শাকিব খান সত্যিই কি সাড়ে ৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিলেন

শাকিব খান সত্যিই কি সাড়ে ৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিলেন   বাংলাদেশের সুপারস্টার শাকিব খানকে আবারও নতুন বিজ্ঞাপনে দেখা যাবে। এই খবর ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তবে নতুন একটি গুঞ্জন আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারী দাবি করছেন, শাকিব খান এই শীতকালীন ত্বক সুরক্ষা পণ্যের নতুন বিজ্ঞাপনের জন্য সাড়ে ৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন। তবে এই গুঞ্জনের কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞাপনটির নির্মাতা দেশের পরিচিত নির্মাতা আদনান আল রাজীবও এ নিয়ে মুখ খুলেননি। জানা গেছে, বিজ্ঞাপনটির শুটিং ইতোমধ্যে রাজধানীতে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই এটি টেলিভিশন ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রচার শুরু হবে। শাকিব খান সম্প্রতি ‘রিমার্ক হারল্যান’ কোম্পানি ছেড়ে দিয়েছেন, এই গুঞ্জনও কিছু সময় ধরে শোনা যাচ্ছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গেছে, শাকিব খান আগামীতে নিয়মিত বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে টিভিসি, ফটোশুট ও প্রচারণায় দেখা দেবেন। বর্তমানে শাকিব খান নতুন সিনেমা ‘সোলজার’র শুটিং শুরু করেছেন। সিনেমার পরিচালক সাকিব ফাহাদ এক ভিডিও বার্তায় শুটিং শুরু হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন। নানা সূত্রে জানা গেছে, সিনেমায় শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে থাকবেন তানজিন তিশা। এছাড়া এতে আছেন তারিক আনাম খান, তৌকীর আহমেদ, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীসহ অনেকে। সোশাল মিডিয়ায় গুঞ্জন এবং বিজ্ঞাপনের ভক্তদের উত্তেজনা মিলে শাকিব খানের নতুন কাজ নিয়ে আগ্রহ ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে।

