ন্যানসি লন্ডনে ৬ মাসের ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোর্স শেষ করলেন

ন্যানসি লন্ডনে ৬ মাসের ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোর্স শেষ করলেন দেশের সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানসি। শুধু গানের জগতেই নয়, ব্যক্তিগত পছন্দের ক্ষেত্রেও বরাবরই মনোযোগী তিনি। সেই পছন্দের জায়গাগুলোর একটি হলো ইন্টেরিয়র ডিজাইন। বহুদিন ধরেই ঘর সাজানো-গোছানো এবং নান্দনিক বিন্যাসে তার বিশেষ আগ্রহ।নেত্রকোনায় নিজের তৈরি ডুপ্লেক্স বাড়িটির ইন্টেরিয়রও তিনি নিজস্ব রুচি ও পরিকল্পনায় করেছেন। যা তার ঘনিষ্ঠজনদের কাছেও প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। নিজের আগ্রহকে প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতায় রূপ দিতে গত বছর লন্ডনের সুপরিচিত ন্যাশনাল ডিজাইন একাডেমিতে ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোর্সে ভর্তি হন ‘দ্বিধা’, ‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের এই শিল্পী। ছয় মাসব্যাপী ডিপ্লোমা কোর্সে অংশ নিতে নিয়মিত লন্ডনে যাওয়া-আসা করতে হয়েছে তাকে। ব্যস্ত কনসার্ট, গান রেকর্ডিং, সংসার দেখাশোনার চাপে কোর্সটি শেষ করা ছিল সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ। শিল্পী জানান, তার কোর্সটি এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমানে ন্যানসি অবস্থান করছেন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখান থেকে গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘ইন্টেরিয়র ডিজাইন আমাকে ভীষণ টানে। এটি আমার কাছে শুধু সৃজনশীলতার জায়গা নয়, বরং মানসিক প্রশান্তিরও উৎস। গান, পরিবার আর বিভিন্ন ব্যস্ততার মাঝেও কোর্সটি শেষ করতে পেরেছি-এটা আমার জন্য অনেক আনন্দের। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি আনুষ্ঠানিক সার্টিফিকেট হাতে পাব। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে আরও পেশাদারভাবে কাজ করার পরিকল্পনাও আছে তার। যদিও সংগীতই তার প্রথম ভালোবাসা, তবুও ইন্টেরিয়র ডিজাইনে নিজের দক্ষতা ব্যবহার করে ঘরবাড়ি সাজানোর মতো সৃজনশীল কাজ করতে চান ন্যানসি। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে ন্যান্সি নতুন গান ও বিভিন্ন স্টেজ শো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদান করতে চাই না

কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদান করতে চাই না অভয়া কাণ্ডের পর থেকেই ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকারের রাজনীতিতে যোগদানের গুঞ্জন শুরু হয়। ওই সময় সোহিনী এই পুরো ঘটনাটি নিয়ে যেভাবে সক্রিয় ও সরব হয়েছিলেন, তাতে অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন হয়তো অচিরেই তাকে রাজনৈতিক মঞ্চে দেখা যাবে। এমন ভাবনার পেছনে কারণও ছিল এর আগেও টলিউডের অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীকেই একইভাবে সমাজিক ইস্যুতে সরব হওয়ার পর রাজনীতিতে যুক্ত হতে দেখা গিয়েছে। যদিও অভয়া কাণ্ডের এক বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে দেখা যায়নি এই অভিনেত্রীকে। তবে সম্প্রতি ‘রঘু ডাকাত’ ছবির প্রচারের সময় তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোহিনীর নাচের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের আলোচনা শুরু হয়। এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ অভিনেত্রীকে নিয়ে তির্যক মন্তব্যও করেছিলেন। অবশেষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন সোহিনী সরকার। ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন রাজনীতিতে তার যোগদানের ব্যাপারে। সোহিনী বলেন, ‘আমার কাছে যদি প্রস্তাব আসে, আমি তবুও কোনোভাবেই, কোনো অর্থেই, কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদান করতে চাই না। তৃণমূল হোক বা কংগ্রেস, বিজেপি হোক অথবা সিপিএম আমি কোনো রাজনৈতিক দলের অংশ হতে চাই না। আমি যদি কখনো রাজনৈতিক দলের অংশ হয়ে যাই, তাহলে আমার আর কিছু বলার থাকবে না। আমাকে তখন পুরোপুরি চুপচাপ হয়ে যেতে হবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখা গেছে, ছোট ও বড় পর্দার বহু তারকাই সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। একটা সময় শিল্পীরা রাজনৈতিক ব্যাপার থেকে নিজেদের দূরে রাখলেও, এখন সেই ছবিটা অনেকটাই উল্টে গিয়েছে। দেব থেকে শুরু করে মিঠুন চক্রবর্তীর মতো বড় তারকারাও এখন সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করছেন।
প্রভাসকে নিয়ে দুশ্চিন্তা অনুরাগীদের

প্রভাসকে নিয়ে দুশ্চিন্তা অনুরাগীদের গত সোমবার ৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জাপান। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৬। উত্তর-পূর্ব উপকূলে জারি করা হয় সুনামি সতর্কতা। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই দক্ষিণী সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উদ্বেগ। কারণ ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’র বিশেষ প্রদর্শনীতে যোগ দিতে সম্প্রতি জাপানে গেছেন অভিনেতা প্রভাস। প্রভাসের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে যোগাযোগ করা না যাওয়ায় দুশ্চিন্তা আরও বেড়ে যায়। অনেকেই জানতে চান-জাপানে ভূমিকম্পের মধ্যে তিনি ঠিক আছেন তো? অবশেষে ভক্তদের আশ্বস্ত করলেন তার নতুন ছবি ‘রাজা সাহেব’র পরিচালক মারুতি। আগামী ১২ ডিসেম্বর জাপানে মুক্তি পাচ্ছে ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’। দুটি পর্বই একসঙ্গে মুক্তি পেতে চলায় সেদেশের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। এই উপলক্ষেই বিশেষ স্ক্রিনিংয়ে যোগ দিতে সশরীরে সেখানে পৌঁছেছেন প্রভাস। এমন সময় ভূমিকম্পে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তাকে নিয়ে ভক্তদের দুশ্চিন্তা স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে। মঙ্গলবার প্রভাসের সঙ্গে কথা বলেন পরিচালক মারুতি। তিনি জানান, “ডার্লিংয়ের সঙ্গে কথা হলো। ও সম্পূর্ণ নিরাপদে আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-প্রভাস এখন টোকিওতে নেই।” এক্স-এ পোস্ট করেও ভক্তদের আশ্বস্ত করেছেন তিনি। এদিকে মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে জাপান প্রশাসন জানায়, ভয়াবহ কম্পনের পর আপাতত পরিস্থিতি স্থিতিশীল। প্রথম ধাক্কার পর বড়সড় ভূমিকম্পের আশঙ্কা থাকলেও সেটি পরে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
১৫ বছর পর ‘থ্রি ইডিয়টস’ -এর সিক্যুয়েল আসছে

১৫ বছর পর ‘থ্রি ইডিয়টস’ -এর সিক্যুয়েল আসছে বলিউডের বক্স অফিসে ঝড় তোলা সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া সে সিনেমা আজও স্মৃতিতে উজ্জ্বল দর্শকদের। দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার সুখবর এলো, খুব শিগগিরই মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবির সিক্যুয়েল। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিচালক রাজকুমার হিরানি নাকি ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আসার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছেন। এই সিক্যুয়েলে কাস্টিংয়ে কোনো পরিবর্তন আসছে না। আগের মতোই র্যাঞ্চোর ভূমিকায় আমির খান এবং তার বিপরীতে পিয়া শাস্ত্রবুদ্ধি চরিত্রে দেখা যাবে কারিনা কাপুরকে। অন্যদিকে, র্যাঞ্চোর দুই প্রিয় বন্ধু রাজু রস্তোগি ও ফারহানের চরিত্রে ফের জুটি বাঁধছেন যথাক্রমে শরমন যোশি ও আর মাধবন। বর্তমানে চিত্রনাট্যের কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রথম ছবির শেষে নিজের বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে এসে র্যাঞ্চোর (আমির) সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন পিয়া (কারিনা কাপুর)। সিক্যুয়েলের গল্প সেখান থেকেই শুরু হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দর্শক মহলে জল্পনা থাকলেও, এটি নিশ্চিত যে নতুন অ্যাডভেঞ্চারের মুখোমুখি হবে তিন বন্ধু। এর সঙ্গে রাজকুমার হিরানি স্পেশাল কৌতুকরসও থাকছে ছবিতে। আসন্ন এই সিক্যুয়েলকে আলোর মুখ দেখাতে আমির খানের সঙ্গে দাদাসাহেব ফালকের বায়োপিকের কাজও স্থগিত রেখেছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি। জানা যায়, তিনি অনেক আগেই সিক্যুয়েলের প্ল্যান করলেও সঠিক সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান। জানা গেছে, আগামী ২০২৬ সালেই পর্দায় ফিরতে চলেছেন আমির-কারিনা, শরমন-মাধবনের পুরো দল।
দেশত্যাগের আগে ওমর সানীর ভিডিও বার্তা

দেশত্যাগের আগে ওমর সানীর ভিডিও বার্তা ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী। আগের মতো অভিনয়ে নিয়মিত নন। সর্বশেষ ‘ডেডবডি’ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল তাকে। বর্তমানে তার ব্যস্ততা কাটছে নিজের ব্যবসা ঘিরে। তার পরিবারের সবাই দেশের বাইরে থাকলেও তিনি দেশে থেকেই ব্যবসা সামলাচ্ছেন। ব্যবসায়িক ব্যস্ততার মাঝেও নিজের ফেসবুক আইডিতে নানা রকম পোস্ট দিয়ে আলোচনায় আসেন এই অভিনেতা। এবার একটু বিরতি নিয়ে সৌদি আরবে গেছেন ওমর সানী। দেশত্যাগের আগে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) একটি স্ট্যাটাসে তিনি জানান, ওমরাহ পালনের উদ্দেশে গেছেন তিনি। ওমর সানী জানান, সোমবার ৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাতের ফ্লাইটে বাংলাদেশ বিমানে সৌদি আরবের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেছেন। এরপর প্রায় দেড় মিনিটের একটি ভিডিও আপলোড করে এই নায়ক। ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘নবীর দেশ, মানবদেহের অক্সিজেনের দেশ সৌদি আরব। সেখানে পুরো টিম নিয়ে ওমরাহ পালনের জন্য যাচ্ছি। আপনারা সবাই দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন আমাদের ওমরাহ কবুল করেন। ভক্ত ও দেশবাসীর উদ্দেশে ভিডিওতে ওমর সানী বলেন, ‘বাংলাদেশে যেন খুব শিগগির ফিরে আসতে পারি। আপনারা দোয়া করবেন। রেখে গেলাম বাংলাদেশকে। ফিরে পেতে চাই বাংলাদেশকে। ভালো থাকবেন সবাই।
সৌদিতে জায়েদ খান ওমরাহ পালন করতে

সৌদিতে জায়েদ খান ওমরাহ পালন করতে বহুদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সেখানে বিভিন্ন স্টেজ শো নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এরই মাঝে নতুন এক খবর দিলেন জায়েদ খান। জানালেন, প্রথমবারের মতো ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব গেছেন। গত সোমবার ৮ ডিসেম্বর ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে উড়াল দেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করে জায়েদ খান বলেন, “আপনারা সবাই জানেন, আমি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি এবং সব রোজা রাখি। অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল ওমরাহ পালন করব। অবশেষে আমার সেই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বাইরে রয়েছেন জায়েদ খান। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’-য় নিয়মিত উপস্থাপনা করছেন। তারকাদের নিয়ে তার এই অনুষ্ঠান ইতোমধ্যে বেশ আলোচিত। রাইজিংবিডি.কম
‘পপির জন্য অনেক তো অপেক্ষা করলাম, আর কত’

