অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ অ্যাখ্যা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি

অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ অ্যাখ্যা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যারা বুলডোজার নিয়ে গেছেন তাদেরকে ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। ছাত্র-জনতাকে ‘রাজাকার’ বলায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপের মুখে পড়েছেন প্রয়াত নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী শাওন। অনেকেই এই অভিনেত্রীর কড়া সমালোচনা করে তাকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। আওয়ামী কালচারাল ফ্যাসিস্ট আখ্যা দিয়ে দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা। শাওনের পোস্টের জবাবে দিনাত জাহান মুন্নি লিখেছেন, ৩২ নম্বর তো, তাই ৩২ বার ভাঙতে হবে। নাসির উদ্দিন খান নামে এক ব্যক্তি শাওনকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, সাহস থাকলে আজ ৩২ নম্বর আয়। ওর সাহস আওয়ামী লীগের নেতাদের সময় থাকে। মুহাম্মদ আল আমিন হোসাইন আওয়ামী দোসর শাওনকে ‘শাহবাগি’ উল্লেখ করে তার শাস্তি দাবি করেছেন। মাহদী হাসান ফরাজী নামে আরেক নেটিজেন বলেন, দেশে থেকেও এই (উল্লেখযোগ্য নয়) এত নিরাপদ থাকে কী করে? জামাল আজিজ বলেছেন, বুলডোজার বার বার ৩২ না গিয়ে শাওনের বাড়িতে যাওয়া উচিত। দিদারুল ইসলাম বলেন, শাওন, এরকম কথা বলে বাসায় থাকতে পারছে- এটাই হাসিনামুক্ত নতুন বাংলাদেশ। হাসিনার আমলে যদি আওয়ামীবিরোধী এরকম কথা বলতো, তবে এতক্ষণে থানায় অথবা গুম ঘরে থাকতে হতো। আফিয়া সিদ্দিকা বলেন, এই মেয়েটাকে এখনো কেন সরকার অ্যারেস্ট করে না? মাকসুদ আলম পাটোয়ারী বলেন, এই ফ্যাসিবাদের প্রোডাক্টটিকে কেউ ৩২ নিয়ে ছেড়ে দাও, ৩২ থেকে তার কান্নার শব্দে যেন আওয়ামী লীগের ঘুম ভাঙে! শরীফুল ইসলাম বলেন, শাওনের বাড়িও গুঁড়িয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। রুবেল কানিস নামে একজন লিখেছেন, শাওন ভারতের একজন গুপ্তচর হিসেবে বাংলাদেশ অবস্থান করছে, তাকে আইনের আওতায় আনা হোক। তার জমি, ব্যাংক ব্যালেন্স জব্দ করা হোক, তার বাড়ি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হোক বুলডোজার দিয়ে। শাওনকে উদ্দেশ করে মোহাম্মদ ইউনুস লিখেছেন, ‘লেজ কাটা শিয়ালের হুক্কা হুয়া ডাক’।ফজলে রাব্বি অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় এজেন্ট’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন।
তার মতো মানুষকে বন্ধু হিসেবে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার

তার মতো মানুষকে বন্ধু হিসেবে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার দেশের সীমানা পেরিয়ে ওপার বাংলাতেও সমান জনপ্রিয় জয়া আহসান। আবীর চট্টোপাধ্যায় সঙ্গে তার বন্ধুত্ব বহু পুরোনো এবং ইন্ডাস্ট্রিতে এই জুটির পর্দার রসায়নও দারুণ জনপ্রিয়। সম্প্রতি জয়া আহসানের কথায় আবীর চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি তার মুগ্ধতা যেন এক অন্য মাত্রা পেল। জয়া জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে বহু মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হলেও আবীর চট্টোপাধ্যায় তাদের মধ্যে অন্যতম ব্যতিক্রমী। তিনি একজন অত্যন্ত নির্ঝঞ্ঝাট মানুষ। জয়ার কথায়, ‘ওর সঙ্গে আমার সবচেয়ে বেশি কাজ। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, ইন্ডাস্ট্রিতে আমার সবচেয়ে কমফোর্ট জোন আবীর। আমি কখনও দেখিনি ও কোনও আড্ডায় বা কখনও কোথাও কাউকে নিয়ে সমালোচনা করছে। কেউ কষ্ট পেতে পারে এরকম কথা আমি আবীরকে কখনও বলতে শুনিনি। তাই ওর জায়গা আমার জীবনে অনেকটা উপরে। একটু বেশিই সমালোচনাহীন মানুষ। যদিও মাঝেমধ্যেই একটু টক-ঝাল গল্প হলে সকলেরই খুব ভালোলাগে। তবে ওর মধ্যেও নিশ্চয়ই সেটা আছে, নয় সেটা কেউ খুঁজে পায় না। অথবা আমরা দেখতে পাই না। অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘পুতুল নাচের ইতিকথার জন্য আমরা কিছু দিন আগে যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে গিয়েছিলাম। ওরে বাবা! আবীর ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে সে যা হলো। আমাদের দিকে আর কে তাকাবে, আমাদের কথা কারও তখন কান দিয়ে মাথা পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে না। সকলে শুধু ওর দিকেই তাকিয়ে রয়েছে। মুগ্ধ নয়নে সকলে আবীরকে দেখছে। আমিও দেখছিলাম যে আহা কী অপূর্ব এই দৃশ্য। ওর জন্য অনুরাগীরা কতটা পাগল। এই ভক্তদের সামলে রাখা এবং সবটা এমন যত্নে রাখাও খুব কঠিন কাজ। আবীর খুব সুন্দর মেনটেন করে। তিনি আরও বলেন, ‘আসলে আবীরের থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। সংসার এবং কর্মজীবন পাশাপাশি চালিয়ে যাওয়া খুব সহজ কাজ নয়। আবীর খুব সুন্দর ভাবে পরিবারকে প্রাধান্য দিয়ে সংসার জীবনটা মেনটেন করে। শুধু তাই নয়, কাজের জায়গাটাও ব্যালান্স করে। আসলে তার মতো একজন মানুষকে বন্ধু হিসেবে পাওয়া খুব ভাগ্যের ব্যাপার।’জয়ার কথায়, ‘ওর অনুভূতি খুব মন থেকেই আসে সেটা যার জন্যই হোক। এবং এই বিষয়টা কিন্তু ফেক নয়। আমি চাইব ও যেন সারাজীবন এমনই থাকে। আমরা যা করতে পারিনি বা পারি না সেটাই ও অতি যত্নে করে দেখায়। কত অবলীলায় আমরা বলে ফেলি কর্মজীবন ও পরিবার একসঙ্গে সামলানো কঠিন, ও সেটা ভুল প্রমাণ করে দেখিয়েছে বার বার।
৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়া দলকে ‘রাজাকার’ বললেন শাওন

৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়া দলকে ‘রাজাকার’ বললেন শাওন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফের আনা হয়েছে দুটি বুলডোজার। আজ সোমবার বেলা ১২টার দিকে ট্রাকে করে বুলডোজার দুটি নেওয়া হয়। সে সময় ট্রাকের ওপরে হাতে মাইক নিয়ে কয়েকজন তরুণকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাদের পরিচয় জানতে চাইলে একজন বলেন ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সেখানে বুলডোজার দুটি আনা