বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমকে হারানোর ১৬ বছর

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমকে হারানোর ১৬ বছর বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম, যিনি অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা। ভাটি বাংলার এ প্রাণপুরুষ বাউল গানের অনন্য এক কিংবদন্তি। আজ বাউলসঙ্গীতের এই পথিকৃতের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৯ সালের আজকের এই দিনে অগণিত ভক্তকুলকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম। ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের দিরাই থানার ধলআশ্রম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পিতার নাম ইব্রাহীম আলী ও মাতার নাম নাইওরজান। দারিদ্র ও জীবন সংগ্রামের মাঝে বড় হওয়া বাউল শাহ আবদুল করিমের সঙ্গীত সাধনার শুরু ছেলেবেলা থেকেই। বাউল সম্রাটের প্রেরণা তার স্ত্রী; যাকে তিনি আদর করে ‘সরলা’ নামে ডাকতেন। তিনি গানের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন প্রখ্যাত বাউলসম্রাট ফকির লালন শাহ, পুঞ্জু শাহ এবং দুদ্দু শাহ-এর দর্শন থেকে। যদিও দারিদ্র তাকে বাধ্য করে কৃষিকাজে তার শ্রম ব্যয় করতে কিন্তু কোনো কিছু তাকে গান সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। তিনি বাউল গানের দীক্ষা লাভ করেছেন সাধক রশীদ উদ্দীন, শাহ ইব্রাহীম মাস্তান বকশ এর কাছ থেকে। শরীয়তী, মারফতি, দেহতত্ত্ব, গণসংগীতসহ বাউল গান এবং গানের অন্যান্য শাখার চর্চাও করেছেন শাহ আবদুল করিম। বাংলা একাডেমির উদ্যোগে তার ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। শাহ আবদুল করিমের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে ‘বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে’, ‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’, ‘গাড়ি চলে না’, ‘রঙ এর দুনিয়া তরে চায় না’, ‘তুমি রাখ কিবা মার’, ‘ঝিলঝিল ঝিলঝিল করেরে ময়ুরপংখী নাও’, ‘আমি কূলহারা কলঙ্কিনী’, ‘কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া’ এবং ‘কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু’ অন্যতম। এ পর্যন্ত বাউল শাহ আবদুল করিমের লেখা গানের ৭টি বই প্রকাশিত হয়েছে। তার মৃত্যুর কিছুদিন আগে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে তার রচনাসমগ্র (অমনিবাস)-এর মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো শাহ আবদুল করিমের জীবদ্দশায় তার জীবন ও কর্মভিত্তিক একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। ‘শাহ আবদুল করিম সংবর্ধন-গ্রন্থ’ (উৎস প্রকাশন) নামের এ বইটি সম্পাদনা করেন লোকসংস্কৃতি গবেষক ও প্রাবন্ধিক সুমনকুমার দাশ। পরে শিল্পীর চাওয়া অনুযায়ী ২০০৯ সালের প্রথম দিকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের উদ্যোগে বাউল আব্দুল করিমের সমগ্র সৃষ্টিকর্ম নিয়ে একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এছাড়াও এর আগে-পরে শাহ আবদুল করিমকে নিয়ে সুমনকুমার দাশের ‘বাংলা মায়ের ছেলে : শাহ আবদুল করিম জীবনী’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘সাক্ষাৎকথায় শাহ আবদুল করিম’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘শাহ আবদুল করিম’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিম’ (উৎস প্রকাশন), ‘গণগীতিকার শাহ আবদুল করিম’ (উৎস প্রকাশন) প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালে ঢাকার প্রখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা প্রথমা থেকে প্রকাশিত হয় সুমন কুমার দশের ‘শাহ আবদুল করিম : জীবন ও গান’ বইটি। এ বইটি ইতোমধ্যেই একটি প্রামাণ্য জীবনী হিসেবে বোদ্ধামহলে স্বীকৃতি আদায় করে নিয়েছে। এ বইটিতে করিমের নির্বাচিত বেশ কিছু গানও সংকলিত হয়েছে। বাউল শাহ আব্দুল করিম ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন। শাকুর মজিদ তাকে নিয়ে নির্মাণ করেছেন ভাটির পুরুষ নামে একটি প্রামাণ্য চিত্র। এছাড়াও সুবচন নাট্য সংসদ তাকে নিয়ে নির্মাণ করেছে শাকুর মজিদের লেখা নাটক ‘মহাজনের নাও’।
চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ, কেমন আছেন কারিশমা?

চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ, কেমন আছেন কারিশমা? চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন অভিনেত্রী কারিশমা শর্মা। এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুর্ঘটনার জেরে মাথায় চোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। কেন হঠাৎ চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিলেন, সে কথা নিজেই জানালেন ‘পেয়ার কা পাঞ্চনামা ২’ অভিনেত্রী। সামাজিকমাধ্যমে সেই অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন কারিশমা। তিনি লেখেন, গতকাল, চার্চগেটের উদ্দেশে শুটের জন্য রওনা দিয়েছিলাম। শাড়ি পরে ট্রেনে করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। ট্রেনে উঠেও পড়েছিলাম। তার পরেই খেয়াল করি যে আমার বন্ধুরা উঠতে পারেনি। এ দিকে ততক্ষণে ট্রেনের গতি বেড়ে গেছে। ভয় পেয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিই। দুর্ভাগ্যবশত চিত হয়ে পড়ি, মাথায় প্রচণ্ড জোরে আঘাত পাই। এই অভিনেত্রী জানান, তার শরীরে ক্ষত ভরে গেছে। পিঠে চোট পেয়েছেন, মাথা ফুলে গেছে। কারিশমা যোগ করেন, চিকিৎসকের পরামর্শে এমআরআই করিয়েছি। একটা দিন নজরদারিতে রাখা হয়েছিল আমাকে, মাথার চোট কতটা গুরুতর পরীক্ষা করার জন্য। অনুরাগীদের কাছে নিজের দ্রুত আরোগ্য কামনার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। তার কথায়, গতকাল থেকে আমি খুব যন্ত্রণায় আছি। কিন্তু, শক্ত থাকার চেষ্টা করছি। আমার জন্য প্রার্থনা করবেন, ভালোবাসা পাঠাবেন। ‘হোটেল মিলান’, ‘ফাঁসতে ফাঁসাতে’, ‘উজড়া চমন’, ‘এক ভিলেন রিটার্নস্’র মতো একাধিক জনপ্রিয় সিনেমাতে অভিনয় করেছেন কারিশমা। তাকে দেখা গেছে একাধিক ওয়েব সিরিজ ও হিন্দি ধারাবাহিকেও।
আবারো বিপদে কপিল শর্মা

আবারো বিপদে কপিল শর্মা এইতো কিছুদিন আগে একদল দুর্বৃত্ত কানাডায় কপিল শর্মার ক্যাফেতে গুলি চালায়। সেই দেশ থেকে কপিলকে ব্যবসা গোটানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে একাধিকবার। এবার ফের বিপদের মুখে তিনি। মুম্বাইয়েও শান্তি নেই তার। মুম্বাই নবনির্মাণ সেনার রোষানলের মুখে তারকা। সংগঠনটিরর দাবি, কপিল তার শো-তে মুম্বাইকে একাধিক বার ‘বম্বে’ অথবা ‘বোম্বাই’ বলে অভিহিত করেছেন। তাতেই ক্ষুব্ধ তারা। আবার যদি কপিল মুম্বাইয়ের নাম বিকৃত করেন তা হলে তার শো বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে তারা। নবনির্মাণ সেনার দাবি, ‘‘শহরটার নাম মুম্বাই। সেই নামেই ডাকুন। এটা আপত্তি নয়, এটা ভেতরের ক্ষোভ থেকে বলছি। যদি আপনি বেঙ্গালুরু, কলকাতা, চেন্নাইয়ের ক্ষেত্রে সঠিক উচ্চারণ করতে পারেন, তা হলে মুম্বাই নয় কেন!’’ওই সংগঠনটি এ-ও জানায়, যদি এটা কপিলের অজান্তে করা ভুল হয়, তবে তা যেন তিনি দ্রুত শুধরে নেন। নবনির্মাণ সেনার পক্ষ থেকে অময় খোপেকর বলেন, ‘‘মুম্বাইয়ে এক বছর ধরে কাজ করছেন। এটা আপনার কর্মভূমি। এখানকার মানুষ এত ভালবেসে আপনার অনুষ্ঠান দেখেন। সেই শহরকে, সেখানকার মানুষকে অপমান করছেন! আপনাকে শেষ বার বলছি, শুধরে যান কপিল শর্মা।’’ চলতি বছরের জুন মাস থেকে শুরু হয়েছে কপিল শর্মা শোয়ের নতুন সিজন। তার পর থেকেই একের পর ফাঁড়া যাচ্ছে তার ওপর দিয়ে। যদিও নবনির্মাণ সেনার হুমকির প্রেক্ষিতে কপিলের তরফ থেকে কোনও বিবৃতি মেলেনি।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ালেন শাহরুখ খান

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ালেন শাহরুখ খান বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান বন্যাবিধ্বস্ত ভারতের পাঞ্জাবের মানুষের পাশে দাঁড়ালেন। ‘কিং’ সিনেমার শুটিং কিংবা ছেলে আরিয়ান খানের প্রথম পরিচালিত সিরিজের প্রচারের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, তার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মীর ফাউন্ডেশন’র মাধ্যমে প্রতিনিয়ত মানবসেবায় নিয়োজিত তিনি। গত ৩৭ বছরের মধ্যে এত ভয়াবহ বন্যা দেখেনি পাঞ্জাব। লাগাতার বৃষ্টির কারণে পানির নিচে চলে গেছে পাঞ্জাবের বিস্তীর্ণ এলাকা। জানা গেল, সেখানকার বানভাসি ১৫০০টি পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিং খান। ইতোমধ্যেই ‘মীর ফাউন্ডেশন’ পাঞ্জাবের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উদ্ধার কার্য শুরু করেছে বলে খবর বলিউড মাধ্যম সূত্রে। এছাড়াও বিশুদ্ধ পানি, খাবার, ফোল্টিং কাট, তোষক, মশারিসহ নানা প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিলি করা হচ্ছে শাহরুখের টিমের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি দুস্থদের চিকিৎসার দায়ভারও বহন করছেন কিং খান। শাহরুখ খানের পক্ষে এই পরিষেবা পৌঁছে যাচ্ছে অমৃতসর, পাতিয়ালা, ফজিলকা, ফিরোজপুরসহ পাঞ্জাবের একাধিক বন্যাকবলিত অঞ্চলের ১৫০০ পরিবারের কাছে। কিং খানের ‘মীর ফাউন্ডেশনে’র প্রতিশ্রুতি, বন্যার্ত পরিবারগুলোকে পুণরায় মাথার ওপর ছাদ গড়ে দিতে সাহায্য করা হবে। চলতি মাসের শুরুতে শাহরুখ খান টুইটারে পাঞ্জাবের হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি নিয়ে একটি বার্তা শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘পাঞ্জাবের এই ভয়াবহ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি প্রাণের জন্য আমার হৃদয় ব্যথিত। প্রার্থনা ও শক্তি পাঠাচ্ছ, পাঞ্জাবের আত্মা কখনও ভাঙবে না, সৃষ্টকর্তা তাদের আশীর্বাদ করুন।’
প্রতিটা মুহূর্ত ভয়ে কাটাচ্ছি : সামান্থা

প্রতিটা মুহূর্ত ভয়ে কাটাচ্ছি : সামান্থা নাগা চৈতন্যের সাথে বিচ্ছেদের পর মানসিক এবং শারীরিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠেছেন দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের এক কঠিন অধ্যায়ের কথা সামনে এনেছেন তিনি। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাগা চৈতন্যের সাথে বিচ্ছেদের পর আক্কিনেনি পরিবার সামান্থাকে বিপুল পরিমাণ ভরণপোষণ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত সামান্থা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। কারণ হিসেবে তিনি জানান, সেই কঠিন সময়ে তিনি নাগার সাহচর্য চেয়েছিলেন কিন্তু তা পাননি। নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামান্থা বলেন, ‘আমি ভাবতাম বড় তারকা হতে গেলে বছরে পাঁচটা ছবি করতে হবে। বাণিজ্যসফল ছবি দিতে হবে। বড় তারকাদের তালিকায় নিজেকে রাখতে হবে।’