পুরোনো জুটির নতুন রসায়ন

পুরোনো জুটির নতুন রসায়ন জিয়াউল হক পলাশ ও পারসা ইভানার রসায়ন সম্পর্কে নাটকের দর্শকরা ভালোই জানেন। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর এ জুটি ইতোমধ্যে ‘গুডবাজ’, ‘ব্যাডবাজ’, ‘বিদেশ’, ‘কিডনি’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছে। এবার তাদের দেখা যাবে একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে। পানীয় জাতীয় পণ্যের বিজ্ঞাপনে হাজির হচ্ছে এ জুটি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ৯ নম্বর ফ্লোরে সেট ফেলে এর দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। আম্রপালির ইতিহাসনির্ভর গল্পকে ভিত্তি করে বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন রাকেশ বসু। প্রেম, রাজনীতি ও রাজসভাকেন্দ্রিক সেই সময়কে আধুনিক বিজ্ঞাপনে রূপ দিয়েছেন তিনি। কনসেপ্টও তাঁর। নতুন বিজ্ঞাপনের কাজ নিয়ে পলাশ বলেন, ‘থিম বেজড বিজ্ঞাপনটির শুটিং হয়েছে বড় আয়োজনে। কনসেপ্টও দারুণ। যত্ন করে বিজ্ঞাপনটি বানিয়েছেন নির্মাতা। সব মিলিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো। পারসা ইভানা বলেন, ‘এই বিজ্ঞাপন আমার কাছে অন্য রকম অভিজ্ঞতা। চরিত্র, সাজসজ্জা সবকিছুই নতুন। রাজকীয় আমেজে শুটিং করেছি। আশা করছি, বিজ্ঞাপনটি দর্শকের পছন্দ হবে। রাকেশ বসু বলেন, ‘জিয়াউল হক পলাশ ও পারসা ইভানার সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ। বড় রাজকীয় সেটে কাজ হলেও তারা বেশ মনোযোগী ছিলেন এবং দুজনকে সেই পিরিয়ডিক্যাল টোনে বেশ মানিয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহেই বিজ্ঞাপনচিত্রটি বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারে আসবে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন। পলাশ ও ইভানাকে সর্বশেষ দেখা গেছে নিটোল প্রেমের গল্পে নির্মিত ‘শেষমেশ’ নাটকে। এটি পরিচালনা করেছেন কাজল আরেফিন অমি। এতে পারসার বিপরীতে ছিলেন জিয়াউল হক পলাশ। অভিনয় ও মডেলিং নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটালেও পরিচালনায়ও সমান আগ্রহী পলাশ। সম্প্রতি তাঁর নির্মাণে একটি ফ্রুট ড্রিঙ্কসের বিজ্ঞাপন আলোচনায় আসে। তাঁর সর্বশেষ নির্মাণ ছিল ‘সন্ধ্যা সাতটা’। এরপর থেকে নতুন ফিকশন নির্মাণে তিনি সময় নিচ্ছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিনয় ও নাচের প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরেছেন পারসা ইভানা। তিন মাস দ্য ফ্রিম্যান স্টুডিওতে অভিনয় প্রশিক্ষণ এবং ‘স্টেপস অন ব্রডওয়ে’তে নাচের ওপর ১৫টি ওয়ার্কশপে অংশ নেন। এরই মধ্যে স্টেজ শো করেছেন। নতুন কাজ নিয়েও তাঁর পরিকল্পনা চলছে।

