প্রকাশ্যে আনলেন কিয়ারা সন্তানের নাম

প্রকাশ্যে আনলেন কিয়ারা সন্তানের নাম চলতি বছরের জুলাইয়ে কন্যাসন্তানের মা-বাবা হন কিয়ারা আদভানি ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তারপর থেকে এই তারকা জুটির ভক্তদের প্রশ্ন ছিল, কন্যাসন্তানের নাম কী রাখলেন তারা? সেসময় অনুরাগীদের থেকে এসেছিল বেশ কয়েকটি নামের পরামর্শ। কেউ বলেছিলেন, সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার নাম যোগ করে সন্তানের নাম হবে ‘সিয়ারা’। অবশেষে সন্তানের নাম প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী।আজ শুক্রবার ২৮ নভেম্বর সকালে সামাজিকমাধ্যমে মেয়ের পায়ের ছবি শেয়ার করেছেন কিয়ারা ও সিড। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাদের কন্যার নাম রেখেছেন সারায়াহ মালহোত্রা। এরপর কিয়ারা লেখেন, ‘আমাদের প্রার্থনা থেকে আমাদের কোলে। আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ- আমাদের রাজকন্যা। সারায়াহ নামের নেপথ্যে কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা প্রকাশ্যে আনেননি সিদ্ধার্থ বা কিয়ারা কেউই। তবে জানা গেছে, হিব্রু ভাষায় ‘সারাহ’ নামের অর্থ রাজকন্যা। সেখান থেকেই এই নাম এসেছে বলে অনুমান অনুরাগীদের। তাদের এই নাম বেশ পছন্দ হয়েছে। তবে কন্যার মুখ এখরো প্রকাশ্যে আনেননি তারকা দম্পতি।‘শেরশাহ’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে প্রেম শুরু হয়েছিল সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার। ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন তারা।

গিটারিস্ট সেলিম হায়দারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রুনা লায়লা

গিটারিস্ট সেলিম হায়দারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রুনা লায়লা   দেশের নন্দিত গিটারিস্ট সেলিম হায়দার মারা গেছেন। ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে  ২৭ নভেম্বর রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস করেন। ৬৯ বছরের জীবনে ৫১ বছর গিটারের সঙ্গে কাটিয়েছেন সেলিম হায়দার। দেশের প্রখ্যাত বেশিরভাগ শিল্পীর সঙ্গে বাজিয়েছেন এই মিউজিশিয়ান। এ তালিকায় রয়েছেন গুণী সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। গিটারিস্ট সেলিম হায়দারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) এ শিল্পী তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন। রুনা লায়লা বলেন, “বাংলাদেশ আজ একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান সংগীতশিল্পীকে হারাল। গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমার সঙ্গে বাজিয়েছেন তিনি। আমরা প্রায় পুরো পৃথিবী ঘুরে একসঙ্গে কনসার্ট করেছি। আমার ব্যান্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন এবং প্রতিটি সংগীতাংশ ও গান নিখুঁতভাবে মনে রাখতেন। কাজের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত ছিলেন তিনি। অসুস্থ হায়দারের খোঁজখবর নিতেন রুনা লায়লা। তা জানিয়ে এই শিল্পী বলেন, “আমি জানতাম তিনি অসুস্থ, তাই মাঝে মাঝে খোঁজ নিতাম এবং আশা করতাম, প্রার্থনা করতাম তিনি শিগগরি সুস্থ হয়ে আবার আমার কনসার্টে বাজাবেন। কিন্তু তা আর হলো না। আমি সেলিম হায়দারকে খুব তাড়াতাড়ি হারালাম। হায়দারকে হারিয়ে স্তব্ধ রুনা লায়লা বলেন, “আমি স্তব্ধ ও আমার হৃদয়ে ভেঙে গেছে; তার অকাল প্রয়াণে কোনো সান্ত্বনা খুঁজে পাচ্ছি না। আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুন এবং তার রুহের মাগফিরাত দান করুন। আমিন। এক মাস আগে সেলিম হায়দারের প্রোস্টেট ক্যানসার শনাক্ত হয়। এরপর নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ৩১ অক্টোবর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সেলিম হায়দারকে। ২৪ নভেম্বর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। ২৭ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেলিম হায়দার মূলত লিড গিটারিস্ট ছিলেন। তবে বেজ ও রিদম গিটার, অ্যাকুস্টিক ড্রামস এবং কিবোর্ডেও পারদর্শী ছিলেন। ফিডব্যাক প্রতিষ্ঠার বাইরেও দেশের বেশির ভাগ শিল্পীর সঙ্গেই গিটার বাজিয়েছেন। সেলিম হায়দারের সংগীত পরিচালনায় দুটি জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে—ফিডব্যাকের ‘এইদিন চিরদিন রবে’ ও ‘ঐ দূর থেকে দূরে’।

