চলে গেলেন ‘কেজিএফ’ সিনেমার ডন দিনেশ

চলে গেলেন ‘কেজিএফ’ সিনেমার ডন দিনেশ ‘কেজিএফ চ্যাপ্টার ১’-এ বোম্বের ডনের চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসা কন্নড় অভিনেতা দিনেশ মাঙ্গালোর আর নেই। আজ ভোররাতে কর্ণাটকের উডুপিতে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, তার মৃত্যু হয়েছে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে। সম্প্রতি ‘কান্তারা: অধ্যায় ১’ সিনেমার শুটিং চলাকালীন হঠাৎ স্ট্রোক করলে তাকে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দিয়ে বেঙ্গালুরুতে পাঠানো হয়। সেখান থেকে কিছুটা সুস্থ হয়ে ফিরলেও গত সপ্তাহে আবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দিনেশ প্রায় এক বছর ধরে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ উডুপির নিজ বাড়িতে নেওয়া হবে। ২৬ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। পরে সুমনাহল্লি শ্মশানে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। দিনেশ মাঙ্গালোর রেখে গেছেন তার স্ত্রী ভারতী এবং দুই সন্তান পবন ও সজ্জনকে। উডুপি জেলার কুন্দাপুরে জন্ম নেওয়া দিনেশ শুরুতে ছিলেন একজন আর্ট ডিরেক্টর। পরে অভিনয়ে এসে নিজেকে কন্নড় সিনেমার শক্তিশালী পার্শ্বচরিত্র অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘রানা বিক্রম’, ‘আম্বারি’, ‘সাভারি’, ‘ইন্তি নিন্না বেটি’, ‘আ ডিঙ্গি’, ‘তুঘলক’, ‘বেট্টাদা জীবন’, ‘সূর্য কান্তি’, ‘কিরিক পার্টি’ প্রভৃতি।
চোরাচালানের অভিযোগে অঙ্কুশকে আটক করলো পুলিশ

চোরাচালানের অভিযোগে অঙ্কুশকে আটক করলো পুলিশ ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে আটক করেছে পুলিশ! জনপ্রিয় এ অভিনেতার বিরুদ্ধে পুলিশের গুরুতর অভিযোগ! অভিনয়ের আড়ালে চোরাচালান কাজেও জড়িত তিনি! অভিনয়ের পাশাপাশি অনুষ্ঠান সঞ্চালনায়ও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন অঙ্কুশ। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তাকে চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। এ ঘটনায় অনুষ্ঠান দেখতে আসা সকলকে চমকে যান! ঘাবড়ানোর কিছুই নেই। আসল ঘটনাটি তাহলে খুলে বলা যাক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ‘জি বাংলার’ এক অনুষ্ঠানে প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেন এবং বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে খুনসুটিতে মজেছিলেন অঙ্কুশ। অনুষ্ঠানের একপর্যায় অভিনেতার চোখ বেঁধে দেন ঐন্দ্রিলা। রসিকতা করে অঙ্কুশ বলেন, ‘আমার বেশি মাথা ঘুরলে কিন্তু সব মেয়েকেই ঐন্দ্রিলা দেখি। তখন বলবে না আমার দোষ।’ অঙ্কুশের চোখ বেঁধে দিয়ে মঞ্চ থেকে নেমে যান বিক্রম-ঐন্দ্রিলা। তখন মঞ্চে আসেন পুলিশরূপী ইনস্পেক্টর রতন থুড়ি সায়ন ঘোষ। অভিযোগ তোলেন, অঙ্কুশ নাকি মানকচু পাচারের চোরাকারবার করছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যায় সায়নের সঙ্গী সাথীরা। এ পর্যন্ত সবটাই ঠিকঠাক ছিল। মজার ছলে বেশ ভালোভাবেই চলছিল চোর-পুলিশ খেলা। এরপরেই আচমকা মেজাজ হারান অঙ্কুশ। অভিনয় হলেও এভাবে চ্যাংদোলা করে ধরে নিয়ে যাওয়াটা মোটেও মানতে পারেননি। নিজেকে সামলাতে না পেরে সেখানেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। মঞ্চ এবং দর্শকাসনে থাকা সকলেই খানিক অবাক হয়ে যান। কিছুক্ষণ পরই বোঝা গেল দর্শকদের আনন্দ দিতেই রাগের অভিনয় করেছেন। ততক্ষণে অনুষ্ঠানে সবাই ঘাবড়ে যান। প্রসঙ্গত, পূজায় আসছে অঙ্কুশের সিনেমা ‘রক্তবীজ ২’। অ্যাকশন থ্রিলার ছবিতে খলনায়ক চরিত্রে একবারে অচেনা রূপে দেখা যাবে অভিনেতাকে। চরিত্রের নাম মুনির আলম। ছবির প্রথম ঝলকে উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা।
