নেটমাধ্যমে তোলপাড় পাইলট’ লুকে শাকিব 

নেটমাধ্যমে তোলপাড় পাইলট’ লুকে শাকিব   সদ্য এক বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশ নিয়েছেন ঢালিউডের মেগাস্টার শাকিব খান। এখন শাকিব খান মানেই যেন নতুন নতুন লুক আর পোশাক। এই বিজ্ঞাপনও তার ব্যতিক্রম নয়। বিজ্ঞাপনটি ভাইরাল হতেই নতুন কিছু লুক নিয়ে আলোচনায় আসেন শাকিব। এরপর বিজ্ঞাপনটির জন্য তোলা পাইলটের লুকের কয়েকটি আলাদা ছবি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেন নায়ক। সেই ছবিগুলোতেই দেখা যায় সম্পূর্ণ অন্যরকম এক শাকিব খানকে; যা নিয়ে নেটমাধ্যমে তৈরি হয়েছে শোরগোল। ছবিতে দেখা যায়, নেভি ব্লু ক্যাপ্টেন ইউনিফর্ম, গম্ভীর লুক, পরিপাটি গেটআপ; চোখে সানগ্লাস আর পরিচ্ছন্ন গোঁফে যেন ভক্তদের নতুন করে মুগ্ধ করেছেন তিনি। ছবিগুলোর ক্যাপশনে শাকিব লিখেছেন, ‘আকাশটা সীমা নয়, এটি শুরু করার স্থান! ছবিগুলো প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন লুক ভাইরাল হয়ে যায় ফেসবুকে। মন্তব্যের ঘরে ভক্তরা প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন তাকে। কেউ লিখেছেন, “এটিই আমাদের ক্যাপ্টেন শাকিব!” আরেকজনের মন্তব্য, “চলচ্চিত্রের পাইলট। তবে ছবিগুলো দেখে বহু নেটিজেন বলেছেন, এগুলো নাকি এআই-নির্মিত! যদিও মেটা এআই কিংবা চ্যাটজিপিটি, কোনোটিই ছবিগুলোকে এআই-জেনারেটেড হিসেবে শনাক্ত করেনি। এদিকে আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ নিয়েও ব্যাপক আলোচনায় আছেন শাকিব খান। সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স প্রযোজিত ছবিটিতে তাকে একজন দেশপ্রেমিক চরিত্রে দেখা যাবে, যিনি একাই লড়াই করবেন দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে।

মাসুমের কণ্ঠে আনন্দের গান

মাসুমের কণ্ঠে আনন্দের গান   সংগীতশিল্পী মাসুমের কণ্ঠে প্রকাশ হলো নতুন গান ‘অন্ধকারে দেখা হোক’। গানের কথা লিখেছেন তারেক আনন্দ। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন মাসুম নিজেই। গানটি প্রকাশ হয়েছে মাসুমের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে। গান নিয়ে মাসুম বলেন, ‘অন্ধকারে দেখা হোক’ গানটি আমার মনের মতো লিরিক পেয়েছিলাম। আমি চেষ্টা করেছি সুন্দর সুর, সংগীত করার। আশা করছি গানটি ভালো লাগবে শ্রোতাদের। তারেক আনন্দ বলেন, পাওয়ার ভয়েস খ্যাত শিল্পী মাসুম আজ থেকে দশ বছর আগে আমার আনন্দের গান অ্যালবামে প্রথম গান গেয়েছিলেন। এরপর তার সাথে কাজ করার কথা থাকলেও আর কেন জানি হয়নি। হঠাৎ এক রাতে লিরিক চাইলেন। সেই গানটিই ‘অন্ধকারে দেখা হোক’। খুব সুন্দর সুর করেছেন। আমার ক্যারিয়ারে আরেকটি ভালো গান যোগ হলো। মাসুম নিয়মিত গান প্রকাশ করে আসছেন। তার কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে ৩০টির বেশি মৌলিক গান। এরমধ্যে‘মাঝি’, ‘অভিশপ্ত’, ‘মা’, ‘কিছু রাত নির্ঘুম’, ‘মাটি বলে’ প্রমুখ গান শ্রোতাপ্রিয়।