সন্তানের তর্ক হওয়া দরকার বাবা-মায়ের সঙ্গে কাজল

সন্তানের তর্ক হওয়া দরকার বাবা-মায়ের সঙ্গে কাজল বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ৩৩ বছর ধরে কাজ করছেন তিনি। ক্যারিয়ারে অনেক ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেও পরিবার ও সন্তানদের প্রতিও মনোযোগী কাজল। কয়েক দিন আগে মারাঠি ভাষার ‘উত্তর’ সিনেমার ট্রেইলার লঞ্চিং অনুষ্ঠানে মা তনুজাকে নিয়ে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এই অভিনেত্রী। ডিজিটাল যুগে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্কের গল্প এই সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে। বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের তর্ক করা কেন জরুরি তা-ও এই অনুষ্ঠানে ব্যাখ্যা করেন কাজল। সন্তানদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কেমন, তা জানতে চাইলে কাজল বলেন, “ভাগ্য ভালো আমার মেয়ে এখানে নেই; থাকলে সে এই প্রশ্নের উত্তরেও আমার সঙ্গে তর্ক করত। এটা ষোলআনা সত্যি। বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের তর্ক হওয়া দরকার। যদি আমরা ঝগড়া করি, তার মানে আমরা এমন একটি মন গড়েছি, যা আমাদের সঙ্গে তর্ক করতে পারে এবং নিজের মতামত রাখতে পারে। তাই আমরা আমাদের সন্তানদের নিজেদের মতো করে ভাবতে শিখিয়েছি। তারা যখন আমার সঙ্গে তর্ক করে, আমি তখন তার প্রশংসা করি। প্রবীণ অভিনেত্রী তনুজাও এই আলোচনায় যোগ দেন। বরেণ্য এই অভিনেত্রী বলেন, “কাজল ছোটবেলায় আমার সঙ্গে অনেক তর্ক করত। এ কথা শুনেই হাসতে হাসতে কাজল বলেন, “মা, আমি তো কখনো তোমার সঙ্গে তর্ক করিনি।” পাল্টা জবাবে তনুজা বলেন, “তুমি সব সময়ই তর্ক করেছ। ১৯৯২ সালে বলিউডে অভিষেক ঘটে অভিনেত্রী কাজলের। তখন তার বয়স মাত্র সতেরো। ১৯৯৯ সালে কাজল যখন অভিনয় ক্যারিয়ারের শীর্ষে, তখন অজয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কাজলের বিয়ের সিদ্ধান্তে অনেকে তখন অবাক হয়েছিলেন। এমনকি অজয়-কাজলের বিয়ে হোক এটিও নাকি তখন কেউ কেউ চাননি। ২০০৩ সালের ২০ এপ্রিল এই দম্পতির ঘর আলো করে আসে কন্যা নিসা। ২০১০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় পুত্র যুগের। গুন্ডারাজ (১৯৯৫), ইশক (১৯৯৫), পেয়ার তো হোনা হি থা (১৯৯৮), দিল কিয়া কারে (১৯৯৯), রাজু চাচা (২০০০), ইউ মি অর হাম (২০০৮), তুনপুর কা সুপারহিরো (২০১০) ইত্যাদি সিনেমায় জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করেছেন অজয়-কাজল। তথ্যসূত্র: টাইমস নাউ

আসছেন ইমরান ফারিণের মন গলাতে !

আসছেন ইমরান ফারিণের মন গলাতে ! যেন পাকাপাকিভাবেই গানের জগতে পা রাখছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। বেশ কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছে তার নতুন গানের খবর। সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুলের সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে গাওয়া তার দ্বিতীয় গান ‘মন গলবে না’ মুক্তি পাচ্ছে চলতি মাসেই; অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক দিনের। শুধু গায়িকা হিসেবেই নয়, নতুন এই গানটির মাধ্যমে প্রযোজক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করছেন ফারিণ। গানটি ফারিণের নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফড়িং ফিল্মস’ থেকে নির্মিত হয়েছে। গানের ভিডিও নির্দেশনা দিয়েছেন নাহিয়ান আহমেদ। ভিডিওতে মডেল হিসেবে ফারিণ ও ইমরান দুজনেই অভিনয় করেছেন। গানটির গীতিকারও কবির বকুল। সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন ইমরান মাহমুদুল। এদিকে, বেশ কিছুদিন ধরেই কিছু কৌশল অবলম্বন করে একাধিক পোস্ট দিয়েছিলেন ফারিণ। তাতে প্রায়ই উল্লেখ করেছিলেন, ‘তোমার জন্য আমার এ মন গলবে না।’ সে থেকে ভক্তদের আগ্রহও বাড়তে থাকে। অবশেষে জানা যায়, এটি তার ‘মন গলবে না’ গানের প্রচার। অভিনয়ের পাশাপাশি ফারিণের গান করার খবরটি নতুন নয়। গত বছর ‘ইত্যাদি’তে তাহসানের সঙ্গে তার গাওয়া ‘রঙে রঙে রঙিন হব’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ায় ভক্তদের মধ্যে নতুন গানের আগ্রহ বাড়ে। জানা গেছে আগামী ৪ ডিসেম্বর ফারিণ ও ইমরান মাহমুদুলের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে গানটি একযোগে মুক্তি পাবে।