বাবা-মা হতে চলেছেন পরিণীতি চোপড়া-রাঘব চাড্ডা

বাবা-মা হতে চলেছেন পরিণীতি চোপড়া-রাঘব চাড্ডা মাস কয়েক ধরেই গুঞ্জন চলছে, মা হচ্ছেন পরিণীতি চোপড়া। কিন্তু প্রতিবারই সেই খবর নাকচ করে এসেছেন অভিনেত্রী। যদিও সম্প্রতি কপিল শর্মার শোয়ে এসে অভিনেত্রীর স্বামী রাঘব চাড্ডা জানান, খুব শিগগিরিই সুখবর দিতে চলেছেন। স্বামীর কথা শুনে চোখ বড় হয়ে যায় পরিণীতির। এই ঘটনার মাস খানেকের মধ্যেই সুখবর দিলেন পরিণীতি। কোলে আসছে সন্তান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৫ আগস্ট) ইনস্টাগ্রামে একটি মিষ্টি ছবি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি ছোট্ট কেক, যার উপর আঁকা রয়েছে ছোট্ট দুটি পা। পায়ের ওপর লেখা 1+1=3 ব্যাস এইটুকুই। এইটুকুই যথেষ্ট বোঝার জন্য যে খুব তাড়াতাড়ি তাদের ঘরে আসতে চলেছে ছোট্ট সদস্য। পোষ্টের ক্যাপশনে পরিণীতি লেখেন, ‘আমাদের ছোট্ট ইউনিভার্স আসতে চলেছে। আমরা আশীর্বাদ ধন্য।’ ক্যাপশন দেখে একেবারে স্পষ্ট বাবা-মা হতে চলেছেন বলি অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া এবং আম আদমি পার্টির নেতা ও রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চাড্ডা। কিন্তু রাঘব যে আগেভাগেই সুখবর দিয়ে দিয়েছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া গেল সোমবার পরিণীতি এবং রাঘবের করা পোস্ট থেকে। তবে শুধু একটি কেকের ছবি নয় আরও একটি ছোট্ট ভিডিও পোস্ট করেছেন তারা, যেখানে দেখা যাচ্ছে গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে সকালে হাঁটতে বেরিয়েছেন রাঘব। বোঝাই যাচ্ছে, হাজার কাজের মধ্যেও স্ত্রীকে সম্পূর্ণ সময় দিচ্ছেন তিনি। রাঘব এবং পরিণীতির এই পোস্ট দেখে ভীষণ ভীষণ খুশি সকলে। ইতিমধ্যেই ক্যাপশনে বহু শুভাকাঙ্ক্ষী রাঘব এবং পরিনীতিকে তাদের আগামী দিনের জন্য শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে রাঘবকে বিয়ে করেছিলেন পরিণীতি। ২ বছরের মধ্যেই সকলকে সুখবর শোনালেন এই দম্পতি। যদিও এখন প্রায় সকলেই বিয়ের কয়েক বছরের মধ্যেই সুখবর শোনাচ্ছেন, যার মধ্যে এবার যোগ দিলেন পরিণীতিও।
সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার মালিক ডুয়া লিপা

সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার মালিক ডুয়া লিপা তিন দশক আগে, ১৯৮৮ সালে কসোভোতে যুদ্ধ শুরু হলে সেখানে আটকা পড়েন তার বাবা-মা। এরপর ১৯৯২ সালে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেন যুক্তরাজ্যে, সেখানেই থিতু হন। এর পর ১৯৯৫ সালে জন্ম নেন ডুয়া লিপা। গান দিয়ে অল্প বয়সেই পেয়েছেন তারকা খ্যাতি, শুধু তাই নয়, গড়েছেন সম্পদের পাহাড়ও। শুক্রবার ছিল এই পপ তারকার ৩০তম জন্মদিন। এই মুহূর্তে গান নিয়ে ইউরোপ, এশিয়া ও আমেরিকা ঘুরছেন তিনি, তার এই ট্যুরটির নাম ‘র্যাডিক্যাল অপটিমিজম ট্যুর’। এক অচেনা কিশোরী থেকে আন্তর্জাতিক তারকা হয়ে ওঠা—ডুয়া লিপা তার আন্তরিকতা ও নিঃসংকোচভাবে জীবন ও শিল্প ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বের কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করেছেন। ১৫ বছর বয়সে সিলভিয়া ইয়ং থিয়েটার স্কুলে সংগীত এবং অভিনয়ের প্রশিক্ষণ শুরু করেন ডুয়া লিপা। সেসময় তিনি একজন ওয়েট্রেস এবং মডেল