কঠোর প্রতিযোগিতা নিয়ে বললেন বিটিএস দলনেতা আরএম

কঠোর প্রতিযোগিতা নিয়ে বললেন বিটিএস দলনেতা আরএম কোরিয়ান পপুলার মিউজিক বা ‘কে-পপ’ এর কঠোর প্রতিযোগিতা নিয়ে মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরীয় পপ ব্যান্ড বিটিএস গ্রুপের দলনেতা আরএম। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘কে-পপ’ তারকারা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য বছরের পর বছর কঠোর প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যান। এমনকি অভিষেকের পরেও তারা নিজেদেরকে ওই প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দেন। এই ব্যবস্থা সম্পর্কে আপনার মতামত কী?” বিষয়টি নিয়ে কথা বলায় তেমন আগ্রহ দেখালেন না বিটিএস দলনেতা আরএম। তিনি বলেন, “আমি যখন এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিই আমার কোম্পানি তা পছন্দ করে না। কারণ এ ব্যাপারে আমি খুব অল্প জ্ঞান রাখি। আবার দেখা যায়, কিছু সাংবাদিক শিরোনাম লিখে ফেলবেন- ‘আরএম এটিকে ভয়ঙ্কর ব্যবস্থা আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেছেন এটি তরুণদের ধ্বংস করে!’ অথচ আমার মতে এটি একটি নিজস্ব পন্থা। যে ব্যবস্থা অনন্য একটি শিল্পকে গঠনে ভূমিকা পালন করেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চুক্তির শর্তাবলী এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতির মতো বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।” এরপর তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, “কে-পপের তারুণ্য, পরিপূর্ণতার প্রতি আবেশ এবং ক্রমাগত উত্তেজনা কি কোরিয়ান সংস্কৃতির জন্য অনন্য কিছু?” জবাবে কোরিয়ার অতীত, বর্তমান এবং আজকের অতি-প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার পেছনের ইতিহাসের গুরুত্ব সম্পর্কে তুলে ধরেন আরএম। তিনি বলেন, “পশ্চিমারা বুঝতে পারে না। কোরিয়া এমন একটি দেশ যেখানে আক্রমণ হয়েছিল, ধ্বংস করা হয়েছিল এবং তারপর দেশটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছিল। মাত্র ৭০ বছর আগে আমাদের কিছুই ছিল না। আমরা এমন একটি দেশ ছিলাম যার আইএমএফ এবং জাতিসংঘের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এখন, আমরা এমন একটি জাতি যা পুরো বিশ্ব দেখছে। এটা কীভাবে সম্ভব হয়েছিল? কারণ মানুষ এগিয়ে যাওয়ার জন্য পাগলের মতো কাজ করেছে। তারপর ফ্রান্স বা যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো, যারা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অন্যদের উপনিবেশ করে আসছে, তারা এখানে এসে বলে- বাহ… তোমরা নিজেদের ওপর খুব বেশি কঠোর। কোরিয়ার জীবন এতটাই চাপের!”