হয়েছে। তবে ৩২ নম্বরে যারা বুলডোজার নিয়ে গেছে তাদের রাজাকার আখ্যা দিয়েছেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। দুটি বুলডোজার ধানমন্ডির দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন শিরোনামের বিবিসি বাংলার একটি সংবাদের কার্ড শেয়ার করে শাওন লিখেছেন, ‘মনের ভয়ই আসল ভয় বুঝেছিস গাধার দল! বারবার ভেঙে, বারেবারে আগুন দিয়েও তোদের ভয় যায়নি… এই ভাঙা বাড়ির প্রতিটা ধূলিকণা যে বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে মিশে আছে সেটাকে কীভাবে অস্বীকার করবিরে রাজাকার বাহিনী!’ ওই পোস্টে শাওন হ্যাশট্যাগ দিয়েছেন #তুই_রাজাকার ও #ধানমন্ডি_৩২ এর আগে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে’ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ঘটনার ছয় মাস পূর্তির দিন গত ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচি থেকে ৩২ নম্বরের বাড়িটি ভাঙা হয়।
আরাধ্যার স্বভাব এমন কেন, জানালেন অভিষেক

আরাধ্যার স্বভাব এমন কেন, জানালেন অভিষেক আরাধ্যার বয়স দেখতে দেখতে ১৪। বলিউডের আলো–ঝলমলে দুনিয়ায় জন্ম হলেও আরাধ্যা বচ্চনকে খুব কমই দেখা যায় ক্যামেরার সামনে। মা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সঙ্গেই প্রধানত ধরা দেন। সোশ্যাল মিডিয়াতে নেই তার আলাদা উপস্থিতি। লাজুক, সাদামাটা স্বভাবের এই তারকা-সন্তানকে নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুললেন বাবা অভিষেক বচ্চন। এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বলেন, আরাধ্যাকে বিনোদনজগতের সঙ্গে পরিচিত করানোর ক্ষেত্রেও সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন ঐশ্বরিয়া। তার ভাষায়, ‘ওর মা ওকে এই দুনিয়ার সঙ্গে খুব সহজভাবে পরিচয় করিয়েছে। দাদা-দাদি, মা-বাবা- সবারই পেশা এই জগত। কিন্তু কখনোই বিষয়টাকে ওর সামনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়নি। খুব স্বাভাবিকভাবেই ও বড় হয়েছে।” তারকা-পরিবার হওয়া সত্ত্বেও মেয়েকে যেন কখনো গ্ল্যামারের ঝলকানি ছুঁয়ে না যায়, সে চেষ্টা সবসময় করেছেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। অভিষেক বলেন, “আরাধ্যা খুব স্বাভাবিকভাবে বড় হতে থাকা একটা বাচ্চা। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব আমার স্ত্রীর। তার কারণ, ওর অনুমতিতেই আমি বাইরে কাজ করি, ছবিতে সময় দিই। আর এদিকে ও আরাধ্যার সব খেয়াল রাখে। আরাধ্যাও এই স্বাভাবিক বড় হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াটা ভীষণ উপভোগ করে।” বাবার সিনেমা দেখা নিয়ে আরাধ্যার আগ্রহ কতটা? এমন প্রশ্নে অভিষেক হাসতে হাসতেই জানান, ‘ও সবচেয়ে ভালোবাসে খেলতে, স্কুলে যেতে, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে। সিনেমা দেখার প্রতি ওর তেমন আগ্রহ নেই।” আর নিজের কোন ছবি মেয়ের সবচেয়ে পছন্দ-এই প্রশ্ন করতে অভিষেক নিজেই ভয় পান। কারণ, “আরাধ্যা খুব সৎ উত্তর দেবে-যা আমি হয়তো শুনতে প্রস্তুত নই!”
