যে কারণে আশীর্বাদ টাইটানিক থেকে বাদ পড়া

যে কারণে আশীর্বাদ টাইটানিক থেকে বাদ পড়া জেমস ক্যামেরনের আইকনিক সিনেমা ‘টাইটানিক’-এ জ্যাক ডসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। ছবিটি তাকে বিশ্বব্যাপী তারকাখ্যাতি এনে দিয়েছে। এই চরিত্রে কাজের কথা ছিল অস্কার মনোনীত অভিনেতা ইথান হকের। তবে সেটি আর হয়ে উঠেনি। এ নিয়ে কি মন খারাপ হয়? অভিনেতা জানিয়েছেন, কখনোই না। বরং ‘টাইটানিক’ ছবিতে জ্যাক চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ না পাওয়াটাকে আশীর্বাদ বলে মনে করেন তিনি। সম্প্রতি ব্রিটিশ জিকিউ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইথান হক বলেন, ‘আমি মনে করি না আমি লিওর মতো সেই সাফল্য সামলাতে পারতাম। সে ছিল একেবারে ‘বিটলস’-এর মতো। পাগলামির পর্যায়ের জনপ্রিয়তা ছিল তার। সে সেটা দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে। নিজের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে গেছে অবিশ্বাস্যভাবে। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘টাইটানিক’ ইতিহাস গড়েছিল বিশ্বব্যাপী। প্রায় ২.২ বিলিয়ন ডলার আয় করা এই সিনেমা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওকে নিয়ে গিয়েছিল তারকাখ্যাতির শিখরে। তবে ইথান হক সে সময় অভিনয় করেছেন ‘গ্রেট এক্সপেক্টেশান’, ‘হেমলেট’-এর মতো ছবিতে। তার ভাষায়, তিনি তারকাখ্যাতির চেয়ে সবসময় অভিনয় দিয়ে এগিয়ে যেতে চেয়েছেন। সেটা তিনি পেরেছেন। তার ভাষ্য, ‘তারকাখ্যাতি আসলে অপমানজনক।’ ইথান হক বলেন, ‘যখন কেউ তোমার সম্পর্কে কাগজে ভালো কথা লিখে সেটাও একরকম অপমানজনক মনে হয়। খারাপ বললে তো কথাই নেই। তিনি জানান, সত্যিকারের ‘তারকাখ্যাতি’র স্বাদ তিনি পেয়েছিলেন যখন উমা থারম্যানের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুরু হয়। তখন থেকে ট্যাবলয়েড ও মিডিয়ার চাপে তিনি স্বাভাবিক জীবন থেকে দূরে সরে যান। ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ট্রেইনিং ডে’ সিনেমার জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতার বিভাগে অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন ইথান হক। যদিও তিনি সেই পুরস্কার জিততে পারেননি তবে সহ-অভিনেতা ডেনজেল ওয়াশিংটন তাকে বলেছিলেন, ‘জিতো না তো ভালোই। তুমি চাও না পুরস্কার তোমার মর্যাদা বাড়াক। বরং তুমি এমন হও যে তোমার জন্য পুরস্কারটা মর্যাদাবান হয়ে ওঠে। ১৯৯৮ সালে উমা থারম্যানকে বিয়ে করেন ইথান হক। সেই বছরই জন্ম নেয় তাদের মেয়ে মায়া হক। যিনি এখন নিজেও একজন অভিনেত্রী। ২০০২ সালে জন্ম নেয় ছেলে লেভন হক। তবে এই দম্পতি ২০০৫ সালে বিচ্ছেদে যান।

