আমার ক্যারিয়ার দুর্ঘটনার মতো, কেন বললেন শাহিদ কাপুর

আমার ক্যারিয়ার দুর্ঘটনার মতো, কেন বললেন শাহিদ কাপুর   বলিউডের তারকা সন্তানদের মধ্যে অন্যতম শাহিদ কাপুর। তবে তার বেড়ে ওঠা ছিল একটু ভিন্ন। কারণ, মাত্র তিন বছর বয়সে মা-বাবার বিচ্ছেদ হওয়ায় সম্পূর্ণ নিজের পরিচয়েই তাকে বড় হতে হয়েছে। এমনকি ইন্ডাস্ট্রির বেশিরভাগ মানুষ জানতেন না শাহিদ প্রখ্যাত অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের ছেলে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনের ভারসাম্য ও বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। তারকা সন্তানের পরিচয়ে সুবিধা পাওয়া বিষয়টি তুলে শাহিদ কাপুর বলেন, ‘অনেকে ভাবেন আমি পঙ্কজ কাপুরের ছেলে বলেই অভিনেতা হয়েছি। কিন্তু আমার তিন বছর বয়সেই বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়। খুব ছোট ছিলাম, তাই তেমন কিছু মনে নেই। সত্যি কথা বলতে বাবার সঙ্গে খুব কম সময় কাটিয়েছি, মানুষ জানতই না আমি তাঁর ছেলে। কখনো বাবার নাম ব্যবহার করিনি। মায়ের সঙ্গে বড় হয়েছি। সবকিছুই নিজের চেষ্টায় হয়েছে। আমি বাবার কাছে কখনো সাহায্য চাইনি, তিনিও কখনো কারও সঙ্গে কথা বলে আমাকে কাজ পাইয়ে দেননি। অভিনেতা পঙ্কজ কাপুর এবং নীলিমা আজিমের সন্তান হলেও কখনো ভাবেননি তিনি নিজেও অভিনয়ে আসবেন। অভিনয়ে আসার বিষয়টি দুর্ঘটনা হিসেবে দেখেন শাহিদ। তিনি বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারটা আসলে দুর্ঘটনার মতো। নাচ হোক বা অভিনয়, কিছুই পরিকল্পনা করে হয়নি। প্রথম কাজ পাওয়ার স্মৃতি উল্লেখ করে শাহিদ বলেন, ‘ছোটবেলায় নাচের প্রতি আগ্রহ ছিল, তাই ক্লাস করতাম। আমার শিক্ষক আমার নাচ পছন্দ করতেন, সেখান থেকেই আয় শুরু হলো। অভিনয়ের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। এক বন্ধুর সঙ্গে অডিশনে গেলে বিজ্ঞাপন নির্মাতারা আমাকে দেখে অডিশন নিতে বলেন। আমি বড় একটি বিজ্ঞাপন পেয়ে যাই, যেখানে শাহরুখ খান আর রানি মুখার্জি ছিলেন। ওই বিজ্ঞাপনই আমার পথ খুলে দেয়। কাজ আসতে শুরু করে। কিছুই পরিকল্পিত ছিল না। ব্যক্তিগত–পেশাদার জীবনের ভারসাম্য নিয়ে শাহিদ বলেন, ‘২২ বছর হয়ে গেছে কাজ করছি। এখন চেষ্টা করি যেন কাজের বিষয়গুলো ঘরে না আনি। বাড়িতে ফিরলেই আমি বাবা, স্বামী, ছেলে-এই ভূমিকাগুলোই পালন করি। পেশাদার জীবন বা তারকাখ্যাতি কখনোই ব্যক্তিগত জায়গায় আনা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘যখন আমি আমার সন্তানদের সঙ্গে থাকি, সেই সময়টাকে খুব উপভোগ করি। ক্লান্ত লাগলেও সেটা গুরুত্ব দিই না-ওরা আমার সন্তান, বুঝে নেবে। ভবিষ্যতে বড় হলে ওরাও এসব বুঝতে পারবে। স্ত্রী মীরার প্রসঙ্গে শাহিদ জানান, ‘মীরা খুবই সহায়ক। আমাকে খুব ভালোভাবে বোঝে। আমাদের একটা নিয়ম আছে-বাড়িতে থাকলে কাজের কথা বলা যাবে না। খুবই কম সময় আমরা সিনেমা বা কাজের আলোচনা করি। সন্তান লালনপালনের বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গির কথাও জানান শাহিদ। তার কথায়, ‘আমি বিশ্বাস করি, সন্তানদের ওপর বাবা-মায়ের অসম্পূর্ণ স্বপ্ন চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। বাবা হিসেবে আমি আমার সন্তানদের ভালো গুণগুলোকে লালন করতে চেষ্টা করি এবং তাদের নিজেদের লক্ষ্য খুঁজে নিতে উৎসাহ দিই। আমি সবসময় চেষ্টা করি যেন আমার তারকা-পরিচয় তাদের ওপর কোনো ছাপ না ফেলে। ‘কারো ছেলে’ হয়ে বড় হওয়া উচিত নয় নিজের পরিচয় থাকা প্রয়োজন।’ সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বয়স, শিক্ষাদীক্ষা, অর্থ-সম্পদে স্বামীর চেয়ে এগিয়ে সামান্থা

বয়স, শিক্ষাদীক্ষা, অর্থ-সম্পদে স্বামীর চেয়ে এগিয়ে সামান্থা   অভিনেতা নাগা চৈতন্যকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন সামান্থা রুথ প্রভু। ২০২১ সালে ভেঙে যায় এ সংসার। সামান্থার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী শোবিতা ঢুলিপালারের সঙ্গে সম্পর্ক জড়ান নাগা চৈতন্য; পরে তারা সাতপাকে বাঁধা পড়েন। তবে দীর্ঘদিন একা ছিলেন সামান্থা। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে পরিচালক রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন প্রকাশ্যে আসে। রাজ-সামান্থার প্রেম নিয়ে নানা ধরনের কানাঘুষা শোনা গেলেই মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন এই জুটি। সোমবার (১ ডিসেম্বর) গোপনে বিয়ে করেন তারা। এদিন দুপুরে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে সবাইকে চমকে দেন সামান্থা। তারপর থেকে আলোচনায় রয়েছেন এই যুগল। এ জুটির বয়সের ব্যবধান, পড়াশোনা, অর্থ-সম্পদের পরিমাণ নিয়েও চলছে চর্চা। চলুন এক নজরে দেখে নিই, রাজ-সামান্থার আড়ালের গল্প— কার অর্থ-সম্পদ বেশি? ডেইলি জাগরণ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাজ নিদিমোরুর মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৫–৮৯ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১২-১২১ কোটি টাকা)। রাজ একাধারে পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার। প্রতি সিনেমার জন্য কত টাকা পারিশ্রমিক নেন, সে বিষয়ে সঠিক তথ্য জানা যায়নি। ফলে ধারনা করা হয়, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে এই অর্থ আয় করেছেন রাজ। ভারতের দক্ষিণী সিনেমার সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নেওয়া অভিনেত্রীদের তালিকায় এক সময় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন তেলেগু সিনেমার এই অভিনেত্রী। তবে বিবাহবিচ্ছেদ-শারীরিক অসুস্থতা পিছিয়ে দেয় তাকে। মানি কন্ট্রোলের তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী সামান্থা রুথ প্রভুর মোট সম্পদের পরিমাণ ১০০-১১০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩৬-১৪৯ কোটি টাকা)। সাধারণত, প্রতি সিনেমার জন্য ৩-৮ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন সামান্থা। তবে ‘সিটাডেল: হানি বানি’-এর জন্য ১০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। সিনেমা, ওটিটি সিরিজ, বিজ্ঞাপন থেকে এসব অর্থ আয় করেছেন সামান্থা। তাছাড়া ব্যবসায়েও বিনিয়োগ করেছেন এই অভিনেত্রী। সামান্থা-রাজের বয়সের ব্যবধান কত? ১৯৮৭ সালের ২৮ এপ্রিল চেন্নাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন সামান্থা রুথ প্রভু। তার বয়স এখন ৩৮ বছর। অন্যদিকে, রাজ নিদিমোরু ১৯৭৯ সালের ৪ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তার বয়স এখন ৪৬ বছর। সামান্থার চেয়ে ৮ বছরের বড় রাজ। বয়সের ব্যবধান ৮ বছর হলেও এ দম্পতির মাঝে বোঝাপড়া দারুণ বলে জানা গেছে। রাজ-সামান্থার শিক্ষাদীক্ষা রাজ নিদিমোরু অন্ধ্র প্রদেশের তিরুপতিতে তেলুগু-ভাষী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। এসভিইউ কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে বি. টেক ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এই পরিচালক। তবে এসব ছেড়ে রুপালি জগতে মন দিয়েছেন এই নির্মাতা। তামিল নাড়ুর মাদ্রাজে জন্মগ্রহণ করেন সামান্থা রুথ প্রভু। তার বাবা জোসেফ প্রভু, মা নাইনেট। সামান্থার বাবা জোসেফ প্রভু তেলেগু অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান। আর তার মা নাইনেট সিরিয়ান মালায়ালি। সামান্থা ছাড়াও এ দম্পতির আরো দুটো পুত্রসন্তান রয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে মারা যান সামান্থার বাবা জোসেফ। হলি অ্যাঞ্জেলস অ্যাংলো ইন্ডিয়ান হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন সামান্থা। ২০২০ সালে ক্লাস টেনের নম্বরপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। কারণ গণিতে ১০০, পদার্থ বিজ্ঞানে ৯৫, ইংলিশে ৯০, বোটানিতে ৮৪, ইতিহাসে ৯১ এবং জিওগ্রাফিতে ৮৩ নম্বর পেয়েছিলেন সামান্থা। পরবর্তীতে চেন্নাইয়ের স্টেলা মেরিস কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। আরো উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন সামান্থা। কিন্তু কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় তা আর সম্ভব হয়নি।

অপু বিশ্বাস শাকিব খানের পরামর্শ মেনে চলেন

অপু বিশ্বাস শাকিব খানের পরামর্শ মেনে চলেন ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। ওজন কমিয়ে নিজের পরিবর্তিত রূপে ইতোমধ্যেই ভক্তদের নজর কাড়তে শুরু করেছেন তিনি। সম্প্রতি অপু বিশ্বাস তার পেশাগত জীবন, নতুন সিনেমা ও সোশ্যাল মিডিয়ার নানা বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এই সময় তিনি স্পষ্ট করেছেন, পেশাগত জায়গায় ব্যক্তিজীবন নিয়ে এমন কোনো মন্তব্য করতে চান না, যা বিতর্ক তৈরি করে। অপু বিশ্বাস জানান, ‘আমি এমন কোনো কথা বলতে চাই না, যা বারবার আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে বা বিতর্কের মুখে ফেলবে। মিডিয়ায় এমন কোনো বিষয় আমি উত্থাপন করব না, যা আমার পেশাগত জীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নিজের পরিবর্তিত চেহারার রহস্য নিয়েও নায়িকা বলেন, ‘আমি মনে করি, মানুষ ভালোবাসা পেলে সুন্দর হয়। আমি আমার ভক্ত ও ভালোবাসার মানুষদের ভালোবাসা পেয়ে সুন্দর হয়েছি। ডিসেম্বর মাসে অপু বিশ্বাসের নতুন সিনেমা ‘সিক্রেট’-এর শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এটি একটি রোমান্টিক-অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার ছবি। ছবিতে নায়ক হিসেবে থাকছেন আদর আজাদ। নতুন এই প্রজেক্টে কাজ করতে যাওয়ার আগে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে কথা হয়, যেখানে তিনি জানান, সাময়িক বিরতির পর নতুন উদ্যমে কাজে ফিরছেন। সাক্ষাৎকারে অপু আরও বলেন, ‘এমন কোনো কথা আমি আপনাদের বলে বিতর্ক সৃষ্টি করব না, যেটা দিয়ে বারবার আমাকেই আপনারা তীর ছুড়ে দেবেন। তাই আমার কাছে মনে হয় যে এমন কোনো প্রশ্ন, এমন কোনো টপিক আমি মিডিয়াতে বলব না, যেটা আমাকেই বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করবে। অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক অপু বিশ্বাসের ছেলে আব্রাহাম খান জয় ও তার বাবা চিত্রনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করেন। প্রশ্নের উত্তরে হেসে অপু বিশ্বাস পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আচ্ছা, বাবা-ছেলের সম্পর্ক সত্যিকার অর্থে কেমন, এটা কোনো প্রশ্নের মধ্যে পড়ে? এরপরই ব্যক্তিজীবন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অপু বিশ্বাস। তিনি জানান, শাকিব