ফিরেই ভক্তদের ঘুম উড়ালেন কিয়ারা

ফিরেই ভক্তদের ঘুম উড়ালেন কিয়ারা ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পরবর্তী পাঁচ মাস পর্যন্ত শুটিং করেন। প্রথম সন্তানের মা হয়েছেন তা-ও কেটে গেছে আরো পাঁচ মাস। মা হওয়ার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখা দিলেন এই অভিনেত্রী। আর তার আবেদনময়ী উপস্থিতিতে ঘুম উড়েছে তার ভক্ত-অনুরাগীদের। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে কিয়ারা তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করে চিরচেনা অঙ্গনে ফেরার আভাস দেন। ক্যাপশনে লিখেন—“পরবর্তী অধ্যায় আরো আগুন হবে। কাজটা করেই ফেলি।” তারপর থেকে অপেক্ষায় ছিলেন তার ভক্তরা। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া আভাস বাস্তবে রূপ নেয়। মুম্বাইয়ের একটি শুটিং সেটে আবেদনময়ী রূপে হাজির হয়ে তাক লাগিয়ে দেন এই অভিনেত্রী। এ মুহূর্তের ভিডিও এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা যায়, মাতৃত্বের পর ওজন ঝরিয়ে একেবারে ছিপছিপে গড়নে ফিরেছেন কিয়ারা। তার পরনে কাঁধখোলা ডেনিম শার্ট আর শর্টসে কিয়ারার চেহারা যেন মাতৃত্বের লাবণ্যে পরিপূর্ণ। অভিনেত্রীর এমন লুকই এখন আলোচনার বিষয়ে রূপ নিয়েছে। ভূয়সী প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা।  একজন লেখেন, “সেক্সি মাম্মি, উফফ! সে নারীত্বকে আলিঙ্গন করেছে।” আরেকজন লেখেন, “সে এখন আরো বেশি আবেদনময়ী।” অক্ষয় লেখেন, “দেখতে চমৎকার লাগছে।” নীতেশ লেখেন, “বাহ, ওকে সত্যিই বিশ্ব সুন্দরীর মতো লাগছে।” শালিনি লেখেন, “উফফফ, এত সুন্দর মাম্মি!” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে নেট দুনিয়ায়। তবে কোনো সিনেমার শুটিং দিয়ে নিজ ভুবনে ফিরেননি কিয়ারা আদভানি। গতকাল একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিং করেন এই অভিনেত্রী।  কিয়ারা আদভানি ব্যক্তিগত জীবনে অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। ‘শেরশাহ’ সিনেমার শুটিং সেট থেকে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তারা। এরপর এ জুটির প্রেম-বিয়ে নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমীরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যৌথ এক বিবৃতিতে বাবা-মা হতে যাওয়ার ঘোষণা দেন। গত ১৫ জুলাই কন্যাসন্তানের জন্ম দেন কিয়ারা।

গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পেলেন যারা

গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পেলেন যারা বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে ৮৩তম গোল্ডেন গ্লোবের মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে থেকে অভিনয়শিল্পী মার্লন ওয়ারনস ও স্কাই পি মার্শাল মনোনীত সিনেমা ও অভিনয়শিল্পীদের নাম ঘোষণা করেন।  এ আসরে সর্বোচ্চ মনোনয়ন পেয়েছে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর বহুল আলোচিত সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। ৯টি মনোনয়ন নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে এটি। আটটি মনোনয়ন নিয়ে তার পরের স্থানে রয়েছে ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’। ‘সিনার্স’ ও ‘হ্যামনেট’ পেয়েছে ছয়টি করে মনোনয়ন। ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অনুষ্ঠানের আসর বসবে। চলুন, তার আগে জেনে নিই উল্লেখযোগ্য বিভাগে কারা মনোনয়ন পেলেন— সেরা সিনেমা (ড্রামা): ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’, ‘হ্যামনেট’, ‘ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট’, ‘দ্য সিক্রেট এজেন্ট’, ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’ ও ‘সিনার্স’। সেরা সিনেমা (মিউজিক্যাল/কমেডি): ‘ব্লু মুন’, ‘বুগোনিয়া’, ‘মার্টি সুপ্রিম’, ‘নো আদার চয়েস’, ‘নুভেল ভাগ’ ও ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা অভিনেত্রী- মোশন পিকচার (ড্রামা): জেসি বাকলি (হ্যামনেট), জেনিফার লরেন্স (ডাই, মাই লাভ), রেনেট রিইনসভ (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), জুলিয়া রবার্টস (আফটার দ্য হান্ট), টেসা থম্পসন (হেডা), ইভা ভিক্টর (সরি, বেবি)। সেরা অভিনেতা-মোশন পিকচার (ড্রামা): জোয়েল এডগারটন (ট্রেন ড্রিমস), অস্কার আইজ্যাক (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), ডোয়াইন জনসন, (দ্য স্ম্যাশিং মেশিন), মাইকেল বি. জর্ডান (সিনার্স), ওয়াগনার মৌওরা (দ্য সিক্রেট এজেন্ট) জেরেমি অ্যালেন হোয়াইট (স্প্রিংস্টিন: ডেলিভার মি ফ্রম নোহয়ার)। সেরা অভিনেত্রী- মোশন পিকচার (মিউজিক্যাল/কমেডি): রোজ বার্ন, (ইফ হ্যাড লেগস আই উড কিক ইউ), সিনথিয়া এরিভো (উইকেট: ফর গুড), কেট হাডসন (সং সাং ব্লু), চেজ ইনফিনিটি, (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), আমান্ডা সেফ্রিড (দ্য টেস্টমেন্ট অব অ্যান লি), এমা স্টোন (বুগোনিয়া)। সেরা অভিনেতা- মোশন পিকচার (মিউজিক্যাল/কমেডি): টিমোথি শ্যালামে (মেরি সুপ্রিম), জর্জ ক্লুনি (জে কেলি), লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), ইথান হক (ব্লু মুন), লি বাইয়ুং-হান (নো আদার চয়েজ), জেসি প্লেমনস (বুগোনিয়া)। সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী (মোশন পিকচার্স): এমিলি ব্লান্ট (দ্য স্ম্যাশিং মেশিন), এলি ফ্যানিং (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), আরিয়ানা গ্র্যান্ডে (উইকড: ফর গুড), ইঙ্গা ইবসডটার লিলিয়াস (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), অ্যামি ম্যাডিগান (উইপন্স), টেয়ানা টেলর (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার)। সেরা পার্শ্ব অভিনেতা (মোশন পিকচার্স): বেনিসিও দেল তোরো (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), জ্যাকব এলোর্ডি (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), পল মেসকাল (হ্যামনেট), শন পেন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), অ্যাডাম স্যান্ডলার (জে কেলি), স্টেলান স্কারসগার্ড (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু)। সেরা পরিচালক (মোশন পিকচার): পল থমাস অ্যান্ডারসন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), রায়ান কুগলার (সিনার্স), গিয়ের্মো দেল তোরো (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), জাফর পানাহি (ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট), ইয়েকিম ত্রিয়ারের (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু) ক্লোয়ি ঝাও (হ্যামনেট)। সেরা চিত্রনাট্য: পল থমাস অ্যান্ডারসন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), রোনাল্ড ব্রনস্টাইন, জশ সাফডি (মার্টি সুপ্রিম) রায়ান কুগলার (সিনার্স), জাফর পানাহি (ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট), এস্কিল ভগট, ওয়াকিম ট্রিয়া (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), ক্লোয়ি ঝাও, ম্যাগি ও’ফ্যারেল (হ্যামনেট)। সেরা সিনেমা (অ্যানিমেটেড): আর্কো, ডেমন স্লেয়ার: কিমেৎসু নো ইয়াইবা ইনফিনিটি ক্যাসেল, এলিও, কেপপ ডেমন হান্টার্স, লিটল অ্যামেলি অর দ্য ক্যারেক্টার অব রেইন, জুটোপিয়া টু সেরা বিদেশি ভাষার সিনেমা: ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট, নো আদার চয়েস, দ্য সিক্রেট এজেন্ট, সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু, সিরাত, দ্য ভয়েস অব হিন্দ রজব। সেরা ড্রামা সিরিজ: দ্য ডিপ্লোম্যাট, দ্য পিট, প্লুরিবাস, সেভেরেন্স, স্লো হর্সেস, দ্য হোয়াইট লোটাস। সেরা মিউজিক্যাল/কমেডি সিরিজ: অ্যাবট এলিমেন্টারি, দ্য বিয়ার, হ্যাকস, নোবডি ওয়ান্টস দিস, অনলি মাডার্স ইন দ্য বিল্ডিং, দ্য স্টুডিও। সেরা টিভি অভিনেত্রী (ড্রামা সিরিজ): ক্যাথি বেটস (ম্যাটলক), ব্রিট লাওয়ার (সেভারেন্স), হেলেন মিরেন (মবল্যান্ড), বেলা রামসেট (দ্য লাস্ট অব আস), কেরি রাসেল (দ্য ডিপ্লোম্যাট), রিয়া সিহর্ন (প্লুরিবাস)। সেরা অভিনেতা (ড্রামা সিরিজ): স্টার্লিং কে. ব্রাউন (প্যারাডাইস), ডিয়েগো লুনা (অ্যান্ডর), গ্যারি ওল্ডম্যান (স্লো হর্সেস), মার্ক রাফেলো (টাস্ক), অ্যাডাম স্কট (সেভারেন্স), নোয়া ওয়াইল (দ্য পিট)।