শাকিব–অপু জয়কে নিয়ে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন

শাকিব–অপু জয়কে নিয়ে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। রেকর্ড সংখ্যক সিনেমায় জুটি বেঁধে অভিনয় করে দর্শকের কাছে পছন্দের তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছিলেন তারা। শুধু পর্দায় নয়, ব্যক্তিজীবনেও প্রেম থেকে সংসার, সবকিছুই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাদের একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়কে এবার উচ্চমানের শিক্ষার পরিবেশে বড় করতে বিদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। গত বছর এক সাক্ষাৎকারে অপু বিশ্বাস জানিয়েছিলেন, ছেলে জয়কে পড়াশোনার জন্য বিদেশে পাঠাবেন। এবার আরেক সাক্ষাৎকারে তিনি জানালেন, খুব শিগগির জয়কে নিয়ে উড়াল দেবেন সিঙ্গাপুরে; সঙ্গে থাকতে পারেন সন্তানের বাবা শাকিব খানও। অপু বিশ্বাস বলেন, “জয় সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলে ভর্তি হবে। সে সেখানেই পড়ালেখা করবে। আমরা কিছুদিন ওই দেশেই থাকব।” এই সিদ্ধান্ত শাকিব খানের সঙ্গে আলোচনা করেই নেওয়া হয়েছে। এ তথ্য উল্লেখ করে অপু বিশ্বাস বলেন, “ছেলেকে দেশের বাইরে পড়াশোনা করানোর বিষয়ে আমার আর জয়ের বাবার মধ্যেই আলোচনা হয়েছিল। তবে কীভাবে সেটা বাইরে চলে এলো জানি না। আমি আসলে একটু নিজের মধ্যে রাখতেই পছন্দ করি।” তবে জয়কে সিঙ্গাপুরের স্কুলে ভর্তি করানোর পর স্থায়ীভাবে সেখানে ঠিকানা গড়বেন কি না— সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি অপু। ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে এই প্রশ্ন এড়িয়ে যান তিনি। উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে ছেলে জয়কে সঙ্গে নিয়ে সিঙ্গাপুর সফর করেছিলেন অপু বিশ্বাস। তখন থেকেই ছেলেকে সেখানকার স্কুলে ভর্তি করানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আমি স্ট্যাটাস দিই আর গালি শুনি : অভিনেতা জয়

আমি স্ট্যাটাস দিই আর গালি শুনি : অভিনেতা জয় ছোট ও বড় পর্দার বহুমুখী তারকা শাহরিয়ার নাজিম জয়। অভিনয় ছাড়াও নানা বিষয়ে তাকে সরব থাকতে দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। মনের ভেতরে যে কথা থাকে, সে কথা তিনি অকপটে মানুষের সামনে তুলে ধরেন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রায় প্রতিনিয়ত কথা বলতে দেখা যায় জয়কে। জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে প্রতিনিয়ত সমালোচনা হয়ে থাকে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন এই অভিনেতা। এ নিয়েও চলছে সমালোচনা। শাহরিয়ার নাজিম জয় লেখেন, ‘যদি অপরাধী হতাম তাহলে চুপচাপ থাকতাম, স্ট্যাটাস দিতাম না। আশপাশে এমন অনেক আছে। অথচ আমি স্ট্যাটাস দিই আর গালি শুনি। অনেকে ভয়ও দেখায়। যারা চুপ তাদের অপরাধ কেউ মনেও করে না, তাদের কেউ গালিও দেয় না। ’ জয়ের ভাবনার সঙ্গে সহমত পোষণ করে অনেকে মন্তব্য করেছেন। আবার অনেকে জয়কে আক্রমণ করেও ‘নোংরা’ ভাষায় মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ পাল্টা যুক্তি কিংবা পরামর্শ দিয়েছেন। একজন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে লেখেন, ‘আচ্ছা ভাইয়া, আপনাকে মানুষ কেন গালি দেয়?’ নোমান খান লেখেন, ‘সত্যের পক্ষে থাকুন মানুষ ভালোবাসবেই। তবে আওয়ামী লীগ থেকে দূরে থাকুন। আব্দুল্লাহ নামে একজন পরামর্শ দিয়ে লেখেন, ‘এত কথা আর খাতিরের দরকার কী, চুপ থাকেন কয়দিন, দিন ফিরবে ইনশাআল্লাহ।’ আরেকজন লেখেন, ‘ঠিক বলেছেন ভাই। আপনার মতো সৎসাহস সাবার নেই।’ এমন অনেক মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।