রেট্রো লুকে আলিয়া, নতুন অবতারে রণবীর

রেট্রো লুকে আলিয়া, নতুন অবতারে রণবীর বলিউডের অন্যতম নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বনশালি মানেই পর্দায় রাজকীয় কারবার। তার আসন্ন সিনেমা ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের পারদ তাই আগে থেকেই উঁচুতে। আলিয়া ভাট, রণবীর কাপুর ও ভিকি কৌশল এই ত্রয়ীকে এক ফ্রেমে দেখার অপেক্ষায় দিন গুনছেন সিনেমাপ্রেমীরা। সেই অপেক্ষার মাঝে শুটিংয়ের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে আলিয়ার রেট্রো লুক আর রণবীরের নতুন অবতার নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে চলছে আলোচনা। সম্প্রতি আইফার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল থেকে শেয়ার করা বেশ কিছু ছবিতে দেখা যায়, শুটিংয়ের ফাঁকে দৃশ্যের মহড়া দিচ্ছেন রণবীর ও আলিয়া। পাশেই দাঁড়িয়ে কড়া নির্দেশনায় ব্যস্ত পরিচালক বনশালি। ছবিতে আলিয়ার সাজপোশাকে ফুটে উঠেছে আশির দশকের ধ্রুপদী নায়িকাদের ছায়া। তার এই লুক দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। অনেকেই আলিয়ার মাঝে খুঁজে পাচ্ছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের প্রতিচ্ছবি। এক অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, ‘দুজনকে দেখে যেন রাজ কাপুর আর শর্মিলা ঠাকুর মনে হচ্ছে।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘বনশালির ম্যাজিক দেখার জন্য আর তর সইছে না।’ রণবীর কাপুর এই ছবিকে নিজের ‘ড্রিম প্রজেক্ট’ হিসেবেই দেখছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, বনশালির সেটে কাজ করা শারীরিকভাবে ক্লান্তিকর হলেও, শিল্পী হিসেবে তা পরম তৃপ্তির।

বিয়ে বাড়িতে গেয়ে কত নিলেন জেনিফার লোপেজ?

বিয়ে বাড়িতে গেয়ে কত নিলেন জেনিফার লোপেজ? জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা জেনিফার লোপেজ ভারতের উদয়পুরে অনুষ্ঠিত একটি জমকালো বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পারফর্ম করে বেশ আলোচনায় এসেছেন। ইউএস-ভিত্তিক ব্যবসায়ী রামা রাজু মানতেনার মেয়ে নেত্রা মানতেনা এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ভামসি গাদিবাজুর বিয়েতে তার পরিবেশনার ভিডিওগুলো সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এবার তার পারিশ্রমিকের অঙ্ক সামনে এসেছে। ‘পেজ সিক্স’ এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫৬ বছর বয়সী এই শিল্পীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে লোপেজ কোনো কনসার্টে নয়, বরং ব্যক্তিগত একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন। সেখানে গান পরিবেশন করে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৭ কোটি ৮৬ লাখ (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ কোটি) টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন। পারফরম্যান্সে জেনিফার লোপেজ তার জনপ্রিয় গান, যেমন- ‘ওয়েটিং ফর টুনাইট’, ‘গেট রাইট’ ইত্যাদি পরিবেশন করেন। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে তার প্রাণবন্ত পরিবেশনা ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পারফরম্যান্স শেষে তিনি নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গ্লাস তুলে বলেন, “এই সুন্দর দিনে এই পরিবারগুলো একত্রিত হোক, এবং ঈশ্বর আমাদের সকলকে আশীর্বাদ করুন।” এদিকে জেনিফারের বিয়ে বাড়িতে অনুষ্ঠান ঘিরে এক বিতর্কও তৈরি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে হয়েছে তার পোশাক নিয়ে আলোচনা। বিশেষ করে ভারতের বিয়ের অনুষ্ঠানে ছোট পোশাক পরিধানকে ভালোভাবে নেয়নি অনেক নেটিজেনরাই। এদিন শিল্পীর পরনে ছিল একটি স্ফটিক-খচিত হাই-কাট বডিস্যুট, ম্যাচিং জ্যাকেট এবং হাঁটু সমান বুট। এই বিয়েতে জেনিফার লোপেজ ছাড়াও বিশ্বের আরও কয়েকজন বিখ্যাত ডিজে এবং সংগীতশিল্পী পারফর্ম করেছেন, যার মধ্যে রয়েছেন ডিজে টিয়েস্টো ও ব্ল্যাক কফি। এছাড়াও বলিউড থেকে রণবীর সিং, শাহিদ কাপুর, কৃতি স্যানন এবং জাহ্নবী কাপুরের মতো তারকারাও পারফর্ম করেন। বিয়েতে কনে নেত্রা মানতেনা হলেন অরল্যান্ডোভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি ইনজেনাস ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান ও সিইও রাম রাজু মানতেনার কন্যা। যদিও কিছু প্রতিবেদনে তাকে বিলিয়নিয়ার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে ফোর্বসের বিলিয়নিয়ার তালিকায় তার নাম নেই। অন্যদিকে, বর ভামসি গাডিরাজু একজন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং তার কোম্পানির আনুমানিক মূল্য ১৮ থেকে ২৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২০৮ কোটি টাকা)। তিনি ২০২৪ সালে ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন।

ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে কেন দেখা করতে দেননি মুমতাজকে?

ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে কেন দেখা করতে দেননি মুমতাজকে? গত ২৪ নভেম্বর ৮৯ বছর বয়সে মারা যান বলিউডের বর্ষীয়াণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তার আগে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ধর্মেন্দ্র। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় সহশিল্পী ধর্মেন্দ্রকে দেখতে গিয়েছিলেন বরেণ্য অভিনেত্রী মুমতাজ। কিন্তু ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি তাকে। কেন দেখা করতে পারেননি তা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুমতাজ। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে মুমতাজ বলেন, “আমি তাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। কিন্তু স্টাফরা বললেন, ‘তিনি ভেন্টিলেটরে আছেন, কাউকেই দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না।’ আমি সেখানে ৩০ মিনিট বসেছিলাম, আশা করছিলাম হয়তো দেখা করতে পারব, কিন্তু পারিনি। শেষ পর্যন্ত দেখা না করেই ফিরে আসি।” শেষবার ধর্মেন্দ্রকে না দেখতে পেরে কষ্ট ও গভীর হতাশা নিয়ে ফিরেন মুমতাজ। ২০২১ সালে ধর্মেন্দ্রর বাসভবনে শেষ সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “২০২১ সালে বাসায় গিয়ে আমি তার সঙ্গে শেষবার দেখা করি। খুবই সুন্দর ছিল সেই সাক্ষাৎ। সেটাই ছিল আমাদের শেষ দেখা।” প্রবীণ এই অভিনেত্রী ধর্মেন্দ্রর পরিবার, বিশেষ করে তার স্ত্রী হেমা মালিনী প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, “আমি তার পরিবার আর হেমাজির জন্য খুব কষ্ট পাচ্ছি। হেমাজি সবসময় তার প্রতি নিবেদিত ছিলেন। নিশ্চয়ই তিনি গভীরভাবে এই শোক অনুভব করছেন। সত্যিই তিনি ধর্মেন্দ্রর প্রেমে পড়েছিলেন।” ধর্মেন্দ্রর ব্যক্তিত্ব ও কর্মজীবন নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মুমতাজ বলেন, “আমরা কয়েকটি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছি। সবসময়ই দারুণ একজন সহ-অভিনেতা ছিলেন। অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন, তার সোনার মতো হৃদয় ছিল। খুবই মিশুক, বন্ধুসুলভ, সবার সঙ্গে যুক্ত থাকতেন তিনি। শেষ পর্যন্তও মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালোই ছিল। মানুষ তাকে ভালোবাসত, আর সবসময়ই ভালোবাসবে। তিনি ছিলেন একজন কিংবদন্তি, যাকে ভুলে থাকা অসম্ভব।”