তোপের মুখে গায়িকা নেহা কক্কর

তোপের মুখে গায়িকা নেহা কক্কর বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা নেহা কক্কর তার একটি লাইভ স্টেজ পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সম্প্রতি একটি কনসার্টে গান গাওয়ার সময় নেহার অঙ্গভঙ্গি এবং নিজের শরীরে পানি ঢালার একটি ভিডিও নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ একে ‘সাহসী পারফরম্যান্স’ বললেও অনেকে একে ‘অশোভন’ ও ‘সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার চেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, নেহা কক্কর লেপার্ড-প্রিন্টের একটি আঁটসাঁট পোশাকে মঞ্চে গান গাইছেন। পারফরম্যান্সের এক পর্যায়ে তিনি একটি পানির বোতল তুলে নেন এবং নিজের শরীরের উপরিভাগে ঢেলে দেন। এই দৃশ্যটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। নেহার এই বিশেষ কোরিওগ্রাফি ঘিরেই মূলত বিতর্কের সূত্রপাত। টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে ইতোমধ্যে ভিডিওটি ১ কোটির বেশি মানুষ দেখেছেন। নেটদুনিয়ায় সমালোচনার ঝড় এই ঘটনায় নেটনাগরিকদের একাংশ নেহার কঠোর সমালোচনা করছেন। অনেকের মতে, একজন কণ্ঠশিল্পী হিসেবে গানের চেয়ে শরীরী প্রদর্শনীতেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। সমালোচকদের একজন লিখেছেন, ‘সুরের রানি থেকে এমন পর্যায়ে নেমে আসা দুঃখজনক।’ অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভাইরাল হওয়ার নেশায় নিজের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করছেন নেহা।’ তবে নেহার ভক্তরা বরাবরের মতোই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের মতে, এটি কেবলই মঞ্চের উন্মাদনা এবং আন্তর্জাতিক মানের পারফরম্যান্সের অংশ। পুরোনো বিতর্ক নেহা কক্করের এমন বিতর্কিত কাণ্ড এবারই প্রথম নয়। এর আগেও মঞ্চে বেলি ডান্স বা সাহসী অঙ্গভঙ্গি করে তিনি একাধিকবার আলোচনায় এসেছেন। যদিও বরাবরই তিনি নিজের এই ‘সাহসী’ ইমেজ বজায় রাখতে পছন্দ করেন, তবে এবারের ঘটনাটি সামাজিক রুচিবোধের প্রশ্নে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