জন্মদিনে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন জাংকুক

জন্মদিনে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন জাংকুক বিটিএস তারকা জাংকুক, যিনি তার গান দিয়ে বিশ্বব্যাপী তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্বজুড়ে ভক্তরা উদযাপন করেছেন প্রিয় তারকা জন্মদিন। আর জন্মদিনের শুভেচ্ছার ভিড়ের মধ্যেই ভক্তদের সাথে সরাসরি আলাপচারিতায় ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এই সংগীতশিল্পী। জানিয়েছেন অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার (ADHD) রোগে ভুগছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকায় একটি মিউজিক ভিডিওর শুট করে দেশে ফেরার পর গায়ক এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন। এক ভক্ত লাইভ চলাকালীন তার অস্থিরভাবে নাড়াচাড়া করা নিয়ে মন্তব্য করলে জাংকুক সরল ভঙ্গিতে বলেন, ‘আমার এই স্বভাবটা আছে। আমি এভাবেই নড়াচড়া করি।’ ADHD বা Attention Deficit Hyperactivity Disorder একটি স্নায়ু-সংক্রান্ত সমস্যা। এটি মনোযোগ ধরে রাখা, স্থির হয়ে বসা বা আকস্মিক প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলে। সাধারণত শৈশবেই এর লক্ষণ শুরু হয়, তবে প্রাপ্তবয়সেও অনেকের মধ্যে তা থেকে যায়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি অতিরিক্ত অস্থিরতা, এক জায়গায় স্থির হয়ে না বসতে পারা, মনোযোগের ঘাটতি, টাইম ম্যানেজমেন্টের সমস্যা ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকাশ পায়। তবে চিকিৎসা ও সঠিক কৌশলের মাধ্যমে অনেকেই এর সঙ্গে স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন। জাংকুকের এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি মুহূর্তেই ভক্তদের মন ছুঁয়ে যায়। মাসের পর মাস তার লাইভে স্বাভাবিক অস্থির আচরণ নিয়ে কটাক্ষ হচ্ছিল। অনেকে তাকে ‘চুপচাপ বসতে’ বলতেন। কিন্তু এবার ভক্তরা তার পাশে দাঁড়িয়ে জানান, অস্থিরভাবে নড়াচড়া করা বা ‘স্টিমিং’ আসলে ADHD-এর সাধারণ বৈশিষ্ট্য, যা নিয়ে বিদ্রূপ করা উচিত নয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের সমর্থন। কেউ লিখেছেন, ‘উনি যেভাবে স্বাভাবিকভাবে কথাটা বললেন, দারুণ লেগেছে। জাংকুক আর সুগা- দু’জনেই যেভাবে তাদের ADHD নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন, সেটা অসাধারণ।’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘এখন যারা অকারণে তাকে ‘চুপচাপ বসো’ বলছিলেন, তাদের থামা উচিত।’ অনেক ভক্ত জানিয়েছেন, জাংকুকের অভিজ্ঞতা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে মিলে গেছে। একজন লিখেছেন, ‘আমি সারাক্ষণ শুনি পা নড়ানো বা অস্থিরভাবে বসা নিয়ে বকাঝকা। কিন্তু আমি থামাতে পারি না। জাংকুকের কথায় মনে হল, আমি তো একা নই।’

শসা ভেজানো পানির বিস্ময়কর স্বাস্থ্যগুণ

শসা ভেজানো পানির বিস্ময়কর স্বাস্থ্যগুণ চাকতি করে কাটা শসা পানিতে ভিজিয়ে তৈরি হয় শসাপানি। সাধারণ পানির মতো হলেও এতে বাড়তি পুষ্টিগুণ যোগ হয়।এতে যেমন ভিন্ন স্বাদ, তেমনি রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা। ত্বকের যত্ন শসায় রয়েছে বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা দেহের ক্ষতিকর উপাদান দূর করে। নিয়মিত শসাপানি পান করলে বলিরেখা, ব্রণ ও র‌্যাশ কমে আসে। ত্বক থাকে টানটান ও উজ্জ্বল। ওজন নিয়ন্ত্রণ শসা ক্ষুধা মেটাতে সহায়ক। শসাপানি খাবারের আগেই পান করলে অযথা বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা শসাপানির পটাসিয়াম শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য রক্ষা করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও করোনারি রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। হাড়ের স্বাস্থ্য শসাপানির সিলিকা ও ম্যাঙ্গানিজ হাড় মজবুত করতে কার্যকর। শিশুদের হাড় গঠনে এটি বিশেষভাবে সহায়ক, বয়স বাড়লেও হাড়ের ঘনত্ব অটুট রাখে। ক্যানসার প্রতিরোধ শসার কিউকারবিটাসিন নামক উপাদান ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষণা বলছে, এটি প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। দেহের দূষণ প্রতিরোধ শসাপানি দেহকে ডিটক্সিফাই করে। মূত্রের মাধ্যমে বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়, ফলে বিপাকক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। পেশি গঠনে সহায়ক শসার সিলিকা দেহের কানেকটিভ টিস্যুকে শক্ত করে। এটি পেশি গঠনে ও শরীরকে সবল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