‘পপির জন্য অনেক তো অপেক্ষা করলাম, আর কত’ তরুণ পরিচালক আরিফুর জামান আরিফ ২০১৮ সালে ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ শিরোনামে সিনেমা নির্মাণে হাত দেন। সিনেমাটিতে জুটি হওয়ার কথা ছিল ফেরদৌস ও পপির। মাত্র দুদিনের শুটিংয়ের পরই থেমে যায় পুরো প্রজেক্ট—ফেরদৌস রাজনীতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, আর পপি চলে যান আড়ালে। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ সাত বছর। মাস দুয়েক আগে পরিচালক জানান, ফেরদৌসকে সিনেমার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এবার একইভাবে বাদ গেলেন নায়িকা পপিও। তাদের জায়গায় কারা আসছেন—এ বিষয়ে এখনো মুখ খুলছেন না এই নির্মাতা। আরিফুর জামান আরিফ বলেন, “কোনো কুল-কিনারা না পেয়েই তাদেরকে সিনেমা থেকে বাদ দিতে হচ্ছে। অনেক তো অপেক্ষা করলাম আর কত! নতুন শিল্পী কারা—প্রশ্ন উঠতেই পরিচালক বলেন, “এই মুহূর্তে বলতে চাচ্ছি না। পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। খুব শিগগির জানাতে পারব।” নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের (২০২৬) ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’-এর শুটিং। দিনটি নির্বাচন করা হয়েছে বিশেষ কারণে, এদিন বাংলা সাহিত্যের অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ৮৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। আরিফ বলেন, “এই দিনটিতেই চূড়ান্ত ঘোষণার মাধ্যমে শুটিং শুরু হবে।” প্রসঙ্গত, শরৎচন্দ্রের জীবনদর্শন অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটিতে তার চরিত্রে অভিনয় করছেন গুণী অভিনেতা গাজী রাকায়েত। বাকি চরিত্র ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা শিগগির প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে।
ফিরেই ভক্তদের ঘুম উড়ালেন কিয়ারা

ফিরেই ভক্তদের ঘুম উড়ালেন কিয়ারা ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পরবর্তী পাঁচ মাস পর্যন্ত শুটিং করেন। প্রথম সন্তানের মা হয়েছেন তা-ও কেটে গেছে আরো পাঁচ মাস। মা হওয়ার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখা দিলেন এই অভিনেত্রী। আর তার আবেদনময়ী উপস্থিতিতে ঘুম উড়েছে তার ভক্ত-অনুরাগীদের। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে কিয়ারা তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করে চিরচেনা অঙ্গনে ফেরার আভাস দেন। ক্যাপশনে লিখেন—“পরবর্তী অধ্যায় আরো আগুন হবে। কাজটা করেই ফেলি।” তারপর থেকে অপেক্ষায় ছিলেন তার ভক্তরা। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া আভাস বাস্তবে রূপ নেয়। মুম্বাইয়ের একটি শুটিং সেটে আবেদনময়ী রূপে হাজির হয়ে তাক লাগিয়ে দেন এই অভিনেত্রী। এ মুহূর্তের ভিডিও এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা যায়, মাতৃত্বের পর ওজন ঝরিয়ে একেবারে ছিপছিপে গড়নে ফিরেছেন কিয়ারা। তার পরনে কাঁধখোলা ডেনিম শার্ট আর শর্টসে কিয়ারার চেহারা যেন মাতৃত্বের লাবণ্যে পরিপূর্ণ। অভিনেত্রীর এমন লুকই এখন আলোচনার বিষয়ে রূপ নিয়েছে। ভূয়সী প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা। একজন লেখেন, “সেক্সি মাম্মি, উফফ! সে নারীত্বকে আলিঙ্গন করেছে।” আরেকজন লেখেন, “সে এখন আরো বেশি আবেদনময়ী।” অক্ষয় লেখেন, “দেখতে চমৎকার লাগছে।” নীতেশ লেখেন, “বাহ, ওকে সত্যিই বিশ্ব সুন্দরীর মতো লাগছে।” শালিনি লেখেন, “উফফফ, এত সুন্দর মাম্মি!” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে নেট দুনিয়ায়। তবে কোনো সিনেমার শুটিং দিয়ে নিজ ভুবনে ফিরেননি কিয়ারা আদভানি। গতকাল একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিং করেন এই অভিনেত্রী। কিয়ারা আদভানি ব্যক্তিগত জীবনে অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। ‘শেরশাহ’ সিনেমার শুটিং সেট থেকে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তারা। এরপর এ জুটির প্রেম-বিয়ে নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমীরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যৌথ এক বিবৃতিতে বাবা-মা হতে যাওয়ার ঘোষণা দেন। গত ১৫ জুলাই কন্যাসন্তানের জন্ম দেন কিয়ারা।
গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পেলেন যারা

গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পেলেন যারা বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে ৮৩তম গোল্ডেন গ্লোবের মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে থেকে অভিনয়শিল্পী মার্লন ওয়ারনস ও স্কাই পি মার্শাল মনোনীত সিনেমা ও অভিনয়শিল্পীদের নাম ঘোষণা করেন। এ আসরে সর্বোচ্চ মনোনয়ন পেয়েছে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর বহুল আলোচিত সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। ৯টি মনোনয়ন নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে এটি। আটটি মনোনয়ন নিয়ে তার পরের স্থানে রয়েছে ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’। ‘সিনার্স’ ও ‘হ্যামনেট’ পেয়েছে ছয়টি করে মনোনয়ন। ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অনুষ্ঠানের আসর বসবে। চলুন, তার আগে জেনে নিই উল্লেখযোগ্য বিভাগে কারা মনোনয়ন পেলেন— সেরা সিনেমা (ড্রামা): ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’, ‘হ্যামনেট’, ‘ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট’, ‘দ্য সিক্রেট এজেন্ট’, ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’ ও ‘সিনার্স’। সেরা সিনেমা (মিউজিক্যাল/কমেডি): ‘ব্লু মুন’, ‘বুগোনিয়া’, ‘মার্টি সুপ্রিম’, ‘নো আদার চয়েস’, ‘নুভেল ভাগ’ ও ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা অভিনেত্রী- মোশন পিকচার (ড্রামা): জেসি বাকলি (হ্যামনেট), জেনিফার লরেন্স (ডাই, মাই লাভ), রেনেট রিইনসভ (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), জুলিয়া রবার্টস (আফটার দ্য হান্ট), টেসা থম্পসন (হেডা), ইভা ভিক্টর (সরি, বেবি)। সেরা অভিনেতা-মোশন পিকচার (ড্রামা): জোয়েল এডগারটন (ট্রেন ড্রিমস), অস্কার আইজ্যাক (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), ডোয়াইন জনসন, (দ্য স্ম্যাশিং মেশিন), মাইকেল বি. জর্ডান (সিনার্স), ওয়াগনার মৌওরা (দ্য সিক্রেট এজেন্ট) জেরেমি অ্যালেন হোয়াইট (স্প্রিংস্টিন: ডেলিভার মি ফ্রম নোহয়ার)। সেরা অভিনেত্রী- মোশন পিকচার (মিউজিক্যাল/কমেডি): রোজ বার্ন, (ইফ হ্যাড লেগস আই উড কিক ইউ), সিনথিয়া এরিভো (উইকেট: ফর গুড), কেট হাডসন (সং সাং ব্লু), চেজ ইনফিনিটি, (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), আমান্ডা সেফ্রিড (দ্য টেস্টমেন্ট অব অ্যান লি), এমা স্টোন (বুগোনিয়া)। সেরা অভিনেতা- মোশন পিকচার (মিউজিক্যাল/কমেডি): টিমোথি শ্যালামে (মেরি সুপ্রিম), জর্জ ক্লুনি (জে কেলি), লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), ইথান হক (ব্লু মুন), লি বাইয়ুং-হান (নো আদার চয়েজ), জেসি প্লেমনস (বুগোনিয়া)। সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী (মোশন পিকচার্স): এমিলি ব্লান্ট (দ্য স্ম্যাশিং মেশিন), এলি ফ্যানিং (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), আরিয়ানা গ্র্যান্ডে (উইকড: ফর গুড), ইঙ্গা ইবসডটার লিলিয়াস (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), অ্যামি ম্যাডিগান (উইপন্স), টেয়ানা টেলর (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার)। সেরা পার্শ্ব অভিনেতা (মোশন পিকচার্স): বেনিসিও দেল তোরো (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), জ্যাকব এলোর্ডি (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), পল মেসকাল (হ্যামনেট), শন পেন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), অ্যাডাম স্যান্ডলার (জে কেলি), স্টেলান স্কারসগার্ড (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু)। সেরা পরিচালক (মোশন পিকচার): পল থমাস অ্যান্ডারসন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), রায়ান কুগলার (সিনার্স), গিয়ের্মো দেল তোরো (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), জাফর পানাহি (ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট), ইয়েকিম