বিয়ে করলেন কণ্ঠশিল্পী পূজা

বিয়ে করলেন কণ্ঠশিল্পী পূজা বিয়ে করলেন দেশের এই সময়ের শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাঁধন সরকার পূজা। পাত্রের নাম শুভংকর সেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন গায়িকা নিজে। পূজার স্বামী শুভংকর সেন পেশায় একজন মডেল এবং চাকরিজীবী। পূজা জানান, গত একবছর ধরে তাদের পরিচয়, বন্ধুত্ব। এরপর দুই পরিবারকে জানালে পারিবারিকভাবেই বিয়ে হয়। জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য সবার কাছে আশীর্বাদ চেয়েছেন পূজা। এটি পূজার দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে একটি মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুবাদে পরিচয়ের সুবাদে ২০১৭ সালে তিনি মডেল অর্ণব দাস অন্তুকে বিয়ে করেছিলেন। ২০২১ সালের দিকে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। বাঁধন সরকার পূজা দেশের সুপরিচিত কণ্ঠশিল্পী। তার গাওয়া ১০টিরও বেশি গানের ভিউ কোটির ঘর ছাড়িয়েছে। সেই গানের তালিকায় রয়েছে- তুমি দূরে দূরে আর থেকো না, সাত জনম, এত কাছে, চুপি চুপি, একটাই তুমি, তোমার আমার ভালোবাসা, তুমি ছাড়া, কেন বারে বারে, মানে না মন, মিউজিক তোমায় ছেড়ে।
বরেণ্য অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেন

বরেণ্য অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) মুম্বাইয়ের বাসভবনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই, ইন্ডিয়া টুডে এ খবর প্রকাশ করেছে। ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর জানিয়ে বলিউড সিনেমার গুণী পরিচালক করন জোহর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন। গুণী তারকার একটি ছবি পোস্ট করে এই নির্মাতা-সঞ্চালক লেখেন, “একটি যুগের অবসান… এক মহাতারার প্রস্থান… মূলধারার সিনেমার এক বীরের প্রতিচ্ছবি… অবিশ্বাস্য রূপবান এবং পর্দায় এক অনন্য রহস্যময় উপস্থিতি… তিনি ছিলেন এবং চিরকাল থাকবেন ভারতীয় সিনেমার এক সত্যিকারের জীবন্ত কিংবদন্তি… যিনি সিনেমার ইতিহাসের পাতায় চিরস্থায়ী হয়ে আছেন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার অসাধারণ একজন মানুষ ছিলেন।” শূন্যতার কথা জানিয়ে করন জোহর লেখেন, “আজ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো… এমন এক শূন্যতা, যা কোনোদিন কোনোভাবে পূরণ হবে না… তিনি চিরকালই আমাদের একমাত্র ধর্মজি… আমরা আপনাকে ভালোবাসি, সদয় মহাশয়… আমরা আপনাকে ভীষণ মিস করব… আজ স্বর্গ ধন্য হলো… আপনার সঙ্গে কাজ করা ছিল আমার আশীর্বাদ…।” অনেক দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন ধর্মেন্দ্র। গত ১১ নভেম্বর তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও সেই খবর সঠিক ছিল না। তারপর থেকে বাড়িতে রেখে তার চিকিৎসা চলছিল। সোমবার (২৪ নভেম্বর) ফের তার মৃত্যুর খবর নেট দুনিয়ায় চাউর হয়। মূলত, আজ এ অভিনেতার বাড়িতে অ্যাম্বুলেন্স যাওয়ার পর এই গুঞ্জনের সূচনা। তাছাড়া শোবিজ অঙ্গনের অনেকে ধর্মেন্দ্রর বাড়িতে হাজির হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিয়ে পরিবার থেকে কিছু জানানো হয়নি। ১৯৩৫ সালের ৮ ডিসেম্বর পাঞ্জাবের লুধিয়ানা জেলার সাহনেওয়াল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ধর্মেন্দ্র কেওয়াল কৃষণ দেওল। ছোটবেলায় সিনেমার পর্দা ছিল তার কাছে জাদুর জানালা। সেই গ্রাম থেকে, কাদামাখা রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তিনিও একদিন বড় পর্দায় আলো ছড়াবেন। ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনের ‘ট্যালেন্ট কনটেস্ট’-এ জয়ী হন। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন ধর্মেন্দ্র। প্রথম সিনেমা মুক্তির পরই নজর কাড়েন। তবে প্রকৃত সাফল্য আসে তারও কয়েক বছর পর। বিশেষ করে ‘শোলা আউর শবনম’ (১৯৬১), ‘বন্দিনী’ (১৯৬৩), ‘ফুল আউর পাথর’ (১৯৬৬) ও ‘সত্যকাম’ (১৯৬৯) সিনেমার মাধ্যমে। ষাট ও সত্তরের দশক ছিল ধর্মেন্দ্রর সোনালি যুগ। শক্তিমত্তা, মাধুর্য ও সংবেদনশীলতার এমন মিশেল বলিউড আগে দেখেনি। ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘ড্রিম গার্ল’, ‘শোলে’—প্রতিটি সিনেমায় ধর্মেন্দ্র হয়ে উঠেছেন ভারতীয় পুরুষত্বর নতুন সংজ্ঞা। শক্তির মধ্যে প্রেম, সাহসের মধ্যে কোমলতা—এই অনন্য ভারসাম্যই তাকে আলাদা করে দেয় সমসাময়িক নায়কদের থেকে। ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর প্রেমের গল্পই যেন একটি সিনেমা। ‘তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান’ সিনেমার শুটিং সেটে তাদের দেখা হয়। তারপর ‘শোলে’, ‘সীতা আউর গীতা’, ‘ড্রিম গার্ল’ এর মতো একের পর এক সিনেমায় রোমান্সের পরত জমতে থাকে। তখন ধর্মেন্দ্রর সংসারে ছিলেন প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর। তবু হৃদয়ের টান থামেনি। সমাজের চোখ রাঙানি, সমালোচনা, বিতর্ক—সব পেরিয়ে ধর্মেন্দ্র ও হেমা এক হয়েছেন। ধর্মেন্দ্র বলেছিলেন, “আমি কাউকে আঘাত করিনি, আমি শুধু হৃদয়ের কথা শুনেছি।” হেমা মালিনী তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন, “তিনি একসঙ্গে শক্তিশালী ও কোমল। ঝড়ের মাঝেও পাহাড়ের মতো পাশে থেকেছেন।” তাদের দুই মেয়ে এষা ও অহনা আজও বলেন—বাবা এখনো মায়ের জন্য শায়রি লেখেন, ভালোবাসায় বলেন, “মেরি হেমা।” ধর্মেন্দ্রর দুই সংসারে ছয়জন সন্তান রয়েছে। তারা হলেন—পুত্র সানি ও ববি দেওল, কন্যা এষা, অহনা, বিজেতা ও অজিতা। ধর্মেন্দ্রর অভিনয়ে অদ্ভুত মানবিকতা ছিল। ‘সত্যকাম’ সিনেমায় আদর্শবাদী যুবক থেকে শুরু করে ‘অনুপমা’ সিনেমার সংবেদনশীল লেখক—প্রতিটি চরিত্রেই জীবনের রঙ ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। ‘শোলে’ সিনেমায় ‘বীরু’ চরিত্রে তার সংলাপ—“বসন্তি, ইন কুত্তো কে সামনে মৎ নাচনা” এখনো ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অমর। কিন্তু পর্দার বাইরে তিনি একেবারে আলাদা মানুষ। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “স্রষ্টা আমাকে সব দিয়েছেন। কিন্তু আমি কখনো দাবিদার হইনি।” এটাই ধর্মেন্দ্রর জীবনের দর্শন, বিনয়, মহত্ত্ব। খ্যাতির চূড়ায় থেকেও ধর্মেন্দ্র তার জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত মাটির মানুষ ছিলেন। লোনাভালার খামারে কাজ করেছেন, ট্র্যাক্টর চালিয়ে ভিডিও পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে। ২০২৫ সালের দশেরা উপলক্ষে ভিডিও বার্তায় বলেন, “ভালো মানুষ হয়ে বাঁচুন, তবেই সাফল্য আপনার পিছু নেবে।” তার এই সরলতাই তাকে কোটি ভক্তের হৃদয়ে অমর করেছে। ধর্মেন্দ্রর জীবন মানেই হিন্দি সিনেমার ক্রমবিবর্তনের প্রতিচ্ছবি। সাদা-কালো যুগের সামাজিক নাটক থেকে সত্তরের দশকের অ্যাকশন ব্লকবাস্টার—সবকিছুতেই তিনি ছিলেন সামনের সারিতে। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমা হলো— ফুল আউর পাথর (১৯৬৬), সত্যকাম (১৯৬৯), মেরা গাঁও মেরা দেশ (১৯৭১), শোলে (১৯৭৫), চুপকে চুপকে (১৯৭৫), দ্য বার্নিং ট্রেন (১৯৮০), লাইফ ইন আ মেট্রো (২০০৭), আপনে (২০০৭), রকি আউর রানি কি প্রেম কাহানি (২০২৪) প্রভৃতি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত ‘ইক্কিস’ সিনেমা। আগামী ডিসেম্বরে এটি মুক্তির কথা রয়েছে। অভিনয়ের স্বীকৃতি স্বরূপ বেশ কিছু সম্মাননা জমা পড়েছে ধর্মেন্দ্রর ঝুলিতে। ১৯৯০ সালে ‘ঘায়েল’ সিনেমার জন্য ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন ধর্মেন্দ্র। ২০১২ সালে পদ্মভূষণ পুরস্কার পান। ২০০৪ সালে লোকসভায় বিকানেরের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাছাড়া অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন এই অভিনেতা। তবে পুরস্কার ধর্মেন্দ্র একবার বলেছিলেন—“আমার সবচেয়ে বড় পুরস্কার সাধারণ মানুষের হাসিমুখ।”
মিসরের সিনেমার প্রধান বাজার সৌদি আরব

মিসরের সিনেমার প্রধান বাজার সৌদি আরব মিসরের চলচ্চিত্রশিল্পের সাম্প্রতিক সাফল্য ইতোমধ্যেই আলোচনায়। বিশেষ করে বিদেশি বাজারে খুব ভালো করছেন দেশটির সিনেমা। কায়রো ইন্ডাস্ট্রি ডেজ চলাকালে কায়রো ফিল্ম কানেকশন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, মিসরীয় সিনেমা রপ্তানির প্রধান বাজার হয়ে ওঠেছে এখন সৌদি আরব। আরব বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো ও প্রভাবশালী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির দেশ মিসর। দীর্ঘ দশকজুড়ে তাদের সিনেমা কখনো সফল, কখনো আবার পড়েছে মন্দায়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বাজারের তুলনায় বিদেশি বাজারে আয় বেড়েছে বহু গুণ। ২০২১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত মিসরের শীর্ষ ১০ রপ্তানি চলচ্চিত্রের মধ্যে ৯টির সবচেয়ে বড় আয় এসেছে সৌদি আরব থেকে। সৌদির সর্বকালের শীর্ষ ৬৫ ছবির মধ্যে ২৭ শতাংশই মিসরীয়। রোমান্টিক-কমেডি ‘বাহেবেক’ মিসরে আয় করেছিল ২.৮ মিলিয়ন ডলার। অথচ ছবিটি বিদেশে আয় করে ২২.৯ মিলিয়ন ডলার। যার বৃহৎ অংশ সৌদিতে। ‘সন্স অব রিজক ৩: নকআউট’ ছবিটি দেশে আয় করেছিল ৬.১ মিলিয়ন ডলার। আর বিদেশে এর আয় ২২.৩ মিলিয়নেরও বেশি। ‘আ স্ট্যান্ড ওয়ার্দি অব মেন’ ছবি দেশে ১.৭ মিলিয়ন ও বিদেশে ১৮.৩ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। ২০২৪ সালে সৌদি বাজারে ৩৩টি মিসরীয় ছবি মুক্তি পায় এবং মোট আয় করে ৫৩ মিলিয়ন ডলার। মিসরের নিজস্ব বাজারের মোট আয়ের (২৩.৫ মিলিয়ন ডলার) দ্বিগুণেরও বেশি এই পরিসংখ্যান। মিসর-সৌদি যৌথ প্রযোজনার ছবিগুলো সৌদিতে বিশেষ কর সুবিধাও পায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হানি খলিফার থ্রিলার ‘ফ্লাইট ৪০৪’। এটি এবারের অস্কারের জন্য মিসর থেকে জমা পড়েছে। উচ্চ বাজেটের কৌতুক ও অ্যাকশন দীর্ঘদিন ধরে দাপট দেখালেও এখন কম বাজেটের ছবিও সফল হচ্ছে মিসরে। উদাহরণ হিসেবে ওমর এল মুহানদেসের মাঝারি বাজেটের কৌতুক গল্পের ‘সিকো সিকো’ ছবির কথা বলা যায়। এই সিনেমাটি দেশে আয় করেছে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলার এবং সৌদিতে আরও ৪.