হিসেবে কাজ করার সাথে সাথে ইউটিউব এবং সাউন্ডক্লাউডে মৌলিক গান এবং কভার পোস্ট করেন, যতক্ষণ না ২০১৩ সালে তিনি একজন এজেন্টের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন এবং তার পরেই ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে তার সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করেন। ২০১৫ সালে, তিনি তার প্রথম একক গান প্রকাশ করেন, যার মধ্যে রয়েছে নিউ লাভ এবং বি দ্য ওয়ান, এবং ২০১৭ সালে, তিনি তার প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ করেন, যেখানে পপ, নৃত্য এবং আরএন্ডবি মিশ্রিত হয়। নিউ রুলস এবং আইডিজিএএফের মতো হিট গানগুলো তাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং পুরষ্কার এনে দেয়, যার মধ্যে সেরা নতুন শিল্পীর জন্য গ্র্যামিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০২০ সালে, ডুয়া ফিউচার নস্টালজিয়া প্রকাশ করেন, যার মধ্যে ডোন্ট স্টার্ট নাউ এবং লেভিটেটিং এর মতো হিট গান অন্তর্ভুক্ত ছিল, সেরা পপ ভোকাল অ্যালবামের জন্য গ্র্যামি এবং বছরের সেরা ব্রিটিশ অ্যালবামের জন্য একটি BRIT পুরস্কার জিতেছিলেন। গান দিয়ে শুধু খ্যাতিই পাননি ডুয়া লিপা, কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থও উপার্জন করেছেন। এ বছর ‘ফোরটি আন্ডার ফোরটি রিচ লিস্ট’ প্রকাশ করছে দ্য সানডে টাইমস। তালিকায় ৩৪তম অবস্থানে রয়েছেন ব্রিটিশ–আলবেনিয়ান এ গায়িকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা! ডুয়া লিপা দেখিয়ে দিয়েছেন যে, ধারাবাহিকতা এবং প্যাশন একটি সফল ক্যারিয়ার গড়ার চাবিকাঠি। গত এক দশকে এই গায়িকা নানা বাধা এবং সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন, তবে তিনি এমন গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকও অর্জন করেছেন যা তাকে সমসাময়িক পপ জগতের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তার জীবনের গল্প একটি উদাহরণ যে, কিভাবে নিষ্ঠা সুযোগগুলোকে স্থায়ী সাফল্যে রূপান্তরিত করতে পারে। তার সর্বশেষ অ্যালবাম ছিল ‘র্যাডিক্যাল অপটিমিজম’, সেই একই শিরোনামে ওয়ার্ল্ড ট্যুরে বেড়িয়েছেন তিনি। গানের মানুষ ডুয়া লিপাকে অভিনয়েও দেখা যায়। ‘বার্বি’ দিয়ে ২০২৩ সালে অভিনয়ে অভিষেক ঘটেছে তার। এ ছাড়া ‘আরগাইল’ সিনেমায়ও তাকে দেখা গেছে।
হঠাৎ অসুস্থ দেবের রুক্মিণী

হঠাৎ অসুস্থ দেবের রুক্মিণী কিছুদিন আগেই দাদুর মৃত্যুর খবর শুনে মুম্বাই থেকে কলকাতায় ফিরে এসেছিলেন রুক্মিণী মৈত্র। এই সময়টাতে পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্যই তার আসা। এরমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন অভিনেত্রী। কী হয়েছে তার? সোশ্যালে অভিনেত্রী একটি ছবি পোস্ট করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে তিনি বাড়ির পোশাকে ছবি তুলেছেন, চোখ মুখ একেবারে বিধ্বস্ত। ছবি দেখেই বোঝা যাচ্ছে তিনি ভীষণভাবে অসুস্থ। ছবির ক্যাপশনেও তিনি সেটাই উল্লেখ করেছেন। রুক্মিণী লিখেছেন, ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত তিনি। ক্রমাগত ১০২ ডিগ্রি জ্বরে বেহাল অবস্থা তার। যদিও এখন প্রকৃতির খামখেয়ালি আবহাওয়ার জেরে প্রায় সবারই একই অবস্থা। মনে করা হচ্ছে, হঠাৎ করে মুম্বাই থেকে কলকাতায় আসার ফলে ও আবহাওয়া বদলের কারণে এই শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাকে। যদিও কয়েকমাস আগেই অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল রুক্মিণীকে। ফের আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লেন তিনি। যদিও এই ভাইরাল জ্বর খুব বেশিদিন স্থায়ী থাকে না, তাই মনে করা হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন অভিনেত্রী। এদিকে বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে যতবার দেব-শুভশ্রীর নাম উচ্চারিত হয়েছে ততবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে রুক্মিণী মৈত্রেরও নাম। ‘ধূমকেতু’ ছবি নিয়ে তিনি কতটা আনন্দিত, দেব-শুভশ্রীকে এক মঞ্চে দেখে দেখে তিনি খুশি কিনা, এইসব প্রশ্ন বারবার ধেয়ে এসেছে অভিনেত্রীর দিকে। এমনকি রুক্মিণীকে নিয়ে বহু মিম তৈরি হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও কিছুদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এইসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। ‘ধূমকেতু’ ছবির প্রথম দিন থেকে তিনি ছবিটির সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন, তাই এই সিনেমা নিয়ে দেবের পাশাপাশি তিনিও একই ভাবে উৎসাহিত ছিলেন। অন্যদিকে দেব এবং শুভশ্রীকে নিয়ে বিন্দুমাত্র সমস্যা নেই তার। তিনি যে তার ভালোবাসার মানুষকে ভীষণভাবে বিশ্বাস করেন একথাও জানাতে ভোলেননি অভিনেত্রী। প্রসঙ্গত, রুক্মিণী মৈত্রকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান’ ছবিতে। আপাতত তিনি নতুন ছবির চিত্রনাট্য শুনছেন বলে খবর।
বিজেপি ও মোদির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা থালাপতি বিজয়ের

বিজেপি ও মোদির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা থালাপতি বিজয়ের তামিল সিনেমার জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী অভিনেতা থালাপতি বিজয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপিকে ‘ফ্যাসিবাদী বিজেপি’ আখ্যা দিয়ে এই আদর্শগত শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দেওয়া এক বার্তায় এমন মন্তব্য করেন তিনি। বৃহস্পতিবার মাদুরাইয়ের পারাপাথিতে নিজ দলের দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনে বক্তব্য দেন এই অভিনেতা ও রাজনীতিক। এ সময় তিনি বিজেপির ওপর রাগও ঝাড়েন। তামিল রাজনীতিতে রুপালি পর্দার সুপারস্টারদের আধিপত্য নতুন কোন ঘটনা নয়। এনটি রামা রাও থেকে শুরু করে জয়ললিতা, কমল হাসান থেকে হালের থালাপতি বিজয়, প্রায় সকলেই নিজস্ব স্টাইলে জয় করেছেন ভোটারদের মন। এবার সেই লক্ষ্যে আরেকটু এগোলেন সুপারস্টার থালাপতি বিজয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) মাদুরাইয়ের পারাপাথিতে তার দল তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম – টিভিকে’র দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনে হাজার হাজার সমর্থক জড়ো হয়। সেখানেই বিজয় ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে ‘একলা চলো’ নীতি গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন। শুধু নিজে লড়ার ঘোষণাই নয় পাশাপাশি রাজ্য নির্বাচনে কোন জোটের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। সমাবেশে বিজয় বিজেপিকে ‘আদর্শগত শত্রু’ এবং ক্ষমতাসীন ডিএমকে-কে ‘একমাত্র রাজনৈতিক শত্রু’ হিসেবে উল্লেখ করেন। অভিনেতা বিজয়ের ভাষ্যে, ‘আমাদের একমাত্র আদর্শগত শত্রু বিজেপি। আর আমাদের রাজনৈতিক শত্রু হলো ডিএমকে – দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম। তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম – টিভিকে এমন কোনো দল নয়, যারা কাউকে ভয় পায় বা কোনো আন্ডারগ্রাউন্ড মাফিয়া ব্যবসা চালায়। পুরো তামিলনাড়ুর শক্তি আমাদের সঙ্গে আছে। চলুন, আমরা ফ্যাসিবাদী বিজেপি ও বিষাক্ত ডিএমকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সিংহ সব সময়ই সিংহ। একবার গর্জন করলে সেই শব্দ আট কিলোমিটার পর্যন্ত কম্পন সৃষ্টি করে। এমন সিংহ শিকার করতে বের হয়। জঙ্গলে অনেক শিয়াল থাকে, কিন্তু সিংহ থাকে মাত্র একটি। সিংহই জঙ্গলের রাজা। সিংহ জানে কী করে টিকে থাকতে হয়।’ মোদির সমালোচনা করে বিজয় বলেন, ‘আপনারা হয়তো ভাবছেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত আপনাদের যাত্রা মসৃণ হবে। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলছি, পদ্মপাতায় যেমন জল আটকে থাকে না, তেমনি তামিলরাও বিজেপির সঙ্গে থাকবে না।’ দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিজের দলকে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে তৃতীয় ফ্রন্ট হিসেবে তুলে আনার চেষ্টা করছেন থালাপতি বিজয়। রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম – ডিএমকে এবং বিরোধী এআইএডিএমকে দুই দলেরই বিকল্প হিসেবে নিজের দলকে ভোটারদের সামনে আনার চেষ্টায় রয়েছেন বিজয়। দক্ষিণী সিনেমার এই সুপারস্টার গত বছর তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম – টিভিকে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এবারই তিনি প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নেবেন। ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা তামিলনাড়ুতে বিধানসভা নির্বাচন।
যুক্তরাষ্ট্রে পুরস্কার পেলেন আনিসুর রহমান মিলন

যুক্তরাষ্ট্রে পুরস্কার পেলেন আনিসুর রহমান মিলন ‘বেস্ট হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ পেয়েছেন অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন তিনি। এই সম্মানজনক পুরস্কারটি প্রদান করেছে চার্চ অব সায়েন্টোলজি। পুরস্কার গ্রহণের পর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আনিসুর রহমান মিলন বলেন, “আমি সত্যিই সম্মানিত বোধ করছি। তবে এই পুরস্কার কেবল আমার নয়, এটি লস অ্যাঞ্জেলেস অ্যাক্টিং একাডেমির প্রতিটি সদস্যের। তাদের অবদান ছাড়া এ অর্জন সম্ভব হতো না। এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি প্রদান করার জন্য সায়েন্টোলজি চার্চের প্রতি কৃতজ্ঞ।” একসময় বাংলাদেশি নাটক ও চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করতেন আনিসুর রহমান মিলন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বহু জনপ্রিয় নাটক ও সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে বর্তমানে দেশে অভিনয়ে সক্রিয় নন, যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পীদের প্রভাবশালী সংগঠন ‘দ্য স্ক্রিন অ্যাক্টর গিল্ড-আমেরিকান ফেডারেশন অব টেলিভিশন অ্যান্ড রেডিও আর্টিস্টস’ (সেগ-আফট্রা) এর সদস্য হয়েছেন তিনি। মিলনকে হলিউডের অভিনেতা হিসেবে নাম লেখানোর সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ প্রযোজনার সিনেমা ‘এম আর-৯: ডু অর ডাই’। চলতি বছেরের শুরুতে মিলন বলেন, “আমি এখন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাক্টরস ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত। যে কারণে এখন আমি হলিউডের মূলধারার সিনেমায় অভিনয় করার সুযোগ তৈরি করতে পারছি। এখন আমাকে হলিউডের কাজের জন্য ছুটতে হবে।”
আইনসিদ্ধ হোক বা না হোক, বিয়ে তো করেছিলাম