মধ্যরাতে ভক্তদের ভালবাসায় সিক্ত জিৎ

মধ্যরাতে ভক্তদের ভালবাসায় সিক্ত জিৎ   টালিউড ইন্ডাস্ট্রির ‘বস’ কিংবা ‘বাংলার সুলতান’-এমন উপাধিতেই ডাকা হয় জিৎকে। প্রতি বছরের মতো এবারও ৩০ নভেম্বর তার জন্মদিন ঘিরে টলিউডের ক্যালেন্ডারে রীতিমতো উৎসবের আবহ। রাত পেরোতেই প্রিয় তারকার বাড়ির সামনে ভক্তদের ঢল নামে। কেউ চিৎকার করে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, কেউ বাজি ফোটাচ্ছেন, কেউ আবার কেক কেটে উদযাপন করছেন- চারপাশ যেন উৎসবমুখর। মধ্যরাতে হঠাৎই বারান্দায় এসে ভক্তদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন নায়ক। সবুজ জ্যাকেট ও টুপি পরা জিৎকে দেখে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত অনুরাগীরা। পাশে ছিলেন তার পরিবারের সদস্যরাও। টালিউডের সিনেমায় দীর্ঘ সময় ধরে শাসন করলেও ইন্ডাস্ট্রির রাজনীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিড়ে নিজেকে খুব একটা জড়ান না জিৎ। নিজেকে বলেন ‘ফ্যামিলি ম্যান’। কাজ আর পরিবারই তার মূল অগ্রাধিকার। কিন্তু বিশেষ দিনে ভক্তদের অপেক্ষায় তিনি কখনোই তাদের হতাশ করেন না। রোববার সকাল থেকেও তার বাড়ির সামনে জমে ওঠে উপচে পড়া ভিড়। ৪৭তম জন্মদিনের শুরুটা এভাবেই জমকালোভাবে হলো এই সুপারস্টারের। বাংলা তার মাতৃভাষা না হলেও নিজের জেদ, পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের জোরেই আজ তিনি বাঙালির আবেগের জায়গায় জায়গা করে নিয়েছেন। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় জিতের জন্মদিন উদযাপনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই অনেকেই তার সঙ্গে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের মিল খুঁজে পাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার মন্তব্যের ছলে টেনে এনেছেন বক্স অফিসে সাম্প্রতিক ব্যর্থতার প্রসঙ্গও। তবে সমালোচনা যাই হোক- জিতের জনপ্রিয়তা বা ফ্যানবেসে কখনোই ভাটা পড়েনি। আগামীতে ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ শিরোনামের ছবিতে দেখা যাবে জিৎকে। বর্তমানে এ ছবির শুটিং নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটছে তার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানান- দেবের অভিনয়জীবনের ২০ বছরের অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন দেব-ভক্তরা। আবার পাল্টা ক্ষোভ ঝাড়ছেন জিৎ-অনুরাগীরাও।