২ মিলিয়ন আয় করে মিসরের ইতিহাসের দ্বিতীয় সফলতম ছবি হিসেবে নাম লিখিয়েছে। বিশ্ব বাজারে মিসরের সিনেমা পৌঁছে দিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিনার্জি ছিল প্রধান পরিবেশক। তবে ২০২৫ সালে এগিয়ে গেছে মিসর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্মস। এই বছরে সিনার্জির সাবেক কর্মকর্তা আহমেদ বদাওয়ি ফিল্ম স্কয়ার নামে নতুন সংস্থা চালু করেছেন। এটি দ্রুত বাজার বাড়াচ্ছে। হলিউডসহ বিদেশি ছবি বিতরণে শীর্ষে রয়েছে ইউনাইটেড মোশন পিকচার্স। সৌদি আরবের আরব রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন নেটওয়ার্কের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউভিএফ এখন মধ্য বাজেটের মিসরীয় ছবি অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তির ওপর জোর দিচ্ছে। ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদনে কায়রো ফিল্ম কানেকশনের বিগত ১০ আসরের সাফল্যও তুলে ধরা হয়েছে। পিচিং, পরামর্শ, অর্থসহায়তা ও বিভিন্ন পুরস্কারের মাধ্যমে তারা বহু আরব নির্মাতাকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।
বিয়ের দিনে হাসপাতালে গায়িকা পলক মুচ্ছালের ভাই

বিয়ের দিনে হাসপাতালে গায়িকা পলক মুচ্ছালের ভাই বলিউডের সংগীতশিল্পী পলাশ মুচ্ছাল ও ভারতীয় নারী ক্রিকেটার স্মৃতি মান্ধানার বহুল প্রতীক্ষিত বিয়ের দিনেই দুঃসংবাদ! গত রোববার তাদের চার হাত এক হওয়ার কথা থাকলেও এর আগের দিন কনের বাবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এর একদিন পরেই হাসপাতালে ভর্তি হলেন বর- পলাশ মুচ্ছাল। বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা পলক মুচ্ছালের ভাই পলাশ মুচ্ছাল। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে পলাশেরও। ফলে নির্ধারিত দিনে আর বিয়ে হয়নি পলাশ-মান্ধানার। সূত্র জানায়, ভাইরাল সংক্রমণ ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় পলাশ মুচ্ছালকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তবে তার অসুস্থতা গুরুতর নয়। চিকিৎসার পর তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে হোটেলের পথে রওনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, স্মৃতির বাবা গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাবাকে ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হননি স্মৃতি মান্ধানা, তাই তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ে স্থগিত করা হয়। ভারতের জনপ্রিয় তারকা ক্রিকেটার স্মৃতি মন্ধানা এবং উঠতি গায়ক পলাশ মুচ্ছালের বিয়ে নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দুই পরিবারের সদস্যদের অসুস্থতার কারণে বিয়েটি পিছিয়ে গেল।
এবার তিশার বিরুদ্ধে ভারতীয় প্রযোজকের প্রতারণার অভিযোগ

এবার তিশার বিরুদ্ধে ভারতীয় প্রযোজকের প্রতারণার অভিযোগ কলকাতার সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে অগ্রিম পারিশ্রমিক নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে। শরীফ খান নামে এক প্রযোজক এমন গুরুতর অভিযোগ করেছেন। এম. এন. রাজ পরিচালিত ‘ভালোবাসার মরশুম’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন তানজিন তিশা। কিন্তু এই অভিনেত্রীর অসহযোগিতা ও বারবার মিথ্যা বলার কারণে বাধ্য হয়ে তাকে সিনেমা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাদ পড়ার পর তিশা অগ্রিম নেওয়া পারিশ্রমিকের অর্থ ফেরত দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ প্রযোজকের। তবে এসব অভিযোগকে ‘ফালতু’ বলে মন্তব্য করেছেন তিশা। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে তানজিন তিশা বলেন, “এই অভিযোগ ফালতু। আমাকে চুক্তির সময় এক তৃতীয়াংশ পেমেন্ট দেয়া হয়েছিল। এই সিনেমার শুটিংয়ের জন্য ভিসা পাওয়ার অপেক্ষায় দেড়মাস কোনো কাজ করিনি। চুক্তিতে উল্লেখ আছে, শুটিং ক্যানসেল হলে এই অর্থ ফেরত যাবে না। প্রযোজকের অপেশাদার আচরণের ঘটনা উল্লেখ করে তিশা বলেন, “শরীফ (শরীফ খান) নামে একজন আমার সঙ্গে মধ্যরাতে ফোন করে কথা বলতে চেয়েছে, এত রাতে আমি কেন কথা বলব? এটা তো পেশাদার আচরণ হতে পারে না। আমি অবশ্য দিনে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। আর উনি তো এই সিনেমার প্রযোজকই নন। এর বেশি কিছু বলতে হলে আমার আইনজীবী বলবেন। তিশার আইনজীবী জসীম উদ্দিন বলেন, “তানজিন তিশা চুক্তি অনুযায়ী তার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে পালন করেছেন। তিনি শিডিউল প্রদান করেছেন এবং কাজের জন্য প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু ডিরেক্টর ভিসা এবং শুটিংয়ের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে চুক্তির সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহ অনুযায়ী ডিরেক্টরের ডিফল্ট (অপরাধ) স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তিশার পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আর্টিস্ট ডিফল্ট ঘটেনি। বরং ভিসা বিলম্ব ও শিডিউল বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে তিশাই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রযোজক দাবি করেছেন, প্রথমে ৩০ হাজার রুপি পরে তিশার বোনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশি ৪ লাখ ১২ হাজার টাকা পাঠানো হয়। এরপর থেকেই গড়িমসি শুরু করেন তিশা।
তাসনিয়া ফারিণের নতুন গান ‘মন গলে না’ ট্রেলার শিগগির

তাসনিয়া ফারিণের নতুন গান ‘মন গলে না’ ট্রেলার শিগগির হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। গেল বছর গান গেয়েও সাড়া ফেলেন এই তারকা। ইত্যাদিতে তাহসানের সঙ্গে তাঁর গাওয়া ‘রঙে রঙে রঙ্গিন হব’ গানটি ট্রেন্ডিংয়ে ছিল বেশ কিছুদিন। প্রশংসিত হয় সব মহলে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার নতুন উপহার দিতে যাচ্ছেন ফারিণ। গানটির শিরোনাম ‘মন গলে না’। ইমরান মাহমুদুলের সুর সংগীতে গানটি মিউজিক ভিডিও আকারে প্রকাশ পাবে বলে জানালেন ফারিণ। গতকাল গানটির একটি পোস্টার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে ফারিণ লিখেন ‘ট্রেলার আসছে শিগগিরই। এই লেখার সূত্র ধরেই যোগাযোগ করা হয় অভিনেত্রীর সঙ্গে। ফারিণ বলেন, ‘‘গানের শিরোনাম ‘মন গলে না’। সব রেডি করে বসে আছি। এর মধ্যে ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি দেশবাসীর মাঝে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করে গেল। এই আতঙ্ক না কাটা পর্যন্ত গানটি মুক্তি দিতে পারব না। তবে আশা করছি, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে গানটি প্রকাশ করতে পারব। কিছুদিন আগে ফারিণ জানিয়েছিলেন প্রযোজনায় আসছেন তিনি। ‘ফড়িং ফিল্মস’ নামে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছিলেন। এবার জানালেন, এই প্রোডাকশন হাউসের ব্যানারেই ফারিণ তাঁর নতুন গানটি নির্মাণ করেছেন এবং তা প্রকাশ করবেন ফারিণের নিজের ইউটিউবে। নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রথম কাজ এটি। তাই বাড়তি ভালোবাসা, যত্ন ও প্রত্যাশা জড়িয়ে আছে বলেই যোগ করলেন ফারিণ। বিয়ের পর ভাগ্য যেন আরও প্রসন্ন হয়েছে ফারিণের। তুঙ্গে আছে বৃহস্পতি। সাম্প্রতিক তাঁর কাজের ফিরিস্তির দিকে তাকালেই এর প্রমাণ মেলে। চলতি বছরের ঈদুল