একটা চাদর হবে চাদর’ খ্যাত শিল্পী সুমন মারা গেছেন

একটা চাদর হবে চাদর’ খ্যাত শিল্পী সুমন মারা গেছেন   চলে গেলেন ‘একটা চাদর হবে চাদর’ খ্যাত জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আজ ২৮ নভেম্বর বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন নিশ্চিত করেছেন শিল্পীর ঘনিষ্ঠজন নাদিম। নাদিম জানান, সকালে হঠাৎ তীব্র বুকে ব্যথা অনুভব করেন সুমন। দ্রুত তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা গেছেন। একটা চাদর হবে’-এই একটি গানই তাকে দেশের ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে। ১৯৯৭ সালে তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশের পর একের পর এক শ্রোতাপ্রিয় অ্যালবাম উপহার দেন তিনি ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’সহ আরও অনেক গান। ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তার সবশেষ অ্যালবাম ‘মন চলো রূপের নগরে’। এরপর কিছুটা অনিয়মিত হয়ে পড়লেও শ্রোতাদের মনে জায়গা ছিল অটুট।

প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে তনুশ্রী

প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে তনুশ্রী   টালিউডের ‘ডিপ ফ্রিজ’খ্যাত অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী বেড়াতে গিয়ে সদ্য বিয়ে সেরেছেন লাস ভেগাসে। গলায় আনন্দ আর উত্তেজনা মিলেমিশে একাকার। লাস ভেগাসের সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নৈশভোজ সারতে নবদম্পতি যাচ্ছেন লাস ভেগাসের একটি পাঁচতারা হোটেলে। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যম যোগাযোগ করতেই ফোনের ওপারে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলে উঠলেন তনুশ্রী সবটা স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। এখনো ঘোর কাটেনি। বিশ্বাস হয়েও যেন হচ্ছে না। রাতারাতি ও সবটা ব্যবস্থা করে ফেলল। বাঁধা পড়লাম সাতপাকে। অভিনেত্রী বলেন, চেনাজানা অনেক দিনের। ভালোবাসার বয়স মাত্র পাঁচ মাস। পাত্র সুজিত বসু আইটি ইঞ্জিনিয়ার। আটলান্টায় থাকেন। ২৮ বছর ধরে প্রবাসী। ভালোবাসার বয়স কম হলে কী হবে, আমাদের প্রেম গভীর বলে জানান তনুশ্রী চক্রবর্তী। সাতপাকে বাঁধা পড়ার ভাবনাচিন্তা চলছিলই। এরই মাঝে তনুশ্রী ঠিক করেন, হবু বরের সঙ্গে আরও একবার বিদেশ ঘুরে দেখবেন। সেই ভাবনা থেকেই মার্কিন মুলুকে যাওয়া তার। তনুশ্রী বলেন, হঠাৎ সুজিত বসু বলল চলো বিয়েটা সেরে ফেলি? কিছু বুঝে ওঠার আগেই আয়োজন প্রস্তুত। রাতারাতি সব সেরে ফেলল। অভিনেত্রী বলেন, এমনকি বিয়ের লেহেঙ্গাও চলে এলো। সঙ্গে মানানসই গহনা। পুরোটাই যেন সিনেমার মতো। ভিডিওকলে পরিবারের সবাইকে সাক্ষী রেখে অতঃপর বিয়ে। তিনি বলেন, তবে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কলকাতায় ফিরে আরও একবার বিয়ে হবে। হিন্দু রীতিনীতি মেনে। সে রকমই ইচ্ছা আছে। অন্যদিকে মার্কিন মুলুকে মেয়ের বিয়ে হচ্ছে। ভিডিওকলে দেখতে দেখতে চোখে পানি মায়ের। মধুচন্দ্রিমা কোথায় হবে নবদম্পতির? কবে ফিরবেন দেশে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তনুশ্রী বলেন, ফ্লোরিডায় তারা কয়েকটা দিন কাটাবেন। তারপর ঠিক করবেন, ভারতে কবে ফিরবেন। যদিও ফেরার টিকিট কাটা আছে তার। নায়িকা কি তাহলে টালিউডকে বিদায় জানালেন? সঙ্গে সঙ্গে সেই ভাবনা নাকচ করে অভিনেত্রী বলেন, একেবারেই তা নয়; কাজ বন্ধ করব না। সুজিত আমার সঙ্গে কলকাতায় ফিরে আসতে পারে। একটু থেমে তারপর তিনি বলেন, বিদেশের নাগরিকত্ব নেবেন কিনা, সেটিও বিবেচনাধীন। যেখানেই থাকি আমরা একসঙ্গেই থাকব। এদিকে নায়িকা বউ পেয়ে খুশি আইটি ইঞ্জিনিয়ার সুজিতও। সুদূর লাস ভেগাস থেকে তিনি বলেন, তনুশ্রীর সঙ্গে আলাপ হওয়ার পর বাংলা বিনোদনদুনিয়া সম্পর্কে সবিস্তার জেনেছি। ওকে জীবনসঙ্গী পেয়ে খুশি। আমরা যাতে সুখে থাকতে পারি, তার জন্য সবার শুভেচ্ছা চাই।