আইনসিদ্ধ হোক বা না হোক, বিয়ে তো করেছিলাম কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। নামটা শুনলেই অনেকের মনে প্রথমেই আসে বিতর্কের কথা। গত কয়েক বছরে যেন একটার পর একটা বিতর্কে জড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী ও রাজনীতিক। তবে এতদিন এসব নিয়ে খুব একটা প্রকাশ্যে কথা বলেননি তিনি। এবার এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। নুসরাত বলেন, ‘মানুষ ভাবে, নুসরাত মানেই বিতর্ক। কিন্তু আমি তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু। যারা সমালোচনা করে, তারা জানেই না আমার ভিতরে কী চলছিল। অনেকে যা বলে, তার অনেকটাই সত্যি নয়, অর্ধসত্য।’ কঠিন সময় পেরিয়ে এখন নিজের জীবনে স্থিরতা খুঁজে পেয়েছেন বলে মনে করেন তিনি। বলেন, ‘আগের চেয়ে অনেক বেশি মানসিক শক্তি পেয়েছি।’ যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আগে কখনো খুব স্পষ্ট কিছু বলেননি নুসরাত। তবে এবার তিনি বলেন, ‘যশের সঙ্গে যখন সম্পর্কে জড়াই, তখন জানতাম সে একজন সন্তানের বাবা। হ্যাঁ, সবকিছু বুঝতে সময় লাগে। সেই সময়টা নিয়েছিলাম।’ তার সংসদে গিয়ে ‘বিয়ে হয়নি’ বলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অনেকে ভেবেছে আমি সংসদে গিয়ে বলেছি বিয়ে করিনি। আমি কি বোকা? বিয়ে করে, সংসদে শপথ নিয়ে আবার বলব বিয়েটা হয়নি! তাহলে তো আমাকে পাগলাগারদে যেতে হতো! আমি কখনো এমন বলিনি।’ তিনি জানান, তার প্রাক্তন স্বামীর পক্ষ থেকে আইনি চিঠি এসেছিল, যাতে বলা হয়েছিল তার আর যশের বিয়ে আইনগতভাবে বৈধ নয়। সে কথাটাও তিনি ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারেননি। কিন্তু এ কথা সত্যি যে, বিয়ে তো হয়েছিল – সেটা বৈধ হোক বা না হোক। বিয়ে রেজিস্ট্রি না করার কারণ হিসেবে তিনি জানান, বিয়েটা বিদেশে হয়েছিল। ফিরেই সংসদে শপথ ছিল, তারপর একের পর এক কাজ। সময়ই পাইনি রেজিস্ট্রির জন্য। এটা তারই ভুল। তবে অতীত তো মুছে ফেলা যায় না। রাজনীতি থেকে নিজেই সরে এসেছেন, না কি বাধ্য হয়েছিলেন- এমন প্রশ্নে নুসরাত বলেন, ‘আমি মন দিয়ে কাজ করছিলাম। কিন্তু নির্বাচনের ছয় মাস আগে অনেক ঘটনা ঘটল। আমাকে বলা হলো আমি মানুষকে ঠকিয়েছি! এটা কেন হবে?’ তিনি বলেন, ‘আমি কিন্তু সমস্ত পরিস্থিতি একা সামলেছি। যশ তখন মুম্বাইয়ে, ঈশান ছিল ছোট। ওকে দেখে সিদ্ধান্ত নিই, আর নয়। ও বড় হবে, স্কুলে যাবে- চাই না, আমার কারণে তার জীবনে কিছু প্রভাব পড়ুক।’ ২০২৬ সালের নির্বাচনে যদি আবার ডাক আসে তাহলে কী করবেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে নুসরাত বলেন, কে ডাকবে জানি না- তৃণমূল না বিজেপি। তবে রাজনীতিতে আসার একমাত্র কারণ ছিল দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)। তাকে আমি শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি। উনি আমাদের ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের স্নেহ করেন, আগলে রাখেন। দিদিকে না বলা আমার পক্ষে সম্ভব না।’
পোস্টারে আগুন, আসছে ‘প্রিন্স’