খান তাকে ব্যক্তিজীবনের কথা পেশাগত জায়গায় না আনার পরামর্শ দিয়েছেন। নায়িকা বলেন, ‘আমাকে লিটারেলি আপনি যে মানুষটির নাম বললেন (শাকিব খান), উনি একজন স্বনামধন্য অভিনেতা। উনি যখন আপনাদের সামনে আসেন, তখন তিনি তার কাজের জায়গাটায়ই আপনাদের সঙ্গে কথা বলেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমি নিজেও আসলে আমাকে তিনিই বলেছেন যে, “তুমি যখন ক্যামেরার সামনে যাবা, তখন তুমি কিন্তু শুধু একজন অপু বিশ্বাস। তাই তুমি তোমার প্রফেশনটাকে উপস্থাপন করো, ব্যক্তিজীবনকে নয়। নতুন লুক, নতুন সিনেমা এবং নতুন উদ্যমের এই সংমিশ্রণই অপু বিশ্বাসের বর্তমান কর্মজীবনের চিত্র। দর্শক ও ভক্তরা এখন আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছেন কীভাবে তিনি এই নতুন অধ্যায়ে ফিরে আসবেন এবং বড় পর্দায় নতুন চমক দেখাবেন।

কড়াইল বস্তিবাসীর কাছে যে সিনেমার আয় যাবে

কড়াইল বস্তিবাসীর কাছে যে সিনেমার আয় যাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে রাজধানীর মহাখালীর কড়াইল বস্তির হাজারের বেশি ঘর পুড়ে গেছে। সেখানকার অনেক পরিবারের দিন কাটছে খোলা আকাশের নিচে। তাদের সাহায্য করার উদ্যোগ নিয়েছে একদল তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা। একদিনের শোয়ের সব টাকা তারা পাঠাবেন কড়াইল বস্তিবাসীর সহায়তায়। আজ ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দেশব্যাপী ‘দেলুপি’ সিনেমার সব শো-এর টিকেটের প্রযোজকের অংশের অর্থ চলে যাবে কড়াইল বস্তিবাসীর কাছে। দেলুপি টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতি পূরণের চেষ্টা নয়, বরং এটি তাদের সঙ্গে ‘দেলুপি’ টিমের একাত্মতা। সারা দেশে পাঁচটি হলে ৯টি করে শো চলছে ‘দেলুপি’র। কড়াইল বস্তিবাসীর প্রতি দেলুটিবাসীর ভালোবাসা ও সালাম জানিয়ে এই দুর্যোগে সবাই হাতে হাত ধরে পার করার আহব্বানও জানিয়েছেন তারা।‘দেলুপি’ দিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিষেক হলো তরুণ নির্মাতা মোহাম্মদ তাওকীর ইসলামের। এর আগে দুটি ওয়েব সিরিজ ‘শাটিকাপ’ ও ‘সিনপাট’ নির্মাণ করে দর্শক ও প্রযোজকের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। নিজের প্রথম সিনেমাটিও প্রযোজনা করেছেন নিজেরা, ফুটপ্রিন্ট ফিল্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে। শিগগিরই নতুন সিনেমার ঘোষণা দেবে দলটি।