আজহায় ইনসাফ সিনেমায় দিয়ে ঢাকায় সিনেমায় অভিষেক হয় ফারিণের। শরিফুল রাজের বিপরীতে নায়িকা ছিলেন তিনি। কিছুদিন আগে দেশের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের বিপরীতে ‘প্রিন্স’ সিনেমায় আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ডিসেম্বরে সিনেমাটির শুটিং শুরুর কথা রয়েছে। এটি পরিচালনা করবেন আবু হায়াত। এ ছাড়াও কলকাতার নির্মাতা পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়ের একটি সিনেমাতেও কাজের খবর আসে। সিনেমাটিতে ঢাকার অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীকেও দেখা যাবে। সবকিছু মিলিয়ে ফারিণ বলেন, ‘সিনেমা করব করব বলে শুরু করে দিয়েছি। ইনসাফের নতুন সম্প্রতি নতুন সিনেমারও খবর দিলাম। আগামীতে আরও ভালো ভালো গল্পের কাজের খবরও দিতে পারব ইনশাআল্লাহ। তবে এখন আপাত রয়েছি গানটি নিয়ে। গানটি সবাই কীভাবে নেবেন সেটার অপেক্ষাতেই আছি।
ফিরছেন মিম বড় চমক নিয়ে

ফিরছেন মিম বড় চমক নিয়ে গত বছর সর্বশেষ ২০২৩ সালের অক্টোবরে জিতের বিপরীতে টালিউডের ‘মানুষ’ ছবিতে তাকে দেখা গিয়েছিল। এরপর আর নতুন কোনো কাজ মুক্তি পায়নি তার। ওটিটিতেও দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিলেন এই তারকা। দুই বছরেরও বেশি সময় পর আবারও বড় পর্দায় ফিরতে চলেছেন বিদ্যা সিনহা মিম। থাকছে বড় চমকও। নিজেই তিনি ২০২৬ সালকে নিজের ‘কামব্যাক ইয়ার’ হিসেবে ঘোষণা দিলেন এই লাক্স তারকা। সম্প্রতি এক ফ্যাশন হাউসের উদ্বোধনী আয়োজনে এসে জানালেন, আগামী বছর আবারও সিনেমা হলে দেখা যাবে তাকে। তিনি জানান, ইতিমধ্যে একটি নতুন সিনেমা ও একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং শেষ করেছেন মিম। তবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলতে চান না তিনি। এ দুটি কাজ ছাড়াও আরও কয়েকটি সিনেমা ও ওয়েব কনটেন্ট হাতে রয়েছে মিমের। মিম আরও জানিয়েছেন, ২০২৬ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বড় পর্দা ও ওটিটিতে কাজ করবেন। গত দুই বছর কোনো কাজ মুক্তি না পেলেও ভালো গল্পের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। সেই অপেক্ষা শেষ হতে যাচ্ছে শিগগিরই। আগামী মাসেই আসছে তার নতুন কাজের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। বিরতির আগে দারুণ সময় কেটেছে মিমের। রায়হান রাফীর ‘পরান’ দিয়ে ২০২২ সালে ঈদুল আজহায় আলোচনায় আসেন তিনি। একই বছরে নির্মাতার আরেক ছবি ‘দামাল’ দিয়েও প্রশংসিত হয় তার অভিনয়। পরের বছর মুক্তি পায় দীপংকর দীপনের ‘অন্তর্জাল’ এবং সানী সানোয়ারের ওয়েব সিরিজ ‘মিশন হান্টডাউন’।
মিস ইউনিভার্স বিতর্ক ব্যবসায়িক স্বার্থে ফাতিমাকে জেতানো হয়েছে

মিস ইউনিভার্স বিতর্ক ব্যবসায়িক স্বার্থে ফাতিমাকে জেতানো হয়েছে থাইল্যান্ডে গত ২১ নভেম্বর বসেছিল ৭৪তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসর। এবারে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট ওঠে মেক্সিকোর সুন্দরী ফাতিমা বশ-এর মাথায়। কিন্তু ফাতিমাকে ‘ভুয়া বিজয়ী’ বলে আখ্যায়িত করেছেন লেবানিজ-ফরাসি সুরকার ও প্রতিযোগিতার অন্যতম বিচারক ওমর হারফৌচ। উল্লেখ্য, ফাইনাল অনুষ্ঠানের দিন দুয়েক আগে কারচুপির অভিযোগ এনে এবারের আসরের বিচারকের প্যানেল থেকে সরে আসেন ওমর হারফৌচ। সেসময় তার অভিযোগ ছিল, মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম এই আসরে স্বজনপ্রীতি অর্থাৎ কিছু প্রতিযোগীর সঙ্গে অন্যান্য জুরি প্যানেলে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফাতিমার জয়ের খবরের পর স্যোশাল মিডিয়ায় পোস্টের মাধ্যমে অভিযোগ তুলেন ওমর। প্রতিযোগিতার মালিক রাউল রোচা ব্যবসায়িক স্বার্থে আগে থেকেই ফাতিমাকে বিজয়ী হিসেবে ঠিক করে রেখেছিলেন। ওমর হারফৌচ দাবি করেন, ফাইনালের ২৪ ঘণ্টা আগেই তিনি আমেরিকান গণমাধ্যম এইচবিও-কে জানিয়েছিলেন যে মিস মেক্সিকোই জিতবেন। এরপর ওমর উল্লেখ করেন, ‘মিস মেক্সিকো একজন ভুয়া বিজয়ী। মিস ইউনিভার্সের মালিক রাউল রোচার সঙ্গে ফাতিমা বশের বাবার ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। ওমর আরও অভিযোগ করেন, ‘এক সপ্তাহ আগে দুবাইতে রাউল রোচা এবং তার ছেলে আমাকে ফাতিমাকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন। তারা বলেছিলেন, ফাতিমার জেতাটা তাদের ব্যবসার জন্য ভালো হবে। অন্যদিকে এমন দাবির পাল্টা জবাব দিয়েছে মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশনের প্রেসিডেন্ট রাউল রোচা। একটি ভিডিও বার্তায় এসব অভিযোগকে পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন তিনি।
দোয়া চাইলেন বারিশা হক স্বামী আইসিইউতে

দোয়া চাইলেন বারিশা হক স্বামী আইসিইউতে অভিনেত্রী ও উপস্থাপিকা বারিশা হকের স্বামী, নাট্য নির্মাতা আলভী রায়হান সীমান্ত গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন। বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন বারিশা হক। আজ ২৩ নভেম্বর দুপুরে ফেসবুকে এক পোস্টে বারিশা লেখেন, “আমার হাজবেন্ডকে হসপিটালের আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। সবাই দোয়া করেন প্লিজ। আল্লাহ ভরসা। বারিশা জানান, সীমান্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত, এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। বারিশা হক একাধারে উপস্থাপিকা, নৃত্যশিল্পী, মডেল ও অভিনেত্রী। ২০০৮ সালে বিটিভির কুইজ শো ও বিতর্ক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তার মিডিয়ায় পথচলা শুরু। পরে বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে প্রশিক্ষণ নেন। উপস্থাপনা ও নৃত্যের পাশাপাশি তিনি অল্প সময়ে নাটকে অভিনয় করে জায়গা করে নেন শোবিজে। বর্তমানে অভিনয় ও মডেলিংয়ের চেয়ে ব্র্যান্ড প্রমোশন সংক্রান্ত কাজেই বেশি সময় দিচ্ছেন বারিশা।
নির্মাতা শেখ নজরুল মারা গেছেন

নির্মাতা শেখ নজরুল মারা গেছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম মারা গেছেন। তিনি ‘চাঁদের আলো’ সহ একাধিক জনপ্রিয় সিনেমার নির্মাতা। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিচালক সমিতির উপ-সচিব অপূর্ব রানা। গত ১৬ নভেম্বর মাইল্ড স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ষাটের দশকে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে শেখ নজরুলের। তিনি খান আতাউর রহমান এবং জহির রায়হানের মতো কিংবদন্তিদের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে পথচলা শুরু করেন। তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র হলো ‘চাবুক’ (১৯৭৪)। প্রসঙ্গত, পরিচালক হিসেবে পরিচিতি পেলেও ষাটের দশকে তিনি ‘সাত ভাই চম্পা’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া জহির রায়হানের কালজয়ী কিন্তু অসমাপ্ত ছবি ‘লেট দেয়ার বি লাইট’-এ তিনি সহকারী হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি একটি চরিত্রে অভিনয়ও করেন।