‘১৫ হাজার সেফটিপিন শাড়িতে লাগালেও, তারা খুঁত বের করবে

‘১৫ হাজার সেফটিপিন শাড়িতে লাগালেও, তারা খুঁত বের করবে পশ্চিমবঙ্গের আলোচিত সংগীতশিল্পী পৌষালী ব্যানার্জি। বছরজুড়ে গান নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করেন এই শিল্পী। শীত চলে আসায় স্টেজ শোয়ের ব্যস্ততা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মধ্যে কিছু শ্রোতা পৌষালীর পোশাক নিয়ে কটূক্তি করেছেন। এ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম টিভি নাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন এই শিল্পী। পৌষালী ব্যানার্জি বলেন, “আমি আটপৌরেভা শাড়ি পরি। আমি গান গাইছি, অনুষ্ঠান ভালো হচ্ছে, শ্রোতাদের অনেকে নাচছেন, কমিটির মানুষেরা খুশি, তারপরও কিছু তো একটা বলতে হবে। কিছু মানুষ আছেন, যারা খুঁত বের করবেন। তাদের একজনের মন্তব্য ‘আরো রুচিশীল হতে হবে একজন শিল্পীকে।’ এটা শোনার পর আমি নিজের ভিডিও দেখা শুরু করলাম।” শাড়িতে এখন ১৫টি সেফটিপিন ব্যবহার করেন পৌষালী। এ তথ্য উল্লেখ করে গায়িকা বলেন, “আসলে অত খেয়াল থাকে না। কোথায় শাড়ি সামান্য সরে গেল বা কোথাও ব্রার স্ট্র্যাপ একবারের জন্য দেখা গেল বা কোথায় পেটিকোট দেখা গেল। এবার এমন সব মন্তব্য আমার মা পড়েছেন। সর্বনাশের কারণ হলো এটা। মা একদিন বিরাট বকা দিলেন। এগুলো কী, জানতে চাইলেন। বললেন, ‘তুমি দেখতে পাচ্ছ না যে শাড়ির আঁচলটা সামান্য সরে গিয়েছে।’ তাই মায়ের কথা আর শ্রোতাদের কথা এই দুটোর জন্যই আগে ছয়টা সেফটিপিন লাগাতাম; এখন ১৫টা সেফটিপিন লাগাই।” যারা ভুল ধরার তারা ধরবেনই, এমন ভাবনা পৌষালীর। এ গায়িকা বলেন, “মজার কথা হলো, এমন অনেক শ্রোতা আছেন, যারা শুধু ভালো গান শুনতে যান। তারা শুধু আমার গানই শোনেন। কিন্তু কিছু মানুষের লক্ষ্য থাকে, খুঁত বের করা। ১৫টা কেন, ১৫ হাজার সেফটিপিন শাড়িতে লাগালেও, তারা যে খুঁত বের করছেন, সেটা ঢাকা পড়বে না। আমার মা খুবই স্ট্রিক্ট, বাবাও তাই। মা যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্যগুলো পড়েন, আমাকে বলেন, আরো বেশি সতর্ক হতে; তাই আমাকে বেশি সতর্ক হতে হচ্ছে।”
যেসব অভিযোগে মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

যেসব অভিযোগে মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার একটি আদালত। ব্যবসায় অংশীদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২৭ লাখ টাকা ‘আত্মসাৎ করা ও হত্যার হুমকি দেওয়ার’ অভিযোগে এ পরোয়ানা জারি করা হয়। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গত ১০ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার বাদী আমিরুল ইসলাম রোববার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তথ্য নিশ্চিত করেন। আমিরুল বলেন, গত ১০ নভেম্বর মামলার আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার দিন ঠিক থাকলেও তারা আসেনি। এজন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ১৮ ডিসেম্বর দিন ঠিক করেছে আদালত। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আমিরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিব, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকালে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি। তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা বলেন ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না। তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব’। এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম গত ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। এদিকে গ্রেফতারি পরোয়ানার খবর উড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন। অভিনেত্রী তার ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘অনলাইনে আমার নাম ব্যবহার করে কিছু ভিত্তিহীন ‘মামলা’ সংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়ছে। আমার সকল সাংবাদিক সহকর্মীদের প্রতি অনুরোধ, দয়া করে কোনো প্রকার যাচাইহীন ও সত্যতা-বিহীন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকুন।
