২০২৫-বিশ্বতারকায় জমে উঠেছে সৌদির ‘রেড সি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

২০২৫-বিশ্বতারকায় জমে উঠেছে সৌদির ‘রেড সি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ‘সিনেমার প্রতি ভালোবাসা’ স্লোগানকে সামনে রেখে সৌদি আবের জেদ্দার ঐতিহাসিক শহর আল বালাদে পর্দা উঠেছে পঞ্চম রেড সি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই চলচ্চিত্র আসর শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর)। চলবে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) পর্যন্ত। প্রথম দিনেই লাল গালিচায় হাঁটলেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তারকারা, জমে উঠল উৎসবের উদ্বোধনী রাত। উদ্বোধনী দিনেই রেড কার্পেটে উপস্থিত ছিলেন অস্কারজয়ী অভিনেতা অ্যাড্রিয়ান ব্রডি, মার্কিন তারকা কুইন লাটিফা, কির্সটেন ডানস্ট, জেসিকা আলবা, উমা থারম্যান, কিউবান–স্প্যানিশ অভিনেত্রী আনা ডি আর্মাস, ব্রিটিশ তারকা ড্যানিয়েল কালুয়া এবং গায়িকা রিতা ওরা। বলিউড তারকা ঐশ্বরিয়া রাইও নজর কাড়েন লাল গালিচায়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সৌদি অভিনেত্রী সারাহ তাইবাহসহ উপস্থিত ছিলেন জেইনা মাকি, হানা মানসুর ও আরও অনেকে। এ বছর উৎসবের মূল থিম- ‘সিনেমার প্রতি ভালোবাসা’। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার ৭০টিরও বেশি দেশ থেকে ১০০টিরও বেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। নতুন প্রতিভা আবিষ্কার, শিল্প কার্যক্রম, নারী চলচ্চিত্রকারদের ওপর বিশেষ ফোকাস এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাই এবারের আসরের প্রধান লক্ষ্য। অস্কারজয়ী অ্যাড্রিয়ান ব্রডি বলেন, ‘এটি আমার দ্বিতীয়বার রেড সি ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ। সৌদি আরবের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। শুধু চলচ্চিত্র নয়, তারা নিজেদের সংস্কৃতিকেও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে নারী চলচ্চিত্রকারদের দৃশ্যমানতা বাড়াতে উৎসবটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদ্বোধনী সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ অভিনেতা মাইকেল কেইনও। চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এই উৎসবে বিশেষ সম্মাননা পাবেন। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জুরি সদস্য শন বেকার, লেবানিজ পরিচালক নাদিন লাবাকি, অস্কারজয়ী ব্রিটিশ তারকা রিজ আহমেদ, অভিনেত্রী অলগা কুরি্লেঙ্কো ও নাওমি হারিস। উদ্বোধনী রাতে প্রদর্শিত হয় ব্রিটিশ-ইয়েমেনি বক্সার প্রিন্স নাসিম হামেদের জীবনীভিত্তিক ছবি ‘জায়ান্ট’, পরিচালনায় রোয়ান আথাল। প্রধান চরিত্রে অভিনয়কারী আমির এল মাসরি বলেন, ‘এই ছবি আমাদের কঠোর পরিশ্রমের ফল। এটি পূর্ব ও পশ্চিম উভয় সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। এক ইয়েমেনি মুসলিম বক্সারের সংগ্রাম এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে ওঠা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। পুরো উৎসবজুড়ে ফিচার, ডকুমেন্টারি, অ্যানিমেশন এবং শর্ট ফিল্মসহ নানা ঘরানার আন্তর্জাতিক সিনেমা প্রদর্শিত হবে। আরব স্পেকট্যাকুলার প্রোগ্রামে থাকছে আনেমারি জাসির ‘প্যালেস্টাইন ৩৬’, হাইফা আল মানসুরের ‘আনআইডেন্টিফায়েড’ এবং আনাস বে-থাফের ‘এ ম্যাটার অফ লাইফ অ্যান্ড ডেথ’। বিশ্ব সিনেমার এই মহাযজ্ঞে তারকারা, দর্শক ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টরা মিলিত হওয়ায় উৎসব প্রাঙ্গণে এখন উৎসবের আমেজ।