তার কথায়, ‘প্রতি শুক্রবারের সাফল্যের উপর নির্ভর করত আমার জীবন। প্রতি মুহূর্তে ভয় পেতাম, যে কোনো সময় আমার জায়গা হয়ত অন্য কেউ নিয়ে নেবে।’ যদিও ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময় তাকে মানুষ হিসেবে শান্ত করেছে। অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘গত দু’বছর ধরে আমার কোনো ছবি মুক্তি পায়নি। বড় ছবি নেই। কিন্তু আমি ভীষণ আনন্দে আছি।’
বক্স অফিসে কত আয় করল ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’

বক্স অফিসে কত আয় করল ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। এমন সময়ে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ছবিটি জন্ম দিয়েছে ব্যাপক বিতর্কের। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, ছবির পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী ইতিহাসকে বিকৃত করে ভোটের আগে ধর্মীয় উস্কানি ছড়াচ্ছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি সেখানেই মুক্তি পায়নি। অথচ ভারতের অন্যান্য রাজ্যে এটি প্রেক্ষাগৃহে বেশ ভালোভাবেই চলছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, মুক্তির পর বক্স অফিসে ছবিটি কেমন আয় করলো। সিনেমাটির প্রযোজনা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, ষষ্ঠ দিনে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’-এর সংগ্রহ প্রায় ৮৮ লাখ রুপি। ছবিটি ভারতের বক্স অফিসে মোট ৯.৮২ কোটি রুপি আয় করেছে। বিতর্কিত ‘ফাইলস’ ট্রিলজির শেষ কিস্তি হলো ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’, যার আগের দুটি ছবি ছিল ‘দ্য তাশখন্দ ফাইলস’ ও ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’। ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ছবিটি বিবেক অগ্নিহোত্রীর ‘ফাইলস’ ট্রিলজির তৃতীয় ও শেষ কিস্তি। ছবিটিতে মিঠুন চক্রবর্তী, অনুপম খের, পল্লবী যোশী, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় এবং সৌরভ দাসের মতো জনপ্রিয় তারকারা অভিনয় করেছেন। ছবিটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের ওপর নির্যাতনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে বলে নির্মাতাদের দাবি।
অনুপ্রাণিত হওয়ার জন্য গল্প খুঁজছেন আলিয়া

অনুপ্রাণিত হওয়ার জন্য গল্প খুঁজছেন আলিয়া আলিয়া ভাট এখন আর শুধু অভিনেত্রী নন। তিনি একজন প্রযোজকও। আলিয়া ভাট ২০২১ সালে ‘ইন্টারনাল সানশাইন প্রোডাকশন প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা গড়ে তোলেন। সেই ব্যানারের সিনেমা ‘ডার্লিংস’ মুক্তি পায় নেটফ্লিক্সে। বর্তমানে সঞ্চয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’–এর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত আলিয়া। নানা ঘরানার সিনেমায় কাজ করার পরেও এই অভিনেত্রী মনে করেন, তার ঝুলিতে এমন কোনো সিনেমা নেই, যেটা তার মেয়ে রাহা দেখে খুশি হতে পারে। এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে আলিয়া বলেন, ‘‘মানুষকে এমন কিছু করতে হবে, যা নিজেকেই অনুপ্রাণিত করে। আর সে কারণেই নতুন কিছু চেষ্টা করার তাড়া অনুভব করছি।’’ ধারণা করা হচ্ছে, শিগগিরই আলিয়া কমেডি ঘরানার সিনেমায় অভিনয় করবেন। যদিও গল্পকেই প্রাধান্য দিতে চান আলিয়া। আলিয়া বলেন, ‘‘আমি এমন এক গল্প খুঁজছি, যা আমাকে ভেতর থেকে নাড়া দেবে। সিনেমাটি হতে পারে হিন্দি বা ইংরেজি—ভাষা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়, আসল হলো গল্প।’’ উল্লেখ্য, ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’– সিনেমায় আলিয়ার সহশিল্পী রণবীর কাপুর ও ভিকি কৌশল। স্বামী রণবীরের সঙ্গে এটি তার দ্বিতীয় সিনেমা। এর আগে ব্রহ্মাস্ত্র সিনেমাতে দুইজনকে দেখা গিয়েছিলো।
ঐশ্বরিয়ার পর আদালতের দ্বারস্থ অভিষেক

ঐশ্বরিয়ার পর আদালতের দ্বারস্থ অভিষেক স্ত্রীর পর এবার স্বামী। দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন অভিনেতা অভিষেক বচ্চন। সম্প্রতি এই অভিনেতার ঘরণী অভিনেত্রী ঐশ্বরিরা রাই বচ্চনও ব্যক্তি অধিকার রক্ষার আর্জি জানিয়ে আদালতের দারস্থ হয়েছেন। এবার সেই একই দাবি অভিনেতারও। যে কোনও ওয়েবসাইট বা যে কোনও মঞ্চ যেন তার ছবি অনায়াসে ব্যবহার করতে না পারে, এই আর্জি জানিয়েছেন অভিষেক। তার ছবি যেখানে-সেখানে ব্যবহৃত হয়েছে। অনেক সময়ে ছবি ও ভিডিও যৌনতা সংক্রান্ত বিষয়েও ব্যবহার করা হয়, যে কারণে বিরক্ত এই অভিনেতা। তাই নিজের ভাবমূর্তি রক্ষায় পদক্ষেপ নিলেন তিনি। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি তেজস করিয়ার কাছে এই আবেদন করেছেন অভিষেক। আজ এর শুনানি। অভিষেকের আইনজীবী প্রবীণ আনন্দ অভিযোগ করেছেন, অভিষেকের ছবি, ভিডিও, এমনকি স্বাক্ষর পর্যন্ত অবৈধ ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যার ফলে অভিষেকের ভাবমূর্তি খারাপ হচ্ছে। এমনকি মৌলিক অধিকারও লঙ্ঘন হচ্ছে। বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন করেছেন অভিষেক। অভিনেতার মুখ ব্যবহার করে তারা বেশ কিছু পণ্য বিক্রি করছে বলে দাবি। এর আগে ঐশ্বরিয়াও প্রায় একই অভিযোগ এনেছেন। অনলাইনে তার ছবি ব্যবহার করে, কখনও বিকৃত করে বিভিন্ন দুষ্কর্মে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি সাবেক এ বিশ্ব সুন্দরীর। আদালতে তার বক্তব্য শুনেছেন বিচারপতি তেজস করিয়া। অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে এই ধরনের ঘটনা পুণরায় যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে অভিনেত্রীকে আশ্বাস দিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দেন।
আবারও ইউএনডিপির শুভেচ্ছা দূত জয়া আহসান