ফেরদৌস-শাবনূরকে ছাড়াই ফিরছে ‘বিয়াইন সাব’, থাকছেন অমি-আঁচল

ফেরদৌস-শাবনূরকে ছাড়াই ফিরছে ‘বিয়াইন সাব’, থাকছেন অমি-আঁচল বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শক-শ্রোতাদের মনে এখনো গেঁথে আছে জনপ্রিয় গান—‘আসসালামালাইকুম বিয়াইন সাব’। ২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘প্রেমের জ্বালা’ সিনেমার এই গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন খালিদ হাসান মিলু ও কনকচাঁপা। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের লেখা ও সুরে গানটি সেই সময় সিনেমার পর্দায় ফেরদৌস-শাবনূর জুটিকে প্রাণবন্ত করে তুলেছিল। ২৩ বছর পর আবারও ফিরে আসছে গানটি নতুন রূপে, ‘আসসালামালাইকুম বিয়াইন সাব ২.০’ শিরোনামে। এবার পুরোনো গানটির কেবল প্রথম দুই লাইন রাখা হয়েছে ব্রিজ হিসেবে, বাকি অংশ সাজানো হয়েছে একেবারেই নতুন কথা ও সুরে। নতুন সংস্করণে কণ্ঠ দিয়েছেন সৈয়দ অমি ও কনা। গানটির কথা লিখেছেন স্নেহাশীষ ঘোষ, সুর করেছেন সৈয়দ অমি আর সংগীতায়োজন করেছেন এ এন ফরহাদ। গানের ভিডিওতে রয়েছে বাড়তি চমক। ফেরদৌস-শাবনূরের বদলে এবার মডেল হয়েছেন গায়ক অমি এবং তার স্ত্রী, চিত্রনায়িকা আঁচল আঁখি। এর আগে ‘মাতাল’, ‘দুই চাক্কার সাইকেল’ ও ‘পরি পাইছি রে’সহ বেশ কিছু গানে একসঙ্গে দেখা গেছে এই জুটিকে। সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) বিশাল সেটে গানটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। শুটিং শেষে ফেসবুকে ছবি শেয়ার করে অমি লিখেছেন, “সফলভাবে ভিডিও ধারণ শেষ হয়েছে, শিগগিরই গানটি মুক্তি পাবে।” সবশেষ খবর অনুযায়ী, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর অনুপম মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে ‘আসসালামালাইকুম বিয়াইন সাব ২.০’।

৬ বছর পর ফিরছেন অমৃতা !

৬ বছর পর ফিরছেন অমৃতা ! প্রায় ছয় বছর পর পর্দায় ফিরছেন অমৃতা রাও। এই অভিনেত্রীকে দেখা যাবে আসন্ন ‘জলি এলএলবি ৩’ সিনেমায়। সিনেমাটির টিজার মুক্তির পর থেকেই অক্ষয় কুমার এবং আরশাদ ওয়ার্সির এ সিনেমাটি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। টিজারে অমৃতা রাওয়ের চরিত্রের এক ঝলক দেখানো হয়েছে এবং ভক্তরা তার প্রত্যাবর্তনের জন্য উচ্ছ্বসিত। একজন লেখেন, ‘আমি আনন্দিত। ’ আরেকজন ভক্ত লেখেন, ‘একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে নারী প্রধান চরিত্রদের ধরে রাখা দেখে খুব খুশি। এটা খুব কমই ঘটে। ’ আরেকজন আরও লেখেন, ‘মানুষ সহজেই নায়িকার কথা ভুলে যায়, এখানে তার ফিরে আসা দেখে খুশি। ’ সুভাষ কাপুর পরিচালিত ‘জলি এলএলবি ৩’ সিনেমাটিতে আরশাদ ওয়ার্সি জগদীশ ত্যাগী ওরফে জলি চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যিনি একজন সংগ্রামী আইনজীবী। তিনি একটি হাই-প্রোফাইল হিট-এন্ড-রান মামলার নেতৃত্ব দেন। অমৃতাকে দেখা যাবে জলির সহায়ক বান্ধবী সন্ধ্যার চরিত্রে। ‘জলি এলএলবি ৩’ নির্মিত হয়েছে স্টার স্টুডিও ১৮-এর প্রযোজনায়। এ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৌরভ শুক্লা, হুমা কুরেশি, আন্নু কাপুর, তেজ সাপ্রু, শরৎ সাক্সেনা এবং গজরাজ রাও প্রমুখরা অভিনয় করেছেন।

