি রুপি। ভারতের বক্স অফিসে এখন পর্যন্ত ছবিটির মোট আয় ২২ কোটি ২৪ লক্ষ রুপি, যা আয় ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে ‘সন অফ সর্দার টু’-এর তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে।
কানাডার উৎসবে বানভাসি মানুষের গল্পের ‘নয়া মানুষ’

কানাডার উৎসবে বানভাসি মানুষের গল্পের ‘নয়া মানুষ’ বানভাসি মানুষের গল্পের সিনেমা ‘নয়া মানুষ’। চরের মেহনতী মানুষের জীবন ও প্রকৃতির খেয়ালিপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আ. মা. ম. হাসানুজ্জামানের ‘বেদনার বালু চরে’ গল্প অবলম্বনে মাসুম রেজার চিত্রনাট্যে প্রথমবারের মতো সিনেমা নির্মাণ করেছেন তরুণ নির্মাতা সোহেল রানা বয়াতি। গত বছরের শেষের দিকে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সিনেমাটি। সে সময় দর্শক ও সমালোচকদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়। এবার ‘নয়া মানুষ’ জায়গা করে নিয়েছে টরন্টো ফিল্ম ফোরাম আয়োজিত ৮ম টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। ৫ দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা উঠবে আগামী ২৪ আগস্ট, চলবে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত। যেখানে ২৮টি দেশের ৪৭টি সিনেমা প্রদর্শিত হবে। এর মধ্যে ২৫ আগস্ট স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টায় প্রদর্শিত হবে ‘নয়া মানুষ’। উৎসবে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে নির্মাতা সোহেল রানা বয়াতি বলেন, ‘নয়া মানুষ চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের মানুষের অন্তরের দর্শন তুলে ধরা হয়েছে। প্রান্তিক মানুষ মানবতাবাদের কতটা উচ্চস্থানে বাস করে তা দেখানোর চেষ্টা করেছি। আন্তর্জাতিক এই উৎসবে চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হওয়া আমাদের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। আমি বিশ্বাস করি, এই ধরনের চলচ্চিত্র ধীরে ধীরে দেশ-বিদেশের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের অন্তরে জায়গা করে নেবে। ’ ‘নয়া মানুষ’-এ মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রওনক হাসান ও মৌসুমী হামিদ। বিভিন্ন চরিত্রে আরও আছেন আশিষ খন্দকার, ঝুনা চৌধুরী, বদরুদ্দোজা, মাহিন রহমান, নিলুফার ওয়াহিদসহ অনেকে।
ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা, ঘুম হারিয়েছে ‘সাইয়ারা’ নায়িকার!

ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা, ঘুম হারিয়েছে ‘সাইয়ারা’ নায়িকার! মোহিত সুরির পরিচালিত সদ্য বলিউডে মুক্তি পাওয়া মিউজিক্যাল রোমান্টিক সিনেমা ‘সাইয়ারা’। এতে প্রথমবার জুটি বাঁধেন নবাগত অহন পান্ডে ও অনীত পড্ডা। মুক্তির পর থেকেই দর্শকের প্রশংসা, ভালোবাসা আর বক্স অফিসের সাফল্য- সবই পেয়েছে। তবে এত সাফল্যের পরও অনীত পড্ডার মনে মিশ্র অনুভূতি। ২২ বছরের এই তরুণী প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, ভালোবাসার বন্যা তাকে যেমন কৃতজ্ঞ করেছে, তেমনি ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি করেছে শঙ্কা। মূল নায়িকা হিসেবে অনীতের ‘সাইয়ারা’ প্রথম সিনেমা। সেখানেই করেছেন বাজিমাত। মুক্তির পরপরই রাতারাতি যেন পরিচিত নাম হয়ে উঠেছেন তিনি। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ‘সাইয়ারা’র কয়েকটি স্থিরচিত্র শেয়ার করে এক দীর্ঘ আবেগময় নোট লেখেন অনীত। সেখানে স্বীকার করেছেন, সাফল্যের এ আলো তাকে যতটা আনন্দ দিয়েছে, ততটাই ভীত করেছে। অনীত লেখেন, আমার ঘুম হারিয়ে গেছে। আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি, যদিও ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। কিন্তু জানি, আমি আপনাদের জন্য গভীর ভালোবাসা অনুভব করি। এই উজাড় ভালোবাসা যেন আমার মাথায় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বুঝে উঠতে পারছি না, কীভাবে তা ফিরিয়ে দেব। সামনে কী হবে ভেবে আমি ভয় পাচ্ছি। ভয় লাগছে, আপনাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারব তো? অনীত আরও লেখেন, আমার যা কিছু আছে, এমনকি ক্ষুদ্রতম অংশটুকুও আপনাদের জন্য উৎসর্গ করতে চাই। যদি তা আপনাদের হাসায়, কাঁদায় বা কোনো স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়, তাহলেই যথেষ্ট। হয়তো সে কারণেই আমি এখানে আছি। যোগ করে বলিউডের এই তরুণ তুর্কী লেখেন, আমি নিজেকে প্রমাণ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাব। নিখুঁত নই, তবে যা কিছু আছে, তার সবটুকু দিয়েই আপনাদের ভালোবাসব। অনীতের এ খোলামেলা আবেগভরা পোস্ট নেটিজেনদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। কেউ তাকে সাহস জুগিয়েছেন, কেউ আবার মন্তব্য করেছেন, আপনি যেভাবে অনুভূতি প্রকাশ করেছেন, তা সত্যিই অনন্য। বলিউডে একেবারেই নতুন নন অনীত। একাধিক জনপ্রিয় পণ্যের মডেল হিসেবে নজর কেড়েছেন এই নবীন। কৈশোরে কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতেও কাজ করেছেন। অভিনেত্রী ছাড়া গায়িকা, সুরকার হিসেবেও বলিউডপাড়ায় পরিচিত অনীত। সামনে অনীতকে ওয়েব সিরিজ ‘ন্যায়’-এ দেখা যাবে। নিত্যা মেহেরা ও করণ কাপাডিয়া পরিচালিত এই সিরিজে তার সহশিল্পী ফাতিমা সানা শেখ।
বিশ্বের সেরা ১০ সুন্দরী অভিনেত্রীর তালিকা প্রকাশ

বিশ্বের সেরা ১০ সুন্দরী অভিনেত্রীর তালিকা প্রকাশ ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ (আইএমডিবি) একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে বিশ্বের ১০ জন সুন্দরী অভিনেত্রীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে তারা যে শুধু সুন্দরী তেমন নন, পাশাপাশি তারা দাপটের সঙ্গে অভিনয়টাও করেন। এই তালিকায় রয়েছে পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমির ও বলিউড অভিনেত্রীর নাম হল কৃতি শ্যাননের নাম। তালিকার তৃতীয় স্থানে হানিয়া এবং কৃতির অবস্থান চতুর্থ। আইএমডিবি-এর তালিকা অনুসারে ২০২৫ সালের সেরা ১০ জন সুন্দরী অভিনেত্রীরা হলেন: ১. ম্যাককেনা গ্রেস- যুক্তরাষ্ট্র ২. জুলিয়া বাটার্স- যুক্তরাষ্ট্র ৩. হানিয়া আমির -পাকিস্তান ৪. কৃতি শ্যানন – ভারত ৫. ন্যান্সি ম্যাকডোনি- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র/দক্ষিণ কোরিয়া ৬. দিলরাবা দিলমুরাত- চীন ৭. শৈলেন উডলি- যুক্তরাষ্ট্র ৮. মার্গো রবি- অস্ট্রেলিয়া ৯. আনা দে আর্মাস- কিউবা স্পেন ১০. এমা ওয়াটসন- যুক্তরাজ্য
ধানুশের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে মুখ খুললেন ম্রুণাল

ধানুশের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে মুখ খুললেন ম্রুণাল বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুরের সঙ্গে দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ধানুশের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বেশ কিছু দিন ধরেই। তাদের একাধিক ভিডিও ক্লিপ সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন তারা। অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন ম্রুণাল। গুঞ্জন সম্পর্কে অবগত ম্রুণাল ঠাকুর। শুরুতে এটিকে ‘মজা’ হিসেবে দেখেছেন এই অভিনেত্রী। ‘অনলি কলিউড’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্রুণাল ঠাকুর সম্পর্কের বিষয়ে বলেন, ধানুশ কেবল আমার ভালো বন্ধু। আপনার জন্যই কি ‘সন অব সরদার টু’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে চেন্নাই থেকে মুম্বাই উড়ে গিয়েছিলেন ধানুশ? এই প্রশ্নের উত্তরে ম্রুণাল ঠাকুর বলেন, ধানুশ ‘সন অব সরদার টু’ সিনেমার ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন। এটাকে কেউ ভুলভাবে নেবেন না। কারণ উনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন অজয় দেবগন। একাধিকবার একসঙ্গে দেখা গেছে ধানুশ ও ম্রুণাল ঠাকুরকে। তাদের সম্পর্কের ব্যাপারটি প্রথম নজরে পড়ে, যখন ম্রুণাল ঠাকুরের জন্মদিনের পার্টিতে যান ধানুশ। এ পার্টিতে পরস্পরের হাত ধরে ঘনিষ্ঠভাবে দাঁড়িয়ে তাদের কথা বলতে দেখা যায়। এ মুহূর্তের ভিডিও ক্লিপ এখন অনলাইনে ভাইরাল। এরপর ম্রুণাল ঠাকুর অভিনীত ‘সন অব সরদার টু’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে অংশ নেন ধানুশ। সেখানেও একে অপরকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায়। মূলত, তারপরই অনেকের মনে প্রশ্ন- তারা কি শুধুই বন্ধু, না কি এর চেয়েও বেশি কিছু? ম্রুণাল ‘বন্ধু’ বললেও এখনো নীরব ধানুশ। কিংবদন্তি তামিল অভিনেতা রজনীকান্তের বড় মেয়ে ঐশ্বরিয়া রজনীকান্তের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন ধানুশ। ২০০৪ সালে বিয়ে করেন তারা। এই দম্পতির দুই ছেলে যাত্রা ও লিঙ্গা রয়েছে। তবে ২০২২ সালের শুরুতে ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার ঘোষণা দেন ধানুশ-ঐশ্বরিয়া।
ডার্লিং’ সম্বোধন, সৎ মেয়ে সারার জন্মদিনে যা বললেন কারিনা