চার বছরের প্রে*মে ভা*ঙন, কাঁদলেন মাহি

চার বছরের প্রে*মে ভা*ঙন, কাঁদলেন মাহি এ সময়ের ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি। মডেলিং দিয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু হলেও খুব অল্প সময়ে সাবলীল অভিনয় দিয়ে নিজেকে জানান দেন এই অভিনেত্রী। ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও এখন বেছে বেছে কাজ করছেন মাহি। গেল চার বছর ধরে সাদাত শাফি নাবিল নামের একজনের সঙ্গে প্রেম করছেন তিনি। মাহির সেই সম্পর্ক ভেঙে গেছে। বিষয়টি অভিনেত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন। বছর দুয়েক আগে প্রকাশ্যে এসেছিল তাদের প্রেমের বিষয়টি। এবার দুজনের সম্পর্ক যে তিক্ততায় গড়িয়েছে, সেটিও সামনে আনলেন অভিনেত্রী। জানালেন রীতিমতো শনির দশা পার করছেন তিনি। ২৩ এপ্রিল দিবাগত রাতে নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বেশকিছু ছবি পোস্ট করেছেন মাহি। সেখানেই তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। মাহির কথায়, গত কয়েকটা দিন খুব কষ্টের কেটেছে… ট্রোল্ড হওয়া থেকে শুরু করে আমার বোনের বিয়ের দায়িত্ব বহন করা, আমার সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া- সবকিছু মিলিয়ে আমি ভেঙে গেছি, হারিয়ে গেছি। অনেক কিছু হয়েছে। ব্যক্তিজীবনে যাদের কষ্ট দিয়েছেন, তাদের প্রতিও দুঃখপ্রকাশ করেছেন মাহি। তিনি বলেন, আমি ভুল করেছি, যা অনেককেই কষ্ট দিয়েছে, এটাও আমি বহন করে গেছি। আমি জানি আমি হৃদয় ভেঙেছি, এর জন্য আমি দুঃখিত এবং আমি বলতে ভয় পাই না যে আমি ভেঙে পড়েছি। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে কান্নার ছবি পোস্ট করে মাহি লেখেন, আমার এই দুর্বলতম সময়েও আমি জানি, উঠে দাঁড়ানোর শক্তি আমাকে ছেড়ে যায়নি। আমি এখন শুধুই ক্লান্ত, তবে পরাজিত নই। যদি সবার সঙ্গে হাসি শেয়ার করা যায়, তাহলে আমি বলব চোখের জলও শেয়ার করা যায়। জীবনে দুঃসময়গুলো খুব ভালো করেই দেখেছেন অভিনেত্রী। হয়তো সে কারণেই তিনি লেখেন, ‘জীবন সবসময় পরিশ্রুত ও নিখুঁত হয় না এবং আজকে আমার কাছে এটাই সত্য। এর আগে, বছরখানেকের বন্ধুত্বের পর প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন মাহি। পরিচয়ের পর নিয়মিত কথা হতো তাদের। কথা বলা থেকে ভালোলাগা শুরু এবং প্রেম। তাদের দুই পরিবার বিষয়টি জানতো এবং সম্পর্ক মেনে নিয়েছিলেন। এবার চার বছরে সম্পর্কে বিরহের সুর।
হিমির অনন্য রেকর্ড, শত নাটকের ভিউ কোটি পেরিয়ে