স্বামীকে হারিয়ে হেমা বললেন, আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব

স্বামীকে হারিয়ে হেমা বললেন, আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব গত ২৪ নভেম্বর মুম্বাইয়ের বাসভবনে মারা গেছেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তার মৃত্যুর পর পারিবারিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আজ ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী অভিনেত্রী হেমা মালিনী আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন। প্রিয় মানুষকে হারিয়ে মানসিকভাবে কতটা বিধ্বস্ত তারই এক লিখিত দলিল যেন এটা। মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে (টুইটার) ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে তোলা ছবি পোস্ট করে হেমা মালিনী লেখেন, “ধর্মজি, আমার কাছে অনেক কিছু ছিলেন। স্নেহময় স্বামী, আমাদের দুই মেয়ে এশা ও অহনার আদুরে বাবা, বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি—প্রয়োজনে সবসময় যার কাছে ছুটে যেতাম—আসলে তিনি আমার সবকিছুই ছিলেন! সুখ–দুঃখের প্রতিটি মুহূর্তে তিনি পাশে থেকেছেন। সহজ-সরল, বন্ধুসুলভ স্বভাব, স্নেহ ও আন্তরিকতার জন্য পরিবারের সকলের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন।” ধর্মেন্দ্র চিরস্মরণীয় হয়ে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে হেমা মালিনী লেখেন, “জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে, তার প্রতিভা, জনপ্রিয়তা থাকার পরও তার বিনয়, সবার হৃদয়ে ছড়িয়ে থাকা সার্বজনীন আবেদন—এসবই তাকে সকল কিংবদন্তির মাঝে অনন্য এক আইকনে পরিণত করেছে। চলচ্চিত্রজগতে তার চিরস্থায়ী খ্যাতি ও কৃতিত্ব চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।” ব্যক্তিগত ক্ষতির বিষয় উল্লেখ করে হেমা মালিনী লেখেন, “আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। আর যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা আমার বাকি জীবনে থেকে যাবে। বহু বছর একসঙ্গে পথচলার পর, বিশেষ মুহূর্তগুলো স্মরণ করতে করতে, অসংখ্য স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে।” বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনীর রূপ আর অভিনয়ের প্রেমে কে পড়েননি! ১৯৭০ সালে ‘তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্র। এ সিনেমার শুটিং সেটে তাদের প্রথম দেখা হয়। তারপর হেমার প্রেমে উন্মাদ হয়ে উঠেন বিবাহিত ধর্মেন্দ্র। সব দ্বিধা উড়িয়ে সময়ের সঙ্গে দুজনেই মনের বিনিময় করেন। ১৯৭৯ সালের ২১ আগস্ট বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন হেমা মালিনী-ধর্মেন্দ্র; বিয়ের মোহরানা ধার্য করেন ১ লাখ ১১ হাজার রুপি। ১৯৮০ সালের ২ মে, আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের ঘোষণা দেন এই প্রেমিক যুগল। এ সংসারে জন্ম নেয় দুই কন্যা—এশা দেওল ও অহনা দেওল। তারপর সময় অনেক গড়ায়, শেষ পর্যন্ত অটুট ছিল ধর্মেন্দ্র-হেমার ভালোবাসা! এ জুটির প্রেমজীবন সিনেমাকেও হার মানায়।