বলছে গবেষণা শরীরের ক্যালরি কমাতে সহায়ক ভূতের সিনেমা

বলছে গবেষণা শরীরের ক্যালরি কমাতে সহায়ক ভূতের সিনেমা ওজন বা ক্যালরি কমানোর জন্য মানুষ ডায়েট কিংবা শরীরচর্চা- কত কিছুই না করেন! তবে এবার এক গবেষণায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। শুধু ভয়ের সিনেমা বা হরর মুভি দেখলেই কমতে পারে শরীরের বাড়তি ক্যালরি! গবেষকরা দাবি করেছেন, ৯০ মিনিটের একটি শ্বাসরুদ্ধকর হরর সিনেমা দেখলে যে পরিমাণ ক্যালরি খরচ হয়, তা আধা ঘণ্টা হাঁটার সমান। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনিস্টারের একদল গবেষক ২০১২ সালে একটি গবেষণা পরিচালনা করেন। তাদের মতে, একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য হরর সিনেমা দেখলে গড়ে ১১৩ ক্যালরি পর্যন্ত খরচ হতে পারে, যা একটি ছোট চকোলেট বারে থাকা ক্যালরির সমপরিমাণ। গবেষণায় দেখা গেছে, সব হরর সিনেমার প্রভাব এক রকম নয়। গবেষকরা ১০টি ক্লাসিক হরর সিনেমার ওপর এই পরীক্ষা চালিয়েছেন। এর মধ্যে ক্যালরি পোড়াতে সবচেয়ে এগিয়ে আছে স্ট্যানলি কুবরিকের বিখ্যাত সাইকোলজিক্যাল হরর সিনেমা ‘দ্য শাইনিং’। এই সিনেমাটি দেখলে গড়ে ১৮৪ ক্যালরি খরচ হয়। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ‘জস’ দেখলে খরচ হয় ১৬১ ক্যালরি এবং তৃতীয় স্থানে থাকা ‘দ্য এক্সরসিস্ট’ দেখলে কমে ১৫৮ ক্যালরি। কেন কমে ক্যালরি? সোফায় বসে সিনেমা দেখলে কেন ক্যালরি খরচ হবে? এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন গবেষকরা। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব সিনেমায় হঠাৎ চমকে দেওয়ার মতো দৃশ্য বেশি থাকে, সেগুলো হৃৎস্পন্দন বা হার্ট রেট দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেল মেটাবলিজম ও ফিজিওলজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ডা. রিচার্ড ম্যাকেঞ্জি বলেন, ‘পরীক্ষায় দেখা গেছে ১০টি সিনেমাই দর্শকদের হৃৎস্পন্দন বাড়িয়ে দিয়েছে। নাড়ির গতি বাড়লে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন দ্রুত হয় এবং শরীরে অ্যাড্রেনালিন হরমোনের প্রবাহ বেড়ে যায়। তীব্র মানসিক চাপ বা ভয়ের সময় নির্গত এই অ্যাড্রেনালিন ক্ষুধা কমায় এবং বেসাল মেটাবলিক রেট বাড়িয়ে দেয়, যা শেষ পর্যন্ত অধিক পরিমাণে ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে।গবেষণা পদ্ধতি মুভি রেন্টাল প্রতিষ্ঠান ‘লাভফিল্ম’-এর সহায়তায় পরিচালিত এই গবেষণায় বিজ্ঞানীকরা দর্শকদের হৃৎস্পন্দন, অক্সিজেন গ্রহণের মাত্রা এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগের পরিমাণ পর্যবেক্ষণ করেন। ফলাফলে দেখা যায়, সাধারণ সময়ের তুলনায় ভয়ের সিনেমা দেখার সময় দর্শকদের ক্যালরি খরচের হার গড়ে এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেছে। লাভফিল্মের সম্পাদক হেলেন কাউলি বলেন, ‘ভয়ের দৃশ্য দেখার সময় আমরা অনেকেই বালিশের আড়ালে মুখ লুকাতে চাই। তবে যারা ক্যালরি কমাতে চান, এই গবেষণা বলছে তাদের চোখ আসলে পর্দার দিকেই রাখা উচিত। ক্যালরি কমাতে শীর্ষ ১০ হরর সিনেমা গবেষণায় উঠে