সংগীতশিল্পী ইমরান বাবা হলেন

সংগীতশিল্পী ইমরান বাবা হলেন বাবা হলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। গত সোমবার ১ ডিসেম্বর বিকেলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন ইমরানের স্ত্রী মেহের আয়াত জেরিন। এটি এই দম্পতির প্রথম সন্তান। আনন্দের খবরটি জানিয়ে সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল বলেন, “প্রথমবারের মতো বাবা হলাম। আল্লাহ আমাকে একটি সুন্দর সুস্থ কন্যাসন্তান উপহার দিয়েছেন। আমাদের ছোট্ট মেয়ের আগমন আমাদের জীবনকে আরো রঙিন করে দেবে ইন শা আল্লাহ। ২০২৩ সালের ২৪ মে পারিবারিক আয়োজনে মেহের আয়াত জেরিনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ইমরান। স্ত্রী-সন্তানের জন্য দোয়া চেয়ে ইমরান মাহমুদুল বলেন, “সবাই দোয়া করবেন আমার স্ত্রী ও মেয়ের জন্য, আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ রাখেন আমিন। প্রিয় শিল্পীর বাবা হওয়ার খবরে আনন্দিত তার ভক্ত ও সহকর্মীরা। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার যেমন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, তেমনি অভিবাদনও জানিয়েছেন। সংগীতশিল্পী কর্ণিায়া লেখেন, “অভিনন্দন নতুন বাবা।” কণ্ঠশিল্পী পুতুল লেখেন, “অভিনন্দন কন্যার বাবা-মাকে। ছোট্ট রাজকন্যাকে অনেক আদর।” এমন অসংখ্য মন্তব্য কমেন্ট বক্সে ভেসে বেড়াচ্ছে। ২০০৮ সালে চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করেন ইমরান মাহমুদুল। তারপর একক গান ও সংগীত পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এক যুগের সংগীত ক্যারিয়ারে অনেক শ্রোতাপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি। প্রাপ্তির ঝুলিতে জমা পড়েছে বেশ কিছু পুরস্কার।

পরীমণি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন

পরীমণি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি এখন একজন ব্যবসায়ী। নারী ও শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত তার ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘বডি’ ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে সবখানে। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব পরীমণি। বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী পোশাক শাড়িকে ঘিরে নতুন উদ্যোগে নিলেন এই চিত্রনায়িকা। যার ঘোষণা দিলেন ফেসবুকে। ছুড়ে দিলেন ৩০ দিনের এক চ্যালেঞ্জ। ফেসবুকে পরী ঘোষণা দেন, ‘আজ থেকে আগামী ৩০ দিন শাড়ি পরার চ্যালেঞ্জ। আসো মনুরা।’ সেই সঙ্গে বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে মজা করে তিনি আরও লিখেছেন, ‘যে ফেল করবা, সে সিলেট ঘুরতে নিয়ে যাবা। নায়িকার এই ঘোষণার পরপরই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয় ব্যাপক উচ্ছ্বাস। অনেকেই মন্তব্যে চ্যালেঞ্জ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রীকে। শাড়ির প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতেই কি এই চ্যালেঞ্জ? নেটিজেনদের মতে, পরীমণির এই উদ্যোগ শাড়ি সংস্কৃতিকে আরও এগিয়ে দেবে। আমাদের সময়/ এসএ

যেটা বিতর্ক সৃষ্টি করবে এমন কোনো কথা বলতে চাই না 

যেটা বিতর্ক সৃষ্টি করবে এমন কোনো কথা বলতে চাই না   ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরেই শুরু হতে যাচ্ছে তার নতুন রোমান্টিক-অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার ছবিটির শুটিং, যেখানে তার নায়ক হিসেবে দেখা যাবে আদর আজাদকে। এমন আবহের মাঝেই সম্প্রতি নিজের নতুন ছবি, পেশাগত জীবন ও সোশ্যাল মিডিয়ার নানা আলোচনা নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নায়িকা। এ সময় ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আসা এক প্রশ্নের জবাবে অপু বিশ্বাস স্পষ্ট করেন, পেশাগত জায়গায় ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে রাজি নন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বারবার একই বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়া প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস জানান, তিনি এমন কোনো কথা বলতে চান না যা তাকে বারবার বিতর্কের মুখে ফেলবে। নায়িকার কথায়, ‘এমন কোনো কথা আমি আপনাদেরকে বলে বিতর্ক সৃষ্টি করব না, যেটা দিয়ে বারবার আমাকেই আপনারা তীর ছুড়ে দেবেন। সো আমার কাছে মনে হয় যে, এমন কোনো প্রশ্ন, এমন কোনো টপিক আমি মিডিয়াতে বলবো না, যেটা আমাকেই বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করবে। নিজের সুন্দর চেহারার রহস্য কী- এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি, মানুষ নাকি ভালোবাসা পেলে সুন্দর হয়। তো আমি মনে হয় আমার ভক্ত, দর্শক, ভালোবাসার মানুষের ভালোবাসা পেয়েই সুন্দর হয়েছি। অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক অপু বিশ্বাসের ছেলে জয় ও শাকিব খানের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করেন। প্রশ্নের উত্তরে মৃদু হেসে অপু বিশ্বাস পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আচ্ছা, বাবা-ছেলের সম্পর্ক একচুয়ালি কেমন, এটা প্রশ্নের মধ্যে পড়ে?’ এরপরই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অপু বিশ্বাস। তিনি জানান, শাকিব খান তাকে ব্যক্তিগত জীবনের কথা পেশাগত জায়গায় না আনার পরামর্শ দিয়েছেন। নায়িকা বলেন, ‘আমাকে লিটারেলি আপনি যে মানুষটির নাম বললেন (শাকিব খান), উনি একজন স্বনামধন্য অভিনেতা।  উনি যখন আপনাদেরকে ফেস করে, তখন উনি ওনার কাজের জায়গাটাই আপনাদের কাছে ফেস করে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমি নিজেও আসলে আমাকে উনিই বলেছেন, যে তুমি যখন ক্যামেরার জায়গায় যাবা, তখন তুমি কিন্তু শুধু একজন অপু বিশ্বাস। সো তুমি তোমার প্রফেশনটাকে প্রেজেন্ট করো, ব্যক্তি জায়গা না।