জোড়া সিনেমায় জুটি বাঁধছেন আদর-অপু

জোড়া সিনেমায় জুটি বাঁধছেন আদর-অপু ঢাকাই সিনেমার বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আদর আজাদ। একের পর এক নতুন জুটি ও অভিনয় ধারায় দর্শককে চমক দিয়ে চলেছেন। বুবলী ও পূজা চেরির সঙ্গে সফলভাবে কাজ করার পর এবার বড়সড় চমক—প্রথমবারের মতো ‘ঢালিউড কুইন’ অপু বিশ্বাসের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন এই নায়ক। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, একসঙ্গে দুটি নতুন সিনেমায় দেখা যাবে আদর–অপুকে। ইতিমধ্যে প্রাথমিক সব আলোচনা শেষ এবং সিদ্ধান্তও ‘চূড়ান্ত’। খুব দ্রুতই শুটিং ফ্লোরে গড়াবে প্রথম সিনেমার কাজ। কিছুদিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও আসবে। সূত্রটি আরও জানায়, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও নির্মাতারা দুই সিনেমার কাজ নিয়েই ব্যস্ত প্রস্তুতি চালাচ্ছেন। গল্প, বাজেট, লোকেশন—সবকিছু প্রায় চূড়ান্ত। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আদর আজাদ ও অপু বিশ্বাস দুজনেই এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। আলোচনার সত্যতা স্বীকার না করলেও গুঞ্জন থামছে না। সম্প্রতি আদর শেষ করেছেন ‘পিকনিক’ ও ‘ট্রাইব্যুন্যাল’ সিনেমার কাজ। অন্যদিকে অপু বিশ্বাসও একাধিক নতুন প্রজেক্টের প্রস্তুতি হিসেবে ওজন কমিয়ে, একেবারে নতুন লুকে হাজির হয়েছেন। তার অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ‘ট্র্যাপ’ মুক্তি পেয়ে আলোচনায় আসে। আর আদরের সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘টগর’–এ তার সহশিল্পী ছিলেন পূজা চেরি। নতুন জুটি হিসেবে আদর আজাদ ও অপু বিশ্বাস দর্শকদের মন জয় করতে পারেন কি না—তা এখন দেখার বিষয়।

স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে মামলা, ৫০ কোটির দাবি সেলিনার

স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে মামলা, ৫০ কোটির দাবি সেলিনার বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক মিস ইন্ডিয়া সেলিনা জেটলি তার স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন । গত ২১ নভেম্বর মুম্বাইয়ের আদালতে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইনের ২(এ) ধারায় মামলাটি দায়ের করেছেন তিনি। মঙ্গলবার বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট এস সি তাডয়ের আদালতে মামলার আবেদন শুনানি হয়। পরে পিটার হাগকে নোটিশ পাঠান আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১২ ডিসেম্বর।হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলার অভিযোগপত্রে ৪৭ বছর বয়সী অভিনেত্রীর উল্লেখ করেন, অস্ট্রিয়ান স্বামী পিটার হাগের হাতে গুরুতর মানসিক, শারীরিক, যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি দেশ ত্যাগ করে ভারতে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। তার সন্তানরা অস্ট্রিয়ায় বাবার সাথে বসবাস করছে। এএনআই-এর বরাতে হিন্দুস্তান টাইমস আরও জানও, মুম্বাই আদালতে মামলা করে স্বামীর থেকে ৫০ কোটি রুপি খোরপোশ দাবি করেছেন সেলিনা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৮ কোটির টাকার বেশি। এছাড়া সন্তানদের জন্য মাসিক ১০ লক্ষ রুপি দাবি করেন তিনি। পিটার হাগ একজন অস্ট্রিয়ান উদ্যোক্তা ও হোটেল ব্যবসায়ী। দুবাই ও সিঙ্গাপুরের স্বনামধন্য হোটেল চেইনে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দুবাইয়ের ইমার হসপিটালিটি গ্রুপে মার্কেটিং ও ম্যানেজমেন্টের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। ২০১১ সালে সেলিনা জেটলির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আগে থেকে তিনি হোটেল শিল্পে প্রতিষ্ঠিত। এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে সেলিনা জানান, দুবাইয়ে এক ইভেন্টে প্রথম দেখা হয় তাদের। ভারতীয় একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের স্টোর ওপেনিংয়ে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেলিনা। সেখানে পারিবারিক এক বন্ধু তাকে পিটার হাগের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। সেলিনা বলেন, ‘ওই মুহূর্তে তাকে দেখে মনে হয়েছিল, মানুষটা আমার স্বামী হওয়ার যোগ্য। আমরা তখন কথা বলিনি, তবে পরে তার সঙ্গে আলাপ হয়। পিটারের ভদ্রতা ও কোমল স্বভাব দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। ২০১০ সালে সেলিনার পরিবারকে দেখতে পিটার ভারত আসেন। এক সন্ধ্যায় তারা বাইরে ঘুরতে গেলে পিটার তাকে শাড়ি পরতে বলেন। সে রাতেই পিটার হাগ তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন। ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের বাসায় পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতে তাদের আংটি বদল হয়। ২০১১ সালে তারা বিয়ে করেন এবং ২০১২ সালে যমজ সন্তানের মা–বাবা হন। পাঁচ বছর পর সেলিনা আবার যমজ সন্তানের জন্ম দেন, যার একজন হৃদরোগে মারা যায়। গত বছরও সেলিনা জেটলি স্বামীকে নিয়ে ভালোবাসায় ভরা একাধিক ছবি পোস্ট করেন। কিন্তু এক বছর পর স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগে মামলা করলেন তিনি।

দেবের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে যা বললেন রুক্মীণী

দেবের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে যা বললেন রুক্মীণী ভারতীয় বাংলা সিনেমার তারকা অভিনেতা ও তৃণমূলের সংসদ সদস্য দেব। রাজনীতি ও চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে বিয়াল্লিশের দেব এখনো অবিবাহিত। যদিও চিত্রনায়িকা রুক্মিণী মৈত্রর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের খবর কারো অজানা নয়। সুযোগ পেলেই রুক্মিণীকে নিয়ে অবসর কাটাতে বিদেশে উড়ে যান দেব। তার ভক্ত-অনুরাগীরাও চান তাদের প্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী বিয়ে করুক। দেবের বাবা-মাও চান ছেলে বিয়ে করুক। এ নিয়ে নানা সময়ে নানা ধরনের পরিস্থিতিতে প্রসঙ্গ যেমন এড়িয়ে গিয়েছেন, তেমনি নানা মন্তব্যও করেছেন দেব-রুক্মিণী। সংগীত বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবার মুখ খুললেন এই অভিনেত্রী। রুক্মিণী মৈত্র বলেন, “যে দিন আমাদের সবাই প্রশ্ন করা বন্ধ করে দেবেন, সেদিন আমরা সকলকে চমকে দেব। তখন সবাই আশ্চর্য হয়ে যাবেন। কিন্তু বলা যায় না, বিয়ে কার কপালে কখন, কার সঙ্গে (এ কথা বলেই জিভ কাটেন নায়িকা)। ২০২৪ সালে গুগল সার্চ করে অনুরাগীরা চমকে গিয়েছিলেন। কারণ সেখানে লেখা ছিল দেব বিবাহিত! ২০২১ সালের ৬ মে রুক্মিণীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।   কেবল তাই নয়, তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। সাক্ষাৎকারে দেবকে প্রশ্ন করা হয়ছিল, দেব কি টলিউডের সালমান খান? ভাইজানের মতো তিনিও কি সারা জীবন একাই জীবন কাটানোর মন স্থির করেছেন? জবাবে দেব বলেছিলেন, “আমি কোনো খান হতে চাই না। দেব হয়েই বেশ ভালো আছি। যেখানে আছি, যার সঙ্গে আছে বেশ ভালোই আছি। তবে এই নয় যে, আমি একা ব্যাচেলর লাইফ লিড করব। রুক্মিণীকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে দেব বলেছিলেন, “বিয়ে হলো ভাগ্যের ব্যাপার। তবে এই নয় যে, আমি বিয়ে করতে চাই না। অবশ্যই করব। একটা প্ল্যান চলছে, খুব শিগগির সবাই জানতে পারবেন। দেবের তার হাত ধরে রুপালি জগতে পা রাখেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। দেবের সঙ্গে জুটি বেঁধে সবচেয়ে বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। পর্দার রসায়ন ব্যক্তিগত জীবনেও গড়িয়েছে। চুটিয়ে প্রেম করছেন তারা। ২০১৭ সালে ‘চ্যাম্প’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন রুক্মিণী। অভিষেক চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক দেবের সঙ্গে জুটি বেঁধে পর্দায় হাজির হন। তারপর ‘ককপিট’, ‘কবীর’, ‘কিডন্যাপ’, ‘পাসওয়ার্ড’, ‘ব্যোমকেশ ও দূর্গরহস্য’ প্রভৃতি সিনেমায় জুটিবদ্ধ হন তারা।