‘ডার্লিং’ সম্বোধন, সৎ মেয়ে সারার জন্মদিনে যা বললেন কারিনা সম্পর্কে সৎ মা হলেও সাইফ আলি খানের প্রথম দুই পক্ষের সন্তানের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানের। যে কোনও উৎসব অনুষ্ঠানে নবাব বাড়ির সবাই একফ্রমে ‘হ্যাপি ফ্যামিলি’ হিসেবে ধরা দেন। সারা আলি খান এবং ইব্রাহিম আলি খানের সঙ্গে বন্ধুর মতো সম্পর্ক কারিনার। এবার সৎ মেয়ের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে আবেগঘন পোস্ট কারিনার। সাইফ-কারিনা দম্পতির দুই সন্তান জেহ এবং তৈমুর। সুপারস্টার নবাবের আগের পক্ষের ছেলে ইব্রাহিম ও মেয়ে সারা। সেই প্রেক্ষিতে জেহ এবং তৈমুরের বড় বোন সারা আলি খান। অভিনেত্রীকে বড় বোনের মতোই মানেন বাকি তিন ভাই। ভাইফোঁটা, রাখি হোক কিংবা পরিবারের কারও জন্মদিন, সারা পৌঁছে যান বান্দ্রার শদগুরু সরণে। সৎ ভাইদের সঙ্গে তার খুনসুটির মুহূর্ত একাধিকবার অনুরাগীদের মন জয় করেছে। এদিকে পরিবারের বড় সন্তান অর্থাৎ একমাত্র কন্যা সারার জন্মদিনে সৎ মায়ের পক্ষ থেকে এলো দারুণ শুভেচ্ছাবার্তা। সাইফকে পাশে নিয়ে দুই সৎ সন্তান সারা-ইব্রাহিমের সঙ্গে এক অদেখা ছবি পোস্ট করেছেন কারিনা। সাদাকালো ফ্রেম হলেও সেই ছবিতে নজর কাড়ল সৎ মা কারিনার সঙ্গে তাদের মিষ্টি রসায়ন। ছবির ক্যাপশনে সারা আলি খানকে ‘ডার্লিং’ বলে সম্বোধন করেন করিনা। এই অভিনেত্রী লেখেন, শুভ জন্মদিন ডার্লিং সারা। জীবনের সেরা জন্মদিন কাটাও। অনেকটা ভালোবাসা রইল। ১৯৯৫ সালের ১২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন সাইফ-অমৃতার প্রথম সন্তান সারা আলি খান। চলতি বছর ৩০-এ পা দিলেন নবাবকন্যা। বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম পরিচিত মুখ তিনি। সারা আলি খানের সঙ্গে সৎ মা কারিনা কাপুর খানের সম্পর্ক কেমন? বলিপাড়ায় অনেক জল্পনাই শোনা যায়। কিন্তু নবাব পরিবার ঘনিষ্ঠরা জানেন, কারিনা এবং সারা দু’জনেই বুদ্ধিমতী। ওরা জানেন কীভাবে সম্পর্ক বজায় রাখতে হয়। এ প্রসঙ্গে বছর খানেক আগে নবাবকন্যা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, কারিনা ভীষণ পেশাদার এবং যেভাবে নিজের কাজ আর ব্যক্তিগত জীবন ব্যালেন্স করে চলেন, সেটা শেখার মতো। উনি আমাকে মাঝেমধ্যে নানা পরামর্শ দেন এবং আমি সেগুলো মেনে চলার চেষ্টা করি। কারিনার পরামর্শ মেন চলার কারণ হিসেবে সারা বলেছিলেন, উনি সফল অভিনেত্রী। আমাদের সম্পর্ক বরাবর বন্ধুত্বপূর্ণ। তার নেপথ্যে অবশ্য কারণ আছে। প্রথমত, কারিনা কোনওদিন আমার মা হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি এবং বাবাও কখনও জোর করে আমাদের ওপর সম্পর্কটা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেননি।
মারা গেছেন গায়ক আতিফ আসলামের বাবা

মারা গেছেন গায়ক আতিফ আসলামের বাবা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পাকিস্তানি গায়ক আতিফ আসলামের বাবা মারা গেছেন। তার বাবা মোহাম্মদ আসলাম গতকাল শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৭ বছর। পাকিস্তানের সংগীত অঙ্গন ও বলিউডের বহু জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দেওয়া আতিফ আসলাম সামাজিকমাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে বাবার মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, আমার ‘আয়রন ম্যান’-কে শেষ বিদায়। ভালোবাসায় শান্তিতে থাকুন, আবু জি। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। পোস্টের সঙ্গে তিনি বাবার সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৭৭ বছর বয়সী মোহাম্মদ আসলাম দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন এবং কয়েক মাস আগে হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। গতকাল আসরের নামাজের পর লাহোরের ভ্যালেন্সিয়া টাউনে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বাবা হারানোর কথা ছড়িয়ে পড়লে বিনোদন জগতসহ আতিফের দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত শোক প্রকাশ করেছেন। শিল্পী, সেলিব্রিটি এবং ভক্তরা সামাজিকমাধ্যমে সমবেদনা জানাচ্ছেন। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নবাজ শরিফও গভীর শোক প্রকাশ করে আতিফ আসলাম ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ও শক্তি দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করেন।
রাজের বুকের বাঁ দিকটা চিনচিন-ঝিনঝিন কোনোটাই করে না

রাজের বুকের বাঁ দিকটা চিনচিন-ঝিনঝিন কোনোটাই করে না একসময় চুটিয়ে প্রেম করেছেন শুভ গাঙ্গুলি ও দেব। সেই প্রেম ভাঙার পর পরিচালক রাজ চক্রবর্তীকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন শুভশ্রী। দেব নিজের জীবন জড়িয়েছেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রর সঙ্গে। দেব-শুভশ্রীর প্রেম ভাঙার পর মুখ দেখাদেখিও বন্ধ ছিল। পেশাগত কারণে ফের একমঞ্চে উপস্থিত হয়ে হইচই ফেলে দিয়েছেন এই যুগল। দেব-শুভশ্রী একমঞ্চে হাজির হওয়ার পর নেটিজেনরা দারুণভাবে চর্চায় মেতে ওঠেন। আক্রমণ করে মন্তব্য করেছেন রাজের প্রাক্তন স্ত্রী শতাব্দী। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেন—“কিরে, কেমন লাগছে? আমারও ঠিক এরকমই লেগেছিল, ঠিক এইরকমই। বুঝলে তো? হিস্টোরি রিপিটস। বুকের বাঁ দিকটা চিনচিন করছে তো… আমারও করেছিল, ঠিক তেরো বছর আগে।” রাজের প্রাক্তন স্ত্রীর এই মন্তব্য নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়। এ নিয়ে সরব হয়েছেন শুভশ্রীর বড় বোন অভিনেত্রী দেবশ্রী গাঙ্গুলি। তার ভাষায়, “না, বুকের বাঁ দিকটা ওর চিনচিন, ঝিনঝিন কোনোটাই করেনি। ওর নাম রাজ চক্রবর্তী। উনি শুধু সফল পরিচালক, প্রযোজক বা বিধায়ক নন, সফল স্বামী এবং বাবাও। শুধুই নিজের নির্বাচনী এলাকার মানুষদের নয়, নিজের পরিবারেরও যত্ন নিতে জানেন। রাজ চেনেন তার অভিনেত্রী স্ত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে।” এই দেখা সেই দেখা নয়! রাজ জানেন, একটা সিনেমা কীভাবে দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়। রাজই তার স্ত্রীর সবচেয়ে বড় সমর্থক, উৎসাহদাতা, ‘চিয়ার লিডার’ বলেও জানান দেবশ্রী। শুভশ্রীর সবকিছুই জানেন দেবশ্রী। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বলেন, “আমি আমার ছোট বোনের জন্ম, বেড়ে ওঠা, ইন্ডাস্ট্রি জয় করা, দেবের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং মন ভাঙা—সবকিছুর সাক্ষী। আজ আমি খুব গর্ব করে, অহংকার করে বলি, শুভ শুধুই যে প্রত্যেক মুহূর্তে নিজেকে ভেঙেগড়ে দক্ষ অভিনেত্রী হয়েছে তা নয়। তারচেয়েও বড়, আমার বোন সাফল্যের শিখর ছুঁয়েও নিখুঁতভাবে নিজের সংসার, স্বামী-সন্তানের দেখভাল করছে। এই ভারসাম্য খুব কম মেয়ে