মিশা সওদাগর শিল্পীদের দেশ ছাড়ার কারণ জানালেন

মিশা সওদাগর শিল্পীদের দেশ ছাড়ার কারণ জানালেন শোবিজের অনেক তারকা শিল্পীরাই সাম্প্রতিক সময়ে পাড়ি জমাচ্ছেন বিদেশে। কেউ স্থায়ীভাবে সেখানেই বসবাস শুরু করেছেন, কেউ আবার দেশে এসে সীমিত পরিসরে কাজ করছেন। শিল্পীদের এই দেশ ছাড়ার প্রবণতা নিয়ে মুখ খুললেন চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতির সভাপতি ও জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগর। মিশা সওদাগর জানান, কাজের সংকটই তারকাদের বিদেশে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ। অভিনেতার কথায়, ‘কাজ না থাকলে শিল্পীদের কী করার আছে? একসময় দিনে চার-পাঁচটা সিনেমার কাজ করেছি। সকাল ৭টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত শুটিং চলতো। এখন সেই এফডিসি প্রায় বন্ধ। যে শিল্পীরা দেশ ছেড়েছেন, তাদের কি কারও মন চাইছিল? অমিত হাসান, মৌসুমী, ইমন, আলেকজান্ডার বোসহ অনেকেই চলে গেছে। মাহিয়া মাহিও এখন যুক্তরাষ্ট্রে। কাজ থাকলে তারা কেউই যেত না। অনুষ্ঠানের নিজের কথাও উল্লেখ করেন এই অভিনেতা। তার পরিবার স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছে। তিনিও বছরের বড় একটা সময় থাকেন সেখানে। শিল্পীদের জীবনযাত্রার চাপ নিয়ে মিশার ব্যাখ্যা, ‘শিল্পীদের কাজ থাকুক বা না থাকুক, অনেক কিছুই মেইনটেইন করতে হয়। চেহারা, পোশাক, গাড়ি, মোবাইল, ঘরের পরিবেশ- সবকিছুতেই একটা মান ধরে রাখতে হয়। আমরা কাজ করি পরিবারের জন্য, বেঁচে থাকার তাগিদে। কিন্তু কাজই যদি না থাকে, ইনকাম যদি বন্ধ হয়ে যায়, তখন একজন শিল্পী কী করবে। তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশে গেলে অন্তত স্থায়ীভাবে কাজ পাওয়া যায়, পরিবার নিয়ে টিকে থাকা যায়। তাই অনেকেই বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়ছেন। এটা তাদের দোষ নয়, পরিস্থিতির চাপ। মিশা সওদাগরের মতে, স্থানীয় চলচ্চিত্র শিল্পে কাজের পরিমাণ বাড়লেই তারকারা আবার দেশে ফিরে আসবেন।