পোস্টারে আগুন, আসছে ‘প্রিন্স’ বাংলা চলচ্চিত্রের সুপারস্টার শাকিব খান নতুন চমক নিয়ে হাজির হলেন। শুক্রবার (২২ আগষ্ট) নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করলেন তাঁর নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’–এর অফিসিয়াল পোস্টার। পোস্টারে দেখা যায়, লালচে আবহে ভিড়ের মাঝে হাতে বন্দুক উঁচিয়ে আছেন অনেকেই। তাঁদের মাঝেই উঁচু করে হাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন শাকিব খান। চেহারা স্পষ্ট না হলেও ভঙ্গিতে পরিষ্কার, এবার গ্যাংস্টারের চরিত্রে হাজির হচ্ছেন তিনি। পোস্টারের বিভিন্ন প্রান্তে ঢাকা শহরের পরিচিত জায়গার নাম যেমন উত্তরা, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, কারওয়ান বাজার, শাঁখারীবাজার, গ্যান্ডারিয়া প্রভৃতি লেখা রয়েছে। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন আবু হায়াত মাহমুদ, প্রযোজনা করেছেন শিরিন সুলতানা। আগামী ঈদুল ফিতর ২০২৬–এ ছবিটি মুক্তির কথা জানানো হয়েছে। পোস্টার শেয়ার করে শাকিব খান লিখেছেন— “ঘোষণা হলো এক নতুন অধ্যায়ের – শহর চিনবে তার আসল নায়ককে!! ? Here comes the Myth in motion – #PRINCE: Once Upon A Time In Dhaka. A story where the city meets its Legend.” ঈদের সিনেমা মানেই শাকিব খানের নাম বক্স অফিসে বড় ভরসা। গেল কোরবানির ঈদেও তাঁর মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ভালো ব্যবসা করেছে। এবার ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নতুন এই সিনেমা নিয়ে দর্শকদের মাঝে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল।
৯৭ লাখ বাজেটের সিনেমায় আয় ১০৪ কোটি

৯৭ লাখ বাজেটের সিনেমায় আয় ১০৪ কোটি বক্স অফিসে আয়ের উপর ভিত্তি করে সিনেমাকে এখন ব্লকবাস্টার বা হিট তকমা দেওয়া হয়। অনেক সময় খ্যাতিমান অভিনেতাদের সিনেমাও বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলতে পারে না। আবার ছোট বাজেটে নির্মিত অখ্যাত অভিনয়শিল্পীদের কোনো কোনো সিনেমা আশাতীত সাফল্য পায়। স্বল্প বাজেটের কন্নড় ভাষার ‘মুনগারু মেল’ সিনেমাও কল্পনাতীত আয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। কমেডি-ড্রামা ঘরানার ‘মুনগারু মেল’ সিনেমা ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেন—গণেষ ও পূজা গান্ধী। এটি পরিচালনা করেন যোগরাজ ভাট। এটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৭০ লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৭ লাখ টাকা)। ১৩২ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই সিনেমা বক্স অফিসে আয় করে ৭৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি)। রোমান্টিক কমেডি মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘মুনগারু মেল’। প্রীতম ও নন্দিনীকে কেন্দ্র করে সিনেমাটির কাহিনি আবর্তিত হয়। প্রীতম নন্দিনীকে ভালোবাসলেও তার মন ভেঙে যায়; যখন জানতে পারে নন্দিনীর বিয়ে অন্যত্র ঠিক হয়ে গেছে। তারপর গল্প মোড় নেয় ভিন্ন দিকে। মজার ব্যাপার হলো, ‘মুনগারু মেল’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে গণেষ ও পূজা গান্ধীর। আর অভিষেকেই বাজিমাত করেন এই জুটি। এ সিনেমার মাধ্যমেই তারকা খ্যাতি কুড়ান তারা। সিনেমাটি কর্নাটকে টানা ২০০ দিন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়েছিল। সিনেমাটিতে কোনো তারকা অভিনয়শিল্পী ছিলেন না। অন্যান্য চরিত্র রূপায়ন করেছিলেন—অনন্ত নাগ, জয় জগদীশ, সুচিতা শেঠি প্রমুখ। এ সিনেমার ৮০ শতাংশ শুটিং হয়েছিল বৃষ্টিতে। এই সিনেমার মাধ্যমে বলিউড প্লেব্যাক গায়ক সোনু নিগম, কুনাল গানজাওয়ালা এবং উদিত নারায়ণ কর্নাটকে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দর্শকরা চাইলে সিনেমাটি এখনো দেখে নিতে পারবেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিওহটস্টারে দেখা যাবে এটি। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টিভি