চিত্রনাট্যকার টম স্টপার্ড আর নেই

চিত্রনাট্যকার টম স্টপার্ড আর নেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন অস্কারজয়ী ব্রিটিশ চিত্রনাট্যকার টম স্টপার্ড। মৃত্যুর খবরটি এই নাট্যকারের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইউনাইটেড এজেন্টস’ শনিবার ২৯ নভেম্বর নিশ্চিত করেছে। ৮৮ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের ডরসেটের নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। স্টপার্ডের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইউনাইটেড এজেন্টস’ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আমাদের প্রিয় বন্ধু টম স্টপার্ড ডরসেটের বাড়িতে মারা গেছেন। এ সময় তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তিনি নিজের কাজের জন্য, বুদ্ধিমত্তা, উদারতা এবং ইংরেজি ভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’ তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। ১৯৯৮ সালের সিনেমা ‘শেক্সপিয়ার ইন লাভ’-এর জন্য অস্কার ও গোল্ডেন গ্লোবজয়ী এই কিংবদন্তির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলা। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তিনি আমাদের সময়ের সেরা লেখকদের একজন। অসাধারণ প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও তিনি সব সময় বিনয়ী ছিলেন। যে কোনো বিষয়কে তিনি কলমের জাদুতে বদলে দিতে পারতেন।’ এ ছাড়া অন্যান্য তারকাও স্টপার্ডের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন। অস্কার ও গ্লোল্ডেন গ্লোব জয়ের পাশাপাশি স্টপার্ড তিনটি অলিভিয়ার ও পাঁচটি টনি অ্যাওয়ার্ডও জিতেছেন। এই চিত্রনাট্যকার বিশ্বব্যাপী সিনেমাপ্রেমীদের কাছে ‘ইন্ডিয়ানা জোন্স’ এবং ‘স্টার ওয়ার্স’-এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। এ ছাড়া নাৎসি শাসনামলে চেকোস্লোভাকিয়া থেকে পরিবার নিয়ে ইংল্যান্ডে আশ্রয় পাওয়া স্টপার্ড আধুনিক নাটকে ভাষার সৃজনশীল ব্যবহার ও তীক্ষ্ণ সংলাপের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ছিলেন। তার লেখা নাটক ছিল একই সঙ্গে গভীর ও কমেডির মিশ্রণ। তার উল্লেখযোগ্য মঞ্চ নাটকের মধ্যে রয়েছে- ‘রোজেনক্রান্জ অ্যান্ড গিল্ডেনস্টার্ন আর ডেড’, ‘ট্রাভেসটিস’, ‘দ্য রিয়েল থিং’, ‘আর্কেডিয়া’ এবং তিন খণ্ডে লেখা মহাকাব্যিক নাট্যপ্রকল্প ‘দ্য কোস্ট অব ইউটোপিয়া’। আর উল্লেখযোগ্য ছবিগুলোর মধ্যে ‘ব্রাজিল’, ‘এম্পায়ার অব দ্য সান’ এবং ‘আন্না কারেনিনা’ অন্যতম।

মালিকানা হারিয়েছেন শাকিব খান ঢাকা ক্যাপিটালসের

মালিকানা হারিয়েছেন শাকিব খান ঢাকা ক্যাপিটালসের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গত আসরে ঢাকা ক্যাপিটালস টিমের মালিকানায় যুক্ত ছিলেন ঢালিউড অভিনেতা শাকিব খান। টুর্নামেন্টে দল সাফল্য না পেলেও গ্যালারিতে শাকিব খানের উপস্থিতি হইচই ফেলে দিয়েছিল। ক্রিকেট ও সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে তৈরি হয়েছিল এক অন্যরকম সংযোগ। এবার জানা গেল, সেই দলের মালিকানা হারিয়েছেন শাকিব খান। আজ ৩০ নভেম্বর রোববার রাজধানীর রেডিসন হোটেলে ছিল বিপিএলের ক্রিকেটারদের নিলাম। এবারের বিপিএলে অংশ নিচ্ছে ৬টি দল। ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, রংপুর রাইডার্স, নোয়াখালী এক্সপ্রেস, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস। এবারই প্রথম টুর্নামেন্টে নাম লিখিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। গতবার নিলামের সময় উপস্থিত ছিলেন শাকিব খান। প্রথমবারের মতো ক্রিকেট দলের মালিকানা প্রসঙ্গে সেবার শাকিব বলেছিলেন, ভবিষ্যতে তার দল আরও শক্তিশালী, আগ্রাসী ও জয়ের জন্য প্রস্তুত হয়ে মাঠে নামবে। চলতি মৌসুমে আবারও বিসিবির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। তবে আজ শাকিব খানকে না দেখে অনেকেই তার প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। জানা গেছে, এবার দলের সঙ্গে থাকছেন না এই অভিনেতা, ক্রিকফ্রেঞ্জিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজি। অন্য একটি সূত্র জাগো নিউজকে জানিয়েছে, শাকিব খান এবার ঢাকার সঙ্গে নেই। কারণ আগেরবার ঢাকা ক্যাপিটালসের মালিক ছিল রিমার্ক হারল্যান। এবার ঢাকা ক্যাপিটালসের মালিক চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস। তারা শাকিব খানকে ঢাকার সাথে সম্পৃক্ত করেছে বলে জানা যায়নি। ২০২৪ সালের বিপিএল শুরু থেকেই ছিল আলোচনায়। সেই আসরের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন শাকিব খান। রিমার্ক-হারল্যানের মালিকানায় থাকা নতুন দল ঢাকা ক্যাপিটালস নিয়ে বিপিএলে নামেন তিনি। সেই দলে যুক্ত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন তারকা। কিন্তু এ বছর তিনি নেই কেন? এ ব্যাপারে সরাসরি শাকিব খানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফোনে যোগাযোগ করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। শাকিব খানের প্রতিষ্ঠান এসকে ফিল্মস জানিয়েছে, অভিনেতা শাকিব খান বেশ আগেই রিমার্ক-হারল্যানের ডিরেক্টর পদ থেকে সরে এসেছেন। ফলে ঢাকা ক্যাপিটালসসহ রিমার্ক-হারল্যানের কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে তার আর সম্পৃক্ততা নেই। সুতরাং দলটির বিষয়ে তার কাছে বর্তমানে কোনো তথ্যও নেই। ১৯ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা ছিল বিপিএল। এক সপ্তাহ পিছিয়ে পরে তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ ডিসেম্বর। টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ২৩ জানুয়ারি। বর্তমানে ‘সোলজার’ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত শাকিব খান। এতে তার বিপরীতে রয়েছেন তানজিন তিশা, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীসহ আরও অনেকে। ছবিটি ঈদুল ফিতরে মুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে।