ঐশ্বরিয়ার আবেগঘন বক্তব্য কান উৎসবে মেয়ের হাঁটার স্মৃতি নিয়ে

ঐশ্বরিয়ার আবেগঘন বক্তব্য কান উৎসবে মেয়ের হাঁটার স্মৃতি নিয়ে কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায় মা-মেয়ের সেই ভাইরাল মুহূর্ত এখনো ভোলেননি ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। অনেক বছর আগে কানেই সবার মন জয় করা সেই ছোট্ট আরাধ্যার আবেগঘন স্মৃতিই আবার সামনে আনলেন ‘বিশ্বসুন্দরী’। সম্প্রতি সৌদি আরবে চলচ্চিত্র উৎসবে এসে পুরোনো দিনে ফিরে গেলেন তিনি। ঐশ্বর্য জানান, ছোট থেকে মায়ের সঙ্গে কান উৎসবে যাওয়ার কারণে আরাধ্যার কাছে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এ আয়োজন যেন নিজের ঘরবাড়ির মতোই পরিচিত হয়ে উঠেছিল। আরাধ্যার সেই ভাইরাল ভিডিওটির কথাও তুলে আনেন তিনি- যেখানে রেড কার্পেটে মায়ের ঠিক পাশেই হাঁটতে দেখা গিয়েছিল তাকে। অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘মানুষ ভাবে, আরাধ্যার ছবি তোলার জন্যই তাকে গাউন পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদৌ তা নয়। ও তো তখন একদম ছোট্ট মেয়ে- রূপকথা পড়ে, দেখে। তাই তার কাছে ব্যাপারটা ছিল- মা কেন এমন গাউন পরে? কেন এত সাজগোজ? ফলে ও মনে করেছে, আমরা যেন রূপকথার চরিত্র! সেই কারণেই এটা তার কাছে ছিল খেলাধুলার মতো মজা। ঐশ্বরিয়ার আরও জানান, সেই সময়কার নেপথ্যের মুহূর্তগুলো ছিল ভীষণ উপভোগ্য। “আমি রেড কার্পেটের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি, আর পাশে আরাধ্যা বলে চলেছে- ‘মা, এটা দেখো… ওটা দেখো।’ পুরো টিম তখন নিজের কাজে ব্যস্ত। একসময় ও আমার পাশ দিয়ে হাঁটছিল, আমি ওর হাত ধরে রেখেছিলাম। চাইছিলাম না ও দূরে চলে যাক, কারণ ও খুব আনন্দ পাচ্ছিল” বলেন তিনি। মা-মেয়ের এই স্নিগ্ধ রসায়নই পরে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে ভাইরাল হয়ে যায়। এখনো সেই মুহূর্ত স্মরণ করলে আবেগে ভেসে যান অভিনত্রেী।

৩০ হাজার বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন হৃতিক!

৩০ হাজার বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন হৃতিক! ২০০০ সালে ‘কাহো না পেয়ার হ্যায়’ সিনেমাটি মুক্তির পর রাতারাতি জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে যান বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশন। প্রথম ছবিতেই তার আকাশছোঁয়া সাফল্য এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, মাত্র এক মাসের মধ্যে তার কাছে প্রায় ৩০ হাজার বিয়ের প্রস্তাব এসেছিল। সম্প্রতি ভারতীয় একটি জনপ্রিয় টক শো-তে অংশ নিয়ে অভিনেতা নিজেই তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের সেই উন্মাদনার কথাই শোনালেন। ভক্তদের ভিড় সামলাতে নাকি বাড়ির পেছনের দরজা ব্যবহার করেছিলেন হৃতিক। জানান, প্রথম সিনেমাটি সুপারহিট হওয়ার পর তার বাড়ির সামনে প্রতিনিয়ত ভক্তদের ভিড় লেগে থাকত। বিশেষ করে তরুণী ও তাদের অভিভাবকরা হৃতিকের সঙ্গে দেখা করার জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকতেন। জানান, প্রতিদিন সকালে জানালার পর্দা সরালেই হৃতিক দেখতেন বাড়ির প্রধান ফটকে দীর্ঘ লাইন। ভক্তদের এই ভিড় এড়িয়ে নিজের প্রেমিকা সুজান খানের সঙ্গে দেখা করতে হৃতিককে মাঝেমধ্যে বাড়ির পেছনের দরজা ব্যবহার করতেন। সাফল্য ও ব্যক্তিগত জীবন পর্দায় সুপুরুষ চেহারা, নাচ এবং অভিনয়ের জাদুতে হৃতিক তখন ভারতীয় তরুণ প্রজন্মের কাছে ‘গ্রিক গড’ হিসেবে পরিচিতি পান। তবে সেই বিপুল জনপ্রিয়তার মাঝেই তিনি তার বাল্যবন্ধু সুজান খানের সঙ্গে প্রণয় বজায় রাখেন। ভক্তদের হৃদয় ভেঙে ২০০০ সালেই অভিনেতা সঞ্জয় খানের কন্যা সুজানকে বিয়ে করেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও তার জনপ্রিয়তায় তার কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