প্রকাশ্যে আনলেন কিয়ারা সন্তানের নাম

প্রকাশ্যে আনলেন কিয়ারা সন্তানের নাম চলতি বছরের জুলাইয়ে কন্যাসন্তানের মা-বাবা হন কিয়ারা আদভানি ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তারপর থেকে এই তারকা জুটির ভক্তদের প্রশ্ন ছিল, কন্যাসন্তানের নাম কী রাখলেন তারা? সেসময় অনুরাগীদের থেকে এসেছিল বেশ কয়েকটি নামের পরামর্শ। কেউ বলেছিলেন, সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার নাম যোগ করে সন্তানের নাম হবে ‘সিয়ারা’। অবশেষে সন্তানের নাম প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী।আজ শুক্রবার ২৮ নভেম্বর সকালে সামাজিকমাধ্যমে মেয়ের পায়ের ছবি শেয়ার করেছেন কিয়ারা ও সিড। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাদের কন্যার নাম রেখেছেন সারায়াহ মালহোত্রা। এরপর কিয়ারা লেখেন, ‘আমাদের প্রার্থনা থেকে আমাদের কোলে। আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ- আমাদের রাজকন্যা। সারায়াহ নামের নেপথ্যে কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা প্রকাশ্যে আনেননি সিদ্ধার্থ বা কিয়ারা কেউই। তবে জানা গেছে, হিব্রু ভাষায় ‘সারাহ’ নামের অর্থ রাজকন্যা। সেখান থেকেই এই নাম এসেছে বলে অনুমান অনুরাগীদের। তাদের এই নাম বেশ পছন্দ হয়েছে। তবে কন্যার মুখ এখরো প্রকাশ্যে আনেননি তারকা দম্পতি।‘শেরশাহ’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে প্রেম শুরু হয়েছিল সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার। ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন তারা।

গিটারিস্ট সেলিম হায়দারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রুনা লায়লা

গিটারিস্ট সেলিম হায়দারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রুনা লায়লা   দেশের নন্দিত গিটারিস্ট সেলিম হায়দার মারা গেছেন। ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে  ২৭ নভেম্বর রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস করেন। ৬৯ বছরের জীবনে ৫১ বছর গিটারের সঙ্গে কাটিয়েছেন সেলিম হায়দার। দেশের প্রখ্যাত বেশিরভাগ শিল্পীর সঙ্গে বাজিয়েছেন এই মিউজিশিয়ান। এ তালিকায় রয়েছেন গুণী সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। গিটারিস্ট সেলিম হায়দারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) এ শিল্পী তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন। রুনা লায়লা বলেন, “বাংলাদেশ আজ একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান সংগীতশিল্পীকে হারাল। গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমার সঙ্গে বাজিয়েছেন তিনি। আমরা প্রায় পুরো পৃথিবী ঘুরে একসঙ্গে কনসার্ট করেছি। আমার ব্যান্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন এবং প্রতিটি সংগীতাংশ ও গান নিখুঁতভাবে মনে রাখতেন। কাজের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত ছিলেন তিনি। অসুস্থ হায়দারের খোঁজখবর নিতেন রুনা লায়লা। তা জানিয়ে এই শিল্পী বলেন, “আমি জানতাম তিনি অসুস্থ, তাই মাঝে মাঝে খোঁজ নিতাম এবং আশা করতাম, প্রার্থনা করতাম তিনি শিগগরি সুস্থ হয়ে আবার আমার কনসার্টে বাজাবেন। কিন্তু তা আর হলো না। আমি সেলিম হায়দারকে খুব তাড়াতাড়ি হারালাম। হায়দারকে হারিয়ে স্তব্ধ রুনা লায়লা বলেন, “আমি স্তব্ধ ও আমার হৃদয়ে ভেঙে গেছে; তার অকাল প্রয়াণে কোনো সান্ত্বনা খুঁজে পাচ্ছি না। আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুন এবং তার রুহের মাগফিরাত দান করুন। আমিন। এক মাস আগে সেলিম হায়দারের প্রোস্টেট ক্যানসার শনাক্ত হয়। এরপর নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ৩১ অক্টোবর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সেলিম হায়দারকে। ২৪ নভেম্বর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। ২৭ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেলিম হায়দার মূলত লিড গিটারিস্ট ছিলেন। তবে বেজ ও রিদম গিটার, অ্যাকুস্টিক ড্রামস এবং কিবোর্ডেও পারদর্শী ছিলেন। ফিডব্যাক প্রতিষ্ঠার বাইরেও দেশের বেশির ভাগ শিল্পীর সঙ্গেই গিটার বাজিয়েছেন। সেলিম হায়দারের সংগীত পরিচালনায় দুটি জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে—ফিডব্যাকের ‘এইদিন চিরদিন রবে’ ও ‘ঐ দূর থেকে দূরে’।

রেট্রো লুকে আলিয়া, নতুন অবতারে রণবীর

রেট্রো লুকে আলিয়া, নতুন অবতারে রণবীর বলিউডের অন্যতম নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বনশালি মানেই পর্দায় রাজকীয় কারবার। তার আসন্ন সিনেমা ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের পারদ তাই আগে থেকেই উঁচুতে। আলিয়া ভাট, রণবীর কাপুর ও ভিকি কৌশল এই ত্রয়ীকে এক ফ্রেমে দেখার অপেক্ষায় দিন গুনছেন সিনেমাপ্রেমীরা। সেই অপেক্ষার মাঝে শুটিংয়ের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে আলিয়ার রেট্রো লুক আর রণবীরের নতুন অবতার নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে চলছে আলোচনা। সম্প্রতি আইফার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল থেকে শেয়ার করা বেশ কিছু ছবিতে দেখা যায়, শুটিংয়ের ফাঁকে দৃশ্যের মহড়া দিচ্ছেন রণবীর ও আলিয়া। পাশেই দাঁড়িয়ে কড়া নির্দেশনায় ব্যস্ত পরিচালক বনশালি। ছবিতে আলিয়ার সাজপোশাকে ফুটে উঠেছে আশির দশকের ধ্রুপদী নায়িকাদের ছায়া। তার এই লুক দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। অনেকেই আলিয়ার মাঝে খুঁজে পাচ্ছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের প্রতিচ্ছবি। এক অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, ‘দুজনকে দেখে যেন রাজ কাপুর আর শর্মিলা ঠাকুর মনে হচ্ছে।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘বনশালির ম্যাজিক দেখার জন্য আর তর সইছে না।’ রণবীর কাপুর এই ছবিকে নিজের ‘ড্রিম প্রজেক্ট’ হিসেবেই দেখছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, বনশালির সেটে কাজ করা শারীরিকভাবে ক্লান্তিকর হলেও, শিল্পী হিসেবে তা পরম তৃপ্তির।

বিয়ে বাড়িতে গেয়ে কত নিলেন জেনিফার লোপেজ?