বিয়েতে নাচতে কত টাকা নেন শাহরুখ–সালমান–ক্যাটরিনারা?

বিয়েতে নাচতে কত টাকা নেন শাহরুখ–সালমান–ক্যাটরিনারা? ভারতের উদয়পুরে শিল্পপতি রাজু মন্টেনার কন্যা নেত্রা মন্টেনার বিয়ের আসর বসেছে। সেই বিয়েকে ঘিরে নানা মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও এখন সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ছড়িয়ে পড়া এসব দৃশ্যেই দেখা যাচ্ছে বিয়েতে জমেছে বলিউড তারকাদের মেলা। রণবীর সিং থেকে জাহ্নবী কাপুরঅনেকেই সেখানে নেচেছেন। তবে এ আয়োজন প্রথম নয়। প্রায়ই নানা ‘হাই প্রোফাইল’ বিয়েতে নিয়মিতই নাচতে দেখা যায় বলিউড তারকাদের। এসব বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচার জন্য কার কত পারিশ্রমিক ধরা আছে? অনন্ত আম্বানির বিয়েতেও রণবীর সিংকে দারুণ নাচতে দেখা গিয়েছিল। প্রায়ই বিয়ের আসরে নাচেন তিনি। শোনা যায়, একটি অনুষ্ঠানে তিনি নেন প্রায় ১ কোটি রুপি বা তার কিছু বেশি। আলিয়া ভাটকেও একসময় নিয়মিতই বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচতে দেখা যেত। যদিও বিয়ের পর তাকে আর তেমন দেখা যায়নি। তবে অনন্ত আম্বানির বিয়েতে স্বামী রণবীর কাপুরের সঙ্গে তিনি নেচেছিলেন। বলা হয়, বিয়ের আসরে নেচে তিনি নেন প্রায় ১.৫ কোটি রুপি। সালমান খান নাচ দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান জমিয়ে তোলেন। তার উপস্থিতিতেই যেন পুরো পরিবেশ বদলে যায়। তিনি নাকি একটি অনুষ্ঠানে নাচার জন্য ২ কোটি রুপি পর্যন্ত পারিশ্রমিক নেন। একসময় বিয়েতে নাচা নিয়ে আপত্তি থাকলেও রণবীর কাপুর নিজেই সেই ধারণা ভেঙেছেন। এখন নাচলে তিনিও নেন প্রায় ২ কোটি রুপি। দীপিকা পাড়ুকোন যেমন ছবিতে নাচে মুগ্ধ করেন, তেমনই বিয়ের মঞ্চেও তার নাচ দর্শক মাতিয়ে দেয়। তার পারিশ্রমিক প্রায় ১ কোটি রুপি। ভিকি কৌশলও নাচেন প্রায় ১ কোটি রুপির বিনিময়ে। তবে ভিকির স্ত্রী ক্যাটরিনা কাইফের পারিশ্রমিক তুলনামূলক অনেক বেশি। বলিউডে ‘শীলা কি জওয়ানি’, ‘চিকনি চামেলি’, ‘কমলি’–সহ বহু হিট নাচের গানের নায়িকা তিনি। ফলে বিয়ের আসরেও মুহূর্তেই পরিবেশ গরম করে ফেলেন ক্যাটরিনা পারিশ্রমিক শোনা যায় প্রায় ৩.৫ কোটি রুপি। এ ছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচতে দেখা যায় বলিউড বাদশা শাহরুখ খানকেও। তিনি নাকি নেন প্রায় ৩ কোটি রুপি। আর অক্ষয় কুমারের পারিশ্রমিক ধরা হয় প্রায় ২.৫ কোটি রুপি।