রক্ষা করতে পারে।” দেব-শুভশ্রীর একমঞ্চে দাঁড়ানোর নেপথ্যে রয়েছেন রাজ ও রুক্মিণীর অবদান। তা উল্লেখ করে দেবশ্রী বলেন, “সে দিন নজরুল মঞ্চে ইতিহাস তৈরি হলো। তার নেপথ্যে শুধুই কি দেব বা শুভশ্রী? তা তো নয়। কী করে অস্বীকার করা যাবে তাদের জীবনসঙ্গীদের! তারা ভরসা রেখেছেন বলেই এই ‘ইতিহাস’ তৈরি হতে পারল। ভুলে যাবেন না, দেব-শুভশ্রী দু’জনেই পেশাদার। ওরা কাজ করে নিজের বাড়ি ফেরে। আমার বোন কারো বউ। দুই সন্তানের মা। দেব তেমনই কারো সন্তান, কারো প্রেমিক।” প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে দেবশ্রী গাঙ্গুলি বলেন, “আজ এই বয়সে এসে ওরা দু’জনেই জানে, কোথায় সীমা টানতে হয়। তাই রাজের বুকে চিনচিনে ব্যথা হয় না। বরং গর্বে বুক ফুলে ওঠে। ‘প্রাক্তন’ শব্দটা ভীষণ ভারী। সবার জন্যই। কিছু কিছু মানুষ সেই ভার সারা জীবন বহন করে চলে না। এটাও একটা ‘আর্ট’ মনে হয়। আবার নিজের জীবন নিজের মতো করে গুছিয়ে নেওয়াটাও তো এ রকম ‘আর্ট’ বা শিল্প। আপনারা কী বলেন?” শুভশ্রীর মানসিক পরিপক্কতার প্রশংসা করে দেবশ্রী বলেন, “তাহলে কি আমার বোন আগের তুলনায় অনেক সংযত? এখন আর আগের মতো নিজের আবেগ, অনুভূতি প্রকাশ করে না? আমি বলব, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেকোনো মানুষেরই বদল হয়। যদিও সবটাই নির্ভর করে সেই মানুষটার উপর। শুভ অবশ্যই নিজেকে সংযত করেছে। তাই বলে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে না, সে কথাই বা কী করে বলি? ও যে ভীষণ অনুভূতিপ্রবণ। এ প্রসঙ্গে নচিদার (নচিকেতা চক্রবর্তী) গানের কথায় বলতে হয়, ‘যার উষ্ণ আঁচে, ভালোবাসা বাঁচে…’। এখনো আমাদের দেখা হওয়ার পরে ও যেভাবে জড়িয়ে ধরে, মনের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। আমার মনে হয় শুভ জানে, আবেগ, অনুভূতি— এগুলো কার কাছে প্রকাশ করবে।” খানিকটা ব্যাখ্যা করে দেবশ্রী বলেন, “আমি একে ঠিক বদল বলব না। শুভ আগের তুলনায় অনেক বেশি অভিজ্ঞ হয়েছে। নিজের জীবন দিয়ে সঠিকটা বেছে নিতে শিখেছে। সারাক্ষণ চেষ্টা করে, পৃথিবীর সমস্ত নেতিবাচকতা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে। আগের তুলনায় আরো আধ্যাত্মিক মনের হয়েছে। এটাও ওকে মাটির কাছাকাছি থাকতে সাহায্য করে। নিজের শিকড় শুভ কখনো ভোলে না। তাই হয়তো ঘরে-বাইরে আজ এত সফল। এটাও তো এক রকমের ‘আর্ট’!” রাজ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ স্বামী উল্লেখ করে দেবশ্রী বলেন, “এর জন্য রাজের ভূমিকা অনেক। একজন মেয়ের পরিবার এবং পেশা—দুটো দিকে ভারসাম্য রেখে চলা তখনই কঠিন, যখন নিজের জীবনের উপর তার কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। সংযত, সুশৃঙ্খল জীবনযাপন, স্বামী-সন্তান আর নিজের কাজের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা, সবটাই আমার ভগ্নিপতির মতো বর পেয়েছে বলেই শুভ পারে। সবকিছু দু’জনে ভাগ করে নেয়। আমি বাবা আমার জামাইকে নিয়ে একটু বেশিই পক্ষপাতদুষ্ট। আগেও বলেছি, এখনো বলি, আমার চোখে দেখা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ স্বামী রাজ চক্রবর্তী।”