বিয়ে বাড়িতে গেয়ে কত নিলেন জেনিফার লোপেজ? জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা জেনিফার লোপেজ ভারতের উদয়পুরে অনুষ্ঠিত একটি জমকালো বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পারফর্ম করে বেশ আলোচনায় এসেছেন। ইউএস-ভিত্তিক ব্যবসায়ী রামা রাজু মানতেনার মেয়ে নেত্রা মানতেনা এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ভামসি গাদিবাজুর বিয়েতে তার পরিবেশনার ভিডিওগুলো সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এবার তার পারিশ্রমিকের অঙ্ক সামনে এসেছে। ‘পেজ সিক্স’ এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫৬ বছর বয়সী এই শিল্পীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে লোপেজ কোনো কনসার্টে নয়, বরং ব্যক্তিগত একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন। সেখানে গান পরিবেশন করে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৭ কোটি ৮৬ লাখ (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ কোটি) টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন। পারফরম্যান্সে জেনিফার লোপেজ তার জনপ্রিয় গান, যেমন- ‘ওয়েটিং ফর টুনাইট’, ‘গেট রাইট’ ইত্যাদি পরিবেশন করেন। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে তার প্রাণবন্ত পরিবেশনা ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পারফরম্যান্স শেষে তিনি নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গ্লাস তুলে বলেন, “এই সুন্দর দিনে এই পরিবারগুলো একত্রিত হোক, এবং ঈশ্বর আমাদের সকলকে আশীর্বাদ করুন।” এদিকে জেনিফারের বিয়ে বাড়িতে অনুষ্ঠান ঘিরে এক বিতর্কও তৈরি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে হয়েছে তার পোশাক নিয়ে আলোচনা। বিশেষ করে ভারতের বিয়ের অনুষ্ঠানে ছোট পোশাক পরিধানকে ভালোভাবে নেয়নি অনেক নেটিজেনরাই। এদিন শিল্পীর পরনে ছিল একটি স্ফটিক-খচিত হাই-কাট বডিস্যুট, ম্যাচিং জ্যাকেট এবং হাঁটু সমান বুট। এই বিয়েতে জেনিফার লোপেজ ছাড়াও বিশ্বের আরও কয়েকজন বিখ্যাত ডিজে এবং সংগীতশিল্পী পারফর্ম করেছেন, যার মধ্যে রয়েছেন ডিজে টিয়েস্টো ও ব্ল্যাক কফি। এছাড়াও বলিউড থেকে রণবীর সিং, শাহিদ কাপুর, কৃতি স্যানন এবং জাহ্নবী কাপুরের মতো তারকারাও পারফর্ম করেন। বিয়েতে কনে নেত্রা মানতেনা হলেন অরল্যান্ডোভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি ইনজেনাস ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান ও সিইও রাম রাজু মানতেনার কন্যা। যদিও কিছু প্রতিবেদনে তাকে বিলিয়নিয়ার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে ফোর্বসের বিলিয়নিয়ার তালিকায় তার নাম নেই। অন্যদিকে, বর ভামসি গাডিরাজু একজন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং তার কোম্পানির আনুমানিক মূল্য ১৮ থেকে ২৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২০৮ কোটি টাকা)। তিনি ২০২৪ সালে ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন।

ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে কেন দেখা করতে দেননি মুমতাজকে?

ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে কেন দেখা করতে দেননি মুমতাজকে? গত ২৪ নভেম্বর ৮৯ বছর বয়সে মারা যান বলিউডের বর্ষীয়াণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তার আগে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ধর্মেন্দ্র। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় সহশিল্পী ধর্মেন্দ্রকে দেখতে গিয়েছিলেন বরেণ্য অভিনেত্রী মুমতাজ। কিন্তু ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি তাকে। কেন দেখা করতে পারেননি তা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুমতাজ। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে মুমতাজ বলেন, “আমি তাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। কিন্তু স্টাফরা বললেন, ‘তিনি ভেন্টিলেটরে আছেন, কাউকেই দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না।’ আমি সেখানে ৩০ মিনিট বসেছিলাম, আশা করছিলাম হয়তো দেখা করতে পারব, কিন্তু পারিনি। শেষ পর্যন্ত দেখা না করেই ফিরে আসি।” শেষবার ধর্মেন্দ্রকে না দেখতে পেরে কষ্ট ও গভীর হতাশা নিয়ে ফিরেন মুমতাজ। ২০২১ সালে ধর্মেন্দ্রর বাসভবনে শেষ সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “২০২১ সালে বাসায় গিয়ে আমি তার সঙ্গে শেষবার দেখা করি। খুবই সুন্দর ছিল সেই সাক্ষাৎ। সেটাই ছিল আমাদের শেষ দেখা।” প্রবীণ এই অভিনেত্রী ধর্মেন্দ্রর পরিবার, বিশেষ করে তার স্ত্রী হেমা মালিনী প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, “আমি তার পরিবার আর হেমাজির জন্য খুব কষ্ট পাচ্ছি। হেমাজি সবসময় তার প্রতি নিবেদিত ছিলেন। নিশ্চয়ই তিনি গভীরভাবে এই শোক অনুভব করছেন। সত্যিই তিনি ধর্মেন্দ্রর প্রেমে পড়েছিলেন।” ধর্মেন্দ্রর ব্যক্তিত্ব ও কর্মজীবন নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মুমতাজ বলেন, “আমরা কয়েকটি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছি। সবসময়ই দারুণ একজন সহ-অভিনেতা ছিলেন। অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন, তার সোনার মতো হৃদয় ছিল। খুবই মিশুক, বন্ধুসুলভ, সবার সঙ্গে যুক্ত থাকতেন তিনি। শেষ পর্যন্তও মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালোই ছিল। মানুষ তাকে ভালোবাসত, আর সবসময়ই ভালোবাসবে। তিনি ছিলেন একজন কিংবদন্তি, যাকে ভুলে থাকা অসম্ভব।”