‘বন্ড’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ফিরতে আপত্তি নেই ব্রসনানের

‘বন্ড’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ফিরতে আপত্তি নেই ব্রসনানের অভিনেতা পিয়ার্স ব্রসনান ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট ‘জেমস বন্ডের’ সঙ্গে এতটাই একাত্মতা বোধ করেন যে পরিচালক ডেনিস ভিলেনিউভ চাইলে ফের এ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে যোগ দিতে আপত্তি নেই তার। তবে এই বয়সে তেমন কোনো আমন্ত্রণ পাওয়ার সম্ভাবনা যে নেই সেই কথাও রেডিও টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন ব্রসনান। রসিকতা করে তিনি বলেন, “অনেক দুর্দান্ত প্রার্থী আছেন, আমি নিশ্চিত তাদের মধ্যে কেউ না কেউ আসবেন। আমার মনে হয় না কেউ ৭২ বছর বয়সী মোটাসোটা কাউকে বন্ড হিসেবে দেখতে চায়। কিন্তু যদি ভিলেনিউভের হাতে পুরো বিষয়টি থাকত, তাহলে কি হত বলা যায় না। আমার হৃদয় এখনই চঞ্চল হয়ে উঠেছে এটা ভেবে।” আইরিশ অভিনেতা ব্রসনান ১৯৯৫ থেকে ২০০২ পর্যন্ত জেমস বন্ড সিরিজের চারটি ছবিতে বন্ড চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান। ব্রসনানের ভাষায়, তিনি ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রের একজন বড় ভক্ত। এখন নতুনভাবে পর্দায় ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রের প্রত্যাবর্তন পুরনো আমেজ ঠিক কতটা ধরে রাখতে পারে তা দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। মাসখানের আগে অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওস জানিয়েছে, ‘ডিউন’, ‘অ্যারাইভাল’ আর ‘ব্লেড রানার ২০৪৯’ এর মত সিনেমার জন্য পরিচিত অস্কার জয়ী নির্মাতা ডেনিস ভিলেনিউভ এবার ‘০০৭’ এর হাল ধরছেন। তবে নির্মাতা ঠিক হলেও এখনো নির্ধারণ হয়নি ‘বন্ড’ হচ্ছেন কোন অভিনেতা। এ ব্যাপারে অ্যামাজন মুখ খোলেনি। পরিচালক ভিলেনিউভ নতুন জেমস বন্ডের নির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন। ছয় দশকের বেশি সময় ধরে ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্ট জেমস বন্ডের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল ইয়ন ফিল্মস। বন্ড কে হবেন, তার চলাফেরা থেকে শুরু করে অস্ত্র তাক করার স্টাইল কেমন হবে সব ঠিক করতেন ইয়নের স্বত্বাধিকারী মাইকেল জি উইলসন ও বারবারা ব্রোকলি।