আমার আর শাকিবের পছন্দ এক বুবলী

আমার আর শাকিবের পছন্দ এক বুবলী ঢালিউডের আলোচিত নায়িকা শবনম বুবলী। যার নাম উচ্চারণ করলে শাকিব খান ইস্যু স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে। সম্প্রতি রাজধানীর একটি ফ্যাশন ইভেন্টে রাজকীয় বধূবেশে হাজির হয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন তিনি। ঝলমলে পোশাকের মতোই আলো কাড়ে তার কথাবার্তাও যেখানে উঠে আসে বিয়ের দিনের অজানা স্মৃতি, ছেলে শেহজাদ খান বীর, এমনকি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় নিজের বিয়ের দিনের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে বুবলী বলেন, “আমার বিয়ের সাজ খুবই সাধারণ ছিল। মিডিয়ায় কাজ করায় অনেক কিছু গোপন রাখতে হয়েছিল। অনুষ্ঠানটাও হয়েছিল ছোট, একদম ঘরোয়াভাবে। বিয়েবাড়ির খাবার প্রসঙ্গে বুবলী জানালেন এক মজার তথ্য। সাধারণত রিচ ফুড এড়িয়ে চললেও বিয়ের অনুষ্ঠানে নাকি ডায়েট মানেন না তিনি।বুবলীর ভাষায়, “বিয়েবাড়িতে ঢুকেই প্রথমে খাবারের দিকেই চোখ যায়। আর মজার ব্যাপার হলো, আমার আর শাকিবের পছন্দ প্রায় এক আমরা দুজনেই মাছ আর সবজি খুব পছন্দ করি। অন্যদিকে, ছেলে বীরের সঙ্গে তার সম্পর্ক খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ বলে জানান বুবলী। শাকিব খানও নাকি ছেলেকে বলেছেন, “পছন্দের মেয়েকে সবার আগে মায়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। এ নিয়ে বাবা ছেলের হাসিঠাট্টা নাকি বুবলী বেশ উপভোগ করেন। ভবিষ্যতে ছেলের বউয়ের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চাই এমন প্রশ্নে বুবলী বলেন, “আল্লাহ চাইলে আমি ছেলের বউয়ের বন্ধু হতে চাই। একসঙ্গে রান্না করব, আড্ডা দেব, ঘুরতেও যাব। শাশুড়ি বউ নয়, যেন বন্ধু বান্ধবীর মতো সম্পর্ক হয়।বর্তমানে বুবলী শুটিং প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। হাতে রয়েছে ‘শাপলা শালুক’, ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ এর মতো আলোচিত প্রকল্প। মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘সর্দার বাড়ির খেলা’, ‘পিনিক’সহ আরও কয়েকটি সিনেমা।

শীতেও কি সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যাবে?