স্বামীকে হারিয়ে হেমা বললেন, আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব

স্বামীকে হারিয়ে হেমা বললেন, আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব গত ২৪ নভেম্বর মুম্বাইয়ের বাসভবনে মারা গেছেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তার মৃত্যুর পর পারিবারিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আজ ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী অভিনেত্রী হেমা মালিনী আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন। প্রিয় মানুষকে হারিয়ে মানসিকভাবে কতটা বিধ্বস্ত তারই এক লিখিত দলিল যেন এটা। মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে (টুইটার) ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে তোলা ছবি পোস্ট করে হেমা মালিনী লেখেন, “ধর্মজি, আমার কাছে অনেক কিছু ছিলেন। স্নেহময় স্বামী, আমাদের দুই মেয়ে এশা ও অহনার আদুরে বাবা, বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি—প্রয়োজনে সবসময় যার কাছে ছুটে যেতাম—আসলে তিনি আমার সবকিছুই ছিলেন! সুখ–দুঃখের প্রতিটি মুহূর্তে তিনি পাশে থেকেছেন। সহজ-সরল, বন্ধুসুলভ স্বভাব, স্নেহ ও আন্তরিকতার জন্য পরিবারের সকলের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন।” ধর্মেন্দ্র চিরস্মরণীয় হয়ে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে হেমা মালিনী লেখেন, “জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে, তার প্রতিভা, জনপ্রিয়তা থাকার পরও তার বিনয়, সবার হৃদয়ে ছড়িয়ে থাকা সার্বজনীন আবেদন—এসবই তাকে সকল কিংবদন্তির মাঝে অনন্য এক আইকনে পরিণত করেছে। চলচ্চিত্রজগতে তার চিরস্থায়ী খ্যাতি ও কৃতিত্ব চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।” ব্যক্তিগত ক্ষতির বিষয় উল্লেখ করে হেমা মালিনী লেখেন, “আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। আর যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা আমার বাকি জীবনে থেকে যাবে। বহু বছর একসঙ্গে পথচলার পর, বিশেষ মুহূর্তগুলো স্মরণ করতে করতে, অসংখ্য স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে।” বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনীর রূপ আর অভিনয়ের প্রেমে কে পড়েননি! ১৯৭০ সালে ‘তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্র। এ সিনেমার শুটিং সেটে তাদের প্রথম দেখা হয়। তারপর হেমার প্রেমে উন্মাদ হয়ে উঠেন বিবাহিত ধর্মেন্দ্র। সব দ্বিধা উড়িয়ে সময়ের সঙ্গে দুজনেই মনের বিনিময় করেন। ১৯৭৯ সালের ২১ আগস্ট বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন হেমা মালিনী-ধর্মেন্দ্র; বিয়ের মোহরানা ধার্য করেন ১ লাখ ১১ হাজার রুপি। ১৯৮০ সালের ২ মে, আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের ঘোষণা দেন এই প্রেমিক যুগল। এ সংসারে জন্ম নেয় দুই কন্যা—এশা দেওল ও অহনা দেওল। তারপর সময় অনেক গড়ায়, শেষ পর্যন্ত অটুট ছিল ধর্মেন্দ্র-হেমার ভালোবাসা! এ জুটির প্রেমজীবন সিনেমাকেও হার মানায়।