মারা গেছেন আল্লু অর্জুনের দাদি, রাম চরণের নানি

মারা গেছেন আল্লু অর্জুনের দাদি, রাম চরণের নানি দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আল্লু অর্জুনের দাদি ও রাম চরনের নানি মারা গেছেন। শনিবার (৩০ আগস্ট) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আল্লু কানাকারাত্তিনাম। তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। দ্য ফ্রি প্রেস জার্নাল এ খবর প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শনিবার (৩০ আগস্ট) হায়দরাবাদের বাড়িতে মারা গেছেন আল্লু কানাকারাত্তিনাম। বার্ধক্যজনিত কারণে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর শাশুড়ি। রাম চরণ মুসৌরিতে শুটিংয়ের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। অন্যদিকে, আল্লু অর্জুন অ্যাটলির পরবর্তী সিনেমার কাজে মুম্বাইয়ে ছিলেন। খবর পেয়ে দ্রুত হায়দরাবাদে উড়ে যান তারা। গতকালই আল্লু কানাকারাত্তিনামের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। তাতে যোগ দেন চিরঞ্জীবী, রাম চরণ, আল্লু অর্জুনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও। দক্ষিণী সিনেমার বরেণ্য অভিনেতা আল্লু রামালিঙ্গ। ২০০৪ সালের ৩১ জুলাই মারা যান তিনি। পদ্মশ্রী প্রাপ্ত এ অভিনেতার স্ত্রী আল্লু কানাকারাত্তিনাম। এ দম্পতির দুই সন্তান। তারা হলেন— আল্লু অরবিন্দ (পুত্র), সুরেখা (কন্যা)। বাবার পথ অনুসরণ করে চলচ্চিত্রে পা রাখেন আল্লু অরবিন্দ। তবে অভিনেতা নন, প্রভাবশালী প্রযোজক ও প্রদর্শক হিসেবে নিজের জায়গা গড়ে নেন। আল্লু অরবিন্দ নির্মলার সঙ্গে সংসার বেঁধেছেন। এ সংসারে জন্ম নেয় আল্লু অর্জুন ও আল্লু সিরিশ। এই দুই অভিনেতাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। অন্যদিকে, আল্লু রামালিঙ্গ-আল্লু কানাকারাত্তিনাম দম্পতির কন্যা সুরেখা শোবিজে পা রাখেননি। তবে দক্ষিণী সিনেমার মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। চিরঞ্জীবী-সুরেখা দম্পতির তিন সন্তান। তারা হলেন—রাম চরণ (পুত্র), সুস্মিতা (কন্যা), শ্রীজা (কন্যা)। চলচ্চিত্রে রাম চরণ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেও, দুই বোনের কেউই অভিনয়ে আসেননি।

অভিনেত্রীর অভিযোগ, ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা

অভিনেত্রীর অভিযোগ, ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী পবন সিংয়ের বিরুদ্ধে আপত্তিকর স্পর্শের অভিযোগ তোলেন ভারতের হরিয়ানার অভিনেত্রী অঞ্জলি রাঘব। এ ঘটনার পর এক ভিডিও বার্তায় অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি আর ভোজপুরি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করবেন না। অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়, যা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন পবন সিং। এবার অভিনেত্রীর অভিযোগে মুখ খুললেন ভোজপুরি অভিনেতা-সংগীতশিল্পী পবন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার (৩১ আগস্ট) পবন তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সহ-অভিনেত্রীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন। কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না বলেও দাবি করেছেন তিনি। অভিনেতা তার পোস্টে লেখেন, ‘অঞ্জলি ব্যস্ত ছিলাম বলে আপনার লাইভ দেখার সুযোগ পাইনি। আমি যখন এই বিষয়টি জানলাম, তখন খুবই খারাপ লেগেছে। আমার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না। আমার কোনো ব্যবহার যদি আপনার খারাপ লাগে তবে তার জন্য ক্ষমা চাইছি।’ সম্প্রতি একটি গানের প্রচার অনুষ্ঠানে অঞ্জলি রাঘব ও পবন সিং উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চে হঠাৎ অঞ্জলির কোমরে অকারণে হাত রাখেন পবন। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে কথা না উঠলেও পরে তা ভিন্ন রূপ নেয়। ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ‘অনেকেই জানতে চাইছেন কেন তিনি সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেখাননি বা চড় মারেননি। আবার কেউ কেউ তাঁকে হাসতে দেখে সমালোচনা করছেন।’ অভিনেত্রী প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘আমি কি আনন্দ পাব যদি কেউ প্রকাশ্যে আমার অনুমতি ছাড়া ছুঁয়ে দেয়? একেবারেই এমনটা নয়।’ এরপর অঞ্জলি আরও বলেন, ‘কোনো মেয়েকে তার অনুমতি ছাড়া স্পর্শ করাই ভুল। এভাবে স্পর্শ আরও বেশি ভুল। যদি এ ঘটনা হরিয়ানায় ঘটত, আমাকে কিছু বলতেই হতো না, মানুষ নিজেরাই প্রতিবাদ করত।’ সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমাকে অনেকেই পরামর্শ দিয়েছিলেন কিছু না বলার জন্য। কারণ পবন সিংয়ের শক্তিশালী পিআর টিম বিষয়টিকে উল্টে দিতে পারে।’ তবুও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে অঞ্জলি বলেন, ‘আমি আর ভোজপুরি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করব না। আমি আমার পরিবার ও হরিয়ানার কাজ নিয়েই খুশি।’