৫০ বছরের ট্রেন্ড ভাঙতে চলেছে সুপারম্যানের

৫০ বছরের ট্রেন্ড ভাঙতে চলেছে সুপারম্যানের   ডিসি স্টুডিওসের নতুন সিনেমা ‘সুপারম্যান টু (ম্যান অব টুমোরো)’ সুপারম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাসে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। প্রায় ৫০ বছর ধরে সুপারম্যানের একক সিনেমাগুলোতে ভিলেন হিসেবে ঘুরেফিরে এসেছে জেনারেল জড বা লেক্স লুথর-এই চক্রের বাইরে যাওয়া হয়নি। কিন্তু এবার সেই দীর্ঘদিনের ট্রেন্ড ভাঙতে চলেছে ডিসি। খবর দ্য ডাইরেক্টের। দ্য র‍্যাপ-এর উমবের্তো গনজালেজ এবং কেসি লাভিং-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘ম্যান অব টুমোরো’ সিনেমায় মূল ভিলেন হিসেবে থাকছেন ব্রেইনিয়াক। এটি হবে প্রথমবার, কোনো লাইভ-অ্যাকশন ডিসি ছবিতে ব্রেইনিয়াককে প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখানো হবে। এখনো পর্যন্ত চরিত্রটির অভিনেতা চূড়ান্ত হয়নি। সুপারম্যানের একক ছবিতে ১৯৮৩ সালের সুপারম্যান থ্রী ছাড়া সব সিনেমাতেই প্রধান ভিলেন ছিলেন জড বা লেক্স। সুপারম্যান থ্রী ছবিতে রস ওয়েবস্টার নামে এক নন-কমিকস ভিলেন ব্যবহৃত হয়েছিল। এরপর আর কখনোই এই দুই চরিত্রের বাইরে যাওয়া হয়নি। জড চরিত্রটিকে প্রথম জনপ্রিয় করেন টেরেন্স স্ট্যাম্প, পরে ডিসিইউতে মাইকেল শ্যানন তার আধুনিক রূপ দেন। অন্যদিকে, লেক্স লুথরের ভূমিকায় ছিলেন জিন হ্যাকম্যান ও কেভিন স্পেসি। নতুন ডিসি ইউনিভার্সে এই চরিত্রে অভিনয় করছেন নিকোলাস হোল্ট, যিনি ২০২৫ সালের সুপারম্যান–এ তার প্রথম উপস্থিতি দিয়েছিলেন এবং পরে পিসমেকার এর দ্বিতীয় মৌসুমেও দেখা যাবে তাকে। ২০২৫ সালের সুপারম্যান এর সিক্যুয়েল ‘ম্যান অব টুমোরো’তে আবারও ফিরছেন ডেভিড কোরেনসোয়েট (সুপারম্যান), নিকোলাস হোল্ট (লেক্স লুথর), র‍্যাচেল ব্রসনাহান এবং ফ্র্যাঙ্ক গ্রিলো। গল্পে দেখা যাবে- পৃথিবীকে রক্ষা করতে চরম শত্রুতা ভুলে সুপারম্যান ও লেক্স লুথরকে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে ব্রেইনিয়াকের বিরুদ্ধে। ছবিটি মুক্তি পাবে ২০২৭ সালের ৯ জুলাই। ডিসি কমিকসে ব্রেইনিয়াককে ধরা হয় প্রায় জাস্টিস লিগ–স্তরের হুমকি হিসেবে। এই টেকনো-অর্গানিক ভিলেন পুরো সভ্যতাকে সঙ্কুচিত করে সংগ্রহ করে রাখার জন্য কুখ্যাত। ফলে সিনেমায় তিনিই হতে চলেছেন কোরেনসোয়েটের সুপারম্যানের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রতিপক্ষ। জ্ঞান সংগ্রহের প্রতি তার অসীম লোভের কারণে, ব্রেইনিয়াক পৃথিবীর মেটাহিউম্যানসহ নানা তথ্য দখল করতে চাইবে- এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। তার ভয়াবহতার কারণেই, মেটাহিউম্যানদের ঘৃণা করা লেক্স লুথরও বাধ্য হবে সুপারম্যানের সঙ্গে হাত মেলাতে।