হিমির অনন্য রেকর্ড, শত নাটকের ভিউ কোটি পেরিয়ে ছোট পর্দার অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। নাচ থেকে মডেলিং, তারপর অভিনয়ে নাম লেখান তিনি। অল্প সময়ের ক্যারিয়ারে অভিনয় দক্ষতায় তুমুল ব্যস্ত অভিনেত্রী হিমি। ভিউয়ের প্রতিযোগিতায়ও পিছিয়ে নেই এই অভিনেত্রী। হিমি অভিনীত শতাধিক নাটকের ভিউ ১ কোটি করে ছাড়িয়েছে। অভিনেত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, ১০৯টি নাটকে প্রতিটি ১ কোটি ভিউ! হিমির সাফল্যে গর্বিত টিম হিমি! এরপর থেকে শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছেন এই অভিনেত্রী। রায়হান কবীর নামের একজন লেখেন, ‘আমার অনেক পছন্দের অভিনেত্রী। আর নিলয় ভাইয়ের সঙ্গে জুটিটা অনেক ভালো মানায়। ’সুমি নামের আরেকজন লেখেন, ‘মাশাআল্লাহ, অভিনন্দন। আসলেই হিমি আপুর নাটক অনেক ভালো লাগে। ’ এমন অসংখ্য মন্তব্য শোভা পাচ্ছে কমেন্ট বক্সে। কিছু দিন আগে আলোচিত টেলিফিল্ম ‘বড় ছেলে’র ভিউয়ের রেকর্ড ভেঙেছে একক নাটক ‘শ্বশুরবাড়িতে ঈদ’। মহিন খান নির্মিত এই নাটকের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নিলয় আলমগীর ও জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। বাংলা নাটকের ভিউয়ে এটি এখন শীর্ষে অবস্থান করছে। যদিও ভিউ দিয়ে গুণ বিচারের পক্ষে নন হিমি। এক সাক্ষাৎকারে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি ভিউ বা টাকার জন্য অভিনয় করি না। ’ হিমি নাটকের মানুষ হলেও ছোটবেলা থেকে ছায়ানটে নজরুলসংগীতে তালিম নিয়েছেন। বরেণ্য সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরার কাছেও গানের তালিম নেন। তবে হাতেখড়ি হয় সাধনা মিত্রের কাছে। নাটকের পাশাপাশি কলকাতার একটি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন হিমি।
একজনের ওপরে নজরদারি করতে চান সামান্থা

একজনের ওপরে নজরদারি করতে চান সামান্থা প্রেম করে বিয়ে করছিলেন কিন্তু সেই বিয়ে স্থায়ী হয়নি সামান্থা রুথ প্রভুর। শোভিতা ধুলিপালার সঙ্গে নাগা চৈতন্যের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকায় বিচ্ছেদ হয়েছিল তাদের। স্বামী বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়াচ্ছেন কি না, এই বিষয়ে কখনও জানার চেষ্টা করেছিলেন কি না, নাগার চলাফেরায় কখনও নজরদারি করেননি, সম্প্রতি এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় অভিনেত্রীকে। ‘সিটাডেল: হানি বানি’ ওয়েব সিরিজে এক গুপ্তচরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সামান্থা। কিন্তু বাস্তবে আড়ি পাতা বা কারও উপর নজরদারি, এ সব কিছুই করেননি তিনি। তবে এক পুরনো সাক্ষাৎকারে আক্ষেপ করে সামান্থা জানিয়েছিলেন, একজনের ওপরে তার নজরদারি চালানো উচিত ছিল। সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল নেটপাড়ায়। প্রশ্ন উঠেছিল, সামান্থা কি নাগা চৈতন্যের কথা বলছেন? সামান্থা সেই সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, গুপ্তচরের কোনও গুণাগুণ আমার মধ্যে নেই। তবে থাকলে ভালো হত। একজনের উপরে আমি নজরদারি করতাম। হাসতে হাসতেই এই মন্তব্য করেছিলেন অভিনেত্রী। এই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই সামান্থার এক অনুরাগী লিখেছিলেন, আমি নিশ্চিত। সামান্থা সম্পর্কে প্রতারিত হয়েছেন। তবে সেই কথা তিনি প্রকাশ্যে বলবেন না। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে দাম্পত্যে ইতি টেনেছিলেন সামান্থা ও নাগা চৈতন্য। গত বছর শোভিতা ধুলিপালাকে বিয়ে করেছেন নাগা। তবে সামান্থা এখনও একা। সব শেষ তাকে দেখা গেছে ‘সিটাডেল: হানি বানি’ ওয়েব সিরিজেই।