শীতেও কি সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যাবে?   সাধারণত গরমে সূর্যের রশ্মি থেকে রক্ষা পেতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হয়। যাতে সূর্যের রশ্মিতে ত্বক পোড়ে না যায়। তবে এখন প্রশ্ন জাগতেই পারে শীতকালেও কী সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে? চলুন এর উত্তর জেনে নেয়া যাক- আমাদের অনেকের ধারণা শীতে সানস্ক্রিনের প্রয়োজন হয় না। তবে, বাস্তবতা হলো শীত কিংবা গ্রীষ্ম যেকোনো আবহাওয়াতেই ত্বকের জন্য সানস্ক্রিন প্রয়োজন। অনেকের মনে এমন ভাবনাও আসে, শীতের সময় ঠান্ডার প্রবণতা বেশি থাকায় সানস্ক্রিন কাজ করবে না। তবে এমন ধারণাটি সর্ম্পূণ ভুল। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির সঙ্গে তাপমাত্রার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। এই অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব সারা বছরই থাকে, যা ত্বকের ক্যানসার সৃষ্টির অন্যতম কারণ। এই অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্যানসার সৃষ্টির অন্যতম কারণ। বছরজুড়ে নিয়মিত সানস্ক্রিনের ব্যবহার যেমন পোড়া চামড়ার হাত থেকেও বাঁচাবে তেমনি ত্বকে সতেজ রাখবে। তাই শীতের দিনগুলোতে সানস্ক্রিনকে অবহেলা না করে নিয়মিত ব্যবহার আপনার ত্বকে সজীব রাখুন।   শীতের সময় দিনে একবার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট? যখনই ঘর থেকে বের হবেন সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। এমনকি যদি আপনার ঘরে পর্যাপ্ত আলো চলাচল করে তাহলেও ব্যবহার করবেন। তবে অনেকের ধারণা, দিনে একবার সানস্ক্রিন ব্যবহার করলেই হবে। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বিশেষ করে গরমে অতিরিক্ত ঘেমে গেলে, সাঁতার কাটলে কিনবা বায়ুদূষণে সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা হ্রাস পায়। সকালে ঘর থেকে বের হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। সানস্ক্রিনের পুরোপুরি উপকারিতা পাওয়ার জন্য দুই ঘণ্টা পরপর সূর্যের রশ্মি ত্বকের যেসব জায়গায় লাগবে সেখানে ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া শীতের নিষ্প্রভ দিনগুলোতে সানস্ক্রিন প্রয়োগে আরও যেসব সুবিধা রয়েছে: ১. ত্বকের বলিরেখা কমিয়ে দেওয়া ২. চামড়ার স্বাভাবিক রং বজায় রাখা ৩. সূর্যের তীব্রতা থেকে ত্বককে মোলায়েম করা ৪. আলোর সংবেদনশীলতা থেকে ত্বককে রক্ষা করা