পুরোনো জুটির নতুন রসায়ন

পুরোনো জুটির নতুন রসায়ন জিয়াউল হক পলাশ ও পারসা ইভানার রসায়ন সম্পর্কে নাটকের দর্শকরা ভালোই জানেন। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর এ জুটি ইতোমধ্যে ‘গুডবাজ’, ‘ব্যাডবাজ’, ‘বিদেশ’, ‘কিডনি’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছে। এবার তাদের দেখা যাবে একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে। পানীয় জাতীয় পণ্যের বিজ্ঞাপনে হাজির হচ্ছে এ জুটি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ৯ নম্বর ফ্লোরে সেট ফেলে এর দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। আম্রপালির ইতিহাসনির্ভর গল্পকে ভিত্তি করে বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন রাকেশ বসু। প্রেম, রাজনীতি ও রাজসভাকেন্দ্রিক সেই সময়কে আধুনিক বিজ্ঞাপনে রূপ দিয়েছেন তিনি। কনসেপ্টও তাঁর। নতুন বিজ্ঞাপনের কাজ নিয়ে পলাশ বলেন, ‘থিম বেজড বিজ্ঞাপনটির শুটিং হয়েছে বড় আয়োজনে। কনসেপ্টও দারুণ। যত্ন করে বিজ্ঞাপনটি বানিয়েছেন নির্মাতা। সব মিলিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো। পারসা ইভানা বলেন, ‘এই বিজ্ঞাপন আমার কাছে অন্য রকম অভিজ্ঞতা। চরিত্র, সাজসজ্জা সবকিছুই নতুন। রাজকীয় আমেজে শুটিং করেছি। আশা করছি, বিজ্ঞাপনটি দর্শকের পছন্দ হবে। রাকেশ বসু বলেন, ‘জিয়াউল হক পলাশ ও পারসা ইভানার সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ। বড় রাজকীয় সেটে কাজ হলেও তারা বেশ মনোযোগী ছিলেন এবং দুজনকে সেই পিরিয়ডিক্যাল টোনে বেশ মানিয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহেই বিজ্ঞাপনচিত্রটি বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারে আসবে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন। পলাশ ও ইভানাকে সর্বশেষ দেখা গেছে নিটোল প্রেমের গল্পে নির্মিত ‘শেষমেশ’ নাটকে। এটি পরিচালনা করেছেন কাজল আরেফিন অমি। এতে পারসার বিপরীতে ছিলেন জিয়াউল হক পলাশ। অভিনয় ও মডেলিং নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটালেও পরিচালনায়ও সমান আগ্রহী পলাশ। সম্প্রতি তাঁর নির্মাণে একটি ফ্রুট ড্রিঙ্কসের বিজ্ঞাপন আলোচনায় আসে। তাঁর সর্বশেষ নির্মাণ ছিল ‘সন্ধ্যা সাতটা’। এরপর থেকে নতুন ফিকশন নির্মাণে তিনি সময় নিচ্ছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিনয় ও নাচের প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরেছেন পারসা ইভানা। তিন মাস দ্য ফ্রিম্যান স্টুডিওতে অভিনয় প্রশিক্ষণ এবং ‘স্টেপস অন ব্রডওয়ে’তে নাচের ওপর ১৫টি ওয়ার্কশপে অংশ নেন। এরই মধ্যে স্টেজ শো করেছেন। নতুন কাজ নিয়েও তাঁর পরিকল্পনা চলছে।