মেয়ের প্রেমের কথা শুনলে বন্দুক তুলবেন অজয়

মেয়ের প্রেমের কথা শুনলে বন্দুক তুলবেন অজয় বলিউডের সফল তারকা জুটি কাজল- অজয় দেবগন। তাদের একমাত্র কন্যা নাইসা দেবগন এখনও অভিনয়ে আসেনি, কিন্তু এই স্টারকিডকে নিয়ে চর্চার শেষ নাই নেটদুনিয়ায়। প্রায়ই বন্ধুদের সঙ্গে মুম্বাইয়ের রেস্তরাঁ থেকে নৈশভোজ সেরে বের হতে দেখা যায় নাইসাকে। সেই সব ভিডিও স্যোশাল মিডিয়ায ছড়িয়ে পড়ে মুহূর্তেই। কিছু ভিডিও তাকে মাদকাসক্ত হিসেবেও দেখা গিয়েছে বলে দাবি নেটিজেনদের। এ বার মেয়ের প্রেমের বিষয়ে মুখ খুললেন স্বয়ং কাজল। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে কাজল জানান, প্রেমের বিষয়ে পরামর্শ নিতে কন্যা তার কাছেই আসেন। বাবার সামনে প্রেম নিয়ে আলোচনা করার সাহস নেই নাইসার। কন্যার প্রেমের কথা শুনলে নাকি হাতে বন্দুক নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন অজয়! কাজলকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, প্রেম-ভালবাসার বিষয়ে ছেলেমেয়েরা কার সঙ্গে কথা বলতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন? উত্তরে কাজল বলেছিলেন, ‘আমি নিশ্চিত, নাইসা কখনওই ওর বাবার কাছে প্রেমিক বা প্রেম নিয়ে কোনও কথা বলতে যাবে না। এই সব শুনলে হয়তো অজয় হাতে বন্দুক তুলে নিয়ে প্রশ্ন করবে, ‘ছেলেটা কোথায়? এখনই ছেলেটাকে সামনে নিয়ে এসো’।’ এই ভেবেই বাবাকে নিজের প্রেম-জীবনের কথা বলার সাহস পান না নাইসা। তবে পুত্র যুগ আবার বাবার সঙ্গে বেশি স্বচ্ছন্দ। এর আগে অজয় এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, পুত্র তার সঙ্গেই প্রেম সংক্রান্ত সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। যুগের বয়স ১৪ পেরিয়েছে। কিশোর বয়সের প্রেম নিয়ে কোনও কথা বলে সে? প্রশ্ন করতেই অজয় বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, ও আমার সঙ্গে সব আলোচনা করে। আমরা পরস্পরের সঙ্গে খুব খোলামেলা থাকি।’ কাজলকে তার পরবর্তী সিনেমা ‘মা’ তে দেখা যাবে। বর্তমানে অভিনেত্রী সে সিনেমা নিয়েই ব্যস্ত আছেন। ভৌতিক এ সিনেমায় কড়া মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রীকে। অন্য দিকে, অজয় ব্যস্ত ‘রেড ২’ সিনেমা নিয়ে।
হুমকি দিয়ে লাভ নেই, ‘বরবাদ’ প্রসঙ্গে ওমর সানি