ফিরছে রণবীর-দীপিকা জুটি ১০ বছরের অপেক্ষার অবসান

ফিরছে রণবীর-দীপিকা জুটি ১০ বছরের অপেক্ষার অবসান বলিউড তারকা রণবীর কাপুর ও দীপিকা পাড়ুকোনের প্রেম-বিচ্ছেদ নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। তাদের প্রেম যেমন আলোচনায় ছিল, বিচ্ছেদও ছিল সংবাদমাধ্যমের কেন্দ্রবিন্দুতে। এরপর সময় বয়ে গেছে নিজের গতিতে। রণবীর আর দীপিকা খুঁজে পেয়েছেন নিজেদের জীবনসঙ্গী। বিচ্ছেদের যন্ত্রণা ভুলে অবশ্য বিয়ের আগেই নিজেদের মাঝে মিটমাট করে নিয়েছিলেন সবকিছু, উপহার দিয়েছিলেন ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’, ‘তামাশা’র মতো ছবি। বহুদিন হয় এই জুটিকে একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাচ্ছে না, পর্দায় তাদের রসায়ন আজও বলিউডের অন্যতম আকর্ষণ। তবে দর্শকদের জন্য সুখবর হলো, দশ বছর পর আবারও পর্দায় ফিরছেন এই জনপ্রিয় অনস্ক্রিন জুটি। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তামাশা’ ছিল তাদের শেষ কাজ। এরপর তাদের একসঙ্গে দেখা যাবে কিনা–এ নিয়ে জল্পনা ছিল বহুদিনের। শেষ পর্যন্ত তা সত্যি হতে যাচ্ছে। নতুন এই সিনেমাটি পরিচালনা করছেন অয়ন মুখোপাধ্যায়, যিনি এর আগে রণবীর-দীপিকাকে নিয়ে সুপারহিট ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ তৈরি করেছিলেন। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, অয়ন তার নতুন ছবির চিত্রনাট্য নির্মাণ করছেন রাজ কাপুরের ১৯৫৬ সালের ক্ল্যাসিক ‘চোরি চোরি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। মূল গল্পে আধুনিকতা যোগ করতে নির্মাতা বেশ কিছু নতুন টুইস্ট যোগ করছেন। শোনা যাচ্ছে, এই ছবির মাধ্যমে রণবীর কাপুর প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন। তার প্রযোজনা সংস্থার নাম রাখা হয়েছে আরকে ফিল্মস; যা কাপুর পরিবারের ঐতিহ্যেরই আধুনিক রূপ। যদিও সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি, তবে একাধিক গণমাধ্যম সূত্র জানিয়েছে, ছবির প্রি-প্রোডাকশন চলছে। ২০২৬ সালের শুরুতে শুটিং শুরু হতে পারে। বড় বাজেট ও ভারতের পাশাপাশি একাধিক দেশে সিনেমার দৃশ্যধারণের পরিকল্পনাও রয়েছে অয়নের।

রান্নাঘরে তালা দেন মনোজ দুপুরের খাবারের পর

রান্নাঘরে তালা দেন মনোজ দুপুরের খাবারের পর বলিউড অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ি প্রায় তিন দশকের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন ধারাবাহিক দিয়ে। এরপরে নাম লেখান সিনেমায়। তবে বর্তমানে ওটিটির অন্যতম চর্চিত অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ি। সম্প্রতি তার ‘ফ্যামিলি ম্যান ৩’ মুক্তি পেয়েছে। ৫৬ বছর বয়সে এখনো ছিপছিপে সুঠাম দেহের অধিকারী এ অভিনেতা। মুখে নেই কোনো বলিরেখার চিহ্ন, যার নেপথ্যে রয়েছে তার জীবনযাপনের দীর্ঘ ইতিহাস। ১৪ বছর ধরে রাতের খাবার খান না বলে সিনেমার প্রচার অনুষ্ঠানে এসে জানিয়েছেন মনোজ বাজপেয়ি। অভিনেতার কথা শুনলে মনে হবে তিনি কৃচ্ছসাধন করছেন। এত বছর ধরে রাতের খাবার না খেয়ে থাকছেন। তবে অভিনেতা নিজের ইচ্ছায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার শরীর ঠিক রাখার জন্যই এমনটা করেন তিনি। সূর্যাস্তের পর তার বাড়ির রান্নাঘরে চুলা জ্বলে না। তবে ব্যতিক্রমী কিছু সময় রয়েছে। মনোজ বাজপেয়ি বলেন, আমি আমার দাদুকে দেখেছি ছিপছিপে শরীর। আমি নিজেও তেমন চেহারা চেয়েছি সবসময়। তাই দুপুর ৩টার পর আর কিছু মুখে দেই না। তাই আজ ১৪ বছর ধরে রাতে খাই না। আমাদের বাড়ির রান্নাঘর বন্ধ হয় দুপুরে। শুধু মেয়ে বাড়িতে এলে রাতের রান্না হয় বলে জানান এ অভিনেতা। যদিও অভিনেতা সকালের খাবার ও দুপুরের খাবার ফাঁকি দেন না। সেই সময় যতটা সম্ভব খেয়ে নেন তিনি। তার পরের ১২ ঘণ্টা আর কোনো খাবার মুখে তুলেন না বলে জানান মনোজ বাজপেয়ি।