সন্তানের তর্ক হওয়া দরকার বাবা-মায়ের সঙ্গে কাজল

সন্তানের তর্ক হওয়া দরকার বাবা-মায়ের সঙ্গে কাজল বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ৩৩ বছর ধরে কাজ করছেন তিনি। ক্যারিয়ারে অনেক ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেও পরিবার ও সন্তানদের প্রতিও মনোযোগী কাজল। কয়েক দিন আগে মারাঠি ভাষার ‘উত্তর’ সিনেমার ট্রেইলার লঞ্চিং অনুষ্ঠানে মা তনুজাকে নিয়ে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এই অভিনেত্রী। ডিজিটাল যুগে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্কের গল্প এই সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে। বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের তর্ক করা কেন জরুরি তা-ও এই অনুষ্ঠানে ব্যাখ্যা করেন কাজল। সন্তানদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কেমন, তা জানতে চাইলে কাজল বলেন, “ভাগ্য ভালো আমার মেয়ে এখানে নেই; থাকলে সে এই প্রশ্নের উত্তরেও আমার সঙ্গে তর্ক করত। এটা ষোলআনা সত্যি। বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের তর্ক হওয়া দরকার। যদি আমরা ঝগড়া করি, তার মানে আমরা এমন একটি মন গড়েছি, যা আমাদের সঙ্গে তর্ক করতে পারে এবং নিজের মতামত রাখতে পারে। তাই আমরা আমাদের সন্তানদের নিজেদের মতো করে ভাবতে শিখিয়েছি। তারা যখন আমার সঙ্গে তর্ক করে, আমি তখন তার প্রশংসা করি। প্রবীণ অভিনেত্রী তনুজাও এই আলোচনায় যোগ দেন। বরেণ্য এই অভিনেত্রী বলেন, “কাজল ছোটবেলায় আমার সঙ্গে অনেক তর্ক করত। এ কথা শুনেই হাসতে হাসতে কাজল বলেন, “মা, আমি তো কখনো তোমার সঙ্গে তর্ক করিনি।” পাল্টা জবাবে তনুজা বলেন, “তুমি সব সময়ই তর্ক করেছ। ১৯৯২ সালে বলিউডে অভিষেক ঘটে অভিনেত্রী কাজলের। তখন তার বয়স মাত্র সতেরো। ১৯৯৯ সালে কাজল যখন অভিনয় ক্যারিয়ারের শীর্ষে, তখন অজয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কাজলের বিয়ের সিদ্ধান্তে অনেকে তখন অবাক হয়েছিলেন। এমনকি অজয়-কাজলের বিয়ে হোক এটিও নাকি তখন কেউ কেউ চাননি। ২০০৩ সালের ২০ এপ্রিল এই দম্পতির ঘর আলো করে আসে কন্যা নিসা। ২০১০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় পুত্র যুগের। গুন্ডারাজ (১৯৯৫), ইশক (১৯৯৫), পেয়ার তো হোনা হি থা (১৯৯৮), দিল কিয়া কারে (১৯৯৯), রাজু চাচা (২০০০), ইউ মি অর হাম (২০০৮), তুনপুর কা সুপারহিরো (২০১০) ইত্যাদি সিনেমায় জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করেছেন অজয়-কাজল। তথ্যসূত্র: টাইমস নাউ

আসছেন ইমরান ফারিণের মন গলাতে !

আসছেন ইমরান ফারিণের মন গলাতে ! যেন পাকাপাকিভাবেই গানের জগতে পা রাখছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। বেশ কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছে তার নতুন গানের খবর। সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুলের সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে গাওয়া তার দ্বিতীয় গান ‘মন গলবে না’ মুক্তি পাচ্ছে চলতি মাসেই; অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক দিনের। শুধু গায়িকা হিসেবেই নয়, নতুন এই গানটির মাধ্যমে প্রযোজক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করছেন ফারিণ। গানটি ফারিণের নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফড়িং ফিল্মস’ থেকে নির্মিত হয়েছে। গানের ভিডিও নির্দেশনা দিয়েছেন নাহিয়ান আহমেদ। ভিডিওতে মডেল হিসেবে ফারিণ ও ইমরান দুজনেই অভিনয় করেছেন। গানটির গীতিকারও কবির বকুল। সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন ইমরান মাহমুদুল। এদিকে, বেশ কিছুদিন ধরেই কিছু কৌশল অবলম্বন করে একাধিক পোস্ট দিয়েছিলেন ফারিণ। তাতে প্রায়ই উল্লেখ করেছিলেন, ‘তোমার জন্য আমার এ মন গলবে না।’ সে থেকে ভক্তদের আগ্রহও বাড়তে থাকে। অবশেষে জানা যায়, এটি তার ‘মন গলবে না’ গানের প্রচার। অভিনয়ের পাশাপাশি ফারিণের গান করার খবরটি নতুন নয়। গত বছর ‘ইত্যাদি’তে তাহসানের সঙ্গে তার গাওয়া ‘রঙে রঙে রঙিন হব’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ায় ভক্তদের মধ্যে নতুন গানের আগ্রহ বাড়ে। জানা গেছে আগামী ৪ ডিসেম্বর ফারিণ ও ইমরান মাহমুদুলের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে গানটি একযোগে মুক্তি পাবে।