আবারও ইউএনডিপির শুভেচ্ছা দূত জয়া আহসান জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে তৃতীয়বারের মতো জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে পুনর্নিযুক্ত করা হয়েছে। ২০২২ সালে প্রথমবার এ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি ধারাবাহিকভাবে ইউএনডিপির সঙ্গে কাজ করে আসছেন। তার এই মেয়াদ এখন নবায়ন হয়ে আগামী দুই বছর, অর্থাৎ ২০২৭ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। আজ ঢাকার ইউএনডিপি অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, আগামীতে শুভেচ্ছা দূত হিসেবে জয়া আহসান টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে জনসচেতনতা ও জনসমর্থন বাড়াতে কাজ করবেন। বিশেষ করে দারিদ্র্য হ্রাস, জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং উন্নয়নের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র নিয়ে তিনি প্রচার ও জনসচেতনতা কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন। নতুন দায়িত্ব নিয়ে জয়া বলেন, ইউএনডিপির সঙ্গে এই যাত্রা চালিয়ে যেতে পেরে আমি আনন্দিত। এসডিজি অর্জনের জন্য মাত্র পাঁচ বছর বাকি, তাই এর গুরুত্ব এখন আগের চেয়েও বেশি। এটি আমাদের সবার যৌথ দায়িত্ব, এবং আমিও এই ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেন সবাই মিলে আমরা একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি। ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার তার পুনর্নিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছেন, জয়া আহসানকে আবার আমাদের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে পেয়ে আমরা আনন্দিত। তিনি শুধু একজন খ্যাতনামা শিল্পী নন, বরং সুন্দর ও টেকসই সমাজ গড়ে তোলার জন্য একজন শক্তিশালী প্রতিনিধি। আমি আশা করছি, তার কাজের মাধ্যমে এসডিজি বার্তাকে নাগরিকদের আরও কাছে নিয়ে যাবে।
ইউটিউবে আসছে বাসার-তিশার ‘ফান্দা’

ইউটিউবে আসছে বাসার-তিশার ‘ফান্দা’ নেত্রকোনার ফান্দা গ্রামের বাসিন্দাদের জীবন নিয়ে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘ফান্দা’। এ কে পরাগের পরিচালনায় ‘ফান্দা’ নাটকে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার ও তানজিন তিশা। নাটকটি নিয়ে পরিচালক বলেন, ‘ফান্দা’ নেত্রকোনার একটি গ্রামের নাম। এই নামটা এসেছে ফাঁদ থেকে। কোনো ফাঁদে আটকে যাওয়ার ঘটনা থেকেই এই নামটি দেওয়া। মূলত সেই ফান্দা গ্রামের বাসিন্দাদের জীবন নিয়েই এই নাটকের গল্প। আশা রাখি দর্শক কাজটা দারুণ উপভোগ করবেন। এ নাটকে খলিল চরিত্রে দেখা যাবে খায়রুল বাসারকে। এই অভিনেতার কাছে ‘ফান্দা’ এক রহস্যের গল্প। চরিত্রটি নিয়ে বাসার বলেন, চরিত্রটার এক রহস্যময় চলন আছে। খলিল সরল নিম্নবিত্ত মানুষের প্রতিনিধিত্ব করলেও তার পেশা তার লক্ষ্য, চতুরতা তাকে আলাদা করেছে এই গল্পে। তিনি জানান, গল্পটা পড়ার পরই আমি এক বাক্যে রাজি হয়ে যাই। গল্পটা পড়ে ফান্দার বাসিন্দাদের প্রেমে পড়েছি। জীবনকে একটু সাজাতে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে গিয়ে একটা মানুষকে এক অদ্ভুত বাস্তবতার সঙ্গে পরিচয় করিয়েছে এই গল্প। উল্লেখ্য, আগামীকাল ক্যাপিটাল ড্রামার ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার হবে নাটকটি।