মাদককাণ্ডে দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে নাম, কড়া বার্তা দিলেন নোরা ফাতেহি

মাদককাণ্ডে দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে নাম, কড়া বার্তা দিলেন নোরা ফাতেহি বলিউডের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের যোগসূত্র নতুন কিছু নয়। এর আগে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে নাম জড়িয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছেন অনেক তারকা। সম্প্রতি মাদক পাচার তদন্তে আরও কয়েকজন বলিউড তারকার পাশাপাশি সেই তালিকায় উঠে এসেছে নোরা ফাতেহির নাম। এরপর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমাগত ট্রোলের শিকার হচ্ছেন তিনি। এ অভিযোগ নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন নোরা। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নোরা ফাতেহি লিখেছেন, ‘আমি পার্টিতে যাই না। আমি বিরতিহীন কাজ করি। আমার কোনো ব্যক্তিগত জীবন নেই। পার্টি করতে ভালোবাসেন এমন লোকদের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করি না। যদি ছুটি নিই, তাহলে দুবাইয়ের নিজের বাড়িতে বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করি। দাউদ ইব্রাহিমের মাদক পার্টির সাথে তার নাম জড়িত থাকার অভিযোগ নাখোস করে দিয়েছেন নোরা। তার দাবি, একটি গোষ্ঠি তার বদনাম ছড়ানোর জন্য মিথ্যা খবর ছড়াচ্ছে। কিন্তু তাদের সেই চেষ্টা প্রতিহত করতে চান তিনি। তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমার মনে হয়, আমার নামটাই সবার কাছে সহজ লক্ষ্য। কিন্তু আর এটা হতে দেব না। অনেকে আমার বদনাম ছড়ানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এর আগেও তারা মিথ্যা খবর ছড়িয়েছে কিন্তু তা কোনো কাজে আসেনি। এর আগে বিষয়গুলো নিয়ে আমি চুপ করে ছিলাম। কিন্তু এখন আর চুপ থাকবো না। সম্প্রতি নোরা ফাতেহিকে দেখা গেছে আয়ুষ্মান খুরানা ও রাশ্মিকা মন্দান্না অভিনীত ‘থামা’ ছবির ‘দিলবার কি আঁখো কা’ গানে। শিগগিরই দক্ষিণ ভারতীয় হরর সিনেমা ‘কাঞ্চনা ৪’-এও দেখা যাবে তাকে। সূত্র: ইন্ডিয়া ডটকম ও মাসালা
জনপ্রিয় মার্কিন গায়ক একন ভারতে কনসার্টে হেনস্তার শিকার

জনপ্রিয় মার্কিন গায়ক একন ভারতে কনসার্টে হেনস্তার শিকার জনপ্রিয় মার্কিন গায়ক একন বর্তমানে ভারত ভ্রমণ করছেন। এই সফরে কয়েকটি কনসার্ট করার কথা ছিল একনের। গত ৯ নভেম্বর ভারতে তার এই সফর শুরু হয়। তবে এবার ভারতে একনের ভাগ্য খুব একটা ফলপ্রসূ নয়। ব্যাঙ্গালুরুতে নিজের কনসার্ট চলাকালে তাইতো হেনস্তার শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় এই মার্কিন গায়ক। গত শুক্রবার ১৪ নভেম্বর ব্যাঙ্গালুরুতে তার কনসার্টে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে। জানা যায়, ব্যাঙ্গালুরুর অনুষ্ঠানস্থলের ভিআইপি আসনের সামনে দাঁড়িয়ে গাইছিলেন একন। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গায়ক গান গাইতে গাইতে বারবার তার প্যান্ট টেনে তোলার চেষ্টা করছেন। ভিডিও ফুটেজ অনুযায়ী, ওই সময় একদল অতি-উচ্ছ্বসিত অনুরাগী তাকে জোর করে মঞ্চের দিকে বা দর্শকদের ভিড়ের মধ্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তারা গায়কের প্যান্ট ধরে টানাটানি শুরু করে দেন। এই বিব্রতকর পরিস্থিতিতেও গায়ক মাথা গরম না করে গান চালিয়ে যান। তবে ভিডিওতে তার অস্বস্তি বেশ স্পষ্ট ছিল। পরিস্থিতির শিকার হয়েও তিনি গান বন্ধ করেননি। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ভারতীয় দর্শকদের একটি বড় অংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা মন্তব্য বিভাগে এই অনৈতিক আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের মতে, কিছু ব্যক্তির উচ্ছৃঙ্খল আচরণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে।