আসা সবচেয়ে বেশি ক্যালরি পোড়ানো ১০টি সিনেমার তালিকাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো- ১. দ্য শাইনিং (১৮৪ ক্যালরি) ২. জস (১৬১ ক্যালরি) ৩. দ্য এক্সরসিস্ট (১৫৮ ক্যালরি) ৪. এলিয়েন (১৫২ ক্যালরি) ৫. স (১৩৩ ক্যালরি) ৬. আ নাইটমেয়ার অন এলম স্ট্রিট (১১৮ ক্যালরি) ৭. প্যারান নরমাল অ্যাক্টিভিটি (১১১ ক্যালরি) ৮. দ্য ব্লেয়ার উইচ প্রজেক্ট (১০৫ ক্যালরি) ৯. দ্য টেক্সাস চেইন স ম্যাসাকার (১০৭ ক্যালরি) ১০. আরইসি [Rec] (১০১ ক্যালরি)
এখন ঢাকায় ‘কাভিশ’ কিন্তু হচ্ছে না কনসার্ট

এখন ঢাকায় ‘কাভিশ’ কিন্তু হচ্ছে না কনসার্ট ‘ওয়েভ ফেস্ট: ফিল দ্য উইন্টার’ নামের এক কনসার্টে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার ৪ ডিসেম্বর ঢাকায় পৌঁছেছে পাকিস্তানি ব্যান্ড ‘কাভিশ’। আজ শুক্রবার ৫ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার মাদানী অ্যাভিনিউয়ের কোর্টসাইড এলাকায় কনসার্টটি হওয়ার কথা থাকলেও তা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে ভেন্যুর অনুমতি না পাওয়ায় অনুষ্ঠানটি স্থগিত করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান প্রাইম ওয়েভ কমিউনিকেশনস। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, পুরো আয়োজন বাতিল করা হয়নি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। ঢাকায় এসেও কনসার্ট করতে পারল না পাকিস্তানি ব্যান্ড ‘কাভিশ’। কাভিশের পাশাপাশি এতে বাংলাদেশের ব্যান্ড শিরোনামহীন, মেঘদলসহ আরও কয়েকজন শিল্পী পারফর্ম করার কথা ছিল। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার কাভিশ ঢাকায় পৌঁছানোর পর ব্যান্ড সদস্যদের বিমানবন্দরের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে আয়োজকরা সামাজিক মাধ্যমে জানায় যে ব্যান্ডটি দেশে এসে গেছে। পরে কনসার্ট স্থগিত হওয়ার বিষয়ে ব্যান্ডটির পক্ষ থেকেও একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে আয়োজক প্রতিষ্ঠান। সেখানে তারা জানায়, সব ধরনের প্রস্তুতি, ভেন্যু, কাগজপত্র, শিল্পীদের পারিশ্রমিক এবং প্রয়োজনীয় অনুমতির জটিলতা অতিক্রম করা সত্ত্বেও দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অনুষ্ঠানটি আপাতত পুনঃনির্ধারণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তারা অনুষ্ঠানটি করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, কিন্তু পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আয়োজকদের ভাষ্যে, অনুষ্ঠানটি কেবল স্থগিত হয়েছে, বাতিল করা হয়নি। এ কারণে ভক্তদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে কাভিশের পাঠানো একটি ভিডিও বার্তাও, যেখানে দলটি দুঃখ প্রকাশ করেছে।
এই বয়সেও মানুষটা কত উজ্জীবিত, আহমেদ শরীফকে নিয়ে জায়েদ খান

এই বয়সেও মানুষটা কত উজ্জীবিত, আহমেদ শরীফকে নিয়ে জায়েদ খান ঢাকাই বাণিজ্যিক সিনেমার সুদিনে এক নামেই আলো ছড়াতেন—আহমেদ শরীফ। খলনায়কের চরিত্রে তার উপস্থিতি ছিল যেন সিনেমার অপরিহার্য অংশ। প্রায় ৮৫০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করা এই শক্তিমান অভিনেতা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। আর সেখানেই জায়েদ খানের অতিথি হয়েছেন আহমেদ শরীফ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে প্রচারিত ঠিকানা টিভির জনপ্রিয় টক শো ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’ এর আগামী পর্বে অতিথি হিসেবে থাকছেন আহমেদ শরীফ। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় প্রচারিত হবে পর্বটি, যেখানে উঠে আসবে বাংলা চলচ্চিত্রের অসংখ্য অজানা গল্প, স্মৃতির সরণি আর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের নানা অভিজ্ঞতা। নিউ ইয়র্ক থেকে জায়েদ খান জানালেন, তার অভিভূত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, “একজন মানুষ এই বয়সেও কত উজ্জীবিত, কত ফিট! ৮৫০–এর অধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। সিনেমার কত ইতিহাস তার কাছ থেকে জানা যায়! তিনি নিজেই যেন একটা ‘সিনেমার ডিকশনারি’। এই বয়সেও তার কণ্ঠে সংলাপ, আবৃত্তি, এমনকি ফাইটিংয়ের দৃশ্য—সবই মুগ্ধ হয়ে দেখার মতো।” উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জায়েদ খান বলেন, “আমি সত্যিই ভাগ্যবান, তিনি আমার অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছেন। তার কাছ থেকে সিনেমার বহু অজানা ইতিহাস জানতে পেরেছি।” ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’-এর ১২তম পর্বে কিংবদন্তি এই অভিনেতার জীবনের বহু অনুচ্চারিত গল্প এবার জানতে পারবেন বলেও জানান এই সঞ্চালক।
গায়িকা ফারিণের নাচ-গান নিয়ে নেটিজেনদের পোস্টমর্টেম

গায়িকা ফারিণের নাচ-গান নিয়ে নেটিজেনদের পোস্টমর্টেম ছোট পর্দার অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। ২০২৪ সালে সংগীতশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তার গাওয়া প্রথম গান ‘রঙে রঙে রঙিন হব’, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে প্রচারিত হয়। গানটির সাফল্য তাকে আরো গাইতে অনুপ্রাণিত করে। তারই ধারাবাহিকতায় নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন ফারিণ। ‘মন গলবে না’ শিরোনামের নতুন গানটি নিয়ে অনেক দিন ধরে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন তাসনিয়া ফারিণ। গানটি নিয়ে নির্মিত হয়েছে ভিডিও। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) মুক্তি পায় ফারিণের এই গান। গানের কথা লিখেছেন কবির বকুল, সুর-সংগীত করেছেন ইমরান মাহমুদুল। কিন্তু মুক্তির পর সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন। ফারিণ ও তার কণ্ঠ, সাজপোশাক, গানের কথা নিয়ে চলছে পোস্টমর্টেম। আর কাজটি করছেন নেটিজেনরা। গানটির ভিডিওর সমালোচনা করে একজন লেখেন, “তাসনিয়া ফারিণ সম্ভবত একমাত্র মেয়ে, যে নাচতে নাচতে বলেছে, ‘তোমার জন্য আমার মন কখনো গলবে না!’ মেয়েরা অভিমান করলে কথা পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়, কল ধরে না, কোনোভাবেই তাদের মন গলানো যায় না! সেখানে তাসনিয়া ফারিণ নেচে নেচে বলেছে, ‘তার জন্য তার মন গলবে না।’ ‘অভিমান’ কিংবা ‘রাগ’ করার পর যে গার্লফ্রেন্ড এইভাবে নেচে নেচে বলবে, ছেলেরা তেমন গার্লফ্রেন্ড-ই চায়।” আশরাফুল আমিন লেখেন, “নায়িকা আবার নিজের গানে নিজেই মডেল আবার নিজেই গায়িকা। একেই বলে এ সময়ের নোরা ফাতেহি।” ফারিণকে উদ্দেশ্য করে মাইশা লেখেন, “এই গানের সাথে এই নাচ, কি পোশাক জোকারের মতো লাগছে।” অরিত্রম দত্ত লেখেন, “গলার জন্য তো মন থাকা দরকার। কিন্তু ম্যাম আপনি তো মনটা পুড়িয়ে ফেললেন।” ফেরদৌস লেখেন, “তাসনিয়া ফারিণের কাছ থেকে এত ফালতু কাজ প্রত্যাশা করিনি।” প্রত্যয় লেখেন, “এরচেয়ে হিরো আলমের গান ভালো।” রুয়েল লেখেন “এই নায়িকা আবার মনে মনে সিনেমায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে!” গানটির গীতিকার কবির বকুল। গানের কথা নিয়ে খানিকটা ব্যঙ্গ করে স্নেহা ভট্টাচার্য লেখেন, “কি অপূর্ব লিরিক্স। গীতিকারকে নোবেল দেওয়া উচিত!” হাওলাদার রিয়াদ লেখেন, “গানটা শোনার পর মনে হয় গীতিকার আর কোরিওগ্রাফারকে খুঁজে বের করে পুরস্কার দেওয়া উচিত।” বৃষ্টি লেখেন, “প্রথমে মনে করি, স্যাড সংয়ের সাথে লিপ সং। ওমা পরে দেখি, স্যাড সংয়ের সাথে ডিজে ড্যান্স।” অমি লেখেন, “জোকার। কি গান! কি নাচ! টোটাল রাবিশ!” গানের সঙ্গে কোরিওগ্রাফি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। আফসানা মিমি লেখেন, “গানের সাথে নাচ আর ড্রেস দুটোই জোকার লাগছে।” তোলন লেখেন, “ফারিণ মনে হয় একমাত্র মাইয়া যে, নাচতে নাচতে হাসতে হাসতে কইতেছে, ‘তোমার জন্য আমার মন কখনো গলবে না। আর তার নাচ দেইখা কি কমু! ভাই অভিনয় করে ঠিকঠাক বাট নাচটা হজম হইলো না।” এমন শত শত মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনদের সমালোচনার মাঝে মুখ খুলেছেন তাসনিয়া ফারিণ। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে গানটিকে ‘পপ ধাঁচের’ বলে মন্তব্য করেন। তার ভাষায়“আমার এই গানে ফিউশন ঘটাতে চেয়েছি। আশি ও নব্বই দশকের অনুভূতির সঙ্গে এই সময়টাকে মিলিয়ে কিছু একটা করতে চেয়েছি। সঙ্গে একটা গল্প রেখেছি, আবার শিল্পের সঙ্গে বাণিজ্যিক কিছু উপাদানও আছে। আমি ও আমার টিম চেষ্টা করেছি আমাদের চিন্তাভাবনা তুলে ধরতে।”
‘দৃশ্যম থ্রি’ নিয়ে নতুন খবর পাওয়া গেল

‘দৃশ্যম থ্রি’ নিয়ে নতুন খবর পাওয়া গেল মালায়ালাম ভাষার বহুল আলোচিত সিনেমা সিরিজ ‘দৃশ্যম’। জিতু জোসেফ পরিচালিত এ সিরিজের প্রথম পার্ট মুক্তি পায় ২০১৩ সালে। দ্বিতীয় পার্ট মুক্তি পায় ২০২১ সালে। এ দুই পার্টে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন মোহনলাল। এ সিরিজের তৃতীয় পার্ট নির্মাণের কাজ চলমান। তৃতীয় কিস্তিতে থাকবেন মোহনলাল। জিতু জোসেফ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ২০১৫ সালে বলিউড পরিচালক নিশিকান্ত কামার ‘দৃশ্যম’ সিনেমা হিন্দি ভাষায় রিমেক করেন। হিন্দি ভাষার রিমেকে অভিনয় করেন অজয় দেবগন, টাবু, শ্রেয়া সরন, অক্ষয় খান্না। ৩৮ কোটি রুপি বাজেটের সিনেমাটি বক্স অফিসে আয় করেছিল ১১০ কোটি রুপি। এই সিরিজের দ্বিতীয় পার্ট ‘দৃশ্যম-টু’ রিমেক করেছেন পরিচালক অভিষেক পাঠক। অভিনয়শিল্পীরা অপরিবর্তিত রয়েছেন। সিনেমাটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৫০ কোটি রুপি। ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ সিনেমাও বক্স অফিসে রাজত্ব করে। এটি আয় করে ৩৪৫ কোটি রুপি। এবার হিন্দি ভাষায় নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘দৃশ্যম থ্রি’। গত অক্টোবরে সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। অনেক দিন ধরেই প্রস্তুতির মধ্যে ছিলেন নির্মাতারা। অবশেষে লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন শুরু হতে যাচ্ছে। মিড-ডে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অজয় দেবগন এবার প্রস্তুত জনপ্রিয় থ্রিলার ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দৃশ্যম’-এর বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রে ফিরতে। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে ‘দৃশ্যম টু’ সিনেমার পরিচালক অভিষেক পাঠক মুম্বাইয়ে তৃতীয় পার্টের শুটিং শুরু করবেন। এ বিষয়ে একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, “অক্ষয় খান্না ও টাবুসহ পুরো অভিনয়শিল্পীদের দল মুম্বাইয়ে ১০ দিনের শিডিউলে অংশ নেবেন। মুম্বাইয়ে ইনডোর দৃশ্যগুলো ধারণ করা হবে। তারা বড়দিন পর্যন্ত শুটিং করবেন, তারপর নতুন বছরের বিরতিতে যাবেন। ২০২৬ সালের প্রথম সপ্তাহ থেকে পুনরায় ‘দৃশ্যম থ্রি’ সিনেমার শুটিং শুরু হবে। পরিকল্পনা রয়েছে, ২০২৬ সালের এপ্রিলের মধ্যেই পুরো শুটিং শেষ করার।”

বীরকে নিয়ে গাড়ির শোরুমে বুবলী, লিখলেন আমাদের ছেলে ‘গাড়িপ্রেমী’ ঢালিউড নায়িকা শবনম বুবলী সিনেমার পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সমানভাবে সক্রিয়। নানান মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে ভালোবাসেন তিনি। এবার ছেলেকে নিয়ে প্রকাশ করা কিছু নতুন ছবিই আবার আলোচনায় এনে দিল তাকে। আজ (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বুবলী ছেলেকে নিয়ে মার্সিডিজের একটি বিলাসবহুল গাড়ির শোরুমে তোলা কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন। ছবিগুলোতে দেখা যায়-শেহজাদ খান বীর লাল, নীলসহ বিভিন্ন রঙের মার্সিডিজ গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে পোজ দিচ্ছে। কখনও গাড়ির ভেতরে বসে, আবার কখনও শোরুমজুড়ে হাঁটাহাঁটি করে গাড়ি দেখে মুগ্ধ হচ্ছে ছোট্ট বীর। ছেলের প্রতি এই গাড়িপ্রেম তুলে ধরে বুবলী ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমাদের গাড়িপ্রেমী ছেলে।’ মুহূর্তেই ছবিগুলো ভক্তদের নজরে আসে এবং অনেকে বীরের আগ্রহ ও স্টাইল দেখে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন। ২০১৮ সালে গোপনে বিয়ে করেছিলেন শাকিব খান ও বুবলী। তাদের ঘর আলো করে জন্ম নেয় ছেলে শেহজাদ খান বীর। বিয়ের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠলেও এখন দুজনে আলাদা থাকেন; তবে সন্তানের বিষয়ে যোগাযোগ রয়ে গেছে। চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে শেহজাদকে নিয়ে শাকিব-বুবলীকে একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায়। সেই ছবি সামনে আসতেই গুঞ্জন ওঠে-তারা কি আবার কাছাকাছি আসছেন? সম্প্রতি এক ইভেন্টে বুবলী জানান, ছেলে বীরের সঙ্গে তার সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। হাসতে হাসতে তিনি আরও বলেন, শাকিব নাকি ছেলেকে শিখিয়েছেন-পছন্দের কোনো মেয়েকে সবার আগে মায়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে! বাবা-ছেলের এমন খুনসুটি দেখেই নাকি তার মন ভরে যায়।
শুটিং সেটে অগ্নিদগ্ধ চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ

শুটিং সেটে অগ্নিদগ্ধ চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ ঢাকার বাইরে নিভৃত লোকেশনে চুপিসারে ‘মালিক’ সিনেমার শুটিং চলছে। পুরো ইউনিটই বিষয়টি গোপন রেখে কাজ করতে চাইলেও তা আর পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হয়েছে সিনেমাটির কয়েকটি শুটিং দৃশ্য। এর মধ্যেই নতুন খবর, সিনেমাটির শুটিং করতে গিয়েই আহত হয়েছেন আরিফিন শুভ। অ্যাকশন দৃশ্যের শুট করতে গিয়ে শরীরে আগুন লেগে যায় ঢাকাই সিনেমার এই জনপ্রিয় নায়কের। তবে শুটিং ইউনিটের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অ্যাকশন দৃশ্যে আরিফিন শুভর শরীরের নিচের অংশে নিয়ন্ত্রিত আগুন জ্বলার কথা ছিল। সবকিছু ঠিকভাবেই প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ক্যামেরা ঘুরতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়—আগুন হঠাৎ ধরে উঠে শুভর পায়ে। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে শিখা যেন আরো উঁচু হয়ে ওঠে। ইউনিট সূত্রে আরো জানা যায়, আগুন লাগার পর শুভ প্রথমে নিজেই শিখা নিভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুন থামছিল না। তীব্র তাপে ভারসাম্য হারিয়ে একসময় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তখনই ইউনিট সদস্যরা এগিয়ে এসে আগুন নেভান। আগুন নিভে গেলেও শুভর পায়ে দগ্ধচিহ্ন পড়ে। দুর্ঘটনার পর পরিচালক সাইফ চন্দন শুট বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলেও, শুভ নাকি পিছু হটেননি। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে সেদিনের সব শুট শেষ করেন তিনি। সূত্র বলছে, পায়ে ক্ষত নিয়েই এখনো নিয়মিত শুটিং চালিয়ে যাচ্ছেন এই নায়ক। এই দুর্ঘটনা নিয়ে পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে চাননি। আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তির প্রস্তুতি চলছে অ্যাকশনধর্মী ‘মালিক’ সিনেমার। যেখানে আরিফিন শুভর বিপরীতে আছেন বিদ্যা সিনহা মিম। চিত্রনাট্য লিখেছেন সিদ্দিক আহমেদ।
নেটিজেনদের মাতামাতি জয়ার ঘরোয়া ভিডিওতে

নেটিজেনদের মাতামাতি জয়ার ঘরোয়া ভিডিওতে চলচ্চিত্রে জয়া আহসান যেন প্রতিটা রূপেই দর্শকদের জন্য আলাদা চমক। পর্দায় যেমন, তেমনই সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি যেন আলো-ছায়ার অনন্য মিশেল। এবার আলো কিংবা ক্যামেরা কোনো কিছুরই প্রয়োজন হয়নি। একেবারেই ঘরোয়া, একেবারেই নিজের মতো জয়া হাজির হলেন ভোরের লুকে। তার শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, বাহারি সবুজে ভরা তার ছাদবাগান। লাউ, লেবু, ফুল-সবুজে যেন ছোট্ট এক স্বর্গ। ভিডিওতে লাউ তুলতে তুলতেই অকপটে হেসে জয়া বলে ফেললেন, “সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে মুখ না ধুয়ে চলে এসেছি, আমার মাথায় তেল! এই এক বাক্যেই যেন কোটি টাকার গ্ল্যামার ভেঙে পড়ে চরম বাস্তবতা। ভক্তদের সবচেয়ে বেশি আপন করে নেয়। ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন অ্যালিস বি. টোকলাসের বিখ্যাত উক্তি, “নিজ হাতে ফলানো সবজি তোলার মতো সন্তোষজনক বা রোমাঞ্চকর আর কিছুই নেই। মন্তব্যের ঘরে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। মো. আবু বায়েজিদ এসকে লিখেন, “আপনার এত ব্যাস্ততার ভিতর বাগানের পিছনে যে সময় দেন তা আমাদের অনেকের জন্য অনুকরণীয়। জানি না এই লেখা আপনার নজরে আসবে কি না। আমার কাছে একটা মরিচের ভ্যারাইটি আছে যেটা বিশ্বের সব থেকে দামি মরিচ হিসেবে স্বীকৃত, ‘আজি চারপিতা মরিচ’। আপনি আগ্রহী হলে পাঠিয়ে দিতে পারব।” এর উত্তরে জয়া লিখেন, “অবশেষ ধন্যবাদ, মরিচ চারা পেতে অবশ্যই আগ্রহী। গ্ল্যামারের আড়ালে তার এই সাদামাটা মাটির টান দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। তারকা হয়েও প্রকৃতির সঙ্গে এত নিবিড় সম্পর্ক, খালি মুখে-তেলে মাথায় ছাদে ছুটে যাওয়া এই সরলতা যেন দারুণভাবে ছুঁয়ে গেছে ভক্তদের মন। বাগান পরিচর্যার ফাঁকে জয়া জানান, তার ছাদবাগানের একটি বিশেষ লেবু গাছের গল্পও এটি তাকে উপহার দিয়েছিলেন তাদের লাইটম্যান নান্নু ভাই, তিনি গাছটি এনেছিলেন বাগেরহাট থেকে। একটি ফুলগাছের মরে যাওয়া ফুল আর ছোট্ট শিম গাছের কথাও জানান জয়া।