হুমকি দিয়ে লাভ নেই, ‘বরবাদ’ প্রসঙ্গে ওমর সানি পবিত্র ঈদুল ফিতরে বেশ কটি সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। সবকটি সিনেমাই দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। তবে শাকিব খান অভিনীত ‘বরবাদ’ সিনেমা নিয়ে অধিক চর্চা হচ্ছে। বক্স অফিসে আয়ের হিসাব ঢাকাই সিনেমার জন্য আশা জাগানিয়া। দেশের নির্মাতা-অভিনেতারা ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা নিয়ে প্রশংসা করছেন। এবার এ নিয়ে নিজের বক্তব্য জানালেন চিত্রনায়ক ওমর সানি। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) নিজের ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে নিজের ভাবনার কথা জানান ‘কুলি’ তারকা। ওমর সানি বলেন, “এবার ঈদে ‘বরবাদ’ বাম্পার হিট, এটা অস্বীকার করার কোনো কারণ নেই। অন্য সিনেমা সুপার হিট, হিট, ফ্লপ সেটাও অস্বীকার করার কোনো কারণ নেই, ভালোটার প্রশংসা করতেই হবে। আমি বলছি অন্য কথা, হিসাব আমরা যা দেখছি এভাবে যদি কলের পানির মতো টাকা আসতো তাহলে আমরা বসে থাকতাম না, সিনেমা বানাতাম। আমাদেরও প্রোডাকশন ছিল, সিনেমাও বাম্পার হয়েছে সবাই জানে, তার সাথে সাথে কেউ যদি প্রশংসা করে কিংবা সমালোচনা করে তাকে হুমকি দিতে হবে এটা ঠিক না।” ‘ফ্লপ’ নয় ‘হিট’ শব্দটা শুনতে চান ওমর সানি। তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রশংসা করলেও বিপদ, অন্য আরেকজন এসে বলবে, ‘আপনি প্রশংসা করলেন কেন?’ প্রশংসাও করতে হবে, সমালোচনাও করতে হবে, একসাথে কাজও করতে হবে, হুমকি দিয়ে কোনো লাভ নেই; এগুলি শুনতে আর ভালো লাগে না। হিসাব দেবার কিছু নাই, পরবর্তী সিনেমার প্ল্যান করেন চলচ্চিত্রের মানুষ কাজ পাক, সেটা আমরা চাই, বাম্পারহিট শুনতে চাই, সুপারহিট শুনতে চাই, হিট শুনতে চাই, ফ্লপ শব্দটা শুনতে চাই না। শুনতে চাই, এই টাকা দে সিনেমা বানাই।” ওমর সানির বক্তব্যের বিষয়গুলো স্পষ্ট হলেও, কে বা কারা হুমকি দিচ্ছেন সে বিষয়টি পরিষ্কার করেননি। এ নিয়ে নেটিজেনরাও তাকে প্রশ্ন করেছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে আলাদা কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ‘বরবাদ’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইধিকা পাল। এছাড়াও অভিনয় করেছেন যীশু সেনগুপ্ত, শহীদুজ্জামান সেলিম, মিশা সওদাগর, ইন্তেখাব দিনার, মামুনুর রশীদ প্রমুখ। একটি আইটেম গানে পারফর্ম করেছেন কলকাতার নায়িকা নুসরাত জাহান।
এবারের ঈদুল আজহায় রুপালি পর্দা মাতাবেন যেসব তারা

এবারের ঈদুল আজহায় রুপালি পর্দা মাতাবেন যেসব তারা এবারের ঈদুল ফিতরে ঢাকা্ই সিনেমাপাড়া ছিল বেশ জমজমাট। ঈদের পর ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও প্রেক্ষাগৃহগুলোতে ঈদের সিনেমা দেখা নিয়ে চলছে উন্মাদনা। শাকিব, সিয়াম আর আফরান নিশোর ছবি দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন দর্শক। সারা বছর ধুঁকে ধুঁকে চলা সিনেমা হলগুলোও যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে, যার দরুণ হল মালিকেরাও দারুণ খুশি। তার রেশ ধরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়ে গেছে আসন্ন ঈদুল আজহায় মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ঘিরে। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদুল ফিতরের মতো ঈদুল আজহায়ও এই দর্শক উন্মাদনা বিরাজ করবে। কারণ যে ছবিগুলো মুক্তির কথা শোনা যাচ্ছে তাতে রয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় তারকারা। শাকিব খান থেকে শুরু করে জয়া আহসান, আরিফিন শুভ, শরিফুল রাজ, বাঁধন, তাসনিয়া ফারিণের মতো তারকাদের ছবি আসতে পারে ঈদুল আজহায়। জেনে নেওয়া যাক, এবারের ঈদুল আজহায় মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ঢাকাই সিনেমাগুলো সম্পর্কে- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, আসন্ন ঈদকে ঘিরেই বড় আয়োজনে নির্মিত হচ্ছে ‘তাণ্ডব’। এখন পুরোদমে চলছে সিনেমাটির শুটিং। এর মধ্য দিয়ে ‘তুফান’ এর সাফল্যের পর আবারও পর্দায় জুটি হয়ে আসছেন রায়হান রাফী ও শাকিব খান। স্বভাবতই এই সিনেমা নিয়ে দর্শক আগ্রহ থাকবে তুঙ্গে। সিনেমাটিতে শাকিব খান ছাড়াও একটি বিশেষ চরিত্রে (সাংবাদিক) থাকছেন জয়া আহসান। তবে শাকিবের বিপরীতে কে থাকছেন, তা এখনো প্রকাশ্যে আনেননি নির্মাতা। ‘তাণ্ডব’-এর নির্মাতা রায়হান রাফী বলেন, ‘কোরবানি ঈদ আমার জন্য খুব লাকি। সেই ধারাবাহিকতায় ‘তাণ্ডব’ কোরবানি ঈদেই আসছে। এখন পুরোদমে চলছে শুটিং। ‘তুফান’-এর পর দর্শক এখানে অন্য রকম এক শাকিব খানকে দেখতে পাবে, যেমনটা আগে কখনো দেখেনি।’ এবার ঈদুল আজহায় দেখা যেতে পারে আরিফিন শুভকেও। অনেক বছর ঈদে তার দেখা মেলেনি, তবে এবার স্বরূপে হাজির হবেন তিনি। তার অভিনীত ‘নীলচক্র’ সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে। মিঠু খান পরিচালিত এ সিনেমায় আরিফিন শুভর সঙ্গে দেখা যাবে মন্দিরা চক্রবর্তীকে। কোরবানি ঈদকে ঘিরে নির্মিত হচ্ছে আরেক সিনেমা ‘ইনসাফ’। ঈদুল ফিতরে মুক্তির লক্ষ্যে নির্মাণ শুরু করলেও এখন এটি ঈদুল আজহাকে টার্গেট করেই এগোচ্ছে। ইতিমধ্যে সিনেমাটির ৯৫ ভাগ শুটিং শেষ বলে জানা গেছে। এই সিনেমার মধ্য দিয়ে অনেক দিন পর পর্দায় ফিরছেন শরিফুল রাজ। তার সঙ্গে পর্দায় হাজির হবেন মোশাররফ করিমও। সঞ্জয় সমাদ্দার পরিচালিত এই সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ। সঞ্জয় সমদ্দার বলেন, ‘সিনেমার শুটিং একদম শেষের দিকে। ৯৫ ভাগ অংশের কাজ শেষ বলা যায়। দুই-তিন দিন শুটিং করলে ‘ইনসাফ’ এর ক্যামেরা ক্লোজ হবে। এখন পর্যন্ত পরিকল্পনা রয়েছে সিনেমাটি ঈদুল আজহাতে মুক্তি দেওয়ার।’ ‘টগর’ নিয়ে আসন্ন ঈদে হাজির হবেন আদর আজাদ ও পূজা চেরী জুটি। ইতিমধ্যেই সিনেমাটির মুক্তি ঘিরে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন তারা। এটি পরিচালনা করেছেন আলোক হাসান। ঈদুল আজহায় মুক্তির তালিকায় রয়েছে ‘এশা মার্ডার: কর্মফল’ সিনেমাটিও। আসন্ন ঈদে মুক্তির লক্ষ্যে পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এর নির্মাতা সানী সানোয়ার। মার্ডার মিস্ট্রি গল্পে এই সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন আজমেরী হক বাঁধন, পূজা ক্রুজ প্রমুখ। সানী সানোয়ার বলেন, ‘আমরা পুরোদমে চেষ্টা করছি আসন্ন ঈদে মুক্তি দেওয়ার। এখনো দুই দিনের শুটিং বাকি রয়েছে। এ ছাড়া বাকি অংশটুকুর পোস্ট প্রডাকশনের কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমরা গুছিয়ে নিয়ে আসতে পারি তাহলে অবশ্যই ঈদে দেখা হবে।’ ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে পারে আদর আজাদ অভিনীত ‘পিনিক’। জাহিদ জুয়েল পরিচালিত এ সিনেমায় আদরের বিপরীতে দেখা যাবে শবনম বুবলীকে। অন্যদিকে জিয়াউল রোশান অভিনীত দুই সিনেমা ‘পুলসিরাত’ ও ‘জামদানি’র কথাও শোনা গেছে। তবে এই সিনেমাগুলো নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি নির্মাতারা।
লড়াই শেষে শ্রাবন্তীর বিচ্ছেদে সিলমোহর দিলেন আদালত

লড়াই শেষে শ্রাবন্তীর বিচ্ছেদে সিলমোহর দিলেন আদালত গেল কয়েক বছর ধরেই আলাদা থাকছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি ও তার স্বামী রোশান সিং। স্ত্রীর সঙ্গে পুনরায় সংসার করার জন্য মামলাও দায়ের করেন রোশান। কিন্তু তাতে সায় না দিয়ে বিয়েবিচ্ছেদ চেয়ে আদালতে মামলা করেন শ্রাবন্তী। শুধু তাই নয়, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে খোরপোশ বাবদ অর্থও দাবি করেন এই অভিনেত্রী। এরপর এই মামলায় স্থগিতাদেশ দেন আদালত। সব জটিলতার অবসান ঘটিয়ে আইনি বিয়েবিচ্ছেদে সিলমোহর দিলেন আদালত। বিবাহবিচ্ছেদের তথ্য নিশ্চিত করে রোশান সিং বলেন, সবকিছুই খুব শান্তিপূর্ণভাবে মিটেছে। ৮ এপ্রিল থেকে আমরা প্রেম-বিয়ের আগে যেমন অপরিচিত ছিলাম, সে রকমই আরও একবার পরস্পরের অপরিচিত হয়ে গেছি। সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে শ্রাবন্তী-রোশান দম্পতির আইনি বিচ্ছেদ নিয়ে টানাপড়েন চলছিল। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তারা পাকাপাকিভাবে বিচ্ছেদের পথে আরও একধাপ এগিয়ে যান। কেবল বাকি ছিল উভয়ের স্বাক্ষর। গেল ৮ এপ্রিল এ মামলার শুনানির তারিখ ধার্য করেন আদালত। ততদিন উভয় পক্ষ বিষয়টি গোপন রাখেন। আইনিভাবে বিচ্ছেদের পরই রোশান তার সামাজিকমাধ্যমের ছবি বদলে তার বাগদত্তা অনামিকা মিত্রের সঙ্গে তোলা ছবি দেন। ফের বিয়ের বিষয়ে রোশান বলেন, সবে একটি বন্ধন থেকে মুক্তি পেলাম। আপাতত নিজেকে গুছিয়ে নেব। অনামিকার সঙ্গে চলতি বছরেই হয়তো নতুন জীবন শুরু করব। ২০০৩ সালে পরিচালক রাজীবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শ্রাবন্তী। এই দম্পতির সন্তান অভিমন্যু। রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর প্রেমিক কৃষাণ ভিরাজকে বিয়ে করেন এই অভিনেত্রী। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে শ্রাবন্তী ও কৃষাণের বিয়ে হয়। কিন্তু বছর পেরুতেই বিবাহবিচ্ছেদের কথা জানান শ্রাবন্তী। এরপর ২০১৯ সালে রোশানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।
মেট গালায় হাঁটবেন অন্তঃসত্ত্বা কিয়ারা!

মেট গালায় হাঁটবেন অন্তঃসত্ত্বা কিয়ারা! জনপ্রিয় ফ্যাশন শো মেট গালা’তে অভিষেক হতে যাচ্ছে বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানির। গত বছর কান রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশনে অংশ নিয়েছিলেন কিয়ারা। তখন অভিনেত্রীর পরনে ছিল কালো ও গোলাপি গাউন। বরাবরই স্টাইল স্টেটমেন্ট সেট করেছেন কিয়ারা আদভানি। তার লুকস ও সৌন্দর্য চর্চায় থাকে সব সময়। তার অনুরাগী সংখ্যাও কম নয়। এবার কিয়ারার মেট গালায় অংশগ্রহণের খবর শুনে তাকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন অনুরাগীরা। ২০২০ সাল থেকে সহ-অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে প্রেম শুরু করেন কিয়ারা। ২০২৩ সালে রাজকীয় আয়োজনে বিয়ে করেন তারা। এর আগে প্রেম নিয়ে কারো কাছেই মুখ খোলেননি কিয়ারা। রাজস্থানে তাদের রাজকীয় বিয়ের ভিডিও এখনও স্মরণ করেন অনেকে। প্রায়ই তা সামাজিকমাধ্যমে ভেসে বেড়ায়। গেল ফেব্রুয়ারিতে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন কিয়ারা। এবার প্রেগন্যান্ট অবস্থাতেই মেট গালায় অংশ নেবেন অভিনেত্রী। তার পোশাকের দিকে থাকবে সকলের নজর। মেট গালার লাল গালিচায় হেঁটেছেন বলিউডের বহু নায়িকাই, এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে কিয়ারার নামও।
‘বড় ছেলে’র রেকর্ড ভাঙল যে নাটক

‘বড় ছেলে’র রেকর্ড ভাঙল যে নাটক বাংলা ইউটিউব নাটকের ভিউয়ের নতুন ইতিহাস গড়েছে নিলয় আলমগীর অভিনীত ‘শ্বশুর বাড়িতে ঈদ’। মাত্র ১১ মাসে ভেঙে দিয়েছে জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত আলোচিত নাটক ‘বড় ছেলে’র দীর্ঘদিনের রেকর্ড। মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত ‘বড় ছেলে’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। আট বছর ধরে ইউটিউবে এটি ছিল সর্বাধিক ভিউয়ের নাটক, যার মোট ভিউ ছিল ৫ কোটি ৪১ লাখ ৮৮ হাজার। অন্যদিকে, মহিন খান পরিচালিত ‘শ্বশুর বাড়িতে ঈদ’ মুক্তি পায় ২০২৪ সালের ৯ এপ্রিল। ১১ মাসে নাটকটি পেয়েছে ৫ কোটি ৪৪ লাখ ৬৭ হাজার ভিউ, যা ভেঙে দিয়েছে বড় ছেলে’র রেকর্ড। ‘বড় ছেলে’ নাটকে মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় ছেলে রাশেদের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপূর্ব। তার বাবা একজন স্কুল শিক্ষক। এক সময় বাবার অবসর নেবার সময়ও আসে চলে। এরপর পরিবারের আয়ের উৎস হিসেবে হাল ধরতে হয় বড় ছেলেকেই। বড়লোকের মেয়ে রিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন। একপর্যায়ে সে তার বাবা-মার কাছে বিয়ে না করা নিয়ে কোন অজুহাতই দেখাতে পারে না। এদিকে রাশেদ অনেক চেষ্টা করেও চাকরি পায় না। বাস্তবতার কাছে পরাজিত হয়ে বাধ্য হয়ে ওরা একটি সিদ্ধান্তে আসে। অন্যদিকে, শ্বশুরবাড়িতে ঈদকেন্দ্রিক নানা ঘটনাকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে ‘শ্বশুরবাড়িতে ঈদ’ নাটকের গল্প। বিয়ের পর দূরে থাকলেও শ্বশুরবাড়িতে ঈদ করতে এসে ভিন্ন এক পরিস্থিতির মুখে পড়ে জামাই। দেখা যায়, শ্বশুর কিপটে। যে ঈদে ফিতরা-জাকাত ইত্যাদি দিতে চায় না। সেগুলো নিয়ে সোচ্চার হয় জামাই। নাটকে বার্তা দেওয়া হলেও সেটা কমেডির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। এজন্যই নাটকটি দর্শক পছন্দ করেছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নাটকটিতে অভিনেতা নিলয় আলমগীরের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি ও সাবেরি আলম।