ক্লান্তি কাটার আগেই ব্যস্ততায় ফারিয়ার ডুব

ক্লান্তি কাটার আগেই ব্যস্ততায় ফারিয়ার ডুব ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা নুসরাত ফারিয়া। চলচ্চিত্র নিয়ে তার ব্যস্ততা অনেকটা কম। তবে বিদেশের শোগুলোতে তার ব্যস্ততা চোখে পড়ছে। সম্প্রতি বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরেই ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। বিমানবন্দরের ক্লান্তি কাটার আগেই ইভেন্ট, ফটোশুট, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়া সবকিছু সামলাচ্ছেন এই তারকা। রয়্যাল ব্লু শাড়ির একটি ইভেন্টে হাজির হন ফারিয়া। সেখানে কথা বলতে গিয়ে ফারিয়া জানান, ভ্রমণ নিয়ে তার স্বপ্ন আর দেশের বাইরের অভিজ্ঞতা। হেসে নুসরাত ফারিয়া বলেন, “অনেক দেশ তো এখনো ঘোরা হয়নি। সাউথ কোরিয়া বাদ, আমেরিকাও যাওয়া হয়নি এখনো। আশা করি, এবার যাওয়া হবে। দেশে ফিরেই কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়া প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নিজের কর্মক্ষমতা নিয়েও মন্তব্য করেন এই নায়িকা। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “সবসময় এমন এনার্জি থাকে না যে ২–৩ দিন ঘুম ছাড়াই কাজ করে যাওয়া যায়। দেশে ফিরেই ব্যাক-টু-ব্যাক শিডিউল সামলালেও নিজের ফিটনেস, স্টাইল আর ফ্যাশন কনফিডেন্সে বরাবরের মতোই দৃঢ় ফারিয়া। নীল শাড়ির সাম্প্রতিক ফটোসেশন সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন আলাদা সাড়া ফেলেছে। অনেকেই লিখেছেন, “ফারিয়া মানেই স্টাইল গেম অন।
দেশবাসীর প্রতি মিথিলার আহ্বান ভোট দেওয়া বন্ধ করবেন না

দেশবাসীর প্রতি মিথিলার আহ্বান ভোট দেওয়া বন্ধ করবেন না বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘মিস ইউনিভার্স’। এর ৭৪তম আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। গত সেপ্টেম্বরে ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’র মুকুট জয় করার পর তিনি দেশের পতাকা হাতে অক্টোবরের শেষ দিকে থাইল্যান্ডে পৌঁছান প্রতিযোগিতার মূল মঞ্চে। সম্প্রতি তিনি ভোটের মাধ্যমে পিপলস চয়েজে এক নম্বরে পৌঁছে দেশের জন্য নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছেন। তবে একটি সেগমেন্টে বিকিনি পরায় তাকে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে বাংলাদেশের নেটিজেনদের কাছে। চলছে ট্রল। থাইল্যান্ড থেকে মিথিলা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে চলমান বিতর্কের বিষয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি দেশের মানুষকে উদ্দেশ্য করে প্রতিযোগিতার কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরেন এবং নিজের কষ্টের কথাও জানান। ভিডিওতে মিথিলা বলেন, ‘আমাকে অন্যান্য দেশের মানুষ ট্রল করলে কিছু আসে-যায় না, কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ তো দেখছে আমি কী কষ্টে আছি। এত বড় দেশ থেকে একজন ভালো কন্টেস্ট্যান্ট এসে চেষ্টা করছে, এত কষ্ট, ডিসিপ্লিন, টাইম ম্যানেজমেন্ট, শৃঙ্খলা সবকিছু মেনে চলছে, এত এফোর্ট দিচ্ছে, তবুও যদি নিজের দেশের মানুষ থেকে অ্যাপ্রিসিয়েশন না পায়, তা খুব কষ্টের। বিকিনি পরা নিয়ে ট্রোলের জবাব দিতে গিয়ে মিথিলা বলেন, ‘আমি যদি বিকিনি না পরি, তবে টপ থার্টিতেও যেতে পারব না। আপনাদের চাওয়া যে আমি জিতি, সেই অনুযায়ী জিততে হলে আমাকে বিকিনি পরতেই হবে। এখানে কোনো ধর্মীয় বিষয় নেই, জিততে হলে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে হলে এটা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘এ জায়গাটা অনেক বড়। এতগুলো দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে কম্পিটিশন করতে হলে আমাকে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হবে। আমার দেশের মানুষেরও আমাকে সমর্থন করতে হবে। মিথিলার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে এবং তাকে সমর্থন জানিয়েছেন অনেকেই।