ত্রিয়ারের (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু) ক্লোয়ি ঝাও (হ্যামনেট)। সেরা চিত্রনাট্য: পল থমাস অ্যান্ডারসন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), রোনাল্ড ব্রনস্টাইন, জশ সাফডি (মার্টি সুপ্রিম) রায়ান কুগলার (সিনার্স), জাফর পানাহি (ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট), এস্কিল ভগট, ওয়াকিম ট্রিয়া (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), ক্লোয়ি ঝাও, ম্যাগি ও’ফ্যারেল (হ্যামনেট)। সেরা সিনেমা (অ্যানিমেটেড): আর্কো, ডেমন স্লেয়ার: কিমেৎসু নো ইয়াইবা ইনফিনিটি ক্যাসেল, এলিও, কেপপ ডেমন হান্টার্স, লিটল অ্যামেলি অর দ্য ক্যারেক্টার অব রেইন, জুটোপিয়া টু সেরা বিদেশি ভাষার সিনেমা: ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট, নো আদার চয়েস, দ্য সিক্রেট এজেন্ট, সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু, সিরাত, দ্য ভয়েস অব হিন্দ রজব। সেরা ড্রামা সিরিজ: দ্য ডিপ্লোম্যাট, দ্য পিট, প্লুরিবাস, সেভেরেন্স, স্লো হর্সেস, দ্য হোয়াইট লোটাস। সেরা মিউজিক্যাল/কমেডি সিরিজ: অ্যাবট এলিমেন্টারি, দ্য বিয়ার, হ্যাকস, নোবডি ওয়ান্টস দিস, অনলি মাডার্স ইন দ্য বিল্ডিং, দ্য স্টুডিও। সেরা টিভি অভিনেত্রী (ড্রামা সিরিজ): ক্যাথি বেটস (ম্যাটলক), ব্রিট লাওয়ার (সেভারেন্স), হেলেন মিরেন (মবল্যান্ড), বেলা রামসেট (দ্য লাস্ট অব আস), কেরি রাসেল (দ্য ডিপ্লোম্যাট), রিয়া সিহর্ন (প্লুরিবাস)। সেরা অভিনেতা (ড্রামা সিরিজ): স্টার্লিং কে. ব্রাউন (প্যারাডাইস), ডিয়েগো লুনা (অ্যান্ডর), গ্যারি ওল্ডম্যান (স্লো হর্সেস), মার্ক রাফেলো (টাস্ক), অ্যাডাম স্কট (সেভারেন্স), নোয়া ওয়াইল (দ্য পিট)।
তোপের মুখে গায়িকা নেহা কক্কর

তোপের মুখে গায়িকা নেহা কক্কর বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা নেহা কক্কর তার একটি লাইভ স্টেজ পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সম্প্রতি একটি কনসার্টে গান গাওয়ার সময় নেহার অঙ্গভঙ্গি এবং নিজের শরীরে পানি ঢালার একটি ভিডিও নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ একে ‘সাহসী পারফরম্যান্স’ বললেও অনেকে একে ‘অশোভন’ ও ‘সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার চেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, নেহা কক্কর লেপার্ড-প্রিন্টের একটি আঁটসাঁট পোশাকে মঞ্চে গান গাইছেন। পারফরম্যান্সের এক পর্যায়ে তিনি একটি পানির বোতল তুলে নেন এবং নিজের শরীরের উপরিভাগে ঢেলে দেন। এই দৃশ্যটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। নেহার এই বিশেষ কোরিওগ্রাফি ঘিরেই মূলত বিতর্কের সূত্রপাত। টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে ইতোমধ্যে ভিডিওটি ১ কোটির বেশি মানুষ দেখেছেন। নেটদুনিয়ায় সমালোচনার ঝড় এই ঘটনায় নেটনাগরিকদের একাংশ নেহার কঠোর সমালোচনা করছেন। অনেকের মতে, একজন কণ্ঠশিল্পী হিসেবে গানের চেয়ে শরীরী প্রদর্শনীতেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। সমালোচকদের একজন লিখেছেন, ‘সুরের রানি থেকে এমন পর্যায়ে নেমে আসা দুঃখজনক।’ অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভাইরাল হওয়ার নেশায় নিজের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করছেন নেহা।’ তবে নেহার ভক্তরা বরাবরের মতোই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের মতে, এটি কেবলই মঞ্চের উন্মাদনা এবং আন্তর্জাতিক মানের পারফরম্যান্সের অংশ। পুরোনো বিতর্ক নেহা কক্করের এমন বিতর্কিত কাণ্ড এবারই প্রথম নয়। এর আগেও মঞ্চে বেলি ডান্স বা সাহসী অঙ্গভঙ্গি করে তিনি একাধিকবার আলোচনায় এসেছেন। যদিও বরাবরই তিনি নিজের এই ‘সাহসী’ ইমেজ বজায় রাখতে পছন্দ করেন, তবে এবারের ঘটনাটি সামাজিক রুচিবোধের প্রশ্নে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।