নিক জোনাস বিবাহবার্ষিকীতে প্রিয়াঙ্কাকে ‘ড্রিম গার্ল’ বললেন

নিক জোনাস বিবাহবার্ষিকীতে প্রিয়াঙ্কাকে ‘ড্রিম গার্ল’ বললেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাসের বিয়ে আজ সাত বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর যোধপুরের উমেদ ভবন প্যালেসে তারা সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন। বিবাহবার্ষিকীর দিনে নিক জোনাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৈকতে তোলা প্রিয়াঙ্কার একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘সেভেন ইয়ার্স ম্যারিড টু মাই ড্রিম গার্ল’ (আমার স্বপ্নের নারীর সঙ্গে বিয়ের সাত বছর)। পরে নিকের সেই স্টোরি আবার শেয়ার করে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ভালোবাসায় ভরা বার্তায় লিখেছেন, ‘ইউ আর হোয়াট ড্রিমস্ আর মেড অব’ (তুমি সেই, যাকে ঘিরে আমার স্বপ্নগুলো বোনা)। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সারোগেসির মাধ্যমে তাদের প্রথম সন্তান মালতি মেরি চোপড়া জোনাসকে স্বাগত জানান এই দম্পতি। এর কয়েক দিন আগেই প্রিয়াঙ্কা স্বামীর উদ্দেশে আরেকটি আবেগঘন পোস্ট লিখেছিলেন। সেখানে তিনি জানান, তাতে লেখা ছিল, “আমি সবসময় আমার স্বামীর বাধ্য স্ত্রী হয়ে থাকব। এটা সহজ বলে নয়, বরং এটা পবিত্র। ঈশ্বর জানতেন আমার এমন একজনের প্রয়োজন যে আমাকে বোঝার জন্য যথেষ্ট ধৈর্যশীল, আমি যা বলতে পারি না তা সহ্য করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী এবং প্রতিটি ঝড়ের মধ্যে আমাকে ভালোবাসার জন্য যথেষ্ট কোমল। সে কেবল আমার সঙ্গী নয়। সে আমার প্রার্থনার উত্তর। থ্যাঙ্কসগিভিং উপলক্ষে সাম্প্রতিক এক পোস্টে তিনি পরিবারের সঙ্গে কাটানো সময়ের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করেছেন। সেখানে মালতির সঙ্গে খেলা, রং করা, বেকিং, বাইরে গান গাওয়া এ ধরনের সময়গুলোর পাশাপাশি নিক ও মায়ের সঙ্গে ডার্টস খেলার দৃশ্যও ছিল। নিজের অনুভূতি জানিয়ে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন, ‘খুব অল্প সময়ের জন্য বাসায় আসি। কখনও কখনও আমি নিজের চারপাশের সৌন্দর্য, বিস্ময় ও ভালোবাসা দেখে অভিভূত হয়ে যাই। এ বছর তিনি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ ‘ছোট ছোট মুহূর্তগুলোর’ জন্য, যা অনেক সময় মানুষের চোখ এড়িয়ে যায়। কাজের ক্ষেত্রে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাসকে সামনে হলিউডের দুটি ছবি দ্য ব্লাফ এবং জাজমেন্ট ডে–তে দেখা যাবে। এছাড়া তিনি এসএস রাজামৌলির বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘বারাণসি’-তেও অভিনয় করছেন। সম্প্রতি হায়দরাবাদে ছবিটির একটি অনুষ্ঠানে তিনি হাজির ছিলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মহেশ বাবু, পৃথ্বীরাজ সুকুমারনসহ পরিচালক রাজামৌলি। এই ছবিতে প্রিয়াঙ্কা মন্দাকিনির চরিত্রে অভিনয় করছেন।