মিথিলাকে ভোট দেওয়ার শেষ দিন আজ

মিথিলাকে ভোট দেওয়ার শেষ দিন আজ থাইল্যান্ডে ৭৪তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন তানজিয়া জামান মিথিলা। এ প্রতিযোগিতার মূল পর্ব যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে অনলাইন ভোটিং। কারণ, এই ভোটের ওপরই নির্ভর করছে কোন দেশ কত শক্তিশালী অবস্থানে শুরু করবে প্রতিযোগিতা। পিপলস চয়েসে আজকেই শেষ হচ্ছে ভোট। বাংলাদেশের মানুষ চাইলেই তাকে পিপলস চয়েসে বিজয়ী করতে পারেন। মিথিলা বলেন, ‘পিপলস চয়েসে বাংলাদেশের হয়ে এক নম্বরে ছিলাম, এখন দুই নম্বরে বাংলাদেশ। বুধবার (আজ) শেষ দিন। আশা করি, আবার বাংলাদেশ এক নম্বরে যাবে। মানুষের ভালোবাসা থাকলে কিছুই সম্ভব। মিস ইউনিভার্স অ্যাপে গিয়ে বাংলাদেশ সিলেক্ট করে ‘গেট ভোট’ নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘পিপলস চয়েস’ সেকশনে তানজিয়া জামান মিথিলা নির্বাচন করে প্রতিটি বিজ্ঞাপন দেখার মাধ্যমে আরও ভোট দেওয়া সম্ভব। পিপলস চয়েসে ১ নম্বরে থাকলে সরাসরি সেরা ৩০-এ পৌঁছে যাবেন মিথিলা। এর আগে সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিথিলা বলেন, ‘২০২০ সালে আমি ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ হয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেতে পারিনি, কভিডের কারণে। সেটা ছিল এক অপূর্ণতা। এবার সেই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পেয়েছি। আমি চাই, পৃথিবী জানুক– বাংলাদেশ থেমে নেই। আমরা এগোচ্ছি, সাহস নিয়ে, মর্যাদা নিয়ে। বিশ্বের সুন্দরীদের মঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা পত পত করে উড়ুক। তাই আমার দিক থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি আছে। আছে জয়ের আত্মবিশ্বাসও। পাশাপাশি দেশবাসীর দোয়া ও আশীর্বাদ তো আছেই। ২১ নভেম্বর ঘোষণা হবে চূড়ান্ত ফলাফল। মিথিলা জানালেন, ‘এটা একটা প্রতিযোগিতা। আমি শতভাগ আশা নিয়ে এখানে এসেছি। মুকুট জয়ের সব যোগ্যতা বাংলাদেশের রয়েছে। আমার লক্ষ্য একটাই–বাংলাদেশের নামটা বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল করা। তবে ফলাফল যা–ই হোক, আমি খুবই খুশি। কারণ, দেশের মানুষ আমাকে ভালোবাসছে এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। এই পাওয়া নিয়েই আগামী পথচলা শুরু করব। তানজিয়া জামান মিথিলা শুরুতে ছিলেন র‍্যাম্প মডেল। ২০১৯ সালে ভারতীয় পরিচালক হায়দার খানের ‘রোহিঙ্গা’ সিনেমা দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক। একই বছরে ‘ফেস অব বাংলাদেশ’ এবং ‘ফেস অব এশিয়া’-এ মুকুট জেতেন। পরে ২০২০ সালে নির্বাচিত হন ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’।

পঞ্চাশের সুস্মিতা কেন বিয়ে করেননি?

পঞ্চাশের সুস্মিতা কেন বিয়ে করেননি? সাবেক মিস ইউনিভার্স ও বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। ভক্ত-অনুরাগীদের মুঠো মুঠো ভালোবাসা কুড়িয়েছেন। মেঘে মেঘে বেলা অনেক গড়িয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) তার জন্মদিন। ৪৯ পেরিয়ে ৫০ বছর পূর্ণ করলেন এই অভিনেত্রী। জীবনের এ পর্যায়েও সুস্মিতা সেন এখনো অবিবাহিত। যদিও তার প্রেমজীবন নিয়ে নানা সময়ে নানা খবর রটেছে। কিন্তু কেন বিয়ে করেননি এই অভিনেত্রী? কয়েক বছর আগে একাধিক সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে কথা বলেছিলেন সুস্মিতা। ২০২৩ সালে হেলথ শটস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুস্মিতা সেন বলেছিলেন, “আমার জীবনের সবচেয়ে বড় চাহিদা—আমার স্বাধীনতা। আমি স্বাধীনচেতা মানুষ। আমি যা করি, তা মন থেকে করি—কারো প্রত্যাশা থেকে করি না।” বিয়ে না করার কারণ ব্যাখ্যা করে সুস্মিতা সেন বলেছিলেন, “আমি সিঙ্গেল কারণ এখনো এমন কাউকে পাইনি; যার সঙ্গে আমি আমার জীবন কাটাতে চাই। আমি ভালোবাসার অভাববোধ করি না; যা দারুণ বিষয়! ভারতীয়রা এটা বিশ্বাস করেন যে, এটি বিয়ের সঙ্গে যুক্ত। আমার জীবনে সেসব আগে থেকেই আছে। আমার দুটি সুন্দর সন্তান আছে। আমি ওদের একাই বড় করেছি। আমি আমার জীবনে কোনো কিছুর অভাববোধ করি না।” “আমি নিজের মতো বাঁচার সিদ্ধান্ত নিইনি—এটা নিজে থেকেই ঘটেছে। আমি ধীরে ধীরে আশেপাশের মানুষের বিভিন্ন মতামত নিয়েছি। এরপর নিজেকে প্রশ্ন করেছি, ‘আমি আসলে কী চাই?’ আমি সবার কথা শুনি। কিন্তু যা করার তা নিজের ইচ্ছেমতো করি। এজন্য আমি নিজের মতো জীবনযাপন করতে পেরেছি।” বলেন সুস্মিতা সেন। ২০২২ সালে অভিনেত্রী-লেখিকা টুইঙ্কেল খান্নাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিয়ে নিয়ে কথা বলেছিলেন সুস্মিতা সেন। এ আলাপচারিতায় তিনি বলেছিলেন, “সৌভাগ্যক্রমে আমি অনেক মজার মানুষদের সঙ্গে মিশেছি। কিন্তু আমি বিয়ে করিনি কারণ তারা সকলেই হতাশ থাকত। বাচ্চাদের নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। এতে বাচ্চাদের কিছু নেই। তারা খুবই ভদ্র। আমার জীবনে যারা এসেছে দু’টি বাচ্চাই তাদের আপন করে নিয়েছে। তারা সবাইকে সমানভাবে সম্মান করেন। এটি দেখলে ভালো লাগে।” তিনবার বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানান এই অভিনেত্রী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। সুস্মিতার ভাষায়, “আমি তিনবার বিয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা আমাকে বাঁচিয়েছেন। পরে তাদের জীবনে কী ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে তা বলে বোঝাতে পারবো না। সৃষ্টিকর্তা আমাকে রক্ষা করেছেন। আমার বাচ্চাদেরকেও। তিনি আমাকে এসব বাজে সম্পর্কে জড়াতে দেননি।”

সুর ঠিক না রাখতে পারলে শিল্পী হওয়াই উচিত না রুনা লায়লা

সুর ঠিক না রাখতে পারলে শিল্পী হওয়াই উচিত না রুনা লায়লা উপমহাদেশের প্রখ্যাত ও কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী গান, যার মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছেন সংগীতজগতের জীবন্ত কিংবদন্তি। বর্তমান সময়ের সংগীত তৈরির প্রক্রিয়া নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন এই গুণী শিল্পী। বিশেষ করে ‘অটো টিউন’ প্রযুক্তির ব্যবহার শিল্পীদের মৌলিকত্ব ও পরিশ্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মনে করেন তিনি। রুনা লায়লা বলেন, ‘অটো টিউন দিয়ে এখন যে কেউ গান গাইতে পারে। সো, এটা বললেই আপনি বুঝতে পারবেন যে এটা আমার পছন্দ, না অপছন্দ। তিনি বলেন, ‘আমি যদি নিজের সুর ঠিক না রাখতে পারি, তাহলে তো আমার শিল্পী হওয়াই উচিত না। কারণ অটোটিউনে যদি সবকিছু করে দেয়, আমার সুরও ঠিক করে দিচ্ছে। আমার কোথায় কী সমস্যা আছে ঠিক করে দিচ্ছে, আমি একটা মুখ গাইলাম তারপর আর মুখ গাইলাম না, ওটাই লাগিয়ে দিল আগে-পিছে করে। কিংবদন্তি এই শিল্পী মনে করেন, প্রযুক্তির এই অতিরিক্ত ব্যবহার গানের আসল আবেগ ও স্বতঃস্ফূর্ততা (স্পন্টানিটি) নষ্ট করে দিচ্ছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘তাহলে তো জিনিসটা ওই স্পন্টানিটিটাও থাকে না, ওই ইমোশনও থাকে না। তার কথায়, ‘আমরা আগে যেরকম করতাম ফুল মিউজিশিয়ানদের নিয়ে একদম আমরা গান করতাম। সেই বিকেল ছটায় শুরু হলে পরের দিন সকাল ছটায় গিয়ে শেষ হতো। সব মিউজিশিয়ান সবার সাথে, একটা কেউ ভুল করলো তো আবার প্রথম থেকে। তিনি আরও বলেন, ‘দেখা গেল অনেক সময় ১০১ টেক চলছে নাম্বার ১০১। তো যে খাটনিটা আমরা খেটেছি, এইটা তো এখন নেই। এখন স্টুডিওতে গেলাম, আমিও তো এখন গান করতে গেলে বলি, ‘আচ্ছা কী ট্র্যাক কী? আচ্ছা ঠিক আছে, ওকে চলো’।

মোদিকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন ঐশ্বরিয়া

মোদিকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন ঐশ্বরিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। বুধবার (১৯ নভেম্বর) অন্ধ্র প্রদেশের পুট্টাপার্থিতে শ্রী সত্য সাই বাবার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের মঞ্চে নরেন্দ্র মোদিক প্রণাম করেন এই প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই এ খবর প্রকাশ করেছে। এ মুহূর্তের একাধিক ক্লিপে এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। তাতে দেখা যায়, মঞ্চে বসে আছেন নরেন্দ্র মোদি, প্রাক্তন ক্রিকেটার সচীন টেন্ডুলকার, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাম মোহন নাইডুসহ অনেকে। এ মঞ্চে বক্তব্য রাখেন অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া। ৫২ বছর বয়সি ঐশ্বরিয়া অনুষ্ঠানে জাত ও ধর্ম নিয়ে ভাষণ দেন। তিনি বলেন, “একটাই জাত, মানবতা। একটাই ধর্ম, ভালোবাসার ধর্ম। একটাই ভাষা, হৃদয়ের ভাষা; আর ঈশ্বরও একজন, তিনি সর্বব্যাপী।” তার এই বক্তব্য শুনে উপস্থিত সকলে হাততালি দিয়ে সমর্থন জানান। ঐশ্বরিয়ার তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পা স্পর্শ করে প্রণাম করেন এবং তার আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী তার মাথায় হাত রেখে উষ্ণ অভিবাদন জানান। তারপর নির্ধারিত চেয়ারে গিয়ে বসেন এই অভিনেত্রী। অনুষ্ঠানে ঐশ্বরিয়া হলুদ রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেছিলেন। ভিডিও ক্লিপটি দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে নেটিজেনরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন।   ব্যক্তিগত জীবনে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন ঐশ্বরিয়া। এ দম্পতির একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। স্বামী-সন্তান নিয়েই অধিক ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত কয়েক বছর ধরে অভিনয়ে দেখা যাচ্ছে না তাকে। ঐশ্বরিয়া অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘পোনিয়িন সেলভান: টু’। ২০২৩ সালের ২৮ এপ্রিল মুক্তি পায় মনি রত্নম পরিচালিত আলোচিত এই সিনেমা। দশম শতাব্দীতে চোল সাম্রাজ্যের এক উত্তাল সময়ের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয় তামিল ভাষার এই সিনেমা। সিনেমাটিতে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। বক্স অফিসেও দারুণ সাড়া ফেলেছিল এটি।

আবারো শাকিব রাজীব জুটি

আবারো শাকিব রাজীব জুটি টানা তৃতীয়বারের মতো আবারও একসঙ্গে কাজ করলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ তারকা শাকিব খান এবং দেশের প্রথম সারির বিজ্ঞাপন নির্মাতা আদনান আল রাজীব। কাজের অভিজ্ঞতা ও বোঝাপড়া দুইজনেরই ভালো, ফলে তাদের জুটি বরাবরই বাণিজ্যিকভাবে সফল। ২০১৯ সালে রাজীব পরপর দুটি মুঠোফোনের বিজ্ঞাপন বানিয়েছিলেন শাকিব খানকে নিয়ে-যা প্রচারের পর ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সেই সফলতার ধারাবাহিকতায় আবারও একই ফ্রেমে ফিরলেন তারা; নতুন কাজটিও একটি বিজ্ঞাপনচিত্র। এবারের বিজ্ঞাপনটি দেশের জনপ্রিয় একটি প্রসাধনী ব্র্যান্ডের জন্য। শীতের মৌসুম শুরু হওয়ায় ব্র্যান্ডটির প্রচারণা জোরদার করতে শাকিব খানকে বেছে নেওয়া হয়েছে। শাকিব খানের টিম জানিয়েছে গত দুদিন ধরে বিজ্ঞাপনটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগিরই এটি টেলিভিশনসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রচারে আসবে। শাকিব খানকে নিয়ে প্রথম কাজের সময় রাজীব বলেছিলেন, ‘শাকিব খানের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, তিনি ইতিবাচক কিছু করতে চান। তাঁর মধ্যে দারুণ উদ্যম আছে। আমরাও চেষ্টা করি নতুন কিছু করার। গত কয়েক মাস ধরে শোনা যাচ্ছিল, বিভিন্ন কারণে শাকিব খান ‘রিমার্ক হারল্যান’ কোম্পানি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মে মাসের পর থেকে তাদের কোনো কাজেই তাকে দেখা না যাওয়ায় বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। অবশেষে সূত্র নিশ্চিত করেছে-শাকিব খান সত্যিই ওই প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দিয়েছেন। এর পরই তিনি অন্য ব্র্যান্ড ও কোম্পানির নতুন বিজ্ঞাপনে কাজ করতে শুরু করেছেন।

মিথ্যা মামলা ও হয়রানি বন্ধ হোক শিল্পীদের বিরুদ্ধে ডিপজল

মিথ্যা মামলা ও হয়রানি বন্ধ হোক শিল্পীদের বিরুদ্ধে ডিপজল অভিনয় শিল্পীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। গতকাল ১৭ নভেম্বর তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘শিল্পীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি বন্ধ হোক। শিল্পের অগ্রগতির জন্য শিল্পীদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা অপরিহার্য। গত রোববার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে করা তার অপরিচিত এক ব্যক্তির মামলার জামিন নিতে আদালতে যান এবং জামিন নেন। মেহজাবীন জানিয়েছেন, এক অজানা ব্যক্তি ২০২৫ সালের মার্চ মাসে আমার ও আমার ১৯ বছর বয়সী ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। গত ৯ মাসে আমি এই মামলার কোনো তথ্য পাইনি। কারণ, অভিযোগকারি ব্যক্তি পুলিশকে আমার সঠিক ফোন নম্বর, সঠিক ঠিকানা বা কোনো যাচাইকৃত তথ্য দিতে পারেননি। আমার সাথে ব্যবসা করছিলেন, এমন প্রমাণও দিতে পারেননি। তিনি আমাকে ২৭ লাখ টাকা দিয়েছেন তার কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। মেহজাবীনের এ বক্তব্য থেকে তার ভক্তদের প্রতীয়মান হয়েছে, তার বিরুদ্ধে যিনি মামলা করেছেন, তা তাকে হয়রানি করতেই করেছে।   এদিকে সম্প্রতি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম মিজবাহ-উর-রহমানের আদালতে ডিপজলের ভক্ত হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক নারীর স্বামী তার বিরুদ্ধে একটি ‘হত্যাচেষ্টা মামলা’ করেছেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ডিপজলের সাথে আসামি করা হয়েছে তার সহকারী মো. ফয়সালকে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ডিপজল ও ফয়সালের বিরুদ্ধে মারধর করে অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগে গত ৮ জুলাই ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী মামলা করেন। আদালত মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দেন। ডিপজলের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিত্তিহীন অভিযোগে শুধু হয়রানির জন্য একই ভক্তের পরিবার এসব মামলা করেছে। অথচ ভক্ত যেসব ঘটনার অভিযোগ করেছেন, ওই সময়ে তিনি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে ছিলেন। এখনও তিনি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। তিনি ডায়বেটিস, হৃদরোগ, চোখের সমস্যাসহ শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাকে দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন। এ কারণে চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে থাকতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় তাকে হয়রানি ও মানসিক ক্ষতি করার জন্য উক্ত ভক্ত একের পর এক মামলা করছে, যা তাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। একজন শিল্পীর বিরুদ্ধে এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটা পুরো শিল্পী সমাজের জন্য ভয় ও আতঙ্কের বলে মনে করছেন শিল্পীরা। ডিপজলের পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ‘আমরা অনুরোধ করব- শুধু ডিপজল নয়, যে কোনো শিল্পীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগে হয়রানিমূলক মামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ অ্যাখ্যা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি 

অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ অ্যাখ্যা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি  মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যারা বুলডোজার নিয়ে গেছেন তাদেরকে ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। ছাত্র-জনতাকে ‘রাজাকার’ বলায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপের মুখে পড়েছেন প্রয়াত নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী শাওন। অনেকেই এই অভিনেত্রীর কড়া সমালোচনা করে তাকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। আওয়ামী কালচারাল ফ্যাসিস্ট আখ্যা দিয়ে দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা। শাওনের পোস্টের জবাবে দিনাত জাহান মুন্নি লিখেছেন, ৩২ নম্বর তো, তাই ৩২ বার ভাঙতে হবে।  নাসির উদ্দিন খান নামে এক ব্যক্তি শাওনকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, সাহস থাকলে আজ ৩২ নম্বর আয়। ওর সাহস আওয়ামী লীগের নেতাদের সময় থাকে। মুহাম্মদ আল আমিন হোসাইন আওয়ামী দোসর শাওনকে ‘শাহবাগি’ উল্লেখ করে তার শাস্তি দাবি করেছেন। মাহদী হাসান ফরাজী নামে আরেক নেটিজেন বলেন, দেশে থেকেও এই (উল্লেখযোগ্য নয়) এত নিরাপদ থাকে কী করে? জামাল আজিজ বলেছেন, বুলডোজার বার বার ৩২ না গিয়ে শাওনের বাড়িতে যাওয়া উচিত। দিদারুল ইসলাম বলেন, শাওন, এরকম কথা বলে বাসায় থাকতে পারছে- এটাই হাসিনামুক্ত নতুন বাংলাদেশ। হাসিনার আমলে যদি আওয়ামীবিরোধী এরকম কথা বলতো, তবে এতক্ষণে থানায় অথবা গুম ঘরে থাকতে হতো। আফিয়া সিদ্দিকা বলেন, এই মেয়েটাকে এখনো কেন সরকার অ্যারেস্ট করে না? মাকসুদ আলম পাটোয়ারী বলেন, এই ফ্যাসিবাদের প্রোডাক্টটিকে কেউ ৩২ নিয়ে ছেড়ে দাও, ৩২ থেকে তার কান্নার শব্দে যেন আওয়ামী লীগের ঘুম ভাঙে! শরীফুল ইসলাম বলেন, শাওনের বাড়িও গুঁড়িয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। রুবেল কানিস নামে একজন লিখেছেন, শাওন ভারতের একজন গুপ্তচর হিসেবে বাংলাদেশ অবস্থান করছে, তাকে আইনের আওতায় আনা হোক। তার জমি, ব্যাংক ব্যালেন্স জব্দ করা হোক, তার বাড়ি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হোক বুলডোজার দিয়ে। শাওনকে উদ্দেশ করে মোহাম্মদ ইউনুস লিখেছেন, ‘লেজ কাটা শিয়ালের হুক্কা হুয়া ডাক’।ফজলে রাব্বি অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় এজেন্ট’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন।

তার মতো মানুষকে বন্ধু হিসেবে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার

তার মতো মানুষকে বন্ধু হিসেবে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার দেশের সীমানা পেরিয়ে ওপার বাংলাতেও সমান জনপ্রিয় জয়া আহসান। আবীর চট্টোপাধ্যায় সঙ্গে তার বন্ধুত্ব বহু পুরোনো এবং ইন্ডাস্ট্রিতে এই জুটির পর্দার রসায়নও দারুণ জনপ্রিয়। সম্প্রতি জয়া আহসানের কথায় আবীর চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি তার মুগ্ধতা যেন এক অন্য মাত্রা পেল। জয়া জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে বহু মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হলেও আবীর চট্টোপাধ্যায় তাদের মধ্যে অন্যতম ব্যতিক্রমী। তিনি একজন অত্যন্ত নির্ঝঞ্ঝাট মানুষ। জয়ার কথায়, ‘ওর সঙ্গে আমার সবচেয়ে বেশি কাজ। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, ইন্ডাস্ট্রিতে আমার সবচেয়ে কমফোর্ট জোন আবীর। আমি কখনও দেখিনি ও কোনও আড্ডায় বা কখনও কোথাও কাউকে নিয়ে সমালোচনা করছে। কেউ কষ্ট পেতে পারে এরকম কথা আমি আবীরকে কখনও বলতে শুনিনি। তাই ওর জায়গা আমার জীবনে অনেকটা উপরে। একটু বেশিই সমালোচনাহীন মানুষ। যদিও মাঝেমধ্যেই একটু টক-ঝাল গল্প হলে সকলেরই খুব ভালোলাগে। তবে ওর মধ্যেও নিশ্চয়ই সেটা আছে, নয় সেটা কেউ খুঁজে পায় না। অথবা আমরা দেখতে পাই না। অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘পুতুল নাচের ইতিকথার জন্য আমরা কিছু দিন আগে যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে গিয়েছিলাম। ওরে বাবা! আবীর ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে সে যা হলো। আমাদের দিকে আর কে তাকাবে, আমাদের কথা কারও তখন কান দিয়ে মাথা পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে না। সকলে শুধু ওর দিকেই তাকিয়ে রয়েছে। মুগ্ধ নয়নে সকলে আবীরকে দেখছে। আমিও দেখছিলাম যে আহা কী অপূর্ব এই দৃশ্য। ওর জন্য অনুরাগীরা কতটা পাগল। এই ভক্তদের সামলে রাখা এবং সবটা এমন যত্নে রাখাও খুব কঠিন কাজ। আবীর খুব সুন্দর মেনটেন করে। তিনি আরও বলেন, ‘আসলে আবীরের থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। সংসার এবং কর্মজীবন পাশাপাশি চালিয়ে যাওয়া খুব সহজ কাজ নয়। আবীর খুব সুন্দর ভাবে পরিবারকে প্রাধান্য দিয়ে সংসার জীবনটা মেনটেন করে। শুধু তাই নয়, কাজের জায়গাটাও ব্যালান্স করে। আসলে তার মতো একজন মানুষকে বন্ধু হিসেবে পাওয়া খুব ভাগ্যের ব্যাপার।’জয়ার কথায়, ‘ওর অনুভূতি খুব মন থেকেই আসে সেটা যার জন্যই হোক। এবং এই বিষয়টা কিন্তু ফেক নয়। আমি চাইব ও যেন সারাজীবন এমনই থাকে। আমরা যা করতে পারিনি বা পারি না সেটাই ও অতি যত্নে করে দেখায়। কত অবলীলায় আমরা বলে ফেলি কর্মজীবন ও পরিবার একসঙ্গে সামলানো কঠিন, ও সেটা ভুল প্রমাণ করে দেখিয়েছে বার বার।