আফসানা মিমি ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিচারক

আফসানা মিমি ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিচারক   আগামী বছর শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২৪তম আসর। রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে ১০ জানুয়ারি থেকে টানা ৯ দিন চলবে এই উৎসব। ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত উৎসবে ৯১টি দেশের প্রায় ২৬৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হবে। এরই মধ্যে উৎসবের দুটি বিভাগের জুরিবোর্ডের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী ও নির্মাতা আফসানা মিমি। তিনি বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন ওমেন ফিল্মমেকার বিভাগে। নারী নির্মাতাদের নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ডকুমেন্টারি এই বিভাগে প্রদর্শিত হয়। সেরা পরিচালক, সেরা ডকুমেন্টারি ও সেরা ফিকশন নির্বাচনে কাজ করেন আন্তর্জাতিক নারী নির্মাতা, শিল্পী ও সংস্কৃতিসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত স্বাধীন জুরি প্যানেল। মিমির সঙ্গে এই প্যানেলে রয়েছেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক ক্রোয়েশীয় ডকু-নির্মাতা আলেকজান্দ্রা মার্কোভিচ, ইরানি-অস্ট্রেলীয় নির্মাতা ও ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট রোনাক তাহের, ফিলিপাইনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেরাল্ডিন ভিলামিল এবং প্যারিসভিত্তিক মার্কিন শিক্ষক ও নির্মাতা ম্যারিয়ন স্ট্যান্ডেফার। উৎসবে থাকছে ‘টুয়েলভথ আন্তর্জাতিক উইমেন ফিল্ম মেকারস কনফারেন্স’। ১১ ও ১২ জানুয়ারি ঢাকা ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের নারী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষকেরা অংশ নেবেন। এ ছাড়া ঘোষণা করা হয়েছে স্পিরিচুয়াল ফিল্মস বিভাগের জুরিদের নামও। এই বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের লেখক ও প্রযোজক তানভীর হোসেন, সুইজারল্যান্ডের প্রজেক্ট ম্যানেজার তেরেসা ভিনা, ব্রাজিলীয় অডিওভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট মিলিনা কোয়ারজ, জার্মান নির্মাতা দারিয়া সিলফস্টিন এবং ইরানি প্রযোজক এহসান কাভেহ। ওমেন ফিল্মমেকার ও স্পিরিচুয়াল ফিল্মসসহ মোট ১০টি বিভাগ থাকছে এবারের উৎসবে। অন্যান্য বিভাগ হলো- বাংলাদেশ প্যানোরামা, এশিয়ান সিনেমা, রেট্রোস্পেকটিভ, ট্রিবিউট, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড, চিলড্রেন ফিল্মস এবং শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্মস। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তন ও আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তনে চলবে উৎসবের প্রদর্শনী।

সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের নতুন তারিখ নির্ধারণ

সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের নতুন তারিখ নির্ধারণ ঢালিউডের অমর নায়ক সালমান শাহর মৃত্যু রহস্য প্রায় তিন দশক পরও অমীমাংসিত। গত অক্টোবরে আদালতের রায়ে অপমৃত্যুর মামলা পরিবর্তিত হয়ে হত্যা মামলায় রূপ নেওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে রমনা মডেল থানার পরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম খন্দকার নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এজন্য তিনি আদালতের কাছে সময়ের আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য আরও ৫ সপ্তাহ সময় বৃদ্ধি করেন। সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ রাখা হয়েছে আগামী ১৩ জানুয়ারি। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। হত্যা মামলার পটভূমি গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর অপমৃত্যু মামলা আদালতের মাধ্যমে হত্যা মামলায় রূপ নেয়। পরদিন ২১ অক্টোবর নায়কের মামা ও চলচ্চিত্র পরিচালক আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় সামিরা হক, খলনায়ক ডনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের তালিকা সামিরা হক ও ডন ছাড়াও আসামি হিসেবে নাম রয়েছে— শিল্পপতি ও সাবেক প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই লতিফা হক লুচি ডেবিড জাভেদ ফারুক মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি আব্দুস ছাত্তার সাজু রেজভি আহমেদ ফরহাদ (১৭) এ ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

 কঠিন শর্তেই ভেঙেছিল অক্ষয়-শিল্পার প্রেম

 কঠিন শর্তেই ভেঙেছিল অক্ষয়-শিল্পার প্রেম নব্বইয়ের দশকে বলিউডের আলোচিত তারকা জুটি অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠির প্রেম ছিল অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’। প্রায়ই একসঙ্গে দেখা যেত বিভিন্ন পার্টি, রেড কার্পেট বা ফটোশ্যুটে। তাদের এই সম্পর্কের কথা জানতো দুই পরিবারও, এমনকি বিয়ের কথাও চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই বিচ্ছেদ হয় এই জুটির। সম্প্রতি অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠির প্রেম ও বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেছেন অক্ষয়ের দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা সুনীল দর্শন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি শিল্পা শেঠি ও অক্ষয় কুমারের সম্পর্ক ভাঙার কারণ তুলে ধরেন। জানান, শিল্পা শেঠির পরিবারের আরোপিত শর্তই বিচ্ছেদ ঘটায় এই আলোচিত জুটির। বলিউড ঠিকানায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সুনীল জানান, তারা ছিলেন সবচেয়ে ‘সুদর্শন জুটি’, কিন্তু ভাগ্যের ভিন্ন পরিকল্পনা ছিল তাদের নিয়ে।শিল্পা শেঠির মা-বাবার দেওয়া শর্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সুনীল বলেন, ‘মা বাবা হিসেবে, তাদের মেয়ের নিরাপত্তার জন্য মা বাবার যা কিছু প্রয়োজন, সেটাই তারা চেয়েছিলেন। এটা কোনো ভুল নয়। সুনীলের কাছে তখন জানতে চাওয়া হয়, তিনি আর্থিক নিরাপত্তার কথা বলছেন কি না? উত্তরে এই পরিচালক বলেন, ‘সব ধরনের নিরাপত্তাই, সব মা-বাবা এটা চান। তাদের বিচ্ছেদের সময়ের কথা বলতে গিয়ে সুনীল বলেন, ‘এক রিশতা’ সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার পরই তাদের বিচ্ছেদ হয়।

১৩ জানুয়ারি সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

১৩ জানুয়ারি সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৩ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন ঢাকার একটি আদালত। আজ রোববার ৭ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে প্রতিবেদনের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে গত ২১ অক্টোবর রমনা থানায় মামলাটি করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। এতে সালমান শাহের স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া আরও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিউ ইস্কাটনের বাসা থেকে অস্বাভাবিক অবস্থায় সালমান শাহকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই মৃত্যুকে ‘হত্যা’ হিসেবে সন্দেহ করা হয়। ওই বছরেরই ২৪ জুলাই সালমানের বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী আদালতে অভিযোগ দাখিল করে অপমৃত্যুর মামলা পুনঃতদন্ত ও হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ডের আবেদন করেন। পরবর্তীতে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মামলার কোনো আসামি মারা গেলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা আইনি দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন।